আমার প্রিয় পোস্ট

হ্যানয় আহা হ্যানয় (যারা লজ্জা দিছেন তাদেরকে উৎসর্গ করলাম )

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০২

শেয়ারঃ
0 0 0



সফর শুরুর আগে... লিডারকে পেলাম না বাগে

টিকেট টু হলিউড থুক্কু হ্যানয়ের কাহিণী তো আগের পর্বেই বলেছি । আমাকে ভ্যাবাচ্যাকা করে ফুটবলের প্রস্থানের মধ্য দিয়ে তার সমাপ্তি ঘটেছে।
ফুটবলতো বলেই খালাস হয়ে গেল সামনের সপ্তাহে তুমি হ্যানয় আসছো। আমিও চাতক পাখির মত হ্যানয় যাবার দিন গুণছি। কিন্তু কেউ কোন টু শব্দ করেনা। ফুটবল এরিমধ্যে হ্যানয়ে ফিরে গেছে। তার সাড়াশব্দ নেই (আমি ভেবেছিলাম তার ওজন বেশি হওয়ায় হো চি মিন টু হ্যানয়গামী ভিয়েতনাম এয়ারলাইনস ক্র‌্যাশ করছে)। আমার লিডারো দুনিয়ার সব ব্যাপারে কথা বলে কিন্তু হ্যানয়ের কথা শুনলেই বলে মোস্ট বোরিং জায়গা ভাল লাগবে না। আরে বাবা একটা জিনিস টেস্ট না করে আমি কিভাবে বলব আমার ভাল লাগবে নাকি লাগবে না (আর আমার মত ছেলে যে কিনা নতুন কোন রাস্তা দিয়ে গেলেই ভাবে আহা নতুন কিছু আবিষ্কার করে ফেললাম)।

আমি যখন মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছি ফুটবল এই রকম ঘৃণ্য পন্থায় আমার হিন্দি জবানের প্রতিশোধ নিচ্ছে, ঠিক তখনই আমার ডাক পড়ল লিডারের ডেস্কে।

"ব্যাগ নিয়ে অফিসে আসছ??", লিডারের প্রশ্নের আগা মাথা বুঝলাম না... ব্যাগ নিয়ে অফিসে না আসার কি আছে?? হতে পারে আমি একটু ক্ষ্যাত তাই বলে এতটা ক্ষ্যাত না যে ল্যাপটপ হাতে নিয়ে অফিসে আসব।
গলার স্বরে যতটা সম্ভব গাম্ভীর্য (এটা আমার জন্য খুবই কঠিন... বেশির ভাগ সময়ই আমি হাসতে থাকি) ফুটিয়ে তুলে বললাম, "হুমম নিয়ে আসছি"।
"গুড!! এখনি এয়ারপোর্ট চলে যাও... হ্যানয় যেতে হবে"

বলে কি বেকুব.... হতে পারে হ্যানয় যাবার জন্য আমার উৎসাহ তার নজরে পড়েছে তাই বলে কি আমি লাগেজ ব্যাগ নিয়ে অফিসে আসছি!!

"মানে!!! আমি কি এক কাপড়ে হ্যানয় যাবো নাকি?? তবে অফিসের দরকারে যেতে পারি... দু একটা কাপড় চোপড় ওখান থেকে কিনে নিব... পড়ে ক্লেইম করলে আপ্রুভ করে দিয়েন"

"আচ্ছা ঐসব আলাপ বাদ দাও... তোমাকে হ্যানয় যেতে হবে দু' এক দিনের মধ্যে"।

দিনটা ছিল শুক্রবার। পরের দু'দিন ছুটি আমাকে আর পাই কে...
"কালকেই চলে যাই... আমি এখনই ট্রাভেল অর্ডার রেইজ করছি"

