somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মালয়েশিয়া সফর ( ভ্রমণ ডায়েরী )

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শুরুর কথা ঃ
ছাত্রজীবনে বন্ধুদের সাথে ভারত বা নেপাল যাওয়ার সুযোগ মিস করার পর থেকে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে বাইরে যাব ঘুরতে। কিন্তু টাকা এবং সময়ের অভাবে হয়ে উঠছিল না। শেষ পর্যন্ত এই বছর ফেব্রুয়ারীতে সুযোগ আসল। আমি এবং আমার নববিবাহিতা স্ত্রী মিলা ঠিক করলাম মালয়েশিয়া যাব। নিজেদের জমানো কিছু টাকা এবং বিয়ের উপহার হিসেবে পাওয়া ক্যাশ দিয়ে দেখলাম যে মোটামুটি সাড়ে ৪ দিনের একটা ট্যুর হয়ে যাবে । দেশের বাইরে অনেকবার গিয়েছি। কিন্তু শুধুমাত্র ঘুরতে যাব আমার স্ত্রী র সাথে প্রথমবারের মত, ভাবতেই উত্তেজিত বোধ করছিলাম। কাজেই সময় ঠিক করে ছুটির দরখাস্ত করতে ই আমাদের চাকুরীস্থল থেকে আমাদের ছুটি মঞ্জুর হল। আর আমরা ট্রাভেল এজেন্সী র মাধ্যমে ভিসার কাজ শেষ করে, টিকেট কেটে নির্দিষ্ট দিনে পৌঁছে গেলাম ঢাকা এয়ারপোর্টে।

ঢাকা এয়ারপোর্ট ছেড়ে যেতে সবসময় ই খুব খারাপ লাগে, কিন্তু এবার আগামী কয়েকদিনের স্বপ্নে বিভোর হয়ে আমরা ২ জন অল্প সময় পরেই মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান এ চড়ে বসলাম।গভীর রাত থাকায় আমরা প্লেন এ কিছুক্ষন পরেই ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুমিয়ে পড়ার আগে ব্যাগ থেকে বের করে আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিলাম কাগজপত্রের উপর। কাগজ বলতে ঢাকা থেকে আনা ইন্টারনেট থেকে প্রিন্ট করা কিছু কাগজ। সেখানে আছে মালয়েশিয়ান কিছু শব্দ, আছে কয়েকটা শহরের ট্যুরিস্ট স্পটের ঠিকানা এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমাদের হোটেল বুকিং এর কাগজ পত্র। আমাদের ট্রাভেল এজেন্সী র পরামর্শে আমরা ঠিক করেছিলাম যে আমরা সকল ট্যুরিস্ট স্পটে নিজেদের মত করে যাব, ট্যুরিস্ট গাইডের সাহায্য নিব না আর হোটেল ও নিজেরাই ঠিক করে নিব। কেননা তা না হলে খরচ বেড়ে যেতে পারে প্রায় ১৫০০০টাকা। যাই হোক, আমরা লাংকাভি, জেন্টিং আর কুয়ালালামপুর যাব ঠিক করেছিলাম। জেন্টিং এর ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম না, সময় পেলেই তবে যাব ঠিক করেছিলাম।

যাই হোক, প্রায় ৫ – সাড়ে ৫ ঘন্টার ফ্লাইট শেষে নামলাম কুয়ালালামপুর , সেখান থেকে আমরা আরেকটা ছোট্ট বিমান এ করে এক ঘন্টার ফ্লাইটে চলে আসলাম লাংকাভি/লাংকায়ি। আকাশ থেকেই দেখে মনে হয়েছিল খুব সুন্দর জায়গা। আর বিমান থেকে নামার পর মনে হল অসাধারন একটা জায়গা। এমন সুন্দর একটা ছোট্ট ছিমছাম এয়ারপোর্ট দেখেই মনে হল, শহর টা সুন্দর। এরপর বাইরে এসে ট্যাক্সি ঠিক করে পোঁছলাম হোটেল এ। ইন্টারনেট এর কাগজ গুলা দেখাতেই আমাদের বুকিং করা হোটেক রুম দেখিয়ে দিল। আগে থেকেই খালি থাকায় আমরা আগেই উঠে পড়তে পারলাম। এরপর একটা মালয়েশিয়ান সিমকার্ড কিনলাম, বাংলাদেশ এ ফোন দিয়ে জানালাম যে আমরা নিরাপদে পৌঁছেছি। একটু ফ্রেশ হয়ে নিয়েই আমরা আবার বের হয়ে পড়লাম।


