আমার প্রিয় পোস্ট

বড়াইগ্রাম(নাটোর) উপজেলার সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে এই ব্লগে আলোচনা করা হবে। বেশী করে নিমগাছ লাগান, আপনার পরিবেশ ভাল থাকবে।

সুখবর! উপকারী ড্রাগন ফল এখন দেশেই জন্মাবে

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

শেয়ারঃ
0 5 0


দক্ষিণ আমেরিকার অরণ্যে ড্রাগন ফলের জন্ম। প্রায় এক’শ বছর আগে জনৈক এক ব্যক্তি এই ড্রাগন ফলের বীজ ভিয়েতনামে নিয়ে আসেন। এরপর থেকে ধীরে ধীরে শুরু হয় ড্রাগন ফলের চাষ। বর্তমানে এই ফল সেখানে অন্যতম প্রধান ফল হিসাবে পরিচিতি পায়। পরে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মায়ানমার প্রভৃতি দেশে এই ফলের চাষ সম্প্রসারিত হতে থাকে।

এই ফল কাঁচা-পাকা উভয়তেই খাওয়া যায়। খাদ্য ও ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ ড্রাগন ফল খেতেও সুস্বাদু। সারা বছর এই ফলের গাছ রোপন করা যায়। অধিক তাপ সহ্যকারী গাছ তাই গ্রীষ্মপ্রধান দেশে এর চাষ ভালো হয়। শীতের চার-পাঁচ মাস ছাড়া বছরের অবশিষ্ট সাত-আট মাস ড্রাগন ফল পাওয়া যায়। আগামী দুই দশকের মধ্যেই ড্রাগন ফল পৃথিবীর সেরা ফল হিসাবে গণ্য হবে বলে কৃষি বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন।


এই বিষয়টি অবগত হয়ে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বাংলাদেশে ড্রাগন ফল চাষের উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে নাটোরের বড়াইগ্রামে দশজন কৃষক ড্রাগন ফল চাষের জন্য প্রদর্শনী খামার তৈরি করছেন।
বড়াইগ্রামে ড্রাগন চাষ

ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুর রহিম ও কৃষিবিদ কামরুজ্জামানকে ড্রাগন ফল চাষ বা এই বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ভিয়েতনামে পাঠানো হয়েছিল। ড্রাগন ফল চার প্রকারের হয়ে থাকে। তবে হাইলোসেরাস অনডাইটাস অর্থাৎ সাদা ফলটি বেশি পাওয়া যায়। প্রতি বিঘা জমিতে সর্বোচ্চ দুইশ’টি ড্রাগন ফলের গাছ রোপন করা যায়। গাছ হতে ফল পাওয়া যায় দুই থেকে তিন বছর পর। প্রতিটি গাছে ৫০ থেকে একশ’টি মত ফল ধরে। প্রতিটি ফলের ওজন হয় পাচঁশ’ থেকে আটশ’ গ্রাম । ড্রাগন ফল চাষে রাসায়নিক সার, কীটনাশক এর প্রয়োজন হয় না। গাছগুলো প্রায় ৫০ শতাংশ খাবার বাতাস থেকেই সংগ্রহ করতে পারে। বাকীঁ খাবার গুলো গাছটি কম্পোস্ট বা জৈব সার হতে সংগ্রহ করে থাকে। রোগ-বালাইয়ের উপদ্রপ নাই বলে কীট নাশক ব্যবহার করতে হয় না।


ড্রাগন ফুল সাধারণতঃ রাতে ফোটে থাকে। ড্রাগন গাছে পরাগায়নের জন্য বিশেষ কোন পদ্ধতির প্রয়োজন হয় না। নিজের ফুলে নিজেই ফল তৈরি করে বিশেষজ্ঞগণ জানান। বর্তমানে ঢাকার কিছু অভিজাত দোকানে ড্রাগন ফল পাওয়া যায়। এই ড্রাগন ফল প্রতি কেজি তিন থেকে চারশত টাকা দরে অভিজাত দোকানে বিক্রি হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞগণ জানান, ড্রাগন ফল একটি পরিপূর্ণ খাবার উপযোগী। অন্যান্য সাধারন খাবারের মত খাদ্যের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। এই ফলটিতে চিনির পরিমাণ খুব কম তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য অতি উত্তম খাবার। ফলটি পিচ্ছিল জাতীয় তাই এসিডিটি কমায় এবং ক্যান্সার আর হৃদ রোগের জন্য উপকারী।


