আমার প্রিয় পোস্ট
- ЖЖ বাংলার ভূ-স্বর্গ ভ্রমন নিয়ে টুকিটাকি সেই সাথে প্রাকৃতিক লীলা ভূমির ছবি ব্লগ ЖЖ - সকাল রয়
- যেখানেই থাকুন, সর্বদা সামু-র(সামহয়ার ইন ব্লগ) সাথে থাকুন (টে কি) - ছোট সরকার
- মার মুখে শোনা ৭১ এর ডিসেম্বর - সামছা আকিদা জাহান
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- পর জনমে হইও রাধা - বুলবুল আহমেদ পান্না
- অপূর্ণদৈর্ঘ্যের বাংলা ছিঃনেমা: পরানের চামচিকা---১ - উদাসী স্বপ্ন
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন ব্লগীয় হিটম্যান
- নাফিস ইফতেখার
- শিশুকে কীভাবে মাত্রা শেখাবেন? - গৌতম রায়
- শিশুকে কীভাবে বর্ণ শেখাবেন? - গৌতম রায়
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- কিভাবে পেনড্রাইভ ভাইরাস প্রতিহত করবেন - আফরোজ_জাহান
"ছোট্ট বাবুকে পাওয়ার গল্প"
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০২
এই লিখাটা লিখছি এমন একটা ঘটনা নিয়ে, যা মনে হয় অন্যদের একটু হলেও কাজে আসতে পারে।
আমার বিয়ের এক বছর পরে আমি জানতে পারি যে আমার মাইনর থ্যালাসেমিয়া। অবাক হয়নি, কারন এটা আমার বাবার আছে। এর মাঝে 'শ' এর নাকের একটা অপারেশনের জন্য সিঙ্গাপুর যাই, অপারেশনের জন্য রক্ত পরীক্ষা করলে ধরা পরে যে 'শ' ও আমার মত মাইনর থ্যালাসেমিক। এটা জানার পর আমি খুবি আপসেট হয়ে পরেছিলাম। কারন আমি জানতাম, হাসব্যান্ড ওয়াইফ দুজনি মাইনর থ্যালাসেমিক হলে তাদের বাচ্চা অবশ্যই মেজর থ্যালাসেমিক হবে আর এই রুগিরা ১৫/১৬ বছরের বেশি সাধারনত বাঁচেনা। বোন মেরু ট্রান্সপ্লান্ট করালে হয়ত ২০/২১ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। চোখের সামনে বাচ্চার এত কষ্ট দেখার চেয়ে না নেয়াই ভাল অপশন মনে হল।
যখন আমার আপসেট অবস্থা, তখন একজন সাজেস্ট করল হেমাটোলজিস্টের সাথে ব্যাপারটা নিয়ে আলাপ করতে। আমরা দুজন গেলাম, ডাক্তারের সাথে কথা বলে যেন আশার আলো দেখতে পেলাম। জানলাম, হাসব্যান্ড ওয়াইফ দুজনেই মাইনর থ্যালাসেমিক হলে ২৫% সম্ভাবনা থাকে বাচ্চার মেজর থ্যালাসেমিক হবার আর ৭৫% সম্ভাবনা থাকে মাইনর বা সম্পূর্ন সুস্থ হবার। আর এটা জানা যাবে একটা টেস্টের মাধ্যমে যার নাম "গ্লোবাল চেইন এনালাইসিস"। এই টেস্ট করতে হবে ভ্রুনের ১২ সপ্তাহ হবার আগে। এর একটা কারন হল, এই টেস্টের জন্য ভ্রুনের একটা নির্দিষ্ট সাইজ হতে হয় আর যদি ধরা পরে যে এটা মেজর থ্যালাসেমিক তাহলে যাতে ১২ সপ্তাহ আগে এবোর্ট করা যায়। (এই টেস্ট এখন বাংলাদেশেও হচ্ছে)।
এই টেস্টের মধ্য দিয়ে আমি গেছি। টেস্ট করতে কষ্ট হয় ঠিকি কিন্তু সুস্থ বাচ্চার কথা চিন্তা করলে এর কাছে কষ্টটা খুবি সামান্য। যেদিন টেস্টের রেজাল্ট আমাকে ফোন করে জানাল আমার চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি খুশিতে। কারন, আমার ছেলে (ওরা একবারে ডিএনএ টেস্ট করে জানিয়ে দিয়েছিল ভ্রুনটা ছেলের) মেজর থ্যালাসেমিক না। এখন ছোট সোনা দেড় বছরের। সারাদিন দুষ্টামিতে ব্যাস্ত থাকে, একটা দুটা শব্দ বলে, অনেক ভাষায় কথা বলে
যা কিছুই বুঝিনা, রান্নাঘরে বুয়াদের সাথে বেলন পিড়া নিয়ে টানাটানি করে রুটি বেলার জন্য।
