"তথা কথিত ক্রসফায়ার" সংক্রান্ত দৃক গ্যালারির স্থিরচিত্র প্রদর্শনী আজ থেকে আবারো শুরু হয়েছে। ।
পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় যে, গত ২২ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডির দৃক গ্যালারিতে "ক্রসফায়ার" নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শন করতে বাধা দেয় পুলিশ। এই প্রদর্শনী দেশে ‘বিশৃঙ্খলা’ সৃষ্টি করবে- এমন অভিযোগে পুলিশ প্রদর্শনী বন্ধ করে দেয়।
অন্যদিকে দৃক গ্যালারির কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ধানমন্ডি থানার পুলিশ প্রধান শাহ আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বিনা অনুমতিতে দৃক গ্যালারিতে ঢুকে পড়ে এবং কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে প্রদর্শনী বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়।
এ সময় প্রদর্শনী বন্ধে পুলিশ আদালতের আদেশের কোন কপি বা কোন নির্বাহীর আদেশ দেখাতে পারেনি। এবং ২২ মার্চ থেকে দৃক গ্যালারি ঘিরে রাখে পুলিশ এবং দৃক গ্যালারির কর্মকর্তাদের বের করে দেয়।
তাহলে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জাগে পুলিশ কার হুকুমে এই প্রদর্শনী বন্ধ করার নির্দেশ দেয়?
এই বাধাদানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে দৃক কর্তৃপক্ষ। আজ রিটের শুনানিতে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল একে রহমান প্রদর্শনীতে বাধা দেয়া হবে না এমন আশ্বাস দেন হাইকোর্টকে। তার আশ্বাসে দৃক গ্যালারি তাদের রিট আবেদন ফিরিয়ে নেয়।
ফলে আজ বিচারপতি শহীদুল ইসলামের একক অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়।
ক্রসফায়ার’ বিষয়ক চিত্র প্রদর্শনী স্পর্শকাতর। এজন্য এ ধরনের প্রদর্শনীর আগে সরকারের অনুমতির প্রয়োজন ছিল। কিন্তু গ্যালারি কর্তৃপক্ষ সে ধরনের কোন অনুমতি নেয়নি।
মজার ব্যাপার হলো দৃক গ্যলারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদুল আলম গত ২০ বছরে এ ধরনের অনেক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছেন। এতে কোন বাধা আসেনি এবং অনুমতিরও প্রয়োজন হয়নি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



