আমার প্রিয় পোস্ট
- আজ ১৭আগষ্ট ব্লগার নাফিস ইফতেখার, শায়মা ,অপ্সরা , ব্যাকটেরিয়া , লাল চাঁন সহ নয়জন ব্লগারের জন্মদিন। - জিসান শা ইকরাম
- শুভ জন্মদিন ঝুমকোলতা
- সোহানুর রহমান
- একটি আয়না ও প্রতিচ্ছবির শুভ জন্মদিন [হ্যাপ্পি বাড্ডে টু শায়মা]
- পটল
- অপ্সারার ভুত শায়মা, উনার জন্মদিন
এবং আমার কিছু কথা - বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১
- সিংহের খপ্পরে তিন ব্লগার > অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, মনে মনে... - সুরঞ্জনা
- আপুনিদের জন্যে ঈদের গিফট; ভাইয়াদের প্রবেশ নিষেধ

- নীল-দর্পণ
- অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ভাইয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছার ফুলঝুড়ি - এস.কে.ফয়সাল আলম
- শুভ জন্মদিন অপ্সরা - শ্রাবনসন্ধ্যা
- দুজন রহস্যময়ীর ছায়া (এটা গল্প বা ছড়া-কবিতা নয়) - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ছড়ার খেলা; ইচ্ছে হলেই এখানে একটা ছড়া লিখে ফেলুন


- সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- জনম জনম গেল বিরহ শোকে (ভালোবাসার গল্প) - ভুতের আড্ডা
- প্রিয় - বাবুনি সুপ্তি
- ব্লগার্স মেন্টাল হসপিটাল
- ১ম পর্ব - এরশাদ বাদশা
- বৃত্তবন্দী (ছবি ব্লগ) - আহমেদ রাকিব
- অপ্সরা ও স্বপ্নজয় যৌথ প্রযোজনা ২ - ঈদ স্পেশাল ইবুক - ~স্বপ্নজয়~
- একটা উন-মানুষ এর গল্প - নাহিদ মাহমুদ
- অকথনকথনপটিয়শস- ঈদ ও পূজা সংখ্যা-১ - মুক্ত বয়ান
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চি - নাহিদ মাহমুদ
- কাকতাল গল্প
- আকাশনীল
- ~~শততম পোষ্ট লেখার পথে দুই বছরের অনিঃশেষ পদযাত্রা~~ - তায়েফ আহমাদ
- প্লিজ বলোনা,কি চাও তুমি তোমার জন্মদিনে??? - রফিক এরশাদ
- শুভ জন্মদিন অপ্সরা আপুমনি
- ~স্বপ্নজয়~
- তারকাগো লগে লগে আমার তেনারও--- - ফেরারী পাখি
- -: শুভ জন্মদিন অপ্সরাপু :- - শফিক আসাদ
- একরামুল হক শামীম,ব্যাকটেরিয়া,অপ্সরা ওনাফিস ইফতেখার আপনাদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা। - নিলআকাশেরদুঃখ
- শুভ জন্মদিন অপ্সরা; শুভ জন্মদিন নাফিস ইফতেখার ... - ইমন জুবায়ের
- আজ আমাদের অপ্সরার জন্মদিন > বোনের কপালে দিলাম ফোঁটা-যমের দুয়ারে পড়ুক কাঁটা > - মনজুরুল হক
- বল কি, কাজের বুয়া বাড়ীতেই থাকে?(অপ্সরা আপুনি,আপনি কই..একটুহাসেন..প্লিজ..) - রফিক এরশাদ
- দ্বীচারিনী একজন....... [দ্বিতীয়] - ত্রেয়া
- সত্যিই আমি ধংস হতে চাই। - জয় সরকার
- আমি তোর নামটাও ভুলে গেছি!! - আকাশচুরি
- বরষা বন্দনা - ফেরারী পাখি
- আঠার চাঁদের শুক্লপক্ষে জলকন্যা - মনজুরুল হক
- জাগো বাহে কুন্ঠে সবাই----------- - ফেরারী পাখি
- চিঠি দিও ... - সাঁঝবাতি'র রুপকথা
- গল্পঃ সবুজ রঙের মেঘ - আকাশ_পাগলা
- কবিতা আর গান ।। - শফিক আসাদ
- তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা - ~স্বপ্নজয়~
- ফরচুন কুকি (গল্প) - ভুতের আড্ডা
- ভুল সময়. ভুল মানুষ.. - নির্জন প্রহর
- A Birthday Gift - ধূসর মেঘমালা
- কপি-পেস্ট_7_ ফুলশয্যা (শিশির লাহিড়ী)_5 - বিরান্
- কালো ঝুটির পরী ... - ...অসমাপ্ত
- উকুন বাছা দিন। ০৮। নির্বাণ - মাহবুব লীলেন
- খ্যাতির লাগিয়া :: পর্ব-২ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
ছোট্ট ছোট্ট ভালোলাগারা ও ভালোবাসারা
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
এমন যদি হত,
ইচ্ছে হলেই আমি হতাম
প্রজাপতির মত!!
