আমার প্রিয় পোস্ট

ধুমপানে বিষপান

ঈমান আক্বিদা আরো মজবুত হোক

০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯

শেয়ারঃ
0 9 0


সামু ব্লগের অসংখ্য ব্লগারকেই আমার কাছে নাস্তিক বলে মনে হয়! আরো কিছু আস্তিক আছে যারা নাস্তিকদের অকট্য যুক্তি তর্ক আর নানা ধরনের নাস্তিক পোষ্ট পড়ে পড়ে আস্তিক আর নাস্তিকের মাঝামাঝি অবস্থায় আছে, ঈমান বড়ই দুর্বল, যেকোন সময় U টার্ন নিতে পারে!! আজকের এই জুম্মার দিনে সকলের ঈমান আক্বিদা যেন আরো মজবুত হয় তাই আমার আজকের এই পোষ্ট:

পবিত্র কুরআন আক্ষরিক অর্থে কোন বিজ্ঞান গ্রন্থ না হলেও কুরআন ও বিজ্ঞানকে আলাদা চোখে দেখার কোন সুযোগ নেই। আজ বিজ্ঞানীরা বলতে বাধ্য হয়েছেন যে, কুরআন শুধু ধর্মগ্রন্থই নয় বরং এটা প্রাচুর্যপূর্ণ বিজ্ঞানের এক মহা উৎসব। আল্লাহর বাণী ও তাই প্রমাণ করে যে,-‘‘ইয়াছিন। বিজ্ঞানময় কুরআনের শপথ’’।

তবে বিজ্ঞানের সূত্র নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে কুরআনের নিজস্ব ভঙ্গিমা রয়েছে। এটি বৈজ্ঞানিক সূত্রসমূহের মূল প্রতিপাদ্য তুলে ধরে। আর এভাবেই পবিত্র কুরআনে বিজ্ঞানের বিভিন্ন দিক খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

ডঃ মরিস বুকাইলি তাঁর অধুনা প্রকাশিত ‘‘দি বাইবেল দি কুরআন এন্ড সায়েন্স’’ গ্রন্থে বলেছেন- “পরিশেষে প্রমাণের ভিত্তিতে আমাকে এই স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয় যে, কুরআনে এমন একটি বক্তব্য নাই- যে বক্তব্যকে বৈজ্ঞানিক বিচারে খন্ডন করা যেতে পারে’’। তবে এটা সত্য যে, বিজ্ঞানের আলোচনা না করলে যেমন কুরআনের প্রকৃত মর্যাদা বোঝা যায় না, তেমনি কুরআনের মহাবানীগুলো গভীরভাবে গবেষণা না করলে বিজ্ঞানের পথও সুগম হয় না। এ জন্যই বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন- Sciene with religion is lame and religion without scinec is blind''

এখন পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত বিজ্ঞানসমৃদ্ধ হাজার হাজার বিষয়াবলী থেকে কিছু বিষয় খুব সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

কুরআন ও জ্যোতির্বিজ্ঞান

বিশ্বের সৃষ্টি সম্পর্কে জ্যোতির্বিদগণ কর্তৃক পদত্ত ব্যাখ্যাটি একটি বিস্ময়কর বিষয়, যা- [Big-Bang theory] হিসেবে সুপরিচিত। যুগ যুগ ধরে জ্যোতির্বিদ্যাগণ কর্তৃক সংগৃহীত পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণমূলক তথ্যের মাধ্যমে এ ধারণাটি সমর্থিত হয়েছে। [Big-Bang theory] অনুসারে প্রাথমিক অবস্থায় পুরো বিশ্বটা একটি বড় পিন্ড আকারে ছিল। তারপর সেখানে একটা বড় বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে Galaxy তৈরী হয়। পরর্বতীতে এগুলো গ্রহ, তারা, সূর্য, চন্দ্র ইত্যাদিতে পরিণত হয়।

পবিত্র কুরআনে এই [Big-Bang theory]-এর কথাই ১৪০০ বছর পূর্বেই বলে দেয়া হয়েছে এভাবে- ‘‘অবিশ্বাসীরা কি দেখে না যে, আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল। অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম।’’। (সুরা আম্বিয়া ৩০ আয়াত)। কুরআনের এই আয়াত এবং [Big-Bang theory]এর মধ্যে বিস্ময়কর সাদৃশ্যতা কিছুতেই উপেক্ষণীয় নয়।

কুরআন ও রসায়ন বিজ্ঞান

রসায়ন বিজ্ঞানের মূল উপাদান পানি। পানিকে রসায়ন বিজ্ঞানের প্রাণ বলা হয়। পানির ফরমূলা H2O। পানিই একমাত্র পদার্থ যা জমাটবদ্ধ হলে ওজনে কমে যায়। তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার উপর এই পানি বিশেষ প্রভাব ফেলে। তাপমাত্রার সঙ্গে যদি পানির সুসমন্বয় না থাকত, তাহলে এই পৃথিবীর জীবনধারণের জন্য সম্পূর্ণই অনুপযোগী হতো। রসায়ন বিজ্ঞানের গবেষণার প্রারম্ভেই যে পানি, সেই পানির কথা পবিত্র কুরআনের অসংখ্য জায়গায় বলা হয়েছে- ‘‘আল্লাহ প্রত্যেক প্রাণীকে পানি থেকে অস্তিত্ব দান করেছেন’’ (সুরা নূর ৪৫ আয়াত)।

‘‘অবিশ্বাসীরা কি দেখে না যে, আসমান ও জমিন ছিল মিলিত। আমি তাকে করেছি বিচ্ছিন্ন। আর আমি পানির সাহায্যে সবকিছুকে করেছি জীবন্ত।

(সুরা আম্বিয়া ৩১ আয়াত)

এখান থেকে পরষ্কার বোঝা যাচ্ছে- পানি থেকেই যাবতীয় প্রাণীর সৃষ্টি। বৈজ্ঞানিকেরাও আজ কুরআনের এই বক্তব্যের সাথে একমত হয়ে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে, প্রতিটি রাসায়ননিক ক্রিয়া ও নতুন সৃষ্টির মূল উপাদান এই পানি।

কুরআন ও পদার্থ বিজ্ঞান

অতি পারমাণবিক কণিকার অস্তিত্ব নিয়ে ‘পরমাণুবাদ’ নামে একটি সুপরিচিতি তত্ত্ব ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়েছিল। ডেমোক্রিটাস নামে এক গ্রীক দার্শনিক কর্তৃক এই তত্ত্বটি প্রস্তাবিত হয়েছিল। ডেমোক্রিটাস এবং তার পরবর্তী লোকেরা ধারণা করত যে, পরমাণু হচ্ছে বস্তুর একক। এটা এমন ক্ষুদ্রতম একক, যা কখনো- বিভাজিত হতে পারে না।

পরমাণু ---------- অপেক্ষা ক্ষুদ্র বা বৃহৎ সব কিছুর ব্যাপারে আল্লাহ সচেতন। সুতরাং এ থেকে প্রমাণীত হয় যে, পরমাণু অপেক্ষা ক্ষুদ্র কোন বস্তুর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব। আর এ সত্যটি সম্প্রতি আধুনিক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে।

কুরআন ও চিকিৎসা বিজ্ঞান

পবিত্র কুরআনে মানুষের রোগ নিরাময়ের কথাও বলা হয়েছে। এই রোগ নিরাময়ের একটি মাধ্যম হচ্ছে মধু। মৌমাছি বিভিন্ন ফুলের পরাগ রেণু হতে সংগ্রহ করে, তারপর নিজের শরীরের মধ্যে মধু তৈরির পর তা মোমের কোষে মজুদ করে। জনৈক মক্ষিকা তত্ত্ববিধ মৌমাছির কর্ম-পদ্ধতি দেখে অবাক হয়ে বলেছিলেন- How mighty and how majestic are the works and with what a pleasant dread? these swell the soul, মধু যে মৌমাছির পেট থেকে আসে তা মাত্র কয়েক শতবছর পূর্বে মানুষ জানতে পেরেছে। অথচ এ ধ্রুব সত্যটি ১৪০০ বছর পূর্বেই কুরআন বলে দিয়েছে।

‘‘তাদের (মৌমাছি) পেট থেকে বেরিয়ে আসে বিভিন্ন বর্ণের পানীয়। যাতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগমুক্তি। (সুরা নাহল ৬৯ আয়াত)।

এই শ্রেষ্ঠ উপাদান মধু চিকিৎসা বিজ্ঞানে যে আলোড়ন এনে দিয়েছে তা কোন চিকিৎসা বিজ্ঞানী অস্বীকার করতে পারবে না।

চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে বলেছেন যে, একমাত্র মধুর ব্যবহারে হাজার হাজার কঠিন রোগ অতি অল্পদিনেই আরোগ্য হয়েছে। তাহলে প্রতীয়মান হয় যে- চিকিৎসা বিজ্ঞানে যে মধুর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম, তা বহু পূর্বেই কুরআন বলে দিয়েছে।

উপসংহারঃ পবিত্র কুরআনের অন্যতম একটি নাম হচ্ছে হিকমাহ। আর হিকমাহ শব্দের অর্থ বিজ্ঞান। কাজেই কুরআন ও বিজ্ঞানের মধ্যে কোন বিরোধ নেই। বরং জ্ঞানের পরিসীমা যেখানে শেষ, বৈজ্ঞানিকের চিন্তাধারা যেখানে স্তব্ধ হয়ে যায় সেখানেই প্রয়োজন হয় এ ঐশী বাণীর। কারণ, বৈজ্ঞানিকের থিওরি বদলায় কিন্তু কুরআনের থিওরি বদলায় না। কখনো বদলাবেও না। ( সংক্ষেপায়িত)

আসল কথা হইল লেখাটি আমি আজকের দৈনিক ইত্তেফাক থেকে সরাসরি কপি করেছি! এটি কোন এক রচনা প্রতিযোগিতার নির্বাচিত প্রথম লেখা!ভাল লাগল তাই দিলাম! কুরআনের এই সকল বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা নিয়ে আমাদের অবুঝ মনে হাজারো প্রশ্ন! যেকোন প্রশ্ন থাকলে নির্ধিদ্বায় করতে পারেন, নাস্তিক হওয়ার কোন ভয় নাই! !

পুনশ্চ: এইটা কিন্তু কোন রিভার্স খেলা না! আর আমিও কিন্তু নাস্তিক না!

 

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
আরি০০৯ বলেছেন: হুম .........ইমান বাড়ানোর মতই লেখা ......।
ধন্যবাদ লেখককে ...
+++++
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: এত বড় লেখা এই যুগে আপনি পড়ছেন, আবার প্লাসও দিছেন-আপনার কিন্তু আসলেই ঈমান অনেক মজবুত! আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ!!

২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
দুরের পাখি বলেছেন: কোন পাগলের দশ মিনিটের প্রলাপ থাইকা আইনিস্টাইন ফিটজেরাল্ডের বিশটা সূত্র বাইর করন যাইবো ।
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: এইটা দিয়া কি বুঝাইলেন ভাইজান যদি একটু ক্লিয়ার কইরা বলতেন তাইলে এই অধম হয়ত কিছু বুঝতে পারত!!

৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: কুরআনে যদি সব লেখাই থাকে, তাইলে আর গবেষণা কইরা লাভ কি ? কুরান পইড়া নিলেই তো ল্যাঠা চুইক্যা যায়।
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: এইজন্যইতো মুসলমানরা কোন গবেষনা করে না!! হা হা হা!!
ভাই কঠিন কথা বলছেন!! এই কথার আসল উত্তর আমার কাছে জানা নাই!!

৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮
শব্দ০০৭ বলেছেন: অনেক ভাল লাগলো, লেখককে ধন্যবাদ।
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!!

০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: Thank you!!

৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: ইমান আকিদা মজবুত করার জিনিস আইস্যা গ্যাচে ...http://www.somewhereinblog.net/blog/from2009/28960584
৭. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩
দুরের পাখি বলেছেন: লেখক বলেছেন: এইটা দিয়া কি বুঝাইলেন ভাইজান যদি একটু ক্লিয়ার কইরা বলতেন তাইলে এই অধম হয়ত কিছু বুঝতে পারত!!



বইলছি , আবিষ্কার হৈয়া যাওনের পর যদি সূত্র কোথায় আছে সেইটা খুঁজতে যান তাইলে গরুন চনা থাইকা শুরু কৈরা পাগলের প্রলাপ, কোরান বেদ বাইবেল গীতা সবডিতেই পাওন যাইবো ।
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: ভাই বুঝছি বুঝছি!! আর কইতে অইব না!! মাপও চাই দোয়াও চাই!! হা হা হা!!
আপনের মন্তব্য খুবি ভাল লাগল!! আপনে আসলেই পন্ডিত লোক!!

০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: আল্লাহ্ সকলকে হেদায়াত বা দ্বীনের সঠিক পথনির্দেশনা দান করুন। আমীন।

৯. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: পৃথিবীর সব ঘভেষণাগারগুলি বোমা মাইরা উড়ায়া দেয়ার কাম। তারপর খালি কুরান পড়েন। বিজ্ঞানে ভইরা যাইব দুইন্যাডা।
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: ভাই আমি এখনো গবেষনাগারে কাম করতাছি!! আমারটা উড়াইয়া দিয়েন না, তাইলে কিন্তু আমি শেষ!! ঈমানে কইতাছি ভাই আমি কিন্তু কুরান নিয়া গবেষনা করতাছি না!!

১০. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
অন্য কেউ বলেছেন: "রসায়ন বিজ্ঞানের মূল উপাদান পানি। পানিকে রসায়ন বিজ্ঞানের প্রাণ বলা হয়। পানির ফরমূলা H2O। পানিই একমাত্র পদার্থ যা জমাটবদ্ধ হলে ওজনে কমে যায়। তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার উপর এই পানি বিশেষ প্রভাব ফেলে। তাপমাত্রার সঙ্গে যদি পানির সুসমন্বয় না থাকত, তাহলে এই পৃথিবীর জীবনধারণের জন্য সম্পূর্ণই অনুপযোগী হতো। রসায়ন বিজ্ঞানের গবেষণার প্রারম্ভেই যে পানি, সেই পানির কথা পবিত্র কুরআনের অসংখ্য জায়গায় বলা হয়েছে- ‘‘আল্লাহ প্রত্যেক প্রাণীকে পানি থেকে অস্তিত্ব দান করেছেন’’ (সুরা নূর ৪৫ আয়াত)।"


ওয়্যাঁ--ও! অওসাম! জটিল! উপ্রের বোল্ডেড লাইন পড়ে, আমার না, আর কোন সন্দেহই থাকলো না। আপনি অনন্যসাধারণ বুদ্ধিবৃত্তিক এক ব্রেকথ্রু তুলে এনেছেন ইত্তে-ফাক থেকে। এই লাইনটা পড়েই আমার চোখ, হৃদয় ইত্যাদি থেকে পর্দাদি রিমুভ হয়ে গেলো! আহ! অবশেষে জুমাবারে আমার অন্তরের অন্ধকার কাটিয়া গ্যালো!
আ হা হা! আহা! আহা!
পানি!
H2O!

কুদা তুমার খি খুদরত! বাগ্যিশ থুমি হানির খতা খয়েচিলে! নইলে আমোরা খিরূপে ঝানথুম্‌!?
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: ভাই কি রঙ তামাশা করলেন না সিরিয়াসলি নিলেন বুইঝতাম পারলাম না!!
ভাই মনে হয় রসায়ন বিজ্ঞানের অনেক বড় আলেম, ঠিক ধরছি না ভাইজান??

১১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১
মাসুদ রানা* বলেছেন: লেখাজোকা শামীম ভাই আস্তিক নাকি নাস্তিক একটু ক্লিয়ার করেন।
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: আস্তিক নাকি নাস্তিক এটা বড় কথা নয়, লেখাজোকা শামীম ভাই একজন বড় মনের ভাল মানুষ এইটাই বড় কথা!!

১২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: কুরআন শরীফ পড়া ভালো, এর ব্যাখ্যা জানা ও জানানো আরো ভালো...তবে আবুল হালা মওদুধী'র এই বইটি না পড়লে কিন্তু ইমান আকাঈদ মাকাঈদ সব শ্যাষ! Click This Link
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: ভাই কি আমারে সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুধী সাহেবের দাওয়াত পৌছাইয়া দিলেন নাকি???

১৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫
ওপেল বলেছেন: "Sciene with religion is lame and religion without scinec is blind''
পড়া শুরু করসি, আপাতত এই বাক্যটা ঠিক করেন?
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি কপি পেষ্ট করছি তো, মূল লেখায় Sciene আছে তাই.......

১৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১
শয়তান বলেছেন: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: পৃথিবীর সব ঘভেষণাগারগুলি বোমা মাইরা উড়ায়া দেয়ার কাম। তারপর খালি কুরান পড়েন। বিজ্ঞানে ভইরা যাইব দুইন্যাডা।
১৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আমনে ঘভেষণাগার কই কন ? অক্ষণি আমাদের বাংলার বিশিষ্ঠ ঘভেষক বোম্বা বিসেসগগ, উদবাভক মিজান ভাই ওরফে বোমা মিজানকে ফাডাই দিচ্ছি। দুঃখিত, উনি এখন শ্বশুরালয়ে আছেন। সাময়িক অসুবিদার জইন্য দুঃখিত, পরে জানানো হইবে।
Click This Link
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: ভাই ডরাইছি, হেতানরে পাডাইয়েন না।

আমাদের গবেষনা দিয়া কি হইব, ওরাইতো দেখি ভাল গবেষক!! বোমার রাসায়নিক ডেটোনেটর উদ্ভাবনের জন্যতো মিজান ভাই নোবেল পাইয়া যাইবার পারে!!

১৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: মাসুদ রানা* বলেছেন: লেখাজোকা শামীম ভাই আস্তিক নাকি নাস্তিক একটু ক্লিয়ার করেন।

ব্রাদারানে ইসলাম, আমি কি এইখানে ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু বলেছি। আমি বলেছি, কুরআনে যদি সব লেখাই থাকে, তাইলে আর গবেষণা কইরা লাভ কি ? কুরান পইড়া নিলেই তো ল্যাঠা চুইক্যা যায়।
আমি আবারও বলেছি, পৃথিবীর সব ঘভেষণাগারগুলি বোমা মাইরা উড়ায়া দেয়ার কাম। তারপর খালি কুরান পড়েন। বিজ্ঞানে ভইরা যাইব দুইন্যাডা।
সব কথা তো কুরানের পক্ষেই বললাম। তারপরও আপনি আমার ইমান আকিদা নিয়া সন্দেহ করার কে হে ? আপনে নিজে কোনডা ?
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: কথাতো ঠিকই বলছেন!!

১৭. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫
সরকার সেলিম বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ আমরা কয়েকজন ইয়ং মুসলিম গবেষনার কাজ শুরু করেছিলাম (সবাই বাংলাদেশী) কুরআন আর সায়েন্স নিয়ে যদিও এইটা এখন প্রাথমিক ও ডাটা কালেকশন পর্যায়ে আছে তারপর ও আমাদের সামান্য কিছু ডাটা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আমারা প্রাথমিক পর্যায়ে ২টা বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করেছি একটা হলো Astrophysics অপরটা হলো Atomic Physics. ..আমাদের সব গবেষকরা বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যলয়ে গবেষক হিসাবে কর্মরত। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা অনেক ডাটাই সংগ্রহ করেছি যা দিয়ে নাস্তিকদের প্রচন্দ শক্তিতে আঘাত করতে পারব....

The Holy Quran and Astrophysics [No-1]
সরকার সেলিম
---------------------------------------------------------------------

The Holy Quran contains numerous amazing knowledge that explain us how to live moral and righteous lives, but it also contains much information about the nature of the universe and various branches of science and technology, including astrophysics.

For example, one verse seems to refer to the Big Bang theory.

Data in quran: “Do not those who disbelieve see that the heavens and the earth were closed up, but We have opened them; and We have made of water every living thing, will they not then believe?”

