আমার প্রিয় পোস্ট

একমুখাপেক্ষি না হয়ে যা কিছু ভাল তা গ্রহন করা উচিৎ...

সেরা ধর্ম.........................

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৯

শেয়ারঃ
0 0 0

শুধুমাত্র ধর্ম নিয়ে লেখা এটাই আমার প্রথম পোষ্ট।
ইসলাম ই সেরা ধর্ম আর আল কুরআন সেরা ধর্মগ্রন্থ। এই পোষ্ট টা এইমাত্র পড়লাম এবং একটা মাইনাস দিলাম। কোনো পোষ্ট ভালো না লাগলেও আমি সাধারনত মাইনাস দেই না! এই পোষ্টটিতে মাইনাস দিতে ইচ্ছে হলো! আর এই পোষ্টটিতে মাইনাস দিতে গিয়েই এই প্রথম দেখলাম আমাকে আবার সতর্ক করা হচ্ছে, "আপনি মাইনাস রেটিং দিতে . . .'। এটাই তাহলে সামহ্যোয়ার ইন এর সেই নতুন ফিচার যা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিলো. . . হা হা হ..

যাই হোক ধর্ম নিয়ে কিছু বলতে চাচ্ছিলাম।

মনে করেন আপনার নাম নিরন্জন মুখার্জী। আপনি একজন হিন্দু ধর্মের অনুসারী। আপনি কি কখনোই বলবেন যে আপনার ধর্ম সেরা নয়? অথবা যিনি খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী তিনি কি কখনো বলবেন যে তার ধর্ম শ্রেষ্ঠ ধর্ম নয়। তিনি যদি মেনেই নেন যে তার ধর্ম শ্রেষ্ঠ নয় তাহলেতো তিনি ধর্মই পরিবর্তন করতেন. . .

ধর্ম ব্যপারটা নিয়ে এই ব্লগে অনেক যুদ্ধ দেখেছি. . আমার মতে ধর্ম ব্যাপরটা নিয়ে কাউকে কোনো কিছু চাপিয়ে দিতে নেই। একতরফা কোনোকিছু বলতেও নেই!! কেনোনা সবারই বোঝার ক্ষমতা রয়েছে যে কোনটা ভালো এবং কোনটা মন্দ। সবাইকে ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করুন। শুধুমাত্র ইসলাম ধর্মের অনুসারী হয়েই যে ভালো কাজ করা সম্ভব ব্যাপারটা তা নয়। আপনারা কতিপয় মুসলমানেরাই নিজেদেরকে বিভাজিত করে ফেলছেন. . . আর আপনাদের কারনেই আপনাদের দলটা ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে!!

এই যে জনাব কাজী জেসমিন আরা , হ্যা আপনাকেই বলছি, আপনার জন্ম যদি কোনো হিন্দু পরিবারে হতো তবে এই আপনিই বলতেন, হিন্দু ধর্মই সেরা. . .

 

প্রকাশ করা হয়েছে: এবং ধর্মযুদ্ধ  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৪
লীনা জািম্বল বলেছেন: ১০০% সত্য কথা বলেছেন--- সব ধর্ম সবার কাছে সেরা-----------
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: হুমম..... সব ধর্মই সবার কাছে সেরা. . . ধর্মের ক্ষেত্রে কাউকে জোর না করাই ভালো...

২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৪
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: উনি ওনারটা বলেছে।আপনি আপনার টা বলেছেন। সমস্যা কোথায়।এই যে আমি আপনাকে মাইনাস দিলাম।এইটা আমার ব্যাপার।কোনও সমস্যা আছে?
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: উনি অন্যকে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে, আমি অন্যকে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করিনি. . .
মাইনাস দেয়াটা অবশ্যই আপনার ব্যাপার। কিন্তু এই পোষ্টে মাইনাস দেয়ার পেছনে আপনার যুক্তি কি?

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: জনাব রাজীব, আপনার সাথে গল্প করতে ইচ্ছে হচ্ছে. . . আসেন কিছুক্ষন গপ্প করি... মাইনাস দিলেন কেনো?

৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৯
এরশাদ বাদশা বলেছেন: ইসলাম ধর্মেও জোর করে চাপানোর কথা লেখা নেই।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: কিন্তু এরা কারা? এরা কি ভাবে নিজেদের? অনেক সওয়াবের অধিকারী হচ্ছে এরা?

এরশাদ বাদশা বলেছেন: ইসলাম ধর্মেও জোর করে চাপানোর কথা লেখা নেই।

এরা এভাবে বলকে কি সবাই মুসলমান হয়ে যাবে? সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহন করবে?

বোকার দল কোথাকার!!!

৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৯
ধ্রুব তারা বলেছেন: ওনার এর পূর্ববর্তী পোস্টে ব্যাখ্যা করেছিলেন যে, মুসলমান রাষ্ট্রে গণতন্ত্র বজায় রাখতে হলে মুসলমানদের অধিকতর সুবিধা ও অগ্রাধীকার দিতে হবে, অন্যথায় গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হবে।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: আমাদের দেশ কি গণতান্ত্রিক নাকি সরকারতান্ত্রিক?

গণতন্ত্র বলতে উনি কি বুঝেন?

৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৬
শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: উনি ওনারটা বলেছে।আপনি আপনার টা বলেছেন। সমস্যা কোথায়।এই যে আমি আপনাকে মাইনাস দিলাম।এইটা আমার ব্যাপার।কোনও সমস্যা আছে? :P :P :P
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: উনি অন্যকে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে, আমি অন্যকে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করিনি. . .
মাইনাস দেয়াটা অবশ্যই আপনার ব্যাপার। কিন্তু এই পোষ্টে মাইনাস দেয়ার পেছনে আপনার যুক্তি কি? ;) ;) ;)

৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৬
ইমরান বেস্ট বলেছেন: (এই যে জনাব কাজী জেসমিন আরা , হ্যা আপনাকেই বলছি, আপনার জন্ম যদি কোনো হিন্দু পরিবারে হতো তবে এই আপনিই বলতেন, হিন্দু ধর্মই সেরা....)
লেখককে বলছি: আপনি কি আবুল হোসেন ভর্ট্রাচার্য্য,সহ আরো অনেকের নাম শুনেন নি ? যারা অন্য ধর্মীয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করে ও পরে ইসলামকে শ্রেস্ঠ বলে স্বীকার করে মুসলমান হয়েছিণলন ?
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: তাদের সংখ্যা কতো?
দু এক জনকে উদাহরন হিসেবে ধরেন কেনো?

