somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অন্ধকার ভবষ্যিতরে দিকে দেশ.......। কোন আশা ভরশা নেই........।
আফসুস বরই আফসুস...........................।



চট্টগ্রাম মহানগরীর চারটি আসনে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়নে বড় ধরনের চমক আসছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দিনভর ঘটেছে নাটকীয় সব ঘটনা। নগরীর দুটি আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পাওয়া দুই নেতা ভারপ্রাপ্ত সিটি মেয়র এম মনজুর আলম মঞ্জু এবং শিল্পপতি শামসুল আলম বৃহস্পতিবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে এই দু’জন এবার বিএনপির মনোনয়ন চান। মনজুর আলম চট্টগ্রাম-৯ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং) আসনে এবং শামসুল আলম চট্টগ্রাম-১০ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহের কথা খালেদা জিয়াকে জানিয়েছেন। দু’জনই বৃহস্পতিবার ঢাকায় গিয়ে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকারে অংশ নেন। এছাড়াও নগরীর দুটি আসনে হেভিওয়েট দুই প্রার্থী সাবেক দুই মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান এবং আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর আসনও ওলট-পালট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে তারা নিজেরাই এবার আসন পরিবর্তনে আগ্রহী বলে উভয়ের ঘনিষ্ঠজনরা নিশ্চিত করেছেন। চট্টগ্রাম-৯ আসনে ভারপ্রাপ্ত মেয়র মনজুর আলমকে বিএনপির প্রার্থী করার ব্যাপারে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে ইলিয়াস ব্রাদার্সের এমডি শামসুল আলমকে প্রার্থী করার ব্যাপারে সাবেক পশুসম্পদ মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের নেপথ্য সমর্থন রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। মনজুরের জন্য পাহাড়তলী আসন ছেড়ে আমীর খসরু এবার নবসৃষ্ট চট্টগ্রাম-১০ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে প্রার্থী হতে চান। অন্যদিকে কোতোয়ালি আসনে শামসুল আলমকে প্রার্থী করা হলে আবদুল্লাহ আল নোমান চট্টগ্রাম-৯ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং) আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী। নগরীর অপর আসন চট্টগ্রাম-৭ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনেও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের অনুপস্থিতিতে প্রার্থী হিসেবে নতুন মুখ খুঁজছে বিএনপি। দলীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, ভারপ্রাপ্ত সিটি মেয়র মনজুর আলমকে বিএনপিতে আনার ব্যাপারে মূল উদ্যোগ নেন সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু। মনজুর সমর্থনে পাহাড়তলী, খুলশী, কাট্টলীর বিপুল সংখ্যক বিএনপি নেতাও ঢাকায় যান। মঞ্জু ঢাকায় গিয়ে উঠেছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মালিকানাধীন হোটেল সারিনায়। পাহাড়তলী আসন থেকে মনজুর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইলেও তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় কৌশলে তার নাম অন্তর্ভুক্তই করা হয়নি। এ নিয়ে ক্ষোভ আর অভিমান থেকে তিনি বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে রব ওঠে। বিএনপি নেতারা জানান, প্রথমদিকে পাহাড়তলী আসনে মনজুরের মনোনয়ন অনেকটা নিশ্চিত বলেই ধরে নেয়া হচ্ছিল। এমনকি নিশ্চিত মনোনয়ন পাবেন ধরে নিয়েই ভারপ্রাপ্ত মেয়র মনজুর বিএনপির মনোনয়নপত্র নিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন। তবে দলের ভেতরে তখন চলছিল আরেক খেলা এবং সে খেলাতেই পাল্টে যায় পরিস্থিতি। এবার মাঠে নামে এমইবি গ্র“পের এমডি বিশিষ্ট শিল্পপতি শামসুল আলম। আবদুল্লাহ আল নোমানের নেপথ্য সমর্থন নিয়ে তিনি বৃহস্পতিবার ঢাকায় গিয়ে খালেদা জিয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন। মাস দুয়েক আগে শামসুল আলমকে মাঠে নামিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী। কোতোয়ালি আসনে তৃণমূলের পছন্দের প্রার্থীকে বাদ দিয়ে যেকোন মূল্যে ধনাঢ্য শামসুল আলমকে প্রার্থী করতে মেয়র রীতিমতো উঠেপড়ে লাগেন। এদিকে মেয়র মহিউদ্দিন এবং বিএনপির নোমান দু’জন দু’দলের নেতা হলেও তাদের মধ্যকার দহরম মহরমের কথা সর্বজনবিদিত। নানা সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাইয়ে দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মেয়র মহিউদ্দিনের পরামর্শেই শামসুল এবার ভিড়েছেন নোমানের সঙ্গে। আর এই পর্বে মেয়র মহিউদ্দিনের ভূমিকায় নেমেছেন নোমান। নোমানের ঘনিষ্ঠ এক অনুসারী জানান, বিএনপির ঘাঁটি এবং ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ষোলশহর, মাদারবাড়িসহ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড আসন পুনর্বিন্যাসের ফলে কোতোয়ালি আসন থেকে কাটা পড়ে অন্য আসনে সংযুক্ত হয়েছে। মূলত সে কারণে এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনে যোগ্য প্রার্থী সংকটের কারণেই নোমান সেখানে প্রার্থী হতে চাচ্ছেন। একদিকে যখন ঘটছে এসব ঘটনা তখন নগরীর দুটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন আরও দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। খালেদা জিয়ার সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম-৯ এবং সদ্য কারামুক্ত সাবেক মেয়র ও সাবেক বিমান পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চট্টগ্রাম-১০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দু’জনই বৃহস্পতিবার বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকারে অংশ নেন। মনোনয়ন নিশ্চিত করতে তারাও কেন্দে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কপি পেস্ট করার জন্য ভিষন ভাবে দুঃখিত ...।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28875280 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28875280 2008-11-28 09:31:01
আমি না ভোট দেব,আপনি? যখন প্রথম ভোট দেব তখন অবশ্যই আওয়ামীকেই দেব।কিন্তু আমি এখন
পুরো হতাশ ।কারন আমি যেই আওয়ামীলিগের সর্মথন করতাম,সেই দল আর এই দলে আনেক তফাত।তাই আমি ভাবছিলাম এবার আর ভোট ই
দেব না।কিনতু আমি শুনলাম এবার নাকি না ভোট দেয়া যাবে তাই ামি যদি ভোট দেই না ভোট ই দিব।আমি এও জানি এতে কোন লাভ ই হবে না
কোন না কোন চোরই ক্ষমতা্য যাবে কিন্তু আমি ত অন্তত এ বলে নিজেকে
সান্তনা দিতে পারব যে আমি চোরদের না বলতে পেরছি অর্থাত আমি
না ভোট দেব আপনার কি অবস্হা?
বিদ্র: এটি একটি নিরীহ পাবলিকের মৃদূ প্রতিবাদী লেখা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28874329 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28874329 2008-11-26 10:21:21
আসুন সর্ব দলীয় না জোট গরিয়া তোলি? যামু কই।কারন আমরা জানি যেই জোট ই জিতে না কেন আমাগো কোন
লাভ নাই কারন যাহাই ৫৩ তাহাই ৫২।তো আমরা কি করুম?
জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন?
বিবেক বলে >>>> না ভোট না ভোট

আসলেই ত আগে হয়ত চোর দের উপর রাগ কইরা অনেকেই ভোট কেন্দ্রেই যাই নাই কিন্তু লাভ হইছে কচু।আমার ভোটি জাল হইয়া কোন চোরি গেছে খমতায় আর আমার পিছনে দিছে ....।বাট এইবার কিন্তু আমরা পারায় পারায় মহল্লায় মহল্লায় সর্ব দলিয় না জোট গরিয়া তোলি
যাদের প্রধান কাজ হইবে সবাইকে না ভোট দিতে উতসাহিত করা।
আমরা আমাদের নিজ আসনের উভয় জোটের চোরদের চোরামির তথ্য সকলের সামনে তোলে ধরে না ভোট দিতে বলুন।
এতে কি লাভ হবে?
কোন লাভ নাই (যদিও আমি শুনেছি ,কোন এলাকায় না ভোটের সংখ্যা বেশী হলে ঐ আসনের ভোট বাতিল হইয়া যাবে এবং ঐ আসনের সকল পার্থী আর নির্বাচনে দারাতে পারবে না)

তারপরও আমি না ভোটের পক্ষে ,কারন আর কিছু করতে না পারি অন্তত ছোট একটা প্রতিবাদ ত করা যাবে।


বিদ্র : এটি একটি সিরিয়াস পোস্ট,একে রম্য ভাববেন না]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28873424 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28873424 2008-11-24 10:23:52
মনে প্রানে বাংলা.................. আমি পেয়েছি সামু ব্লগ থেখে আবার অভ্র দিয়ে সাইট বানানোর ধারনাও পাই এই ব্লগ থেকে।তাই আমি এই ওয়েব সাইট বানিয়ে ব্লগে খবর দিলাম
আপনারা পারলে আমার সাইট টি দেখে আমাকে জানাবেন সাইট টি কেমন হল।

http://www.rafatusa.webnode.com]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28869689 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28869689 2008-11-16 10:22:31
প্রথম আলোর মারে বাপ!!!!!!!!!
আরে আবাল তুরা যদি তোগ পছন্দের লোক দিয়াই ব্লগ লেখাবি তাহইলে
আর ব্লগ বানাইলি কা তুগত পেপারি ছিল????]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28858957 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28858957 2008-10-24 08:04:25
আইজ তোগরে কে বাচাইবরে কালিয়া????? http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28854491 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28854491 2008-10-14 09:36:48 আমি আর থাকতে পারতাছি না ৪৫/৪ http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28853306 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28853306 2008-10-11 10:20:56 আমি আর থাকতে পারতাসি না.....৪৫/৪ http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28853301 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28853301 2008-10-11 10:11:30 আরেকটা গেচেগা..............। http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28853296 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28853296 2008-10-11 10:02:29 আসেন লম্বু ব্লগারদের একটা লিস্ট বানাই....।
আপনি যদি নিজেকে লম্বা মনে করেন তবেই এই লিস্টিতে নাম তুলি তে পারবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28847438 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28847438 2008-09-24 16:46:52
আমি দেকি হেরো হইয়া গেলাম .....। http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28846793 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28846793 2008-09-23 08:43:11 আমার জীবনে তোলা প্রথম ছবি...........। http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28843887 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28843887 2008-09-16 11:42:05 আমার দেশে তোলা শেষ ছবি.............. http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28843877 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28843877 2008-09-16 11:10:02 নতুন কেমেরা কিনলাম, তবে মন ভরল না...................................। প্রায় ১০০০০ ছবি তুলি।কিনতু সুখ বেশী দিন সইল না কপালে একদিন নস্ট হয়ে গেল আমার প্রিয় কেমেরা টি।যেন অন্ধকার হয়ে গেল আমার সারা পৃথিবী।এর পর আমার এক বন্ধু আমায় একটি নতুন কেমেরা দেয়।কেনন পাওয়ার শট এ ৫৫০ ।এই কেমেরা দিয়ে শুরু হয় আমার নতুন যাত্রা।আর আজ কিনলাম কোডাকের এই কেমেরাটি।কম দামে পাওয়ায় এই কেমেরাটি কিনলাম।

একসম্য় একটি কেমেরার জন্য কত কস্ট করছি আর এখন পৃথীবির সেরা কেমেরা কেনার সামর্থ থাকলে ও ছবি তোলার কোন জায়গা পাচ্ছি না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28833050 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28833050 2008-08-21 08:23:53
সাবধান ধেয়ে আসছে কোকোস আইলেন্ড(কোস্টারিকা) কোকোস আইলেন্ড(কোসটারিকা) খুব দ্রুত উপরে উঠে আসছে এটি ইতিমধ্যে হিমালয় এবং গংগাকে পেছনে ফেলে ৩য় স্হান দখল করে নিয়েছে তাই এখনই সুন্দরবন এবং কক্সবাজার কে ভোট করুন যাতে এরা শীর্ষ স্হান ধরে রাখতে পারে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28766581 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28766581 2008-02-03 11:42:10 পরাজিতদের বলছি: আমদের সরলতাকে দূর্বলতা ভবিস না। সাবধান জয়ী এবং তার পরাজিত।এটা শুধু আমাদের জয় নয় এটা ছিল মিথ্যের বিড়ুদ্বে সত্যের জয়।আর কেউ যদি বলেন এটা ধর্ম যুদ্ব ছিল তা হলে আমি বলব এটা ছিল ইসলামের বেসধারী শয়তানের সাথে সত্যিকার ইসলামের জয়,যদিও এটা কুন ধর্ম যুদ্ব ছিল না।সেই পাকিস্তানি পরাজিতদের আমরা ক্ষমা করে দিলাম এবং তাদেরকে তাদের দেশেও পাঠিয়ে দিলাম।এবং সে