উপরের লাইনকটি ভালো লাগা একটি কবিতা ও গান।ছোটোবেলায় যখন তখন খেলার ফাঁকে,ছবি আঁকার মাঝে গুন গুনিয়ে গাইতাম। আজো গাই।প্রজাপতি, রংধনু, লালনীল বেলুন,রুপকথার পরীরা ছেলেবেলায় আমার যেমন প্রিয় ছিলো আজো ঠিকঠিক তেমনি আছে।মানুষের ভালোলাগারা রং বদলায়, আমার খুব একটা বদলায়নি। শৈশব,কৈশোরের ভালোলাগা স্মৃতিগুলো আজো আমাকে আনমনা করে দেয়।ভালো লাগায় মন ভরায়।
ভুলিনি বাসার জামাল দারোয়ানের ছোট্ট একটুকরো ভাংগা সবুজ ক্রেয়ন দিয়ে চিরদিনের জন্য আমার মনে স্থান করে নেবার স্মৃতি,ভুলিনি ক্লাস টু তে পড়ার সময় এক বান্ধবীর দেওয়া এক টুকরো রংগীন কাঁচের কথা!সেই রংগীন কাচের টুকরোটি আমার কাছে ধরা দিয়েছিলো পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য্য হিসেবে।বাসায় এনে মাকে দেখাতেই মায়ের ছিছিকারে আত্নারাম খাঁচাছাড়া হবার দশা। মা বলেছিলেন,ছি ছি ছি এখুনি ফেলে দিয়ে আয়। হাত পা কাঁটবে কোথায় কোন ময়লা ঝয়লা থেকে তুলে আনা, কে জানে?
আমি ফেলে দেয়নি । লুকিয়ে রেখেছিলাম। এত সুন্দর, আলো পড়লেই নানান রং ঝকমকিয়ে চিমকিয়ে ওঠা পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য্য কাঁচের টুকরো কি মায়ের সামান্য এক বকাঝকায় ফেলে দেওয়া যায়?কখনই না।
গুটি খেলা নামে একটা মজার খেলা শিখিয়েছিলো একটা পিচ্চি কাজের মেয়ে। তার দুই হাতের অসাধারণ নৈপুন্যে পাঁচগুটির ছুড়ে ছুড়ে দিয়ে আবার ধরে ফেলা খেলা দেখে আমি রীতিমত মুগ্ধ!! চক্ষু বিস্ফারিত করে দেখতাম সেসব খেলা। অপরিসীম চেস্টায়ও কিছুতেই সে খেলায় দক্ষতা অর্জন করতে পারতাম না। কিছুতেই পারতাম না জুলেখার মত করে ঠিক ঐ রকম নৈপুন্যে গুটিগুলো ছুড়ে দিয়ে আবার ধরে ফেলতে।
গ্রাম থেকে আসার সময় ওর দ্বীন দরিদ্র শত ছিন্ন জামা কাপড় গুলোর সাথে ও এনেছিলো ওর একমাত্র খেলনা, ওর সেই লাল সাদা কালোয় মেশানো ৫টা গুটি/ পাথরের টুকরোগুলো।
মা আমাকে ঐ খেলা শিখানোর খবর জানতে পেয়ে ওর গুটি গুলো কেড়ে নিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিলেন। আমাকেও ওর সাথে খেলা বন্ধ করতে হোলো।
এরপর এক সপ্তাহের মাঝে ও কান্নাকাটি শুরু করলো । এইবাসায় মন টিকেনা, বাড়ী চলে যেতে চায়। মা অনেক বকাঝকা করে ওর বাবাকে খবর দিয়ে বাড়ী পাঠানোর ব্যবস্থা করলেন।
বাড়ী যাবার সময় জুলেখা আমাকে এক পাশে ডেকে নিয়ে ওর একমাত্র সেই খেলনা ৫ গুটি আমাকে লুকিয়ে হাতের মধ্যে দিলো। ফিসফিস করে বল্ল "আপামনি, আমি টোকাই নিয়া লুকাই রাখছিলাম তুমি নাও"।
এতদিন পরেও সেই ভালোবাসা যখন মনে পড়ে....................
একটা গলপ পড়েছিলাম। জুলেখা বাদশাহের মেয়ে......তার একটি ফুল বাগান আছে.............তারপর কি কি ছিলো মনে নেই। শুধু এইলাইনটাই মনে আছে জুলেখা বাদশাহের মেয়ে তার একটি ফুলবাগান আছে। আমার কাছে জুলেখা বাদশাহের মেয়ের চেহারাটা আমার সেই ছোটোবেলার জুলেখা। যার পরনে বাদশাজাদীর মত জামা কাপড় নেই, মাথায় মুকুট নেই। শতছিন্ন জামা পরে হাসিমুখে দাড়িয়ে আছে জুলেখা। আমার দেখা বাদশাহের মেয়েটা। যার হাতে রয়েছে অমুল্য সেই উপঢৌকন, লাল সাদা, কালোয় মেশানো ৫টি গুটি/ ৫টি রত্ন!!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জটিল বলেছেন:
আচ্ছা
লেখক বলেছেন: নো দুত্তামী!! আমার মনটা আসলেই খারাপ হয়েছে জুলেখার কথা মনে পড়ে।
জটিল বলেছেন:
msn e আইতে কইসি আস।
লেখক বলেছেন: আইতে কইলেই কি আওন যায় ? msn টা থাকতে হইবো তো!!
নকীবুল বারী বলেছেন:
ভালোবাসা একটা চমঁৎকার জিনিস.......................
লেখক বলেছেন: ভালোবাসা একটা চমঁৎকার জিনিস.......................
হুম!!শুধু ভালোবাসার প্রকারভেদ গুলি জেনে নিতে হয়!!
লেখক বলেছেন: হ্যা থাকুক!! ভরা থাক ভরা থাক .......স্মৃতিসূধায় হদয়ের পাত্রখানি।
আমার আবার থাকাথাকি শুনলেই এই গান মনে পড়ে।
আচ্ছা একটা msn আইডি বানাবো না হয় আজ রাতে।যদি বানাইতে পারি আরকি!!
