আমার প্রিয় পোস্ট

অদ্ভুতুড়ে: টেলিপ্যাথি

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০

শেয়ারঃ
0 5 0


আবার ঘাড়ে চেপেছে অদ্ভুতুড়ে ভুত (যদিও কখনও সেটা ঘাড় থেকে নামেই নাই এক্কেবারে বিক্রমাদ্যিতের বেতালের মত)... কয়েকদিন যাবৎ প্যারা সাইকোলজি নিয়ে ঘাটাঘাটি করছি... আমার ব্যাপক ইন্টারেস্টিং লাগছে... আর কোন ব্যাপার যদি আমার ব্যাপক ইন্টারেস্টিং লাগে সেটা নিয়ে প্যাচাল পারতে আমার কোন ক্লান্তি থাকে না। অপর পক্ষের কর্ণ কুহরের কথা আমি ভুলেও ভাবি না । উফফফফফ আবার প্যাচাল পেরে বিশাল প্যাঁচ লাগাই দিচ্ছি ... এখন প্যাচাল ব্ন্ধ ... আপনাদের নিয়ে যাই প্যারা সাইকোলজির জগতে ...

প্যারা সাইকোলজি

সাইকোলজিরই একটা শাখা প্যারা সাইকোলজি মানুষের অদ্ভুত সব ক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনা করে.... এই যেমন ধরুন অতৈন্দ্রিক ক্ষমতা বা টেলিপ্যাথিক যোগাযোগ, এক কথায় যে সব জিনিস ঠিক মানুষের স্বাভাবিক কর্মকান্ডের মধ্যে পড়ে না। জার্মান সাইকোলোজিস্ট ম্যাক্স দেসোর (১৮৬৭ - ১৯৪৭) সর্বপ্রথম সাইকোলজির এই শাখাটা সংজ্ঞায়িত করেন।


ম্যাক্স দেসোর (১৮৬৭ - ১৯৪৭)

প্যারা সাইকোলজিতে যদিও অলৌকিক ঘটনা বা ক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়ে থাকে, সেটা হয় পুরোপুরি বিজ্ঞানসম্মতভাবে। প্যারা সাইকোলজিস্টরা কিছু বিষয় নিয়ে তাদের বিশ্লেষণ করে থাকেন ... যার মধ্যে পড়ে টেলিপ্যাথি (মানুষের মনের কথা বুঝতে পারা), প্রি-রিকোগনিশান (অর্থাৎ আগে থেকেই কোন কিছু ধারণা করা এক কথায় ভবিষ্যত বলতে পারা), টেলিকিনসিস বা সাইকোকিনসিস (অর্থাৎ কোন ধরণের শারীরিক সম্পৃক্ততা ছাড়াই কোন জিনিস নাড়ানো... জিনিসটা আমার কাছে ব্যাপক মজার লেগেছে), সাইকোমেট্রি (কোন বস্তু, প্রাণী বা জায়গাকে স্পর্শ করে সেটা সম্পর্কে সব জেনে যাওয়া), মৃত্যু স্পর্শ (মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা), বাইলোকেশান (অর্থাৎ একই সময় দুই জায়গাই অবস্থান করা)।
মজার মজার সব মশলাদার আইটেম তাই না... তাহলে দেরী কেন শুরু করে দেই কি বলেন??

টেলিপ্যাথি

আসলেই কি এমন কিছু মানুষ আছে যারা প্রকৃতির আশীর্বাদপুষ্ট ... যারা সত্যিই অন্যের আত্মা দেখতে পারে? পড়তে পারে অন্যের মনের কথা অথবা নিজের চিন্তা ভাবনা ট্রান্সফার করতে পারে অন্যের মনে... তা সে যতদূরেই থাকুক না কেন? ফ্রেডরিক ডব্লিউ, এস, মেয়ার ১৮৮২ খ্রীস্টাব্দে যা টেলিপ্যাথি বলে সংজ্ঞায়িত করেছেন তার অস্তিত্ব কি আসলেই আছে??
অত প্রশ্ন করে লাভ কি?? আসুন আমরা নিজেরাই ঢুঁ মারি ...

