somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... লুল পুরুষের কৌশলের কাছে পরাজিত হয় নারী, ”ধর্ষনের” পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় ”সেচ্ছায় সঙ্গম” শব্দটি, এটাই কি আধুনিকতা?
ইসলামের কতবড় স্পর্ধা ইসলাম পুরুষকে পর নারীর দিকে তাকাতে নিষেধ করে, পর নারীর দিকে তাকানোকে পাপ হিসেবে বিবেচনা করে! পুরুষেরা নারীর দিকে তাকাবে, নারীর রূপ দেখবে, এটাইতো প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম হওয়ার কথা। কিন্তু একি বলছে ইসলাম? কিসের বাণী শোনাচ্ছে? ইসলাম ধর্মে নারীকে বোরখা পড়তে বলা হচ্ছে, হিজাব পড়তে বলা হচ্ছে, নিজের স্ত্রীকে পর পুরুষের সামনে ঘোমটা দিয়ে যেতে বলা হচ্ছে, এগুলো পালন করলে কি নারীর হাত, পা, উরু, পেট, উপরন্তু নারীর রূপ দেখা সম্ভব?

নারীর প্রতি দুর্বল কতিপয় লুল পুরুষ এটা নিয়ে গবেষণা শুরু করলো এবং গবেষণার ফল থেকে তারা উপলব্ধি করলো যেহেতু কোনো ধর্মই মানুষকে সরাসরি পাপ করতে বলেনি, আর ধর্ম যেহেতু নারীকে ভোগ করার ব্যাপারে নিয়ম কানুন বেধে দিয়েছে সুতরাং ধর্মের অনুসারী হয়ে এই পাপ করা অসম্ভব।

কৌশলে এইসব লুল পুরুষেরা ধর্মনিরপেক্ষতার বুলি আওরাতে শুরু করলো। নারীর অধিকার আদায়ের ব্যাপারটি নিয়ে লুল পুরুষেরা নারীর সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করলো। কতিপয় নারীকে তারা বোঝাতেও সমর্থ হলো, ’কোনো ধর্মই নারীকে সম্মান দেয়নি, অধিকার দেয়নি!’ নারীকে বোঝানো হলো বোরখা অথবা হিজাব পড়লে নারীর অধিকার রক্ষিত হয় না। নারীকে বলা হলো তোমরা যদি আধুনিক হতে চাও তবে এইসব শৃঙ্খল খুলে ফেলো। সমান সমান অধিকার আদায়ে নারীদেরকে আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করা হলো। লুল পুরুষ পুরোপুরি স্বার্থকও হলো, কেনোনা প্রথমত তারা নারীদের কাছ থেকে সমর্থন পেল এবং দ্বিতীয়ত তারা নারীর সঙ্গও পেল।


প্রিয় নারীগন, আপনাদেরকে বলি, অধিকার দেয়ার নাম করে এইসমস্ত লুল পুরুষ আপনাকে বিবস্ত্র করা ছাড়া কিছুই করতে পারবে না। উন্নত বিশ্ব যেভাবে নারীকে পন্য বানিয়েছে এরা আপনাদেরকে সেভাবেই পন্য বানিয়ে ছাড়বে। অধিকার আদায়ের নাম করে রাত বারোটার পর আপনাদেরকে মোস্তফা সারোয়ার ফারুকীর লিটনের ফ্লাটে নিয়ে যাবে এইসব লুল পুরুষ।

এইসব লুল পুরুষেরা আধুনিক সমাজের কথা বলে, অথচ তাদের কাছে যখন জানতে চাওয়া হয় এই আধুনিক সমাজের মডেলটা কেমন হবে, কি কি বৈশিষ্ট হবে, আদৌ কি পৃথিবীতে এই আধুনিক সমাজটা আছে কিনা, তখন তারা নিরব থাকে।

একটি মজার ব্যাপার হলো এইসব লুলরা বোরখা এবং হিজাব পড়াকে শৃঙ্খল বলছে অথচ হাতের চুড়ি, কানের দুল, নাকের নোলক অথবা পায়ের নুপুরকে এরা শৃঙ্খল বলছে না। আরও একটি মজার ব্যাপার হলো এইসব লুলরা বলছে নারীকে পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব নয়, আমিও এই কথার সাথে একমত, কিন্তু যেদেশে ৫০ হাজার এ+ পাওয়া শিক্ষার্থীকে ভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ করে দিতে আমরা পারছি না, যেদেশে শিক্ষিতরা ঘরে ঘরে বেকার হয়ে বসে আছে, সে দেশের জন্য কতখানি যুক্তিসঙ্গত এই যুক্তিটি?

আমি নারীদেরকে বলছি না ইসলামের দেয়া নির্দেশিতো পথে চলতে, আমি বলছি না বোরখা অথবা হিজাব পড়তে, আমি শুধুমাত্র লুল পুরুষদের প্রতারণা সম্পর্কে আপনাদের সচেতন করতে চাইছি। অধিকারের নাম করে লুল পুরুষেরা আপনাকে শুধু বিবস্ত্রই করবে, যেমনটা করেছে উন্নত বিশ্ব। আপনাকে পণ্য বানাবে, লুল পুরুষের ভোগ্যসামগ্রীতে পরিনত করবে, একসময় আপনাদেরকে ব্যবহার করে পর্ণ বানানো হবে। এখানে ছোট্ট একটা তথ্য দেই, ইউএসএ তে প্রতি ৩৯ মিনিটে একটি করে পর্ণ তৈরী হয়, প্রতিবছর কয়েকশ মিলিয়ন ডলার আয় হয় এই পর্ণ ইন্ড্রাস্ট্রি থেকে। দেশের উন্নয়নে কি এভাবে অবদান রাখতে চান আপনারা? যে ইউএসএ নিজেদেরকে আধুনিক ও সভ্য দাবি করে সেই ইউএসএ তে ১৬ বছরের আগেই কিশোর কিশোরীরা ভার্জিনিটি হারায়!! বাকিটা ইন্টারনেট ঘাটলেই পাবেন।

ধর্ম আর্ভিভাবের পূর্বে নারীদের অবস্থানটা কিরকম ছিলো সেটাও জেনে নেওয়ার অনুরোধ রইলো সবার কাছে। এটা মনে রাখবেন, জোর করে যেমন ভালোবাসা হয়না, তেমনি জোর করে কাউকে ধর্মের প্রতিও আকৃষ্ট করা যায় না। আপনার কাজের দ্বারা মুগ্ধ হয়ে কেউ হয়তো আপনার ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে।

শেষে এটুকুই বলবো, সম-অধিকার বলতে পৃথিবীতে কিছুই নেই। অধিকারকে দাড়িপাল্লায় মেপে সমানভাবে ভাগ করে দেয়াও অসম্ভব। কোথাও নারীরা সুযোগ-সুবিধা বেশী পাবে, কোথাও পুরুষেরা সুযোগ-সুবিধা বেশী পাবে, এটাই স্বাভাবিক। সম-অধিকার নয়, বরং সুষম অধিকার আদায়ে আপনারা আন্দোলন করুন, লুল পুরুষদেরকে বর্জন করুন এবং কোনটা অধিকারের মধ্যে পড়ে তা নির্দিষ্ট করুন।
ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29520816 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29520816 2012-01-12 00:14:30
মাইনাস বাটন ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গে সামহ্যোয়ার ইন কর্তৃপক্ষকে নতুন করে ভাবার অনুরোধ
মাইনাস বাটনের নিয়ন্ত্রনটা লেখকের হাতেই ছেড়ে দিলে কেমন হয়?

সামহ্যোয়ারইন এর মাইনাস বাটন তুলে নেয়ার ব্যাপারটা অবশ্যই ভালো উদ্দ্যোগ ছিলো। অনেকেই হয়তো কারনে অকারণে মাইনাস বাটনের অপব্যাবহার করতো। ব্লগে অনেক ধরনের গ্রুপিংও রয়েছে, যারা গ্রুপিং করে মাইনাস দিতো।

পরিবর্তনটা অবশ্যই ভালো উদ্দ্যোগ ছিলো, প্লাস-মাইনাস বাটনের বদলে শুধুমাত্র "ভালোলাগলো" বাটনটি যোগ করলো সামহ্যোয়ার ইন। কিন্তু সামহ্যোয়ারইন ব্লগের স্বকিয়তাই ছিলো কিন্তু প্লাস মাইনাস বাটনদুটো।

কিছু কিছু লেখা আছে যেগুলোর ভালো লাগা এবং খারাপ লাগা পাঠকের সংখ্যা প্রায় কাছাকাছি। পাঠকরা এখন তাদের ভালোলাগা, বাটন চেপে প্রকাশ করতে পারছে, মন্তব্য করছে, সামাজিক যোগাযোগের সাইটে শেয়ার করছে, কিন্তু যাদের ভালো লাগলো না, তারা হয়তো মন্তব্যও করছে না।

"ভালো লাগেনি" বাটনঃ
একটি পোষ্ট প্রকাশের সময় ডানপাশে "মন্তব্য প্রকাশ" ট্যাবটিতে যেমন তিনটি অপশন দেয়া হয়, যেখানে ডিফল্ট "সরাসরি প্রকাশিত হবে" চেক বক্সটি টিক দেয়া থাকে, তেমনি করে আর একটি ট্যাব সংযোজনের অনুরোধ করলাম সামহ্যোয়ার ইন কতৃপক্ষকে।

এই নতুন ট্যাবটিতে ভালো লাগলো এবং ভালো লাগেনি দুটো চেক বক্স থাকবে। ডিফল্ট ভালো লাগলো বাটনটি চেক দেয়া থাকবে, লেখল চাইলে ভালো লাগেনি চেকবক্সটিতে টিক দিয়ে দিতে পারবেন। তাহলেই সেই পোষ্টে "ভালো লাগেনি" বাটনটি যুক্ত হয়ে যাবে।

অথবা লেখককে শুধু একটাই অপশন দেয়া হোক, যেখানে ভালো লাগেনি চেক বক্সটি খালি থাকবে। লেখক চাইলেই সেই চেকবক্সটি টিক দিয়ে মূল লেখায় ভালো লাগেনি বাটনটি যুক্ত করতে পারবেন।

আমি একজন ক্ষুদ্র ব্লগার হিসেবে সামু কর্তৃপক্ষকে নতুন করে ভাবার অনুরোধ জানালাম। এবং ব্লগটাকে আমরা অনেকেই পছন্দ করি। ব্লগের জন্য, ব্লগারদের জন্য যা কিছু ভালো আশারাখি সামু কর্তৃপক্ষ সেদিকে নজর দিবে।

ধন্যবাদ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29520251 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29520251 2012-01-11 03:27:40
সব কটা জানালা খুলে দাও না

সব কটা জানালা খুলে দাও না,
আমি গাইবো গাইবো বিজয়ের-ই গান...
ওরা আসবে চুপি চুপি,
যারা এই দেশটাকে ভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ. . .
সব কটা জানালা খুলে দাও না . . .