লিডার কিছু একটা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন সম্ভবত অতটা খেয়াল করলেন না ... আমিও মনের সুখে ট্রাভেল প্ল্যান করে ফেললাম। শনিবার সকাল ১০টায় রওনা দেব ভিয়েতনাম এয়ারলাইনসে ... শনিবার হ্যানয় ঘুরব ... রবিবার চলে যাব হ্যা লং বে (আমার সাথে এক ট্রাভেল গাইডের হেভি খাতির আছে... তার মাধ্যমে ট্যুর ম্যানেজ করতে প্রবলেম হবে না)... সোম আর মঙ্গলবার নাম কা ওয়াস্তে অফিসে ঢু দিয়ে মঙ্গলবার রাতে ব্যাক করে চলে আসব। যেই ভাবা সেই কাজ ম্যানুয়েল ট্রাভেল অর্ডার ফিল আপ করে অপেক্ষা করতে লাগলাম লিডার কখন ব্যস্ত থাকবেন .... আমার মিশন এখন তার সই নেওয়া ... (বলে রাখা ভাল আমার লিডারের ছুটি বিষয়ক চরম আল্যার্জি আছে। সে নিজে অবিবাহিত ছুটি নেয়না ... আমাদেরও চরম ভোগান্তিতে রাখে)। কোন রকম দুর্ঘটনা ছাড়ায় সই হাসিল করে নিয়ে দৌড়ে পৌছে গেলাম খিটখিটে কো অর্ডিনেটরের কাছে। মহিলা সবার সাথেই চেঁচামেচি করে... আমি পারতপক্ষে তাকে এড়িয়ে চলি। তবে অবাক হলেও আমার কোন কাজই সে কখনো আটকে রাখেনি। তার টেবিলে ট্রাভেল অর্ডার রেখে উৎফুল্ল মনে ডেস্কে ফিরে আসলাম। মনের আনন্দে ওয়ার্কিং আওয়ারেও সামুতে একটা চোরাগুপ্তা হামলা চালায় দিলাম... কয়েক লেখা না পড়েই মন্তব্য করে ফেললাম .... কয়েকটা লেখা এত ভাল লাগল যে কি লিখবো বুঝে পেলাম না ... নীরবে প্লাস দিয়ে প্রস্থান করলাম। প্রায় সোয়া এক ঘন্টা আউটলুকে মেইল চলে এসেছে... অনলাইন টিকেট। কিন্তু এ কি !!! টিকেটে তো তারিখ ভুল হয়েছে... শনিবারের জায়গায় রবিবার সকাল ১০টা। আমি আবার খুব তড়িৎকর্মা ছেলে (মানে যেখানে আমার স্বার্থ জড়িত থাকে আর কি) কোঅর্ডিনেটরকে গিয়ে বললাম তার এজেন্সি ভুল তারিখে টিকেট ইস্যু করেছে। অর্ডিনেটর দেখি কিছু না বলে মিটিমিটি হাসে। তারপর বলল "ঠিকই আছে... তোমার লিডারের কাছে যাও"
কি ঘটনা ঘটছে আমার বুঝতে বাকি থাকলো না... আমি ডালে ডালে চলেছি লিডার দেখি পাতার শিরায় জার্নি করেছেন। তাও ভাগ্য ভাল সোমবারের টিকেট ইস্যু হয়নি। ব্যর্থ মিশন শেষে হ্যানয় যাবার প্রস্তুতি শুরু করলাম।

যা্ত্রা হলো শুরু

এয়ারপোর্ট থেকে হ্যানয় পর্যন্ত যা্ত্রা পথে তেমন কোন উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটলো না। শুধু আমার মত খাদ্য রসিককে অভুক্ত থাকতে হয়েছিল এই যা। একটা রাষ্ট্রায়ত্ত বিমানে শুয়োরের মাংস ছাড়া কোন আইটেম থাকবে না এটা আমার মত আনাড়ীর কল্পনার বাইরে ছিল। বাসা থেকে পেট খালি রেখে বের হয়েছিলাম যেন প্লেনের খাবারগুলো মজা করে খেতে পারি। কিন্তু আবার সেই কি আশায় বাধি খেলা ঘর টাইপ সিম্পটমের শিকার।
আমার ক্ষুধার্ত মগজ দ্রুত গতিতে হিসাব কষতে শুরু করে দিল হ্যানয়ে কার ফ্ল্যাটে গিয়ে হামলা করা যায়। একটা ব্যাক আপ প্ল্যানো থাকল ফাস্টফুড।

হো চি মিন থেকেই ট্যাক্সি বুক করে রেখেছিলাম। কারণ হ্যানয় এয়ারপোর্ট থেকে মূল শহর ১ ঘন্টারো বেশি দূরত্বে। আমার ট্যাক্সি বুক করা আছে সো নি চিন্তা ডু ফুর্তি মুডে লাউঞ্জে বের হয়ে আসলাম। শত শত প্ল্যাকার্ড নিয়ে লোকজন দাড়িয়ে আছে। কি অদ্ভুত অদ্ভুত সব নাম... কিন্তু আমার অদ্ভুত নামটা কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না কেন!!! এদিকে ঘড়ি জানান দিচ্ছে বেলা ১:৩০টা বাজে... পেট জানান দিচ্ছে তোমার ফুয়েল শ্যাষ... মাগাড় আমার ট্যাক্সি কোথায়... একে একে সব প্ল্যাকার্ডে চোখ বুলাতে থাকলাম ... অং টিং পং কত নাম কিন্তু আমার নাম নাই। হঠাৎ চোখে পড়ল লেখা মি: শুন। খটকা লাগল ... মধ্য বয়স্ক লোকটার দিকে এগিয়ে গেলাম ... তাকে জিজ্ঞেস করলাম তার যাত্রীর নাম কি?? ব্যাটা কিছুই বোঝে না বলে শুধু মি: শুন মি: শুন ... এক এয়ারপোর্ট স্টাফকে দিয়ে তাকে আবার জিজ্ঞেস করালাম... তখন সে বলল সে মি: প্রা শুনের জন্য ওয়েট করছে :|

সব ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে টেক্সিতে যখন সাওয়ার হয়েছি ... বেলা তখন প্রায় আড়াইটে। এখন শুরু হবে আমার খাবার মিশন। ফার্স্ট অপশনে কল দিয়ে শুনলাম তার আজকে বাইরে ডিনারের দাওয়াত আছে... আমাকে সোমবার দিন রাতে খেতে বিশেষ করে বলে দিল। কল গেল সেকেন্ড অপশনে ... সে তার এক দোস্তের বাসায়। বিকালে আমার সাথে মিট করবে আর রাতে খেতে বলে দিল। আহা কি আনন্দ!!! আর সৌজন্য কল করার দরকার নাই। টার্গেট এচিভ। খানা জুট গ্যায়া ... অর ক্যায়া চাহি হে??

এক সময় হোটেলে পৌঁছে গেলাম। হাত মুখ ধুয়েই সেকেন্ড অপশনকে আবার কল দিলাম লাঞ্চ কোথায় করা যায়। সে দেখি ফোন ধরে অস্বস্তিবোধ করছে ... বলল "ইয়ে প্রসূন একটু সমস্যা হয়ে গিয়েছে... আজকে আমার একটা ডিনার ইনভাইটেশান আছে ... তুমি কালকে রাতে আমার বাসায় খাও... লাঞ্চের জন্য ভিয়েত টাওয়ার পার্কসনে চলে যাও... ওখানে পিজা হাট, কেএফসি থেকে শুরু করে অনেক দোকান আছে "
আমি বজ্রাহত.... সবারই একই সাথে ডিনার পার্টি পড়ল কেমন করে!!! ... মানুষজন না খাওয়াবার অজুহাতো খুঁজতে পারে না ঠিক করে। ধুর ছাই!! বাইরে খাবো যা আছে কপালে।
ব্যাগ খুলে কাপড় চেঞ্জ করতে গিয়ে মনে পড়ে গেল একজনকে কিছু জিনিস পৌঁছে দিতে হবে। ভাবলাম আগে পেট পুজা করেনি তারপর বাদ বাকি সব। প্যাকেট টা সাথে নিয়েই বের হয়ে পড়লাম হ্যানয় ভ্রমণে।

প্যাচাল কম ছবি বেশি

হো চি মিন মিউজিয়াম

পেট পুজা করেই বের হয়ে পড়লাম হ্যানয় দর্শনে। প্রথমেই চলে গেলাম হো চি মিন মিউজিয়াম। মিউজিয়ামের প্রতি আমার আলাদা দুর্বলতা আছে।



মিউজিয়ামে ঢুকেই হো চি মিনের এই ভাস্কর্য। আমি ভেবেছিলাম মিউজিয়াম যেহেতু একজন ব্যক্তির নামে সুতরাং তাঁর স্মৃতিরই আনাগোণা হবে এখানে । কিন্তু ভুল ভাঙল একটু পড়েই।



রেঁনেসা থেকে কিভাবে বিশ্ব সভ্যতার চুড়ান্ত শিখরে পৌছেছিল... কিভাবে মানুষ তার যুগের থেকে একশ বছর এগিয়ে ভাবতে শিখেছিল। তারই এক অদ্ভুত লেখচিত্র ... সম্পূর্ণ কাঁচের উপর... গঠনশৈলীটা ঠিক লুকোচুরি খেলার ভুল ভুলইয়্যার মত।