লাংকাভি ঃ
লানকাভি শহরে বের হয়ে বুঝতে পারলাম, এখানকার ট্যাক্সি ড্রাইভার রা অনেক সৎ, এবং এখানে সমস্ত জায়াগায় যাওয়ার ভাড়া নির্দিষ্ট, এবং সেটাখুব কঠোর ভাবে মেনে চলে সবাই।ট্যাক্সিভাড়া নিয়ে নিশ্চিন্ত হওয়ার পরে আমরা প্রথম গেলাম “ ওয়াটার ওয়ার্ল্ড” এ । আর যাত্রা পথে লাংকাভির অসাধারণ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। ট্যাক্সি ড্রাইভার সগর্বে উনাদের নেতাদের কথা বললেন। বিশেষ করে ডঃ মাহাথির মুহম্মদ এর কথা।এবং জানতে পারলাম যে পুরা শহরটাই একটা টুরিস্ট স্পট এর মত করে গড়ে তুলা হয়েছে। রাস্তা ঘাট এত পরিষ্কার আর চারিদিকে এত গাছগাছালি আর পর্বত দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আরেকটা জিনিস দেখে অবাক হয়ে গেলাম অসংখ্য “পাম ট্রি”। এর কারণ জিজ্ঞাসা করতে ই ওরা বলল যে, ওরা এর পিছনে অনেক সময় এবং দিন এবং প্রচুর অর্থ খরচ করছে। এই পামট্রি থেকে পাওয়া তেল দিয়ে ওরা জ্বালানীর কাজ ও করতে পারে, সমস্ত রান্না বান্নার কাজ ও এর মাধ্যমে করে। যে কারণে এখন প্রচুর পামট্রি থাকায় ওদের পরনির্ভরশীলতা কমে গেছে। আমাদের বিস্ময় আর শেষ হচ্ছিল না। আমাদের বাংলাদেশ কবে এমন হবে ! আমাদের তো প্রচুর কাজ বাকি !

ওয়াটার ওয়ার্ল্ড ঃ এর ভিতরে ঢুকে মনে হল। একটা সাধারণ জায়গা কে খুব সুন্দর এবং পরিষ্কার করে সাজিয়ে ওরা একে অসাধারণ করে তুলছে। কত রঙ বেরং এর নাম না জানা পাখি,

বক, মাছরাঙ্গা ঘুরে বেড়াচ্ছে আর সবাই এত নিশ্চিন্তে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে আছে, তাতে মুগ্ধ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকলাম।এর পর একটু সামনে এগোতেই দেখতে পেলাম পানির নিচ দিয়ে একটা টানেল করা । সে টানেলে নিচে গিয়ে দাঁড়ালে মাথার উপর দিয়ে অনেক মাছ চলে , পাশ দিয়ে অনেক মাছ চলে যায়। আরেকটু এগোতেই দেখলাম অনেক পেঙ্গুইন হাঁটছে। আরেকটু দূরে ডলফিনের মত


কি যেন একটা ভেসে উঠছে আবার পানিতে চলে যাচ্ছে। এভাবে ওখানে কিছু সময় কাটানোর পরে চলে গেলাম পাশের সমুদ্র তটে।