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
এক কাজ করতে পারেন_ আপনাদের বাড়িতে যদি কোন বুয়া থাকে তার সঙ্গে সেই গুটি খেলা খেলে দেখতে পারেন, তবে তাতে আপনাকে পাগল ভাবার অবকাশ আছে, কিংবা একাও খেলতে পারেন।।।। তবে সবচেয়ে ভাল হয় যদি ২কাপ কফি খেতে খেতে "ছোট্ট ২টি শিশুর গুটি খেলার কোন ছবি আকতে পারেন.........U must be visualizing Julekha around you, and "মন খারাপ" গোল্ডফিশের সঙ্গে এ্যাকুরিয়ামে জায়গা নেবে।।।
লেখক বলেছেন: ইয়েস!! ভালো আইডিয়া। আজই একটা ছবি আঁকবো। ছবির নাম হবে আমি ও জুলেখা।সারাজীবন মনের দেয়ালের সাথে সাথে নাহয় ঘরের দেয়ালেও রয়ে যাবে জুলেখা।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
বন্ধু তুমি কেঁদো না, আমারও কান্না আছে। কাঁদিনা তোমারই জন্য তুমি ভেসে যাও পাছে।সবার মধ্যেই একজন মন খারাপ করা মানুষ ভালোবাসার আধার নিয়ে বসে থাকে। কত তুচ্ছ কিন্তু দামী ভালোবাসায় প্রতিদিন হাজার লোকের চোখ নিজের অজান্তেই ভিজে যায়। এই অসংখ্য মানুষের ভিড়ে তুমি নিশ্চই একটু আলাদা।
কারণ তুমি লিখতে পার,
দেখ, তোমার হাসি কান্নায় আমরাও কেমন শরিক হয়ে যাই। এমন ক'জন পারে?
বেশীক্ষণ মন খারাপ করে থেকো না।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফেরারী আপু। মন খারাপ করিনা, হঠাৎ হঠাৎ মনে পড়ে এমন কত শত কথা, হারানোর বেদনা , অপ্রাপ্তি। যাইহোক এর নামই জীবন সেও তো জানি।
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
সুরভিছায়া বলেছেন:
খুব সুন্দর লিখেছো । মনে এরাই থাকে ছোটবেলার নিষ্পাপ মুখগুলো ।
লেখক বলেছেন: হুম!! হঠাৎ আজ একটা কারনে মনে পড়ে গেলো জুলেখার কথা।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছ!! আমার জীবনের কোনো কিছুই যেন ফেলনা নয়, আমার দুঃখ কষ্ট স্মৃতিকথা। আমার এক এক অমূল্য সম্পদ!!
ক-খ-গ বলেছেন:
মন খারাপ একটি প্রকান্ড ছোঁয়াচে রোগ, ইহা ছড়াইবার জন্য আপনার বিরুদ্ধে দেওয়ানি কার্যবিধীর ৯৯৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করা হইলো।
লেখক বলেছেন: এই দন্ড দিওনা বন্ধু। আমার সত্যিই আজ ভিষন মন খারাপ লাগছিলো, তাই লিখে ফেল্লাম জুলেখার কথা।
নকীবুল বারী বলেছেন:
!শুধু ভালোবাসার প্রকারভেদ গুলি জেনে নিতে হয়-----------ভালবাসার প্রকারভেদ আছে নাকি?????? জানি না তো..........ভালবাসার হইতাছে আনডিফাইনড. এর আবার কি প্রকার ভেদ।
লেখক বলেছেন: আছে আছে। জানাবো কোনো একদিন অথবা নিজেই জেনে যাবে।
নতুবা একটু চিন্তা করে দেখো ভালোবাসার প্রকারভেদ আছে। যেমন এক ধরনের ভালোবাসাটা ছিলো আমার সেই জুলেখার ভালোবাসা।এক ধরনের আইডেন্টিফায়েড ভালোবাসা। এই আইডেন্টিফিকেশনের এ্যসেসমেন্ট শুধু আমার হাতেই।
নকীবুল বারী বলেছেন:
ভালবাসা হচ্ছে একটা অনুভুতি..........যা বা যাদের মধ্যে ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠৈ তাদের আইডেন্টিফিকেশনে ভালবাসা আইডেন্টিফায়েড তরা যায় না।
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না! আমি আবার খুবই খারাপ ছাত্রী।মগজে ঢুকে একটু দেরীতে।
লেখক বলেছেন: প্রথমেই মুগ্ধ হলাম লেখার নামাকরণ দেখে। হাজার হোক নিজের নামের উপরে একটু তো দুর্বলতা আছেই।
তারপর স্বর্গের অপ্সরীদের গল্পে মন বিভোর হলাম। (যদিও ভাষা একটু কঠিন)
ভালোই বাঘ বশীকরন কাব্য। অপ্সরী, জলপরী নিয়ে খেলা। দেখো পরীরা আবার না পরীস্থানে তোমাকে উড়িয়ে নিয়ে যায়।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
ভালো লেখা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শামীম।
অরুনাভ বলেছেন:
লেখাটা মন ছুয়ে যাবার মত লেখা.......ধইন্যাপাতা সুন্দর একটা লেখা দেবার জন্য.........
লেখক বলেছেন: হুম! ঘটনা টা সত্যি আর আমার মন ছুঁয়েই আছে এইটুকু জীবনের পুরোটা জুড়েই। যখনই জুলেখার মত কোনো মেয়ে দেখি রাস্তা ঘাটে, পথে প্রান্তরে। বুকের মধ্যে ছোট্ট একটা ঢেউ!
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
চাঙ্কু বলেছেন:
হুম
লেখক বলেছেন: হুম!!!!
