আমার প্রিয় পোস্ট

গণতন্ত্র হল এমন এক অস্তিত্বহীন মদ, যাতে সবাই মাতাল, কিন্তু কেউ কখনো পান করে নি।

আমার ভাইয়ের মৃত্যূ ও সৌদিদের ক্ষমার অযোগ্য বর্বর আইন ও হাহাকার

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

শেয়ারঃ
0 7 0

‘দিপু মারা গেছে’, কথাটা কত সহজ, এর ভাষাগত অর্থটাও সহজবোধ্য কিন্তু এর মর্মার্থ আমার মাথায় ঢুকছিল না। কথাটা শোনার পর আমি কিছুক্ষণ বসে রইলাম, বোঝার চেষ্টা করলাম এর অর্থ কি! আমার চেয়ে মাত্র তিন বছরের বড়, সুস্বাস্থবান প্রানচন্ঞল একজন। এই বয়সে এভাবে মারা যাবে আমরা কেউই প্রত্যাশা করি না। দিপু ভাই আর বড় ভাই দুজনের জেদ্দায় দুটো এলুমিনিয়াম ওয়ার্কশপ আছে, নিজেরাও কাজ করত। গত শনিবার কাজের সময় দুর্ঘটনাক্রমে মই হতে পড়ে যায় আর মইটি পড়ে ওর মাথার উপর। মইয়ের চোখা কোন অংশ মাথায় লাগে, এতে ওর মাথা ফেটে যায়। ওর সাথের লোকেরা সাথে সাথে হাসপালে নেয় কিন্তু ডাক্তাররা চিকিৎসা করতে অস্বীকৃতি জানায়। তারা বলে পুলিস ক্লিয়ারেন্স ও দশ হাজার রিয়াল জমা দিলে তারা চিকিৎসা শুরু করবে। বড় ভাই ও দুলাভাই তখন দুরে ছিলেন, তাদের আসতে এক ঘন্টা সময় লাগে। এই পুরোটা সময় দিপু ভাইয়ের সেন্স ছিল। ও’ ডাক্তারদের অনেক অনুরোধ করেছে চিকিৎসা শুরু করার জন্য, বলেছে টাকা নিয়ে আসছে, টাকা কোন সমস্যা না। কিন্তু ডাক্তাররা টাকা আর ক্লিয়ারেন্স ছাড়া চিকিৎসা করবে না। আঘাত যেমন ছিল তাতে হয়তো সহজেই বাচানো যেত, এমনকি প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েই হয়তো রক্তপাত বন্ধ করা যেত। বড়ভাই এসে টাকা জমা দেয়ার পরপরই ভাইয়ের সামনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। প্রথমে উড়ো খবর শুনেছিলাম বিল্ডিঙের অনেক উপর হতে পড়ে মারা গেছে, এসব ক্ষেত্রে তো বাচানোর কোন উপায় থাকে না, এমন হলে কোন ক্ষোভ ছিল না। কিন্তু যখন পুরো ঘটনা শুনলাম আমার ভেতর হাহাকার করে উঠল। যেহেতু ওর সেন্স ছিল সেহেতু ও বোঝতে পারছিল ক্রমাগত রক্তপাতে ও মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু চিকিৎসার সব সুযোগ থাকা সত্যেও শুধু একটা আইন আর কয়েকটা টাকা জন্য হচ্ছে না। তখন ওর অসহায় অবস্থা কল্পনা করুন, ওর মনে তখন কেমন লাগছিল তা অনুভব করলেই আমার প্রচন্ড হাহাকার আর রাগ লাগে। বিছানায় শুয়ে ছটফট করছে কখন ভাই আসবেন, চিকিৎসা শুরু হবে, বাচার কি আকুতি! রক্তপাতে শরীর ক্রমেই নেতিয়ে যাচ্ছিল, শেষ পর্যন্তু কি বাচার আশা ধরে রেখেছিল, মৃত্যুর আগমুহূতের্র অনুভূতি? যখনই চিকিৎসা শুরু হবে তখনই সব শেষ। গত দুদিন আমার ঘুরে ফিরে বার বার শুধু একথাই মনে আসছে। সবকিছু কেমন সাজানো গোছানো ছিল, ওর বিয়ে ঠিক ছিল। দেশে আসলেই বিয়ে হবে। মেয়েটার সাথে দিপু ভাইয়ের প্রায় প্রতিদিনই ফোনে কথা হতো। সবার কত প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু সব ধ্বসে পড়ল!