চোখ থেকে মুছে ফেলো অশ্রু টুকু,
এমন খুশির দিনে কাদতে নেই. . .
হারানো সৃতির, বেদনাতে, একাকার করে মন রাখতে নেই. . .
ওরা আসবে চুপি চুপি,
কেউ যেন ভুল করে গেওনাকো মন ভাঙ্গা গান . . .

আজ আমি সারা নিশি থাকবো জেগে
ঘরের আলো সব আধার করে. . .
ছড়িয়ে রাখো, অত্তর গোলাপ, এদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে. . .
ওরা আসবে চুপি চুপি,
কেউ যেন ভুল করে গেওনাকো মন ভাঙ্গা গান . . .

সব কটা জানালা খুলে দাও না,
আমি গাইবো গাইবো বিজয়ের গান...
ওরা আসবে চুপি চুপি,
যারা এই দেশটাকে ভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ. . .
সব কটা জানালা খুলে দাও না . . . ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29503745 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29503745 2011-12-16 01:24:45
এদেশে ক্রিকেট খেলাটা ধীরে ধীরে যেনো সরকারী চাকুরীর মতো হয়ে যাচ্ছে...

না। কারোরই কিছু বলার নেই, কেনোনা, আপনি সরকারী চাকুরী করেন। <img src=" style="border:0;" />
বাংলাদেশী ক্রিকেটাররাও মনে হয় আজকাল ক্রিকেট খেলাটাকে সরকারী চাকুরীর মতো মনে করছে। খেললে খেললাম, না খেললে নাই ব্যাপারটা যেনো এমন, একদিন অফিস ফাঁকি দিলে কি আর হবে! চাকুরীতো যাবে না। আর বেশী কাজ করলেই বা কি? তার চেয়ে মোটামুটি আসা যাওয়ার মধ্যে থেকে টুকিটাকি কাজ করে চাকুরীটা টিকিয়ে রাখতে পারলেই হলো।

আমার সামর্থ্য আছে, ভালো পারফর্ম করার ক্ষমতা আছে, চেষ্টা নাইবা করলাম অথবা একটু হেয়ালীই করলাম, কারো কিছু বলার আছে?

ভুলে গেলে চলবে না, সরকারী চাকুরীজীবীদের আজকাল দায়িত্ববোধটা একটু কম থাকে!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29477269 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29477269 2011-11-03 01:33:33
সরকার যদি ইসিকে সহযোগীতা না করে তবে ইসির কি করণীয়? "গোলযোগ হলে দায় নেবে না ইসি" শিরোণামে প্রথম আলোর লেখাটিতে মানুষের মন্তব্য দেখে একটু অবাকই হলাম। প্রায় বেশীরভাগ মানুষই এ টি এম শামসুল হুদাকে পদত্যাগ করতে অনুরোধ করেছে। ওনারা সবাই ভাবছেন পদত্যাগেই সমাধান!!

ফখরুদ্দিনের আমলে মানুষজন যখন না বুঝে ফখরুদ্দিনকে কুত্তারবাচ্চা বলে গালি দিয়েছিলো, ঠিক একইভাবে আজকে মানুষজন না বুঝেই শামসুল হুদা সাহেবের পদত্যাগ চাচ্ছে। মনে করেন তার জায়গায় বর্তমানে আপনি আছেন। আপনি সরকারকে বললেন সেনা মোতায়ন করতে। সরকার/সরাষ্ট্রমন্ত্রলায় নিজেদের স্বার্থে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে সেনা মোতায়ন করলো না। এখন আপনি কি করবেন? পদত্যাগ করাটাই কি সমাধান হবে?

নিজ নিজ অবস্থানে থেকে অনেকেই ভালো কিছু করার চেষ্টা করছেন, যাদেরকে সরকার সমর্থন করছেন না। কেনোনা সরকার নিজেই দুর্নীতিগ্রস্থ। তাহলে সমাধানটা এই, যারা ভালো কিছু করার চেষ্টা করছে তারা তাদের নিজ নিজ জায়গা ছেড়ে দিক, পদত্যাগ করুক এবং সরকারকে দুর্নীতি করার সুযোগ করে দিক.....

বোকা জনগণ!! আপনারা এ টি এম শামসুল হুদাকে পুতুল বলছেন, অথচ লক্ষ্য করে দেখুন আমরা বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা জনগণই সরকারের হাতের পুতুল হয়ে আছি!!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29474713 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29474713 2011-10-30 01:03:24
প্রিয় শিক্ষকগণ, দয়া করে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা করা বন্ধ করুন....
শিক্ষকদের ব্যবসাটা একটু ছোটো করে বলিঃ
১. শুধুমাত্র নবম-দশম অথবা ইন্টারমিডিয়েটই নয়, ক্লাস ওয়ানের শিশুটাও এই শিক্ষা ব্যবসার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। যেহেতু খাতায় নম্বর দেয়ার কোনো স্টান্ডার্ড নিয়ম নেই, অথবা এভাবে বললে ভালো হয় যে খাতায় নম্বর দেয়ার বিষয়টা থাকে শিক্ষকের হাতে, সেহেতু শিক্ষক চাইলেই নম্বর বাড়িয়ে দিতে পারেন, কমিয়েও দিতে পারেন। তাই বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যেসব শিক্ষকদের শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য থাকে তারা ক্লাসের কয়েকজন দুর্বল ছাত্র/ছাত্রীকে টার্গেট করেন। তারা এমনিতেই দুর্বল, তারপরও সে তাদেরকে ইচ্ছাকৃতভাবে কম নম্বর দেন এবং পরবর্তীতে অভিভাবক কে ডাকান এবং সে ঘুরিয়ে পেচিয়ে তার বাসায় অভিভাবককে নিমন্ত্রন জানান। অভিভাবকও দেখেন যে কয়েকজন ছাত্র/ছাত্রী তার বাসায় পড়ে ভালো ফলাফল করছে, সুতরাং সেও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন যে তার সন্তানকেও সেই শিক্ষক দিয়ে পড়াবেন।

প্রভাবঃ এর ফলে ঐ শিশুটি মূলত প্রকৃত শিক্ষা থেকে বন্চিত হবে। সেই শিক্ষকের কাছে পড়ায় সে হয়তো নম্বর বেশী পাবে, কিন্তু বেশী বেশী নম্বর পাওয়াটা তার জন্যই খারাপ হবে, কেনোনা বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় সে খারাপ লিখেও ভালো নম্বর পাচ্ছে।

২. গণিতের ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায়, কোনো কোনো শিক্ষক বলেন "আমার নিয়মে অঙ্ক না করলে আমি নম্বর দিবো না!!" যেহেতু গণিতটা আজকে শুধু গণিত বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়, পদার্থ, রসায়ন, হিসাব বিজ্ঞান অথবা কম্পিউটার বিজ্ঞানেও গণিত রয়েছে, সেহেতু এই অস্ত্রটাকেই আজকাল অনেক শিক্ষক ব্যবহার করে থাকেন। এর ফলে দেখা যায় এক্ষেত্রেও যেসব ছাত্র/ছাত্রী তার কাছে পড়েন তারা নম্বর বেশী পায়। সুতরাং প্রথম নিয়মে দুর্বল ছাত্র/ছাত্রীসহ মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদেরকেও বাধ্য করা হয় তার কাছে পড়ার জন্য।

৩. অষ্টম-দ্বাদশ শ্রেনীতে কিছু কিছু বিষয়ে ল্যব আছে। যেখাবে ১০০ নম্বরের মধ্যে ২৫-৩৫ নম্বর থাকে ল্যাবে। এই ২৫-৩৫ নম্বর সম্পূর্নই থাকে শিক্ষকের হাতে। এর ফলে দেখা যায়, মূল পরীক্ষার আগে (জে এস সি, এস এস সি অথবা এইচ এস সি) শিক্ষকেরা আয়োজন করেন মডেল টেস্টের। এই মডেল টেস্ট ব্যবসাটা আজ থেকে আট দশ বছর আগে শুরু করেছিলো কোচিং সেন্টারগুলো। এখন স্বয়ং শিক্ষকেরাই তাদের বাসায় এই ব্যবসা করছেন। খোঁজ নিলে দেখা যাবে অনেক শিক্ষকের বাসায়ই আজকাল পড়ানোর জন্য আলাদা একটা বিশাল রুম থাকে। টেস্ট অথবা প্রি-টেস্ট পরীক্ষায় ছাত্র/ছাত্রীদেরকে কম নম্বর দিয়ে অথবা ফেল করিয়ে দিয়ে অভিভাবকদেরকে ডাকা হয় এবং ঘুরিয়ে পেচিয়ে তাদেরকে বোঝানো হয় যে মডেল টেস্ট দিলেই আপনার ছেলে/অথবা মেয়ে ভালো ফলাফল করবে।
আমার প্রশ্ব হলো, তাহলে তারা সারাবছর কি পড়ালেন? যদিও একাদশ/দ্বাদল শ্রেনীর ব্যপারটা আলাদা।

স্কুল কলেজগুলো আজকাল নিজেরাই টাকার বিনিময়ে মডেল টেস্টের আয়োজন করে থাকে। এভাবে প্রকাশ্যে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা আর কতোদিন চলবে? কবে পাবো সেইসব শিক্ষকদের যাদের মূল লক্ষ্যই হবে জাতিকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলা? আজ থেকে ২০-২৫ বছর আগের শিক্ষকেরাতো এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ছিলেন না!! তাদের নিয়েতো আমরা কোনো কথা কখনো বলিনি, উল্টো তাদের নিয়ে আমরা গর্ব করতাম। কোথায় হারিয়ে গেলো আমাদের সেই সুবর্ন অতীত?