হেমাটোলজিস্টের কাছে আরও জানতে পারলাম, মাইনর থ্যালাসেমিক লোকের সংখ্যা এশিয়াতে খুব বেশি। তাই তারা সাজেস্ট করে বিয়ের আগে বা পরে হাসব্যান্ড ওয়াইফ দুজনি যেন রক্ত পরীক্ষা করে নেয় যাতে আগেই মেন্টালি প্রিপেয়ার থাকে সব অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাবার। ডাক্তার আরো একটা জিনিস সম্বন্ধে জানতে বলেছিলেন, তা হল রক্তের গ্রুপ। একজনের পজিটিভ আরেকজনের নেগেটিভ হলে কিছু প্রিকোশনারি ব্যবস্থা নিলে সুস্থ বাচ্চা হবে। এই সমস্যার জন্য আমার এক চাচার ৪ ছেলে মেয়ে মারা গেছে।
তাই আমার পরিচিত সবাইকে অন্তত এটা বলি, বাচ্চা নেবার আগে যেন দুজনি রক্ত পরীক্ষা করে জেনে নেয় তাদের অবস্থা, তাহলে আর আমার মত ডিপ্রেশনের মধ্যে দিয়ে যেতে হবেনা।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আর যদি জন্ম নেবার পর জানা যায়, সে বেশি দিন বাচবেনা, তখন? বাবা মা তো প্রতিদিন প্রতিক্ষন ভয়ে থাকবে আজকে বুঝি তার প্রিয় সন্তানের শেষ দিন। এটা কি আরো কষ্টের না? আর কোন মা কি বাধ্য না হলে এবোর্ট এর চিন্তা করে?
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য ধন্যবাদ
।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
খুব ভালো একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। আপনার বাবুটার সুস্থ জীবন ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই দেয়া যায়। কিন্তু মন্তব্যের ঘরে কিভাবে ছবি দিতে হয় আমার জানা নেই। কিভাবে দিতে হয় জানাবেন কি? ![]()
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
জাতি জানতে চায় @ আমার কাছে মনে হয় সারা জীবন নিশ্চিত ধুকে ধুকে মরার চেয়ে জন্ম না নেয়াই অনেক স্বস্তিকর। যার একটা প্রতিবন্ধী বা অসুস্থ সন্তান হয়েছে , সেই জানে এই কষ্ট। এবোরসন নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে এবং থাকবেই। তবে যে এবোরশন করে, সে তার নিজের সন্তানকে বিসর্জন দেয়। নিজের সন্তানের চেয়ে মানুষ আর কাউকে ভালোবাসে পারে না। ভয়ংকর বিপদে না পড়লে কেউ এবোরসনের মতো অমানবিক সিদ্ধান্ত নেয় না।
লেখক বলেছেন: লেখাজোকা শামীমের সাথে একমত।
নোঙ্গর ছেঁড়া বলেছেন:
প্লাস। প্রিয়তে নিলাম।আমার ৯ মাস বয়সী ছোট্ট সোনা পাখিটার কথা মনে পড়ে গেল।
আপনি এবং আপনার সন্তান ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রিয়তে রাখার কথা দেখে রিতীমত লজ্জা পেলাম।
আপনার সন্তানের জন্য আমার অনেক শুভকামনা।
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন:
গুড পোস্ট!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
।
সেতূ বলেছেন:
অনেক গুলো গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান তথ্যও শেয়ার জন্য ধন্যবাদবাবু ও আপনারা ভাল থাকুন এই কামনায়।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করানোর জন্য কি ডাক্তারের অ্যাডভাইস লাগে। কোথায় কোথায় এটা করানো যায় বা কত খরচ পড়ে এগুলো জানালো ভাল হয়।
লেখক বলেছেন: না, এটার জন্য কোন ডাক্তারের অ্যাডভাইস দরকার পরেনা। আমার জানা মতে, সাধারন রক্ত পরীক্ষা করলেই হিমোগ্লবিন কাউন্ট ধরা পরে। আরো সিওর হবার জন্য হিমোগ্লোবিন কাউন্ট পরীক্ষা করা যায়। এটা সব জাগাতেই করে, একদম নরমাল টেস্ট।
কালপুরুষ বলেছেন:
আপনার বাবুর জন্য দোয়া রইলো। আপনাদের দুজনের জন্য শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এটা সবারই উপকারে আসবে, সে জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।@জাতি জানতে চায়, আপনাকে একটা ঘটনার কথা বলি।