সেই সাথে বিভিন্ন কারনে এই দেশিয় পরাজিত দালালরা আমাদের রাজনিতী বিদদের ভুলে বিচারের হাত থেকে বেচে যায় এবং জামাত, শিবীর দল নিয়ে ইসলামের নামে রাজনিতী করে।কিণ্তু আমরা দেশের জনগন সরল মনে তাদের সেই সুযুগ দেই,কিন্তু তারা সেই পরাজিত সক্তি রা আমাদের সরলতা কে আমাদের দুর্বলতা ভেবে বসে এবং আমাদের দেশের বিরুদ্বে কথা বলে এবং ইসলামের ভুল বেখ্যা দিতে থাকে ।কিণ্তু তারা জানে না আমরা বাংগালীরা কি জিনিস আমরা আমাদের দেশ এবং আমাদের ধর্মকে রক্ষার জন্য সব করতে পারি।পরাজিতরা(শিবীর)গর্ব করে বলে তাদের দলে অনেক মেধাবী আছে কিন্তু তার কি জানে না ফেরাউন,রাবন এরাও অনেক জ্ঞানী ছিল কিণ্তু সত্যের কাছে সবসময় মিথ্যার পরাজয় ঘটেছে,ভবিষ্যতে ও ঘটবে।সেই পরাজিতদের(শিবীর) বলছি আস আমাদের কাছে কর চেলেন্জ আমাদের যে কোন বিষয়ে , বরাবরের মত এবারো তোদের পরাজিত করি।তোদের আর কি বলব তোরা ত পরজিত আর সবসময় যুগে যুগে তোরা হবি পরাজিত কারন আল্লা অবশ্যই অভিসপ্তদের সাহায্য করেন না।আমার মাঝে মাঝে অবাক লাগে তোরা(শিবীরের নতুন সাথী) জেনে শুনে কেন পরাজিতদের সাথে যোগ দিস?তোরা নিজেদের সাচ্ছা মুসলিম মনে করিস কিন্তু ইসলাম সম্বন্ধে আমরা(সাধারন মুসলিম যাদের কাছে বেহেসত থেকে আল্লার প্রতি প্রেম বড়) তোদের থেকে বেসি পড়াশুনা করি,আর অন্যান্য ক্ষেত্রেও আমরা তোদের থেকেও জ্ঞনীতারপরেও তোরা কিসের বড়াই করস ,কেন মিথ্যে বকস।তোরা পরজিত গুষ্টি ,তোদের থাকতে পারে অনেক টাক,অনেক শক্তি,অনেক কত বুদ্বি কিন্তু তোরা যুগে যুগে পরাজিত হবি আমাদের কাছে যেমনটা হয়েছিলি ৭১ এ কারন আমাদের সাথে আছেন "রম করুনাময় আল্লাহ তায়ালা"।কেননা তিনি নিস্থুই সর্বদা সত্যের পক্ষের মানুষদের সাহায্য করেন।তাই আবার বলছি তোরা(পরাজিতরা) সাবধান হ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28752246 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28752246 2007-12-18 14:57:34
রাজাকারের জবানবন্দি -১ কানাডার টরন্টো শহরের মহা অট্টোলিকার ২৯ তলায় আমার বাস। মালিক নই, ভাড়াটে। আমার মত আরও অনেক বঙ্গ সন্তান অনেক আগে থেকেই এই অট্টালিকায় বসবাস করে আসছে। কেউ তিরিশ চল্লিশ বছরও আছে। তবে সত্তর দশকের বাসিন্দাই বেশি। এ আমাদের স্বাধীনতার ফসল। স্বাধীনতার পর সহজলভ্য পাসপোর্ট আর জীবন-জীবিকার তাগিদে বাঙালিরা ছড়িয়ে পড়েছে দিকে দিকে। যারা সত্তরের দশকে এ দেশে পাড়ি দিয়েছেন তারা এখন বৃদ্ধের কোটায়। নিজেদেরকে গুছিয়ে নিয়েছেন। যাদের মাতাপিতা জীবিত তাদের স্পন্সর করে নিজের কাছে নিয়ে এসেছেন। এই মাতাপিতারা অনেক বৃদ্ধ। এখানে এসে স্বাচ্ছন্দে জীবন যাপন করছেন। সাধারণত এই মাতাপিতাদের করার মত কিছুই থাকে না। কেউ নাতি নাতনী নিয়ে সময় কাটান, কেউ ধর্মকর্ম করে সময় কাটিয়ে দেন। কেউবা ছোট ছেলে মেয়েদের আরবী শিক্ষা দেন।
প্রতিদিন অফিসে আসা যাওয়ার সময় অনেক বঙ্গ সন্তানের সাথে দেখা হয়। কারও সাথে কুশল বিনিময় হয়, অপরিচিতদের সাথে হয় না। একদিন অফিস থেকে ফেয়ার পথে ইলেভেটরের লবিতে সত্তোরোর্ধ দু’জন বৃদ্ধ সালাম দিয়ে হাত মিলিয়ে জিজ্ঞেস করল- আর ইউ ফ্রম বাংলাদেশ? বললাম- ইয়েস। তখন তিনি বুকে বুক মিলিয়ে কুশল বিনিময় করে বললেন:
আমার নাম আলহাজ্জ মুহাম্মদ ইয়াসিন হাওলাদার। বাড়ী... (এখানে জেলার নামটা উহ্য রাখতে হল কোন কারণে)। আর ইনি হলেন আলতাফ হোসেন। আমি থাকি এগার তলায় আমার ছেলের সাথে। আর ইনি থাকেন নয় তলায় তার মেয়ের সাথে। এগার তলায় আমরা একটা মসজিদ করেছি, প্রতি জুম্মায় জামাত হয়। আসবেন নামায পড়তে।
আমি দু’জনের দিকে ভাল করে তাকালাম। আলতাফ সাহেব বাঙালি স্টাইলে পায়জামা পাঞ্জাবী আর বাঙালি টুপি পরিহিত। বাঙালি টুপি বললাম এই জন্য যে বাংলাদেশে একটু লম্বা মত সাদা যে টুপিটা কারো কারো মাথায় দেখা যায় তা আর কোথায়ও দেখিনি। মাথায় সাদা কয়েকটা চুল লেগে আছে। মুখে পাতলা দাড়ি। তাও একদম সাদা। চোখ কোঠরাগত। গায়ের রং উজ্জল শ্যামলা। বয়স সত্তরের উপর হবে। বয়সের তুলনায় একটু বেশি কাহিল মনে হল।
ইয়াসিন সাহেবের গায়ের রং আফ্রিকার মানুষের কাছাকাছি। মাথায় সউদি রুমাল (লাল সাদা ক্রস স্ট্রাইপ)। পরনে সউদি কোর্তা যা পায়ের পাতা পর্যন্ত ঝুলে থাকে। বয়স সত্তরের উপর হবে। কিন্তু বয়সের তুলনায় খুব শক্ত সামর্থ দেখা যায়। মুখে ঘন চাপ দাড়ি বুক ছাড়িয়ে গেছে। এরই মাঝে তিনি দুবার দাড়িতে হাত বুলিয়ে নিয়েছেন। হয়তবা মুদ্রাদোষ।
আমি আমার নাম বললাম। শুনে দু’জনেরই খুব খুশি হলেন। আমি কথা দিলাম জুম্মার দিন নতুন মসজিদে আসব।
সেই থেকে তাদের সাথে সখ্য। তাদের কাম আর আমার নাম মিলে সখ্যতা তীব্র গতিতে এগিয়ে গেল। বাসায় আসা যাওয়া শুরু হল। একবারে গলায় গলায় ভাব। দেখলাম ইয়াসিন সাহেবই লিডার। আলতাফ সাহেব শুধু সাথে থাকেন। খুব কম কথা বলেন। ইয়াসিন সাহেবই সব চালিয়ে নিয়ে যান। মাঝে দু’একটা হাদীছ শরীফও বয়ান করেন। ইয়াসিন সাহেবের ছেলের সাথে পরিচয় হল। নাম মুহাম্মদ আবুল কাসেম হাওলাদার। কাজ করেন একটা রেস্টুরেন্টে। ডিউটির কোন আগামাথা নেই। তার দুটি ছেলে। তিন ও পাঁচ। ইয়াসিন সাহেব বাদ মাগরিব কয়েকটা ছেলেমেয়েকে আরবী শিক্ষা দেন। সেগুলোও বাঙালি।
অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকায় কিছুদিন যাবত বেশ রাত করে ঘরে ফিরি। প্রায় মাসখানেক আমাদের দ’ুজন আলিমের সাথে সাক্ষাৎ হয় না। ব্যস্ততা কমে যাবার পর একদিন বিকেলে লবিতে আলতাফ সাহেবের সাথে দেখা। কুশল বিনিময় করে জিজ্ঞেস করলাম, ইয়াসিন সাহেবকে দেখাছি না। তিনি কোথায়? কেমন আছেন? আমার এতগুলো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি বললেন: একটা ঘটনা তো হয়ে গেছে! বলতে লজ্জা করে। তিনি এখন জেলে।
বলেন কী! একজন হাজী, আলিম মানুষ! কি কারণে জেলে? জেলে না হাজতে?