আচ্ছা, আপনাকেই বলি, আপনি কোন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন? আপনি যদি হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করতেন তবে কি আপনি আপনার ধর্ম ত্যাগ করতে পারতেন? নিজেকে সেই অবস্থানে নিয়ে গিয়ে উত্তরটা দেয়ার চেষ্টা করেন...

৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২১
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: Baijan galpoh kortae can? Birat problem a aci. Oi postar last a amar kara cmts gulo daken. Taholai sob bujben. Keno amar mato cig 3 din dore tanda.
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৬

লেখক বলেছেন: ঐ পোষ্টে যাওয়ার ইচ্ছে নাই. . .
সময় না থাকলে বলেন, গল্প আর একদিন হবে. . .

আমি আপনাকে একটা ছোটো কাহীনি বলি. .
আমি এক গাজাখোর এর সাথে কথা বলছিলাম, সে আমার বন্ধু, গাজা খাচ্ছিল। তখন সে একা ছিলো না, আমার আরও তিনটা বন্ধু সেখানে ছিলো। তারা তিনজনই খাচ্ছিল। আমি ওদেরকে বললাম, আমি যদি তোদের গাজাখোর বলি তোরা কি রাগ করবি? তিনজনই হেসে উড়িয়ে দিলো। আমি বললাম, আমি কিন্তু সবার সামনেই বলব. . . তখন একজন ব্যাপারটাকে সিরিয়াসলি নিলো।

আর একদিন অনেক তর্কবিতর্কের পর সে শেষপর্যন্ত বলেছিলো, লাইফটা আমার, আমি যা ইচ্ছে তাই করবো তাতে কার কি? আমি কি কারোটা খাই না পরি? তখন আর আমার কিছুই বলার ছিলো না! আমি ওকে বললাম, হ্যা সত্যিইতো তাই, লাইফটা তোর, তুই যা ইচ্ছা তাই করতে পারোস, তুই যদি রাস্তায় ন্যাংটা হইয়া হাটস তাইলেও তোরে কেউ কিছু বলবো না! তোর টাকা দিয়া তুই কি খাবি এটা একান্তই তোর ব্যাপার..

তবে কোনটা ভালো এবং কোনটা খারাপ, কোনটা করা উচিৎ এবং কোনটা করা উচিৎ না সেটা কিন্তু আমরা সবাই জানি. . .

মনে করেন 'ক' গাজা খায়। 'ক' এর ছোটো একটা ভাই আছে। এই 'ক'-ই কিন্তু চাইবে না যে তার ছোটো ভাই গাজা খাক. . .

সুতরাং কোনটা ভালো এবং কোনটা খারাপ এটা সবাই বোঝে. . .

তা ভাই, এই পোষ্টে মাইনাস দেয়ার বীপরীতে যুক্তি কি?
বইলেন না আবার, আমার হাত আছে, আমার কিবোর্ড আছে, তাই আমি মাইনাস দিছি, তাতে কার কি?

আমি কিন্তু তাহলে আমার ঐ বন্ধটিকে যা বলেছিলাম তা বলে বসবো.... হা হা হা...

৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৫
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: Tao bolei oi post a apni j jokti diacen capie dia apnar ay post tao tai. Tai _ ok?
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: যারা মাইনাস দিচ্ছে তারা কেনো মাইনাস দিচ্ছে?

আপনি যেনো কেনো দিয়েছেন?

৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৯
আমি পালোয়ান বলেছেন: আসলেই তো মাইনাস দিলে এলার্ট করে। :P
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা.... :D

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: পালোয়ান ভাই, মাইনাস কেনো দিসেন?

আপনার মাইনাসের ভারেতো পরে যাচ্ছি. . . হাজার হোক পালোয়ানের দেয়া মাইনাস... ;)

১০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৭
েহলাল খান বলেছেন: হুদা কেচাল করতে আমাদের কি যে ভাল লাগে। জাতিটাই মনে হয় হুদাই আল্লাহ পয়দা করছে।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: :D :D :D কঠিন বলেছেন...

১১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৬
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: আপনার বেশিরভাগ পোস্টে মাইনাস দেই। আজকেরটা ভালো লাগছে, প্লাস দিলাম :)
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন: আজকেরটাতে যে প্লাস দিলেন এজন্য আমি বুঝে নিলাম যে আপনি এতোদিন আমাকে নয় আমার লেখাকেই প্লাস মাইনাস দিয়েছেন. . .

লেখাকে প্লাস মাইনাস দিলে আমার আপত্তি নেই... কেউ যেনো লেখককে প্লাস মাইনাস না দেয়। আর লেখা যদি খারাপ লাগে তবে মাইনাস দেওয়াটাই ভালো। তবে আমার মতে লেখা খারাপ লাগলে মন্তব্যের মাধ্যমে খারাপ লাগার কথাটা জানানোই ভালো. . .

ধন্যবাদ আপনাকে...

১২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৭
চৌকষ বলেছেন: নিজ নিজ ধর্মকে শ্রেষ্ঠ বলার মাঝে যেমন অপরাধ নেই নিজ নিজ ন্যাশনকে শ্রেষ্ঠ বলার মাঝেও কোনো দোষ নেই। দোষ হলো আপনার কিংবা আমার অপব্যাখ্যার মাঝে। আপনারা যারা আমেরিকার এই বর্তমান টেরর এক্ট-এর মধ্যে যখন গা শিটিয়ে থাকতে পছন্দ করেন তা অন্যকেও চাপিয়ে দিতে চান কেন?
যে কোনো মানুষ জন্মসূত্র ধর্ম গ্রহণ করার পরও অন্য ধর্ম গ্রহণ করতে পারে - এই গ্রহণ বর্জনও শ্রেষ্ঠত্বকেই প্রমাণ করে। আমার উপলব্ধির মধ্যে যা শ্রেষ্ঠ তা বলতে কোনো কোণ্টাবোধ থাকার কথা নয়। নিজ সম্প্রদায়ের কথা বলা অর্থ এ নয় যে, মানুষ সাম্প্রদায়িক। বরঙ কারোর অধিকার খর্ব করার অর্থই হলো মৌলবাদ তথা চরমপন্থা।
বেশ বাহাদুরির সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, সাধারণত আপনি মাইনাস দেননা। এটাতে দিয়েছেন। এটাও আপনার নিজস্ব এখতিয়ার। তা করতে পারছেন বলেই অন্যের পছন্দকে ছোট করে দেখবেন?
আমি কিন্তু আপনাকে মাইনাস কিংবা প্লাস কিছুই দেইনি। এতে আপনার পোস্টের বাহাদুরিরও প্রতিফলিত হয় না। যারা পাঠ করবে যারতার মতো করেই গ্রহণ করবে, বর্জন করবে।


ভালো থাকুন।।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: শুরুতেই আপনি ভুল করেছেন...
আপনি বলেছেন, "আপনারা যারা আমেরিকার এই বর্তমান টেরর এক্ট-এর মধ্যে যখন গা শিটিয়ে থাকতে পছন্দ করেন তা অন্যকেও চাপিয়ে দিতে চান কেন?"--- আপনি আপনারা বললেন কি করে?

