গত কিছু দিন যাবৎ অনলাইন মিডিয়ায় বাংলা টাপিং টুলি নিয়ে তোলপার হচ্ছে সে বিষয়ে সবাই কম বেশী অবগত আছেন। আজ আমি এ বিতর্কের চুড়ান্ত পোষ্টটি করছি। এর পর যা হতে পারে তা হলো। বিজয়ের কপিরাইট অনতিবিলম্বে বাতিল করা এবং মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা রজু করা।
আর কাজটির দায়িত্ব প্রথমত সরকারের, যদি ডিজিটাল সরকার বিষয়টি না বোঝে তবে যে কেউ বিজয়ের কপিরাইট বাতিল এবং মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে রিট আবেদন করতে পারেন।
ভূমিকাঃ সম্প্রতি বিজয় বাংলা টাইপিং সফ্টওয়ারে কথিত স্বত্তাধিকারী মোস্তফা জব্বার মিডিয়া একটি মন্তব্য করেন অন্য একটি বাংলা টাইপিং সফ্টওয়ার অভ্র কে নিয়ে। অভ্র নাকি তার বাংলা বর্ণমালার লেআউট চুরি করেছে। সেই সাথে অভিযোগের দ্বিতীয় অংশে নির্বাচন কমিশন ও ইউএনডিপির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন যে নির্বাচন কমিশন ও ইউএনডিপির প্রজেক্ট "নেশনাল আইডি কার্ড" প্রস্তুতে অভ্র ব্যবহার করে অন লাইনে কী-বোর্ড লেআউট দিয়ে হ্যাকারদের সাহায্য করেছেন জেলা ওয়েব পোর্টাল হ্যাক করতে।
এই মন্তব্যের উপর হাজারও পোষ্ট এসেছে অসংখ্য ব্লগে। সেগুলির ভেতর অনেক না জানা কথাও উঠে এসেছে। আর ঐ উত্তরগুলি দেখার আগে মোস্তফার হ্যাক বিষয়ক অভিযোগটা নিয়ে আলোচনা করে দেখা যায় আসলে এটা তো কোন অভিযোগই হয়নি বরং মোস্তফা গংদের ডিজিটাল বাংলাদেশের বানিজ্যে সূদূর প্রসারী পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হিসাবে শত কোট টাকা খরচ করে বানানো আমাদের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল এমনকি প্রতিটি মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইট আরও হাজার বার হ্যাক হবে। সামান্য বাচ্চারাই আমাদের সরকারী ওয়েব সাইট নিয়ে খেলা করবে কারন জব্বার গংরা তাই আয়োজন করেছে।
এরা সরকারী সবগুলো ওয়েব সাইটগুলো জুমলা নামক ফ্রী কনটেন্টট ম্যানেজম্যান্ট এপলিকেশন দিয়ে বানিয়েছে। যা দুনিয়ার আর কোন দেশ বানায়নি। আপনার আশেপাশের দেশের ওয়েবপোর্টাল সার্চ দিয়ে দেখুন পাওয়ার্ড বাই জুমলা কেন অন্য কোন ফ্রী সিএমএস দিয়েও করা না। কারন জুমলা ফ্রী সফ্টওয়ার হওয়ায় এটা কোটি কোটি বার ব্যাবহার হয়েছে। এর সিকিউরিটিতে মূলত গোপন বলে আর কিছু নেই। অধিকন্তু সবগুলি সরকারী সাইট একই ফ্রী সফ্টওয়ারে করে হ্যাকারদের কাজ আশি ভাগই সমাপ্ত করে দিয়েছে একই সাথে টোটাল সিসটেম বা যেকোন সাইট হ্যাক করতে।
চলবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



