আমার প্রিয় পোস্ট

ঝটিকা সফর: হ্যানয়

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৪

শেয়ারঃ
0 0 0



অফিসের কাজে হো চি মিনের দেশে এসে পড়ে আছি বেশ কয়েক মাস... প্রথমে ভেবেছিলাম ধুমাই ঘোরাঘুরির পোষ্ট দিব। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। আশায় গুড়ে বালি বলতে আবার ভেবে বসেন না ঘুরাঘুরি হচ্ছে না। সেটা ঠিকই হয়েছে। কিন্তু বেড়ানোর ফ্লেভারটা ঠিক পোষ্টে লিখে প্রকাশ করার মত যোগ্যতা আমার হয়নি। নিজের সীমাব্ধতার কাছে পরাজয় স্বীকার করে চুপচাপ ছিলাম। আবার অফিসের চাপও ব্যাপারটাতে সহয়তা করেছে। নাভিশ্বাস নামে বাংলায় একটা শব্দ আছে ... এই শব্দটার সাথে বাস্তবে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য আমার অফিস অবশ্যই ধন্যবাদ প্রাপ্য। কিন্তু প্যাচাল পাড়া যার রক্তে মিশে আছে সে কি আর কোন বাধা মানতে পারে?? সুতরাং আমিও ভ্রমণ বৃত্তান্ত লেখা শুরু করে দিলাম।

উপক্রমণিকা:

আমার বেস অফিস হচ্ছে হো চি মিন সিটি (পুরাতন নাম সায়গন)। বলা হয়ে থাকে ভিয়েতনামে বাইরের যত পর্যটক আসে তার ৭০% আসে হো চি মিন সিটিতে। ছবির মত সুন্দর শহর। আমার গল্প এই শহরকে নিয়ে না... আর হো চি মিনে যত স্মৃতি জড়িয়ে আছে তা বলে শেষ করা যাবে না। তাই বেছে নিলাম হ্যানয়কে। ভিয়েতনামের রাজধানী। হো চি মিন সিটির থেকে জৌলুশহীন শান্ত এক শহর। হো চি মিন সিটি থেকে প্রায় ১৪০০ মাইল দূরে। আকাশপথ ছাড়া হো চি মিন থেকে ওখানে যাবার চিন্তা কেউ করে না। ট্রেনেও যাওয়া যায় কিন্তু সময় লাগে পাক্কা ৩০ ঘন্টা (কলকাতা টু দিল্লী ২৩ ঘন্টার ট্রেন জার্নির পর আমি কানে ধরেছিলাম আরে সেখানে ৩০ ঘন্টা হা ঈশ্বর!!)। সে যায় হোক... হ্যানয় ঘুরে আসার একটা সুপ্ত ইচ্ছে মনের ভেতর ছিল। একটা দেশে এসেছি তার রাজধানীতে আমার পদধূলি দিয়ে আসব না সেটা কি হতে পারে!! কিন্তু সময় বা মধ্যবিত্ত সামর্থ্য মাঝখানে চীনের প্রাচীর তুলে ফেলছিল। কিন্তু কানা ছেলে নামো অনেক সময় পদ্মলোচন হয় তেমনি হতভাগারও কখনো কখনো ভাগ্য খুলে যায় .... তাই না?? ঠিক আমার সামনেও এসে গেল অভাবনীয় সুযোগ (ঠিক অভাবনীয় না ক্ষীণ সম্ভবানা ছিল... কিন্তু কপাল আমার কখনো সহায় হয় না ... তাই ক্ষীণ ব্যাপারটি অভাবনীয় হয়ে গিয়েছিল )....