অতন্দ্রীয় যোগাযোগ মাধ্যম

খুব কাঠখোট্টা বিজ্ঞানীও টেলিপ্যাথিকে অবজ্ঞার চোখে দেখেন না যেমনটি হয়ে থাকে প্যারাসাইকোলজির অন্যগুলোর ক্ষেত্রে। কারণটা হয়তো আমরা সবাই জীবনের কোন না কোন ক্ষেত্রে এর প্রমাণ পেয়ে থাকি। যেমন ধরুন আপনি কোন এক বন্ধুর কথা গভীরভাবে চিন্তা করছেন ঠিক সেই মুহুর্তে আপনার বন্ধুটি আপনার বাসার কলিংবেল চাপছেন অথবা আপনাকে কল করেছেন। এসব বিষয়কে আমরা খুব সহজেই কাকতালীয় ঘটনা বলে পাশ কাটিয়ে যাই। অথচ আমরা এটা স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকিনা যে এটা আমাদের মস্তিষ্কের এক অতীন্দ্রিয় সংবেদনশীলতা যেখানে আমাদের অবাধ প্রবেশাধিকার নেই।


টেলিপ্যাথির ইতিবৃত্ত

শীতল যুদ্ধ শুরু হবার বহু আগে এমন কি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেরও পূর্বে অন্যদের মনোজগতে ভ্রমন করতে পারে এমন লোকদের নিয়ে কিছু পরীক্ষা চালিয়েছিল তিন মহারথী (দ্যা গ্রেট সোভিয়েত ইউনিয়ন, আমেরিকা এবং ব্রিটেন) এবং তার ফলাফলও ছিল চমকপ্রদ। সে সময় টেলিপ্যাথি মিলেটারি ইন্টিলিজেন্সে একটি বিশেষ আসন করে নিয়েছিল এবং এর ধারকদের বলা হত 'সাই এজেন্ট (psi agent)'। বর্তমানে টেলিপ্যাথিকে বিজ্ঞানীরা রিমোট সেন্সিং বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সে যায় হোক, এই এজেন্টরা তাদের মনটাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এবং বস্তু সম্পর্কে তথ্য দিতেন।
সময়টা ১৯৪০, এরকমই এক ক্ষমতাধর টেলিপ্যাথ উলফ ম্যাসিং জোসেফ স্ট্যালিনের সুনজরে পড়লেন। উলফ ম্যাসিং এর মজার কিছু ঘটনা

উলফ ম্যাসিং এর ঘটনাটাকেই মূলত টেলিপ্যাথির প্রতি সরকারী আকর্ষণের সূত্রপাত ধরা হয়।পশ্চিমা বিশ্বও টেলিপ্যাথি নিয়ে নাড়াচাড়াই পিছিয়ে ছিল না। ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এস, জি, সোয়াল (১৮৮৯-১৯৭৯) নামের ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের এক গণিতের প্রফেসর ১ লক্ষ মানুষের মধ্য থেকে ১৬০ জনকে নিয়ে টেলিপ্যাথি টেস্ট করেন। একইভাবে প্যারাসাইকোলজিস্ট বাসিল সাকলেটন এবং রিটা এলিয়ট কিছু ফলাফল পেতে সক্ষম হন যেটাকে কোনভাবেই কাকতালীয় বলে উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।

কেন একজন অন্যের মনোজগতে অবাধ বিচরণ করতে পারছে ... অন্যের চিন্তা চেতনাকে আচ্ছন্ন পারছে সেটা আজও অজানা। অনেক বিজ্ঞানীই মনে করেন যে, প্রত্যেকটি মানুষেরই একটা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত এই ক্ষমতাটা আছে আর এই ক্ষমতাটাকে কাজে লাগাবার জন্য দরকার সুতীক্ষ্ণ মনোসংযোগ।

টেলিপ্যাথি পরীক্ষার একটা খুবই সহজ প্যাটার্ন আছে। এই ক্ষেত্রে সাবজেক্ট এবং পরীক্ষক মুখোমুখি বসেন আর পরীক্ষকের সামনে থাকে একটা মনিটর যেখানে রেনডমলি ছবি অথবা সিম্বল জেনারেট হতে থাকে। পরীক্ষকের সামনে যে ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে টেলিপ্যাথকে (সাবজেক্ট) সেটা বলতে বা এঁকে দেখাতে হয়। টেলিপ্যাথিক সাবজেক্ট আসলে পরীক্ষকের মস্তিষ্কে যে ইমেজটা পড়ছে সেটা পড়তে পারে এবং তার উপর ভিত্তি করেই ছবি আঁকে। বছরের পর বছর এই পদ্ধতীতে খুবই আশ্চর্যজনক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে।