ঐ একই কথা হল। কি, হয়েছিল কি? ঘটনা বলুন তো!
তিনি যে আরবী পড়াতেন সেখানে কিছু একটা হয়েছে। আপনি বরং তার ছেলে কাসেমের সাথে কথা বলুন। সেই সব সঠিকভাবে বলতে পারবে।
উকিল নিযুক্ত করেছে? নিশ্চয়ই কোথায়ও ভুল হচ্ছে। এমন একজন হাজী, আলিম মানুষ, আল্লাহ পাক-এর কাজে যিনি সর্বদা ব্যস্ত, একটা মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা, তিনি খারাপ কিছু করতেই পারেন না! দুনিয়ার সব আলিম এক হয়ে এখন তার প্রতিবাদ করা উচিত। মসজিদের সব মুসুল্লিরা কি বলে? হাজী সাহেবকে বের করে আনার কী ব্যবস্থা হচ্ছে?
এসব আমি কিছুই জানি না। কাসেম সব জানে। আমি আর দাঁড়ালাম না। সোজা কাসেমের বাসায় চলে গেলাম। দরজা নক করতেই কাসেম খুলে দিল। সালাম বিনিময় করে ঘরে গিয়ে বসলাম। সে বলল, আপনি এসেছেন ভালই হল। একজন মানুষ নেই যার সাথে একটু পরামর্শ করব। আমি আজ আপনার বাসায় যেতাম। সবার সাথে তো সব কথা বলা যায় না! আমি এইমাত্র উকিলের কাছ থেকে আসলাম। বোধ হয় শুনেছেন ঘটনা।
না, আমি তো কিছুই জানি না। এইমাত্র আলতাফ সাহেবের কাছে শুনলাম তিনি জেলে। কি কারণে জেলে আলতাফ সাহেব বলতে পারেননি। এখন আমাকে ব্যপারটা খুলে বল তো!
ব্যাপার কিছুই না। একটা বার বছরের মেয়ের অভিযোগে তাকে ধরে নিয়ে গেছে। মেয়েটা কে?
একটা বাঙালি মেয়ে। তাকে আরবী পড়াতেন। তার বাবা মা অভিযোগ করেছে।
অভিযোগ করলেই হল! ষাটোর্ধ একজন বৃদ্ধ একটা বাচ্চা মেয়ের সাথে কিছু করেছে একথা কেউ বিশ্বাস করবে? এটা নিশ্চয়ই বানানো কিছু। আমি উকিলের সাথে কথা বলতে চাই। আমি একা গেলে তো কথা বলবে না। তোমার সাথে যেতে হবে। কখন যেতে পারি?
আমি তো কাজে যাই না আজ দু’সপ্তাহ হল। ঝামেলা শেষ করে কবে যে কাজে যোগ দিতে পারব জানি না। আমি যে কোন সময় যেতে পারি। কালও উকিলের কাছে যাব। দু’টার সময়। আপনি গেলে যেতে পারেন।
কাল আমি ছুটি নিব। তোমার সাথে যাব। একজন আলিমের জন্য কাজ করব না তো কার জন্য করব! একজন হাজীর উপকার করতে পারলে কত নেকি পাব তার হিসাব আমার জানা নেই। মনে মনে ভাবলাম যদি এমনিভাবে মানুষের উপকারে লেগে যাই তাহলে বেহেস্তের পথটা পরিষ্কার হয়েও যেতে পারে। কাসেমকে বললাম, আমি ঠিক বারটায় রেডি থাকব। তুমি আমাকে নিয়ে যেও।
আমরা ঠিক সময়ে গিয়ে পৌঁছলাম উকিলের অফিসে। উকিলের নাম.....
কাসেম পরিচয় করিয়ে দিল। বলল, আমার আঙ্কেল জনাব মিসকীন। তোমার সাথে কথা বলতে এসেছে। করমর্দন করে সে আমাকে বসতে বলল। তারপর বলল, বল, তুমি কি কথা বলতে এসেছ?
কি অভিযোগে এমন একজন পায়াস (ধর্মপরায়ণ) মানুষকে গ্রেফতার করা হল?
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হল: সেক্সুয়েল এবিউসমেন্ট, চাইল্ড মলেস্টেশন।
কে করেছে অভিযোগ?