হুম এর জন্য অনেক ধন্যবাদ চাঙ্কু ।
পলাশমিঞা বলেছেন:
আমি গুটি খেলতে পারি। গুটি দিয়ে ঠুকুঠুকি পারি। ওটা একটা যন্ত্রনা দায়ক খেলা। আমার বউর সাথে একবার খেলছিলাম ও যে কতবড় ছালবাজ বলে বুঝাতে পারবনা।এখন লেখা নিয়ে বলি, অসাধারণ লেখা। আপানাদের লেখা পড়লে বার বার পড়তে চাই। লেখার মাঝে সব দেখতে পাই। পড়ে খুব ভালো লেগেছে
লেখক বলেছেন: গুটি খেলার পরিসমাপ্তি আমার সেখানেই । আমি আর কখনও চেস্টাও করিনি। ঐ মেয়েটির সাথে সাথে আমার সে গুটি খেলার নেশাটাও চলে গেছে।
অনেক ধন্যবাদ অসাধারন মন্তব্যটির জন্য।
আমি মোটেই এত ভালো লেখিকা নই।তবে বেশী ভাগ সময় জীবনের গল্প গুলোই লিখি। আপনার মত কল্পনার অপ্সরীদের নিয়ে গল্প লেখার যোগ্যতা এখনও অর্জন করিনি।
পলাশমিঞা বলেছেন:
বাল্য কালে পথ ভুলে একাবর প্রবেশ করিছিলাম আরে বেরুতে পারিনি তাই হুর পরিদেরকে আমি ভালা পাই।
http://kabbokanon.multiply.com/
এখানে আরো অনেক বই আছে। পড়ে মন্তব্য করলে খুব খুশি হব। বই ছাপলে জাতিরা পিঠাবেনাতো?
লেখক বলেছেন: পলাশমিঞা বলেছেন: বাল্য কালে পথ ভুলে একাবর প্রবেশ করিছিলাম আরে বেরুতে পারিন
হুম!! এ কাননে একবার ঢুকলে আর বের হওয়া যায়না।
তাই হুর পরিদেরকে আমি ভালা পাই।
সেটাও বোঝা যাচ্ছে।
আরো বই গুলি সময় নিয়ে পড়ে দেখবো অবশ্যই।
রাশেদ বলেছেন:
ভাল্লাগছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাশেদ!!
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন:
ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সোনিয়া !!
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
ছোট্ট ছোট্ট ভালোলাগারা ও ভালোবাসারাশিরোনামটা পছন্দ হলো না। এইসব ভালোবাসা ভালোলাগা খুব ছোট না। জীবনে মনে রাখার মতো ব্যাপারগুলো আমার কাছে কেন যেন কখনোই ছোট বলে মনে হয় না।
লেখক বলেছেন: ছোটো ব্যাপারগুলোনা কিন্তু ছোটোবেলার ব্যাপারগুলোই মাথায় ছিলো লেখাটা লেখার সময়। আর তাছাড়া আমার মন এত বেশী খারাপ হয়েছিলো লিখতে গিয়ে যে শিরোনামটাম নিয়ে বেশি মাথা ঘামাইনি।
নিবিড় বলেছেন:
প্লাসাইলাম
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!!
আবু সালেহ বলেছেন:
শৈশব,কৈশোরের ভালোলাগা স্মৃতিগুলো আজো আমাকে আনমনা করে দেয়।ভালো লাগায় মন ভরায়।
সত্যি বলেছেন ...
এখনও ভাবি এবং পুলকিত হই...
লেখক বলেছেন: এই পোস্টে কোথাও কোনো মিথ্যেই নেই। আসলে আমার সব পোস্ট গুলোই নিজের কথা। এখনও বানিয়ে গল্প লিখতে শিখিনি।
পলাশমিঞা বলেছেন:
আপনার লেখায় প্রাণ এবং প্রাণবন্ততা আছে যা সবার লেখায় নেই। লেখাকে বড় করতে হবলে, বার বার পড়তে হয় এবং পড়ার সময় চিন্তা করতে হয় তখন লেখা বড় হয়।
আমি একটা উপন্যাস ৯২ তে আরম্ভ করেছিলাম এখনো শেষ হয়নি। কত বড় বললে বলবেন, পলাইশ্যা ধাপ্পা মারার জায়গা আর পাওনি।
১৬ শ পৃষ্টা লম্বা হয়েছে এখনো শেষ করতে পারছিনা
ওই সাইটে প্রথম ২০ পৃষ্টা আছে নাম সজলী।
লেখক বলেছেন: তাড়াতাড়ি শেষ করে বই আকারে বের করে ফেলেন।
আমিই রূপক বলেছেন:
আপনার আম্মাজান কেন আপনার সাথে এরূপ আচরণ করেছেন সে সম্পর্কে আপনার মতামত কি?তবে, আপনার শৈশবের স্মৃতির টুকরো অংশগুলো আসলেই অনেক মজার। সবারই এরকম অনেক স্মৃতি থাকে কিন্তু গুছিয়ে লিখতে পারেনা। আপনি পেরেছেন আপনার নিজগুণে। ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: আমার মা আমাকে অতি সাবধানতায় রাখতেন, তাই এমন করতেন, আমার এলেখায় এই আভাসটুকু আছে , একটু খেয়াল করে পড়লেই মনে হ্ য় তুমি বুঝতে পারতে, আর লেখায় আভাস না থাকলেও বা স্পট করে বলা না থাকলেও, আপাত বোধেই বোঝা যায় কাঁচের টুকরো বা গুটি খেলা কোনো মায়ের ই পছন্দনী্য কাজ নয়। তুমি হয় ভালো করে পড়োনা লেখা গুলো নয় মায়েদের স্বাভাবিক মোনোভাবটা তোমার জানা নেই। তাই সব পোস্ট গুলো পড়ার পর ই উল্টা টা বুঝতেই দেখি তোমাকে।