মা-বাবার পরই যেখানে মানুষ গড়ার দ্বিতীয় কারিগর শিক্ষক, সেখানে আপনারা জাতিকে কি শিক্ষা দিচ্ছেন? জাতি হিসেবে আমরা নিচুতে নেমে গেসিতো অনেক আগেই। দয়া করে আমাদেরকে আর নিচুতে নামাবেন না! দয়া করে শিক্ষকতা পেশাটাকে আর পচাবেন না!! আপনাদের পায়ে ধলি, "দয়া করে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা বন্ধ করুন.........." আমি আসলেই খুব লজ্জিত!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29472551 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29472551 2011-10-26 00:41:05
পার্ফরমেন্স দিয়ে নয়, লাল শাড়ি পড়ে উপর মহলের কর্মকর্তাদের হাত করবেন আশরাফুল

ওয়েস্টইন্ডিজ সিরিজে দুটি ওয়ানডেতে আশরাফুলকে সুযোগ দিয়ে নির্বাচকদের বেশ সমালোচনাতেই পড়তে হয়েছে। বারবার সুযোগ পাওয়া স্বত্ত্বেও তা কাজে লাগাতে পুরোপুরি ব্যার্থ হয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তাই জিম্বাবুয়ে টেস্টে ভালো ব্যাটিং করলেও দল থেকে ছিটকে পড়তে হলো তাকে। এ বিষয়ে আশরাফুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবার আর পার্ফরমেন্স দিয়ে নয়, লাল শাড়ি পড়ে নির্বাচক আর কোচকে হাত করবেন তিনি।

ছবি বড় করে দেখতে

টেস্ট স্কোয়াডঃ মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, রকিবুল হাসান, নাঈম ইসলাম, নাসির হোসেন, সাকিব আল হাসান, শাহরিয়ার নাফিস, রুবেল হোসেন, নাজমুল হোসেন, সাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী, শুভাগত হোম ও মোহাম্মদ ইলিয়াস।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29469183 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29469183 2011-10-19 13:27:12
সুযোগের সদ্ব্যবহার করলেন নাইম ইসলাম এবং আরও একটি সাড়ে তিন ঘন্টার যন্ত্রনা!! এই ছোটো স্কোরে ৬৬ বলে ৭২ রান করার দরকারই ছিলো না! কিন্তু রফিক তার স্বাভাবিক খেলাটাই খেলে রান পেয়েছিলো।



আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওপেনিং এ নামানো হলো নাইম ইসলামকে। সে ওপেনিং এ নেমে আজ প্রমান করলো ৬ অথবা ৭ নং এ খেলার কোনো যোগ্যতাই তার নেই, ওপেনিং এ তো দূরের কথা! যে ম্যাচে জেতার জন্য প্রায় ৩০০ রান তাড়া করতে হবে সে ম্যাচে একজন জাতীয় দলের খেলোয়ার ওপেনিং এ নেমে লাখ লাখ দর্শককে যন্ত্রনা দিয়ে নিজে দলে জায়গা পাকা করার চিন্তাভাবনা করলেন, কতটা বেকুব সে!! এদের জাতীয় দলে খেলার মতো কোনো মানসিকতাই অথবা যোগ্যতা নেই। রফিকরা দলের জন্য খেলতেন, আর বর্তমানে কিছু কিছু খেলোয়ার আছেন যারা দলে জায়গা পাকা করার জন্য খেলেন এবং প্রায় সময়ই দর্শকদেরকে সাড়ে তিন ঘন্টার যন্ত্রনা উপহার দেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29465410 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29465410 2011-10-13 20:57:20
৪ বছর ২৮ দিন পর জয়, সিডন্সের সময়ে টি২০ তে কোনো জয় পায়নি বাংলাদেশ!!! গতো চার বছর হাতে গোনা কয়েকটা ম্যাচ বাদে বেশীরভাগ ম্যাচেই ব্যাটিং এ ব্যার্থ ছিলো বাংলাদেশ। পুরো টিম ব্যাটিং এ ব্যার্থ হলেও সাকিব-তামিম ছিলো সফল। মূলত তাদের হাত ধরে এবং বোলারদের নৈপূন্যে অনেকগুলো জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এইসব জয়গুলোই ব্যাটিং ব্যার্থতাকে ঢেকে রেখেছিলো।

পিঠ বাচিয়ে চলতে গিয়ে কি হলো? আমরা উপভোগ করলাম জুনায়েদ এবং রকিবুলের ব্যাটিং, আমাদেরকে দেখতে হলো ৫৮ আর ৭৮ রানে অলআউট হওয়া!

যাই হোক, বাংলাদেশ ডেভ হোয়াটমোরকে মনে রাখবে আজীবন, কিন্তু ঠিকই ভুলে যাবে জেমি সিডন্সকে । সিডন্স কতখানি পিছিয়ে দিয়ে গেলো তা আগামী দুই বছরে হারে হারে টের পাওয়া যাবে। একটা অগোছালো টিম রেখে গেছে সিডন্স। একটা ব্যালন্সড টিম চার বছরেও গড়তে পারেনি! বিশ্বকাপে এমন একটা অবস্থা শেষ পর্যন্ত দাড়ালো যে বাংলাদেশের প্রথম চারজনই ওপেনার!! চার বছরে সে তিন এবং চার নম্বরে খেলার মতো কোনো খেলোয়ারই তৈরী করতে পারলো না, শুধু তিন এবং চারই নয়, ছয় এবং সাতে খেলার মতো কোনো খেলোয়ারও সে তৈরী করতে পারেনি! অথচ ডেভের সময়ে আমরা সাকিব, তামিম, মুশফিক, রাজ্জাক, আফতাব, নাফিস, নাজিমউদ্দিনের মতো খেলোয়ারদেরকে দলে দেখেছি। ডেভ হোয়াটমোর আশরাফুলকেও কাজে লাগাতে পেরেছিলেন। আর সিডন্স আশরাফুলের খেলাটাই নষ্ট করেছেন। এক আশরাফুলের উদাহরন দিয়েই সিডন্সকে একজন ব্যার্থ কোচ হিসেবে অভিহিত করা যায়

বাংলাদেশ দলে খেলোয়ারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরী করতে হবে। স্টুয়ার্ট ল সেই কাজটাই করছেন। বিসিবি এবং নির্বাচক কমিটিও তাকে সহায়তা করছেন। আশা করা যায় দুই বছরের মধ্যে আমরা আমাদের সেরা খেলোয়ারদের নিয়েই একটা ব্যালন্সড টিম পাবো। এখন হয়তো কিছু পরীক্ষা-নীরিক্ষা এবং অদল বদল হতেই পারে।

সেরা দল পাওয়ার আগ পর্যন্ত দর্শক হিসেবে আমাদের ধৈর্য ধরা উচিৎ। আর অামরাতো প্রথম টি২০ ম্যাচটা জিতেই গেলাম... অসাধারন খেলেছে মুশফিক.. চার বছর ২৮ দিন পর জয়.. মুশফিকসহ বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29464592 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29464592 2011-10-12 14:53:29
বাংলাদেশ ডেভ হোয়াটমোরকে মনে রাখবে আজীবন, কিন্তু ঠিকই ভুলে যাবে জেমি সিডন্সকে
২০০৭ বিশ্বকাপের দলটাকে একটু দেখে নিই..
১. তামিম ইকবাল
২. শাহরিয়ার নাফিস
৩. আফতাব আহমেদ
৪. আশরাফুল
৫. হাবিবুল বাশার
৬. সাকিব আল হাসান
৭. মুশফিকুর রহিম
৮. মাশরাফি বিন মর্তুজা
৯. মোহাম্মদ রফিক
১০. আব্দুর রাজ্জাক
১১. সৈয়দ রাসেল



বিশ্বকাপের এই দলটা একদিনে তৈরী হয়নি। এটা ডেভ হোয়াটমোরের চার বছরের ফসল বলা চলে। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর এপ্রিলের দিকে ডেভ বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব পায়। ২০০৩ সালটা বাংলাদেশের হযবরল অবস্থার মধ্য দিয়ে কাছে। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ ওয়ানডে অথবা টেস্ট ক্রিকেটে কোনো জয়ের দেখাই পায়নি।

জয়ের দেখা পাওয়ার জন্য বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয় ২০০৪ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত। ১০ মার্চ বাংলাদেশ হারিয়েছিলো জিম্বাবুয়ের মতো পরাশক্তিকে। এখানে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তখনকার জিম্বাবুয়ে দলটি অনেক পরিনত ছিলো এবং যেকোনো বড় দলকে চ্যালেন্জ করার মতো শক্তি তাদের ছিলো। সেই ম্যাচে ৩২ বলে ৫১ রান করে ম্যাচ সেরার পুরুস্কার পেয়েছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০৪ সালেই আরো দুটি জয়ের দেখা পায় বাংলাদেশ। ২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ হারায় ভারতকে। এবছরই ওয়ানডেতে অভিষেক হয় আব্দুর রাজ্জাকআফতাব আহমেদের

২০০৫ সালে বাংলাদেশকে বড় দলগুলো নতুনভাবে চিনতে শুরু করে। সেবছর ১৪ টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ চারটি জয় তুলে নেয়। সেবছরই বাংলাদেশ প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়। অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কার্ডিফের ইতিহাস গড়া সেই জয়টিও ২০০৫ সালে। ঠিক তার পরের ম্যাচে ইংল্যান্ড ৩৯১ রান করেও ভয় পেয়ে গিয়েছিলো শুধুমাত্র আশরাফুলের ৫২ বলে ৯৪ রান করা সেই ইনিংসার জন্য। সেবছর ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছিলো শাহরিয়ার নাফিসের

২০০৫ সালে বাংলাদেশ শিখে গিয়েছিলো কিভাবে জিততে হয় এবং ২০০৬ সালে এসে বাংলাদেশ ২৮টি ম্যাচ খেলে জয় তুলে নেয় ১৮ টি। রেকর্ডটা সত্যিই অবিশ্বাস্য!! অষ্ট্রেলিয়াকে হারানোর কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ হারায় শ্রিলঙ্কাকে । মার্চ মাসে কেনিয়াকে ৪-০ তে হারালেও জিম্বাবুয়ের মাটিতে জুলাই-আগষ্টে হওয়া সিরিজটায় ২-৩ এ হেরে যায় বাংলাদেশ। পরের সিরিজে আবারো কেনিয়াকে ৩-০ তে হোয়াইট ওয়াশ এবং দেশের মাটিতে নভেম্বর-ডিসেম্বরে ৫-০ তে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশ করে বাংলাদেশ। ২০০৬ এ বেশীরভাগ খেলাগুলো ছোটো দলের সাথে হলেও জয়ের একটা ধারা তখনই গড়ে উঠে। আর এরই মধ্যে বড় দলগুলোকে আচমকা হারিয়ে দেওয়াটা যেনো বড় দলগুলোর জন্য একটা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। বড় দলগুলো বাংলাদেশকে এখন আর আন্ডারডগ ভাবে না! এবছরই ওয়ানডেতে অভিষেক হয় বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের



চলে আসে ২০০৭ সাল। গতো চার বছরে ডেভ তিলে তিলে যে দলটাকে গড়লেন সেই দলকে এখন পরীক্ষা দিতে হবে বিশ্বকাপে। বিশ্বকাপ শুরু হয় মার্চ মাসে। এর আগেই জিম্বাবুয়েকে ৩-১ এ হারিয়ে সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। আত্ববিশ্বাসটা তখন তুঙ্গে ছিলো বাংলাদেশের। বিশ্বকাপ শুরুর আগে মাশরাফি ভারতকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলো, "ধরায়ে দেবানে"। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাশরাফি, রফিক, রাজ্জাক, তামিম, মুশফিক আর সাকিবের নৈপুন্যে বাংলাদেশ হারিয়ে দিলো ভারতকে , মাশরাফিই যেনো বলে কয়ে হারালো ভারতকে। সেই বিশ্বকাপে টপ ফেভারিট ভারতকে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিলো। ভারত যেনো আজও সেই খেলা ভুলতে পারেনি। বাংলাদেশের স্বপ্ন ছিলো দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠা। সেই স্বপ্ন যেনো সত্যিই হলো। ভারত ও বারমুডাকে হারিয়ে বাংলাদেশ উঠে গেলো দ্বিতীয় রাউন্ডে। সেই দলটার আত্ববিশ্বাস এবং টিম স্পিরিট ছিলো চোখে পড়ার মতো। অবশ্য দ্বিতীয় রাউন্ডে আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে হোচট খায় বাংলাদেশ। তবে শেষ ম্যাচে মোহাম্মদ আশরাফুলের ৮৩ বলে ৮৭ এবং রাজ্জাক, রফিক ও সাকিব আল হাসানের বোলিং নৈপুন্যে এক নম্বরে থাকা দক্ষিন আফ্রিকাকে হারিয়ে আবারো চমক সৃষ্টি করে বাংলাদেশ।