মরফোজেনেটিক ফিল্ড

ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী রুপার্ট শেল্ডরেক এই মরফোজেনাটিক ফিল্ডের সূত্র আবিষ্কার করেন। এই সূত্রানুযায়ী প্রকৃতি প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিছু তথ্য সংরক্ষণ করে রাখে ... যা পরবর্তী প্রয়োজনানুসারে অন্যদের কাছে পৌঁছে যায়। তাঁর বিখ্যাত উদাহরণগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে, ব্রিটিশ বংশীয় চিকাডি (Parus caeruleus) নামক পাখির দুধ চুরি কৌশল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী কিছু পাখি যখন দুধের বোতলের এ্যালুমিনিয়ামের ঢাকনি খুলে দুধ চুরি করা শিখেছিল সেই কৌশলটি বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ঐ প্রজাতির পাখিদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল। শুধু তাই নয়, খুবই দ্রুত ইউরোপ মহাদেশীয় অন্যান্য পাখিরাও একই কৌশলে দুধ চুরি করা শুরু করে দেয়। এটা সম্ভব হয়েছিল মরফোজেনেটিক ফিল্ডের বদৌলতে... কারণ টেলিপ্যাথি বাঁধনহীন, এটা মানুষ এবং পশু উভয়ের সাথেই সমানভাবে সংযোগ স্থাপন করতে পারে।

ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী রুপার্ট শেল্ডরেক

শেল্ডরেক এই ব্যাপারটি প্রমাণ করার জন্য বেছে নিয়েছিল একটা পোষা তোতা পাখি এবং ওটার মালিককে। তোতাপাখিটির ভান্ডারে ছিল ৫০০ শব্দ এবং এই শব্দগুলোর সমন্বয়ে পাখিটি যে কোন বাক্য বলতে পারত। এই পাখিটাকে একটা মনিটরের সামনে রাখা হলো যেখানে তার মালিক এ্যামিকে দেখা যাচ্ছিল। পাখিটির মালিক ছিল একই বিল্ডিং এর আরেক ফ্লোরে ( পাখিটির থেকে দুই ফ্লোর নীচে)। এ্যামির সামনে ছিল কিছু খাম যার মধ্যে ছিল কিছু ছবি এবং সিম্বল। এ্যামি খামখুলে ছবিগুলো দেখা শুরু করল .... আশ্চর্যজনকভাবে তোতা পাখিটি তার মালিকের ভিডিও ইমেজ দেখে ইংরেজীতে সেই ছবিগুলোর বর্ণনা দিতে শুরু করল.... যেন সে তার মালিকের মনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে ফেলেছে। পশু-মানুষের মধ্যে এমন নিরিবিচ্ছিন্ন এবং চমকপ্রদ টেলিপ্যাথিক দৃষ্টান্ত আজ পর্যন্ত আর দেখা যায়নি।

এ্যামি এবং তার তোতা

টেলিফোন টেলিপ্যাথি নিয়ে রুপার্ট শেল্ডরেকের একটা মজার ভিডিও দেখুন


এটা ছাড়াও বিবিসি মানুষ এবং পশুর উপর পরীক্ষার কিছু নমুনা নিয়ে ডকুমেন্টারি করেছে। এরকমই একটা ডকুমেন্টারিতে কিছু কুকুরকে দেখানো হয়েছে যেখানে কুকুরগুলোর মালিকেরা ঐগুলোকে বাসায় রেখে
বাইরে চলে যান (কোন নির্দিষ্ট গন্তব্যে না)। একটা নির্দিষ্ট সময় পর মালিকেরা বাসায় তাদের কুকুরের কাছে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। ডকুমেন্টারি টিম রেকর্ড করেছে যে, ঠিক যে মুহুর্তে মালিকেরা বাসায় ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তখনই কুকুরগুলো উঠে দরজার কাছে চলে গেছে এবং মালিকের জন্য অপেক্ষা করছে। অগণিতবার এই পরীক্ষাটা চালানো হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্তে উপণিত হয়েছে যে এটা কোন কো ইনসিডেন্স না। কারণ ফলাফল প্রতিবারই একই।