আমার আগের পোস্টেও আমি হিমালয়কে বলতে চেয়েছিলাম আমার দুঃখ আমি কি কি উপায়ে ভুলেছি ও জগতে সূখী হয়েছি আর তুমি সেখানে তুলে আনলে উলটা পালটা তর্ক বিতর্ক ।
হাহাহাহা ছেলে বড় হ ও আরো।
ভালো থেকো । শুভকামনা। লেখাটা ভালো লেগেছে জেনে অনেক অনেক আমারও ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বাবুয়া ভাইয়া।
ভালো থেকো।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
আপনার ব্লগে আমার কম কম আসা হয়। কিন্তু আজকে না আসলে এত চমৎকার লেখাটা মিস করতাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অচেনা সৈকত। তোমার ব্লগে মাঝেমাঝে আমি যাই। তোমার লেখার হাত খুবি সুন্দর। যাই লেখো খুব ভালো হয়। আমি অফলাইন অনলাইনে পড়েছি অনেকগুলোই। একটা ছিলো পেনসিলে আকা পরী নাম স হ এখনও মনে রেখেছি দেখেছো?এটা অবশ্য আমার পরী প্রীতির জন্যও হতে পারে।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ!! আর তুমি বলায় মাইন্ড করোনা যেন। অনেকেই মাইন্ড করে।ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: লিখবার সময় কান্না পেয়ে গেলো, সেদিনের কথা মনে করে অথচ যেদিন মেয়েটা চলে গেলো সেদিন কাঁদিনি। শুধু মাঝে মাঝে ভাবতাম , ওর কথা মনে হলে বুকের মধ্যে একটু খানি কষ্ট নড়ে উঠতো।
উধাও ভাবুক বলেছেন:
তখন আমার বাবা চকরী করতেন কুতুবদিয়াতে। তখন আমি ক্লাস টেতে পড়ি। আমি সবসময় বাবার দেয়া একটা ছোট্ট খেলনা আর্মি ট্রাক পকেটে নিয়ে যেতাম স্কুলে। আর আমার এক ক্লাসমেট ছিল, ও একদিন হাতে করে কিছু পিচের দলা নিয়ে এসেছিলো। রোদে কিছুক্ষন রেখে সে নরম করত আবার সেটাকো দলে মুচড়ে নানান আকৃতি বানাতো। দেখে আমি এতটাই আকর্ষিত হয়েছিলাম যে, আমি আমার পকেটের খেলনাটার বিনিময়ে ওইটা নিয়েছিলাম। সেজন্য মায়ের হাতে পিটুনিও খেয়েছিলাম ! যখন আমি ক্লাস সিক্স এ পড়ি তখন পর্যন্ত আমার সাথে ছিল সেটা। তারপর কালের স্রোতে কোথায় হাড়িয়ে গেছে !!! কিন্তু সেই ছোট স্মৃতি মনে পোক্ত আসন গেড়ে আছে।আসলেই ছোট ছোট ভাললাগা আর ভালবাসাগুলো সময়ে সময়ে এভাবেই মনের গহীনে নাড়া দিয়ে যায়।
আপনার লেখাটা পড়ে অ----নেক স্মৃতি নাড়া দিল।
ভাল থাকবেন সেই প্রত্যাশাই করি।
লেখক বলেছেন: পিচের দলা!!! সেও এক মজার খেলা । প্লে ডো চিনো? আজকাল খুব এভেইলেবল। কিন্তু আমার ছোট বেলায় একটু দুসপ্রাপ্য ছিলো।তবে আমার আবার মামা খালা চাচীর আদরের বদৌলতে সেসবেরও অভাব ছিলোনা তারপরেও কাঁদামাটির পুতুল,আলু বেগুন শশা বানানোতে ও পিচ নরম করে নানা কিছু বানানোতেই আমার আগ্রহ ছিলো বেশী।
আবার যদি ছেলেবেলায় ফিরে যেতে পারতাম!!!
অনেক ধন্যবাদ উধাও ভাবুক!!
উধাও ভাবুক বলেছেন:
মনে লাগামটা এমনই ! যেদিকে যাওযা যায়না বা নিষিদ্ধ সেদিকেই ছুটতে চায়। সেই পিচের টুকরোটা হাতে পেলাম সেকি আনন্দ ! আর সেই আনন্দের জোয়ারে মায়ের পিটুনিও সয়ে গিয়েছিলাম নির্দিধায়।যদিও সেদিন পুরো বিকেলটা মায়ের সাথে রাগ করে সাগরের পাড়ে গিয়ে বসেছিলাম। তারপর বাবা গিয়ে নিয়ে এসেছে। বাবা শুনে, আমাকে তার মোটরবাইকে করে নিয়ে গিয়েছিল অনেকদুরে একটা রাস্তার কাজ চলছিল, সেখানে। সেখান থেকে আমাকে এত্তগুলো পিচ এনেদিয়েছিলো। সেগুলো দিয়ে বসে বসে হাতি ঘোড়া বানাতাম।
অনেক অনেক স্মৃতি নাড়া দিচ্ছে। লিখলে অনেক কিছু লেখা যাবে।
কিছু মনে করবেন না। একেই মনটা আজকে উধাও হয়ে আছে। তার মধ্যে এই লেখাটা পড়ে আরও....
লেখক বলেছেন: হাহাহা তুমি তো উধাও ভাবুক। মন উধাও হওয়াটাই স্বাভাবিক।
মন উধাও হলে দোষ নেই। সেই বরং ভালো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বন্ধু আমার মন ভালো নেই
তোমার কি মন ভালো?