সেজো চাচার কাছে জানলাম বর্বর আইনটার কথা। সৌদি আরবে কোন ধরনের দুর্ঘটনায় কেউ আহত হলে পুলিশ যতক্ষণ না ক্লিয়ারেন্স দেবে যে এটা দুর্ঘটনা কোন হামলা বা দুর্বিত্তের কাজ কি না তখন তার চিকিৎসা করবে। তারা নাকি প্রাই দেখেন রাস্তা দুর্ঘটনায় আহত লোক পড়ে কাতরাচ্ছে, কিন্তু পুলিশ আসার আগে কারো সাহায্য করারও অধিকার নেই, মারা গেলে শুধু একটা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখে। একজন বোকা লোকেও বোঝবে এটা কতটা ধ্বংসাত্মক, অথর্ব আর বর্বর আইন। যেসব ব্লগার সৌদি আরবে আছেন তারা ভাল জানবেন। দুর্ঘটনায় আহত মানুষের যত দ্রুততম সময়ে করা যায় তাকে বাচানোর সম্ভবনা থাকে বেশি। স্বাভাবিকই পুলিশের ক্লিয়ারেন্স দিতে এক-দুই ঘন্টা সময় লাগবে। আর এই সময়ে সাধারণ চিকিৎসায় ভাল হতে পারে এমন লোকও মারা যেতে পারে। অনেক সময় মাসের মাসের পর মাস, বছরের পর বছর লাগেএকটা তদন্ত করে সঠিক তথ্য আবিষ্কার করতে, সেখানে একটা মৃত্যুপথযাত্রী রোগীর চিকিৎসা আটকে থাকবে তদন্তের অপেক্ষায়। এটা নিঃসন্দেহে ‘খুনি’ আইন। এই আইন আইনপ্রণেতাদের বিবেক-বুদ্ধিহীনতার প্রমাণ। মানুষের জীবন আগে না তদন্ত আগে? তদন্ত করতে গিয়ে তারা সবচে’ বড় ‘আলামত’ মানুষটিকে হারায়। আর টাকার ব্যাপারটা কি বলব, আমাদের দেশেই এমনটা হয়। তবু আমাদের দেশের ডাক্তারদের বোঝানো যায়, কিন্তু ওরা মানুষের জীবনের কোন গুরুত্বই দিল না!
আমি এই আইনের কথা আগে জানতাম না। এক বন্ধু রিয়াদ হতে ফোন করলে ওকে বললাম, ‘এখন হতে দশ হাজার রিয়াল আর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পকেটে নিয়ে ঘুরবি, বলাতো যায় না কখন কি হয়ে যায়’। উত্তর দিল, ‘কি আর হইব, মরুম, তুই দেশে থাইকা এই কথা কস, তাইলে বোঝ এই দেশে আমাদের কেমন লাগে’! বাংলাদেশের দশলাখেরও বেশি মানুষ সৌদি আরবে থাকে। বলা চলে এই দশলাখ মানুষ মৃত্যুর পরোয়ানা মাথায় নিয়েই সেখানে কাজ করে (মৃত্যূর পরোয়ানা সব মানুষের মাথায়ই আছে কিন্তু এমন নয়)। মানুষগুলো কিরকম ঝুকিতে আছে, তা অকল্পনীয়, আহত হলে চিকিৎসা হবে না। আর বাংলাদেশীরা সেখানে ঝুকিপূর্ণ কাজগুলো বেশি করে। কল্পনা করুন একজন মানুষ রাস্তা আহত হয়ে কাতরাচ্ছে, তখন তার অধিকার চিকিৎসা তা পাচ্ছে না, দেশে তার স্বজন ঘুনাক্ষরে তা জানতে পারল না, সেই হয়তো তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এই অসহায় অবস্থার কথা মনে করলেই ওই বর্বর জানোয়ারদের প্রতি প্রচন্ড ঘৃণা-ক্ষোভ লাগে। যেহেতু এর সাথে আমাদের দেশের বিশাল সংখ্যক মানুষের জীবন জড়িত তাই মনে করি আমাদের সরকারের এই আইনের বিরুদ্ধে সুপারিশ করার অবশ্য দায়িত্ব রয়েছে। আমার ভাইকে তো আর ফেরত পাব না, কিন্তু এই আইনটি বিশ্ববাসীর নজরে আনার প্রয়োজন রয়েছে, এটি রহিত করা প্রয়োজন। আমি এ ব্যাপারে এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাথে যোগাযোগ করতে চাই, কিভাবে কি করতে পারি পরমর্শ দরকার।
দিপু ভাই আর আমি প্রায় একই সময়ে ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি, ওর অধিনায়কত্বে অনেক ম্যাচ খেলেছি, এক সাথে আম চুরি করতে গিয়েছি, মোটরসাইকেল চালিয়েছি, একসাথে অনেক সময় কাটিয়েছি। দুই বছর চারমাস আগে ও’ যাবার আগের দিন একসাথে নদীতে গোসল করলাম, ভাটি (নদীর স্রোতে গা ভাসিয়ে এক ঘাট হতে আরেক ঘাটে যাওয়া) ছাড়লাম। দিপু আমার চাচাতো ভাই, জন্মগত দিক থেকে ওর পরেই আমার অবস্থান। তাই ছোটবেলা হতেই ঝগড়া-মিল, এভাবেই কাটিয়েছি। যখন নদীর পাশে রাস্তা দিয়ে হাটি ভাবতেই পারি না এই নদীতে আর একসাথে গোসল করতে পারব না, ও আর এই পথে হাটবে না। ওর মৃত্যূর সময়কার ওর অনুভূতি কেমন ছিল মনে পড়লেই, মনে পড়লেই.....। অনেক সময় মানুষ টাকার অভাবে, চিকিৎসকের অভাবে, চিকিৎসা সরন্জামের অভাবে মারা যায়, কিন্তু ওর চারপাশে সবই ছিল.....। এই লেখা যখন লেখছি, কয়েক ঘন্টা আগে ওকে জেদ্দায় দাফন করা হয়েছে। এখন হজ্বযাত্রীদের চাপ, তাই দেশে আনতে গেলে এক মাস দেরী হতো তাই সেখানেই কবর দেয়া হয়েছে। তাছাড়া মনে করব, বিদেশে গেছে, ভাল আছে, আর কোন দিন দেশে ফিরবে না এই যা, এই অনুভূতিটুকোই থাক।


আপডেট: মূল লেখা এডিট করা হয় নি
ব্লগারদের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি পুরো ঘটনা আরো বিস্তারিত খোজ নিলাম। আমার লেখার সাথে যে সব তথ্য যোগ ও পরিবর্তন দরকার-
* ওর মাথা ফেটে রক্ত বের হয় নি। রক্ত ঝরেছে কান দিয়ে।
* নিকটবর্তী হাসপাতালটিতে নিজেই হেটে গিয়েছিল।
* হাসপাতালটি বেসরকারী।
* ওর ইন্সরেন্স করা ছিল, তবে হাসপাতালটি সেই ইন্সুরেন্স একসেপ্ট করে নি।
* দুলাভাই ও বড়ভাই এসে টাকা জমা দেয়ার পর চিকিত্সা শুরু করে, এবঙ শুরুর পরপরই মারা যায়।
* দুলাভাই বললেন দুটোই কারন, তবে মূলত টাকার জন্য চিকিত্সা করে নি।

পাশাপাশি একটা বাংলাদেশী চিত্র বলি, আমাদের এলাকার আব্দুর রব চাচা তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে গিয়েছিলেন মেরি স্টোপস হাসপাতালে। রাতে অপারেশন করতে হবে। আপারেশনের আগে বিশ হাজার টাকা জমা দিতে হয়। তার কাছে ছিল মাত্র চার হাজার টাকা, তখন টাকা দেয়ার মত কোন আত্মীয় ছিল না। হাসাপাতাল কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে বলে পরদিন সকালে বাকি টাকা জমা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে অপারেশন করে। এটা বাংলাদেশ। আর ওখানে টাকা নিয়ে আসছিল।

এমনেস্টির কাছে যাওয়ার প্রসঙ্গে অনেকেই আমার বক্তব্য বোঝতে পারেন নি, তাদের বলছি ৩১ ও ৪৫ নং মন্তব্য ও উত্তর বিশেষ দ্রষ্টব্য।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সৌদি আরবআইনদিপু ;
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫
জটিল বলেছেন: দিপু ভাই এর মত পরিস্থিতিতে যেন আর কারও না হয় । এই আশা রইল ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: আমার শুধু প্রত্যাশা না দাবীও। আমার অনেক আত্মীয়-বন্ধু সহ বাংলাদেশের দশ লক্ষাধিক মানুষ সৌদি আরবে থাকে। বাংলাদেশীদের বড় একটা অংশ ঝুকিপূর্ণ কাজ করে, তাই বাংলাদেশীদের নিয়ে আমার আতংকটা বেশী।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: সমঅনুভূতির জন্য ধন্যবাদ।

৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
ফেরেস্তা বলেছেন: ইসলামের নামে সৌদি আরব যা করছে তা ইসলামও সাপোর্ট করেনা। নিজেরা সারা দুনিয়ায় আজে বাজে কাজ করে বেড়ায় আর জনগনরে শাস্তি দেয়।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: সৌদিয়ানরা আরবে থাকে ঠিকই, তবে ইসলাম হতে বহু দুরে, রাজতন্ত্র, সীমাহীন ভোগ বিলাস, গন্ডায় গন্ডায় বিবাহ, আর মূর্খতা!

৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
ফেরেস্তা বলেছেন: খুবই কষ্ট পেলাম :(( :(( :((
৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
পুরাতন বলেছেন: সত্যিই দুঃজনক
৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
ওসমানজি২ বলেছেন: দুঃখজনক, খুবই দুঃখজনক। এরকম একটা বর্বর আইন চালু থাকে কিভাবে ??
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: পৃথিবীর কোথাও এমন আইন থাকতে পারে তা অকল্পনীয়!