Analysis:
The Big Bang is the cosmological model of the universe whose primary statement is that the universe has expanded into its current state from a primitive condition of massive density and temperature [1].
The Big Bang comes from mathematical models, called Friedmann models. These models show that a Big Bang is consistent with general relativity and with the cosmological principle, which states that the properties of the universe should be independent of position or orientation.
The Big Bang includes the analysis of the spectrum of light from galaxies, which reveal a shift towards longer wavelengths proportional to each galaxy's distance in a relationship described by Hubble's law. Combined with the evidence that observers located anywhere in the universe make similar observations (the Copernican principle), this suggests that space itself is expanding. The next most important observational evidence was the discovery of cosmic microwave background radiation in 1964. This had been predicted as a relic from when hot ionized plasma of the early universe first cooled sufficiently to form neutral hydrogen and allow space to become transparent to light, and its discovery led to general acceptance among physicists that the Big Bang is the best model for the origin and evolution of the universe. A third important line of evidence is the relative proportion of light elements in the universe, which is a close match to predictions for the formation of light elements in the first minutes of the universe, according to Big Bang nucleosynthesis.
References:

[1] "Even though the Universe has been expanding and cooling ever since, the sound waves have left their imprint as temperature variations on the afterglow of the big bang fireball..." Chown, Marcus (30 October 2003). "Big Bang sounded like a deep hum". New Scientist.
[2] http://en.wikipedia.org/wiki/Big_Bang

...............................................................।




Quantum Entanglement[No-1]
মিজানুর রহমান
------------------------------------------------------------------



According to Einstein's general theory of relativity, nothing in the universe can travel faster than light. Let us think for a while. Light takes approximately eight minutes to travel from the sun to our planet. Proxima Centauri, the star nearest to the solar system, is 4.2421 light-years away from the earth. That is, light takes 4.2421 years to travel from Proxima Centauri to the earth. According to the scientific knowledge of the universe today, billions of galaxies are millions or more light-years away from us. So, if any event occurs in one of these distant galaxies, it can be known in the earth only after millions of years. Clearly, observed light speed is too slow for the giant size of the universe. How can we believe that in this wonderful universe of Allah Almighty there can be no faster than observed light speed?


An interesting phenomenon in quantum mechanics, Quantum Entanglement [1], provokes our thought in this regard. According to quantum theory, when two particles come into close proximity, under proper conditions, they get entangled. When two particles are in quantum entanglement, any (measurement) event on one particle IMMEDIATELY affect the other - no matter how far the particles are from each other. To appreciate the phenomenon, suppose particle A is in the earth and particle B is in some other galaxy far from our home galaxy, the Milky Way. If A and B are in entanglement, then, in theory, any event on A will instantaneously affect quantum state of B, without any time elapsed.

The discovery of quantum entanglement initiated serious debates during the early decades of the twentieth century. Einstein could not accept the phenomenon (it was contradictory to his general theory of relativity) and termed the phenomenon as `spooky action at a distance' [2], and together with Podoslky and Rosen [3] proposed that quantum mechanics was incomplete. However, with later theoretical developments and advancement of sophisticated experiments, evidences came in favor of quantum entanglement. Today quantum entanglement is experimentally well verified. Active research is going on in order to utilize it in the fields of quantum computation, teleportation etc.

Subhaanallah, glory be to Allah Almighty, the Creator of the wonderful worlds !!

References:

Click This Link.
Click This Link).
A. Einstein, B. Podolsky and N. Rosen, Physical Review, 47 (1935) 777.


০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: আলহামদুলিল্লা! আপনারা কয়েকজন ইয়ং মুসলিম ইসলাম নিয়ে গবেষনার কাজ শুরু করছেন শুইনা খুবি ভাল লাগল!! আপনাদের গবেষনার ফসল যদি একটু বাংলায় বিস্তারিত লিখে প্রকাশ করেন তাহলে আমজনতা আরো খুশি হইত!!
কিন্তু আর একটা কথা! Big Bang theory বা অন্যন্য theory গুলো কোরানে আছে এইটা প্রমান করার চেষ্টা করা কি উচিত হবে?? কারন এইসব theory দুইদিন পরপর চেন্জ হয়, সেক্ষেত্রে সমাধান কি হবে???

১৮. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪
নাজনীন১ বলেছেন: @সরকার সেলিম, আপনাদের গবেষণার কথা শুনে খুব ভাল লাগলো। তবে নিয়তটা ঠিক কি বা কোন ব্যাপারে ? কুরআনের মাধ্যমে সৃষ্টিকে জানা , নাকি নাস্তিকদের নাস্তানাবুদ করা? কোনটা বেশী গুরুত্ব পাবার মতো বিষয়?
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: ভাল প্রশ্ন করেছেন!!

১৯. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
ঘনাদা বলেছেন: শয়তান বলেছেন: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: পৃথিবীর সব ঘভেষণাগারগুলি বোমা মাইরা উড়ায়া দেয়ার কাম। তারপর খালি কুরান পড়েন। বিজ্ঞানে ভইরা যাইব দুইন্যাডা।
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: শামীম ভাইয়ের ডায়ালগটা মনে হয় সবার খুব পছন্দ হইছে!!!!

২০. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১
ঘনাদা বলেছেন: --এটা প্রাচুর্যপূর্ণ বিজ্ঞানের এক মহা উৎসব। ;)


ঠিক আছে.. ওসুবিদা নাই.. হিহিহি... মধু হৈলো সর্বরোগের এক ঔষধ, আর ভাসা ভাসা কিছু কথা হয়া গেলো বৈজ্ঞানিক সুত্র... হেব্বি তো!


হাসতে হাসতে পইড়া যাইতেছি...
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে আমিও একটু হাসি!! হা হা হা হি হি হি!!
বস মধু কিন্তু আসলেই কার্যকরী!! হা হা হা!!

২১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩
সরকার সেলিম বলেছেন: @নাজনীন১: প্রথমত আল্লাহর সৃষ্টিকে জানা বা বলতে পারেন পদার্থের গুনাগুন আবিস্কার।
আসলে নাস্তিকদের কিছু কিছু জিনিস আমাদের অনুপ্রানিত করেছিল এই কাজ শুরু করতে..
২২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
সাদা কাগজ বলেছেন: সুন্দর লেখা।
বেশি করে লিখেন।
ভাল লাগলো।
+++++
০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: বুঝছি আপনে লেখাটা পড়েন নাই!! মূল লেখাতো ভাই আমি লিখি নাই!! কপি করছি!!

২৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫
ঘনাদা বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: আল্লাহ যাদের অন্তরে সীল মেরে দিয়েছেন তাদের কপালে হেদায়েত নাই!!
ভাইতো দেখি ওস্তাদ লোক!! আল্লাহ আমাকে আপনাকে সকলকে হেদায়াত দান করুন- আমিন!!

২৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
ঘনাদা বলেছেন: হাহাহাহ!

'সীল-মোহর' ডায়ালগ এ্তো আগেই দিয়া দিলা? ধুর তোমার লগে খেইলা মজা পাইলাম না তো?

তা কওতো দেখি এই বিজ্ঞানময় কুরানে.. ঠিক কয় জায়গায় পৃথিবীরে 'সমতল' মানে ফ্ল্যাট বলা হৈছে?

পিছলাইবা না, ঠিকাসে?
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: আমিতো কোরান নিয়া গবেষনা করতেছি না!! যারা গবেষনা করতেছে তারা এর ব্যখ্যা ভাল দিতে পারবে!!
যদি পৃথিবীরে 'সমতল' মানে ফ্ল্যাট বলা হৈয়া থাকে সেটার রেফরেন্স দেন, আমিও একটু পইড়া দেখি!!

