ব্লগে যারা লেখে, তারা কি জন্যে লেখে? ব্যক্তি স্বাধীনতা খুঁজে পায়? নাকি বলব, স্বার্থ চারিতার্থ করার সুযোগ পায়? আমি কেন লিখছি তা অবশ্য আগের একটা পোষ্টে লিখেছি। তবে সেখানে কোন category তে ফেলিনি। আমার এসব বাছ বিচার ভাল লাগেনা। তবুও সে কাজটিই করেছি।
আমাদের স্বভাবটা কেমন যেন হয়ে গেছে। শপিং এ গেলে ভাল ব্রান্ডের জিনিস কিনি, চাকরীর বাজারে নাম ডাক আছে এরকম কম্পানী খুঁজি। আবার বিয়ের বাজারে বংশ পরিচয় খুঁজি। একবারও ভাবিনা ব্রান্ড ছাড়াও ভাল জিনিস পাওয়া যায়, মাঝারী আয়ের চাকরীতেও শান্তি পাওয়া যায়। অন্যদিকে বংশ ভাল হলেও বিয়ের বলির মানুষটি যে ভাল হবে, তাও না। তাহলে ?
দিনে দিনে আমাদের মধ্যে যে পবিবর্তন চলে আসছে, চলে এসেছে, সেটি বুঝতে পাচ্ছিনা।
জ্ঞানীদের মত গুছিয়ে গুছিয়ে কথা বলতে ইচ্ছে করে। হয়ত সেটাও এই সমাজ ব্যবস্থা আর সময়ের কারণে। আসলে আয়নাতে প্রতিদিন নিজের চেহারা দেখলে বোঝা যায় না, বয়সের ছাপ আমাকে কত খানি স্পর্শ করল। কিন্তু অনেক দিন পরে যখন কোন বন্ধুর সাথে দেখা হয় বা ছুটিছাটাতে যখন আত্মীয়দের বাসায় যাই, তখন তাদের কাছে ব্যাপারটা ঠিকই ধরা পড়ে। আমার মনে হয় ব্যাপারটা সেরকম। আমাদের একটা change দরকার। কিন্তু এই change টা কোথায় দরকার, কত সময়ের জন্যে দরকার, কোন দিকে মোচড় দেবার জন্যে দরকার, ঠিক জানি না। আমাদের সরকার এবং নিতীনির্ধারকরা কি এসব নিয়ে ভাবে?
ভাবার কথা না। এ সব নিয়ে ভাবলে রক্তের হুলি খেলার রাজনীতি কারা কররে? মায়ের চোখের পানি কারা উপহার দেবে? মায়ের বুক খালি না করলে, তাদের তো ঘুম হয় না।
আমিত্ব বলে একটা অনুভূতি আছে। ক্ষমতার চেয়ারে বসলে বোধায় সেই আমিত্ব কে সম্মান করতেই ক্ষমতার অপব্যবহার করতে হয়। কাজেই অন্য কিছু নিয়ে ভাববার টাইম কোথায়?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