২০০৭ সালেই ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছিলো বর্তমানে ড্যাসিং ওপেনার তামিম ইকবালের । অনেক দিন ধরেই বাংলাদেশ শাহরিয়ার নাফিসের একজন যোগ্য সঙ্গী খুজছিলো এবং এবছরই যেনো সেই অভাবটা পুরন হলো।

২০০৩ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে আমরা পেয়েছিলাম রাজ্জাক, আফতাব, শাহরিয়ার নাফিস, সাকিব ও তামিমের মতো খেলোয়ারকে। ডেভের হাত ধরেই এরা দলে এসেছে। এর আগে দলে অটোমেটিক চয়েস হিসেবে ছিলো আশরাফুল, মাশরাফি অথবা রফিকের মতো খেলোয়ার। ২০০৭ সালের দলটা সত্যিই স্বপ্নের দল ছিলো। খেয়াল করে দেখুন দলে অটোমেটিক চয়েস হিসেবে তখন খেলছিলো নাফিস, আশরাফুল, আফতাব, মাশরাফি, রফিক এবং রাজ্জাকের মতো খেলোয়ারেরা।

ডেভ বিদায় নেয়ার পরের ইতিহাসটা একেবারেই অন্যরকম। এক আইসিএল ঝড়ই যেনো বাংলাদেশকে ওলটপালট করে দিয়ে গেলো! ২০০৭ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব দেয়া হলো জেমি সিডন্সকে। সিডন্স ভাঙাচোরা দলটাকে গোছানোর চেষ্টা করলেন। তিনি যে সফল হননি তা কিন্তু নয়। সিডন্সের সময়েই আমরা নিউজিল্যান্ডকে দেশের মাটিতে ৪-০ তে বাংলাওয়াশ করেছি। ওয়েষ্টইন্ডিজকে ওয়েষ্টইন্ডিজের মাটিতে ৩-০ তে হারিয়েছি।

সিডন্সও বাংলাদেশকে গড়ার জন্য ৪ বছর সময় পেয়েছিলেন। কিন্তু ডেভ হোয়াটমোর বাংলাদেশকে যেখানে রেখে গিয়েছিলেন আমরা কি সেখান থেকে সামনে এগিয়ে যেতে পেরেছি? ২০১১ বিশ্বকাপের পর অধিনায়ক নির্বাচন করতে গিয়েই দেখা গেলো অধিনায়ক বানানোর মতো যোগ্য কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! কেনোনা দলে সাকিব-তামিম ছাড়া অটোমেটিক চয়েস করার মতো কোনো খেলোয়ারই নেই। শতো সাফল্যের ভেতরও এটাই সিডন্সের মূল ব্যার্থতা। ডেভ যেমন দলে নিয়ে এসেছিলেন সাকিব-তামিম, নাফিস, আফতাব অথবা রাজ্জাকের মতো খেলোয়ারকে তেমনি সিডন্স তার চার বছরে খেলতে সুযোগ করে দিয়েছেন ইমরুল, জুনায়েদ, রকিবুল, নাইম অথবা রিয়াদকে। একমাত্র ইমরুল ছাড়া এদের সবাইকে ব্যার্থ খেলোয়ার বলেই অভিহিত করা যায়। এরা কখনই দলে অটোমেটিক চয়েস হওয়ার মতো খেলোয়ার না। সিডন্স রকিবুল আর জুনায়েদকে সুযোগের পর সুযোগ দিয়েছে। এদেরও যে প্রতিভা ছিলো না, তা কিন্তু নয়। এরাও নিশ্চয়ই পারফর্ম করেই দলে এসেছিলো। কিন্তু সিডন্সের পিঠ বাচিয়ে চলার নীতিই এদেরকে ধ্বংস করে দিলো!! মনে আছে জুনায়েদের অভিষেক হয়েছিলো পাকিস্তানের বিপক্ষে টি২০ ম্যাচ দিয়ে। সেই ম্যাচে সে ৪৯ বলে ৭১ রান করেছিলো। এই ম্যাচ অবশ্য সিডন্স দায়িত্ব নেয়ার আগেই খেলা হয়েছিলো। সিডন্স আমাদের খেলোয়ারদের মেধাকে কাজেই লাগাতে পারেনি! একজন কোচের দায়িত্ব হচ্ছে খেলোয়ারের ভেতর থেকে তার সেরাটা বের করে আনা। সিডন্স সেই কাজটিই করতে পারেনি।

২০০৮-২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ যতগুলো জয়ের মুখ দেখেছে তার বেশীরভাগ জয়ই এসেছে সাকিব এবং তামিমের হাত ধরে। এক সাকিব-তামিম ছাড়া দলটার চেহারা কেমন হতে পারে তা সেদিনই উপলব্ধি করা গেছে যেদিন সাকিব এবং তামিম একই দিনে খারাপ খেলেছে। আর এই সময়টাতে বাংলাদেশ বেশীরভাগ ম্যাচই জিতেছে বোলিং নৈপুন্যে। কিন্তু সিডন্স ছিলো মূলত ব্যাটিং কোচ। যদিও সে আজ পর্যন্ত কোনো আর্ন্তজাতিক ম্যাচই খেলেনি!!

সিডন্স চার বছরে খুব ক্ষতি করে দিয়ে গেলো বাংলাদেশ দলের! রফিককে হারানোর পর গতো চার বছরে আমরা রফিকের মতো একজন খেলোয়ারকেই তৈরী করতে পারলাম না! ২০০৩-২০০৭ সাল পর্যন্ত বেশীরভাগ ম্যাচে জয়ের নায়ক আশরাফুলকেও আমরা হারালাম! আশরাফুলের নাকি টেকনিকে সমস্যা!! এক আশরাফুলের উদাহরন দিয়েই সিডন্সকে একজন ব্যার্থ কোচ হিসেবে অভিহিত করা যায় । বিশ্বকাপে সিডন্স চার ওপেনারকে খেলালেন ১,২,৩ এবং চার নম্বরে। নাইম এবং রিয়াদও যেখানে খেলছিলো সেখানেও কি তারা যোগ্য?


(ব্যাট হাতে ডেভ এবং বল হাতে সিডন্স)

সিডন্স একটা ভাঙাচোরা দল রেখে গেলেন, যেখানে ডেভ রেখেগিয়েছিলেন একটা স্বপ্নের দল, পার্থক্য এখানেই। দেখা যাক স্টুয়ার্ট ল দলকে কতদূর নিয়ে যেতে পারেন। আমার মতে গত ১০ বছরের সেরা খেলোয়ারদের নিয়েই আমাদের সামনে যাওয়া উচিত। সাকিব, তামিম, আশরাফুল, মাশরাফি, শাহরিয়ার নাফিস এবং অলক কাপালির মতো খেলোয়ারকে শক্তিতে পরিনত করতে পারলে আমার বিশ্বাস আগামী দুই বছরের মধ্যে আমরা হয়তো আবারো ফিরে পাবো আমাদের স্বপ্নের দলকে, যে দল পিঠ বাচানোর জন্য খেলবে না, খেলবে জেতার জন্য. . .]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29461366 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29461366 2011-10-07 00:39:20
গবেষক রাষ্ট্রপতির গবেষণা কর্ম নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী কিছু বলছেন না, সেখানে আপনারা সাধারণ মানুষ হয়ে কথা বলেন কিভাবে রাষ্ট্রপতির পদকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছে । বিগত বিশ বছরে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে দেশ কি পেয়েছে সেটা নিয়ে একটা সম্পূরক প্রশ্ন হতে পারে। ড. ইউনুসকে বয়সের দোষে গ্রামীন ব্যাংকের নির্বাহী পদ থেকে অপসারন করা হয়, আর ৮৩ বছর বয়স নিয়ে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন এবং দেশের সর্ব্বোচ্চ পদে কিভাবে জিল্লুর রহমান বসে থাকেন তা সবাইকেই ভাবনায় ফেলে দেয়! মনে হচ্ছে ৮৩ বছর খুব একটা বেশী নয়, এদেশে ১৮৩ বছর বয়স নিয়েও রাষ্ট্রপতি হওয়া সম্ভব। কেননা এদেশে রাষ্ট্রপতির তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ন কাজ নেই, রাষ্ট্রপতির পদটা মূলত পঙ্গু একটা পদ! কিন্তু আমাদের জিল্লুর রহমান সাহেব এ ব্যপারটিকে মেনে নিতে পারেননি।২০০৯ সালের কথা, তিনি গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে একসময় হেরা পর্বতের গুহায় যাবার সিদ্ধান্ত নেন... কিন্তু মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়ায় ওনাকে বিদেশ ভ্রমন করতে হয় এবং তিনি তার সিদ্ধান্তও পরিবর্তন করেন.... তবে গভীর চিন্তা করা থেকে তিনি নিজেকে বিরত রাখতে পারেননি!!

চিন্তা করতে করতে একসময় তিনি নিজেকে গবেষক/ঘবেশক ভাবতে শুরু করেন। তিনি ভাবেন, আমি একটা দেশের ঘবেশক রাষ্ট্রপতি, অথচ আমার কোনো কাজ নেই, এটা কি ঠিক!? পরক্ষনেই তিনি মনে মনে বলে উঠেন, "কে বলেছে কোনো কাজ নেই, এইতো অনেক কাজ, আমি হাটছি, চোখ খুলছি, চোখ বন্ধ করছি. . . হা হা হা. . ." না, এগুলোতো আসলে ভালো কাজের মধ্যে পরে না.... তাই তিনি আরো ভাবতে থাকেন।

ভাবতে ভাবতে একপর্যায়ে তিনি নিদ্রাহীনতায় ভুগতে শুরু করেন। তার চোখে রাজ্যের অশান্তি নেমে আসে কিন্তু ঘুম আসে না!!! অবশেষে একদিন তিনি ঘুমের দেখা পান।
না, এই ঘুম সেই ঘুম না। ঘুম, একটা ছেলের নাম। যে কিনা রাষ্ট্রপতির কাছে এসে নিজের পরিচয় দেন, "আমি ঘুম, এদেশের একজন বড় মাপের কবিরাজ, সব রোগের ঔষুধ আছে আমার কাছে. . . " খুশিতে রাষ্ট্রপতির চোখে পানি চলে আসে... সে হাউ মাউ করে কেঁদে উঠে এবং কান্না জড়িত কন্ঠে সে বলে, "ঘুম, ঘুম, ঘুম আমার খুব প্রিয়...." এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতির ঘুম ভেঙ্গে যায়... তিনি দেখতে পান তিনি কোলবালিশটিকে জড়িয়ে ধরে আছেন এবং তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি আসলে ঘুমের দেখা পাননি! তিনি স্বপ্ন দেখছিলেন।

যাই হোক, ইদানিং রাষ্ট্রপতির বেশ ভালো ঘুম হচ্ছে.. কেন হচ্ছে তা একটু পরেই বুঝতে পারবেন।

যা বলছিলাম, তখনকার কথা, রাষ্ট্রপতি ঘুমের দেখা পেয়েও পেলেন না। কিন্তু হঠাৎ একদিন, মানে একরাত, সেই ভয়ঙ্কর রাত! সেই রাতে রাষ্ট্রপতির ঘুম ভেঙ্গে গেল ২০ জন খুনির চেহারা দেখে! ২০ জন খুনি.. হা হা করে হাসছে ..... সেই রাতে রাষ্ট্রপতি আর ঘুমাতে পারলেন না. এরপর থেকে প্রতি রাতেই ঘুমাতে গেলেই তার চোখে মুখে ভেসে উঠে খুনিরা! ২০ জন খুনির রক্তাক্ত চেহারা!! সে ভাবতে থাকে কিভাবে একটু শান্তিতে ঘুমানো যায়....

সে আবার গবেষণা শুরু করে দেয় এবং প্রায় বছর খানে গবেষণা করে সে উদ্ভাবন করতে পারেন যে, যেসব খুনির চেহারা তার চোখে মুখে ভেসে উঠছে তারা তারই দলীয় লোক, তারা সবাই খুনের আসামী।

বছরখানেক সফল গবেষনাকর্ম শেষে সে আবার গবেষনা করা শুরু করেন। দেশের অবস্থা তখন খুবই খারাপ ছিলো। এই মুহুর্তে তার বাণীচিরন্তনী শোনা জন্য দেশের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে। কিন্তু তখন তিনি গবেষনাগারে ঘবেশনা কাজে খুবই ব্যস্ত . . . তার প্রয়োজন ঘুম...

এমন সময় তার কাছে দেশের সবচেয়ে বড় কবিরাজ ঘুম এসে বলে,
"হে ঘবেশক রাষ্ট্রপতি, তুমি কি শান্তিতে ঘুমাতে চাও?"

রাষ্ট্রপতি ঘুম কে দেখতে পেয়ে নিজের মাতৃভাষা ভুলে যায়! সে জার্মান ভাষায় বলে ফেলে, "নাতুর্লিচ নাতুর্লিচ, বিয়ে লাঙ্গে ইচ অফ দের সুচে নাচ ইহ্নেন!" যার মানে হলো, "অবশ্যই অবশ্যই, কতদিন ধরে আমি তোমাকে খুঁজছি.."

এই ভাষা শুনে ঘুমের চোখ মুখ কুঁচকে যায়! "মহামান্য ঘবেশক রাষ্ট্রপতি যা বলার মাতৃভাষায় বলুন, আমি আবার বেশি পড়াশুনা করতে পারিনি... পড়াশুনা করলেতো কবিরাজ না হয়ে ডাক্তার হতাম. হে হে হে . . ."

রাষ্ট্রপতির সাথে ঘুমের একটা গোপন বৈঠক হয়... বৈঠক শেষ, ঘবেশক রাষ্ট্রপতি নিজের প্রিয় কোলবালিশটি জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে থাকেন...
যাই হোক, আজকে রাষ্ট্রপতির নতুন একটি ঘবেশনা পত্র প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলে আজ থেকে তিনি বিশ্রাম নিবেন এমনটি ভাববেননা যেনো, তিনি নিজেকে পরবর্তী ঘবেশনা কাজে নিযুক্ত করে ফেলেছেন...

-------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------
রাষ্ট্রপতি এখন ঘবেশনা কর্মে ব্যস্ত রয়েছেন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ওনাকে বিরক্ত করছেন না। সুতরাং, আশা করি দেশের সাধারণ মানুষ হয়ে আপনারা কেউ ওনার ঘবেশনা কাজে বিঘ্ন ঘটাবেন না। --স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29416829 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29416829 2011-07-21 00:02:39
সরকার শালা মানুষ না, আওয়ামীলীগ!!
প্রচন্ড গরমে আপনি ঘামছেন, আপনার মেজাজও প্রচন্ড খারাপ। আপনার পাশের লোকটিরও মেজাজ খুব খারাপ। সে রিক্সাওয়ালাকে বলেই বসলো, শালা এজাক্সের বাচ্চা, বিবর্ধক কোথাকার... এইতো সুযোগ। সুতরাং সুযোগের সদ্ব্যবহার করে বলেই ফেলুন,

"রিক্সাওয়ালা মানুষ না, আওয়ামীলীগ...................."]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29391152 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29391152 2011-06-04 11:07:45
আপনাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তা বাহীনির কর্মীরা... আছে কোনো নিরাপত্তা? রাস্তার মোড়ের ঐ পুলিশটা যদি আপনাকে অস্ত্র ঠেকিয়ে বলে চল থানাতে, তুই সন্ত্রাসী; তোর মুখের দাড়ি এতো বড় কেনো, তোর মাথায় চুল নাই কেনো? তখন আপনি কি করবেন? আপনি কি চিৎকার করবেন? কার কাছে সাহায্য চাইবেন? আপনাকে পুলিশ ধরেছে, সুতরাং সাধারণ মানুষও আপনাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসবে না।

আপনাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তা বাহীনির কর্মীরা। এদের মধ্যে একজন এগিয়ে এসে বললো, চল আমাদের সাথে, সকালে দাঁত মাজিসনি কেনো? উর্ধ্বত্বন কর্মকর্তা বললো, তুই লিমন, অস্ত্র মামলার আসামী! পাশের পুলিশটা চুপ করে সব শুনছিলো, আর রাগে বেলুনের মতো ফুলছিলো। সকালে নাস্তার টেবিলে বউয়ের সাথে ঝগড়া হয়েছে, মেজাজটা এখনো তার খারাপ হয়ে আছে। হঠাৎ তার মুখ থেকে খই ফুটলো, "কি বললেন স্যার, অস্ত্র মামলার আসামী!" বউয়ের কথা চিন্তা করে কোমর থেকে পিস্তলটা বের করে দিলো পায়ে গুলি করে... নাস্তা খাওয়ার সময় বিরক্ত করা আমি একদম পছন্দ করি না! কি বললে মজিদ? না মানে স্যার, অস্ত্র মামলার আসামী, কতো বড় সাহস, আমার সামনে দাড়িয়ে আছে!!!

বাহ! নিরাপত্তা বাহীনির কর্মীরা!!! তোমাদের দায়িত্ববোধ দেখে আমরা শিউরে উঠি!! তোমাদের দায়িত্ব হচ্ছে সাধারন মানুষকে নিরাপত্তা দেয়া। আর তোমরা আজ নিজেরাই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করছো! সন্ত্রাসীও তো বিনা কারণে কারো গায়ে গুলি করে না। সন্ত্রাসীওতো নিজেদের ভুলটা স্বীকার করে।
তোমাদের কাজ হচ্ছে দেশে আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। আর তোমরাই কিনা আইন ভঙ্গ করছো। আইন ভঙ্গ করার জন্যও তোমাদের উপর তলা থেকে ব্যাকআপ দেয়া হচ্ছে..... আন্দাজ করা যাচ্ছে পরবর্তিতে তোমরা আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে.. তোমাদেরকে ক্ষমতার অপব্যবহার করার সুযোগ করে দিচ্ছে সরকার, এভাবে চলতে থাকলে ফলাফলটা চোখের সামনেই দেখবে জনগণ এবং সরকার...

এবারের আওয়ামীলীগ সরকারের সবচেয়ে বড় আবিষ্কারটি হচ্ছে "তদন্ত কমিটি"। এ জন্য বর্তমান সরকারকে নোবেল প্রাইজ দেয়া অতীব জরুরী হয়ে পড়েছে। শোনা গেলো বঙ্গবন্ধু সেতুতে ফাটল ধরেছে। হ্যা একটা তদন্ত কমিটি চলে গেছে সেই ফাটলের তদন্ত করতে। তদন্ত কমিটির প্রধান সোলায়মান তদন্ত করতে গিয়ে নিজেই ফাটলের মধ্যে পড়ে গেছেন। তিনি সেই ফাটলের ভেতর থেকে চিৎকার করছেন, আমাকে বাঁচাও। এরই মধ্যে এই খবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুনের কাছে চলে গেছে। তিনি তার মহান বানী দিয়ে বলেছেন, "শ্রীঘ্রই তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হবে। তদন্ত রিপোর্ট বের হওয়ার পরই জানা যাবে সোলায়মান কিভাবে ফাটলের ভেতর পড়েছিলো"। একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন, ম্যাডাম তাহলে সোলায়মানের কি হবে? উনি কি. . .

কথা শেষ না হতেই সাহারা খাতুন বললেন, "তদন্ত রিপোর্ট বের হওয়ার পরই সোলায়মানকে ফাটলের ভেতর থেকে বের করা হবে... " - এবার মজা বুঝ সোলায়মান।

এদেশে কারোরই নিরাপত্তা নেই! আমাদের মনে রাখতে হবে আইন যদি কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিতো হয় এবং যারা আইনের দায়িত্বে নিয়োজিতো আছেন তারাই যদি আইন ভঙ্গ করেন তবে তার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে..........

এবং যারা আইনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যাবহার করে সুবিধা ভোগ করবেন তাদেরও খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই, কেনোনা, সোলায়মানের মতো অবস্থা তাদেরও হতে পারে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29370687 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29370687 2011-04-27 23:36:18
এক আশরাফুলের উদাহরন দিয়েই সিডন্সকে একজন ব্যার্থ কোচ হিসেবে অভিহিত করা যায়
পরিসংখ্যানগত দিক দিয়ে সিডন্সকে একজন সফল কোচই বলা যায়। তবে ডেভ যে দলটাকে রেখে গিয়েছিলেন সিডন্স সেই দলের শক্তিটাকে কাজে লাগাতে পারেন নি। তিনি সাড়ে তিন বছরে তিন নম্বর এবং চার নম্বরে খেলার মতো দু'জন খেলোয়ারই তৈরী করতে পারেন নি!!! ২০০৭ সালের দিকে তিন নম্বরে খেলতো আফতাব, আর চার নম্বরে খেলতো আশরাফুল। আফতাব আইসিএল এ চলে যাওয়ার পর তিন নম্বর পজিশনটি কেউই নিতে পারেনি। চার নম্বর পজিশনের আশরাফুলকে নিয়েও তিনি ছেলে খেলা খেললেন!! একজন খেলোয়ারের ব্যাট ধরার স্টাইল থেকে শুরু করে টেকনিক পরিবর্তন, কতকিছুই না করলেন!

আশরাফুলের টেকনিকে কোনো সমস্যা ছিলো না। আশরাফুলের সমস্যা ছিলো মনোস্তাত্বিক। এক আশরাফুলকে ধ্বংস করার জন্যই সিডন্সকে একজন ব্যার্থ কোচ হিসেবে অভিহিতো করা যায়। সিডন্সের দুই প্রিয় ছাত্র জুনায়েদ এবং রকিবুল কখনই তিন এবং চার নম্বর পজিশনের যোগ্য ছিলো না। এমনকি সিডন্স চলে যাওয়ার পর জাতীয় দলে তাদের খেলার সম্ভাবনা কতটুকু সেটাই সন্দিহান!