"যে কোনো মানুষ জন্মসূত্র ধর্ম গ্রহণ করার পরও অন্য ধর্ম গ্রহণ করতে পারে"-- অবশ্যই পারে। তবে আপনাকে বলি, আপনি কি ব্রেইন ওয়াশ কথাটার সাথে পরিচিতো? যে শিশুটি হিন্দু ধর্মে জন্মগ্রহন করলো সে কতদিন অথবা কতোবছর পর ধর্ম ত্যাগ করার সাহস দেখাতে পারে বলতে পারেন? তাকেতো বোঝার বয়সটা দিতে হবে. . . সে যখন বুঝতে শিখবে তখন সে কম হলেও বারোটি বছর পার করে দিবে। বারো বছর সে যেই পরিবেশে থাকবে সে সেই পরিবেশটাকেই তার পরিবেশ হিসেবে মেনে নিবে... আসলে অনেক বড় পরিসরে না বললে আপনাকে কখনই বোঝানো যাবে না!

যাই হোক, আপনাকে একটা প্রশ্ন করি... আমরাতো সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে প্রাধান্য দেই... আপনিই বলেন, হিন্দু ধর্মের এতো এতো লোক কেনো মুসলমান ধর্ম গ্রহন করছে না?

আপনাদের সমস্যা কি জানেন? আপনার তাদের অবস্থানে নিজেকে নিয়ে তাদের পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারেন না!! আপনারা শুধু ভাবেন যে ধর্মতো পরিবর্তন করা যায়্ই. . .

আপনাদেরকে শুধু ছিঃ ছিঃ বলতে ইচ্ছে হয়. . .

শোনেন, পৃথিবীর সব মানুষকে কিভাবে বেহেশতে নেয়া যায় সেটা চিন্তা করার চেষ্টা করেন. . . এই পৃথিবীর অর্ধেকও মুসলমান নয়!! এতো এতো মানুষকে দোযখে পাঠিয়ে নিজের বেহেশতে যেতে খারাপ লাগবে না?? আবার এটা যেনো বলবেন না যে তারাতো মুসলমান নয়! এটা ভাবেন যে তারা মুসলমান না হয়েও বেহেশতে যেতে পারেন কিনা!! আল্লাহ তায়লা পরম করুনাময় এবং অসীম দয়াশীল. . . তিনি এবং মহৎ এবং ক্ষমাশীল. . .

অবশ্যই ভালো থাকুন..

১৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৬
পেঙ্গুইন বলেছেন: এই পোস্টে যারা মাইনাস দিয়েছে তাদের জীনে কিছুটা হলেও মৌলবাদ আছে ...
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন: কি জানি!!

মাইনাস দেয়ার ব্যাপরেতো কারো যুক্তি দেখানোর সৎসাহসতো দেখছিনা!!

১৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৩
মুহিব ইরম বলেছেন: লেখক আরেকটা মাইনাস দয়া করে দেন। মাইনাসে মাইনাসে প্লাস হবে। মুসলমান হয়ে নিজের ধর্মকে সেরা না বল্লে মুসমান থেকে মাইনাস হয়ে যাবে, অন্যকে মাইনাস বলার আগে। পাগলেও কথা বলে। কিন্তু সংযত থাকতে পারেনা। যেমনটা এখানে হয়েছে।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: "মুসলমান হয়ে নিজের ধর্মকে সেরা না বল্লে মুসমান থেকে মাইনাস হয়ে যাবে"-- এটা কোন মুফতি বলেছে? নাকি আপনি বললেন? মুসলমানরা নিজেদেরকে আরও কতোটা সংকুচিত করবে বলতে পারেন? এই যেমন আপনি চেষ্টা করছেন নতুন যুক্তি দিয়ে মুসলমানকে মুসলমান থেকে মাইনাস করার!! হাস্যকর. . . আমি কিন্তু কখনোই বলিনি আমার ধর্ম শ্রেষ্ঠ নয়. . .

আমার কাছে ধর্মের মধ্যে ইসলাম ধর্মই শ্রেষ্ঠ ধর্ম। কিন্তু যারা হিন্দু ধর্মের অনুসারী তার যদি বলে তাদের ধর্ম শ্রেষ্ঠ তাতেও আমি আপত্তি করতে পারিনা! কেনোনা, কোনো ধর্মেই পাপ করতে বলা হয় নাই............... হয়তো ধর্মগুলো বিকৃত হয়েছে, কিন্তু এতে ঐ ছোটো শিশুটার কি দোষ. . যে ধীরে ধীরে নিজেকে হিন্দু ধর্মের অনুসারী হিসেবে তৈরী করছে?

১৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৬
নার্ডী বয় বলেছেন: ধর্ম ব্যপারটা নিয়ে এই ব্লগে অনেক যুদ্ধ দেখেছি. . আমার মতে ধর্ম ব্যাপরটা নিয়ে কাউকে কোনো কিছু চাপিয়ে দিতে নেই। একতরফা কোনোকিছু বলতেও নেই!! কেনোনা সবারই বোঝার ক্ষমতা রয়েছে যে কোনটা ভালো এবং কোনটা মন্দ। সবাইকে ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করুন। শুধুমাত্র ইসলাম ধর্মের অনুসারী হয়েই যে ভালো কাজ করা সম্ভব ব্যাপারটা তা নয়। আপনারা কতিপয় মুসলমানেরাই নিজেদেরকে বিভাজিত করে ফেলছেন. . . আর আপনাদের কারনেই আপনাদের দলটা ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে!!