০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: ডঃ মরিস বুকাইলি তাঁর অধুনা প্রকাশিত ‘‘দি বাইবেল দি কুরআন এন্ড সায়েন্স’’ গ্রন্থে বলেছেন- “পরিশেষে প্রমাণের ভিত্তিতে আমাকে এই স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয় যে, কুরআনে এমন একটি বক্তব্য নাই- যে বক্তব্যকে বৈজ্ঞানিক বিচারে খন্ডন করা যেতে পারে’’।

ঐ বেটা খৃষ্টান হইয়া এই কথা কেমনে ক্য়??

২৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
শয়তান বলেছেন: ঘনাদা আস্তে । সময় কুব খ্রাপ ।
২৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:০২
সরকার সেলিম বলেছেন: Miracles of Honey
Dr. Monzur Ahmed

Data in Quran and hadith: Both the holy Qur'an and Hadith refer to honey as a healer of disease.
'And thy Lord taught the bee to build its cells in hills, on trees and in (men's) habitations..... there issues from within their bodies a drink of varying colours, wherein is healing for mankind. Verily in this is a Sign for those who give thought'. (16:68-69)। In addition, the Prophet (PBUH) said: 'Honey is a remedy for every illness and the Qur'an is a remedy for all illness of the mind, therefore I recommend to you both remedies, the Qur'an and honey.'(Bukhari)

In recent years, scientific support is beginning to emerge confirming the beneficial effects of honey on certain medical and surgical conditions. These effects may be summarised as follows:

1.Antibacterial and antifungal properties
2.Anti-diarrhoeal properties
3.Wound-healing and anti-inflammatory properties
4.Anti-tussive and expectorant properties
5.Nutritional properties

References:
1.Ali A.T.M.M. (1989) The Pharmacological Characterization and the Scientific Basis of the Hidden Miracles of Honey; Saudi Medical Journal 10(3):177-179
2.Zumla A. and Lulat A. (1989) Honey- a remedy rediscovered; J Royal Soc Med 82:384-385
3.Crane E. (1975) Honey: a comprehensive survey;London, Heineman
4.Winston M.L. (1987) The Biology of the Honey Bee;London, Harvard University Press

২৭. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:০৭
ঘনাদা বলেছেন: শয়তান.. আপনার কি মনে হয় আমি এইগুলা আর ডরাই ইদানীং?

মরতে হৈলে ফাইট করতে করতে মরাই ভালো...

খ্রাপ সময় কোন দিন আছিলো না, কন তো?
২৮. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:১০
শয়তান বলেছেন: যুদ্ধের ময়দান । কৌশুলী আচরনই করা ভাল । জিততে হৈবোই ।
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: কোরেনে কোন কোন জায়গায় পৃথিবীরে 'সমতল' মানে ফ্ল্যাট বলা হৈছে, একটু রেফারেন্সটা দেন, পইড়া দেখি!!
আমি কোরানের বাংলা অনুবাদ খুইলা বইসা আছি, একটু মিলাইয়া দেখতে চাই, আসলে ব্যাপারটা কিরকম!!

৩০. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:২০
ঘনাদা বলেছেন: লেখকের জন্য..

গুগলে সার্চ মাইরা এইটা http://thriceholy.net/flatearth.html পাইলাম... আরো হাজারটা আছে...

এইটা নিয়া পোস্ট দিছিলাম... হিজচুতিয়া মডু পোস্ট মুইছা দিছিল...

যাউক...
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: আমি পড়ে বোঝার চেষ্টা করছি!! কিছু বুঝতে পারলে পরে জবাব দিব!!

০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: (Sura 67:15).
বাংলা অনুবাদে বলা হচ্ছে "তিনিই সেইজন যিনি পৃথিবীটাকে করে দিয়েছেন শান্ত,ফলে তোমরা এর দিগদিগন্ত বিচরন করছ এবং তার জীবিকা থেকে আহার করছ! আর তারই কাছে পুনরুথ্বান"
আপনি পড়তে পারেন:
http://www.qurantoday.com/67Mulk_Bangla.pdf

কিন্তু আপনার দেয়া ওয়েব সাইট বলছে:
"It is He who hath made the earth level for you: traverse then its broad sides, and eat of what He hath provided. -- Unto Him shall be the resurrection." (Sura 67:15).

তার মানে কি দাড়াল?? অর্থ বিকৃত করা হচ্ছে কি??

৩১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:২৫
ঘনাদা বলেছেন: Sura Al-Kahf (18:47)

And (remember) the Day We shall cause the mountains to pass away (like clouds of dust), and you will see the earth as a levelled plain, and we shall gather them all together so as to leave not one of them behind.
৩২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:২৭
ঘনাদা বলেছেন: গুগলে কোরান আর্থ ফ্ল্যাট লিখা গুতা দিলে যা যা আসে.. সব পইড়া দেখ..

Click This Link
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: আমি শুধু একটা আয়াত দেখেছি, বাকিগুলা আস্তে আস্তে দেখব!!

৩৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩১
ঘনাদা বলেছেন: আর বুকাইলী োক্‌োদটা সৌদি বাদশার তৈলাক্ত রিয়াল গিলে যে বই লেখছে তাতে তারে একটা দুশ্চরিত্র বলা যায়.. পয়সার জন্য এইরকম নিজের বিবেক বিক্রি করা 'তথাকথিত বিজ্ঞানীর' সংখ্যা বেড়েছে এই মাগ্যির বাজারে...

Maurice Bucaille, a French doctor who worked for the Saudi king and wrote a book in the 1970s about the Bible, the Quran and modern science. Oil money seems to have paid well.
৩৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৮
অনিগিরি বলেছেন: লেখক বলেছেন: (Sura 67:15).
বাংলা অনুবাদে বলা হচ্ছে "তিনিই সেইজন যিনি পৃথিবীটাকে করে দিয়েছেন শান্ত,ফলে তোমরা এর দিগদিগন্ত বিচরন করছ এবং তার জীবিকা থেকে আহার করছ! আর তারই কাছে পুনরুথ্বান"
আপনি পড়তে পারেন:
http://www.qurantoday.com/67Mulk_Bangla.pdf

কিন্তু আপনার দেয়া ওয়েব সাইট বলছে:
"It is He who hath made the earth level for you: traverse then its broad sides, and eat of what He hath provided. -- Unto Him shall be the resurrection." (Sura 67:15).

তার মানে কি দাড়াল?? অর্থ বিকৃত করা হচ্ছে কি??
৩৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪৯
ঘনাদা বলেছেন: Click This Link আরো দেখো..

আর অনুবাদ না দেখে অরিজিনাল আরবী শব্দার্থ দেখো.. বহুবার একই শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে যার অর্থ 'সমতল'

৩৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫৩
শয়তান বলেছেন: কৈিসলাম না ? শুরু হয়া গেসে
৩৭. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
ঘনাদা বলেছেন: এগো স্পেশাল ইউনিট আছে... নাস্তিকগো লাইগা... লাইন ধৈরা কম্প্লেন করে..

আর নাচুনে বুড়ি ইসলামী মডু ট্রিগারে আঙুল দিয়া তো বৈসাই থাকে...

হাহাহাহাহ!