আলো আঁধারীর খেলা চলছে এই কাঁচঘরে নিরন্তণ



গ্রেট বস চার্লি চ্যাপলিন



ছবিটা দেখে কেন জানি শীর্ষেন্দুর মানবজমিন বইটার কথা মনে পড়ে গিয়েছিল

এর পাশাপাশিই এই জাদুঘরে আছে ভিয়েতনামিজদের ভবিষ্যত যাত্রার ইতিহাস.. সামন্তবাদ... বিপ্লব... কমিউন্যুজম... রক্ত ... যুদ্ধ .... সব কিছুর এক অপূর্ব মিলনমেলা ...



ভিয়েতনামিজ সামন্ততন্ত্রের খন্ড চিত্র (সামন্তবাদী প্রভুদের প্রতিভু বৈঠকখানা .. পোষাক)



এরকম শত শত দলিল দস্তাবেজ, রাজনৈতিক চিঠি, পেপার কাটিং ... এমন কি বন্ধু বা প্রেয়সীর কাছে লেখা বিপ্লবীদের চিঠি পরম যত্নে সজ্জিত আছে স্লাইডে স্লাইডে... এগুলো দেখে বা স্পর্শ করেই যে কেউ পার করে দিতে পারেন পুরোটা দিন... তবে আমার সময় ছিল না :(



এরকম অনেক শিল্পকর্মই আছে বিভিন্ন ঘটনার প্রতিভূ হিসেবে... আমার এটা খুব ভাল লেগেছে নাম : রোড টু ফিউচার ১০০০০ দিন যুদ্ধ শেষে ভিয়েতনামের মেরুদন্ড সোজা করে দাড়ানোরই প্রতিচ্ছবি যেন।



সামান্য এই অস্ত্র নিয়েই (নামটা ভুলে গেছি) ঝাপিয়ে পড়েছিল ট্যাঙ্কের সামনে... নাম: প্রতিরোধ



এই বুঝি শৃঙ্খলমুক্তি



পোষ্টার আর ফ্যাস্টুন পিরামিড



বিপ্লব... ধ্বংস ... অত:পর মুক্তি

আজকে এখানেই শেষ করে দিচ্ছি... আশা করছি আরেক কিস্তিতেই শেষ করে ফেলব...

যারা আমাকে লজ্জা দিয়েছিল তাদের নাম বলার লোভ সামলাতে পারছি না...

হা মা ভাইডি সাই ফাই সিজার ভাই আহাম্মক রাকু শামসু নানা থুক্কু ভাই
এই লজ্জা আমার প্রাপ্য ছিল... তোমাদেরকেই এই লেখা উৎসর্গ করলাম

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছন্নছাড়ার ডায়েরীছন্নছাড়ার ডায়েরী ;
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: তুমি দারুণ বলেছ!!!! তায়েফের দারুণ মানে আসলেই বিশেষ কিছু ... :)

২. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৮
ভাঙ্গন বলেছেন: হুমম.....আজকেও পড়ে ভারী মজা পেলাম।
সফরনামা ভাল লেগেছে। পরে আরো পর্ব আছে জেনে আবারও উৎসাহবোধ করছি। এবং অপেক্ষায় আছি:)
আর ছবিগুলো দেখে নিজে ভ্রমন করে এসেছি মনে মনে....
:(
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ভাঙ্গন মজা পাচ্ছে দেখে আমার খুবই ভাল লাগছে ... ধন্যবাদ ভাঙ্গন সাথে থাকার জন্য :)

৩. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩১
অলস ছেলে বলেছেন: দারুণ। আগের পর্বটাও এখন মাত্র পড়লাম। তারপর ছবিগুলো আবার দেখলাম।



মনের আনন্দে ওয়ার্কিং আওয়ারেও সামুতে একটা চোরাগুপ্তা হামলা চালায় দিলাম... কয়েক লেখা না পড়েই মন্তব্য করে ফেললাম .... কয়েকটা লেখা এত ভাল লাগল যে কি লিখবো বুঝে পেলাম না ... নীরবে প্লাস দিয়ে প্রস্থান করলাম। :) :)

বুমবুম :)

ছবিগুলো লেখাটাকে সমৃদ্ধ করেছে। দেখতে দারুণ লাগলো।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ... আপনার সোজা সাপ্টা মন্তব্য বা লেখা আমার সব সময় ভাল লাগে ... আপনার আমার লেখা ভাল লাগায় খুবই ভাল লাগছে ... :) ...