টিকেট টু হলিউড থুক্কু হ্যানয়

আমাদের মূল অফিস হ্যানয়ে ... হো চি মিনে শাখা অফিস। আমাদের ডিপার্টমেন্টেরও মূল শাখা হ্যানয়তে। একদিন অফিসে গিয়ে দেখি ডিপার্টমেন্টের সবাই খুবই তটস্থ। কি ব্যাপার কি ঘটল!!! (আমি যথারীতি ৩০ মিনিট পড়ে অফিসে পৌঁছেছি)... যাকে জিজ্ঞেস করি সেই ব্যস্ততার ভাব করে কাটিয়ে যাচ্ছে। চিন্তা করলাম ভয়ংকর খবর যত কম জানা যায় ততই ভাল .... কেউ বলছে না ভালই তো। চমৎকার সিদ্ধান্তে পৌছানোর পর নিজেকে খুবই ফ্রি কানট্রি ম্যান মনে হতে লাগল। আয়েসি ভঙ্গিতে ডেস্কে লেপটপ রেখে .... পাশের সুন্দরীর তটস্থ দৃষ্টি উপেক্ষা করে চলে গেলাম ক্যাফেটেরিয়াতে । দিন শুরু করতে হবে এক কাপ ধূমায়িত ন্যাসকেফে দিয়ে। এ কয়েক মাসে ক্যাফেটেরিয়াতে একটা সিট মোটামুটি আমার জন্য নির্দিষ্ট হয়ে গিয়েছে... কফির কাপ হাতে নিয়ে সেখানে উদাস হয়ে বসে থাকি। কিন্তু আজকে ঢুকেই মেজাজটা গেল বিগড়ে। এক প্রায় ফুটবল (সত্যিকার অর্থেই ফুটবল) বুড়ো আমার সিটে বসে আছে। ভাবলাম কফি বানাতে বানাতে সে হয়তো উঠে যাবে। কফি বানানো শেষ কিন্তু আমার আশায় আবার গুড়ে বালি। বুড়োর উঠার নাম নেই। সে পরম আনন্দে তার সামনে বসে থাকা মধ্যবয়সী এক সুন্দরীর সাথে গল্পে বুদ হয়ে আছে। কি আর করার ... ব্যর্থ মনোরথে সেই অসম জুটিকে পাশ কাটিয়ে যাবার সময় আমার বিখ্যাত হিন্দিতে বলে উঠলাম "দিন গুজাড় গ্যায়া মাগাড় চাহাত নেহী গ্যায়া"... বুড়োটা দেখি হঠাৎ আমার দিকে তাকিয়ে একটা জোকারী টাইপ হাসি দিল। পিলে চমকে উঠলাম... লোকটা আমাদের উপমহাদেশের না এটুকু শিওর... তবে মহিলাটা কোন দেশি বুঝতে পারছি না। নিজেকে প্রবোধ দিলাম নিতান্তই কাকতালীয় ঘটনা... বুড়ো কোনভাবেই আমার কথা বুঝেনি। জাস্ট ফ্রেন্ডলি স্মাইল।

আমার ডেস্কে বসতে না বসতেই লিডার কল করলেন। লিডারের কাছে ব্যাস্ত ভঙ্গিতে গিয়ে উপস্থিত হলাম (এভাবটা আমি তখনোই ধরি যখন হাতে তেমন কোন কাজ থাকে না)... উনি আউটলুক থেকে একটা মিটিং কল করতে বললেন। কারণ হ্যানয় থেকে আমাদের ডিপার্টমেন্টের ন্যাশনাল ম্যানেজার এসেছেন উনি আমাদের কাজের ধারা সম্পর্কে জানতে চান এবং সাউথ (হো চি মিন) ও নর্থের (হ্যানয়) কাজের মধ্যে সিনক্রোনাইজ করতে চান। মনটা খুবই খারাপ হয়ে গেল .... কারণ অফিসিয়াল মিটিং জিনিসটা আমার কাছে খুবই বোরিং লাগে.... যদিও সেটা নিদ্রার জন্য সহায়ক তবুও। কি আর করার মিটিং কল করলাম।

আমি সাধারণত সবার শেষে মিটিং রুমে ঢুকার চেষ্টা করি... কিন্তু প্রায় সময়ই ব্যর্থ হয়। মনে হয় কলিগদের আমার চেয়েও মিটিং এর প্রতি বেশি বিতশ্রদ্ধ ভাব আছে। যায় হোক মিটিং রুমে ঢুকেই আমার মনে হল পায়ের নীচের থেকে মাটি সরে গেছে। আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে সেই ক্যাফেটেরিয়ার ফুটবল আর লাস্যময়ী মহিলাটা। আমার থতমত ভাবটা লিডারের চোখে পড়েছিল কিনা জানি না উনি আমার নাম ধরে ডাক দিয়ে বসতে বললেন।

শুরু হল মিটিং ....