স হ ম ত


মুহাম্মদ সা: বলেছেন

"ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না"

তারপরেও কেন যে ওনারা ধর্ম নয়া বাড়াবাড়ি করে বুঝি না।যিনি প্রকৃত মুসলিম তিনি কখনোই জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে মুহাম্মদ সা: এর কথা অমান্য করবেন না।যদি করেন তাহলে ত ওনি নিজেই ধর্ম মানছেন না।ইসলাম বলে "সহজ পন্থা অবলম্বন কর চরম পন্থা পরিত্যাগ কর"
একজন প্রকৃত মুসলমান কখনোই এমন কথা বলবেনা যা সার্বিক দিক থেকে উষ্কানীমূলক বা কারো মনে আঘাত দেয় ।সে হিসেবে একজন মুসলিম গর্ব/অহংকার করে বলতে/ প্রচার করতে পারেনা যে ইসলাম ই সেরা ধর্ম।কারণ তাঁর এ কথায় ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মনে আঘাত দেবে বা খোঁচা দেবে। একজন প্রকৃত মুসলিম কখনোই জেনেশুনে কারো মনে আঘাত দিতে পারে না।পোস্টদাতা ভাল করেই জানতেন/জানেন যে সামু একটা কম্যুনিটি ব্লগ।এখানে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীএবং নাস্তিকরাও ব্লগিং করেন।আর তারাও মুসলিমদের মতই রক্তমাংসের মানুষ।একজন মুসলমানের যে অধিকার আছে তাঁদেরও সেই একই অধিকার রয়েছে।ওনার পোস্ট বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীএবং নাস্তিকরাও দেখবেন। তখন তাঁরা একটু হলেও মনক্ষুন্ন হবেন।এতে বিবাদ সৃষ্টি হবে।প্রকৃত মুসলিম বিবাদ সৃষ্টি করতে পারে না।কারন ইসলামই বলে

"ফিতনা হত্যার চাইতেও জঘন্য"

এই পোস্ট লেখক কে ধন্যবাদ ধর্মকে আঘাত না করে মার্জিত ভাষায় সত্য কথাটি বলার জন্যে।তবুও কেন যে এমন পোস্টেও মানুষ মাইনাস দেয় বুঝি না।

সবাই ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রন করুন।দেখবেন কোন সমস্যাই থাকবেনা আর।

অহিংসা পরম ধর্ম
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: সত্যকে অনুধাবন করার জন্য ধন্যবাদ নার্ডী বয়

১৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৬
চৌকষ বলেছেন: না, ভাই আমার বেহশত দোজখ নিয়ে এতো ভাবনা চিন্তা নেই। আপনি তা করতে থাকুন। আমি বলেছি যে যার মতো গ্রহণ করবে বর্জন করবে। আপনি বা আমরা একথা দিয়েই শুরু করেছিলাম। খানিকটা নিজের উপর দিয়েই অগ্রসর হতে চেয়েছিলাম। আপনি যেহেতু অনেকজনের কথা ভাবছেন তাহলে আমাকে কেন ঠেলে দিচ্ছেন অন্যপ্রান্তে - হাস্যকর মুক্তচিন্তা।
যার যার ধর্ম শিক্ষা নেয়া যদি ব্রেইন ওয়াশ বলেন তাহলে পৃথিবীর সকল ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ করে দিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্রেইন ওয়াশই করে। কেউ যদি তার যুক্তি দিয়ে অন্যজনকে বোঝাতে পারে এতে অন্যের এতো মাথা ব্যথা কেন? তাহলে কি বলবো, আপনি যে প্রসঙ্গে পোস্ট করেছেন সেখানেও একধরণের ব্রেইন ওয়াশ চলছে? মূলত এ কথা বলতে চাচ্ছি না, উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করলাম।


ওম শান্তি।।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার নিক নেমের মতোই আপনি যথেষ্ঠ চৌকষ. . .
আমার মনে হয় আমরা নিজেদেরকে ভুল বুঝছি. . আমি আসলে আপনাকে অন্যপ্রান্তে ঠেলতে চাইনি. . . আর ব্রেইন ওয়াশ ব্যাপারটা মনে হয়না আপনাকে বোঝানোর প্রয়োজন রয়েছে। শুধু একটা কথা বলতে পারি আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থায় কোনটা ভালো এবং কোনটা মন্দ তা পরোক্ষভাবে শেখানো হয়, অথবা তাই শিক্ষা দেয়ার চেষ্টা করা হয়। আমাদের শিক্ষাব্যাবস্থায় খারাপটাকে ভালো বলে শেখানো হয় না! যদি তাই শেখানো হতো তবে সংখ্যাগগরিষ্টরা আমাদের শিক্ষাব্যাবস্থাকে সমর্থন করতো না! আমি জানিনা যে জঙ্গীদের কোনো শিক্ষাব্যাবস্থা আছে কিনা! যদি থেকে থাকে তবে তাদের শিক্ষা ব্যাবস্থার ক্ষেত্রে ব্রেইন ওয়াশ কথাটা ব্যাবহার করা যেতে পারে. . .

১৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৩
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: Aj rath a net a aisen. Post watch a raklam. Apnar mato loki ami kujci alap karar janoh. Rath 8tar por
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: আমি বাসায় ১১টার দিকে আসি. . .
তবে আজ দশটায় চলে আসবো ইনশাআল্লাহ. . .

আমন্ত্রন করে গেলাম... আর সবাইকে রিপ্লাই তখন করবো...

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: রাজীব ভাই, দেরী হওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত!! মাত্র বাসায় আসলাম. . . আমি হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে পিসিতে বসতেছি. . . তবে কতখানি গল্প করতে পারবো বুঝতে পারছি না!! আপনি কি আছেন?

১৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৪
জয়_জয় বলেছেন: রাজিব খান০০৭ মনে হয় ধর্ম ব্যবসায়ী
১৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩২
ঝড়১২৩ বলেছেন: কুয়ার ব্যং জানেনা সমুদ্র কি। এইখানে বাংলা লেখাটা একটু সমস্যা তাই বানানের দিকে দয়া করে বেশি নজর দিবেন না।
দেখুন যারাই ধর্মের নামে বেশ ভুষা দাড়ি টুপি হিজাব পড়ে গলায় দলীয় সাইনবোর্ড লাগিয়ে চিৎকার চেচামেচী করে তাদের যতই বুঝাবেন সত্য কি তারা কিছুই ধরতে পারবেনা। এ শুধু ইসলামে না বরং সনাতন, খ্রীষ্টান যাই বলেন না কেন। মোল্লা দিয়ে ইসলাম, ঠাকুর দিয়ে সনাতন, ফাদার দিয়ে খ্রীষ্টান ধর্ম বোঝা যায়না।

'জেসমিন আরা' ইনাদের মত মানুষের অভাব নাই। যাইহোক আপনার লেখা অল্পের ভিতর ভালই লাগল।

এক সাধক বলেন:
"আল্লাহকে এক জানলে কি হয়?
মানুষকে এক না জানলে কাফের হয় নিশ্চয়"

মানুষের জন্য ধর্ম, ধর্মের জন্য মানুষ নয়; তেমনই কোরান বেদ গীতা মানুষের জন্য, এদের জন্য মানুষ নয়। যুগে যুগে অসীম দেহ ও মন; এক হয়ে মানুষের একত্ব প্রকাশ করছে। মানুষের জন্যই সকল কিছু। সেই মানুষকে আলাদা, ছোট করে কিসের সেই ধর্ম?