বুমবুম খারাপ শব্দ :)

৪. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৯
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: এখন রন্ধন শিল্পটা এসো নিজে করি প্রজেক্টের আওতাভুক্ত হওয়ায় জমিয়ে আপনাদের মন্তব্যের উত্তর দিতে পারছি না... :| ... এসে মৌজ করে আড্ডা দিব... মাছ পুড়ে যাচ্ছে :(
৫. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪১
হাসান মাহবুব বলেছেন: ঝরঝরে লেখা, ঝকঝকে ছবি

সবমিলিয়ে চমৎকার পেলাচ দিতে অমত কার!

:) :D B-) ;) :#) :-B 8-| =p~
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: খাইছে ভাইডি তো দেখি ইমোটিনের মেলা বসায় দিছেন... দেখছেন চাইলে আমিও চলবে লেখার পর চালাতে পারি... থাইম্যা যাই না B-))

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: :) থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু ... প্লাস পেতে আমার খুবই ভাল লাগে :``>>

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: রোহান ভাই আপনার দোস্ত সাই ফাই সিজার ভাইরে সামলান ... শৈল্পিক ছবি বাদ দিয়া কার না কার ছবি খুঁজতাছে... ব্লগের সুচীলতা আর রইল না :D

৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৮
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: হ্যানয়ের মাইয়াগো ফটুক দিলা না যে X( X((
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০০

লেখক বলেছেন: উহা অন্য জায়গায় বন্দি করিবার বস্তু ভ্রাতা ... ক্যামেরার ফ্রেম উহার স্থান নহে =p~

৯. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৪
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: "হ্যানয়" শব্দটা শুনলেই কেমন যেন লাগে! ইয়েস-নো একসাথে! ঠিক আমাদের মনের মত!
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: আরি ঠিক এই কথাটাই আমার মনে হয়েছিল ... ট্রান্সলেশান করলে দাড়ায় ইট ইজ নট ইয়েস ... অদ্ভুত একটা বাক্য ... ঠিক বলেছেন আমাদের মনের মতই... দ্বিধা.. সংশয় ... হ্যাঁ নয়

১০. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৬
রোহান বলেছেন: ভ্রাতা সিজার... ভাবীরে নিয়া কয়দিন টেকনাফ থিকা ঘুইরা আহো... ইহার থিকা উত্তম পরামর্শ তুমার জন্য আর কিছু খুইজা পাইলাম না...

ভ্রাতা লেখক: অতিসত্বর বন্দীগনের কারাগার পরিবর্তনের আবেদন জানানো হইলো... সাইফাই লেখক কারারক্ষীর কূদৃষ্টি পড়িয়াছে....
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: ভ্রাতা রোহান ... এমনিতেই বন্দিগণের প্রিয় কারাগার পরিবর্তন আবশ্যক হইয়া পড়িয়াছে... অতিশীঘ্রই দেশে প্রত্যাবর্তন করিতেছি... অর্ধাঙ্গিনী উহার কারগারে অন্যকে দেখিলে কিরুপ বজ্রপাত সহকারে শিলাবৃষ্টি হইবে তাহা ভাবিয়াই আমার কোমল হৃদয় কম্পমান :(

১১. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৪
আহমেদ রাকিব বলেছেন: শামসু আর আমার নাম পর পর দেইখা কান্দন আইতাছে। লেখা ভাল লাগছে। আর ছবিও ভালো লাগছে। শেষ করছস শেষ পর্যন্ত, এইডাই আসল কথা।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: আমি জানি বেরাদার তুইও শামসুর পদাঙ্ক অনুসরণ করবি ... তাই একসাথেই দিলাম ... আনন্দ অশ্রু সংবরণ করতে নেই ... গলা ফাটাই কান্দ

অ:ট: তোর সাথে ক্যামেরা বিষয়ক কিছু কথা আছে... রাতে অনলাইনে কথা হবে... ডুব মারিস না

১২. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৬
রোহান বলেছেন: হুমম ভাবতাছি হ্যানয় যামুগা... সিজার যাবা নাকি ;)
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: চইল্যা আসেন ... সেরুম মজা হইবেক ;)