আমার এক বোন দুলাভাই ১৮ বছর উংল্যান্ডে ডাক্তারী করেছেন। ইংল্যান্ডে থাকার সময়ই আমার বোনের দ্বিতীয় বাচ্চা হবার সময় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে একটা সমস্যার কথা জানালেন এবং আরও জানালেন যে বাচ্চাটা প্রতিবন্ধী হতে পারে।
আপা দুলাভাই ধার্মিক। তারা বল্লেন--"আল্লাহ যা করেন, মঙ্গলের জন্যই। এই বাচ্চাকে আমরা নষ্ট করতে পারব না।" বাচ্চা হবার পর দেখা গেল সে ভীষনভাবে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী।
তারা নিজের বাচ্চাকে কোন হোমে না দিয়ে নিজেরাই দেখাশোনা করবেন বলে, বাংলাদেশে ফিরে এলেন।
তারা দুজন ডাক্তার, তাদের বড় মেয়ে ডাক্তার, দুই পক্ষের আত্মীয় স্বজনরাই সশিক্ষিত। সবাই বাচ্চাকে অনেক যত্ন নেয়, আপা তাকে লেখাপড়া শেখালো প্রতিবন্ধীদের স্কুলে। কিন্তু লঅভ হয়নি দিনকে দিন তার অবস্থা খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছে। বাচ্চাটিকে দেখলে যে কেউ ভয় পাবে।
চোখের সামনে এরকম একটা বাচ্চা দেখে দেখে আপা মৃত্যু শয্যায়। দেশে এসে তিনি কিছুতেই রোগী দেখায় মনঃসংযোগ করতে পারেননি। দুলাবাই খনিকটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। বড় মেয়েটা ভয়ে বিয়ে শাদী করছে না কারণ কেউ যদি তার বোনকে মেনে না নেয়?
সে নিজেও মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে এবং মানসিক সমস্যা থেকে একটা জটিল সাইকো সোমাটিক ডিজওর্ডারে ভুগছে।
সবচেয়ে কষ্ট পাচ্ছে আমার ঐ প্রতিবন্ধী ভাগ্নিটি। কি যে দুঃসহ নিজের চোখে না দেখলে না।
এখন বলুন, যদি কোন বাবা-মা জানেন১২ সপ্তাহের আগে যে- সন্তান প্রতিবন্ধী হবে, তার কি করা উচিত।
অযথাই কোন জীবন হত্যা কারোরই কাম্য নয়, আমি সেটা কোনভাবেই মানি না। কিন্তু এরকম ক্ষেত্রে আমি বলবো অবশ্যই বাবা-মা'র কঠিন হওয়াই উচিত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনার বোন দুলাভাইয়ের আর তাদের সন্তানের জন্য খুব খারাপ লাগছে। আবার উনারা এত শিক্ষিত হয়েও এমন ডিসিশন নিয়েছেন দেখে উনাদের উপর রাগ হল।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
ফেরারী পাখি @ আমি আপনার কথা সমর্থন করি। আমার নিজের ভাগ্নে আছে একজন প্রবিবন্ধী। সে যে কী রকম সমস্যা তৈরি করেছে, কাছে থেকে না দেখলে বোঝা সম্ভব না। এই রকম প্রতিবন্ধী জন্ম হওয়ার চেয়ে এবোরসনই ভালো।
লেখক বলেছেন: একমত।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
তাজা কলম বলেছেন:
মাইনর থ্যালাসেমিক লোকের সংখ্যা এশিয়াতে খুব বেশি। তাই তারা সাজেস্ট করে বিয়ের আগে বা পরে হাসব্যান্ড ওয়াইফ দুজনি যেন রক্ত পরীক্ষা করে নেয় যাতে আগেই মেন্টালি প্রিপেয়ার থাকে সব অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাবার।এটি খুবই প্রয়োজন।
আর্শীবাদ রইল আপনার বাবুর জন্য।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো। আপনার বাচ্চা সুস্হ থাকুক।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
নো ব ডি বলেছেন:
আমি ও তা-ই মনে করি।নিলাচল আপাকে ধন্যবাদ (শুদ্ধ বানান 'নীলাচল')।
সন্তান নেবার আগে কী পরীক্ষা করানো উচিৎ, মানে যদি পরীক্ষাটার নাম বলতেন.....