প্রথমেই প্রায় ফুটবল লোকটি নিজের পরিচয় দিতে শুরু করল .... এই লোকই আমাদের ন্যাশনাল ম্যানেজার.... লেবাননের বাসিন্দা .... নামটা ভীষণ খটমটে... ধরে নি মি: এক্স। মি এক্স নিজের গুণের কথা বলতে গিয়ে বলল সে খুব ভাল ক্যারাওকে সিঙ্গার এবং এক প্রকার বহু ভাষাবিদ। শেষের কথাটা শুনেই আমার মাথা বনবন করতে শুরু করে দিল। তু তো কাম সে গ্যায়া বাচ্চু... ততক্ষণে ফুটবল কি কি ভাষা জানে ফিরিস্তি দিতে শুরু করল .... লেবানিজ, ইংরেজি, ফরাসী, পার্সিয়ান, আর‌্যাবিক, স্পেনিশ, সুইডিশ .. একসময় তার ফিরিস্তি শেষ হল। আমার তো নিজের ভাগ্যকেই বিশ্বাস হচ্ছে না... ব্যাটাতো আর হিন্দি বা উর্দু জানে না ... যাক এখন ঠান্ডা মাথায় মিটিংএ মনোনিবেশ করা যায়। আমি যে কোন কাজ করতে গেলেই হাজার খানেক খটকা মানে প্রশ্ন জমে.... (একারণে আমার উর্দ্ধতনরা একটু অসন্তুষ্টই থাকেন)... কিন্তু কি আর করার স্বভাব যায় মরলে। এখানেও কিছু প্রশ্ন করে বসলাম... ফুটবলকে দেখে মনে হল সে ইম্প্রেসড। সে বলল আমার প্রশ্ন গুলো যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ... সে ভেবে উত্তর দিবে। আরো অনেক ব্যাপারে আলাপ হল। একসময় আমার প্রতীক্ষার অবসান করে মিটিং শেষ। আবার ডেস্কে এসে বসলাম।
"হ্যালো ইয়ং ম্যান কেমন চলছে সব??" পিছনে ফিরে দেখি ফুটবল উপস্থাপকের ভঙ্গিমায় আমাকেই প্রশ্নটা করছেন।
"সব ঠিকঠাক এক্স"
"তুমি ঠিকমত কাজে মন দিতে পারোতো ... আশে পাশে এত সুন্দরী নিয়ে"..... কস কি রে মমিন... একজন ম্যানেজার আমার মত মামুলী বান্দার সাথে এভাবে কথা বলছেন !!!!
আমি বললাম... "প্রথমে একটু হতো হয়তো ...এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছি...এখন আর আলাদাভাবে সুন্দরী দেখি না"
"বা বা ভাল... এর অর্থ তোমার একটু চেঞ্জ দরকার তাই না?? "
"আমি সব সময় চেঞ্জের ব্যাপারে আগ্রহী..."
"আসবে নাকি হ্যানয়?? একটা ট্রেনিং করে যাও হ্যানয় থেকে"
আমি তো পারলে ফুটবলকে জড়ায় ধরি... আহলাদে আটখানা হয়ে বললাম
"অবশ্যই অবশ্যই"
"ঠিক আছে সামনের সপ্তাহে তুমি হ্যানয় আসছো... আমি তোমার লিডারের সাথে কথা বলছি"

আহা কি আনন্দ .... আকাশে বাতাসে...

ম্যাড়ম্যাড়ে দিনটা হঠাৎ করে এত্ত উজ্জ্বল আর রঙিন হয়ে গেল কেন??
"ওহো তোমাকে একটা কথা বলা হয়নি", ফুটবল আমাকে পিছু ডেকে বলল...
"কি কথা এক্স??"
"আমি হিন্দি আর উর্দু ভাষাটাও জানি... তোমাদের বাংলাও বুঝি খানিকটা"

কস কি রে মমিন!!!!