১৩. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫
শ।মসীর বলেছেন: কখনো যাইতে পারুম কিনা জানিনা, তয় তোমার চোখে দেইখা নিলাম।

ভাল লাগছে........।লিখে লিখে আমাগোরে তোমার বর্তমান আবাস পুরাটা দেখাইয়া দাও............
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: আমার জবাবটা রোহান ভাইডি দিয়া দিছে ;)

১৪. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৯
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: @রোহান:আগে সোনার গা চলো।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: চলো :)

১৫. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫২
রোহান বলেছেন: @নানা: বর্তমান আবাস তো টেম্পরারী জেলখানা, ডিটেইল ফটুক দিলে লেখকের আর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হইবো না....
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: আপনারে ধইন্যা :)

১৬. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০০
আহমেদ রাকিব বলেছেন: কুয়াশা নাই হইয়া গেছে তোমাগো সোনার গাঁ র প্ল্যান করতে করতে। তোমাগোরে দিয়া কিচ্ছু হইব না। সিজার ভাই দেশে আছে নাকি আগামী মাস। তাইলে চলেন সুন্দরবন যাই ডিপার্টমেন্ট থেইকা।
১৭. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৫
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: সামনের মাসের মাঝামাঝি কেউ সোনার গাঁ গেলে আমারে আওয়াজ দিয়েন আমি যেতে পারি :)
১৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১২
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: @রাকিব: ১৯,২০,২১ সুন্দরবন ট্যুরের প্ল্যান করছিলাম। ডিপার্টমেন্টের খবর তো জানি না!
১৯. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২২
আহমেদ রাকিব বলেছেন: ৫,৬,৭,৮ যাবেন? চলেন।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: ঐ বেটা আমি দেশে পৌছাবো ৭ তারিখ ... আমার জন্য ওয়েট করবি না

২০. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৮
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: @রাকু: ৫,৬,৭,৮ পার্তাম না। নেক্সট উইকে সিলেট যামু।
@প্রসূ: আমাগো লগে চলো সোনার গা।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: আবার জিগাই ... নতুন ক্যামেরা কিনার ধান্ধায় আছি নাইকন ডি ২০০ ঐটা দিয়ে ফটুক তুলুমনি :)

২১. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৪
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: রাকু বিরাট ফটুগ্রাফার। হের সামনে যাইতে ডরাই। কইবো ক্যাম্রাই ধর্তে জানি না, আবার কিলিক মারি। তাই হের লগে যামু না। :(
আমাগো লগে চলো। রোহান আছে, চিকনা পরাগ আছে। আর হেগোরে খ্যাদানের লাইগা আমি আছি :)
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: আহা রে... দিন কাটে না কেলা :(

২২. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫১
রোহান বলেছেন: হ কথা হাচা... রাকু তো আমারে নিবোই না... আমারডা তো পয়েন্ট এন্ড শুট, ম্যানুয়াল কিছু সেট করাই যায় না... ও আমার কুলপিকস দেখলে হয়তো হাত থিকা নিয়া পাশের নালায় ফালায়া কইবো এডি আবার ক্যাম্রা হইলো, এডিতে আবার ফটুক উঠানির খায়েস... এর থিকা চিকনা পরাগ আর মুডা চমশা সিজারই ভালা...
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: :)

২৩. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৫
আহমেদ রাকিব বলেছেন: ঐ আমি ঝামেলায় পরছিলাম। তাই আইতে পারি নাই। রাত ১১ টায় থাকবো অনলাইনে।
২৫. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০১
আহমেদ রাকিব বলেছেন: সবাই আমরে নিয়া এমুন করে কেন??????????
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: কারণ তুই বড় ফটুকওয়ালা তাই ...

২৬. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০২
রোহান বলেছেন: আমি টেকা জমাইছিলাম ক্যাম্রা কিনুম, বউ আর আম্মার কষ্ট দেইখা কিন্না ফেল্লাম ওয়াশিং মেশিন... হেই থিকা মনডা খ্রাপ হয়া আছে... আবার কবে টেকা জমামু আবার কবে ক্যাম্রা কিনার শখ হইবো...
২৭. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৩
রোহান বলেছেন: ডি২০০ !!??!!