এ পর্যন্ত তিনটা অভিযোগ হয়েছে। প্রথম হয়েছে ছয়মাস আগে। একটি বার বছরের মেয়ের বাবা-মা অভিযোগ করেছে। তাদের মেয়েকে ধর্মীয় শিক্ষা দেবার সময় সে মলেস্ট করেছে। সেই অভিযোগের পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনি। কারণ সে একজন ষাটোর্ধ বৃদ্ধ এবং পায়াস লোক। ফাইভ টাইম সে ইবাদত করে, বেশিরভাগ সময় মসজিদে কাটায়। কিন্তু পুলিশ তাকে নজরে রেখেছে। তারপর দু’মাস আগে একই ধরনের অভিযোগ আসে আর একটি পরিবারের কাছ থেকে। এখানেও সে ধর্মীয় শিক্ষা দিত। দশ বছরের একটি মেয়েকে সে কোলে বসিয়ে পড়াচ্ছিল। তার মা দেখে ফেলে ইয়াসিনকে শিক্ষকের কাজ থেকে বাদ দিয়ে পুলিশে অভিযোগ করে। পুলিশ আরও প্রমাণের অপেক্ষায় ছিল। একদিন বিকেলে একটি বার বছরের মেয়ে মেইল চেক করার জন্য মেইল রুমে যায়। তখন অন্য কোন লোকজন ছিল না সেখানে। সাদা পোশাকে পুলিশ তার উপর নজর রাখছিল। যখন মেয়েটি মেইল রুমে ঢুকে তার পিছু পিছু ইয়াসিনও ঢুকে। যদিও তার মেইল চেক করার চাবি ছিল না। এক সময় সে মেয়েটিকে খুব আদর করে বুকে জড়িয়ে ধরতেই মেয়েটি তার বাহু থেকে ফসকে দে ছুট। এ সময় দূরে লবির এক কোণে দাঁড়ানো পুলিশ দেখে ফেলে এবং হাতে নাতে গ্রেফতার করে। এসব মামলা খুবই স্পর্শকাতর। কোন সাক্ষী লাগে না। তার বিরুদ্ধে তিনটা অভিযোগ। এখন ভাবছি কিভাবে তাকে বাঁচানো যায়। অথবা মিনিমাম পানিসমেন্ট কিভাবে হতে পারে। আমি আমার আরও সহকারীদের নিয়ে আগামীকাল বসব এই মামলাটা নিয়ে আলোচনার জন্য। এখন কোন পথে এগুনো যায় তা তোমাকে তিন দিন পর বলতে পারব। তুমি বরং তিন দিন পর আমার এখানে আর একবার এস অথবা ফোন করো। আমার এখন কোর্টে যেতে হবে। তোমার সাথে আর কথা বলতে পারব না। সি ইউ, বাই.....।
তিন দিন পর কাসেমকে নিয়ে উপস্থিত হলাম উকিলের অফিসে। উকিল আমাদের দেখে কুশল বিনিময় করে বসতে বলল। আমরা বসার পর উকিল আমার দিকে চুপচাপ তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। তারপর বলল, দেখ আমার পঁচিশ বছর ওকালতি জীবনে এমন অদ্ভুত মক্কেলের দেখা পাইনি। সে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মেরেছে। দোষ স্বীকার করে সে একটা স্টেটমেন্ট দিয়েছে। তাতে মনে হয় তার বড় ধরনের শাস্তি হয়ে যাবে। আমি ভেবে দেখলাম তাকে সব দোষ দেয়া যায় না। সে ঘাবড়ে গেছে এবং ভয়ে ভাল করে কথাও বলতে পারে না। বোধ হয় পুলিশের চাপে পড়ে এবং ভয়ে এসব জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ তার উপর খুব চাপ দিয়েছে। কারণ এদেশে সে আছে মাত্র একবছর। তার অতীত সম্বন্ধে কিছুই জানা নেই। তার অতীত জানতে হলে তার দেশে যেতে হবে। তাই তাকে খুব চাপ দিয়ে তার মুখ থেকেই তার অতীত জেনে নিল। সে এক বিরাট স্টেটমেন্ট। তাতে মামলার সবকিছু তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে।
কি দিয়েছে সে জবানবন্দি?
আমি তো এখনও কিছুই দেখিনি। দোভাষীর সাহায্যে সে তার নিজের ভাষায় বলেছে আর তা এখন টাইপ হচ্ছে। একটা কপির জন্য আমি দরখাস্ত করেছি। কাল পরশুর মাঝে পেয়ে যাব। তখন বুঝতে পারব কোন দৃষ্টি নিয়ে মামলা লড়তে হবে। জবানবন্দি না দেখে এখন কিছুই বলতে পারব না। তোমরা বরং দু’দিন পর আস। সব দেখে আলোচনা করা যাবে।
আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে দু’জন অনেকক্ষণ চুপচাপ হাটলাম। সাবওয়ের কাছে এসে কাসেম বলল, কাকা, কি হতে পারে জবানবন্দি?
কি আর হবে? বোধ হয় দোষ কিছু করেছে যা আমরা জানি না এবং তা স্বীকার করেছে। এদেশে দোষ স্বীকার করলে অনুকম্পার দৃষ্টিতে শাস্তি হয়। জবানবন্দি দিয়ে বোধ হয় ভালই করেছে। তারপর সারা পথ দু’জনের আর কোন কথা হয়নি। (চলবে) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28751912 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28751912 2007-12-16 11:56:47
ফিরে দেখা ইতিহাস রাজাকার, আলবদর জামাতীদের দিনলিপি ১৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ এদিন চতুর্থ বেঙ্গল চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হবার পথে নাজিরহাটে পাক সেনারা বাধা দেয়। এখানে ২৪তম ফ্রন্টিয়ার ফোর্স তাদের তিনটি কোম্পানি এবং বেশ কিছু ইপিসিএএফ’সহ অবস্থান নিয়েছিলো। এ সময় কিছু কিছু এলাকা ছাড়া চট্টগ্রাম আলবাদর-রজাকার ঘাতকদের দখলেই ছিলো। ফেনী থেকে চট্টগ্রাম যাবার পথে মুক্তিযোদ্ধারা কুমিরায় এসে পাক সেনাদের আক্রমণের শিকার হয়। ১৩ ডিসেম্বর পাক সেনা ও আলবাদর-রজাকার ঘাতকদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সংঘর্ষ হয় নাজিরহাট এলাকায়।
লেঃ কর্নেল শফিউল্লার ‘এস’ ফোর্স এসময় ঢাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছিলো। এদিন ‘এস’ ফোর্স শহরের উপকণ্ঠে এসে পৌঁছে এবং ডেমরা ও শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় পাক সেনা ও আলবাদর-রজাকার ঘাতকদের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়।
মুক্তিযোদ্ধারা নীলফামারী থেকে সৈয়দপুরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে এদিন। সৈয়দপুরে অবস্থানরত পাক সেনারা মুুক্তিযোদ্ধাদের উপর ট্যাংক নিয়ে আক্রমণ করে।
মুক্তিযোদ্ধা এবং ভারতীয় সেনা বাহিনী যতোই ঢাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল পাকিস্তানী জেনারেলদের অবস্থাও ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছিলো। ইসলামাবাদে বার বার তারা সাহায্য পাঠাবার আবেদন জানাচ্ছিলো। ইসলামাবাদ থেকে সামরিক কর্তারা ঢাকায় অবস্থানরত আলবাদর-রজাকার ঘাতক ও পাক জেনারেলদের এই বলে আশ্বস্ত করে যে, তোমরা আর কয়েকটা দিন অপেক্ষা করো। আমরা পশ্চিম খ-ে ভারতীয় বাহিনীকে এমন মার দেবো যে, তারা নতজানু হয়ে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হবে এবং যুদ্ধ থেমে যাবে।
শান্তিকমিটি, ডা. মালিক মন্ত্রিসভা, জামাতী দালালদের অধিকাংশই এ সময় অবস্থা বেগতিক দেখে গা ঢাকা দেয়। কিন্তু এর মধ্যেও জামাত-রজাকার-আলবাদর চক্র সক্রিয় ছিলো তাদের মিশন সফল করার কাজে। অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে চলেছিলো দেশের শিক্ষিত সন্তানদের। যার চরম বহিঃপ্রকাশ ১৪ ডিসেম্বরের অপারেশন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র ১৯৭১ ) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28751253 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28751253 2007-12-13 09:21:06
কত না হাস্যকর:মহান বিজয় দিবস ও শহীদ বুদ্বিজীবী দিবস উপলক্ষে জামায়তের তিনদিনব্যাপী কর্মসূচি