এর নাম “লাংকাভি পারমাটা কেদাহ”, কক্সবাজারের মত ঢেউ নেই, অনেকটা শান্ত শিষ্ট তীর, পানির মাঝে অনেকদূর নেমে গেলাম। মাথার উপর প্যারাসুট এ করে অনেকে উড়ছে আর তাদের ধরে রাখছে সমুদ্রে চলমান কিছু স্পীড বোট। কোথাও হয়ত নানারকম ভেহিকল নিয়ে প্রস্তুত ওখানকার ছেলেরা।ওদের যানে উঠার জন্য কতরকম কসরত যে দেখাচ্ছে, কেউ কেউ বালুর মাঝে বসে গভীর মনোযোগে কি জানি শিল্পকর্মে ব্যস্ত। কেউ বানাচ্ছে বালুর তাজমহল, কেউ বা কোন পুতুল। আনন্দের আতিশয্যে পানির অনেক ভিতরে চলে গেলাম এবং জীবনের প্রথম ট্যুরিস্ট ভুল করলাম। খুশির চোটে আর খেয়াল করি নাই যে পকেটে ছিল মানিব্যাগ আর মোবাইল। লবানাক্ত পানিতে নোটগুলা ভিজে গেছে আর মোবাইল টা হয়ে গেল নষ্ট। আমি কিছু টা মন খারাপ করলেও মিলা আমাকে স্বান্তনা দিল। এরপর ২ জন সমুদ্রতীরের বালুতটে হাঁটলাম অনেকক্ষন। এরপর হোটেল এ ফিরার পথে কিছু খেয়ে নিয়ে রুমে ফিরে দিলাম ঘুম ।

এরপরদিন সকালে গাড়ি কে আগেই আসতে বলে দিয়েছিলাম। কাজেই নাস্তা করে ফ্রেশ হয়ে ই আমরা এদিন সকাল সকাল বের হয়ে পড়লাম। এই শহরে ২য় দিন। প্রথমেই গেলাম একটা সমুদ্র জেটিতে। অসংখ্য নৌকা, জাহাজ তীর ধরে দাঁড়ানো। জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলাম যে এখান থেকে ওরা মাছ বা অন্য পণ্যের ব্যবসা করে আর তা করে প্রধানত প্রতিবেশী সিঙ্গাপুরের সাথে।

ওখানে কিছুক্ষন কাটিয়ে রওয়ানা হলাম বহুপ্রতীক্ষিত কেবল কারের উদ্দেশ্যে। ওখানে পোঁছে টিকেট কেটে ভেতরে ঢুকেই তো আমার চোখ ছানাবড়া, একেক্টা কেবল্ কার আসছে আর ওটাতে ৫/৬ জন করে উঠে পড়ছে আর সেটা চলে যাচ্ছে অনেক দূরের পর্বতের কাছে, এবং সেটাকে পার হয়ে আরো দূরে। আমরা একটা তে উঠে পড়লাম। আর উঠতে থাকলাম অনেক উপরে। প্রথম প্রথম অনেক ভয় লাগছিল, পরে আর বেশি লাগে নাই। কারণ উঠার গতিটা ছিল খুব আস্তে এবং ছিল মসৃণ।

চারিদিকে সবুজের ছড়াছড়ি, শান্ত ঠান্ডা পর্বত দাঁড়িয়ে আছে সগৌরবে,এরপর আমরা মনে হল অনেক সময় ধরে উঠছি আর উঠছি। একসময় মনে হলে মেঘ আর খুব বেশি দূরে নেই। এরপর আমরা প্রথম পর্বত এ উঠলাম। ওখানে কিছুক্ষন থেকে ২য় এবং সবশেষে ৩য় পর্বতে আসলাম। ৩ এ বেশ কিছুক্ষন থেকে আবার যখন ফিরে আসছি, মনে হল এত নীচে কিভাবে যাব ! যাই হোক আল্লাহ র নাম নিয়ে উঠে পড়লাম এবং আবার একটা চমতকার তার ভ্রমন হয়ে গেল। নিচে নেমে ট্যক্সি ড্রাইভারের সাথে আইস্ক্রীম খেয়ে পরবর্তী গন্তব্যে রওয়ানা হলাম। আমাদের এবারের টার্গেট জলপ্রপাত।