দেড় লাখ আছিলো না দাম??!!??
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: বস ... ক্যামেরার সাইজ দেইখ্যা মন খারাপ হইয়্যা গেছে ... বডি বিশাল... তবে এটার মত ক্যামেরা হয় না... রিভিউতে পড়ছিলাম তুমি যদি ওজন নিয়া মাথা না ঘামাও তাইলে ডি২০০ বিকল্প নাই... শুধু বডির দাম চাইছে $৭৫০ ... লেন্স যদি ১৮ মিমি টাও কিনি আরো $৩০০ লাগব... :|

২৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৫
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: @রোহান: নু প্রব্লেম তুমি তুমার ওয়াশিং মেশিন নিয়াই চলো সোনার গা যাই :)
@রাকু: সবসময় জ্ঞানীদের থিকা দূরে থাক্তে হয়। (যেমন শেহাব)
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: হাছা কতা :)

২৯. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৬
রোহান বলেছেন: আইজকা বলগে মুনে হয় শেহাব ধোলাইপর্ব চলতাছে... যতদূর শুনছি শেহাবে অনলাইনে আছে... সামনে কার ধোলাইনামা আসে কিডা কইতারে ;)
৩০. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৭
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: দুরো মিয়া মোটে ২০০? আমার আরো বেশী ৪৫০, তয় ডি আগে না, পরে ....... :P
৩১. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৮
রোহান বলেছেন: আরে আমারডা সবথিকা বস

নাইকন কুলপিকস এস ৫০০

কই ডি আর কই এস... কই ২০০/৪৫০ আর কই ৫০০

নাইকন রকস :)
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আমিও এখন নাইকন পরিবারের সদস্য ... নাইকন রকস :)

৩২. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৮
পারভেজ বলেছেন: +++
শহরের মানুষগুলির কিছু পাওয়া গেলে আরো ভালো হতো, মিঃ প্রা শুন!
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: পারভেজ ভাই ... আপনি মনে হয় এই প্রথম আমার কোন লেখায় মন্তব্য করলেন... খুবি ভাল লাগছে...

শহরের লোকের অনেক ফটোগ্রাফ নিয়েছি ... রিক্সাচালক থেকে শুরু করে কর্পোরেট অফিসের বস :) ... আশা করছি সামনে ওদের নিয়ে কিছু লিখব ... আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

৩৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৩
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: তোমারে গরু খোঁজা করছি। দরকার আছে। মেসেঞ্জারে আসো।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: কারে খুঁজেন সিজার ভাই??

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: আয়া পড়ছেন ভাল কথা ... লেখা পইড়্যা কইয়েন কেমন লাগলু বুমবুম ভাই =p~

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: আমি গুগল টকে আছি :)

৩৭. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৫
রোহান বলেছেন: সিজারে প্রসূনরে খুঁজে ক্যা????
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৬

লেখক বলেছেন: ভিয়েতনামের ভিসার লাইগ্যা ইনভাইটেশন লেটার লাগব তাই =p~ ... রোহান ভাই দেশ তো রসাতলে গেল /:)

৩৮. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: ডি ৯০ এর শুধু বডির দামটা দেখে আমাকে জানাও। এখনি।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: আমি রাতে জানাতে পারব ... আমি আজকে যাব বাণিজ্য করতে :)

৩৯. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২০
রোহান বলেছেন: সিজারে কি কাল্লু গো দেশ ছাইড়া এলা বাট্টুগো দ্যাশে যাইবো.... হুমম কারাগারে বন্দী সংকট চলতাছে মুনে হয় ;)
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: বস বেশি বাট্টু না কইলাম ... মোটামুটি বাঙালিগো সাইজই :)

৪০. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২১
রোহান বলেছেন: দ্যাশ তো রসাতলে যাইবোই, আইজকাল সাইফুলেও ডেওলী সামুতে পোষ্টায় :)
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন: আজকে উনার বলগের সন্ধান পাইছি ... আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে .... কোন সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ পাই নাই যে সাইফুল ভায়ের ব্লগ উনার বৌ ভিজিট করে ... কি আশ্চর্য =p~

৪১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২১
আহমেদ রাকিব বলেছেন: ঠিক আছে। ডি ৯০ শুধু বডির দামটা শুইনা আসবা। সথে ৫০মিমি ১.৮ প্রাইম লেন্সের দামটাও শুনে আসবা।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: ওক্কে বড় ভাই ... সব শুনব ... মাগাড় দেশে গেলে ফটুক তুলার তালিম দিবা বুঝছো

৪২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২২
রোহান বলেছেন: রাকু তুমার ক্যাম্রাডা বেচবা নাকি ;) আমারে এসএমেসাইও... যদিও টেকা নাই, কেরডিট কারডে কিনুম নে ;)
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: কেরিডিট কারডে ... ঐ বেটার মাথায় স্ক্র‌্যাচ কইরেন =p~

৪৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৫
রোহান বলেছেন: আরে মিয়া সাইফুল ভাই এর ব্লগ শুধু না পুরা সামহোয়ারইনেই হের বউ এ বিচরণ করে... খালি নিকডা জান্তে পারলাম না... আফসুস...