টেলিপ্যাথি ঠিক কিভাবে কাজ করে সেটা এখনো ধোঁয়াশা। সে যায় হোক, হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই পরীক্ষার মাধ্যমেই এর কার্যকারণ নির্ধারণ করা যাবে। কিন্তু তবুও কিছু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে ... কেন এই ক্ষমতাটা বিদ্যমান.. আর যদিওবা বিদ্যমান কেনই বা গুটিকয়েকজনই এর প্রয়োগ করতে পারে!!!! অন্যদের কমতিটা কোথায়!!!

অদ্ভুতুড়ে সিরিজের অন্য লেখা

আটলান্টিস

স্বর্ণনগরী

ব্ল্যাক ম্যাজিক

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জানার আছে কত্ত কিছুজানার আছে কত্ত কিছু ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অদ্ভুতুড়ে  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৬
লিপিকার বলেছেন: প্যারা সাইকোলোজি নিয়ে আমারও ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। যদিও পুরো ব্যাপারটাকেই অনেকে ভুয়া বলে দাবি করেন। চমৎকার পোষ্ট..........
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: অন্যরা কে কি ভাবল সেটা নিয়ে চিন্তা করেন না :) ... নিজের বিশ্বাসটাই বড় ... ধন্যবাদ

২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১
বাকেরভাই বলেছেন: ভালো লাগছে | আরো বিস্তারিত জানতে চাই |
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাকের ভাই.... ওক্কে জানাবো :)

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দারুন প্রসূন ।

ভালো লাগছে -- তোমাকে ব্যাক ইন এ্যাকশনে ।

+++++++

বিস্তারিত আবার পড়বো ।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরণ্যক ভাই... এরকম মন্তব্য পেলে মনে হয় লেখা সার্থক... :)

৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১২
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: পড়লাম পুরোটা । বেশ ইন্টারেস্টিং লাগলো। তবে অলৌকিক কোন কিছু আমি কখনো হতে দেখিনি, তাই ব্যাপারগুলো নিয়ে আমার বিশ্বাসের ভিতটা বড় দুর্বল। তবে এই পোস্ট পড়ে বুঝলাম অন্য সিরিজগুলো পড়তে হবে।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আমার লাইফেও অলৌকিক কোন কিছু ঘটেনি... তাই হয়তো এর প্রতি একটা অমোঘ আকর্ষণবোধ করি... আসলে কিছু রহস্য না থাকলে জীবনটা ডাল ভাত হয়ে যেত ... আমার কাছে এগুলো অনেকটা মসলার মত জীবনটাতে একটা অন্য আমেজ নিয়ে আসে... পড়ে দেখতে পার... বিশ্বাস করার দরকার নেই.... ফিকশন হিসাবেই পড়ো :)

৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০৫
মেঘ দূত বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট..........
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেঘ দূত :)

৭. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৭
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: ইহা দারুণ ক্ষ্যাত পুস্টৈসে
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: কবি বলেছেন, "ক্ষ্যাতশক্তি বড় শক্তি করিও না অবহেলা "
B-)

খুব শীঘ্রই আমার সিরিজটা কা কা ভাষায় অনুদিত হইবে বলে আশা করিতেছি :D

৮. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬
হাসান মাহবুব বলেছেন: ভাইডিরে ফর্মে দেইখা ভাল্লাগলো! বিশ্বাস অবিশ্বাসের ব্যাপার পরে, পড়তে ভালো লাগতেসে।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইডি ... পড়তে ভাল লাগতাছে শুইন্যা আপ্লুত হইলাম :)... তবে আমি একটা কথা মাইনা চলি ... বিশ্বাসে মিলাই বস্তু তর্কে বহুদূর

৯. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন: The existence of parapsychological phenomena and the scientific validity of parapsychological research is disputed by independent evaluators and researchers. In 1988, the U.S. National Academy of Sciences published a report on the subject that concluded that "no scientific justification from research conducted over a period of 130 years for the existence of parapsychological phenomena."


