প্রকৃতপক্ষে এটা আমার শততম পোস্ট না।একটা দুইটা পোস্ট আমি এর আগে রাগ করে ড্রাফট করে ফেলেছিলাম।কাজেই এটাকে আসলেই আমার শততম পোস্ট বলা যায়না।
তবুও যেহেতু আমার স্টাটাস দেখাচ্ছে শততম পোস্ট কাজেই কি আর করা!
শততমই শিরোনাম দিলাম।বাবুনি সুপ্তি যেহেতু কথাটা স্মরণ করিয়ে দিলো কাজেই বাবুনিকে আমিও এই পোস্ট লেখায় সবার প্রথমেই স্মরণ করছি। তারপর আসে এ টি এম মোস্তাফা কামাল ভাইয়ার নামটা।এই পাগলাটে ভাইয়াটা হঠাৎ এমন একটা পোস্ট দিয়ে বসলো আর অনেক মানুষের বিরাগভাজন হলো আমার কারণে যে আমার ভীষন ভীষন কষ্ট লেগেছে!! তাই তার নামটাও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। উদাসী স্বপ্ন তো ১০০তম সেন্চুরী কোক খেতে চেয়েছে।কিন্তু খানাপিনা তো আর আমার ব্লগে কম হয়নি?? আমার ধারনা আমার নাম কোনো ব্লগারের মনে আসলেই আগেই চোখে ভাসবে খানাপিনা ছবিগুলো।
যাইহোক,এই ১০০তম পোস্টে স্পেশাল আইটেম কি দেওয়া যায় ভেবে ভেবে আমি কিছুই পেলাম না। লেখালিখি মানে কোনো সিরিয়াস লেখালিখি আমাকে দিয়ে হবেনা। আমি যাকিছু করে আনন্দ পাই আমার চারিপাশ, বেড়ানো, খাওয়াদাওয়া, শিল্পকর্ম সেসবই মূলত শেয়ার করি ব্লগে। সেসব নিয়েই আমি এখানে যত মানুষের ভালোবাসা পেলাম তার মূল্য কখনও কিছু দিয়ে বিচার করা যায়না সেকথা আগেও বলেছি।তবে স্পেশাল আইটেম খুঁজে না পেয়ে আমি ঠিক করলাম এতদিন যারা মুন্ডুকাটা ছবি নিয়ে নানা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তাদের ক্ষোভ কিছুটা দূর করতে পারি।কাব্য আর দূর্ভাষী ভাইয়া, কদিন আগে নিজেদের মুন্ডু নিজেরাই কেঁটে দোষ চাপিয়েছে আমার ঘাড়ে । এটা নাকি তাদের অপ্সরীয়া স্টাইল!!
এই ছবিটা আমার পুরোনো এ্যালবাম থেকে খুঁজে পেলাম। মায়ের কোলে আমি চার মাস বয়সে। শুনেছি জন্মের সময় আমি এত মোটাসোটা একটা বেবী হয়েছিলাম । আমার শুকনা- স্লিম মায়ের পক্ষে আমাকে কোলে নেওয়ায় দায় ছিলো!
কে একজন যেন আমাকে বলেছিলো আমার কিশোরীবেলার ছবি তার খুব দেখতে ইচ্ছে করে। বেনীদুলিয়ে স্কুলে যাবার সময়কার ছবি।
এবার মায়ের বাসায় গিয়ে খুঁজে পেতে কিছু ছবি এনেছিলাম। তার মাঝ থেকে এই ছবিটা দিলাম। যদিও এটা স্কুলের সময়কার ছবিনা। ছবিটা সিঙ্গাপোরে তোলা, যখন আমি অষ্টাদশী।
এই ব্লগে প্রথম সুরভীছায়া জানিয়েছিলো, সে আমাকে দেখতে চায়। আসলে এই নিকগুলোর আড়ালে, লেখাগুলোর পেছনের আমাদের সবাইকেই হয়তো কেমন দেখতে এটা জানার এক অদম্য আগ্রহ সর্বদা কাজ করে আমাদের ভেতরে।শুধু অনলাইনে বিভিন্ন অপ্রীতিকর অভিগ্গতার কথা জেনে ও শুনেই আমরা বিশেষ করে মেয়েরা নিজেদের ছবি এড়িয়ে যাই।
সাজি আপুও এমন কি যেন একবার বলেছিলো। একদিন, লীনা আপু দুষ্টুমী করে বলে, টুকরোটুকরো কাঁটাকাটি গুলো না দিয়ে জোড়া দিয়ে একটা আস্ত বানিয়ে দিলেই হয়।
কালপূরুষ ভাইয়ার এই কথাটা মনে পড়ে, "আমার এত প্রিয় একটা গুড়িয়া, এক আদরের ছোটবোনকে আমি কখনও দেখিনি। "মনজুরুল ভাইয়ার চাপা অভিমানও আমার নজর এড়ায়নি। ভেতরে ভেতরে তুমি যে একজন অভিমানী ভাইয়া সে বেশ জানি আমি। তাই তো সেদিন ঈদের দিনের কথা উঠতে বলেছিলে, ভাগ্নে ভাগ্নীদেরকে আমার লম্বা চুলের বেনী করা কাঁটা মুন্ডুর ছবিটা ছাড়া কিছুই দেখাতে পারোনি।
আমার প্রফাইল পিকচারের সাথে মিল মিল লাগেনা??কেউ জানেনা লিওনার্দো দা ভিঞ্চি আমার ছবিটাই আসলে এঁকেছিলো!
নাহিদ ভাইয়া কয়েকদিন আগে এক পোস্টে জানিয়েছে এই ছবিটার নাম Female head বা La Scapigliata। আসলে ভাইয়া জানেই না এটা কার ছবি!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