বন্ধু তুমি একটু হাসো একটু কথা বলো।
এটা একটা ধাঁধা! জবাব টা ট্রাই করো মনে মনে। উত্তর দেবার দরকার নেই ধাঁধাটার।মনে মনে পারলেই চলবে।
কালপুরুষ বলেছেন:
বাহ্। কি চমৎকার করে নিজের শৈশবের কথাগুলো অকপটে লিখে গেছ। মনে হলো স্মৃতিগুলো জীবন্ত। তোমার লেখার হাত দিন দিন আরো বেশী পরিশীলিত হচ্ছে। পড়তে ভাল লাগছে। লিখতে থাকো এভাবেই। ছোট বেলায় সব মা'ই তার সন্তানকে কিছুটা অনুশাসনের মধ্যে রাখে- এটা মায়ের বাড়তি সচেতনতা- শাসন নয়।
লেখক বলেছেন: লেখার হাত পরিশীলিত হচ্ছে সেসব তোমাদের লেখা দেখে, পড়ে ও উৎসাহ পেয়ে পেয়ে। সে আমি নিজেও বুঝতে পারছি।
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যেরর জন্য ও প্রশংসার জন্য। আর হ্যা, আমার মা আমাকে অতিশাষনে রাখতেন। তবে মা থাকতেন ডালে ডালে আর আমি পাতাই পাতাই।
শফিকুল বলেছেন:
আমার ছোট বেলার খেলার সাথী ছিল মারবেল , ছোট্ট ছোট্ট খেলনা গাড়ী জাহাজ ,কিউব, ইয়ো ইয়ো , লুডু , ডাংগুলি, লাটিম, আর কত কি ।তা বেশির ভাগই আছে আমার কাছে।
তবে কৈশরের পাওয়া একটা জিনিষ সেই যে হারিয়েছি আর পাই নাই, ভাবছি একটা হারানো নোটিস দেবো।
বেস্ট অফ লাক।
লেখক বলেছেন: কি হারিয়েছো কৈশরে? বললেনাতো। কোনো বান্ধবী নয়তো?? একটু সাবধানে বলো তাইলে। এইখানে আবার ভাবীমনিও আসেন কিনা। হাহাহাহা
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
++
+++
++++
+++++
++++++
+++++++
++++++++
দারুন হয়েছে আপনার উপস্থাপনা। ভালো লাগল।
ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা আপনায়।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমিই রূপক বলেছেন:
উলটো বোঝা আমার স্বভাব। অনেক সময় ইচ্ছে করেও উলটো বুঝি। যাই হোক, "বড় হও" বলে আশীর্বাদ করেছেন দেখলাম। বড় হয়ে কি হবে বলুনতো? যে যত বেশি বড় হতে চায় সে ততটাই ঝামেলাপূর্ণ জীবনযাপন করে। বড় হয়ে কোন লাভ নেই। ছোট থাকাটাই ভালো। বড় হয়ে আপনার মত দুঃখ-বিলাস করে জীবনটাকে মাটি করার কোন ইচ্ছা নেই।
লেখক বলেছেন: উফফ!! এখনও ছোট বাবুটিই আছো। আবারও বুঝলেনা দুঃখ-বিলাস করে জীবনটা মাটি হয়না। খাঁটি হয়।
থাক নিজেই বুঝবে একসময়।
লেখক বলেছেন: হুমম!!হুমম!! ঘুম ঘুম !! মনে নাই???
অক্ষর বলেছেন:
খুব সুন্দর ভাবে লিখছেন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অক্ষর!! নিকটা অনেক ভালো হয়েছে।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
তুমি বলায় মোটেও মাইন্ড করি নি।আমি ওরকম ছেলেই না। ভাল থেক।(লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! আমি জানি তুমি সেরকম নও তবুও অজান্তে ও কাউকে আঘাত করতে চাইনা, যদিও করে ফেলি অহরহ। আমাকে তুমি কেনো তুই করে বললেও সমস্যা নেই। আমি খুশী।
আমিই রূপক বলেছেন:
উরে সব্বোনাশ! আপনি কি আমাকে অভিশাপ দিলেন নাকি? "থাক একদিন নিজেই বুঝবে"-বলে?ইয়া খোদা! তুমি আমাকে এই মহিলার অভিশাপ থেকে রক্ষা কর। আমিন!
লেখক বলেছেন: হাহাহা নানা অভিশাপ দেইনি? ছোটোদের আমি অভিশাপ দেইনা। আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দেই।
তবে তুমি খোদা রাসুলের নাম নিচ্ছো যে, তোমার কপালে সিঁদুর তিলক দেখে তো তোমাকে মুসলিম বুঝিনি।
আমিই রূপক বলেছেন:
আজ্ঞে আমি মুসলিম। আর কপালের ওটা আসলে ভড়ং। নাদান পোলাতো!ওইটা লাগাইছি মানুষেরে এট্টু বিভ্রান্ত করনের লাইগা। নাদান পোলাতো!তয় আপনের ল্যাহাটা ভালা হইছে তা কইল্ আগেই কইছি। ভালা থাইকেন।
আর একটা কথা, সেটা হলো আপনি বেশিরভাগ কমেন্টের আগে হাহাহা করে অট্টহাসি দিয়েননা। পিলে চমকিয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহাহা। সত্যি আমি এমন পিলে চমকানো হাসিই হাসি।
খুশবু বলেছেন:
ছোট ছোট ঋণে ঋৃণী হইও না ।
লেখক বলেছেন: ঋণী হতে চাইনি। কিন্তু অনেকেই এই জীবনে ঋণী করে দিয়ে গেলো।
চাঙ্কু বলেছেন:
এইরকম চমৎকার লেখাটা আরও আগে না পইড়া "হুম" বলছিলাম বলে এখন আফসুস হচ্ছে । খুব সুন্দর করে অনুভূতির প্রকাশ করছেন, আমরা অনেকেই এইটা পারি না । অনেক ধন্যবাদ এই রকম সুন্দর একটা লেখা দেওয়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ চাঙ্কু ।
বরুণা বলেছেন:
.
লেখক বলেছেন: ...