খেলোয়ারের ভেতর থেকে সেরাটা বের করে আনার দায়িত্ব থাকে কোচের। এটা ঠিক, খেলোয়ার চেষ্টা না করলে কোচ কখনই গিলিয়ে দিতে পারবে না। তবে এটা হয়তো কেউই মানবেন না যে আশরাফুল অলস অথবা ভাব নিয়ে থাকেন, প্রাকটিস করেন না। আশরাফুল চেষ্টা করা স্বত্ত্বেও পারতো না। কেনো পারছিলো না, সিডন্স দায়িত্ব নেয়ার পর কি এমন হলো যে আশরাফুল খেলাই ভুলে গেলো! সাড়ে তিন বছরেও সেটা বের করা সম্ভব হয়নি!!



আমি যদি কোচ হতাম তবে আশরাফুলের মতো ফর্মহীন যেকোনো খেলোয়ারকেই প্রথমেই বলতাম "তুমি যদি অনেকদিন পর ব্যাটিং এ নামো তবে ২০-৩০ রান করার আগ পর্যন্ত তুমি সোজা ব্যাটে খেলো"। সিডন্স এই কথাটা একবারের জন্যও হয়তো আশরাফুলকে বলেনি, এটা ভেবে আমি মাঝে মাঝেই অবাক হই! এই কথার কোনো ভিত্তি নেই, তবে আমি নিশ্চিত যে সিডন্স আশরাফুলকে এরকম কোনো কথা বলেনি!! এমনকি ওয়েস্টইন্ডিজের সাথের খেলায় যে স্লো পিচে খেলা হবে এটাতো সবাই ই জানতো। সিডন্স সেদিন তার ছাত্রদেরকে একবারের জন্যও বলেনি যে তোমরা ভুলেও সুইপ করতে যেও না। যদি বলেই থাকতেন তবে সেদিন তিন তিন জন ব্যাটসম্যান সুইপ করতে গিয়ে আউট হতো না।



বোলার আশরাফুল নয়, আমরা আসলে ব্যাটসম্যান আশরাফুলকে ফিরে পেতে চাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29365819 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29365819 2011-04-20 00:28:02
সংসদে এই তরুন রাজনীতিবীদের বক্তব্যে আমি মুগ্ধ......


শুধু সংসদে নয়, এই রাজনীতিবীদকে বাংলাদেশের খুব প্রয়োজন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29351822 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29351822 2011-03-27 00:53:34
মেঘদলের 'চেনা অচেনা' চলতি পথে কোনো বাসের ভীড়ে..।।
কালো ধোঁয়া ধোঁয়া এই শহরে
হাঁটছি আমি একা রোদ্দুরে...
আমি এক দিকভ্রান্ত পথিক
হারাই শুধু হারাই তোমার অরণ্যে....................

তবুও অজস্র ক্রন্দন মেখে
মত্ত হয়েছি ব্যার্থ প্রলাপে..।।
বুনে চলেছি অশ্রু প্রপাত
এখানেই যেনো জীবন ধারাপাত...
আমি এক দিকভ্রান্ত পথিক
হারাই শুধু হারাই তোমার অরণ্যে....................

নৈশব্দে, অমৃতলোকে করেছি তোমার রচনা
শব্দপ্রহর ঘুমিয়ে গেলেই
স্বপ্ন তুমি কামনা..
তবুও অজস্র ক্রন্দন মেখে
মত্ত হয়েছি ব্যার্থ প্রলাপে..।।
বুনে চলেছি অশ্রু প্রপাত
এখানেই যেনো জীবন ধারাপাত...
আমি এক দিকভ্রান্ত পথিক
হারাই শুধু হারাই তোমার অরণ্যে....................

চেনা অচেনা আলো আধারে
চলতি পথে কোনো বাসের ভীড়ে..।।
কালো ধোঁয়া ধোঁয়া এই শহরে
হাঁটছি আমি একা রোদ্দুরে...
আমি এক দিকভ্রান্ত পথিক
হারাই শুধু হারাই তোমার অরণ্যে....................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29348331 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29348331 2011-03-20 23:03:04
সিডন্স কেনো শাহরিয়ার নাফিসকে দলে সুযোগ দিচ্ছে না? বিশ্বকাপের প্রথম তিনটি ম্যাচে তামিম-সাকিব বাদে কোন ব্যাটসম্যানটা ভালো খেলেছে? যেহেতু প্রায় সবাই খারাপ ব্যাটিং করেছে, একজনকে বসিয়ে শাহরিয়ার নাফিসের মতো ব্যাটসম্যানকে তো অনায়াসেই দলে নেয়া যায়।

চট্টগ্রামে কাল হয়তো ব্যাটসম্যানরা রান পাবে। বাংলাদেশ জিতবে কিনা বলতে পারি না, কিন্তু হারলে অবশ্যই সম্মানজনক হার হারবে। তবে সাকিবের মতো ভাবলে হার তো হারই, ১ রানে হারলেই বা কি, আর ১০০ রানে হারলেই বা কি!! হা হা হা....

জুনায়েদ-ইমরুল-রকিবুল যে খুব ভালো ব্যাটিং করেছে এমনটা নয়। যদি খারাপ খেলার পরও এবং ব্যাকআপ খেলোয়ার থাকার পরও কেউ সুযোগ না পায়, তবে ব্যাকআপ খেলোয়ার নেয়ার কি প্রয়োজন ছিলো??

ঘাড় তেড়া সিডন্সের কি এই উত্তর জানা আছে? সেতো পরিসংখ্যান এ বিশ্বাসী। শাহরিয়ার নাফিসের পরিসংখ্যানটা কি তার চোখে পড়ে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29342083 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29342083 2011-03-11 01:04:28
আমার অর্ধশিক্ষিত বড় ভাই আমার পড়াশুনা নিয়ে কথা বলার যোগ্যতা রাখে কি!!!
আমার এই অর্ধশিক্ষিত ভাইটা বলে কি!! কেমনটা লাগে এখন!! সে কি এসব কথা বলার যোগ্যতা রাখে? আমি পড়ি মাস্টার্স এ, আর সেতো এইচ এস সি পাস! সে কিভাবে আমাকে জ্ঞান দেয়! ভাইকে তাই মুখ ফুটে বলেই ফেললাম, দেখ ভাই, তুই কতটুকু পড়াশুনা করেছিস তা আমার জানা আছে! আমাকে জ্ঞান দেয়ার আগে একটু ভাবিস যে আমাকে জ্ঞান দেয়ার যোগ্যতা তোর আছে কিনা!!!

এরপর ভাই আমাকে আর কিছুই বলেনি। আমি ভাইকে ঐকথা বলার পর ভাইয়ের মুখটা এখনও কল্পনা করতে পারি। বিষাদময় একটা স্পষ্ট মুখ। মনে হয়েছিলো তার জীবনের সবচেয়ে কষ্টের মুহুর্তটা সে তখন পার করছে। আমিও এরপর আর কথা বলতে পারিনি!! আমিও নির্বাক হয়েগিয়েছিলাম।

কিছুদিন পর আমি উপলব্ধি করতে পারলাম বড় ভাইকে ওভাবে কথা বলাটা ঠিক হয়নি। আজ থেকে ১৫-২০বছর আগে এতোসব সুযোগ-সুবিধা ছিলো না। আর আজ থেকে ৩০ বছর আগেতো সুযোগ-সুবিধা ছিলো আরও কম। তখন কেউ এইচ এস সি পাস করলে ত্রিশ গ্রামের মানুষ তাকে দেখতে আসতো। তখন সাত গ্রাম খুঁজলেও একটা প্রাইভেট টিউটর পাওয়া যেতো না। আর এখন তো স্কুলে ভর্তি হওয়ার সাথে সাথেই বাংলা-ইংরেজী-গণিতের আলাদা করে শিক্ষক পাওয়া যায়।

আমার ভাইকে ওভাবে কথা বলাটা একেবারেই ঠিক হয়নি! সে আমাকে নিয়ে যাই বলুক না কেনো আমি তার যোগ্যতা নিয়ে কিছুই বলার স্পর্ধা রাখি না, কেনোনা তার সময়ের সুযোগ এবং আমার সময়ের সুযোগের মধ্যে যে আকাশ পাতাল ব্যাবধান . . . . .
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29340151 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29340151 2011-03-07 23:27:20
বিশ্বকাপের পরপরই বাংলাদেশ দলে বড় রকমের পরিবর্তন
ইমরুল কায়েস, জুনায়েদ সিদ্দিকি, মুশফিক রহিম, রকিবুল হাসানের মতো খেলোয়ারেরা দলে থাকতে পারলে আমাদের জাভেদ ওমর, রাজিন সালেহ, হান্নান সরকারেরা কি দোষ করেছিলো? ইমরুল-রকিবুল-জুনায়েদ-মুশফিদের প্রত্যেকেই ৫০ এর কাছাকাছি অথবা এর বেশী ম্যাচ ইতোমধ্যেই খেলে ফেলেছেন। অথচ তাদের একটা ম্যাচ উইনিং ইনিংস নেই!! কোনোদিনই এরা নিজের পারফর্মেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ দলকে জেতাতে পারেনি এবং এরা কোনোদিনও আমাদেরকে জেতাতে পারবে না!! তাই এদেরকে বাদ দিয়ে নতুন দল গঠন করা অত্যন্ত জরুরী।

অবিবেচক নির্বাচকের বিশ্বকাপ পরবর্র্তী একাদশঃ

১. তামিম ইকবাল
২. ইমরুল কায়েস
৩. শাহরিয়ার নাফিস
৪. মোহাম্মদ আশরাফুল
৫. সাকিব আল হাসান
৬. জহুরুল ইসলাম (কিপার)
৭. আফতাব আহমেদ
৮. অলক কাপালী
৯. মাশরাফি বিন মর্তৃজা
১০. আব্দুর রাজ্জাক
১১. শফিউল ইসলাম

------------------------------------------------------------------------------
বাংলাদেশে বর্তমানে ভালো ভালো কিছু উদ্বোধনী বাহাতী ব্যাটসম্যান আছে। তাদেরকে ইমরুলের পরিবর্তে সুযোগ দেয়া যেতে পারে। আর সাব্বির আহমেদ নামে একজন অলরাউন্ডার আছে, তাকে একটু পরিনত অবস্থায় এনে দলে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। নতুন কোচ আসার পর মোহাম্মদ আশরাফুলকে কয়েকটা সিরিজ এ সুযোগ দেয়া যেতে পারে। তবে ব্যার্থ হলে তাকে অবসর গ্রহণ করার পরামর্শ দেয়া ছাড়া অবিবেচক নির্বাচকের আর কিছুই করার থাকবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29338791 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29338791 2011-03-05 19:19:28
নতুন বোলিং কোচ ওয়াসিম আকরাম, ব্যাটিং কোচ ব্রায়ান লারা এবং ফিল্ডিং কোচ জন্টি রোডস অনেকদিন আগে জিম্বাবুয়ে-বাংলাদেশ সিরিজ চলাকালীন ২য় ম্যাচে যখন বাংলাদেশ জিতে যায় সেইদিন একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম বাংলাদেশ দল জেতার পরও দলে বড় ধরনের পরিবর্তন করা দরকার এবং অবিবেচক নির্বাচকের সেরা একাদশ !!