আপনার পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছি।
লেখক বলেছেন: এটা একদম সাধারন একটা টেস্ট। নরমাল ব্লাড টেস্ট বা হিমোগ্লোবিন কাউন্ট টেস্ট করালেই ধরা পরে। সব জাগাতেই এই টেস্ট হয়।
শুদ্ধ বানান জানানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। নামটা রেজিস্টারের সময় আমার জানা ছিলনা "ী" কিভাবে দিতে হয়। আর পরবর্তিতে কিভাবে বানান শুদ্ধ করতে হয় এটাও অজানা।
ইব্রাহীমলিজা বলেছেন:
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো। আপনার বাচ্চা সুস্হ থাকুক।...... প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
প্রিয়তে রাখার কথা জেনে লজ্জা পেলাম।
মানবী বলেছেন:
আপনার বাবুর সুস্থ সুন্দর র্দীঘ জীবন কামনা করছি। আমি একজন থ্যালাসেমিয়া ট্রেইটের সন্তান, আল্লাহ্'র রহমতে আমাদের কোন ভাইবোনের এই সমস্যা নেই। গুরুত্বপূর্ণ চমৎকার পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ নিলাচল।
"জানতে চায় বলেছেন : যতদূর জানি ভ্রূন চলে আসার পর সেটার এবরশান করাটা মানব হত্যার মধ্যেই পড়ে! "
-ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে না মানবিক বা আইনী দৃষ্টিকোন থেকে বলছেন বুঝতে পারছিনা! মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে বিচার করে বেশ কিছু কারনে এ্যাবরশন আইনগত ভাবে অনুমোদিত।
যেমন, একজন ধর্ষিতা তাঁর সন্তানটির জন্ম দিলে সমাজ কি তাকে গ্রহন করবে? যদিও এক্ষেত্রে এ্যাবরশনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে ধর্ষিতার মানসিক যাতনার কথা বিবেচনা করে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে একটা ভার্চুয়াল চিমটি দিলাম
। আমি আর আমার ভাই দুজনি আমরা ক্যারিয়ার। আপনার বাকি ভাই বোনদের নেই জেনে ভাল লাগল।
আপনার সাথে একমত।
নো ব ডি বলেছেন:
ও, সবাই শুভকামনা করছে আপনার বাচ্চাকে, আমিই শুধু ভুলে গেলাম! "ইহাদের করো আশীর্বাদ
ধরায় উঠেছে ফুটে শুভ্র প্রাণগুলি
নন্দনের এনেছে সংবাদ,
ইহাদের করো আশীর্বাদ!"
