মাছ একসাথে অনেক ডিম দেয়, তারপর ঝাকে ঝাকে বাচ্চা ফোটায়। একত্রে এত বাচ্চা দেয়ায় ভাবা হয় যে মাছের মায়ের তার সন্তানদের প্রতি কোন দরদ নেই, আর তাই যখন মাছের মা তার সন্তানের শোকে কাদে তখন মনে করা হয় যে সেটা ভন্ডামী বা লোক দেখানো। কিন্তু এটা নিছক মানুষের ধারনা, কোন বৈঞ্জানিক সত্য নয়। আমাদের দেশের ভূখা, জীর্ণ মানুষগুলোকেও উচুতলার একটা অংশ মাছেদের মতই আবেগশূন্য ভাবেন। যারা কেবল জৈবিক প্রক্রিয়ায় অজ্ঞতাবশত বংশবিস্তারই করে যান, কিন্তু মায়া, মমতা, স্নেহ, ভালবাসার মত উচ্চমার্গীয় অনুভুতি তাদের নেই সন্তানদের প্রতি, যেমন আছে সভ্য, সুশীল মানুষের। তাই দাফনের বিশ হাজার টাকায় দায় মিটে যায় মৃত্যুর আর সভ্যতা পরিপুষ্ট হয় ঝাকে ঝাকে জন্ম নেয়া নবাগত মাছের কণ্যা-পুত্রদের দিয়ে। ছোটবেলায় কোথাও চোর ধরা পড়লে আমি ভাবতাম যে চোর বোধহয় মানুষ না, অন্য কোন প্রাণী, দেখতে অন্যরকম। অনেকদিন পরে একটা চোরকে যখন প্রথম দেখলাম যে সে আমারি মত, তখন বুঝলাম যে সে ও মানুষ। এখন দেখি উপরওলাদের শৈশব এখনও কাটেনি। তারা ময়লা, নোংরা, জীর্ণ মানুষগুলোকে আমার শৈশবের মত অন্য কোন প্রাণীই ভাবে, মানুষ ভাবেনা। মানুষ ভাবলে এমন করে গণহত্যা হতো না একর পর এক। আজ প্রথম আলোতে এক বৃদ্ধ পিতাকে দেখলাম যিনি তার কণ্যার ছবির দিকে বিহবল তাকিয়ে কি আর্তস্বরে কেদে চলছেন। ফুটফুটে কণ্যা মুচকি হেসে তাকিয়ে আছে বাবার দিকে। এই বৃদ্ধ পিতা তার যৌবনের কোন এক সময় এই ফুটফুটে কণ্যাকে জন্ম দিয়ে পিতৃত্ত্বের স্বাদ পেয়েছিলেন হয়ত। শোষণের স্বীকার হতে হতে যতটুকো তাকে দিয়েছিল এ সমাজ তার কোনটাই হয়ত নিজের আয়েমে খরচ না করে কণ্যাকে মেলা থেকে ঝুনঝুনি কিনে দিয়ে কাধে করে বাড়ী ফিরেছেন। তারপর শোষিত হতে হতে যখন তার মেরুদন্ড বেকে যায় ধনুকের মত তখন পিতার স্নেহের দেনা শোধ করতে এই কণ্যাই হয়ত পাড়ি জমায় শহরের ঘুপচি গলিতে যার মনটা তখনও পড়ে থাকে গায়ের দাড়িয়াবন্দা কিংবা গোল্লাছুটের মাঠে। বাবাকে সে মাস শেষে যে টাকা পাঠাতো সেই টাকাটা অক্ষম বাবা হয়ত কোন এক মধ্যরাতে বুকে চেপে চোখের জল ফেলতেন মেয়ের জীবনযুদ্ধের কথা ভেবে। সেই পিতা আজ কণ্যাকে ফিরিয়ে নিতে এসেছেন, হয়ত কেদে কেদে বলছেন, আমাকে ক্ষমা কর মা, আমাকে ক্ষমা কর। সেই শৈশবের মেলায় ঝুনঝুনি কিনে দেয়ার দৃশ্য ঐ বাবার চোখে আজ রঙিন ছবির মতই ভাসছে। আর আমাদের চোখ ভাসছে সেই বাবার আকুতি দেখে। আমাদের মাথা নুয়ে আসে, আমাদের সভ্যতা লজ্জায় মুখ লুকায়। মাছের মায়েদের অকৃত্রিম পুত্রশোকে আজ আমাদের আকাশ ভারী হয়ে উঠে।আমরা সেই হারানো কণ্যার সহোদর হয়ে আজ এই পিতাকে বলছি, পিতা, আমাদের ক্ষমা কর....
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।