আজ আমি বাংলাদেশ দলের জন্য নতুন তিনজন কোচ নিয়োগের মতো দুঃসাহসিক কাজ করতে চাচ্ছি। যেহেতু আমি অবিবেচক নির্বাচক, তাই কোচ নির্বাচনেও আমি আমার বিবেচনায় তিনজন কোচ নির্বাচিতো করলাম।

বোলিং কোচঃ ওয়াসিম আকরাম
ব্যাটিং কোচঃ ব্রায়ান লারা
ফিল্ডিং কোচঃ জন্টি রোডস







-------------------------------------------------------------------
এরা সবাই নিজ নিজ জায়গায় বছরের পর বছর রেকর্ডসহ ক্রিকেট বিশ্ব মাতিয়েছেন। অথচ আমাদের বর্তমান দলের ব্যাটিং আর বোলিং কোচের আর্ন্তজাতিক কোনো ম্যাচেরই অভিগ্গতা নেই!!

এই বিশ্বকাপের পরপরই বাংলাদেশের বর্তমান তিন কোচকে ঝাড়ু দিয়ে মেঝের ময়লা পরিস্কার করার মতো করে দেশ থেকে বিদেয় করা প্রয়োজন। বিশেষ করে সিডন্সকে। তার পেছনে কোটি কোটি টাকা অপচয় করার কোনো মানে হয় না!! সে হচ্ছে আমাদের মূল কোচ এবং ব্যাটিং কোচ। অথচ তার সময়ে সে এমন কোনো ম্যাচের রেকর্ড দেখাতে পারবে না যে ম্যাচে বাংলাদেশ শুধুমাত্র ব্যাটসম্যানদের পার্ফমেন্সে জিতেছে। ২০০৭ এর পর প্রচুর ম্যাচের উদাহরন আছে যেসব ম্যাচ বোলাররা জিতেয়েছে। যেহেতু সিডন্স বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ, এইসব ম্যাচ জয়ের ক্ষেত্রে সিডন্সের কোনোপ্রকার অবদান নেই!!


সুতরাং বিশ্বকাপের পরপরই বর্তমান কোচদের বিদেয় করে, বিসিবির পক্ষ থেকে ওয়াসিম আকরাম, ব্রায়ান লারা এবং জন্টি রোডসকে বাংলাদেশে দলের কোচ হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য আহবান করা হোক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29338369 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29338369 2011-03-05 01:12:54
ভালো খেলুক আর খারাপ খেলুক ম্যাচ শুরুর আগে, ম্যাচ চলাকালীন এবং ম্যাচ শেষে আশরাফুলই হিট.......
গতোবছর সে ম্যাচ খেলেছে সর্বমোট তিনটি। তিনটি ম্যাচেই সে ভালো খেলতে পারেনি। অথচ ব্লগ ঘাটলে দেখা যাবে তার খারাপ খেলা প্রসঙ্গ নিয়েও শতশত পোষ্ট এসেছে। আরও অনেকেইতো খারাপ খেলছে, কিন্তু তাদের নিয়ে কিন্তু শতশত পোষ্ট আসে নি। পত্রপত্রিকাগুলো পর্যন্ত তার বিলিয়ে আসা উইকেট অথবা তার হতাশার ছবিকে শিরোনামে ছেপে দিয়েছে...

আজকের খেলায়ও আশরাফুল হিট হলো তার মারাত্বক সেই ড্যান্স টা দিয়ে। যেখানে তামিম-শফিউলরা বাংলাদেশকে জিতালো, সেখানে ক্রিকইনফো পর্যন্ত তাদের আর্টিকেলে বেছে বেছে আশরাফুলের ড্যান্সের ছবিটাই দিয়েছে।

আমি ব্যাক্তিগতোভাবে মনে করি ঐ ড্যান্সটা কিছুটা ছেলেমানুষি হলেও, খেলায় ঐ ড্যান্সের একটা বড় রকমের প্রভাব পড়েছিলো। শুরু থেকেই বাংলাদেশ দল যে টিম স্পিরিটের অভাবে ভুগছিলো, ঐ টিম স্পিরিটটাই ফিরে এসেছিলো আশরাফুলের ঐ ড্যান্স অথবা ঐ উইকেটটা পরার পর থেকেই.... শুরু থেকে কিন্তু কেউ আত্ববিশ্বাসের সাথে ভাবতেই পারেনি যে এই রান করেও আইরিশদের বিপক্ষে জেতা সম্ভব। আশরাফুলের দ্বিতীয় উইকেট এবং আইরিশদের চতুর্থ উইকেট পড়ার পর, আর সেই বিখ্যাত ড্যান্সের পরই মনে হচ্ছিল যে এই রান নিয়েই জেতা সম্ভব...

একনজের একটু ড্যান্সটা দেখে নেই...



যে যাই বলুক না কেনো, আমি চাই আশরাফুল ভালো খেলুক। ছেলেটা অনেক বোকা এবং ভালো মানুষ। মনেপ্রানে চাই আশরাফুল তার পুরোনো আত্ববিশ্বাস ফিরে পাক। আমার বিশ্বাস যারা আশরাফুলকে দেখতে পারেন না তারাও আশরাফুল ভালো খেললে খুশীই হবেন। আর আমার মনে হয় আশরাফুলকে এখন যারা গালি দিচ্ছেন তারাও একসময় আশরাফুলকে প্রচন্ড রকমের ভালোবাসতেন। হয়তো প্রচন্ড রকমের ভালোবাসা থেকেই আজ প্রচন্ড রকমের ঘৃণার জন্ম হয়েছে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29334293 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29334293 2011-02-26 01:17:06
আমি একটু সিডন্সের চেহারাটা দেখতে চাই....
কোনো প্রস্তুতি ম্যাচেও তাকে সুযোগ দেয়া হলো না কেনো? প্রিমিয়ার লিগে পরপর দু ম্যাচে ১১৪ এবং অপরাজিতো ১১৪ রান করায়?

জুনায়েদ বা রকিবুলের চেয়ে কি সে খারাপ খেলোয়ার?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29333849 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29333849 2011-02-25 16:33:31
ওহ সিডন্স দারুন ব্যাটিং শিখিয়েছো ছেলেদের!!!
কিন্তু বড় রান তাড়া করে কবে জিতেছিলাম? সেসব ম্যাচে কাদের অবদান ছিলো?

পিপিলিকার পাখা গজায় মরনের....
আর বললাম না!

সিডন্স সাহেব, জয়টা নাকি আত্ববিশ্বাস বাড়ায়, তাই আপনি ও আপনার ক্যাপ্টেন কানাডার সাথে ব্যাটিং এর সুযোগটা না নিয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন। আজকে পরাজিতে হলে কি আত্ববিশ্বাস কমবে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29327380 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29327380 2011-02-15 20:13:21
মেয়েরা এতো বেশী কথা বলে কেনো? বেশীরভাগ কিশোরী অথবা তরুনীর মধ্যেই এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। তবে কিশোর অথবা তরুনের মধ্যে যে এইধরনের প্রবণতা নেই এমনটা নয়।

সন্জীব চৌধুরীর গাওয়া একটা গানের কথা বলতেই হয়,
"গল্পে আলাপ উঠবে জমে, গভীর গল্প আসবে কমে
আমার বন্ধু আমার বন্ধু হবে না, হবে না..
হাতের উপর হাতের পরশ রবে না......... "

আমার মতে কথা কম বলা অনেক ভালো এবং কথা কম বলে গভীর চিন্তা করা উচিৎ।

ভাই, আপনাদের কারো কি জানা আছে যে মেয়েরা এতো কথা বলে কেনো? গভীর চিন্তা করেও আদৌ কি উত্তর বের করা সম্ভব?

এ বিষয়ে মেয়েদের মতামত কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29316959 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29316959 2011-01-30 02:14:26
মাশরাফির উপর প্রচন্ড ঘৃণা হচ্ছে!!!


কিসের আশায়? নিজের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলবে, এই স্বপ্ন পূরণ করার জন্য! দেশসেরা পেসার, যাকে নিয়ে আমরা একসময় গর্ব করেছি, সে যখন পত্র-পত্রিকায় সরাসরি এসে বললো যে যেভাবেই হোক বিশ্বকাপ খেলবো, খেলতেই হবে। তার আত্ববিশ্বাসটা আমরা কিভাবে ভেঙে দিলাম??

কতটা কষ্ট পেলো মাশরাফি? মাশরাফির জায়গায় যদি আমি হতাম তবে কি আমার চোখ দিয়ে পানি পড়তো না? অথবা অন্য কারো?

ধুর! কি সব বলছি! আমরাতো এখন পেশাদার। অনেক কিছু ভাবতে হয় আমাদের। পেশাদারিত্বের কাছে আবেগের কোনো মূল্য আছে নাকি? তাছাড়া আমরা এখন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখি। কিসের দেশ সেরা পেসার? ও একসময় দেশসেরা ছিলো, এখন তো আর দেশসেরা পেসার না! ঠিকভাবে দৌড়াতেই পারে না। ওকে ছুড়ে ফেলো দূরে।

শোনো বাঙালীরা, আমরা এখন অনেক পেশাদার। মাশরাফিকে বোঝাও ওর মতো বোকা ছেলে আর হয় না!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29310610 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29310610 2011-01-20 00:00:26
অবিবেচক নির্বাচকের ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ দল এবং সেরা একাদশ (বিশ্বকাপের জন্য) ২. ইমরুল কায়েস
৩. শাহরিয়ার নাফিস
৪. মুশফিক রহিম
৫. সাকিব আল হাসান
৬. নাইম ইসলাম
৭. অলক কাপালি
৮. সোহরাওর্য়াদী শুভ
৯. মাশরাফি বিন মর্তুজা
১০. আব্দুর রাজ্জাক
১১. শফিউল ইসলাম

স্ট্যান্ড বাইঃ
১২. রুবেল
১৩. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
১৪. জুনায়েদ সিদ্দিক
১৫. এই জায়গায় কাকে দেয়া যায়?