কি আর করবেন.. ব্যাবসা বড়ো জটিল জিনিস
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: অনিগিরি বলেছেন: (Sura 84:1-4).
"যখন আকাশ খন্ডবিখন্ড হবে,
আর তার প্রভুর প্রতি উতকর্ন হবে এবং কর্তব্যরত হবে,
আর যখন পৃথিবিকে সমতল করা হবে,
আর তার ভিতরে যা কিছু আছে তা নিক্ষেপ করবে এবং শুন্যগর্ভ হবে
ফলে তার প্রভুর প্রতি উতকর্ন হবে এবং কর্তব্যরত হবে।"

বুঝাই যাচ্ছে সব ভবিষ্যতের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু এর মানে কি পৃথিবিকে সমতল বলা???? আর সমগ্র কোরআন শরীফ পাবেন এখানে
http://www.qurantoday.com/bangla.htm

রেফারেন্স মিলিয়ে পড়ে দেখতে পারেন, আসলে কি বলা হচ্ছে!!
অথচ আপনার দেয়া ওয়েবসাইটে লেখা আছে-
"When the Heaven shall have split asunder and duteously obeyed its Lord; and when Earth shall have been stretched out as a plain, and shall have cast forth what was in her and become empty..." (Sura 84:1-4).

বুঝতেই পারছেন অবস্থা!!!!????

আর আপনি আরবিতে পড়তে বলছেন, কিন্তু যে ব্যক্তি বাংলা অনুবাদ করেছেন সে নিষ্চই আমার আপনার চেয়ে ভাষা বিষয়ে ভাল বুঝেন!!

৩৮. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:১০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: @ঘনাদা


Sura Al-Kahf (18:47)

And (remember) the Day We shall cause the mountains to pass away (like clouds of dust), and you will see the earth as a levelled plain, and we shall gather them all together so as to leave not one of them behind


আর্থ মানে দুনিয়া আবার আর্থ মানে ভূমি,মাটি। এইটা জানেন ?????(নাকি রেফারেন্স দেয়া লাগবে??)

ওই আয়াতে একটা পাহাড়ি ভূমি সমতল হয়ে যাবে এমনটাই বুঝানো হয়েছে। কিন্তু, আপনি বুঝলেন উলটা।

আমি যদি বলি, বালতিতে করে মাটি আনলাম। সেটার ইংরেজি ট্রান্সলেশনে আপনি মাটি কে সয়েল না লিখে আমাকে পঁচাইতে আর্থ লিখেন, সেটা কার সমস্যা???

অর্থ বিকৃত করে বুঝতেই আপনাদের মজা লাগে। এইটা নিয়ে সময় পাইলে পোস্টও দেয়া যাবে।

ধর্মে উগ্রতা আসলে জঙ্গী, আপনার মত নাস্তিকরা উগ্র হলে 'মুক্তমনা'। ভালই মজা।
৩৯. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২০
অনিগিরি বলেছেন: (Sura 84:1-4).
"যখন আকাশ খন্ডবিখন্ড হবে,
আর তার প্রভুর প্রতি উতকর্ন হবে এবং কর্তব্যরত হবে,
আর যখন পৃথিবিকে সমতল করা হবে,
আর তার ভিতরে যা কিছু আছে তা নিক্ষেপ করবে এবং শুন্যগর্ভ হবে
ফলে তার প্রভুর প্রতি উতকর্ন হবে এবং কর্তব্যরত হবে।"

বুঝাই যাচ্ছে সব ভবিষ্যতের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু এর মানে কি পৃথিবিকে সমতল বলা???? আর সমগ্র কোরআন শরীফ পাবেন এখানে
http://www.qurantoday.com/bangla.htm

রেফারেন্স মিলিয়ে পড়ে দেখতে পারেন, আসলে কি বলা হচ্ছে!!
অথচ আপনার দেয়া ওয়েবসাইটে লেখা আছে-
"When the Heaven shall have split asunder and duteously obeyed its Lord; and when Earth shall have been stretched out as a plain, and shall have cast forth what was in her and become empty..." (Sura 84:1-4).

বুঝতেই পারছেন অবস্থা!!!!????

আর আপনি আরবিতে পড়তে বলছেন, কিন্তু যে ব্যক্তি বাংলা অনুবাদ করেছেন সে নিষ্চই আমার আপনার চেয়ে ভাষা বিষয়ে ভাল বুঝেন!!
৪০. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২২
ঘনাদা বলেছেন: না, ভেজাল সিমেন্ট দিয়া 'আক্কিদা' শক্ত করতে গেলে তো সমস্যা।

বুকাইলি শুরু করলো... আর তোমরা লাইন ধৈরা শুরু করলা ভেড়ার মোত..


এই যে ভেড়ার মতো ফলোয়ারের স্বভাব... এইটা তো বেসিকালি চিন্তাশক্তিহীন পালের আচরন।

এতো পড়ালেখা শিখা যদি কও এভুলুশন মিথ্যা, তাইলে সেই দু্ঃখ কৈ রাখি..
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: এভুলুশন নিয়া আমার একটা ব্যখ্যা আছে!! যদি ধরে নেই জীবনের শুরু হয়েছিল RNAথেকে, তারপর RNAথেকেDNA, DNA থেকে Protein, তারপর Virus, Bacteria ইত্যাদি ইত্যাদি.. আর সবকিছুর মূলে ছিল পানি! সেই পানির কথা পবিত্র কুরআনের অসংখ্য জায়গায় বলা হয়েছে- আল্লাহ প্রত্যেক প্রাণীকে পানি থেকে অস্তিত্ব দান করেছেন (সুরা নূর ৪৫ আয়াত)। সুতরাং সৃষ্টিজগতের সবই এভুলুশন এর মাধ্যমে আল্লাহ তৈরি করেছেন পানি থেকে শুধুমাত্র মানুষ ব্যতিত!

কারন আল্লাহ কোরআনে বলেছেন "আমি মানুষ তৈরি করেছি মাটি থেকে"!! বাইবেলেও ধুলাবালি থেকে মানুষ সৃষ্টির কথা বলা আছে!
সুতরাং এটাও তো হতে পারে যে মানূষের আগের স্তর পর্যন্ত এভুলুশন দ্বারা সৃষ্টি কিন্তু মানূষ সম্পুর্ন ভিন্ন!

৪১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২৬
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: আকাশ ভাই বাদ দেন গণাধা'র লগে কতা কইয়া টাইম ওয়েস্ট করার মানে অয় না
৪২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২৯
ইউনুস খান বলেছেন: @আমড়া কাঠের ঢেকি ঐ পোস্ট টা কি ডিলিট?
৪৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩২
ঘনাদা বলেছেন: হম.. ডিলিট বৈলাই তো লাগ্তাছে...