রবীন্দ্রনাথ।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
এবরশান এর মাধ্যমে ব্রুন হত্যা করা আর পিস্তল দিয়ে মানুষ হত্যা করার মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি?যা হোক প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম নেওয়ার চেয়ে এবরশনই করানোই ভলো।
আপনার বাবুটা সুস্থ ও ভাল থাকুক।
লেখক বলেছেন: নিরুপায় হলেই একজন মা এর্বোট করে।
শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
নো ব ডি বলেছেন:
হ্রস্ব-ই কার সমর্থন করা যায় কি না, নিশ্চিত হবার জন্যে বাংলা একাডেমী'র অভিধান খুললাম। না, নীলাচল-ই লিখতে হবে। শব্দটার ৩ টে মানে :১. উড়িষ্যায় অবস্থিত নীলগিরি পর্বতমালা।
২. জগন্নাথক্ষেত্র; পুরী।
৩. নীলবর্ণযুক্ত পাহাড়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
।
এম এস জুলহাস বলেছেন:
আমার রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ।
বিয়ের আগে হবু স্ত্রী'র বা দু'জনেরই রক্ত পরীক্ষা করা প্রয়োজন ? বা কী ধরনের পরীক্ষা করা প্রয়োজন ?
লেখক বলেছেন: আমার মতে রক্তের গ্রুপ আর হিমোগ্লোবিন কাউন্ট অবশ্যই পরীক্ষা করানো উচিত।
মায়ের নেগেটিভ আর বাবার পজেটিভ গ্রুপ হলে আমার জানা মতে সমস্যা হয়। তাও এর প্রিভেন্টিভ আছে।
আপনি http://www.gamidwife.com/pdf/rhfactor.pdf এই পেইজটা দেখতে পারেন। তাহলে হয়ত আপনার অনেক প্রশ্নের উত্তর জানা হবে।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ভালো পোস্ট। শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
দারুন একটি পোস্ট করেছেন,
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
।
যাই হোক আপনার শিশুর সুন্দর ভবিষ্যত কামনা করি।
@ জাতি জানতে চায় খুব স্পস্ট ভাবে আপনাকে একটা কথা বলি তা হচ্ছে ভ্রুন হত্যা মানব হত্যা নয়। প্রোয়োজনে ভ্রুন সরিয়ে ফেলা যায়।
একটি প্রতিবন্ধী শিশু সে নিজের জন্য তো বটেই তার পরিবার সমাজ সব কিছুর জন্যই কষ্টকর। আমি যদি জানি একটা ভ্রুন অসুস্থ তবে তাকে সরিয়ে ফেলাই উচিত। একজন প্রতিবন্ধীর কষ্ট আপনি কখনোই বুঝবেন না।
Click This Link
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় এই বিষয় নিয়ে যারা জানেন তাদের এটা নিয়ে বিস্তারিত লিখা উচিত যাতে সবাই সচেতন হয়।
আপনার প্রতিবন্ধিদের উপর লেখা পোস্টটি পড়ে অসম্ভব ভালো লাগল। আপনার ভাইয়ের জন্য আমার শ্রদ্ধা থাকল।
গ্লোবাল চেইন এনালাইসিস এর ব্যাপার টা অবশ্য অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সুবাদে জানতে পেরেছি। কারণ এখানে বাধ্যতামুলক ভাবে এক্সপেকটিং মাদের কে এই টেস্ট করাতে হয়। বাংলাদেশে এরকম টেস্টের সুযোগ থাকলে নিশ্চয়ই অনেক ভাল হতো।
আপনার এবং আপনার বেবির জন্য শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
দেশে থাকতে এই টেস্ট সম্বন্ধে জানার সুযোগ আমার হয়নি, অনেক ভুল ধারনাও ছিল। পরবর্তিতে সিঙ্গাপুরে যেয়ে ডিটেইলস জানি। ওখানে প্রত্যেক মা এই টেস্ট করায়। তবে কিছুদিন আগে জানলাম বাংলাদেশেও এই টেস্টের সুযোগ হয়েছে। তরে ট্যাকনিক্যালি কতটুকু সাউন্ড তা জানিনা, এই টেস্ট খুব সাবধানতার সাথেই করতে হয়।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
চিন্তার ভিন্নতা খুবই প্রয়োজনীয় ব্যাপার, এতে ধারনার বাইরে অনেক কিছুই বেরিয়ে আসে। আসলে শিশু, কৈশর, যৌবন ইত্যাদি যেমন একটা পর্যায় তেমনি ভ্রূনটাকেও একটা পর্যায় বলে মন্তব্য করছিলাম। ভ্রূনটা কথা বলতে পারে না, এখনও পৃথিবীর আলো দেখে নাই দেখে তাকে যদি মানুষ মনে না করেন সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা!ভাগ্যতো অনেক রকমই হতে পারে, প্রসবজনিত জটিলতা বা ডাক্তারী বিদ্যার আওতার বাইরের কোন কারনে যে কোন শিশুই অসম্ভব রকমের শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নিতে পারে, তখন কি আমরা ঐ শিশুটিকে দুনিয়া থেকে দূর করে দিই?? বা চক্ষু লজ্জার কারনে বাঁচিয়ে রাখি?? আর ভ্রূন অবস্থায় যেহেতু সে সমাজে প্রকাশিত নয় তাই তাকে সরিয়ে দেয়া সহজ?? একটু চিন্তা করলেই হয়ত ধরতে পারবেন যে আমরা নিজেদের অসুবিধা ঠেকানোর জন্য অন্যের অধিকার হরন করছি কিনা!!! সেটা যত বড় অসুবিধাই হোক না কেন!!
কোন শিশুই কিন্তু অজান্তে আসে না, এমনকি ধর্ষিতার ক্ষেত্রেও। আর বাবা-মাদের কেবল স্যাক্রিফাইসিং চরিত্র হিসেবে দেখাটাও সমাজে প্রচলিত চরম ভুল গুলার একটা। ভ্রূনরা আসে কারও মানবিক চাওয়া বা অসৎ কর্মের দ্বারা, এর জন্য ভ্রূনের উপর পুরো দায় চাপিয়ে দেয়াটা কতটুকু যৌক্তিক?? আমরাতো শ্রেনী বা নারী অধিকার নিয়ে অনেক চিন্তা করি, তাহলে এদের (ভ্রূন) কি কোন অধিকার নাই!!! তাছাড়া কেউই বলতে পারবেন না যে সুস্থ ভ্রূন হলেই সে পৃথিবীতে অনেকদিন বাঁচবে!!
ক্ষেত্র বিশেষে শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী বা চরম অসুস্থদের (সেটা এইডস রোগীই হোক আর মেজর থেলাসেমিকই হোক) পালন করাটা নিঃসন্দেহে পরিশ্রম সাধ্য ও অসাধারন ধৈর্যের বিষয়। এই বিষয়টা কিছুটা সহজ করার জন্য সামাজিকভাবে যেমন আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন দরকার তেমনি সরকারী-বেসরকারীভাবে উদ্যোগেরও দরকার। এগুলো বাদ দিয়ে ভ্রূন সরিয়ে দেয়াকে জায়েজ করাটা সুবিধাবাদ বলেই মনে হয়।
আমার বড় বোনেরও প্রথম সন্তান পেটে আসার পর উনার চিকেন পক্স হয়েছিলো, ডাক্তাররা সাবধান করেছিলো যে বাচ্চা প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা আছে!! আত্নীয়দের দু-একজন এবরশনের কথা মুখে আনলেও আমার বাবা-মায়ের কারনে তারা সরাসরি বলার মত সাহস পাননি। যাই হোক আমার একটা সুস্থ ভাগ্নে হল, আমিও প্রথম মামা হলাম!
অন্তত এখনও পর্যন্ত আমি আমার ধর্মে এমন কিছু পাইনি যেটা মানবিক আইনের পরিপন্থী, বরং সমাজে অনেক কথিত মানবিক ইস্যু প্রচলিত আছে যা সত্যিকার অর্থেই অমানবিক!! বরং ধর্মেই দেখি এদের অধিকারের ব্যাপারে বলা আছে! আর সমাজ কাকে গ্রহন করল নাকি বর্জন করল সেটা সমাজে অবস্থিত মানুষের সমস্যা, সেটাকে ভ্রূনের উপর চাপিয়ে দেয়াটা কতটুকু যৌক্তিক হতে পারে???
লেখককে অনেক ধন্যবাদ এ ধরনের একটি বিষয়ের অবতারনার জন্য!