-------------------------------------------------------------------------

এর আগে অবিবেচক নির্বাচকের সেরা একাদশের দলে মুশফিক এবং কাপালী ছিলো না! মুশফিককে বাদ দেয়া হয়েছিলো তার টানা বাজে ব্যাটিং এর কারনে। কিন্তু এবার প্রিমিয়ার লিগে প্রথম চার ম্যাচে ৮৭*, ৭৭* ৮০ এবং ৮০ রান করেছে। তিন অথবা চার নম্বরে ব্যাট করে এই রান সে পেয়েছে এবং পত্রিকায় সে বলেছে তার মুভমেন্ট এ যে সকল সমস্যা ছিলো সেগুলো কিছুটা সুধরে নিয়েছে। সাধারনত ছোটো ছোটো ভুলের কারণেই ব্যাটসম্যানেরা আউট হয়ে যায়। তামিম ইকবাল তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কিছু ছোটো ছোটো ভুল করতো, যার ফলে সে বড় ধরনের ইনিংস খেলতে পারতো না। কিন্তু আমরা দেখেছি তামিম তার চেষ্টায় বিশ্বমানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বে জায়গা করে নিয়েছে। সুতরাং আমাদের দলের আরও অনেকের পক্ষেই সম্ভব। আপাতত মুশফিকের বিকল্পও সম্ভব নয়! মুশফিককে বাদ দেয়াটা কাল্পনিক পর্যায়ে চলে যেতে পারে।

দলে ৭ নং এ অলক কাপালিকে নামানোর যুক্তি হলো আমাদের পাওয়ার প্লে খেলার মতো ব্যাটসম্যান নেই। কাপালিকে যদি বলা হয় যে তুমি তোমার মতো হাত খুলে এই বিশ্বাকাপটা খেলো তবে আমার মনে হয় কাপালির ভেতর একধরনের লুকানো শক্তি কাজ করবে যেটা আইসিএল এ আমরা দেখেছিলাম। ২০-২০ ম্যাচে কাপালির গড় ৬০+ ছিলো যা সত্যিই অবাক করেছিলো সবাইকে। তার চেয়েও বড় হলো তার বিখ্যাত শট গুলো...

আর নাফিসের কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। একসময় ব্যাটিং এ মূল ভরসাই ছিলো নাফিস। আর এখন সে জুনায়েদের মতো খেলোয়ারের জন্য দলে জায়গা পায় না!! সত্যিই দুঃখজনক। জুনায়েদের মতো সুযোগ নাফিস পেলে বাংলাদেশের টপ ওর্ডারটা বিশ্বের সেরা টপ ওর্ডার হতে পারতো....


বিঃ দ্রঃ সেরা একাদশটি মূলত স্পিন নির্ভর । যদি দলে পেস এটাক বাড়ানো প্রয়োজন হয়, মানে তিন জন পেসার নিয়ে খেলতে হয় তবে শুধু সোহরাওয়ার্দী শুভর জায়গায় রুবেল আসবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29299134 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29299134 2010-12-30 23:43:30
এটাই হাসিনার ডিজিতাল বাংলাদেশ গভঃমেন্ট সেক্টরে সব গাধাগুলারে বসাইয়া রাখছে। সামান্য একটা ওয়েবসাইও কন্ট্রোল করতে পারে না!!
আজকে যে এই লিঙ্কে প্রচুর রিকোয়েস্ট যাবে এটাতো একটা ছোটো বাচ্চাও বুঝে। ঐ গাধাগুলা কি বুঝে না।

বুঝলে কেনো আগে থেকে কোনো পদক্ষেপ নেয় না!!

সার্ভারতো মনে হচ্ছে ডাউন!!! এটাই আপার ডিজিতাল বাংলাদেশ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29298842 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29298842 2010-12-30 15:50:47
লাস্যময়ী মিম এর ওয়ালপেপার এবং এয়ারটেল বাংলাদেশকেও জয় করার লক্ষ্য নিয়ে এয়ারটেলের আগমন এ দেশে। কিন্তু এয়ারটেল কিভাবে তাদের লক্ষ পূরণ করবে? সাধারণত মোবাইল কোম্পানীগুলো ব্যবসায় ফায়দা লুটার জন্য তরুন সমাজকে বেছে নেয়। গ্রামীনফোন তাদের ডিজুস প্যাকেজের মাধ্যমে তরুন-তরুনীদের আকৃষ্ট করেছিলো। ডিজুসের রাত বারোটার পর সেই ফ্রি অফারটা তরুন-তরুনীদের কাছে অত্যন্ত লোভনীয়। ডিজুস প্যাকেজ তরুন-তরুনীদেরকে রাত জাগা শেখালো, কথা বলা শেখালো। ডিজুসের অফার শেষ হলো, কিন্তু তরুন-তরুনীরা তাদের অভ্যাসটা পরিবর্তন করতে পারলো না। এক্ষেত্রে টিন এজার অথবা তরুন-তরুনীদের দোষারোপ করে কোনো লাভ নেই। টিন এজারদের বোধ-বুদ্ধি কতখানিই বা হতে পারে।
অন্যান্য মোবাইল কোম্পানীগুলোও তখন বসে ছিলো না। একটেল নিয়ে এসেছিলো তাদের একটেল জয় পার্টনার। কোনো কোম্পানিই বসে ছিলো না। সবাই একসময় সারাদিন ২৫ পয়সায় কথা বলার সুযোগ করে দেয়!!!!

মোবাইল কোম্পানিগুলো মূলত কাদের দিয়ে ব্যাবসা করে নিচ্ছে? কাদেরকে অস্ত্র হিসেবে ব্যাবহার করছে?

ভয়েস আড্ডায় কারা অংশগ্রহন করে?

টিন এজারদের দিয়ে ব্যাবসা করাটা কতটা যৌক্তিক?

----------------------------------------------------
আজ এয়ারটেল থেকে মেসেজ আসলঃ
লাস্যময়ী মিম এর ওয়ালপেপার ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে...
এরপর এয়ারটেলের ওয়াপের একটা লিঙ্ক দেয়া!!
---------------------------------------------------
অবাক হলাম! এই ধরনের মেসেজ এয়ারটেল তাদের গ্রাহকদের কাছে কিভাবে পাঠায়!! এয়ারটেল চমক দেখানোর জন্যই এদেশে এসেছে...
দেখার অপেক্ষায় রইলাম যে কিভাবে এয়ারটেল টিন এজারদেরকে ব্যবহার করে।
--------------------------
একসময় বাংলাদেশের সংস্কৃতিক পরিবেশ পরিবর্তনে এয়ারটেল বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে এবং সেটা অবশ্যই দেশ এবং দশের জন্য ক্ষতিকর হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29298389 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29298389 2010-12-29 21:12:39
ভাঁজা মাছটাও আমরা উল্টে দেখতে পারি না, খাওয়াতো দূরের কথা!। তবে কেনো আমাদের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মামলা? চেয়ারম্যান।
দুর্নীতি দমন কমিশন।
সেগুনবাগিচা, বাংলাদেশ।

বিষয়ঃ রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত সুপারিশ।

হেই জনাব,
কেমন আছেন? শুরুতেই হয়তো ভাবছেন আবেদন পত্রতো এভাবে শুরু হয়না! আবেদনপত্র লেখা আর বন্ধুর কাছে চিঠি লেখাতো এক কথা না! কিন্তু আমাদের কাছে সবই এক। আমরা এ দেশের কতিপয় অসীম ক্ষমতাধর রাজনৈতিক নেতা। আমরা যখন ক্ষমতায় থাকি তখন আমরা যা ইচ্ছে তাই করতে পারি। কোনো প্রকার কাজের জন্য কারো কাছে কখনই আমাদেরকে জবাবদিহিতা করতে হয়নি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো বর্তমানে আমাদের অনেক নেতার বিরুদ্ধে “রাজনৈতিক হয়রানীমূলক মামলা” রয়েছে। ২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমাদের উপর দুর্নীতির দায়ে মিথ্যে মামলা সাজিয়ে বড় ধরনের চক্রান্ত করা হয়েছিলো। আমরা হলাম ধোঁয়া তুলসি পাতা, ভাজা মাছটাও আমরা উল্টে দেখতে পারি না, খাওয়াতো দূরের কথা! অথচ আমাদের বিরুদ্ধে মামলা! এটা কি ঠিক? ক্ষমতায় এসে আমরা এ ব্যাপারটা নিয়ে অনেক ভেবেছি। পরবর্তীতে আমাদের নেত্রী ও গন্যমান্য রাজনৈতিক নেতাদের পরামর্শ অনুযায়ী ২০০৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী আমরা একটি জাতীয় কমিটি গঠন করেছি এবং সেইসব মিথ্যে মামলাকে আমরা ”রাজনৈতিক হয়রানীমূলক মামলা” নামে অ্যখ্যায়িতো করেছি।

আমরা এখন ক্ষমতায়। আমরা ইচ্ছে করলে অনেক কিছুই করতে পারি। ইতোমধ্যেই দেশবাসী দেখেছে যে আমরা রাষ্ট্রপতিকে ব্যবহার করে ফাসির আসামীদেরও মুক্তি দিয়েছি। আমরা চাইলে আরও অভিনব কিছু দেশবাসী এবং দুদককে দেখাতে পারি। কিন্তু আমরা আমাদের ক্ষমতা দেখাতে চাচ্ছি না! এমনিতেই কয়েকদিন আগে টিআইবি বিচার বিভাগের দুর্নীতির চিত্র দেশবাসীর কাছে তুলে ধরেছে। তাই আপাতত আমরা আমরা দুদকের মাধ্যমেই একটা সমাধান খুঁজছি। টিআইবির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া যায় এ ব্যপারটা নিয়েও আমরা ভাবছি। ভেতরের খবর আর বলা ঠিক হবে না। নয়তো সরাষ্ট্রমন্ত্রির মতোই অবস্থা হবে আমার!

অতএব, জনাবের নিকট বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে আনা সকল মামলাকে ”রাজনৈতিক হয়রানীমূলক মামলার” আওতায় এনে সকল মামলা প্রত্যাহার করে দেশকে দুনীতির পথে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিন।

ভাবির শরীর স্বাস্থ্য ভালো তো? আশাকরি কিছু মনে করেন নি। আসলে আমরা কোনো নিয়মকানুন পছন্দ করি না। তাই আবেদন পত্রটাও চিঠির মতো হয়ে গেলো। যদিও এটা চিঠিও হয়নি, আবেদন পত্রও হয়নি। হা হা হা. . .

নিবেদক-
সভাপতি
রাজনৈতিক হয়রানীমূলক মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত কমিটি
--------------------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29297738 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29297738 2010-12-28 19:31:58
হাসিনা আপা জিন্দাবাদ.. ইউনুসের অপকর্ম প্রমাণিতো হওয়ার আগেই তিনি তার মহান বাণী জনগণকে শুনিয়েছিলেন। তখন তিনি একটুও বিলম্ব করেননি.......
ইউনুসের ব্যাপারে হাসিনা যে মন্তব্য করেছিলেন তার জন্য জনসম্মুখে তার ক্ষমা চাওয়া উচিৎ ছিলো। তিনি তা করেন নি!
অন্যদিকে ছাত্রলীগের কর্মমান্ড নিয়ে হাসিনা আপা কখনই কোনো মন্তব্য করেন না! ছাত্রলীগের অপকর্মের খবর পত্রিকার প্রধান শিরোনামে আসলেও তিনি এমন ভাব করেন আসলে কোনো সংবাদই পত্রিকায় আসেনি....

তিনি আসলেই মহান.........]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29294067 http://www.somewhereinblog.net/blog/OnekShobujerPrante/29294067 2010-12-22 12:20:00