আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি, এমন জানলে তদন্ত কমিটিতে থাকতাম না: খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ
বিশ্বজিৎ দত্ত ও আবু আলী:
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির তথ্য উদঘাটনে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেছেন, শেয়ারবাজারের সব কিছুই আইনের মধ্যে থেকে হয়েছে। আইনের দৃষ্টিতে কেউ অপরাধ করেনি। কেলেঙ্কারিটি পুন তদন্ত প্রয়োজন। সবাই নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদন নিয়েই করেছে। গতকাল কৃষি ব্যাংক ভবনে আমাদের সময়ের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মিডিয়াতে যা প্রকাশ করা হয়েছে তা আমাদের বক্তব্য নয়। আপনি নিজেও তো মিডিয়াতে অনেক কথা বলেছেন এ মন্তব্যে তিনি রেগে যান। এবং বলেন, মিডিয়ার জন্যই আমি বিব্রত হচ্ছি, অসুস্থ্য হয়ে পড়েছি। এমন জানলে তদন্ত কমিটিতে থাকতাম না। আপনারা এখন যান মিডিয়াতে কোন কথাই বলবো না।
এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, প্লেসমেন্ট শেয়ার বৈধ। তবে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কোনো নিয়ম করেনি এজন্য এক্ষেত্রে অনেকেই অবৈধভাবে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করেছে। এনমনকি প্লেসমেন্ট শেয়ারে লকিং থাকার কথা থাকলেও অনেকে বেআইনিভাবে তা নির্ধারিত সময়ের আগেই হস্তান্তর করেছে। তদন্ত কমিটি প্লেসমেন্ট শেয়ারে অনিয়ম পেয়েছে এজন্য প্লেসমেন্টের সীমা কমিয়ে আনার সুপারিশ করেছেন। বেসরকারি খাতে কোম্পানি সরাসরি তালিকাভুক্তি বন্ধ থাকলেও অর্থমন্ত্রণালয়ের চাপে কেপিসিএল এবং ওসিএলকে তালিকাভূক্তির অনুমোদন দিয়েছে এসইসি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসইসি একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান তার একক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আছে, তবে বিচার করা আমাদের দায়িত্ব নয় এটি সরকার দেখবেন।
তিনি বলেন, কমিটি সম্পদ পুনঃমূল্যায়নে অনিয়ম পেয়েছে। এজন্য ৫ জন চার্টার্ড একাইন্ট্যান্ট নিয়োগ করে আবারো সম্পদ পুনমূল্যায়নের সুপারিশ করেছেন। একইসঙ্গে অনিয়ম পেলে শাস্তির আওতায় আনারও সুপারিশ করেছেন। তবে বর্তমান এসইসি দিয়ে তা করা সম্ভব নয় বলেও তিনি মনে করেন। এজন্য এসইসির পুনর্গঠনেরও সুপারিশ করেছেন বলে তিনি জানান।
তিনি আরো বলেন, তদন্ত কমিটির কাছ থেকে কোন নাম প্রকাশ হয়নি। তবে ২ মাসের মধ্যে সব কিছু পুরোপুরি তদন্ত করা সম্ভব হয়নি। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে মন্ত্রী মহোদয় তা আবারো তদন্ত করতে পারেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