নাটোর সহ দেশের অন্যান্য স্থানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ড্রাগন ফলের চাষ করা হলে মূল্য কম হবে বলে চাষীরা আশা করে। এছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ফলের চাহিদা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে কৃষিবিদরা জানান। আশা করা হচ্ছে দু’দশকের মধ্যে ইউরোপ-আমেরিকায় ড্রাগন ফল প্রধান ফল হিসাবে গণ্য হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশেও প্রসিদ্ধ লাভ করবে বলে কৃষিবিদরা ধারনা করছেন।


ড্রাগন গাছ


ড্রাগন গাছ


ড্রাগন সাদা ফুল


ড্রাগন গাছ (কচি ফল)
১টি বাদে সবগুলো ছবি নেট থেকে নেওয়া।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সুখরব/সম্ভাবনা ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: ড্রাগন ফল টা খেয়েছিলাম থাইল্যান্ড এ । প্রথমে ভেবেছিলাম কোন পুডিং জাতীয় খাবার যার মধ্যে কালজিরা দেয়া আছে :)। পরে শুনি ওটা একটা ফল।
তখন মনে হয়েছিল বাংলাদেশে হবে কিনা! কারন গাছটা ক্যাকটাস জাতীয়........আর ক্যকটাস তো বাংলাদেশে হয়ই। যাক বেশী বেশী চাষ শুরু হলে হয়তো খেতে পারবো।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: অবশ্যই খেতে পারবেন। পোষ্টে বিস্তারিত দেয়া আছে। হয়তো তখন নাটোরই হবে এর রাজধানী।

২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
ভাবের অভাব বলেছেন: দেশে কি এই ফল পাওয়া যায়?
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

লেখক বলেছেন: ঢাকা নাকি পাওয়া যায়। অপেক্ষা করুন ৩/৪ বছর বড়াইগ্রাম হতে সরবরাহ করা হবে ইনশাল্লাহ।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

লেখক বলেছেন: আমদানীকৃত এবং দাম খুব বেশী।

৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, অনেক ভালো একটা তথ্য দিলেন। ভালো লাগলো।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ড্রাগন ফলটা দেখেছিলাম, খাবো খাবো করে আর খাওয়া হয়নি :(

ফলের বাগান দেখে বেশ লাগল, কেমন জানি মনে হলো, আমাজন জঙ্গলে চলে গেছি :)

ফুলটা দেখতে সুন্দর।

বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নাকি আজকাল ড্রাগন ফল?
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: ঢাকাতে নাকি পাওয়া যায়। অপেক্ষা করুন ৩/৪ বছর বড়াইগ্রাম হতে সরবরাহ করা হবে ইনশাল্লাহ। আমাজান জঙ্গলে যেতে হবে না। বড়াইগ্রামেই পাওয়া যাবে।

৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯
শয়তান বলেছেন: দামটা বেশী
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: দেশে চাষ হলে দাম অবশ্যই নাগালের মধ্যে চলে আসবে। বিদেশ থেকে আমদানী করলে খরচ একটু বেশই হয়। :P :P

৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
রেজোওয়ানা বলেছেন: Ful gulo dakte to night queener moto. Gacher chara ki narsarite kinte pao jache?
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: সাদা গুলো দেখতে নাইটকুইনের মতোই। হ্যাঁ অল্প দিনের মধ্যেই নার্সারীতে পাওয়া যেতে পারে।

৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩
মনপুরা বলেছেন: ড্রাগন ফলের রং টা আকর্ষনীয়।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: সম্ভবতঃ খেতেও ভাল লাগবে। আমি খাইনি..... :((

৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
চাচামিঞা বলেছেন: খুব আশার সংবাদ শুনালেন ভাই,,,,,,,,,,,,ধন্যবাদ।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: আশা নিয়েই তো আমরা বেঁচে থাকি তাই না;) আশা ছাড়া আমাদের আর আছে কি?