Wikipedia : Parapsychology
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: দেখ ভ্রাতা ... আমি এখানে প্যারাসাইকলজি বিশ্বাস করাবার দায়িত্ব নিয়ে বসি নাই ... বিশ্বাস-অবিশ্বাস একান্ত নিজস্ব ব্যাপার ... তাই না :) ... তবে ইউ,এস ন্যাশানাল এ্যাকাডেমীর ইতিহাস কিন্তু খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য না ... ওরা ওদের প্রয়োজন মত কোন তথ্যকে সত্য আর কোন তথ্যকে মিথ্যা বানিয়ে দেয়... এমন নজির আছে... ওগুলো দিতে গেলে আরেকটা পোষ্ট হয়ে যাবে... তুমি পড়েছ তাতেই আমি আনন্দিত ... তাহার পর তোমার জীবন কেমন কাটিতেছে ?

১০. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
যীশূ বলেছেন: আমার পছন্দের বিষয়।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: আপনার পচ্ছন্দের বিষয় নিয়ে লিখতে পেরে ভাল লাগছে... পড়ার জন্য ধন্যবাদ

১১. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮
লিটল হামা বলেছেন: আপনার অদ্ভুতুরে সিরিজটা আমার খুব খুব পছন্দ হয়েছে। সময় করে সবগুলি পড়ে ফেলবো। এই পোস্টটা প্রিয়তে নিলাম।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দীপ আহসান... পড়ে ফেলুন মজা পেতে পারেন :) ... ও অতি অবশ্যই কেমন লাগল জানাবেন

১২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: বিয়াপক গিয়ানী পুষ্ট। টেলিপ্যাথী জানলে ভালা হৈতো। :-B
অঃটঃ
এতোদিন পরপর পুষ্ট দাও ক্যান?
বাপ হওনের অনুভুতি নিয়া একখান আবেগঘন পুষ্ট দাও দিকিনি।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: ওরে বাবা রে ... বলেন কি বস!!! আমি যদি আবেগঘন পোষ্ট দিতে যাই ... তাইলে তো সামুতে আবেগের সুনামী হইয়া যাইবো ;) ...
এত দিন পর পর পোষ্ট !!!! কন কি!!! আমি তো কয়েকদিনের মধ্যে কত্তগুলান পোষ্ট দিলাম ... /:)

১৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪০
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: মিসির আলীর নাম বাদ গেছে মনে হৈতাছে ;)
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: মিসির আলী তো গুরু ... উনার নাম উহ্য থাকে... উনাকে তো আর অন্যদের কাতারে যোগ করতে পারি না ;) ... মিসির আলীর জন্য পুরা এক পোষ্ট বরাদ্দ থাকল

১৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
আকাশ অম্বর বলেছেন: চমৎকার! হ্যাঁ, টেলিপ্যাথি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়েছে এবং হচ্ছে।

ধন্যবাদ, প্রসূন'দা।

০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অম্বর :)

১৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: ওয়াহ, লাইকাইছি...আজকে দেখি উলফ ম্যাসিং'র জন্মদিন আবার!!
চরম ইন্টারেস্ট নিয়া পড়লাম ভাইডি..
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইডি ... আপনারা পড়েন দ্যাইখাই আমি লিখি :D

১৬. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৭
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: অনেক জ্ঞানী পোস্ট। সত্যিই খুব ভালো লাগলো পড়তে। :)

কোন ব্যাপার যদি আমার ব্যাপক ইন্টারেস্টিং লাগে সেটা নিয়ে প্যাচাল পারতে আমার কোন ক্লান্তি থাকে না। অপর পক্ষের কর্ণ কুহরের কথা আমি ভুলেও ভাবি না ।

এই কথাটা আমার সবচেয়ে পছন্দ হয়েছে। ;)
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: ভে ভে লিতো দেখি রচনার মূল বাক্যটাই আঘাত করেছে ... জহুরী চোখ বটে :P

০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: :) ... আমার খুবই মজা লাগে

১৮. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: আমি তখন কুন ক্লাসে পড়ি? মন হয় ৭/৮ কেলাসে..
আমার সেজো ফুঁপিরা থাকে ময়মনসিংহ...
একদিন ভোরে দরজায় নক, আব্বা জানতে চাইলো কে?
আমার মেজো(উনি ঢাকায় থাকেন, সেজো না) ফুপি বলেন আমি...
আর আব্বা দরজা খুলতে যাবার আগেই আমার মনে হৈলো, সেজো ফুপা মারা গেছেন, মেজো ফুপি সেই খবরটা দইতে আসছেন, যদিও রিসেন্টলি তার অসুখ-বিসুখের কোনো খবর নাই, কিংবা বার্ধক্যও না...কেন যে মনে হৈছে...
দরজা খোলার পর ফুপি ঘরে আইসা ঠিক সেই খবরটাই দিলো...
সেজো ফুপিরা দুরে থাকে বৈলা, তাদের কথা মনে পড়তো বা পড়ে খুব কম, হুঠাট যে মনে হবে, কাহিনি সেরকমও না...দুনিয়াটা আজব...
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: আমার কি মনে হয় জানেন ... আমাদের আশে পাশে অনেক অদ্ভুত জিনিস ঘটে চলেছে .... কিন্তু আমরা আধুনিক হবার প্রতিযোগিতায় এমনই বুঁদ হয়ে আছি যে সেই রসটা আর নিতে পারি না

১৯. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৮
ডলুপূত্র বলেছেন: ভাল বিষয়ের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Click This Link
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ... যাচ্ছি আপনার ব্লগ বাড়ি :)

২০. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
শ।মসীর বলেছেন: টেলিপ্যাথি solei ki sotti amn kisu somvob .
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: বিজ্ঞান এখনো ঠিক অস্বীকার করেনি প্যারাসাইকোলজিকে... আর টেলিপ্যাথি হচ্ছে এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত এবং অনেকটা বিজ্ঞানঘেষা .... তবে ব্যাপারটা সত্যি কিনা আমি নিশ্চিত না.... তবে কয়েকটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা আমাকে নাড়া দেয়... এই যেমন ধরুন আমি যখন বাংলাদেশে ছুটিতে গেলাম আমার মেয়েটা প্রথমবারের মত আমাকে দেখল ... এর আগে সব সময় শুনেছি ও অপরিচিত কারো কাছে যেতে চায় না কাঁদে ... কিন্তু রাত তিনটার দিকে ওকে যখন প্রথম কোলে নিলাম ও আমার দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিল... আমার মস্তিষ্ক কি ওকে কোন সংকেত দিয়েছিল এ তোমার অতি আপন ... আমি জানি না... কিন্তু স্বর্গীয় অনুভূতি হয়েছিল :)

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শতরুপা :)

২২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪১
আজম বলেছেন: এই কিছুক্ষন আগে ট্যালীপ্যাথির একটা অভিজ্ঞতা হইছে।
দুনিয়াটা আসলেই অদ্ভূত, আমরা যতট ভাবি তার চেয়ে অদ্ভুত....

আপনার মজাদার প্যাঁচাল শুনতে ভালোই লাগছে....
চালিয়ে যান.......
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ওয়াও তাই নাকি ... শেয়ার করলেন না কেন?? দুনিয়াটা রহস্যময় দেখেই তো বেঁচে থাকাটা এতটা আনন্দময় ...

আমার প্যাঁচাল ভাল লেগেছে শুনে আমি যারপরনায় উৎফুল্ল ... পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

২৩. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫২
ফারহান দাউদ বলেছেন: লেখাটা বেশ, এমন আরো আসুক।
আর শুভ জন্মদিন।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান.... আসুক আরো :)

২৪. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪২
আনিকা শাহ বলেছেন: আপনার অদ্ভূতুড়ে সিরিজের সবকটা লেখাই চমৎকার...চালিয়ে যান। :)
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে... :) .... ওকে চলুক আমার রেল গাড়ি

২৫. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৭
প্রতীক্ষা বলেছেন: পড়িলাম! যদিও টেলিপ্যাথি নিয়ে আগ্রহ ছিল কিন্তু এমন কঠিন করে লিখেছেন যে আগ্রহ সব শেষ! /:)

তাছাড়া বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি সবই ভাসা ভাসা!
দেখি আরেকটা অদ্ভূতুড়ে পড়ি!
২৩ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: আমি কঠিন করে লিখেছি :(... লেখাটা ভাল লাগেনি বললেও এতটা দু:খ পেতাম না...
তবে আপনার মত পাঠক পাওয়া ভাল ব্যাপার ... ধইন্যা :)

২৬. ২৮ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: এই বিষয়টা নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহ বোধ করি আমি, আপনার পোষ্টের লিংক হামা ভাইয়ের মাধ্যমে পেলাম, আরো বেশি আগ্রহ বোধ করছি এই বিষয়টিতে, নিশ্চয়ই কোন দিন আমিও টেলিপ্যাথিক পাওয়ার পেয়ে যাবো
সেদিন নিজের ঘটনার বিশ্লেষন করে একটা পোষ্ট দিয়ে ফেলব। :)
৩০ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার পোষ্টের প্রতীক্ষায় থাকলাম.... আমার এসব বিষয়ে আগ্রহের শেষ নেই....

আর কোনদিন যদি ঐ ধরণের পোষ্ট লিখেন দয়া করে লিংক দিয়ে যাবেন... আজকাল অনেক লেখায় চোখে পড়ে না :)

২৭. ২৮ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২২
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: এই বিষয়টা নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহ বোধ করি আমি, আপনার পোষ্টের লিংক হামা ভাইয়ের মাধ্যমে পেলাম, আরো বেশি আগ্রহ বোধ করছি এই বিষয়টিতে, নিশ্চয়ই কোন দিন আমিও টেলিপ্যাথিক পাওয়ার পেয়ে যাবো
সেদিন নিজের ঘটনার বিশ্লেষন করে একটা পোষ্ট দিয়ে ফেলব। :)
২৮. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
রেজোওয়ানা বলেছেন: এইসব বিষয়ে আমার জানার খুবই কৌতুহল, মনে হয় বেশির ভাগ মানুষেরও তাই।
ভাল লাগলো আপনার লেখা ভাইয়া।
ইএসপি নিয়েও কিছু লিখুন.........

আর ব্ল্যাকম্যাজিক নিয়ে করা পোষ্ট কি একটাই?
২৭ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
ই এস পি নিয়ে লেখার চেষ্টা করবো।
হ্যাঁ ব্ল্যাক ম্যাজিকের পোষ্ট একটাই ... আরেকটা এখনো ড্রাফট হয়ে পড়ে আছে... :)

২৮ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: হজম হয়েছে নিশ্চয় :)

৩০. ২৮ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:০৪
চতুষ্কোণ বলেছেন: খুবি চমৎকার পোষ্ট। তোতা আর কুকুরের ঘটনাটা অন্যরকম।
২৮ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: কেমন আছো? .. পড়ার জন্য ধন্যবাদ :)

৩১. ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩
চতুষ্কোণ বলেছেন: ভালো। নতুন পোষ্ট দাও না কেনো?
২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: জানি না তো ভাই... :( ... মনে হয় খুব বস্তুবাদী হয়ে পড়েছি ... :)

৩২. ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪১
শেলী বলেছেন: এই ব্যাপরগুলি আমার খুব ইন্টারেষ্টিং মনে হয়। আমি কয়েকবার কিছু উল্টা পাল্টা ঘটনা দেখেছি। কেউ বিশ্বাস করেনা। যেমন,বুয়েটে চান্স পাওয়ার আগেই আমি স্বপন দেখছিলাম কেমিক্যাল বিল্ডিংএর যা আমি আগে কখনো দেখিনাই। যারা বুয়েটে পড়ে তারা জানে ঐ বিল্ডিংটা বাইরে থেকে বুঝা যায়না। আমার মেয়ে পেটে আসার পর(তখনো আমি জানতামনা) জাগ্রত অবস্হায়ই দেখছিলাম আমার ভিতরে কিছু ঢুকছে।
২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: আসলেই অদ্ভুত... আর মাতৃত্ব আসলেই একটা অলৌকিক স্বর্গীয় ব্যপার.... আমার জীবনেও এরকম কিছু ঘটনা আছে... পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ :)

৩৩. ২৮ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৯
সকাল রয় বলেছেন:

নাইস পোষ্ট
আপনি সব্যসাচী লেখক হতে পারবেন।
২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: বলছেন!!! আহা খুবই শান্তি পেলাম মনে :`> ... আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মামুণি বলত ডাকাত ছেলে। যদিও আমার মনে হয় আমার মত ভেবুলকান্ত ছোটবেলায় আর কেউ ছিল না। তবুও মামুণি’র কথাতে যেন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