হয। এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী বাংল।দেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিলের আয়োজন, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামী ১৫ ডিসেম্বর আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের হেফাযত ও দেশ-জাতির কল্যাণ কামনা করে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। তথ্য সূত্র: দৈনিক সংগ্রাম।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28751175 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28751175 2007-12-12 19:45:18
প্প্ব্রপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্কপ্প্ম েপ্প্ব্বপ্প্মপ্প্বেুপ্প্বজ্জ প্প্বপ্প্বেমপ্প্ব্ত্রপ্প্বগ্গপ্প্বজ্জপ্প্বগু:প্প্বক্কপ্প্বজ্জপ্প্ব্নপ্প্বজ্জপ্প্বঙ্প্প্বজ্জপ্প্বক্ক, প্প্বপ্প্বেক্ষ্মপ্প্ব্লপ্প্ব্বপ্প্বক্কপ্প্ব্বপ্প্মপ্প্বেক্ক প্প্ব্বপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্যপ্প্বক্ষ্মপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্রপ্প্ব্ত্র প্প্ম্মপ্প্ম্য প্প্ব্বপ্প্ব্ত্রপ্প্বগুপ্প্মপ্প্বেষপ্প্ম প্প্ব্লপ্প্বক্ক প্প্ম্মপ্প্মসপ্প্ম্লপ্প্ম্মপ্প্মম চীনা রাষ্ট্রদূত চ্যাং তুং নূরুল আমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এদিন। পিডিপি নেতা মাহমুদ আলীও উপস্থিত ছিলেন এসময়। পরে নূরুল আমিন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেন। চীন এসময় পাকিস্তানীদের সমর্থনে পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যায়। পিকিং রেডিও ঘোষণা করে, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভরতের মাধ্যমে পাকিস্তান আক্রমণ করে মূলতঃ চীনকেই দমন করতে চায়। বিশ্বে আধিপত্য বিস্তার ভারতের মাধ্যমে তথাকথিত ‘বাংলাদেশ’ সমর্থনের অন্যতম কারণ। মুক্তিযোদ্ধা এবং ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে পাক সেনাদের এদিন দিনাজপুরের খানসামায় প্রচ- যুদ্ধ হয়। পাক সেনারা এখানে মরিয়া হয়ে লড়াই করে। তাদের হাতে ১৫ জন ভারতীয় সৈন্য এবং ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়। নবাবগঞ্জের পোড়াগ্রামে প্রচ- সংঘর্ষ হয় ঘাতক রাজাকার ও পাক সেনাদের সঙ্গে।
ফেনী থেকে চট্টগ্রাম যাবার পথে কুমীরা ঘাঁটির পাক সেনারা মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর উপর এদিন আক্রমণ করে। মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার গোলাম আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন দলের সঙ্গে নাজিরহাটে সংঘর্ষ হয় এদিন পাক সেনাদের। ‘এস’ ফোর্স এ সময় ঢাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছিলো। মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের খবর পেয়ে বগুড়ায় ঘাতকরা শহরের ইয়াতিমখানা থেকে এলোপাতাড়ি গোলাবর্ষণ করে। অসংখ্য নিরীহ মানুষ প্রাণ হারায় এই বেপরোয়া গুলীবর্ষণে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তাড়া খাওয়া পাকিস্তানী সৈন্যরা ঢাকার দিকে আসবার সময় খ্যাপা কুকুরের মতো আচরণ করে।
এদিন এপিপিআই-এর জেনারেল ম্যানেজার সাংবাদিক নিজাম উদ্দিনকে ধরে নিয়ে গিয়ে খুন করে আলবাদর বাহিনীর নরপশুরা। মইজ্যা রাজাকার মুজাহিদের নেতৃত্বাধীন আলবাদররা যখন তার বাসায় হানা দেয়, তখন তিনি বিবিসি’র জন্যে অর্ধেক সংবাদ লিখে রেখে খেতে বসেছিলেন। ঐ অবস্থায়ই আলবাদর বাহিনীর গু-ারা তাকে নিয়ে যায়। ঘাতক আলবাদরের নগ্ন থাবার শিকারে পরিণত হয় দেশের আরো অনেক কৃতী সন্তান।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক পূর্বদেশ, ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র।) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28751165 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28751165 2007-12-12 19:08:03
রাজাকার আল বাদররে বিচাররের দাবিতে সরকারের ভূমিকা :একজন সাধারন মুসলিমের চোখে না হয় মানিয়াই লইলাম যে, সরকার সর্ব-কর্মসাধন-পটিয়সী। তাহারা শুল্ক ফাঁকি, কর ফাঁকি, চাঁদাবাজ, জরুরী আইন ভঙ্গ করিবার দায়ে গ্রেফতার ও বিচার করিতে এমনকি কোন মুসলমান সুন্নতের অনুসরণ ও হারাম হইতে বাঁচিতে চাহিলে দ-বিধির হুমকি দিতে পারে, কিন্তু খুনের দায়ে কথিত নির্বাচনে নিষিদ্ধ কিংবা তাহাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাইতে পারে না। ইহা কেমন কথা!
সরকার হয়ত সাফাই গাহিবে যে, সুষ্ঠু নির্বাচনের নিমিত্তে ‘সুস্থ পরিবেশ’ সৃষ্টিকল্পেই তাহা করা হইয়াছে। তাহা হইলে বিনা পয়সায় পরামর্শ খয়রাত করিতে চাহি যে, আপনাদের সেই কথিত ‘সুষ্ঠু’ নির্বাচনের জন্যই ঐসব রাজাকার আল বাদরের শেকড়- বীজ সমস্ত কিছু আগুনে ফেলিয়া ছাই করিতে হইবে।
রাজাকার, আল বাদর বাঙালী- ইতিহাসের কলঙ্ক। তাহারা পলাশীর ‘মীর জাফর’-এর উত্তরসুরী, তাহারা মুনাফিক উবাই বিন সুলুলের ক্বায়িম-মক্বাম- চরম বিশ্বাসঘাতক, বেঈমান, মুনাফিক, তাহা আজ কাহারও অজ্ঞাত নহে। ইহাও অজ্ঞাত নহে যে, সেই দালাল মুনাফিকের দলই একত্রিত হইয়া বর্তমানে ধর্মের লেবাস আঁটিয়া অহরহ হারাম কাজের প্রচলন করিতেছে। সেই দলের নাম ‘জামাত’।
জামাতকে কথিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা গত ৩০ বৎসর যাবত দেওয়া হইয়াছে। গত ৩০ বৎসরের মতই তাহারা অদ্যাবধি পৃষ্ঠপোষকতা পাইতেছে। তাহার একটি প্রমাণ নিজামী-মুজাহিদের বিরুদ্ধে এখনও দুর্নীতির কোন অভিযোগ না তোলা বা তাহাদের দেশদ্রোহীমূলক বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া না জানানো।
সর্বোপরি বাঙালীর মাথায় আকাশ ভাঙিয়া পড়িল তখন, যখন প্রধান উপদেষ্টা যুদ্ধাপরাধ ও যুদ্ধাপরাধীদের কথা স্বীকার করিয়াও বিচার করা সম্ভব নহে বলিয়া সাফ জানাইয়া দিলেন এবং উপদেষ্টা মইনুল সুকৌশলে বলিলেন, সরকার অনেক দায়িত্ব হাতে লইয়াছে আর বাড়তি দায়িত্ব লইবে না। ইদানিংকালে মইনুল দু’কুলেই শক্ত বাঁধ বাঁধিয়াছে- একদিকে ব্যক্তিগতভাবে কেহ রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করিতে পারিবে না। অপরদিকে সরকারিভাবেও এত কিছু করার সময় নাই বলিয়া মইনুল বেশ চাতুর্যের আশ্রয় লইয়াছে।
এতসব কিসের আলামত! ইহারা কাহার ‘তত্ত্বাবধায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হইয়াছে? রাজাকারের বিচারের প্রশ্নে তাহাদের কেন এত অনীহা! তাহারা কি ভয় পাইতেছে- পাছে থলের বিড়াল বাহির হইয়া পড়ে!