হতবুদ্ধি আমাকে পিছনে ফেলে রেখে শিস দিতে দিতে ফুটবল চলে গেল তার ডেস্কে।


(চলবে)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছন্নছাড়ার ডায়েরীছন্নছাড়ার ডায়েরী ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩০
হাসান মাহবুব বলেছেন: (চলবে) .... তা চলুক, কিন্তু আরেকটা কি জানি চালানোর কতা ছিলো ঐডা কই? X(
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: :| ... চলবে কথাটা লেখার পরই ঐ কথাটা মনে পড়ছে... আমি নিজেও এই চলবে জিনিসটার ভয়ে ভীত ... তবে এটা শেষ হবে নিশ্চিত... আর আগেরটারও কিছু খসড়া করে রেখেছি ... ঐটাও দিয়ে দিব :)

২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৩
বড় বিলাই বলেছেন: ভালো। চললে আরও ভালো।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: আমিও চালাতে চাই ... :| ... কিন্তু চাকা থেমে যায়... পরের পর্বে কিছু ছবি শেয়ার করার ইচ্ছে আছে ...

৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৩
সায়েম মুন বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধইন্য:)

আর চলতে থাক:)
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ :)

৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৪
ভাঙ্গন বলেছেন: চমৎকার বলার ভঙ্গিসমেত ভ্রমন বেত্তান্তটা পড়লাম। দারুন লাগলো। অক্ষরে অক্ষরে পড়েছি কিন্তু।

.....
মি: এক্স এত এত ভাষার পন্ডিত। হিন্দির মত বলিউডি হিট ভাষা উনার না বুঝার কুনু কারণ নাই। উনি ঠিকই বুঝেছেন '"দিন গুজাড় গ্যায়া মাগাড় চাহাত নেহী গ্যায়া"...
...........
আর আমার আরেক্টা ডায়লগ মজা লাগলো 'লিডারের কাছে ব্যাস্ত ভঙ্গিতে গিয়ে উপস্থিত হলাম (এভাবটা আমি তখনোই ধরি যখন হাতে তেমন কোন কাজ থাকে না)..

কঠিন একমত।


আর আর আর....পরের পর্ব বুক করে রাখলাম। পড়বো বলে!:)
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভ্রাত .... আমার বর্ণনা ভাল লেগেছে শুনে প্রীত এবং লজ্জিত হলাম :)

৫. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৯
আজমান আন্দালিব বলেছেন: ভেরি ইন্টারেস্টিং...
চলুক...
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...

৬. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৩
বুমবুম বলেছেন: টেলিকমের চাকরি নিশ্চয়ই:|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: :| ... হুমম

৭. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৮
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: হ্যানয় সফর তো মনে হয় অনেকদিন আগেই করছো মনে হয়। পোষ্টটা কি সেই হ্যানয় সফর নিয়া দিলা?

অ.ট. এইটাও কি প্রফেসর টক্করের মতো (চলবে... ) এর যায়গায় টক্কর খাইয়া বইসা থাকবো?
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: আজ্ঞে ঠিকই ধরেছেন ভ্রাতা... এটা সেই বৃটিশ আমলের হ্যানয় সফর... অনেক আগে লিখব ঠিক করে রেখেছিলাম ... পড়ে কিছু ব্যাপারে এলোমেলো হয়ে পড়াই আর লেখা হয়নি... এবার মনে হয় সব গুছিয়ে উঠতে পারব... চলবে তে আর টক্কর খাবো না নির্ঘাত ... লজ্জা দ্যান ক্যান :`>

৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: হা হা হা, মাম্মা, ধরাডা খাইছ এইডা শুরুতেই আন্দাজ করছিলাম। চলবে তো লেখছ, আসলেই চলে কিনা সেইটাই দেখার বিষয়। আর সফরের কথা কইলেও এখনো সফর শুরুই হয় নাই। এইডা ঠিক না। তোর অবশ্য সিরিজ লিখতে গিয়া থাইমা যাওয়ার ভালোই অভ্যাস আছে। আশা করবো এইডা লেখা শেষ করবি।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: এই লেখা শেষ কইর‌্যা তোরে জবাব দিমু... হগ্গলে হুদাই লজ্জা দেয় :(

৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৬
রাজর্ষী বলেছেন: সুন্দর লেখা স্টাইল। ভালো লাগলো।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ :)

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: :)

১১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৪
আহমেদ রাকিব বলেছেন: বুমবুম ভাই, হাসি দেইখা কিরাম চেনা চেনা লাগে। :)
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: বুমবুম খুব খারাপ শব্দ :P ..... তুই কি কিছু বুঝেছিস উনি কে? ;)

১২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৯
ত্রিশোনকু বলেছেন: আপনার লেখা খুব সপ্রতিভ ও কৌতুকের। ভাল্লেগেছে খুব।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে... এরকম মন্তব্য সাহস যোগায় ... :)

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩০
শ।মসীর বলেছেন: থাইমা যাও কেন বাবা মাঝ পথে.....
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: শামসু ভাই ... ইগো তে আঘাত খাইছি... আরেক কিস্তি আইজক্যাই দিয়া দিছি ... হু হু হা হা হা হা

১৫. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩২
বুমবুম বলেছেন: আইচ্ছা আর হাসতাম না :( তয় বুমবুম খারাপ না ভালা শব্দ:|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: ভিয়েতনাম আইস্যা আপনি এইডা কইয়্যা দেইখেন .... আপনার কি যে হাল হইবো আল্লা মালুম =p~ ... আসলে এক দেশের বুলি আরেক দেশের গালি... কিছু মনে করেন না ... জাস্ট ফান করে বলেছি :)

১৬. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৯
বুমবুম বলেছেন: খাইচে!!!ঐখানে বুমবুম মাইনে কি???কি বিফদ!
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: কি বিফদ!!! এইটা এইখ্যানে খুবই খারাপ শব্দ ব্লগের সুচীল পরিবেশে কেমনে কই ... বুমবুম :``>>

১৭. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫
তাজা কলম বলেছেন: ভাল লাগল। তয় সুন্দরীটা তো আপনার লগে হ্যানয় যাইবো না? :D
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: হে হে হে ওতো আগেই হ্যানয় গিয়া বইস্যা আছে... তয় সুন্দরীর দিকে আমি দেখবার পারুম না ফুটবল আমারে স্ম্যাস ডাউন কইর‌্যা দিব না :| ... বহুত খতরনাক আদমী আছে :(

১৮. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: প্রাচীর বাপ্‌ (নামটা ঠিকমতন ইয়াদ করতে পারলাম তো?), বহুত সুন্দর হৈছে লেখাটা............
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: তায়েফ আংকেল সুন্দর করে প্রাচীর বাপ বলে আমাকে সম্বোধন করায় প্রাচী সব অভিমান ভুলে ঘুমিয়ে পড়েছে



ঘুমানোর আগে তায়েফ আংকেলকে অনেক থ্যাংকস দিয়ে গেছে

১৯. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০১
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ভালো লাগলো বেড়ানো গল্প...........
খুব বেশী ভালো লাগলো ঘুমন্ত প্রাচীকে দেখতে........
এর চেয়ে সুন্দর কিছু কি আছে দেখার?
আশীষ রইলো পিচ্চিটার জন্য।

শুভকামনা...........
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: আপনার সুন্দর শুভাশিষের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার এবং প্রাচীর পক্ষ থেকে :)

২০. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৬
হাঁদা ভোঁদা বলেছেন: আপনার লেখার স্টাইল সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ... কারো ছায়া পাওয়া যায় না... এটা একটা বিরাট ব্যাপার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ অবচেতন মনে তার প্রিয় লেখককে অনুকরণ করে ফেলে। এখনো পর্যন্ত আপনার মধ্যে সেটা দেখিনি... আর একটা ব্যাপার লেখা অন্যদেরকে পড়ানোর ব্যাপারেও আপনার একটা ঔদাসিন্য আছে... এটা ঠিক না... অনেকেই ভাল লেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সক্রিয় হন :)
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: খাইছে :| ... ভাই আমি অত স্টাইল (মানে লেখার ;)) বুঝিনা ... নিজের ভাষায় লিখে যাই.... তবে আপনার মন্তব্য শুনে একটা চাপ অনুভব করছি ... :( এখানে আমি চাপ থেকে মুক্তি পাবার জন্য লিখি আর আপনি উল্টো চাপ ক্রিয়েট করে দিলেন :|| ... বহুত বুঢ়া আদমী হ্যা আপ ... সক্রিয় হওয়া বলতে কি বুঝাতে চেয়েছেন??... একটু পরিষ্কার করে বলবেন ??

২১. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫১
হাঁদা ভোঁদা বলেছেন: ওহো আরেকটি কথা প্রাচী ঠিক যেন একটা রাজকন্যা ... সোনার কাঠি রুপার কাঠি মাথার কাছে নিয়ে ঘুমাচ্ছে :)
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: আমার প্রাচী আসলেই রাজকন্যা :) ... ধন্যবাদ আপনাকে

২২. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৯
হাঁদা ভোঁদা বলেছেন: সক্রিয় হওয়া বলতে বুঝিয়েছি ... একটু হিসেব করে পোষ্ট দেওয়ার কথা। যেমন আপনার লাস্ট পোষ্টটা দিয়েছেন রাত ৮ টায় কয়জন ব্লগার অন লাইন থাকে সে সময়?? আপনি মন্তব্যের উত্তর দিতেও বেশ দেরি করেন ... কোন আড্ডাতেও বেশি পার্টিসিপেট করেন বলে মনে হয়না... কিছু মন্তব্য পেতে হলে অন্যদেরকেও করতে হবে তো তাই না... :)
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: ভাইয়া আমিতো এত হিসেব করে কখনো কিছু করিনি... মনের তৃপ্তির জন্য লিখি ... তবে আমি চেষ্টা করব সক্রিয় হবার :)

২৩. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৪
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: "আমি হিন্দি আর উর্দু ভাষাটাও জানি... তোমাদের বাংলাও বুঝি খানিকটা"

হা হা হা... ইয়ে তো হোনা হি থা!

জটিল মজা পেলাম প্রথম পর্ব পড়ে। আর প্রাচী সোনামণির ছবি দেখে তো বটেই। :)

জানেন জীবনে মাত্র একবারই আউটলুক থেকে মিটিং কল করেছি। এখন আর সিস্টেমটা মনেই নাই। ম্যানেজার যদি ভুলক্রমেও এই কাজ আমাকে করতে দেয়... আফসুস! :(
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: মেবযাযা পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ :)... আপনাদেরকে মজা দিতে পেরে আমি মজিত ...

আউটলুক থেকে মিটিং কল করা পুরাই ফাউল কাজ ... :| ... সুতরাং আফসুসিত হবার কোন কারণ নাই...

উল্লাস ...

২৪. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩০
বুমবুম বলেছেন: এর নাম কফাল!!!আমার মত ১টা ভালা মানুষের নামের মাইনে বলে খারাফ:|আফচুচ:|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: থাউকগা বুমবুম বাই মন খারাফ কইরেন না ... নেক্সট পর্ব দিচ্ছি বইলেন কেমন হইছে :)

২৫. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫০
পারভেজ বলেছেন: খুবই মজার হয়েছে লেখাটা :)
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই :)

২৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৪
দীপান্বিতা বলেছেন: পারভেজ বলেছেন: খুবই মজার হয়েছে লেখাটা :)
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... ধন্যবাদ ... :D

২৭. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪১
চতুষ্কোণ বলেছেন: এটাই আমার ব্লগে পড়া সেরা ভ্রমণ কাহিনী। আল্লার কিরা, একটুও মিছা কই নাই :)

বাবুটারে দেইখা বড়ই প্রিত হইলাম। আমার আদর আর ভালবাসা দিও:)
শুভকামনা রইলো প্রাচীর জন্য।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: হায় হায় ছেলে কই কি !!!! :``>> .... খুব সম্মানিত বোধ করতেছি...

প্রাচী তোমার আদর পৌছে দেওয়া হবে নিশ্চিত থাক :)

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ :)

২৯. ০৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৩২
সোমহেপি বলেছেন: ভালো ভালো ভালো.......................
০৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ !!! :)

৩০. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:০১
জুন বলেছেন: এতো ভালোলাগলো আপনার ভ্রমন কাহীনি আর বর্ননার স্টাইল সত্যি সুন্দর।
প্লাস।


প্রাচী তো ছোট্ট পরী ঘুমের দেশের রাজকন্যা।
ওকে আমার আদর।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ

৩১. ২৯ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৫৬
ত্রিনিত্রি বলেছেন: অনেক ভালো লাগল! পরের পর্বটাও পড়তে যাই! =p~ =p~ =p~

 

মোট সময় লেগেছে ২.৩২২৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মামুণি বলত ডাকাত ছেলে। যদিও আমার মনে হয় আমার মত ভেবুলকান্ত ছোটবেলায় আর কেউ ছিল না। তবুও মামুণি’র কথাতে যেন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