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: কিন্তু আমি অনেক বলতে চাই, আমি বিশ্ববাসীকে এই আইনটার কথা জানাতে চাই।

৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২০
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: খারাপ লাগলো ভাই.............
খুবই.....
১০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫
মো: আজিজুল হক বলেছেন: অমানবিক আইন। ইসলাম বহিরভূত।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: নিঃসন্দেহে মহানবী[স:]'র শিক্ষা আর ইসলাম বহির্ভূত।

১১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
মানি-শেখ বলেছেন: মর্মান্তিক ও দুঃখজনক, আপনার লেখাটা পড়ে আমার কান্না পাচ্ছে, আপনাকে বোঝানোর ভাষা হারিয়ে ফেলছি, আপনি ধর্য ধরুন, আল্লাহ ধর্যশীলদেরেকে পছন্দ করেন। আমি দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে ধর্য ধরার তাওফিক দান করুক, এবং আপনার চাচাতো ভাইকে জান্নাতবাসি করুক।
১২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯
দূরন্ত বলেছেন: ইউরোপে এ জিনিস চিন্তাও করা যায় না। সৌদিরা সত্যিই এখনো মধ্যযুগের বর্বর। সত্যিই দুঃখজনক।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: আইনটা একেবারেই মূর্খতাপ্রসূত, বর্বর। হ্যা আমেরিকাতেও জানি প্রচুর টাকা লাগে, কিন্তু সেখানে আগে জীবন পরে টাকার প্রসঙ্গ।

১৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩২
সৌরদীপ্ত বলেছেন: দুখ:জনক , মনটা খারাপ হয়ে গেল । আর কারো যেন এমন না হয় সে দোয়া করি ।
১৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
সুমন ঘোষ বলেছেন: খুবই দুঃখ পেলাম এই ঘটনা টি শুনে । সৌদি আরবে এমন আইন জানা ছিল না । দীপুর মৃত্যু আমাদের বুকেও আঘাত হেনেছে । ওর আত্মার শাণতি কামনা করি ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: আমিও জানতাম না, আইনটা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার প্রয়োজন, এটা আইন না পুলিশী প্রথা, সৌদি নাগরিকদের বেলায় এটা কতটা প্রয়োগ করা হয়?

১৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
সত্যাশ্রয়ী বলেছেন: অত্যান্ত দু:খ পেলাম। শালারা মানুষ না।
১৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আমার বাপে আমারে হিটলারের একটা কাহিনী কইছিল। হিটলার নাকি একবার একটা লিষ্ট বানাছিল মানব জাতির উন্নতক্রমানুসারে। সেই লিষ্টে প্রথমে ছিল জার্মানরা, আর সব শেষে ছিল আরবরা, আর আরবগোর পরেই আছিল এনিমেল। এনিমেলগোর কাছ থিকা বেশী কিছু আশা না করাই ভাল।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: কিন্তু আরবরা যখন গরীব ছিল তখন এমন ছিল না, সেখানে জ্ঞান বিজ্ঞানের ব্যাপক চর্চা হতো। কিন্তু যখনি মাটির নিচ থেকে তেল উঠল ওদের বিবেক বুদ্ধি আকাশে উঠে গেল।

১৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: ওর মনে তখন কেমন লাগছিল তা অনুভব করলেই আমার প্রচন্ড হাহাকার আর রাগ লাগে। বিছানায় শুয়ে ছটফট করছে কখন ভাই আসবেন, চিকিৎসা শুরু হবে, বাচার কি আকুতি!



মনটা খুব খুব খারাপ হয়ে গেল।

সৌদীরা এখনও মধ্যযুগীয় বর্বর অবস্থায় রয়েছে।
১৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১
সু-শান্ত বলেছেন: বুকের ভেতর কষ্ট হচ্ছে লেখা টা পড়ে। জানি না কিভাবে নিজেকে সামলাচ্ছেন।
২১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
'লেনিন' বলেছেন: মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো। :(
২২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:

সৌদিরা আসলেই অমানুষ......... দুবাইতেও রাস্তায় দূর্ঘটনা ঘটলে বা যে কোন জায়গায় দূর্ঘটনা ঘটলে কারো ধরার নিয়ম নাই কিন্তু পুলিশ খবর পেলে ৪/৫ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে এম্বুল্যান্স সহ হাজির হয় আর ওদের এম্বুল্যান্স গুলোই এক একটা হাসপাতাল আর পয়সার ব্যাপারটাও এখানে দেখি নাই।


দিপু ভাইয়ের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি
২৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
সিরাজ বলেছেন: ইসলামের নামে সৌদি আরব যা করছে তা ইসলামও সাপোর্ট করেনা। নিজেরা সারা দুনিয়ায় আজে বাজে কাজ করে বেড়ায় আর জনগনরে শাস্তি দেয়।মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো। অত্যান্ত দু:খ পেলাম। শালারা মানুষ না।
২৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
মোঃমোজাম হক বলেছেন: সৌদি আরব থেকে আপনার ভাইয়ের মারা যাওয়ার কথা শুনে মর্মাহত হলাম।উনার রুহের মাগফেরাত কামনা করি।নিকটজন মারা গেলে মনটা এমন হওয়াই স্বাভাবিক।কিন্তু আপনার কথা সব স্টহিক নয়।এখানে ৯০% কোম্পানীই তাদের কর্মচারীদের জন্য ইন্সুরেন্স করে দিয়েছে।তা ছাড়া সরকারি গছিকার্ড ্যাহা কাজের সময় কোন দুর্ঘটনা হলে দ্রুত চিকিতসা দেয়া হয়।এওসবই আমার কাছে আছে।আর সরকারি হাস্পাতালে একজন পুলিশ শুধু এই সকল রোগীদের জন্যি ২৪ ঘণ্টা ডিউটি করে। তবে হ্যা রাস্তায় কেউ এক্সিডেন্ট হলে পুলিশ না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: এখানে আমিতো খুব বেশি তথ্য দেই নি যে সঠিক বেঠিক বিষয় থাকবে। তাছাড়া ইন্সুরেন্সের কোন ব্যাপার নেই এখানে, এবঙ ভাইয়েরা কোম্পানীতে কাজ করে না।
তাহলে সেই পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিল না কেন? এর সাথে শুধু ক্লিয়ারেন্স নয় টাকার ব্যাপারটাও জড়িত ছিল।
তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।

২৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
জীবলু বলেছেন: পড়তে পড়তে ছোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে । মন্তব্য করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি ।

আমার মনে হয় ওরা এত র্ববর বলেই যুগে যুগে যত নবী রাসুল এর আগমন ঘটেছে সবই ঐ ভুখণ্ডে । কারন আল্লাহ তালা আগে ওদের হেদায়তের প্রয়জনিতা অনুভব করেছেন্‌।

দিপুর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি । আল্লাহ তার সহায় হউন ।
২৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
সোহান বাশার বলেছেন: হা ভাই আমরা এ রকম অনেক দেখেছি। ২ দিন আগেও একটা লোক মারা গেছে হাসপাতালে, নামাজ না পড়াতে মোতয়া মানে (হুজুর) দৌড়ানি দেওয়াতে দৌড়িয়ে পানি পাইপের সাথে বারি খেয়ে মাথা ফাটিয়ে মাটিতে পরে যায়। পরে হাসপাতালের অবস্থা তো জানলেন কেমন অবস্থা ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২২