যারাই ধর্ম এনেছেন তারা কখনো কিন্তু বলেনি মানুষ আলাদা। পরবর্তিতে আমরাই এর উপর কালিমা লাগিয়েছি।

যাইহোক এই নিয়ে পরে লিখব।
ধন্যবাদ
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: হুমম, আপনাকেও ধন্যবাদ. . .

পরে কিছু লিখলে এখানে লিংক দিয়েন. . অপেক্ষায় রইলাম. . . আপনার কথাগুলো ভালো লাগলো. . . আমি আজ রিক্সায় বসে একটা লেখা লিখেছিলাম. . . দেখি এখন অথবা কাল পোষ্ট করতে পারি...

২০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৪
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: সুমন ভাই, মানুষের প্রকৃতির মধ্যে নিজ মতবাদের প্রতি শ্রেষ্ঠত্বের অভিমান আছে। যদি সেটা সত্যিকার অর্থে মতবাদ হয়। আমার বিভিন্ন ধর্মের বন্ধু আছে। স্বভাবতই তার মধ্যে হিন্দু ধর্মের অনুসারী বেশী । বেশ কিছু ধর্মপরয়ণ হিন্দু বন্ধু আছে তাদের মধ্যে যাদের সংগে ছোটবেলায় নিজ ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে ব্যাপক তর্ক হত। এসব তর্কে কেউই আমরা জিততাম না। মজার ব্যাপার হল তারপরও প্রত্যেকেই জিতেছি বলে আত্মপ্রসাদ লাভ করতাম। কারণ তর্ক এমন একটা ব্যাপার যা মূলত নিজের তালগাছটা ধরে রাখার একটা প্রতিযোগিতা ছাড়া কিছুই না। একটু বড় হবার পর যখন বিষয়টা পরিস্কার হল- তখন আমার হিন্দু বন্ধু কেন মুসলমান হচ্ছে না এটা ভাবতে গিয়ে ভাবনা এলো আমি কেন হিন্দু হচ্ছি না। সেই থেকে নিজের ধর্মের পাশাপাশি অন্যের ধর্মকে জানার চেষ্টা শুরু করি।

সে চেষ্টার ফলাফল নিয়ে কিছু বলছিনা। তবে এটা ঠিক যে আমরা হিন্দু মুসলিম যে যে ধর্মের অনুসারীই হই না কেন- বেশীরভাগই না জেনেই বাপ-দাদার ধর্ম হিসেবে পালন করি, কোন গুঢ় তত্ব হিসেব নিকেশ না করেই। আমাদের ধর্মীয় শিক্ষাগুলোও বেশীরভাগ ক্ষেত্রে একপেশে যা আমাদের অন্ধ বিশ্বাসীরূপেই গড়ে তোলে।

তবে যারা প্রশ্ন করে তাদের অনেকেই আবার ধর্মের প্রতি বিশ্বাসই হারিয়ে ফেলে। ধরুন একজন হিন্দু ধর্মানুসারী তার ধর্মের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে নাস্তিক হয়ে গেলেন। (নাস্তিক হওয়াটা সহজ কারণ তাতে ধর্মচ্যুতির ধকল তেমন একটা সামলানোর প্রয়োজন হয় না।) তিনি তখন তার নাস্তিক্যবাদী বিশ্বাসটা পাকাপোক্ত করতে অন্য ধর্মের দিকেও হাত বাড়ান। কারণ সবগুলো ধর্মকে মিথ্যে প্রমাণ না করলে তার নিজের ধর্মকে ছোট করার পাশাপাশি বিশ্বাসটাকে যৌক্তিক প্রমাণ করা যায় না। তবে বেশীরভাগ লোকই অন্যের ধর্মকে ছোট করার জন্য নাস্তিক সাজেন। আর এসব ক্ষেত্রে টার্গেট ইসলামই বেশী হয় কারণ ধর্ম হিসেবে ইসলাম একটু বেশী অ্যাকটিভ। তাছাড়া টার্গেট করার মত বিষয়ের অভাবও নেই। কারণ সব বিষয় নিয়েই কম বেশী ইসলামের বক্তব্য আছে।

হয়ত এসব কারণেই কেউ কেউ ইসলামকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি অবশ্য বর্তমান প্রায়োগিক ইসলামকে শ্রেষ্ঠ ভাবার কোন কারণ দেখি না। তবে মনে করি ইসলামকে তার প্রকৃত রূপ দিতে পারলে তাকে শ্রেষ্ঠ বলতে চাওয়ার প্রয়োজনই হবে না। স্রষ্টা তো একজনই- তিনি যদি বিশেষ একটা ধর্মকে শ্রেষ্ঠ করেন তবে তা নিয়ে মানুষের এত ফালাফালির প্রয়োজনও নেই। তাছাড়া তাতে ধর্মের প্রয়োজনীয়তার জায়গাটাও ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

শুধু ইসলাম নয়, সব ধর্মেরই মূল সুর- এই পৃথিবীর একজনই স্রষ্টা সুতরাং তুমি খারাপ কাজ করে অন্য কারো কাছে আশ্রয় নিতে পারবে না। কাজেই তিনি তোমাকে দেখছেন এটা মনে রেখে কাজ কর। এমনকি তেত্রিশ কোটি দেবতার ধর্ম হিন্দু ধর্মও যে মূলত এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করে এই সেদিনও এমন একটা গীতার বাণী শুনেছিলাম। আসলে আমরা যারা স্রষ্টায় বিশ্বাস করি তারা মনে করি সব বড় ধর্মগুলোই ঈশ্বর কর্তৃক প্রেরিত। মানুষ ধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়েছে বলেই ধর্মগুলো আপডেট করার প্রয়োজন হয়েছে। সেই বিচ্যুতির হাত থেকে ইসলামও রক্ষা পায়নি।

তবে ইসলামের পর ধর্মের আর কোন আপডেটেড ভার্সন আসবে না এটাই আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু এই বিশ্বাসের সংগে একটা দায়িত্ববোধ এসেও যুক্ত হয়। স্রষ্টা মানুষকে তাদের তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত পর্যায়ে বিবর্তিত করেছেন। কাজেই এই সঠিক পথ খোঁজার ব্যাপারে এখন তারা নিজেরাই যথেষ্ট বলে তিনি মনে করেন।

কাজেই যারা ইসলামকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম হিসেবে সগর্বে ঘোষণা করার শিশুতোষ বিনোদনে লিপ্ত আছেন, তাদের প্রতি- ঘোষণা না করে আপনার আচার আচরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিন যে ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম। তা যদি না পারেন আপনার ধর্মের প্রতি অন্যকে আকৃষ্ট করার দায়িত্ব যদি পালন না করতে পারেন তাহলে আসলে আপনার এই শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা বৃথা আস্ফালন ছাড়া কিছুই না।

@লেখক আপনি যে উদ্দেশ্যেই এই পোষ্ট দিয়ে থাকেন আপনার বক্তব্যভংগী যাই হোক আপনি সত্যি কথাই বলেছেন- তবে আপনার বক্তব্যটুকু আমি আমার মত করে পরিবেশন করলাম। ধন্যবাদ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ভাই, আমি একটু বাইরে যাচ্ছি। আমি এসেই রিপ্লাই করবো

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে............
আপনার কথাগুলো সত্যিই অনেক ভালো লাগলো. . .
আসলে কি বলবো, আপনি অনেক গুরুত্বপূর্ন কথা বলেছেন. . . কিছু কিছু লেখা এখান থেকে কোট করা যেতে পারে. . .