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ইন্টারেস্টিং তো বটেই।;)

১০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০০
সাইমুম বলেছেন: ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর অফিসিয়াল টুরে থাইল্যান্ড ছিলাম। সেখানে ড্রাগন ফল খেয়েছি। খেতে মজা লাগে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: কেমন মজা ভাই, একটু যদি জানাতেন, দুধের স্বাদ ঘোলে ........

১১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৮
জামান2021 বলেছেন: খুব আশার সংবাদ শুনালেন ভাই, অনেক ধন্যবাদ । অনেক ভালো একটা তথ্য দিলেন। ভালো লাগলো।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
হামানিদস্তা বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ; তথ্যটি আমার কাজে লাগবে ।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: হামানদিস্তা দিয়া কি ভর্তা করবেন? কি কাজে লাগলো আমারে জানাইয়েন কিন্তু;)

১৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৮
সায়েম মুন বলেছেন: এই রকম ফল কয়েকদিন আগে ২৫০ গ্রাম কিনেছিলাম ১০ টাকায়। চিনিনা/ জানিনা শুধু কোনদিন দেখিনি বলে কিনেছিলাম। ফল বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করলাম কি নাম, সে একটা নাম বলল যা কিছুক্ষণ পর ভুলে গেলাম। আরও অনেককে/ আমার কলিগদের জিজ্ঞেস করলাম তারাও চিনেনা। আমার পিয়ন মুরুব্বী মানুষ এজন্য তারে জিজ্ঞাসা করলাম কি ফল? সে বলল চকই ফল। কিছু ছবিও তুলেছিলাম কিন্তু মেমরী কার্ড নষ্ট হওয়ায় ছবি দিতে পারলাম না। তবে সাইজ অনেক ছোট, পিয়ন সাহেব বলল আরও বড় হয় নাকি। খেয়েও দেখলাম--একটু টক ভা আছে আর ভিতরটা দেখতে ঢেঁড়স এর মত, একটু পিচি্ছলভাব, তেমন একটা স্বাধ পাইনি। পাতা দেখতে নিমপাতার মত/ কালার কিন্তু ভিন্ন।

যাই হোক আপনার তথ্যের দেয়া ড্রাগন ফল ভবিষ্যতে সুফল বয়ে আনুক এটাই কামনা করি।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: ড্রাগন ফল খেতে সুস্বাদু এবং পিচ্ছিলই হবার কথা। আপনার বর্ণনার সাথে কিন্তু মিলছে না। আর যে দামের কথা বললেন তাতে মনে হয় না সেটি ড্রাগন ছিল।

১৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৯
ত্রিশোনকু বলেছেন: ড্রাগন ফলটি ঢাকার দুয়েকটি সুপার মার্কেটে পাওয়া যায়। দাম আকাশ চুম্বী। বড়াইগ্রামের ড্রাগন ফলের অপেক্ষায় থাকলাম।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: অপেক্ষা করুন পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ।

১৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৬
মিআমি বলেছেন:
তথ্যমুলক পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ ।

নাটোরের বনলতা সেন এখন থাকলে খুব খুশি হতেন।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: বনলতা সেন কবির কল্পনায় আছেন বাস্তবে কেউ ছিলেন না। কবিদের কল্পনায় অনেক রূপক থাকে আমরা তা বুঝি না। মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮
বাতাসের রূপকথা বলেছেন: Many times I saw in chinese super market. Name and appearance did not attract me. Now I will try to taste it.
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: yes, try to taste. good luck

১৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
নিম গাছ বলেছেন: সর্বশেষ তথ্যঃ ড্রাগন ফলের চারা পাওয়া যাবে নাটোর শহরে অবস্থিত মর্ডাণ হর্টিকালচার সেন্টার-এ। আগ্রহীরা যোগাযোগ করতে পারেন।
১৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫০
এহ্‌তেশাম বলেছেন: সত্যি খুব ভাল লাগল। তাই প্রিয়তে নিলাম।ধন্যবাদ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: Thanks

০২ রা অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: জটিল না, খুবই সুন্দর :(

২০. ১৬ ই মে, ২০১১ দুপুর ১:০৪
আনাড়ী বলেছেন: নিম গাছ, আপনার ইমেইল দেয়া যাবে কি?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬২৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিমগাছ অতি প্রয়োজনীয় বৃক্ষ। মানব সন্তানের জন্য উপকারী এই বৃক্ষরোপণ করার জন্য আমার নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই