ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে কমিশনারদের স্থান চেয়ে মন্ত্রী পরিষদ সচিবের কাছে দুদকের চিঠি। চিঠিতে বলা হয়েছে সরকারের পদমর্যাদাক্রম তালিকায় (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদমর্যাদা উল্লেখ না থাকায় তারা যথাযথ সম্মান পান না। এ সংস্থার চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারকে ‘প্রটোকল’ অনুযায়ী সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি দুুদকের পতাকাবাহী গাড়ি চলাচল নির্বিঘ করতে পুলিশের মহা পরিদর্শককেও চিঠি দেওয়া হয়েছে আলাদাভাবে।
এ বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেন, “দুদক একটি সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এর মর্যাদা ও সম্মান রয়েছে। এ বিষয়টা স্মরণ করিয়ে দিতেই চিঠি দেওয়া।”
সম্প্রতি দুদকের কমিশনাররা বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানে গিয়ে যথাযথ মর্যাদা পাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এটা আমাদের জন্য লজ্জার।”
কিছুদিন আগে আরেক কমিশনার বিদেশে যাওয়া সময় তাকে বিমানবন্দরের ভিআইপিদের জন্য বরাদ্দ এক নম্বর লাউঞ্জ ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। অথচ পদমর্যাদা অনুযায়ী তিনি সেখানে বসতে পারেন।
গত বছরের ২৫ জুলাই বঙ্গবভবনে প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধীকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানেও দুদক কমিশনারদের গাড়ি নিয়ে প্রবেশে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
ওইদিন প্রয়াত ইন্দিরার পক্ষে তার পুত্রবধূ সোনিয়া গান্ধী রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন।
দুদক কর্মকর্তা আরো জানান, গাড়িতে সংস্থার পতাকা থাকলেও চলাচলের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের। ট্রাফিক সিগন্যালে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয় তাদের গাড়ি। পাশাপাশি প্রটোকল অনুয়ায়ী সম্মানও দেখানো হয় না।
চিঠি দিয়ে হয়ত সরকারী সম্মান আদায় করতে পারবেন কিন্তু জনগনের সম্মান আদায় করতে সততা ও নিরপেক্ষতার সাথে কাজ করতে হবে। সেই বিষয়ে দুদকের অবস্থান সম্পর্কে দুদকের চেয়ারম্যান যদি উদ্দ্যেগি হতেন তবে দেশের অনেক উপকার হতো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