আর আমার তেমন কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না. . . জেসমিন আরা নামক ব্লগারের পোষ্টটা পড়ে আমি আমার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি শুধু. . .
তিনি আবার আমার মন্তব্যের রিপ্লাই এ বলেছেন এটা নাকি এক ধরনের জিহাদ. . .

ভালো থাকুন ভাই. . .

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: আহমাদ ভাই, সবজায়গাতে কমেডি খুজতে নেই! :D

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ও.... আসছি. . .

বলেন. . .

২৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৪
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: ১-আচ্ছা ঐ পোস্টে লেখক কিভাবে তার মতবাদ চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলেন?
২-অযথা প্যাচাল বুঝেন? তা করার জন্য আপনার পোস্টে মাইনাস দিয়েছি।
৩-গান্জার বাস কেমন লাগে? মাথার তাল ঠিক থাকে না বুঝি?
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা. . .
১. আপনার যেহেতু মনে হয়েছে যে মতবাদ চাপিয়ে দেয়া হয়নি সুতরাং আমি কেনো আপনাকে কেউই বোঝাতে পারবে না যে আপনি অথবা আপনার রূপে জেসমিন আরারা এভাবে মতবাদ চাপিয়ে দিতে চাইছেন. . . এবাবে ইসলাম প্রচার হয় না!!

২. ও. . . তাই, পোষ্টের কোন লাইনটা অযথা প্যাচাল ছিলো?

৩. প্রাসঙ্গিক আলাপ করেন. . . আমার তাল নিয়ে আমি সন্তুষ্ট, আমার আত্ববিশ্বাস আছে যে আমার মাথার তাল কখন ঠিক থাকবে এবং থাকবে না!! গান্জা বাসে এতো সহজে টাল হলে চলে?

আপনাকে কয়েকটা প্রশ্নঃ
আপনি আমার সাথে কোন বিষয়টা নিয়ে আলাপ করতে চাইছেন?
আপনি কি মুসলিম?
আপনি কি ইসলাম ধর্ম সেরা মানেন?
আপনি কি ইসলামের দেয়া জীবন বিধান অনুসরণ করেন?

২৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৬
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: সুমন ভাই পেজটা অনেক বড় হয়ে পড়েছে।আসেন নতুন একটা পেজে আড্ডা মারি।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: দাড়ান, একটা নতুন পোষ্ট দিচ্ছি. . .
তবে ভাই একটা রিকোযেস্ট করি, আসেন আমরা আলোচনার শুরুতে বলে নেই যে আমরা দুজনই যদি অনেক রেগে যাই তবে কেউ কাউকে গালি দিবো না!! হা হা হা..........

আমি প্রতিশ্রুতি দিলাম, গালি দিবো না. . . দেখি রাখতে পারি কিনা! মনে হয় সেরকম কোনো পরিস্থিতি তৈরী হবে না. . কি বলেন?

২৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫২
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
২. ও. . . তাই, পোষ্টের কোন লাইনটা অযথা প্যাচাল ছিলো?
আপনার পুরো পোস্টটাই প্যাচাল মনে হয়েছে আমার কাছে।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: পুরো পোষ্টটা?
"ইসলাম ই সেরা ধর্ম আর আল কুরআন সেরা ধর্মগ্রন্থ"--- এই লাইনটাও পেচাল মনে হয়েছে?

"সবাইকে ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করুন।" এটাও কি প্যাচাল মনে হয়েছে?

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ও... পাগল বুঝি গালি দেয়!! হা হা হা. . .
আমার কাছে পাগলদেরই সত্যিকার মানুষ মনে হয়. . .

কোনো ধর্ম নাই, কোনো কর্ম নাই. . . পাপ নাই, পূন্যের লোভ ও করে না!!

কি বলেন?

২৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১২
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: নতুন পেজ দেন প্লিজ।প্রচুর ডাটা যাচ্ছে এ পেজে''''' তাড়াতাড়ি।
২৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৩
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: ইসলাম ই সেরা ধর্ম আর আল কুরআন সেরা ধর্মগ্রন্থ"---
এটা আপনার লেখা নয় যাকে নিয়ে শুরু করেছি তার লেখা ছিল।

নতুন পেজ কুইক
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: রাজীব ভাই, আর একটা মন্তব্য এই পেজে করুন. . .
আপনি কি নিয়ে আমার সাথে আলাপ করতে চাইছেন আমি তা বুঝতে পারছি না!!

আমারতো মনে হচ্ছে আমাদের কথাবার্তা বেশীদুর এগুবে না। এখন দেখা গেলো নতুন একটা পেজ ওপেন করলাম, অথচ আমারা কথাবার্তা বলার বিষয় খুজে পেলাম না, তাহলেতো ব্যাপারটা হাস্যকর হবে. . . হা হা হা....
আমি সম্ভবত কাল একটা পোষ্ট দিবো, সেখানো আপনার সাথে মতপার্থক্য হতে পারে.... যদি কিছু মনে না করেন এবং যদি কালকে সময় থাকে তবে না হয় কালকের পোষ্টেই দেখা হোক. ..

এই যে কতসুন্দর আমরা কথা বলছি, ভাবনাগুলো শেয়ার করছি... খারাপ লাগছেনা কিন্তু. . .

তবে আমার কাছে কেনো যেনো মনে হচ্ছে অযথাই সময় নষ্ট হচ্ছে. . আপনার ভাষায় সেটা প্যাচালও বলা যেতে পারে. . . শেষের মন্তব্যগুলো খেয়াল করেন. . . কথোপকথন ছাড়া তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ন কথা নেই. .

কি বলেন রাজীব ভাই?

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: ও.....
"সবাইকে ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করুন।" এটাও কি প্যাচাল মনে হয়েছে?