লেখক বলেছেন: আপনার কথাটাও সত্যি। কিন্তু জন্ম দেবার আগেই যদি জেনে যাই সন্তান ১৫/১৬ বছর পর বেঁচে থাকবেনা আর যতদিন বাচঁবে ততদিন প্রচন্ড কষ্ট পাবে, তাহলে এর সলিউশন কি? ভ্রুন হত্যাকে আমিও সমর্থন করিনা, কিন্তু যারা নিরুপায় তাদের ক্ষেত্রে তা অবশ্যই আমি সমর্থন করি।
লেখক বলেছেন: আমি আসলেই সৌভাগ্যবতী যে আমাদের সমস্যার সমাধান আমি পেয়েছি।
মহলদার বলেছেন:
আমার রক্তের গ্রুপ এ পজেটিভ, আমার স্ত্রীর বি নেগেটিভ। আমাদের রক্তের গ্রুপিং আগেই করা ছিল। আমার স্ত্রীর দুটো ইনজেকশন নেওয়া লেগেছে (এন্টি ডি), বাচ্চা হওয়ার আগে একটা ও পরে একটা। (সম্ভবত বাচ্চা হওয়ার পরে নিলেও হয়, ডাক্তার অনেককে সেরকমই দিয়েছে জেনেছি)। তবে বাচ্চার রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে প্রয়োজন হয়না। ডাক্তারের কাছে গেলে অবশ্য ব্লাড টেষ্ট করতে বলে। আমাদের সমস্যার বিষয়টা আগেই জানাছিল। আগেকার দিনে কিংবা এখনো যাদের বাড়িতে ডেলিভারী হয় বিশেষত গ্রামে, তাদের ক্ষেত্রে এটা সমস্যা হতে পারে, বিশেষ করে ২য় বাচ্চার ক্ষেত্রে।আপনার বাবুর জন্য শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: মহলদার, আপনার অভিগ্গতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। এটা অনেকের কাজে আসবে। আমরা যদি একটু সচেতন হই আমাদের বাবুরাও ইনশাল্লাহ সুস্থভাবে জন্মনিবে এবং বেড়ে উঠবে। আপনদের এবং আপনাদের বাবুর জন্য অনেক শুভ কামনা।
ধন্যবাদ শুভ কামনার জন্য
।
জেরী বলেছেন:
বাবুটা এখন কেমন আছে?
লেখক বলেছেন: আমার বাবুও মাইনর থ্যালাসেমিক, কিন্তু এটা কোন সমস্যা না
। ও ভাল আছে। দুষ্টামিতে সারাদিন ব্যস্ত।
সায়েম মুন বলেছেন:
গুরুত্বপূর্ণতথ্য! শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। বাবুটার এবং আপনাদের মঙ্গলকামনা করছি।
লেখক বলেছেন: মঙ্গল কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
মহলদার যে তথ্য দিয়েছেন এটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
জোবাইর বলেছেন:
তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট। অনেকের কাজে আসবে। ধন্যবাদ।ভালো থাকুন, আপনাদের সন্তানের দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
জাতি জানতে চায় @ এত ধর্ম কপচান কেন?? আমার মন, আমার শরীর আমি এবোর্ট করাব, না রাখব সেটা আমার ডিসিশন। ধর্মের নাক এখানে না টানলেও চলে।
লেখক বলেছেন: তোর ধন্যবাদ দেবার কি হল! যাক, পড়ার জন্য তোকে ধন্যবাদ।
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। নিচের লিঙ্কে দেখুন, খুব সহজ ভাষায় সবকিছু বলে দেয়া আছে। আপনার বাবুর ছবি দেখার অপেক্ষায় রইলাম। Click This Link
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ লিংকটার জন্য।
ছবি নিচে দিয়েছি।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
মেঘ@ আপনি আবারও আমাকে ভুল বুঝার চেষ্টা করছেন!!!!! ধর্মটাকে আমি আনি নাই!! খেয়াল করলে দেখবেন সেটা অন্য একজন নিয়ে এসেছে। আমার ব্ক্তব্য স্বাভাবিক চিন্তা-ভাবনা থেকে নেয়া, ধর্ম থেকে না!! আপনিই আপনার ডিসিশন মেকার, কিন্তু ভ্রূনের নিজস্ব অধিকারের থাকতে পারে! তাই এবোর্ট করার থেকে ভ্রূন ধারন না করাকে প্রেফার দেয়ার কথা বলেছি!