ধুর..
৪৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
সরকার সেলিম বলেছেন: হা আমার পুষ্ট টা ডিলিট আর আমি এখন জেনারেল..
৪৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩৬
ঘনাদা বলেছেন: আগেই কৈছিলাম ব্যাক্তি আক্রমন খারাপ জিনিস
৪৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪০
সরকার সেলিম বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

৪৭. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪১
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: আমি এমুন কুনু কাবিল ব্লগারনা যে আমার লগে কথা চলতেই হৈবো@ ইউনুস খান। আপনে আমার তূল্যে অনেক পুরানা এবং অনেক অভিজ্ঞ...সেই শ্রদ্ধা ভক্তি রাইখ্যাই বলি, নাস্তিক আস্তিক নিয়া বিতর্ক এই ব্লগে বহুদ্দিন ধৈরাই আছে, কিন্তু সেইখানে আমি নাই।নাস্তিকতার ফ্যাশন এহনতরি গায়ে উঠাই নাই।

ঐ পোষ্টটা ছিলো ব্যক্তি আক্রমনমূলক।তাই যৌক্তিকভাবে প্রতিবাদ জানাইছি।
৪৮. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ইউনুস ভাই, ডিলিট খাইছে অই পোস্ট

ঘণাধা মনে হয় কাউয়ারে খবর দিয়া দিছে ঐ পুস্টের ব্যাপারে ;)
৪৯. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৪
ঘনাদা বলেছেন: তোমরা চান্দুরা কেউ খেয়াল করছো কি না জানি না... আমগো দুলাভাই লগ্ডিন আছিলো ফর এ ব্রিফ মুমেন্ট..
৫০. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: ইসলাম-অজ্ঞ ব্লগার্দের প্রতি আরেকটা সশ্রদ্ধ অপ্রিয় প্রশ্ন জিগাই,
এইডাই লাষ্ট...........ইসলামের দৃষ্টিতে কে বেশি অপ্রাধী গালীবাজ নাকি নাস্তিক? মরলে কার সাজা বেশি হৈবো গালিবাজ নাকি নাস্তিকের?
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: কেউই অপরাধী নয় যদি তাদের ঈমান থেকে থাকে!! হা হা হা!!

৫১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:১৬
তন্ময় হাসান বলেছেন: ঘনাদা বলেছেন: শয়তান বলেছেন: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: পৃথিবীর সব ঘভেষণাগারগুলি বোমা মাইরা উড়ায়া দেয়ার কাম। তারপর খালি কুরান পড়েন। বিজ্ঞানে ভইরা যাইব দুইন্যাডা।
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ঘনাদা বলেছেন: শয়তান বলেছেন: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনেও বলেছেন:..............................................................

৫২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৫
ঘনাদা বলেছেন: ৪০ নাম্বার কমেন্তের উত্তরে যা বল্লা...

তাতে বুঝা গেলো তোমার দুধদাঁত এখনো পড়ে নাই....

এতো কাঁচা বয়সে তোমাকে ব্লগে ফাইট করতে পাঠায়ে দিছে? যেখানে অরন্যদেব, সাহোশি৬, খারেজি আর নাস্তিকের ধর্মকথার মতো শার্কেরা বিচরন করে..!!

হাহাহাহা!
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: হাসাইলেন!! ধর্মের লাইনে আমি কাচা হইতে পারি, তবে এভুলুশন লাইনে আমি কিন্তু পুরান পাপী!!
যাই হোক ৪০ নাম্বার কমেন্তের উত্তরে আসলে আমি যে ব্যখ্যা দিছি অইটা আসলে ধর্মসম্মতও কিনা আমি জানি না, আমার মন গড়া!!
কিছু কিছু জিনিসের ব্যখ্যা তৈরি করে নিজের কাছে সৎ থাকার প্রচেষ্টা নিষ্চই কোন অপরাধ নয়!!

৫৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
কেমিকেল আলী বলেছেন:
মুহম্মদের জীবনে রমনীরা
ইরানি স্কলার আলি দস্তি তাঁর ÔTwenty Three Years: A Study of the Prophetic Career of Mohammad গ্রন্থে বলেছেন প্রফেটের জীবনে ২২ জন রমণী এসেছেন বলে জানা যায়, এদের মধ্যে ১৬ জন বিবাহের মাধ্যমে, ২ জন দাসী এবং ৪ জনের সাথে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। তাঁর দেয়া তালিকাটি নিম্নরূপঃ -

মুহম্মদের (বৈবাহিক সূত্রে) স্ত্রী:
১. খাদিজা
২. সওদা
৩. আয়েশা
৪. উম্মে সালমা
৫. হাফস
৬. জয়নাব বিনতে জাহাশ
৭. জুয়াইরিয়া
৮. উম্মে হাবিবা
৯. সাফিয়া
১০. ময়মুনা
১১. ফাতেমা
১২. হিন্দ
১৩. আসমা
১৪. (খোজায়ামার) জয়নব
১৫. হাবলা
১৬. (নোমানের) আসমা
মুহম্মদের দু'জন দাসী/রক্ষিতা:
১৭. মেরী
১৮. রায়হানা
মুহম্মদের বিবাহবহির্ভুত সম্পর্কের নারীরা:
৭ বেঞ্জামিন ওয়াকার (সা’দ উল−াহ্ অনূদিত), ফাউন্ডেশন অব ইসলাম, সময় প্রকাশনী, ঢাকা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ১৩৬।
৫৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
শয়তান বলেছেন: ১৭. মেরী র না আরেকটা নাম আছে ?
৫৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৪
মনজুরুল হক বলেছেন: খুবেই দরকারি পুষ্ট। ভাই আপনাকে মুবারকবাদ। প্লাস। মাশাল্লাহ্ ভাল লিখেছেন।
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: মন্তব্য পড়িয়া সত্যিই আনন্দিত হইলাম!! আপনাকে ধন্যবাদ!!

৫৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: আপনার প্রথম কথাটার সাথে একমত না।ইসলামে যাদের প্রকৃত বিশ্বাস আছে,শত নাস্তিকের কথাতেও তার বিশ্বাস টিকে থাকবে।ইসলামের অপব্যাখ্যাকারীরা আগেও ছিল,এখনও আছে।মুক্তমনার প্রায় লেখাই পড়েছি,এই ব্লগেও নাস্তিকের ধর্মকথা সহ অনেকের লেখাই পড়েছি,কিন্তু কেন জানিনা তাদের লেখা আমার বিশ্বাসকে আরো মজবুত করেছে,আমাকে আরো উদ্বুদ্ধ করেছে কুরআন সম্পর্কে জানতে।সকল নাস্তিক ব্লগারদেরকে এজন্য ধন্যবাদ।তবে কাউকে কাউকে আমার একটু উগ্রবাদি মনে হয়েছে।তাদের সাথে জামাত-শিবির অথবা আল-কায়দার মিল এখানেই যে তারা ধর্মীয় উগ্রবাদি,আর কিছু নাস্তিক নাস্তিকতার উগ্রবাদি।কারণ তারা নবী সম্পর্কে বাজে কথা বলে।এটা ব্যক্তি আক্রমনের চেয়েও খারাপ।এখন ইসলামকে হেয় করাকেই প্রগতিশীলতা বুঝায়।আর অন্য ধর্ম সম্পরকে কিছু বললে মুশকিল,তাকে সাম্প্রদায়ীক বলা হয়।পৃথিবীর সবখানেই এখন এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে আর এ দেশীয় নাস্তিকরা সেইসব বিদেশিদের অনুকরনে চলছে আর তাদের করা কুরআনের বিকৃত অনুবাদ পড়ে তর্ক করছে।ইসলামের বিরুদ্ধে বললে তাকে বাক সাধীনতা বলে আর অন্য ধর্মের ব্যপারে কিছু বললে তার জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে।নমুনা হিসেবে ভিডিওটি দেখুন।



০৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: এই পোস্টের মন্তব্যগুলো পড়লেই আমার প্রথম কথাটার যথার্থতার প্রমান পাওয়া যায়!!
কথায় আছে না, সংগ দোষে লোহা ভাসে!! সবাই আপনার মত ঈমানদার নাও হতে পারে!!

