somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম বাংলাদেশ।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিঃদ্রঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে যারা সচেতন তাদের এই প্রজেক্টটি সম্পর্কে অধিক সচেতন থাকা উচিত কারন এই প্রকল্পটিই বর্তমানে দেশের ডিজিটালাইজেশনের দিকে সবচেয়ে একটিভলি কাজ করে যাচ্ছে। তাই এখানে মনোযোগ সমালোচনা পরামর্শ প্রদান করা উচিত।

একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম বাংলাদেশ।

একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম মূলত: ইউএনডিপির আর্থিক সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ই-গর্ভনেন্স সেল এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ প্রোগ্রামটি বাংলাদেশের জাতীয় গুরুত্ব বিবেচেনা করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গৃহীত উদ্যোগ ও প্রোগ্রামের যথার্থ বাস্তবায়নে নিশ্চয়তা প্রদান করছে। একই সাথে, এই প্রোগ্রামটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে সমর্থন দিয়ে থাকে এবং প্রজেক্টের মূল্যায়ন এবং নিরীক্ষণে কারিগরী সহায়তা প্রদান করে থাকে। জাতীয় উন্নয়ন নীতিমালায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে মূল স্রোতধারায় আনয়নের লক্ষ্যে এ প্রোগ্রামটি কাজ করে যাচ্ছে এবং দেশের ই-গর্ভনেন্স ভিশন এবং কৌশল নির্ধারনে সহায়তা করছে যা দেশের উন্নয়নে ডিজিটাল সুযোগ সুবিধাকে জনগনের নিকট নিশ্চিত করতে পারে। এছাড়া দেশের জাতীয় ই-গর্ভনেন্স ভিশন পরিকল্পনায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সুবিধাকে সনাক্ত করা হয় এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে। এই প্রোগামের মূল উদ্দেশ্য হল :

১. জাতীয় ই-গর্ভনেন্স ভিশন সেটিং- স্থানীয় সফল উদ্যোগের সর্বোত্তম ব্যবহার, স্বার্থ এবং কৌশল,

২. নিম্নোক্ত প্রকল্পের সনাক্তকরণ, গঠন, কৌশলগত অংশীদারিত্ব, সম্পদ আরোহণ, ফলাফল প্রণয়ন, মূল্যায়ন কাঠামো এবং কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান:

ক. ই-গর্ভনেন্স ড্রাইভার প্রজেক্ট: কুইক উইন প্রজেক্টের মাধ্যমে জরুরী ই-গর্ভনেন্স কার্যক্র্রম শুরু এবং উৎসাহিত করা;

খ. পরিবেশ সহায়ক প্রজেক্ট: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ভিত্তিক প্রকল্প যা জনপ্রশাসনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সমাধানে টেকসই ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চয়তা প্রদান।

৩. ই-গর্ভনেন্স সেল এর দক্ষতা বৃদ্ধিকরন যাতে এই সেলের মাধ্যমে গৃহীত প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। প্রকল্পের নকশা প্রণয়নে ও পরিকল্পনায় দায়িত্ব ও কতর্ব্য নিরুপণ করা, প্রকল্পে জ্ঞানভিত্তিক সমর্থন, গুনাগুন নিশ্চয়তা, প্রকল্পের তত্ত্বাবধান, প্রকল্প বাস্তবায়নকালে ফলাফলের মূল্যায়্ণ এবং পরবর্তী প্রকল্প বাস্তবায়নে বর্তমান কৌশলের নিরীক্ষণ করা।

বাংলাদেশে ই-গর্ভনেন্স ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সাধারনত যে ধরনের ঝুকির সন্মুখীন হতে হয় তা নিম্নোক্তভাবে তিনটি “এ”(ইংরেজী অক্ষর ‘এ') এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্তভাবে বলা যেতে পারে। একসেস, এওয়ারনেস এবং এপ্লিকেশনস। বাংলাদেশের মত একটি উন্নয়নশীল দেশে অবকাঠামোগত উন্নয়নে মূলধন বিনিয়োগ একটি বড় ধরনের সমস্যা। এছাড়াও প্রযুক্তিভিত্তিক যন্ত্রপাতি ক্রয় করা এখনো এদেশের বেশিরভাগ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

এদেশে মোবাইলের ব্যবহার যোগাযোগ অবকাঠামোতে কিছুটা পরিবর্তন আনলেও সরকারী কর্মচারী এবং নাগরিকদের মধ্যে প্রযুক্তিভিত্তিক সচেতনতা খুবই কম। ই-গর্ভনেন্স প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মধ্য এবং উচ্চ পদস্থ সরকারী কর্মচারীদের মধ্যে এ ধরনের সচেতনতা তৈরি করা খুবই জরুরী।

বাংলাদেশের জনপ্রশাসন এবং অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে খুব কমই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। সফটওয়্যারের প্রয়োগের অভাব এবং ডিজিটাল কনটেন্ট এর স্বল্পতা সরকারী প্রতিনিধিদের নিকট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে এতটা সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।

উপরে উল্লেখিত এই তিনটি বিষয় ছাড়াও নীতিনির্ধারক মহলের সমন্বয়ের অভাব এবং বিভিন্ন সরকারী সংগঠনের বিচ্ছিন্ন মনোভাব জনপ্রশাসনে এবং নাগরিক সেবায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরো এক ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

একসেস টু ইনফরমশেন প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য হচ্ছে ই-গর্ভনেন্স সেলকে জ্ঞানভিত্তিক সেবা এবং কারিগরী সহায়তা প্রদান করা যা মূলত: জাতীয় ই-গর্ভনেন্স রূপকল্প তৈরীতে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করবে এবং এই রূপকল্প অর্জনে সকল জাতীয় প্রচেষ্টাকে সমন্বয় করবে। সরকারী আইসিটি চ্যাম্পিয়ন যেসব ব্যক্তিবর্গ কিংবা সংগঠন রয়েছে তাদের প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞান বৃদ্ধি করা এবং প্রজেক্ট / প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জ্ঞান বিনিময় করা এই প্রোগ্রামটির আরো একটি উদ্দেশ্য।

প্রজেক্টটির সম্প্রতী যে কাজটি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তা হলো নেশনাল ওয়েব পোর্টাল যার অধীনে শতাধীক কোটি টাকা খরচ করে ৬৪ জেলার ব্যানার লাইক তথ্য বাতায়ন করেছে। লিংক এখানে Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫২
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×