লেখক বলেছেন: ভ্রূনের অধিকার তো জন্মাবার হবে। যাদের মিস কেরেজ হয়ে যায় সেসব ভ্রূনেরও তো অধিকার ছিল, তাহলে সে অধিকার কে দিলনা?
ইচ্ছে বলেছেন:
গুরুত্বপূর্ণতথ্য! শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। বাবুটার এবং আপনাদের মঙ্গলকামনা করছি।
লেখক বলেছেন: মঙ্গল কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
।
নিলাচল বলেছেন:
আমার বাবুর ছবি Bhebe bhebe boli k oshonkho dhonnobad link ta debar jonne.
লেখক বলেছেন: হাসাইলা, আমি ফেমাস!!! তোমার জ্বর সেরেছে?
আমি তো অফিসে কাজ ফাঁকি মেরে লিখি। তবে একটাই সমস্যা হয়, অফিস থেকে কোন মন্তব্য বাংলায় করতে পারিনা, জবাব দিন ট্যাব কাজ করেনা, + দিতে পারিনা। কয়দিন ধরে এমন হচ্ছে।
জেরী বলেছেন:
ওলেলেলেলে বাবুটা কি কিউট....এত্তো আদর
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
আয় হায়, বাবু তো মারাত্মক সুন্দর হয়েছে। দেখেই কোলে নিতে ইচ্ছে করছে। ছবিটা কি গোসলের পরে তোলা? গায়ে তোয়ালে পরে বসে আছে যে! দোয়া করি আপনার বাবু অনেক ভালো থাকুক, আর সবসময়ই এমন দুষ্টুমি করতে থাকুক।
লেখক বলেছেন: ঠিক ধরেছেন, গোসলে পরে তোলা
।
শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
মানবী বলেছেন:
মাশআল্লাহ্, বাবুটা খুব সুন্দর! অনেক অনেক দোয়া ওর জন্য।আমি বোধহয় বুঝাতে পারিনি.. আমার একজন অভিভাবক থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট। আল্লাহ্'র রহমতে আমার থ্যালাসেমিয়া নেই, ভাইবোনদেরও নেই। ছোটবেলায় আমাদের রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত করেছেন বাবা মা।
ইনশাহ্আল্লাহ্ আপনার বাবু'র জীবন সুস্থ সুন্দর হবে।
বাবু'র ছবির জন্য ধন্যবাদ নিলাচল। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ওহ্ দুঃখিত মানবী, আমারি বোঝার ভুল হয়েছে
। ভালো লাগল জেনে আপনি এবং আপনার ভাইবোন কেও এই ট্রেইটের না
।
শুভ কামনার জন্য ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকবেন
।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্নজয়
।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লুদ্ধক বলেছেন:
অনেক কিউট বেবী। আপনার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। সবাই এ ব্যপারে সচেতন হোক এটাই আমার চাওয়া। আমি খুব কাছে থেকে একজন ভুক্তভোগীকে দেখেছি। আমাদের আগের বাসার দারোয়ানের ছোট্ট ছেলে। এখন পর্যন্ত আমরা বন্ধুরা মিলে প্রতি মাসে রক্ত ম্যানেজ করে দেই।
নিলাচল বলেছেন:
Amar ek dur shomporker chacharo eki shomossha. ami tader koshtota dekhechi, baccha ta k nie koto douradouri korlo kintu bachate pareni. eta shobar jonnei prochondo koshter. Ekhon jehetu shohoj test er maddhomei age thekei janar shujog ache, tai ektu shocheton holei hoe.
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন:
অনেক অনেক শুভ কামনা রইল। আপনার ভাললাগা যেন আমিও অনুভব করতে পারছি। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনিও ভাল থাকবেন নিশ্চুপ নিরবতা
।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















শুধু একটা ব্যাপারে একটু অস্বস্তিকর মনে হইছে, যতদূর জানি ভ্রূন চলে আসার পর সেটার এবরশান করাটা মানব হত্যার মধ্যেই পড়ে! ভাগ্য সহায় যে আপনাকে এরকম ডিসিশন নিতে হয়নি!!! সবার বাবুই ভাল থাকুক এই কামনায়।