৩০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৭
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: রাজীব ভাই, ভাল আছেন আশা করি। আপনি আমাকে নিশ্চয়ই চিনে থাকবেন। কারণ আপনি বিভিন্ন জায়গায় আমাকে দেখেছেন। এখানে সম্ভবত একটা ভুল বুঝাবুঝি হচ্ছে।

একটু খেয়াল করে বোঝার চেষ্টা করেন। হজরত মুহাম্মদ(সঃ) ধর্ম প্রচার করেছেন শূন্য থেকে। কি পরিস্থিতিতে? তখনকার আরবরা নানান রকম নষ্ট প্রথায় অভ্যস্ত ছিল। সামান্য পাথর তুলতে গিয়েও রক্তারক্তি হয়ে যেত। তিনি কিন্তু শুরুতেই ধর্মপ্রচারক ছিলেন না। কিন্তু নানা রকম অপসিস্টেমের কারণে পাঁচজন ফজলকে নিয়ে হলফ করিয়েছিলেন যে তারা এইসব অন্যায় অত্যাচার প্রতিরোধকল্পে কাজ করবেন। যুবক বয়সে তিনি সামাজিক অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেমেছিলেন। হিট্টির মত ইতিহাসবিদদের অভিমত যতটা না ধর্ম তার চেয়ে অনেক বেশী সামাজিক সঙস্কারের উদ্যোগের কারণেই তিনি তখনকার শাসকশ্রেণীর কোপানলে পড়েছিলেন।

৪০ বছর বয়সে তিনি ক্রমাগত ধ্যানের এক পর্যায়ে নবুয়তপ্রাপ্ত হন। তখনকার শাসকশ্রেণী ধর্মের নামে অনাচার চালাত। নবুয়ত প্রাপ্তির পর তিনি সেই নষ্ট ধর্মের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযান অব্যাহত রেখে নতুন ধর্ম প্রচার করেন। অনেকেই তাঁর বিরুদ্ধে নানান রকম অপপ্রচার চালান। কোন কোন ধর্মতত্ববিদ তাঁর নবুয়তের দাবীর ব্যাপারেও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু কেউ তাঁর প্রভাবকে অস্বীকার করতে পারেন নি। কোটি কোটি অনুসারী আজ তার। তবে সত্যি কথা হল আমরা বেশীরভাগই জন্মসূত্রে মুসলিম। সত্যিকার অর্থে অনুসারী বলতে যা বোঝায় তা কজন?

তাঁর ও তাঁর সাহাবীদের জীবনী পড়লে দেখবেন- ব্যক্তিগত রাগ বিদ্বেষ ভুলে তাঁরা মানবতার সার্বিক মঙগলে কাজ করেছেন। তাঁর বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে যে ইহুদি ইচ্ছাকৃতভাবে তার কম্বল নষ্ট করে চলে গেছে- তিনি তাকে শুধু ক্ষমাই করেননি। নিজ হাতে কম্বল পরিষ্কার করেছেন। ফেলে যাওয়া তরবারী ফেরৎ নিতে আসলে উদ্বিগ্ন মুখে তার কুশল জানতে চেয়েছেন। এভাবেই তিনি চরিত্রমাধূর্যে জনতার হৃদয় জয় করে ধর্মপ্রচার করেছেন। দম্ভ ভরে ঘোষণা করেননি- আমার ধর্মই সেরা ধর্ম- অতএব এটা গ্রহণ কর।

আপনার ধর্ম গ্রহণ করতে মানুষ কখন উৎসাহী হবে?
যখন দেখবে সেটা তার পালন করা ধর্মের চেয়ে ভাল কিছু। সেটা গ্রহণ করে যদি সে কোন বিশেষ উপকারিতা না পায় তাহলে শুধু আপনার দম্ভ শুনে সে সেটা কেন গ্রহণ করতে আসবে?

দেখুন তো রাসুল কি করেছিলেন? ছুঁড়ে মারা পাথরে ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন- বিদ্রুপ শুনেছেন শাসকগোষ্ঠির। কিন্তু তাঁর অনুসারী বেড়েই চলেছে দিনের পর দিন। তাকি তার দম্ভ শুনে? দম্ভ করার মত পার্থিব কি ছিল তার হাতে?

সত্যি বলতে কি আমরা যারা মুসলিম তারা জানিই না জ্বিহাদের মানে। রাসুলের জীবনে থেকে যদি শিখতে পারেন তাহলে দুএকটা বলি-

আপনার এলাকার প্রভাবশালী অত্যাচারী লোকটির অত্যাচারের প্রতিবাদ করার নাম জ্বিহাদ। আপনি সত্যিকারের ঈমানদার মুসলমান হলে সেটা আপনার জন্য অবশ্য কর্তব্য।

শাসক শ্রেণীর অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করার নাম জ্বিহাদ।

নেশাখোর জুয়ারীদের প্রতিরোধ করার নাম জ্বিহাদ।

যে কোন ছোট-বড় অন্যায় প্রতিরোধের নাম জ্বিহাদ।

অজ্ঞানতার বিরুদ্ধে লড়াই করার নাম জ্বিহাদ।

বোমা মেরে নিরীহ মানুষ খুন করার নাম জ্বেহাদ নয়।

ইসলাম একটা ধর্ম। ধর্ম মানে বৈশিষ্ট। একজন মুসলমানের বৈশিষ্ট সে সত্যি কথা বলবে, সৎ হবে, সত্যিকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ প্রতিরোধে পিছু হটবে না। আশেপাশের মানুষদের নিয়ে ভাল থাকার চেষ্টা করবে। (যার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে তার ধর্মই নেই)। কলেমা, নামাজ রোজা এইসব ইসলামী বৈশিষ্ট অর্জনের হাতিয়ার।

যদি আমি মুসলমান হয়েও এসব বৈশিষ্ট অর্জন না করতে পারি। নামাজ পড়ব, রোজা রাখব, লম্বা সুন্নতি দাড়ি-গোফ রাখব অথচ অফিসে ঘুষ খাব। প্রতিবেশীর জমি দখল করব- এই যদি হয় মুসলমানদের চেহারা- তবে তার চেয়ে সৎ, সত্যবাদী, মানবদরদী, অন্যায়ের প্রতিবাদকারী হিন্দু লোকটি আমার কাছে অনেক বেশী মুসলমান। তিনি তেত্রিশ কোটি দেবতায় বিশ্বাস করলেও এক ঈশ্বরকে মানেন। রাসুল(সঃ) কে স্বীকার না করলেও তাঁর আদর্শের অনুসারী। আল্লাহ বা রাসুল(সঃ) তো অন্তসারশূন্য মৌখিক স্বীকৃতির প্রত্যাশী নন- সত্যিকারের অনুসরণের প্রত্যাশী।

সুতরাং রাজীব ভাই আসুন ধর্ম নিয়ে সত্যিকার অর্থে চিন্তা করি। আমাদেরকেই তো এগিয়ে আসতে হবে ভাই। মৌখিক দম্ভ নয় যদি সত্যিই আমরা আমাদের ধর্মকে সেরা মনে করি- সেটা কাজ দিয়েই প্রমাণ করতে হবে। মৌখিক দম্ভে সবাই দূরে সরে যাবে- আর সৎ স্বভাব ও সুন্দর আচরণ দিয়ে মানুষকে কাছে টেনে নেবার নামই ইসলাম- শান্তির ধর্ম।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: আমার বন্ধু সাগর মুখার্জী. . . অন্যান্য মুসলীম বন্ধুদের সাথে যদি তুলনা করি তবে আমার মনে হয় যে সাগরকেই তুলনামুলকভাবে আদর্শ বলা যায়. . .