‘তোমাদের অতীতের ইতিহাস হইতে শিক্ষা লওয়া উচিত। তোমাদের চাইতে লক্ষ কোটি গুণ বেশি ক্ষমতার অধিকারী হইয়াও শুধুমাত্র ঔদ্ধত্যের কারণেই পরিণতিতে ধুলায় লুটাইতে হইয়াছে। নমরূদ, শাদ্দাদ, ফিরাআউন তাহারই নজির। শুধু তাহাই নহে তোমার পূর্ববর্তী ক্ষমতাশালীদের বর্তমান অবস্থার প্রতি দৃকপাত করিলেও তো কিছুটা শিক্ষা হওয়া উচিত।’
যামানার মুজাদ্দিদ, যামানার লক্ষ্যস্থল ছহিবে নিয়ামত ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফের মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তো বরাবরই আহবান করিতেছেন ফিরিয়া আসিবার তওবা করিবার। কারণ মহান আল্লাহ পাক ও তাঁর হাবীব নূরে মুজাস্্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঔদ্ধত্য ও সীমালঙ্ঘনকারীকে পছন্দ করেন না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28750937 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28750937 2007-12-11 18:58:00
কুখ্যাত আলবাদর ঘাতক নিজামী ও তথাকথিত শান্তি কমিটি !!!! ১৯৭১ সালে বাংলাদেশীদের উপর বর্বর হত্যাকা- চালানোর জন্য সারা বিশ্বে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যখন নিন্দার ঝড় বইছিল, ঠিক তখনই নিজামীর গুরু গোআযম ১২ জন বিশ্বাসঘাতক সাথে নিয়ে খুনি লে. জে. টিক্কা খানের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকের তারিখটি ছিল ৪এপ্রিল, ১৯৭১ সাল। পরদিন ভোরে সব জাতীয় দৈনিকে বৈঠকের ছবিসহ সংবাদটি গুরুত্ব সহকারে পরিবেশিত হয়। এই বৈঠকে গোআযমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ দমনের জন্য টিক্কা খানকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।
৬ এপ্রিল গোআযম পুনরায় আরেক দল গাদ্দার নিয়ে টিক্কা খানের সহিত দেখা করেন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কিভাবে বানচাল করা যায় সে বিষয়ে টিক্কা খানকে শলা পরামর্শ দেন। গোআযামের সাথে শলা পরামর্শের ভিত্তিতেই ৯ এপ্রিল টিক্কা খান ১৪০ সদস্য বিশিষ্ট শান্তি কমিটি ঘোষণা করেন। ঘোষণাটি টিক্কা খানের হলেও এর মূল রূপকার ছিলেন গোআযম স্বয়ং। যেহেতু শান্তি কমিটির রূপকার ছিলেন নিজামীর গুরু, তাই শান্তি কমিটির প্রতিটি কর্মসূচি সফল করার জন্য নিজামীর উপর দায়িত্ব এসে পড়ে।
তথাকথিত শান্তি কমিটির প্রতিটি সভা, সমাবেশ ও মিছিল সফল করার জন্য নিজামী তার ছাত্র সংঘের কর্মীদের নিয়ে উপস্থিত থাকতেন। তথাকথিত শান্তি কমিটির একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি।
তথাকথিত শান্তি কমিটি গঠিত হবার পর গোআযমরা ১২ এপ্রিল যোহরের নামাযের পর বায়তুল মোকাররম থেকে প্রথম মিছিল বের করেন।
নিজামী ছাত্র সংঘের কর্মীদের নিয়ে মিছিলে যোগদান করেন এবং মিছিলের পুরোভাগে থেকে গোআযমের সাথে নেতৃত্ব দেন। নিজামীর ছাত্র সংঘের কর্মীরা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান ও পাক সামরিক জান্তা ইয়াইয়ার বৃহৎ ছবি মিছিলে নিয়ে আসে। বাংলাদেশী গণহত্যার নায়ক ইয়াহিয়ার ছবি নিয়ে নিজামীরা সেদিন মিছিলে নির্লজ্জভাবে নর্তন কুর্দন করেছিল। মিছিলের জমায়েতে লোক বাড়ানোর জন্য গোআযম ও নিজামীরা বিহারী মোহাজেরদেরকে মিছিলে শরিক করে।
নিজামীর চ্যালা চামু-া ও বিহারীরা মিছিলে ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে উৎসবে মেতে উঠে। ইসলামে জায়িয না হওয়া সত্ত্বেও নামাযের পর ছবি ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার এটাই প্রমাণ করে যে, ইসলাম ছিল নিজামীদের মুখোশ মাত্র।
নিজামীর এক অনুসারী পাকিস্তানের একটি বিরাট পতাকা নিয়ে মিছিলের অগ্রভাগে উপস্থিত হয়েছিল। ধর্মীয় শ্লোগানের আড়ালে তারা স্বাধীনতা সংগ্রামকে বিপথগামী করতে চেয়েছিল। তাই তারা উর্দু এবং বাংলায় ধর্মের নামে শ্লোগান দিয়েছিল। সেদিন মিছিলের শ্লোগান ছিল, ‘পাকিস্তানের উৎস কি- লা ইলাহা ইল্লাহ, কায়েদে আযম জিন্দাবাদ, আল্লাহ তায়ালার মেহেরবান ধ্বংস করবে হিন্দুস্তান, ব্রাহ্মণ্যবাদ সাম্রাজ্যবাদ মুর্দাবাদ, ওয়াতনকে গাদ্দারোসে হুঁশিয়ার ইত্যাদি’।
মিছিলটি শেষ হলে গোআযম ও নিজামীরা পাকিস্তান রক্ষার জন্য লম্বা মোনাজাত করেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন নিজামীর গুরু গোআযম। পরদিন গোআযমের মোনাজাতের খবরটি ‘দৈনিক সংগ্রাম’ পরিবেশন করতে যেয়ে লেখে- গোলাম আযম পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সত্যিকারের মুসলিম সৈনিক হিসাবে দেশ রক্ষার যোগ্যতা অর্জনের জন্য আল্লাহর দরগাতে দোয়া করেন। সত্যিকারের মোসলমান ও পাকিস্তানি হিসেবে বেঁচে থাকার ও পাকিস্তানকে চিরদিন ইসলামের আবাসভূমি হিসেবে টিকিয়ে রাখার জন্য তিনি সর্বশক্তিমানের নিকট দোয়া করেন।
মোনাজাত শেষ হলে নিজামীর লোকজন ‘আজিমপুর কলোনী, শান্তিনগর, শাখারী বাজার প্রভৃতি স্থান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকদের বাড়িঘর ও দোকানপাটে আগুন ধরিয়ে দেয়, বেশ কিছু মুক্তিকামী লোককে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। পরবর্তীতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা জানায়, নিজামীর ছাত্র সংঘের কর্মীরা এই হামলা সংঘটিত করেছিল। এভাবেই তথাকথিত শান্তি কমিটি এ দেশের মুক্তিকামী মানুষদের নিধনের কাজ শুরু করেছিল।