লেখক বলেছেন: তাহলে দেখছি দুরকম ঘটনাই ঘটে। কারন অনেকে পুলিশের ইতিবাচক ভুমিকার কথাও বলছেন। আর নেতিবাচক ঘটনার শিকার তো আমরাই।

২৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
ম্যাকানিক বলেছেন: ভাই ঘটনাটা শুনে খুবই খারাপ লাগলো।
সৌদীতে ৯৯৯ এ ফোন করলে যেকোনো ঘটনার পুলিশ রেসপন্স টাইম ২ থেকে ৫ মিনিট ।
অর্থাত ৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হবে।
দুর্ঘটনার কথা শুনলে এম্বুলেন্স নিয়ে হাজির হয়।
এম্বুলেন্স এর নাম্বার খুব সম্ভবত ৯৯৭ বা ৯৯৬ ভুলে গেছি এতদিন পর।
তবে
দীপু ভাই এর সাথের লোকেরা হয়তো জানতেন না যে দুর্ঘটনা ঘটলে পুলিশকে ডাকলে সাহায্য পাওয়া যাবে।
আর ডাক্তাররা পুলিশ ডাকতে অনীহা দেখে হয়তো সন্দেহ করেছিলো যে নিজেদের মধ্যেকার কোনো মারামারি হতে পারে।
সচারচর সৌদিতে পুলিশের ব্যাবহার যারপরনাই রকমের খারাপ সেইটা দেখেই তাদের কাছ থেকে ভালো কোনো কিছু কেউ প্রত্যাশা করে না।
কিন্তু সৌদি পুলিশ বা এম্বুলেন্স দুর্ঘটনার ট্রিটমেন্ট সাবার জন্যই ফ্রি আমি আকামা ছাড়া লোকদের ও বিনা পয়সায় চিকিতসা সেবা দিতে দেখেছি।
দিপু ভাই কে আল্লাহ শান্তিতে রাখুন।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: হ্যা পুলিশের দুই রকম ভূমিকাই দেখতে পাছি। কিন্তু আমার প্রশ্ন আইনটা নিয়ে যার অস্তিত্ব সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই। এবঙ আর্ও জানতে পেরেছি এই আইন সৌদি নাগরিকদের বেলায় খাটে না।
সবচে' বড় কথা যেটা রোগী সচেতন ছিল এবঙ তার কাছ থেকেই ডাক্তাররা নিঃসেন্দহ হতে পারত। ঘটনা যাই হোক চিকিৎসা কেন করবে না!
আপনার তথ্যগুলোর জন্য ধন্যবাদ। আমার সব আত্মীয় বন্ধুদের জানিয়ে দেব।

২৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
রাগ ইমন বলেছেন: ইমেল



ওয়েবসাইট:
http://www.sachalayatan.com/hasan_murshed
http://hasanmurshed.blogspot.com/

সামু ব্লগ :

Click This Link

ইনার সাথে যোগাযোগ করেন। এ্যামনেসটিতে কাজ করেন বলে জানতাম।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: লিংকগুলোর জন্য ধন্যবাদ।

২৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪
ত্রিশোনকু বলেছেন: আরবদের চেয়ে বর্বরতরও জাতির সাথে আমার পরিচয় হয়নি আজও।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: এর আগে এক আরব যুবরাজ তার ব্যক্তিগত ফার্মে রাগের মাথায় কয়েক বাংলাদেশী শ্রমিক গুলি করে হত্যা করে, কোন বিচার হয় নি।

৩১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
রাগ ইমন বলেছেন: যোগাযোগের আগে আসলেই ঘটনা কি হয়েছে জেনে নিয়েন। আমরা দেশে বসে যা শুনি, সেইটা কাগজে পত্রে প্রমান দিতে না পারলে কিছু করার থাকবে না ।

উপরের কিছু মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে এইটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনাও হতে পারে ।

দিপু ভাইয়ের জন্য দোয়া , আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত নসীব করুন ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন: হ্যা। আমি এই দুর্ঘটনার বিচার চাইতে এমনেস্টির কাছে যাচ্ছি না। আমি এই আইনটি সম্পর্কে এমনেস্টিকে জানাতে চাই, এর বিপক্ষে জনমত গঠন করতে চাই। কারন বাংলাদেশী শ্রমিকরাই এই আইনের শিকার বেশি হয়। আর একটা বিষয় এই আইনের অস্তিত্ব সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই। এবং এই আইন সৌদিয়ানদের বেলায় কখনো খাটে না। এটা খাটে বাংলাদেশী 'মিসকিন'দের বেলায়। সৌদিয়ানরা বাংলাদেশীদের বলে মিসকিন। এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হলেও এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে। আবারও বলছি এই ঘটনার জন্য আমি এমনেস্টিকে জানাচ্ছি না। জানাচ্ছি এমন আইনের আর প্রয়োগ না হয়। আমার আব্বা, সেজো চাচা, বড় আপা-দুলাভাই'র পরিবার, বড়ভাই (দিপু ভাইয়ের বড়), মামা-মামীর পরিবার এবং আরও অনেক আত্মীয়, প্রতিবেশী, বন্ধু সর্বোপরি ১০লাখেরও বেশি বাংলাদেশী সেখানে বাস করে। একটা জিনিস খেয়াল করুন বাংলাদেশেই অনেক আইন গরীবদের বেলায় খাটে ধনীদের বেলায় খাটে না। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
অন্তীম বলেছেন: সমবেদনা জানানোর ভাষা নেই।
৩৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪
জীবলু বলেছেন: লেখাটি ফিসার পোষ্ট করার জন্য মডারেটর কে অনুরোধ জানাচ্ছি ।

দন্রবাদ মডরেটর ।
৩৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: ঘটনা টা আসলেই সত্যি হলে বলতেই হবে এটা খুব কষ্টের। আপনার জন্য উঁনার পরিবারের জন্য সমবেদনা আর উনার আত্মার জন্য শান্তি কামনা রইলো।
আর হ্যা এই বর্বর আইনের প্রতি রইলো ঘৃণা আর একদলা থুথু।
৩৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন: ঘটনা যাই হোক, হোক আইন অথবা আইন ঠিক মত না জান, যাই হো- অত্যন্ত র্মমান্তিক। এই রকম কোন ঘটনাই মেনে নেওয়া যায় না।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: সব কথার এক কথা হল মানুষটা দেশী হোক বা বিদেশী হোক, তার ইকামা থাকুক বা না থাকুক, তার ইন্সুরেন্স থাকুক বা না থাকুক, সে খুনি হোক বা খুনের শিকার হোক, সে ভাল মানুষ হোক বা অপরাধী হোক, সে বাঙলাদেশে হোক বা আমেরিকায় হোক বা আরবে হোক সবার আগে তার চিকিৎসার মাধ্যমে জীবন বাচানোর অধিকার। এর সামনে কোন যুক্তিই খাটে না।

৩৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০
উজ্বল নক্ষত্র বলেছেন: বর্বর! এখানে যোগাযোগ করতে পারেন।

Click This Link

General enquiries:
৩৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২
ছায়ার আলো বলেছেন: মর্মান্তিক...
এই বর্বর আইন সংশোধন করে না ক্যান?
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: কারন আইনটা সুবিধামত যায়গায় প্রয়োগ হয়।

৪০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
তোমোদাচি বলেছেন: সৌদিদের বর্বরতা আর অসভ্যতার কথা আগেই শুনেছি আজ শুনলাম ওদের বর্বর আইনের কথা।
ডাক্তারদের গাফিলতিটা সম্ভবত বাংলাদেশী নাগরিক হওয়ার কারনে; এটা উইরোপ-আমেরিকার নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিশ্চয় ঘটতো না। ওরা তো আমাদের ফকিরনী মনে করে।

আল্লাহ অদের হেদায়েত দিন!!

দিপু ভাইয়ের জন্য দোয়া , আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত নসীব করুন !
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনার কথা ঠিক। এখন আমার পাশের বুথে বসে আছেন একজন সৌদি ফেরত লোক আবার যাবেন। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন এই আইন আছে। সবার বেলা খাটে, এমন হতে পারে ওর চিকিৎসা করলে সরকার হাসাপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিত। বললাম এমন কেন? উত্তর, রাজতান্ত্রিক দেশ, যখন যা ইচ্ছা করতে পারে, কোন কিছু করার নেই। তার মুখে হাসি দেখে বুঝলাম এসব দেখে তারা অভ্যস্ত।

৪১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন: সৌদিরা আসলে একটা বর্বর জাতি। একটা লোক, যদি অনেক বড় ক্রিমিনালও হয়, আহত অবস্থায় সুচিকিৎসা প্রাপ্তির অধিকার রাখে। তদন্ত আর বিচার তো সুস্থ্য হয়ে ওঠার পরও করা যাবে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার আগে কারও চিকিৎসা হবে না, এটা কোনও কথা না।

আপনার প্রতি সমবেদনা রইল। আল্লাহ্ উনার বিদেহী আত্মাকে শান্তি প্রদান করুন।

Amnesty International
Telephone: +44-20-74135500
Fax number: +44-20-79561157
Address:
1 Easton Street
London
WC1X 0DW, UK

এছাড়া নিচের লিঙ্কে গিয়ে ই-মেইল পাঠাতে পারেন:
http://www.amnesty.org/en/contact
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আমি এই কথাগুলোই বলতে চাচ্ছি।

৪২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩
ডিজিটাল কলম বলেছেন: মর্মান্তিক.............. আইন যাই থাকুক তা যদি মানুষের জীবণ বাচাতে না পারে তবে আমি সেই আইনকে আইন মনে করি না ..............
৪৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
টিপূ সুলতান বলেছেন: পড়তে পড়তে ছোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে । মন্তব্য করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি ।

আমার মনে হয় ওরা এত র্ববর বলেই যুগে যুগে যত নবী রাসুল এর আগমন ঘটেছে সবই ঐ ভুখণ্ডে । কারন আল্লাহ তালা আগে ওদের হেদায়তের প্রোয়োজনিতা অনুভব করেছেন্‌।

দিপুর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি । আল্লাহ তার সহায় হউন ।
৪৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
রুবেল শাহ বলেছেন:
সৌদিরা আসলেই একটা বর্বর জাতি সেটা বলার অপক্ষো রাখে না।

কিন্তু আমরা বাঙালিরা বাংলাদেশীরা খুব লোভী জাতের। কেন বলাম এই কথা -----

দুই বছর হল সৌদি প্রশাসন সৌদে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষের শরীর ও স্বাস্থ বীমা বাধ্যতামূলক করেছে। সৌদিতে এখনো অনেক বাঙালি আছেন তারা এই বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না। তার জন্য কিন্তু খেসারতও দিতে হচ্ছে নিজেকে। বাঙালিরা সবসময় অসাধু উপায়টা বেশী পছন্দ করে।

আপনার ভাইয়ের হয়তো শরীর ও স্বাস্থ বীমা কোনটাই ছিল না থাকলে চিকিৎসা না পাবার কোন কারনই নেই কেননা আপনি আপনার পয়সা দিয়ে চিকিৎসা করাবেন সেখানে কেউ বাধা দেয় না।

মারামারি করে আমাদের দেশের হাসপাতালে গেলেও পুলিশ রিপোট করতে হয় সৌদির কথা বাদই দিলাম।

কাজে গিয়ে যদি আপনি কোন প্রকার আঘাত পান তাহলে রেডক্রিসেন্টেকে অবহিত করলেই তারা এসে আপনাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেবে এবং আপনাকে আপনার বীমা করা হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে আসবে।

আরেকটা কথা কথা হচ্ছে এই সব ঝুঁকিপূন্য কাজের সময় কিছু নিরাপত্তা সহায়ক জিনিস ব্যবহার করতে হয় যেমন হেমলেট , বেল্ট, হাতে মোটা প্লাপ্স, চোখে চশমা, পায়ে সিপটি জুতা ইত্যাদি ইত্যিদি...

এখন যদি আপনি বলেন তার পুলিশ রিপোট করার জন্য চিকিৎসা করে নাই। তাহলে আমি বলব অসুস্থ ব্যক্তি প্রমান করতে পারেন নি তিনি আঘাতটা কর্মস্থলেই পেয়েছেন।

আর নিজের শরীর স্বাস্থ বীমা থাকলে ফ্রীতে যাবার প্রশ্নই আসে না যেখানে আমার জীবন নিয়ে কথা।

=======

কেন এত কথা বললাম

ভাই হারানো কষ্ট আমাও আছে।


সবাই সচেতন হতে হবে আগে। আমি আমার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করতে হবে ঝুঁকিপূন্য কর্মস্থলে।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন:
সৌদিরা আসলেই একটা বর্বর জাতি সেটা বলার অপক্ষো রাখে না।

কিন্তু আমরা বাঙালিরা বাংলাদেশীরা খুব লোভী জাতের। কেন বলাম এই কথা -----

দুই বছর হল সৌদি প্রশাসন সৌদে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষের শরীর ও স্বাস্থ বীমা বাধ্যতামূলক করেছে। সৌদিতে এখনো অনেক বাঙালি আছেন তারা এই বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না। তার জন্য কিন্তু খেসারতও দিতে হচ্ছে নিজেকে। বাঙালিরা সবসময় অসাধু উপায়টা বেশী পছন্দ করে।

একমত

আপনার ভাইয়ের হয়তো শরীর ও স্বাস্থ বীমা কোনটাই ছিল না থাকলে চিকিৎসা না পাবার কোন কারনই নেই কেননা আপনি আপনার পয়সা দিয়ে চিকিৎসা করাবেন সেখানে কেউ বাধা দেয় না।

ওর বীমা করা ছিল। তবে ওই হাসপাতাল তা গ্রহণ করে নি।

মারামারি করে আমাদের দেশের হাসপাতালে গেলেও পুলিশ রিপোট করতে হয় সৌদির কথা বাদই দিলাম।

হ্যা তার আগে চিকিৎসাটাও হয় বাংলাদেশে।

এবং আপনাকে আপনার বীমা করা হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে আসবে।

ও নিজেই হেটে গিয়েছিল ওই হাসপাতালে।

আরেকটা কথা কথা হচ্ছে এই সব ঝুঁকিপূন্য কাজের সময় কিছু নিরাপত্তা সহায়ক জিনিস ব্যবহার করতে হয় যেমন হেমলেট , বেল্ট, হাতে মোটা প্লাপ্স, চোখে চশমা, পায়ে সিপটি জুতা ইত্যাদি ইত্যিদি...

একমত, তবে এমনি কিছু কাজ আছে ঝুকিপূর্ণ না, তবে বিরল হলেও ঘটতে পারে। ওদের কাজটা এমনিই ঝুকি কম। ও পড়েছিল মাত্র একতলা সমান উচু হতে। আর বড় ভাই করছেন প্রায় তের বছর যাবৎ কখনো হাত পা কাটা ছাড়া বড় দুর্ঘটনা ঘটে নি।

এখন যদি আপনি বলেন তার পুলিশ রিপোট করার জন্য চিকিৎসা করে নাই। তাহলে আমি বলব অসুস্থ ব্যক্তি প্রমান করতে পারেন নি তিনি আঘাতটা কর্মস্থলেই পেয়েছেন।

টাকার ব্যাপারটা প্রাধান্য পেয়েছিল বেশি। চিকিতসা পেতে হলে এত সব প্রমাণ করতে হবে এ নিয়ম অার কোথায় অাছে!


আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। এই ঘটনা অনেকগুলো মানুষের চোখ খুলে দিক এই প্রত্যাশা।

৪৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫
নুর3ডিইডি বলেছেন: আপনার ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভির শোক প্রকাশ করছি। আল্লাহ ওনাকে বেহেশত নসিব করুন।

সৌদি আরবের আইন কত খারাপ তা আমার জানা নাই সঠিক। তবে আমার চোখের সামনে যা দেখছি, তা আপনার লেখা পড়ে মনেহচ্ছে , আপনার ভাইয়ের পাশে যে মানুষ গুলো ছিলো তাদের ভুলের কারণেই উনি মারা গেছেন। সৌদি আরবে মাথা ফেটে রক্ত বের হওয়াতো, এদের কাছে ওনেক বড় ব্যেপার, এই জন্যে ৯৯৭ এ কল করলে ৩/৫ মিনিটের মধ্যে ওনার চিকিৎসা শুরু হতো। আর ইন্সুরেন্স কার্ড থাকলে তা ফ্রীতে। এখন সৌদি আরবে ইন্সুরেন্স কার্ড ছাড়া আকামা মানে আইডি কার্ড রেনু করেনা। সুতারাং উনি যদি লিগাল, মানে মালিকের আন্ডারে থেকে কাজ করেন বা মালিকের আন্ডারে থেকে ব্যবসা করেন, তাহলে ওনার আকামা এবং ইন্সুরেন্স কার্ড থাকার কথা।

এই রকম মাথা ফাটলে কি করবে আমি জানিনা। এই সৌদি আরবে, একদিন রাতে আমার বড় ভাইয়ের মাথায় চক্কর দিচ্ছিলো এবং পুরো শরির গামাচ্ছে এবং উনি খুব অস্থিরতা বোধ করছিলেন। আমরা কয়েকজন উনার এই অবস্থা দেখে কি করবো কুল করতে পারছিলাম না। ঐ অবস্থায় আমরা উনাকে হসপিটালে নিই নাই, কারণ দেখতে এই রকম সুস্থ মানুষকে ওরা ইমারজেন্সিতে বর্তী করাবেনা। আর আমাদের দরকার ইমারজেন্সি চিকিৎসা। তার পর ৯৯৭ এ কল করলাম। ৫/৬ মিনিটের মধ্যে এম্বুলেন্স সহ তারা এসে রুমের মধ্যে কিছুক্ষন টেষ্ট মেষ্ট করলো, তার পর নেওয়ার সময় আকামা দেখে ফরম ফিলআপ করে নিয় গেলো। যখন থেকে এম্বুলেন্স এসে চিকিৎসা শুরু করেছে, তখন শুধু তাদের কে বলতে হয়েছে ভাইয়ের কি সমস্যা এর পর ওনাকে কি করতে হবে , কিছুই আমাদেরকে বলতে হয়নি ওনারাই সঠিক জায়গায় নিয়ে গেছেন।

সুতারাং আপনাকে বলবো আগে সৌদিআরবের আইন সম্পর্কে খোজ খবর নিয়া তারপর এ্যামনেসটিতে বা যেখানে গেলে আমাদের কিছু উপকার করতে পারবেন। ঐ খানে যাবেন।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ওর এতো সুযোগ ছিল না। আঘাত পাওয়ার পর হেটেই নিকটবর্তী হাসপাতালে যায়। সবচে' বড় দুর্ভাগ্য হল ও খুব বেশি সময় পায় নি, যে সময়টা চিকিতসা হওয়া দরকার ছিল সে সময় পায় নি।

আপনারা যারা সৌদি আরব আছেন তারা আমার চেয়ে সেখানকার আইন কানুন অনেক ভাল জানবেন। আমি এমন একটা উপজেলার মানুষ যেখানকার এমন কোন বাড়ী নেই যার কোন একজন বিদেশ থাকে না। তাই আমি প্রবাসীদের প্রতি বেশি মমত্ব বোধ করি। আমি কয়েকজনের সাথে আলাপ করেছি সবাই বলেছে এই আইন আছে। আমার কথা হল ভাই তো মারাই গিয়েছে, কিন্তু এই আইনটা যেন না থাকে। আমি শুধু এই আইনের কথা এমনেস্টিকে জানাতে চাই যেন তারা এই আইনটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়, কোন বিচার চাইতে নয়।

৪৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: হৃদয়বিদারক! খুবই খারাপ লাগছে।

এসব দেখার বা শোনার জন্য কেউ নেই। রাষ্ট্র নেই, মানবতা নেই, সভ্যতা নেই - আছে কেবল আল্লাহ আর ভাগ্য! তা-ই নিয়ে সান্তনা পেতে হয়। কারণ আমাদের দেশটা নাকি মানুষের ভারে ন্যুজ হয়ে গেছে, গন্ডা গন্ডা মানুষ তাই ঠেলে বের করে দিতে হয় প্রতিদিন - এটাই রাষ্ট্রের দায়, সে মানুষগুলো মরল না বাঁচল তাতে রাষ্ট্রের কিছুই যায় আসে না, কেবল ক্যালকুলেটর টিপে দেখে নেয় রেমিটেন্স কত ডিজিটে পৌছল!
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: যায়যায়দিনে পড়েছিলাম, লিবিয়াতে এক দুরবর্তী যায়গায় দুর্ঘটনা ঘটে, সেখানে গুটি কতক ভারতীয় ছিল আর বাকি প্রায় সব ছিল বাংলাদেশী। ওই গুটি কতক ভারতীয়র জন্য দুতাবাস থেকে লোক ছুটে গিয়েছিল, আর বাংলাদেশীদের কেউ খোজই নেয় নি।
সৌদি আরবের দূতাবাসের কর্মকর্তরা বাংলাদেশীদের সাথে কুকুর বিড়ালের মত আচরণ করে।
প্রবাসীদের প্রতি বাংলাদেশ সরাকার খুব সামান্য দায়িত্বই পালন করে।

৪৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০০
সাপিয়েন্স বলেছেন: বহুদিন আগেই একবার পড়েছিলাম যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বিচারে সৌদি আরব পৃথিবীর অসভ্যতম দেশ।

সেখানকার লোক আরবীতে কথা বলে এবং কা'বার দেখাশোনা করে (সেই সাথে হজের সময় বিপুল অর্থ পায়) বলেই তাদেরকে আদর্শ মানুষ ভাবার কোন সঙ্গত কারণ নেই।

অথচ কি আশ্চর্য! পশ্চিমা দেশগুলি এ দেশের অন্যায় সুবিধাভোগী, গণতন্ত্রবিরোধী রাজতন্ত্রকে কি সমাদরে রক্ষা করে চলেছে, যদিও সাদ্দামের দেশে গণতন্ত্র নেই, মূলত এই অভিযোগে তাকে ঈদের দিনে ফাঁসীতে হত্যা করিয়েছে। বুদ্ধ মূর্তি ভাঙ্গার জন্য ( এটা নিঃসন্দেহে খারাপ কাজ ছিল) আফগানিস্তানে ওসামা নামে তাদের এক দালালকে পাঠিয়ে তাকে দিয়ে ৯/১১ এর দায়িত্ব স্বীকার করিয়ে দেশটা ছারখার করে দিয়েছে এবং সমস্ত মধ্যপ্রাচ্যের ওপরে থাবা বিস্তার করেছে।

নিজেদের ব্যবসায়িক লাভই পশ্চিমাদের ভালো-মন্দের মাপ-কাঠি।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: ওখানে তাদের বিশাআআল বাজার।

৪৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১০
আশাবাদী মানুষ বলেছেন: দিপুর জন্য মাগফেরাত কামনা করছি।

আপনার জন্য সমবেদনা রইল।

একমত @ রুবেল শাহ এবং নুর3ডিইডি।


আপনার ভাইয়ের ক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমি জানি আমি এখানে মারা গেলে আমার লাশ বাড়িতে পৌছানো পর্যন্ত্য আমার ইন্সুরেন্স কোম্পানীর দ্বায়িত্ব। আমি জেদ্দায় বেশ নামকরা হাসপাতালে কাজ করি সেখানে দেখেছি আগে চিকিৎসা পরে ফর্মালিটিজ। ওনার বৈধ ইকামা এবং মেডিকেল ইন্সুরেন্স কার্ড ছিল ?

অবশ্য এদের বর্বরতা কিংবা ঘৃনা করার জন্য আরো অনেক কারন আছে।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: হ্যা ইন্সুরেন্স ছিল তবে ও হাসপাতাল সেই কোম্পানী একসেপ্ট করে না। সঠিক পদক্ষেপ বলতে কি দিপু ভাই হেটেই ওই নিকটবর্তী হাসপাতালে গিয়েছিল।

'অবশ্য এদের বর্বরতা কিংবা ঘৃনা করার জন্য আরো অনেক কারন আছে।'

হ্যা এমন অনেক কারনের কথা জানি।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমার যেহেতু অনেক আত্মীয় স্বজন মধ্যপ্রাচ্যে থাকে আপনাদের দেয়া তথ্যগুলো আমার অনেক উপকারে লাগবে।

৪৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
েক আিম বলেছেন: আপনার ভাই এর মৃত্যুটা আসলে সহজে মেনে নিতে পারছি না।

আর আমি যা জানি: সৌদিতে চিকিৎসা ফ্রি। আপনার ভাইকে প্রাইভেট হসপিটালে কেন নিল বুঝলাম না। আর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দুনিয়ার অনেক দেশে ই আছে। পশ্চিমা বিশ্বে রাস্তায় পড়ে মরতে দেখলেও কেউ ধরবে না ৯৯৯ এ ফোন করেই শেষ, না হলে ম্যান শ্লটার এ ফাসবে।

আপনার ভাই কোন অনিয়মের শিকার।

অল্লাহ ভাইয়াকে বেহেশত নসিব করুন।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ও নিজেই হেটে গিয়েছিল। যেহেতু হেটে গিয়েছিল সেহেতু বোঝা যায় হাসপাতালটা ঘটনাস্থলের খুব কাছে ছিল। এবং ওখানে গিয়েছিল দ্রুত চিকিতসা পাওয়ার জন্য।
পশ্চিমা বিশ্বেও এমন নিয়ম আছে নাকি!

ও বেলায় টাকার ব্যাপারটা বেশি কাজ করছিল, কিন্তু এমন আইন পৃথিবীর কোথাও মেনে নেয়া যায় না।

৫০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০১
মানুষ বলেছেন: শুধু সৌদিতে না, এটা কিন্তু পশ্চিমা বিশ্বেও আছে। কেন এই নিয়ম আমার বোধগম্য নয়।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: পশ্চিমা বিশ্বে মানে স্পষ্টত কোন দেশে? আমি জানি সেসব দেশে জীবন বাচানোর চেষ্টার পর বাকি সব।

৫১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকা চাড়া আমার আর কিচুই বলার নেই।
৫২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০১
অদ্ভুত বলেছেন: খুব কষ্ট পাইলাম, খুব :(

আগে ভাবতাম আরব জাতিটা ভাল। যত দিন যাচ্ছে তাদের আসলরূপ তত স্পষ্ট হচ্ছে।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: বিনা পরিশ্রমে পাওয়া অঢেল সম্পদ তাদের নিয়ে গেছে সীমাহীন বিলাসীতার দিকে।

তবে একসময় অারবরা অনেক পরিশ্রমী অার শিক্ষানুরাগী ছিল। বাংলাদেশীদের সাথে তাদের অাচরণ দেখলে তাদের মুসলিম ভাতৃত্ববোধের দৌড় বোঝা যায়।

৫৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪
পারভেজ রবিন বলেছেন: সবার এই সহমিমর্তা ভোলার নয়। অাপনাদের সবাইকে সহানুভূতির জন্য অান্তিরক ধন্যবাদ। বেশ কয়েক জন দরকারী তথ্য দিয়েছেন যেমন, মোঃমোজাম হক, ম্যাকানিক, রাগ ইমন, রুবেল শাহ, নুর3ডিইডি, তাদের বিশেষ ধন্যবাদ।

সবাই এই দুর্ঘটনাকে নিয়তি মেনে নিয়ে শোক কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছেন। প্রার্থনা প্রবাসীরা যেন কখনো এমন কৃত্তিম মানবসৃষ্ট অসহায় অবস্থায় না পড়েন, এবং সকল মানবতা বিরুধী অাইন রহিত হোক।
৫৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

পারভেজ, কিছু শোক , কিছু ব্যথা কখনও এমন, যে কোন সমবেদনার বাণী-ই সেখানে অকার্যকর । আপনাকে সহমর্মীতার ভাষা আমার জানা নেই ।

আমি মনে মনে একটা দোয়া করি, প্রাণ থেকে কামনা করি যেন আমার মৃত্যু বিদেশের মাটিতে না হয় । আমার দেশের শ্যামল মাটিতে মরতে চাই ।


আরবে "অন্ধকার যুগ" বা আইয়ামে জাহেলিয়া বলে একটা সময় ছিল ।

সভ্যতার সমানুপাতে বিচার করতে গেলে, এই আরবরা এখনও তারচে' বেশী ব্যতিক্রম নয়। আর যে স্বল্প সংখ্যক ব্যতিক্রম, সেগুলো উদাহরণ না হোক ।

বিশ্বাস করুন, একটা দিন এ দেশে থাকতে ইচ্ছে করেনা, তবু থাকতে হয়..।

হাসপাতালের বিষয়টা অবাক লাগছে । এরকম করার কথা না । আসলে বিষয়টাকে তারা অত গুরুতর ভাবেনি । এম্বাসির সাহায্য নিয়ে হাসপাতালের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যায় কিনা, সে বিষয়টা দয়া করে খতিয়ে দেখতে বলুন । অবশ্যই এদের একটা শিক্ষা হওয়া উচিত, নাইলে না জানি আরো কতো অসহায়ের সঙ্গের এরকম বর্বর আচরণ তারা করে যাবে...!

শোক শক্তিতে পরিণত হোক ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: আপনি যেহেতু সৌদি আরবে থাকেন সেহেতু ভাল ভাবেই জানবেন সব। এখন যদি এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে যায় তবে যারা এখন আছে সৌদিয়ানরা তাদের আরও বেশি হয়রানী করবে। সেজো চাচা, দুলাভাই আরও কয়েক জনের সাথে আলাপ করলাম, সবারই একই কথা, ওদের যা ইচ্ছা তাই করবে, কোন কিছুর বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না।

৫৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

"এখন যদি এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে যায় তবে যারা এখন আছে সৌদিয়ানরা তাদের আরও বেশি হয়রানী করবে। "

বৈধ কাগজপত্র থাকলে অবশ্যই ওনারা লেবার কোর্টের সাহায্য নিতে পারেন ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: আমি সেখানে জানাব। প্রাথমিক ধাক্কাটা কাটিয়ে উঠুক, তবে বড়ভাই যতটা নির্বিবাদী উনি এসবে যাবেন কিনা বলতে পারি না।

৫৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
কোন একজন বলেছেন: কুত্তার সৌদি আরবীয় গো মাইনাস, বেটারা জোব্বা পইরা হাঁটে, আর আমাদের মানুষ মনে করে না।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: হ্যা এই কথাটা অনেক সৌদি ফেরত বলেছে। শুধু সৌদিয়ানরা নয়, এমনকি সেখানকার বাংলাদেশী দূতাবাসের কর্মকর্তারও বাংলাদেশীদের কুকুর বিড়ালের মত দেখে।

৫৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৭
সহেলী বলেছেন: পড়ে খারাপ লাগল ।
আপনার ভাইয়ের আত্মা শান্তি পাক ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সকলেই দিপু ভাইয়ের জন্য আন্তরিক ভাবে দোয়া করেছেন। আমি প্রত্যেকের কাছেই কৃতজ্ঞ।

৫৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০০
আরিফুর রহমান বলেছেন: এই বর্বরদের আমরা লাত্থি দিতে চাই্
৬০. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
রাশেদ বলেছেন: আপনার ভাইয়ের আত্মার শান্তি কামনা করি।


পরিবারের সবাই আপনারা ভালো থাকুন।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ। আপনারও ভাল থাকুন।

৬৪. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮
পারভেজ রবিন বলেছেন: আইনটা শুধু প্রবাসীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়।
৬৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৪
সুখি মানুষ বলেছেন: আপনার ভাইকে আল্লাহ জান্নাত নসীব করুন। আপনাদেরকে ধৈর্য্য ধারণ করার তাওফিক দিন।

ভাইয়ের মৃত্যুতে আপনি হয়তো আবেগতাড়িত হয়ে পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টের গুরুত্বের কথা বেমালুম ভুলে গেছেন। অপরাধীরা চেষ্টা করে ঘটনা ঘটানোর পর অতি দ্রুততম সময়ে ষড়যন্ত্রের আলামত নষ্ট করে দিতে। তাই দূঘর্টনার পর পুলিশ আসার আগে আহত ব্যক্তিকে টাচ করা উন্নত দেশগুলোর সবখানেই অপরাধ। কোনটা দূঘর্টনা আর কোনটা ষড়যন্ত্র তা চিহ্নিত করতে এবং সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশের সুরতহাল রিপোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমার জানা মতে সৌদি আরবে এ আইনটি সৌদি নাগরিক ও প্রবাসী সকলের ক্ষেত্রে সমান ভাবে প্রয়োগ হয়। তবে বাংলাদেশের মত গরীব দেশে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এবং আইনের শাসন না থাকার কারণে সুরতহাল রিপোর্ট বানানো হয় ঘটনার অনেক পরে। এজন্য আমাদের দেশে গাড়ী এক্সিডেন্ট করে ঘাতক পালিয়ে যায়। আর সৌদিতে আইনের শাসন থাকায় এখানে এক্সিডেন্ট করে ঘাতক ঠাঁই দাঁড়িয়ে থেকে পুলিশের অপেক্ষা করে।

আমার যতটুকু জানা আছে কর্মরত অবস্থায় মারা যাওয়ার কারণে আপনার ভাই এর ওয়ারিশরা কোম্পানী থেকে এ সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ পাবেন। আপনার ভায়ের পরিবার-পরিজন সকলের প্রতি সমবেদনা রইল।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আপনার সহানুভুতির জন্য ধন্যবাদ। তবে সে ঘটনাস্থলে মারা যায় নি। সজ্ঞানে হাসাপাতলে যাওয়ার পর বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে।

৬৬. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৪
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: দোহার বাসীর পক্ষ থেকে আমি অভিশাপ দিইসৌদি জাতি কে। অসভ্য বর্বর এক জাতি। বাংলাদেশের প্রায় ২০ লাখ কাজ করে ওখানে। চিকিৎসা নেই, বেতন কম। একটি জাতি এতো অসভ্য হয় কি করে? আমি ভীষণ মর্মাহত এই খবরটি পড়ে। আমি শোকাভিভূত। কষ্ট লাগছে অনেক।
২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:২১

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ, সহানুভুতির জন্য। দোহারের বেশির ভাগ লোক তো মধ্যপ্রাচ্যেই যায় তাই সেখানকার নিয়মকানুন আমাদের জন্য অনেক বেশি ভাইটাল। বাংলাদেশীদের সমস্য না সমাধান হবার পেছনে বাংলাদেশের দূতাবাসেরর অবহেলা অনেকাংশে দায়ী।

৬৭. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৭
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: গরীব দেশের মানুষ আমরা। কাজের জন্য মানুষ কামলা দিতে যায়। শখ করেও তো আর কেউ যায় না। আজ যদি দেশ উন্নত হত, দেশে কাজ থাকত তাহলে কে যেত বিদেশে????
৬৮. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৩
সাজিদ বলেছেন: মর্মান্তিক। এই আইনের পেছনে তাদের জাস্টিফিকেশন কি? মানুষের জীবন রক্ষা বড় নাকি আইন রক্ষা বড়?

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আয়নার মতো মানুষ

আপনি একজন নিরাপদ ব্লগার

: কন কি! আমার চারদিকে কত বিপদ!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