মাহবুবুল আলম লীংকন বলেছেন:
আমি কোথায় যাই
লেখা সুন্দর হয়েছে। ভাল লাগলো খুব।
লেখক বলেছেন: হাহাহা অনেক ধন্যবাদ লীংকন।
হৃদছায়া বলেছেন:
অসাধারণ লেখা যদিও মন খারাপ ভাবটা মিশে আছেএকটু কৌতুহলি হচ্ছি, গুটি গুলো আপনার মা ফেলে দিয়েছিলেন কেনো? গুটি তো খারাপ কোন খেলা না, আমিও ছোটবেলায় কত খেলেছি। আমাদের বাসায় কাজ করার জন্য যে ছিলো, সে ছিলো আমার বন্ধু/বোনের মত, আমরা একসাথে গুটি,কানামাছি,কুতকুত,বারবি,দৌড়াদৌড়ি আর কতকত খেলা খেলতাম। ওর বিয়ে হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের বাসায় ছিলো, এখনো মাঝে মধ্যে ফোন করে। আপনের লেখা পড়ে ওর কথা মনে পরে গেল।
লেখক বলেছেন: আমারও লেখার সময় মন খারাপ হয়েছিলো।
আমার মা ছোটো থেকেই অতি সাবধানী আচরন করতে গিয়ে এমন অনেক কিছুই করতেন। আসলে ভিতরে ভিতরে অনিরাপত্তায় ভুগে ভুগেই এমনটা হয়েছিলো হয়ত।
যাইহোক, অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
অক্ষর বলেছেন:
এই প্রথম কেউ কৈলো নিক যে ভালো হৈছে, ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আসলেও নিকটা ভালো তো।
তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ!!
তানজু রাহমান বলেছেন:
আমি জানি...ভালোবাসা অনেক পবিত্র জিনিস~
তানজু রাহমান বলেছেন:
আমার আগের মন্তব্যটা আপনার জন্য ছিল @ আউলা
তানজু রাহমান বলেছেন:
আউলাভাই, ভালোবাসার পবিত্রতার মধ্যে যদি ছলচাতুরি ঢুকে পড়ে তাহলে তার চেয়ে দুঃখের আর কিছু থাকে না! মানুষ কতো আশা নিয়ে নিজের মনটাকে উজার করে দেয়...
কোজাগরী চাঁদ বলেছেন:
এইখানে কি হইতেসে? ভালোবাসার ডিসকাশন??
লেখক বলেছেন: হুম! তাইতো মনে হচ্ছে।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
আহা!
লেখক বলেছেন: হাহাহা
কোজাগরী চাঁদ বলেছেন:
উহু উহু!!!
লেখক বলেছেন: উহু কেনো?
তানজু রাহমান বলেছেন:
সেটাই আউলাভাই...মানুষের মনের দেয়া নেয়া বোঝা বড় ভাড়! একটাই মন...তাকে কৈ সুন্দর করে যত্ন করে রাখবে... না... ইস... এসব দেখলে বুঝলেন আউলাসাহেব... মানবজন্মের প্রতিই রাগ হয়...
চোরকাঁটা বলেছেন:
আউলা ভাই বলে রহমান আপাভালবাসা ঘর নাকি ঝড়ে কাঁপা কাঁপা,
মাঝখানে চিপা দিয়ে পূর্ণিমা চাঁদ,
আজব এ ভূবনে পেতে রাখা ফাঁদ!
অপ্সরা ছোট ছোট স্মৃতি আঁকে বসে।
আউলায় ঝাউলায় কি হিসাব কষে?!
চোরকাঁটা ঝাটা হয়ে কোবতের সুরে,
ভালবাসা ঘোল খেয়ে যাবে দূরে উড়ে!
লেখক বলেছেন: হাহাহা এত ভালো ছড়া কবিতা লিখো তুমি চোরকাঁটা? যেন লুৎফর রহমান রিটন!
বরুণা বলেছেন:
কবিতা দারুন !!! হিহিহিহি
লেখক বলেছেন: হাহা
তানজু রাহমান বলেছেন: সেটাই আউলাভাই...মানুষের মনের দেয়া নেয়া বোঝা বড় ভাড়! একটাই মন...তাকে কৈ সুন্দর করে যত্ন করে রাখবে... না... ইস... এসব দেখলে বুঝলেন আউলাসাহেব... মানবজন্মের প্রতিই রাগ হয়...
ভাড় কথাটার বানানটা একটু ভুল করেছেন রহমান ভাই। দেখুন আপনার এত সুন্দর বক্তব্যটা একটা তামাশা হয়ে গেছে...ভার থেকে ভাড় এর কারণে। আশা করি আপনি এরপর বানান আমার কাছে শিখতে আপত্তি করবেন না
তানজু রাহমান বলেছেন:
আউলাভাই, অবশ্যই বানান শিখতে আমার কোন আপত্তি নেই। মানুষ ভুল করতেই পারে মাঝেসাঝে, যেমন আমি বানান ভুল করেছি। সেটা ধরিয়ে দিয়ে আপনি যেই মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন, তা আমি কখনোই ভুলবো না। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। মানুষ ভুল করে তা স্বীকার করবে, আর তা শুধরানোর চেষ্টা করবে, এটাইতো আসল পথ।
তানজু রাহমান বলেছেন:
জ্বী আউলাসাহেব, এক অদ্ভুত প্রেমের কথা বলা ঐ বইয়ে। নায়কটা মহা চামার হওয়া সত্তেও নায়িকা শেষ পর্যন্ত ঐ স্পাইনলেস ক্রিয়েচারকে আপন করে নেয়। আসলেই অপূর্বর অপূর্ব ভালোবাসার বলেই এ সম্ভব হয়েছিল।
তানজু রাহমান বলেছেন:
অবশ্যই আউলাভাই। নারী জাতি ধন্য! ইউযলেস পুরুষ হলেও তাকে কি সুন্দর সাপোর্ট দেয়। সেটা শরৎদাও স্বীকার করে গেছেন।
লেখক বলেছেন: আউলা বলেছেন: আসলে ভালবাসা কি? আছে কি কারো কাছে কোন জবাব?