সাইফুলের পোষ্টে কি আর এমনি এমনি এতোগুলান পেলাস পড়ে নাকি ;)
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: নাদান বালকতো তাই বুঝতে দেরী হইছে :)

৪৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩২
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: @রাকু: আমি আগে বুকিঙ দিসি কইলাম। X((
৪৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩০
তাজা কলম বলেছেন: ভাল লাগছে। ছবিগুলাও জব্বর হইছে। আপনারে জব্বর +
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার এরকম প্রেরণাদায়ক মন্তব্য পেয়ে নিজেকে খুবই তাজা মনে হচ্ছে :)

৪৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫
বড় বিলাই বলেছেন: শুন ভাইজানের লেখা সুন-দর লাগল।:)
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিস লাই :)

৪৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৮
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: কি হৈলো? খবর নিয়া যানাইলা না?
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: ক্যানন আর নাইকনের কোন ডিএসএলআর নাই ঐ রেঞ্জে ... :(

৪৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৫
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: কি হৈলো? খবর নিয়া যানাইলা না?
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে... :)

৫১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৫
চতুষ্কোণ বলেছেন: এই পর্বটাও দারুন হৈছে। ছবিগুলায় মন ভরে গেল:)
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধন্যবাদ .... :)

৫২. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৮
ডঃ জেকিল বলেছেন: বর্ননা ও ছবি সব সুন্দর। +
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ড: জেকিল :)

৫৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩
শত রুপা বলেছেন:
শীর্ষেন্দুর মানবজমিন পড়েছি। এখনও অবচেতনে ঘোরাফেরা করে ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: শীর্ষেন্দুর প্রতিটা লেখায় আপনার আমার অবচেতন মন নিয়ে খেলা করে কোন না কোন সময় ... :)

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :)

৫৫. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৫
সুবিদ্ বলেছেন: অনন্য একটা লেখা পড়লাম
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য অত্যন্ত উৎসাহ ব্যঞ্জক ... ধন্যবাদ আপনাকে :)

৫৬. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৭
রথে চেপে এলাম বলেছেন: চমৎকার বর্ননা। আর ছবিগুলোতো দারুন। :)
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ :)

৫৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনি যেমন সুন্দর করে লিখেন-তেমনই সুন্দর করে ছবিগুলো দিয়েছেন। সময় নিয়ে সবগুলো পোস্ট পড়ার ইচ্ছা করছি। আমি চেস্টা করি-কাজের ফাঁকে২ এমন ভালো পোস্ট পড়তে।

২১ তম প্লাস দিয়ে নিজেকে গর্বিত ভাবছি।
২০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: আর যাই বলেন ভাই আপনার মত ধারাবাহিকভাবে তো লিখতে পারি না :( ... এত আলস্য যে কেমন করে মানুষের থাকে তাই ভাবি... আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ :)

৫৮. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:১০
জুন বলেছেন: খুব ভালো বল্লে কম বলা হবে অনেেেেক ভালো বল্লেও কম।
ছবিগুলো দেখে পরিপূর্ন হোলো ভ্রমন কাহীনি।
বেশ সুন্দর বৈঠকী মেজাজে বর্ননা করেছেন ।
প্লাস++

অট;আমরা বেইজিং থেকে সিয়ান যাবার সময় সারা রাত ট্রেনে এমন খাবার কস্ট পেয়েছিলাম।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ....

৫৯. ২৫ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:২০
রেজোওয়ানা বলেছেন: বর্ণনা আর ছবি আমাকে হিংসিত করে তুললো.......
২৫ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মামুণি বলত ডাকাত ছেলে। যদিও আমার মনে হয় আমার মত ভেবুলকান্ত ছোটবেলায় আর কেউ ছিল না। তবুও মামুণি’র কথাতে যেন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