কিন্তু শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মের অনুসারী হওয়ায় সে দোযখে যাবে অথবা শাস্তি পাবে এটা আমি কখনই মানতে পারিনা!!

পান্না ভাই,
আপনার চিন্তভাবনা অনেক পজিটিভ. . . সবাই এভাবে ভাবতে পারে না! সবাই যদি এভাবে ভাবতে পারতো তবে পৃথিবীতে এতো দ্বন্দ থাকতো না! থাকতো না ধর্মযুদ্ধ. . .

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ...

৩১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫১
ঝড়১২৩ বলেছেন: ধর্ম কি? মানুষের কর্মই এক ধর্ম বলা যেতে পারে!! তাইনা? তাহলে বলতে পারিঃ সৎ কর্ম বা ভালো কর্ম = ভালো ধর্ম, এবং কু কর্ম= কু ধর্ম। এই দুইটা ছাড়া আর কিছু আছে? সম্ভবত নাই। এখন আমরা জানি, মানুষের জন্য ধর্মের আবির্ভাব। তথা মানুষ কিভাবে উঠবে বসবে, খাবে, চিন্তা করবে, কথা বলবে, দেখবে, শুনবে, ঘ্রান নিবে, অনুভুতি নিবে, ইত্যাদি সকল বিষয় এই ভূ পৃষ্ঠে বিভিন্ন জনগোষ্টিতে বিভিন্ন মহা মানব গণ এক স্রষ্টার বানী তথা কি কর্ম করবে সেই বাণী নিয়ে মানুষকে দিয়েছে। ব্যস। এতটুকুও যদি কেউ ভাবে তাইলেও হয়ে যায়। একজন হিন্দু সে যদি খুন করে তার যে বিচার , এক মুসলমান যদি খুন করে তারও সেই একই বিচার। তাইনা? নাকি গরু খাওয়ার কারণে তার বিচার কম? আমি গভিরের ধারে কাছেও যাইনাই। সাধারন এই কথাটাও যদি কেউ ভাবে তাইলেও অনেক সোজা হয়ে যাবে সব কিছু। সব কিছুর মূল এই মানুষ।

যেমন সবাই বলে শুকর খাওয়া হারাম। আমিও তাই বলি খাওয়া হারাম, তখন গরু খাওয়াও কিন্তু হারাম। হ্যা গরুর থেকে শুকরের মাংসে জার্ম বেশি থাকে, চর্বি বেশি, মাংসে হয়ত একটু গন্ধ বেশি, তাই বলে গরু খাওয়া যে পুন্যি এইটা কিন্তু ঠিক না। হয়ত অনেকেই চিল্লাইব। কেননা জিহবার লোভ তো আর ছাড়া যায়না, তাই নিরিহ পশুই যাক। দুইটাই পশু, জীব, দুইটারই বাচার ইচ্ছা সমান। এমন না যে গরুকে কতল করতে গেলে গরু স্বদিচ্ছায় আপনার সামনে মাথা আগায় দেয়, সেও পালাতে চায়, বাচতে চায়, যেমন একটা মানুষও চায়...।যাইহোক টপিক মোড় নিয়ে যাচ্ছে, ধরে রাখতে পারছিনা, অফটপিক নিয়ে কথা বেশি হয়ে গেল। দুঃখিত।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা....
না ঝড়, প্রশ্নগুলো স্বাভাবিকভাবেই আসে? যেমন প্রশ্নটা এরকম হতে পারে যে এই প্রানীটার কি দোষ? ওরতো একটাই প্রান. . . তাই না? যাই হোক, পৃথীবিতে অনেক প্রশ্ন আছে যার উত্তর জানা নাই!

আমি নিজেই কিন্তু গরুর মাংস খাই, তবে সম্ভবত গতো চারবছর আমাদের কোরবানীর গরুটা দেখা হয় নাই! চারবছর আগে প্রতি কোরবানীতেই গরু দেখতে যাওয়া হতো... তবে শেষবার গরুর চোখের দিকে তাকিয়ে কেনো যেনো খুব কষ্ট লাগলো, "গরুর চোখে এতো মায়া!!"
তবে এইবার আমি যখন আমাদের গরুর মাংস খাচ্ছিলাম তখন আমাদের গরুটার কথা খুব মনে পড়ছিলো, মনে প্রশ্ন জাগছিলো আমাদের গরুটা দেখতে কেমন ছিলো, ওর চোখে কেমন মায়া ছিলো. . . কেনো যেনো অনুভব করছিলাম... মনে হচ্ছিল কি যেনো ত্যাগ করলাম!! ঠিক মেলাতে পারলাম না. . .

যাই হোক, আপনি যা বলেছেন মূলত তা হয়তো অফটপিক ছিলো না। কেনোনা ধর্ম নিয়ে কথা বলার পরিধি অনেক বড়...

৩২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৯
এরশাদ বাদশা বলেছেন: লেখক বলেছেন: কিন্তু এরা কারা? এরা কি ভাবে নিজেদের? অনেক সওয়াবের অধিকারী হচ্ছে এরা?

এরশাদ বাদশা বলেছেন: ইসলাম ধর্মেও জোর করে চাপানোর কথা লেখা নেই।

এরা এভাবে বলকে কি সবাই মুসলমান হয়ে যাবে? সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহন করবে?

বোকার দল কোথাকার!!!

এ জন্যই বলি- এদের পোস্টে মন্তব্য করাটা বৃথা। নিজেদের ছাড়া বাকি দুনিয়াকে এরা নিতান্তই তুচ্ছ জ্ঞান করে।




 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩১৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অনিয়মের বেড়াজালে নিয়মগুলোকেই আজ সবার অনিয়ম বলে মনে হয়!
--- সুমন অহেমদ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