তানজু রাহমান বলেছেন: আমি জানি...ভালোবাসা অনেক পবিত্র জিনিস~
ভালোবাসা নিয়ে
তোমরা অনেক মূল্যবার আলোচনা করেছো দেখছি।
তবে ভালোবাসা অনেক ধরনের আছে। মা বাবার প্রতি ভালোবাসা, সন্তান সন্ততিদের প্রতি ভালোবাসা, বন্ধুবান্ধবীদের প্রতি ভালোবাসা। আর্তজনের প্রতি ভালোবাসাও রয়েছে।
আমার এই পোস্টে আমি আমার ছোট বেলার এক ক্ষণস্থায়ী খেলার সাথীর কথা বলেছিলাম।যার ভালোবাসা খুবখুব নির্মল ছিলো।যে ভালোবাসা স্বার্থহীন। কোনো প্রতিদান হয়না।তোমরা তোমাদের আলোচনায় শুধুই নারী পুরুষের ভালোবাসাই টেনে আনলে।
যাই হোক অনেক কিছু জানতে পেলাম তোমাদের আলোচনা থেকে।
ধন্যবাদ আউলা এবং তানজু!!
লেখক বলেছেন: হাহাহা। আমি খেলেছি মানে প্রাকটিসেই খেলার মেয়াদকাল শেষ হয়েছিলো। ঐ সেসময়ই, জুলেখার সাথে খেলার সময়টুকুই ছিলো সে মেয়াদকাল।
...অসমাপ্ত বলেছেন:
"যার হাতে রয়েছে অমুল্য সেই উপঢৌকন, লাল সাদা, কালোয় মেশানো ৫টি গুটি/ ৫টি রত্ন!!"... মাঝে মাঝে কিছু লাইন সুতো ছেড়া ঘুড়ির মত মাথায় ঘুরতে থাকে। ...আপনার লেখা পড়ার পর এই লাইন কয়টা মাথায় ডুকে পড়েছে। ...বুঝতে পারছি আজ যতক্ষণ জেগে থাকব ...মাথার ভেতর গোত্তা খাবে। .....
....ভাল লিখেছেন অপ্সরা। শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে কিছু লাইন সুতো ছেড়া ঘুড়ির মত মাথায় ঘুরতে থাকে। ...আপনার লেখা পড়ার পর এই লাইন কয়টা মাথায় ডুকে পড়েছে। ...বুঝতে পারছি আজ যতক্ষণ জেগে থাকব ...মাথার ভেতর গোত্তা খাবে। .....
হুম! ঠিম যেমনটি আমার হয়েছিলো, কাল তোমার লেখাটা পড়ে।নিচের লাইন কটি ।
"...আমি এই শহর ছেড়ে কোথাও যেতে চাই না। কারণ এই শহরে আমার গাধাটা থাকে। আমার ভাবতে ভাল লাগে, এই শহরের যে বাতাসে তুই নিঃশ্বাস নিস... সেই বাতাসটাই ঘুরে এসে কখোনো আমাকে ছুয়ে যায়।"
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
আমিও খুব অবাক হতাম, গুটি খেলা দেখে, হাতের উল্টোপিঠে কিছুতেই রাখতে পারতাম না। দেখেছিলাম করিম ভাইয়ের কাছে, আমার ছোটবেলার খেলার সাথী। পরে কী কারণে মনে নেই কাজ ছেড়ে চলে গেলো, খুব মন খারাপ হয়ে গিয়েছিলো। ভালো লাগলো অপ্সরা!
লেখক বলেছেন: আমি তো হাতের উল্টোপিঠ কেনো সোজা পিঠেও গুটি উঠাতে পারতাম না।
অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ার জন্য।
জেরী বলেছেন:
ভালো লেগেছে আবার কেন জানি মনটা ও খারাপ হয়েছে.....।
লেখক বলেছেন: হুম! আমারও লেখার সময় মনটা ভীষন খারাপ হয়েছিলো।
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
আপনি কলকাতার অঞ্জনের গান শোনেন? তার একটা গান আছে, 'বন্ধু'। গানটা কোনদিন শুনে না থাকলেও শোনেন, শুনেথাকলেও শোনেন। অবশ্য আমি বলতে ৩ দিন দেরি করে ফেলেছি! এর মধ্যে দুঃখ চলেগিয়ে থাকলেও শোনেন!+
লেখক বলেছেন: আচ্ছা, গানটা শুনবো।
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
নম্রতা বলেছেন:
ছোট্ট ছোট্ট ভালোলাগা আর ভালোবাসারা মনে দাগ কেটে গেল অপ্সরা !! +++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নম্রতা!
নুশেরা বলেছেন:
তোমার এই লেখাটা এ নিয়ে চারবার পড়লাম। এটুকুই জানান দিই। এ নিয়ে মন্তব্য করা আমার সাধ্যের বাইরে।লেখক বলেছেন: কেমন আছো নুশেরা আপু ? তোমার বেবিটা ইনশাল্লাহ ভালো আছে এখন!
বিবেক সত্যি বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো আপনার লেখাটা ....
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বিবেক সত্যি।
~টক্স~ বলেছেন:
ছোট্টবেলার দিনগুলোতে যদি সত্যি সত্যিই ফিরে যেতে পারতাম ! জানা আছে আপনার কোনো জাদুর পাথর ? যা নিয়ে যেতে পারবে অতীতে ! জানলে সন্ধান দেবেন কিন্তু !
লেখক বলেছেন: না এই জাদুর পাথর শুধুই ওয়ান টাইম ইউজ।
ছুঁয়ে দেবার পরে মেয়াদ ফুরুলেই ফুরিয়ে যায়।আর কখনও ফিরে আসেনা।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
+++...
আচ্ছা ইন্টারনেট না থাকলে কি হত বলুনতো? একটা কার্টুন দেখছি, "সাউথ পার্ক"। ইন্টারনেট নেই আর এরি জন্য তাদের জীবনযাপন স্তব্ধ হয়ে গেছে
লেখক বলেছেন: ইন্টারনেট না থাকলে আমার অনেক শিক্ষা দীক্ষা বন্ধ হয়ে যেত সেটা জানি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















