সে ছিল আচারনিষ্ঠ বামুনের ছেলে।তার শবদেহ আগুন পায়নি
আরো অনেকের সাথে এক গর্তে ছুড়ে ফেলা হয়েছিল।
' তোর কোন ভয় নেই। কাক-পক্ষীও টেরটি পাবেনা
আমার বাবা শান্তিকমিটির হর্তাকর্তা এলাকার
এ বাড়ীতেই তুই সর্বাধিক নিরাপদে থাকতে পারবি
নিশ্চিন্তে ঘুমা--
সময়ে যেখানে যাবার ঠিকই চলে যাবি।'
শেষরাতে অপারেশনে যেতে হবে---
ওপার বাংলার ট্রেনিং-ক্যাম্প থেকে লুকিয়ে দেশের ভেতরে ঢোকা
বন্ধুকে খুঁজে বের করা। আশ্রয় নেয়া।
ঘুমের কি দোষ?
ক্লান্তি--বন্ধুত্বের অঙ্গীকারের নির্ভরতা
তাকে নিশ্চিন্ত-নিবিড় ঘুমের কোলে ঠেলে দিয়েছিল।
মাঝরাতে দুপ দাপ বুটের আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে গেলে
কিছু আর করার ছিলনা---
দম দেওয়া ঘড়িটিতে ঠিক সে সময়ে
অপারেশন-প্রস্তুতি-সময় ঘোষিত হয়েছিল।
সবুট লাথি আর বেয়োনেটের খোঁচায় ঠেলতে ঠেলতে
গাড়ীতে তোলার সময়ে
'আমিন'-নামের সেই বিশ্বাসহন্তাটিকে আশেপাশে দেখা যায়নি।
স্বাধীনতার বিশ বছর পর--
শহীদের একমাত্র মধ্যবয়সী বোন
স্বাধীন বাংলার স্বাধীন ক্যাডার বাহিনীর কাছে
সম্ভ্রম জমা দিয়ে গ্রামছাড়া হয়েছিল।বিচার পায়নি।
বিশ্বাসঘাতক আমিনের বিচার হয়নি।
এই ধর্ষকদেরও বিচার হয়না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