৫৭. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৭
অলস ছেলে বলেছেন: ভালো লেগেছে। মন্তব্যগুলো আরো বেশি। পড়ে সময় বরবাদ করলাম না, সবকো সুমতি দাও ভগবান।
৫৮. ০৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
সাইলেন্সার বলেছেন: ''কুরআন ও পদার্থ বিজ্ঞান

অতি পারমাণবিক কণিকার অস্তিত্ব নিয়ে ‘পরমাণুবাদ’ নামে একটি সুপরিচিতি তত্ত্ব ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়েছিল। ডেমোক্রিটাস নামে এক গ্রীক দার্শনিক কর্তৃক এই তত্ত্বটি প্রস্তাবিত হয়েছিল। ডেমোক্রিটাস এবং তার পরবর্তী লোকেরা ধারণা করত যে, পরমাণু হচ্ছে বস্তুর একক। এটা এমন ক্ষুদ্রতম একক, যা কখনো- বিভাজিত হতে পারে না।

পরমাণু ---------- অপেক্ষা ক্ষুদ্র বা বৃহৎ সব কিছুর ব্যাপারে আল্লাহ সচেতন। সুতরাং এ থেকে প্রমাণীত হয় যে, পরমাণু অপেক্ষা ক্ষুদ্র কোন বস্তুর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব। আর এ সত্যটি সম্প্রতি আধুনিক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে।''

-এই অংশটির আগামাথা কিছুই নাই।

এই লেখাটা নাকি পুরস্কার পেয়েছে (!)

আমাদের দেশে যারা কুরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখি করে বেশির ভাগ সময় দেখা যায় তারা আসলে কেউই বিজ্ঞানের ছাত্র নয়।
যার ফলে দেখা যায় তাদের যুক্তির মধ্যে অনেক খুঁত থাকে, অনেকটা কল্পকাহিনীর মত শোনায়।
আর এই সুযোগে নাস্তিকরা ধারালো যুক্তি দিয়ে তাদের ধরাশায়ী করে। এতে কুরআনের অবমাননা হয়।

তাই এই ব্লগের লেখক সহ সকলের কাছে অনুরোধ, দয়া করে আবেগপ্রবন হয়ে এই জাতীয় পোস্ট দিবেন না।
আগে নিজে ভাল করে পড়ুন, কুরআন ও বিজ্ঞান বিষয়ক অনেক দেশি বিদেশী বই আছে, সেগুলোর সাহায্য নিয়ে যুক্তিপূর্ণ লেখা পোস্ট করুন।

নয়ত ইসলাম ও কুরআনকে হেয় করার জন্য আপনারাও সমানভাবে দায়ী হবেন।
০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: কোরআনের সাথে সবসময় বিজ্ঞানকে মিলাতে গেলেত কিছু কল্পকাহিনী তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক না, তাই না?? আর আপনাদের মত কোরআন ও বিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষিতরাই কিন্তু গবেষনা করে করে কোরআনের সাথে বিজ্ঞানের জোড় করে হলেও মিল বের করে ফেলেন!! আর সেই মিলের ব্যখ্যাই কিন্তু সহজ সরল ভাষায় লিখে কোন এক স্কুল বা মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়!!

৫৯. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: @ সাইলেন্সার,আপনার সাথে একমত।এই টাইপের কিছু পোস্ট আসে আর নাস্তিকেরা সুযোগ পায় কুরআন ও রাসুল (সাঃ) কে অবমাননা করার।বুঝতে হবে যে কিছু কিছু অবিশ্বাসীর মত স্বয়ং রাসুল (সাঃ) পরিবর্তন করতে পারেনি।আমি মনে করি আমরা ইসলাম ধর্মের মানুষ হলেও আমাদের দেশের মানুষরা (আমি নিজেও) ধর্ম সম্পর্কে খুবই কম জানি,কিছু হইলেই বাসায় হুজুর দেকে মিলাদ পড়াই।এই অল্পশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন হজুরদের হাতে ধর্মটা ছেড়ে দিয়েই আমারা জান্নাত পাইতে চাই।ভুলটা এখানেই,ধর্মে বিশ্বাসী হলে অবশ্যই সবাইকে ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।আর মানুষকে ধর্ম সম্পর্কে জানতে না দেওয়ার জন্য কিছু কিছু হুজুরের ভুমিকা আছে।কয়েকজন হুজুরকে আমাকে কুরআনের অনুবাদ পড়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করেছিল।এখন সময় এসেছে এই মোল্লা তন্ত্র থেকে ইসলামকে মুক্তি দেবার।আফগানিস্তানে যখন হামলা হল তখন জুম্মার খুতবায় ইমাম সাহেব মুনাজাতে বললেন আল্লাহ আমেরিকাকে তুমি ধ্বংস করে দেও,সেই ইমামের মত ধারনা পোষণ করা মানুষের সংখ্যা এই দেশে কম নয়।তাদের কাছে আমার প্রশ্ন আমেরিকায় কত কজন মসুলিম আছে তার সংখ্যাটা জানা আছে?শুধু তাই নয় প্রকৃত মুসলমান কখনো কোন দেশ ও জাতির ধ্বংস চাইতে পারে না।প্রকৃত মুসলমান কখনো অন্য ধর্মকে হেয় করে না।এই সকল মোল্লাদের আচরন বাংলাদেশে নাস্তিক ব্যক্তির সংখ্যা বাড়াতে সহায়তা করে।অন্যদিকে আমেরিকা রাশিয়াকে নাস্তানাবুদ করতে লাদেন ও তালিবানদের উত্থান ঘটিয়ে,তাদের হাতে অস্ত্র দিয়ে স্বার্থহাসিল হবার পর তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে গোটা পৃথিবীর মুসলিম সমাজকে সন্ত্রাসি হিসেবে প্রমানের অপচেষ্টা করেছে।বিশ্বব্যপী ইসলামের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র চলছে তার ফল আমরাও ভোগ করছি,এর সাথে কিছু মুসলিম নামধারী ব্যক্তিরাও জড়িত আছে।এখানে আর কথা বাড়ালাম না,একটা পোস্টদিব,সেটার লিঙ্ক এখানে দিয়ে যাব।
০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: হুমমমম...আপনার পোষ্ট পড়লাম, ভাল লিখেছেন!!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৮৬৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ভিজা বিড়াল
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই