র্ধমব্যবসায়ী নজািমীর আলবাদর বাহনীি ১৯৭১ সালে ইতহািসরে নকৃিষ্টতমর্ ববরোচতি যে হত্যাকা- সংঘটতি করছলেি তার জাজ্বল্যমান সাক্ষ্য বহন করে চলছ,েে তাদরইে সৃষ্ট বধ্যভূমগুিলো। এসব বধ্যভূমরি নৃশংসতার চত্রি দখলেে কংবিা সইে সময়ে সংবাদপত্রে প্রকাশতি প্রত্যর্ক্ষদশী লখকে কংবিা সাংবাদকদিরে প্রবন্ধ পাঠ করলে যে কোনো সুস্থ মানুষও শহরিতি হয়ে উঠ।ে হত্যাকে উৎসব ভবেে সদনেি এদশরেে বুদ্ধজীিবী ও নরীিহ মানুষ হত্যায় মতেে উঠছলেি পশু শক্ততেি বলয়ািন এসব নর পশািচরে দল।
ডা. আলীম চক্ষুরোগ বশষিজ্ঞে ছলনিে বলে তাকে চক্ষু উৎপাটন করে হত্যা করছলে।ি ডা. ফজলে রাব্বী চকৎিসিক ছলনিে বলে তাকে হত্যা করার সময় হৃৎপ-ি উপড়ে ফলো হয়ছলে।ি
‘কাঁটাসুররে বধ্যভূমত’িে পড়ে থাকা ডা. রাব্বীর লাশরের্ বণনা দয়ো হয় এভাব-ে ‘ডা. রাব্বীর লাশটা তখনও তাজা, জল্লাদ বাহনীি বুকরে ভতরে থকেে কলজািটা তুলে নয়ছি।েে তারা জানতো য,ে তনিি চকৎিসিক ছলনি।ে তাই তার হৃৎপ-টিা ছঁড়িে ফলছে।েে চোখ বাঁধা অবস্থায় কাৎ হয়ে দহটো পড়ে আছ।ে পাড় থকেে ধাক্কা দয়েির্ গতরে মধ্যে ফলেে দয়ো হয়ছ।েে রাব্বী সাহবরেে পা দুখানা তখনও জ্বলজ্বল করে তাজা মানুষরে সাক্ষ্য দচ্ছ।িে নাক, মুখ কছুিই অক্ষত ছলি না, দস্যু হায়নোর নখরে আঘাতে ক্ষত বক্ষতি।..... সামনে চয়েে দখ,েি নচুি জলাভূমরি ভতরি এক ভয়াবহ বীভৎস দৃশ্য। সখোনে এক নয়, দুই নয় একবোরে বারো তরে জন সুস্থ সবল মানুষ। একরে পর এক শুয়ে আছ’।ে (কাঁটাসুররে বধ্যভূম,ি দনকৈি আযাদ, ২ জানুয়ার,ি ১৯৭২।)
শয়ািলবাড়রি বধ্যভূমতেি বুদ্ধজীিবীদরে কুচি কুচি করে কাটা হাড়রে ছবসহি অধ্যাপক আনসুির রহমানরে একটি প্রতবদিনে ছাপা হয়। কুখ্যাতর্ ধমব্যবসায়ী নজািমীর আলবাদর বাহনীির পাশবকতিার লোর্মহষকর্ কমকা-রের্ বণনা দতেি গয়েি তনিি বলন,ে ইতহািসে পশাৈচকভিাবে হত্যার অনকে কাহনীি পড়ছ।েি কন্তুি শয়ািলবাড়তেি ঐ পশািচরা যা করছেে এমন র্নমমিতার কথা কি কউে পড়ছনেে বা দখছেনে?ে কসাইখানায় কসাইকে দখছেিে জীব জন্তুর গোস্তকে কমাি করে দত।িে আর শয়ািলবাড়তেি গয়েি দখলোম কমাি করা হয়ছেে মানুষরে হাড়। একটা মানুষকে দু’টুকরো করলইে যথষ্টে হয়, কন্তুি তাকে কমাি করার মধ্যে কোন উল্লাস?
.......সত্যি আমি যদি মানুষ না হতাম, আমার যদি চতনো না থাকতো, -এর চয়েে যদি হতাম কোনো জড় র্পদাথ, তাহলে শয়ািলবাড়রি ঐ বধ্যভূমতেি দাঁড়য়েি মানুষ নামধারী এই দ্বপদি জন্তুদরে র্সম্পকে এতটা নীচু ধারণা করতে পারতাম না। মানুষ যত নীচই হোক, তবুও ওদরে র্সম্পকে যে সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ ছলি তা একবোরইে উবে যতোে না। আর মানুষ কনে কোনো প্রাণীই কি পারে এত র্নমমি, এতর্ ববর, এতটা বোধহীন হত?ে
...... অথবা যদি না যতোম শয়ািলবাড়ত,িে তাহলে দখতেে হতো না ইতহািসরের্ ববরতম অধ্যায়ক,ে অনুসন্ধৎসিু হসবিেে যা দখোও কোনো মানুষরে উচতি নয়। ওখানে না গলেে গায়ে ধরতো না এমন দহন জ্বালা, সহ্য করতে হতো না। ভয়-ক্রোধ, ঘৃণা মশ্রতিি এমন তীব্র অনুভূত।ি সে অনুভূতি বলে বুঝাবার নয়।...... না, না এ সত্যি নয়, এ স্বপ্ন, বলে দৃষ্টি আকাশরে দকেি উত্থতি করতে হয়ছ।েে শষের্ পযন্ত আর দখতেে চাই না বলে মাটÑি ভুল বললাম মানুষে হাড়রে উপর বসে পড়তে হয়ছ।েে সারা এলাকায় মানুষরে হাড় ছাড়া অবমশ্রিি মাটি কোথায়!
....... আমরা শয়ািলবাড়রি যে বর্স্তীিণ বন- বাদার্ড়পূণ এলাকা ঘুরছিে তারর্ সবত্রই দখছেিে শুধু নরকঙ্কাল। পা বাঁচয়ওিে হাড়হীন মাটরি উপর পা ফলতেে পারন।িি দখছেিে কুয়ায় কুয়ায় মানুষরে হাড়। (দনকৈির্ পূবদশ,ে ৮ জানুয়ার,ি ১৯৭২।)
শুধু ঢাকার শয়ািলবাড়,ি রায়রে বাজার, কাঁটাসুর নয় সারা বাংলাদশইেে কুখ্যাতর্ ধমব্যবসায়ী নজািমীর আলবাদর বাহনীি শত শত বধ্যভূমরি সৃষ্টি করছলে।ি আর সসবে এলাকার ডাক্তার, ইঞ্জনয়িাির বুদ্ধজীিবী, সাংবাদক,ি শক্ষকিসহ শত শত স্বাধীনতাকামী মানুষকে র্নমমি র্নযািতনরে মধ্য দয়েি হত্যা করছলে।ি দনকৈি আজাদ ২৭ ডসম্বিরে ১৯৭১-এর সংখ্যা গ্রফতোরকৃত কতপয়ি আলবাদর সদস্যরে স্বীকারোক্তি উদ্ধৃত করে লখ-ে‘েআর এক সপ্তাহ সময় পলইেে আলবাদর বাহনীি এদশরেে সকল বুদ্ধজীিবীকে হত্যা করে ফলতেো’। (সঙ্কলত)ি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



