অপূর্ণতার কনিষ্ঠাঙ্গুল আবয়বে
এলোমেলো নড়াচড়াগুলি স্পর্শ করত
নেচে উঠা স্পন্দনগুলিকে।
ধূপছায়া হয়ে উড়ে যাওয়া
ঐ আবয়বে বাজত ঘুঙুর ধ্বনি
পায়েল ছাড়াই।
কখনও ছায়াটা মিশত জলান্জলিতে ।
জলকিলিতে ছাপিয়ে দিত
চান্ঞল্যভরা কাগজের নৌকো,
আর একটা দুটা ঢিলের স্রোতে
ভাবনারা দেখতো ছিটকে পড়া
ছায়ার আতশবাজি খেলা।
কান্ঞনজংঘা ছুঁয়ে লাল প্রভাত উঠে
আর ছায়াটাও সরে যায় -
তুষার থেকে শিশিরে অণৃ্ন্য এক
অদৃ্শ্য মোহাচ্ছন্নতায় ।
ঝিরি ঝিরি বৃ্ষ্টি ভেজা বাতাসে
বরূণঅস্ত্র ছায়াধারী রেখা ভেসে ভেসে
ছড়ায় অপরিণত ম্লানিমার
একচ্ছত্র ছিটেফোঁটা মেঘচ্ছটা।
ছায়া তুমি এসো না সামনে।
যদি নিযুত রক্ত জবা অযুত পাঁপড়ি
মেলে প্রাপ্তির স্বপ্নের ঘোরে?
যদি অঝোর হিম ঠান্ডা সইতে না পারা
অসহায় দুক দুক হদপিন্ড
ডুকরে উঠে বলে ফেলে "ভালবাসি"?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