১৯৭১ সালে ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের ‘আযাদি দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটি আয়োজিত সভায় গোআযমের সাথে উপস্থিত ছিলেন নিজামী। এ সভা সফল করার জন্য গোআযম নিজামীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। নিজামীও গুরুর আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন। সেদিন পাক সেনাদের পাশাপাশি গোআযম সভাটির নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছিলেন নিজামীকে। সেদিনও সভাটির মূল জমায়েতের দায়িত্ব ছিল নিজামীর উপর। কিন্তু এসব সভায় সিল মারা দু’একজন দালাল ছাড়া কোনো লোক উপস্থিত করা যেতো না। তাই নিজামী সেদিনের সভা সফল করার জন্য মোহাম্মদপুর ও মিরপুর থেকে বাস ভর্তি করে বিহারীদের উপস্থিত করেছিলেন। এই সভায় ভাষণ দানকালে গোআযম বলেন, আল্লাহ না করুক, যদি পাকিস্তান না থাকে তাহলে বাঙালি মুসলমানদের অপমানে মৃত্যূবরণ করতে হবে। এই সভায় তিনি পাকিস্তানের দুশমনদের মহল্লায় মহল্লায় তন্ন তন্ন করে খুঁজে তাদের অস্তিত্ব বিলোপ করার জন্য দেশপ্রেমিক নাগরিকদের কথিত শান্তি কমিটির সাথে সহায়তা করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।’
মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস গোআযমের শিষ্য নিজামী তার সহচরদের নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ‘তন্ন তন্ন করে খুঁজে বের করার’ কাজটি নিষ্ঠার সাথে করেছিলেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28750617 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28750617 2007-12-10 11:35:16
১১ জানু্য়ারি পরবর্তি বাংলাদেশ ও আমার কিছূ প্রশ্ন??? এই সরকারের প্রধান দয়িত্ব ছিল নির্বাচন,কিন্তু তারা নিজেরাই তাদের কর্ম পরিধী অনেক বারিয়ে নিয়েছে কিন্্তু আমার প্রশ্ন তারা কোন কাজটা খুব সঠিক ভাবে করতে পেরেছে?
* তারা দ্রব্যমূল্য কি সাধারনের ক্রয় খমতার মধ্যে আনতে পেরেছে?
* তারা কি লোডশিডিং কমাতে পেরেছে?
* তারা কি দূর্নিতী হ্রাস করতে পারছে?
হয়ত খালি চোখে মনে হবে যে তারা অনেক বড় বড় রাঘব বোয়াল কে ধরে জেলে পুরেছে,কিন্তু এতে কতটা দূর্নিতি
কমেছে কারন এখনো ত ঘুষ দিতে হচ্ছে কাস্টমে,থানায় এবং শিক্ষা বোর্ডে
*তারা কি কৃষকদের ঠিকমত সার দিতে পারছে?
*তারা কি শিক্ষা ক্ষেত্রে সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পেরেছে?
কারন এবারি প্রথম দেখলাম ভার্সিটির শিক্ষকদের জেলে গিয়ে মালীর কাগ করতে হচ্ছে,তারা কি আসলেই এমন কোন গুরতর অপরাধ করেছিল?আর যদি অপরাধ করেই থাকে তবে কি তাদের অন্য কোন বিকল্প শাস্তি দেয়া যেত না?
*তারা কি তাদের সকল সিদ্বান্তে সচ্ছতার পরিচয় দিতে পারছে?
কারন দেখছি তারা এমন কতগুলি স্পর্শ কাতর বিষয়ে সিদ্বান্ত নিচ্ছে যেগুলো সম্পর্কে সিদ্বান্ত নিতে নির্বাচিত সরকারগুলো ও ১০০ বার ভাবে।আর তারা যদি এসব সিদ্বান্ত নিতে পারে তবে যুধ্ব অপরাধীদের নিয়ে কেন তারা কোন সিদ্বান্ত নিতে পারছে না?

আমার আরো অনেক প্রশ্ন ছিল কিন্তু এগুলোর উত্তর কার থেখে পাব তার ঠিক নাই বাকী গুলো করে কি লাভ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28750409 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28750409 2007-12-09 14:13:04
হুররেরেরেরে. রে রে রে কারন এই দেশ না থাকলে ত আমি ও থাকতাম না।
সবাইকে ধন্যবাদ ।!।!।!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28748509 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28748509 2007-11-30 10:12:05
আমার ব্লগ... http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28742834 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28742834 2007-11-05 11:42:12 ইদ মোবারক http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28738226 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28738226 2007-10-18 16:23:16 প্রতিবাদ http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28736302 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28736302 2007-10-08 20:33:51 কেনো আমার লেখা ছাপানো হচ্ছে না??? জবাব চাই।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28733700 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28733700 2007-09-26 13:26:41 ািা http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28733445 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28733445 2007-09-25 11:33:23 ফিরে দেখা ইতিহাস রাজাকার, জামাতীদের দিললিপি ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ গর্ভনর মালিকের সভাপতিত্বে এদিন সেক্রেটারিয়েটের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠক। গভর্নর সংবাদপত্র ও বার্তা প্রতিষ্ঠানের সম্পাদকদের সঙ্গেও এক বৈঠকে মিলিত হয়ে নির্ধারণ করে দেন প্রচারণার কৌশল। আর নবনিযুক্ত মন্ত্রীরা তাদের পাকিস্তানপ্রীতির নিদর্শন হিসেবে কমিয়ে নেয় নিজেদের বেতনভাতা।
মন্ত্রিত্ব গ্রহণ নিয়ে এসময় কাউন্সিল মুসলিম লীগের মধ্যে দেখা দেয় মতবিরোধ। খাজা খয়েরউদ্দীন মন্ত্রিত্ব নেয়ার জন্যে কারণ দর্শাও পত্র দেন নওয়াজেশ আহমদকে। অন্যদিকে মন্ত্রী নওয়াজেশ পত্রের জবাব দিয়ে জানান, খাজা সাহেব তার আস্থাভাজন ব্যক্তিরা মন্ত্রী না হওয়াতে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কুমিল্লা জেলা ছাত্র সংঘের সভাপতি আ. ন. ম. হান্নান ও ছাত্রনেতা আতিকুল হক। দৈনিক সংগ্রামে এদিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়ে, ‘আন্দোলন ও গালযোগের নাম-নিশানা মুছে যাওয়ায় মতিহার এখন সম্পূর্ণ শান্ত। তথ্যসূত্র: দৈনিক পাকিস্তান, সংগ্রাম, আজাদ ২২, ২৩, ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭১]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28732828 http://www.somewhereinblog.net/blog/Piealblog/28732828 2007-09-22 11:57:35