জলপ্রপাতে যাওয়ার আগেই পথে পড়ল আরেকটা সমুদ্র তীর। আসলে দ্বীপশহর হওয়ায় এত বেশি সমুদ্রতীর পাওয়া যাচ্ছিল। ওখানে কিছুক্ষন থেকে আমরা এরপর গেলাম লাংকাভির সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত “দুরিয়ান পেরাঙ্গিন” এ। চারিদিক শান্ত শিষ্ট , টুরিস্ট রা ঘুরে বেড়াচ্ছে আর আমরাও উঠতে লাগলাম পাহাড়ের খাঁজ কেটে বানানো সিড়ি দিয়ে উপরে। আর পাশ দিয়ে বয়ে চলা জলপ্রপাতের সোর্স খুঁজতে খুঁজতে উঠতে লাগলাম আড়ো উপরে। কিন্তু অর্ধেক পথ গিয়ে হাঁপিয়ে গেলাম। সেখান এ কিছুক্ষন কাটিয়ে নিচে যখন নামলাম, তখন বেশ দুপুর হয়ে গেছে। এরপরে আমরা আমাদের পরবর্তী গন্তব্যের দিকে রওয়ানা দিলাম।

এরপর আমরা যেখানে আসলাম সেখানে বোট রাইড নেয় ঘন্টা হিসেবে। আমরা ১ ঘন্টার জন্য বোট ভাড়া করলাম। এরপর লাইফ জ্যাকেট পড়ে উঠে পড়লাম স্পীড বোটে। সাঁতার জানা না থাকায় কিছুটা টেনশন ও ছিল বটে। যাই হোক মাঝি ভাই এর সাথে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। পুরা ট্যুরিজম টাকে এতসুন্দর করে ম্যানেজ করা হয়েছে , কোথাও টিপস পন্ত কেউ চায় না। কেউ বিরক্ত করে না, আর খুব চমতকার নিরাপত্তা। আমাদের মাঝি আমাদের প্রথম নিয়ে গেল “ব্যাটকেইভ”এ। ওখানে আমরা পনেরো মিনিট সময় পেলাম ঘুরে দেখার জন্য। গুহার ভিতরে অনেক অন্ধকার থাকায় আমাদের হাতে টর্চ দিয়ে দিল । ভিতরে এত চুপচাপ, সমস্ত ট্যুরিস্ট রা এক অজানা কারণে নীরবতা নষ্ট করতে চাচ্ছে না, বা ভয় পাচ্ছে। আমি টর্চ লাইট জ্বালিয়ে গুহার ছাদে পাহাড়ের গায়ে আলো ফেলতেই কিছুটা ভয় পেলাম। হাজার হাজার বাদুড় ছাদের সাথে ঝুলে আছে। প্রথম বার ভয় পেয়ে বাতি নিভিয়ে দিলেও আবার জ্বালালাম। কল্পকাহিলীর ভ্যাম্পায়ারের খোঁজে এদিক সেদিক তাকালাম। কিছুক্ষন ঘুরাঘুরি করে আবার আমরা আমাদের নৌকায় উঠে বসলাম। স্পীড বোট আমাদের নিয়ে এরপর গেল “ঈগল’স ফিডীং” এ। ওখানে গিয়ে দেখলাম আকাশ এ উড়ে বেড়াচ্ছে বিরাট সুন্দর কিছু ঈগল পাখি। জানতে পারলাম এটা তাদের খাদ্য গ্রহন জায়গা। আর লাংকাভি নামের অর্থ যে কেন লালচে বাদামী ঈগল তাও বুঝতে পারলাম। একটু ভয়ে থাকলাম , কখন না আমাদের ই শিকার করতে আসে। এরপর আমাদের নিয়ে গেল “ফিশ ফিডীং” এ। ওখানে অনেক মাছ কে নিজের হাতে খাওয়ানোর সুযোগ আছে। আমরা ২ জন ই বেশ কিছু মাছ কে খাওয়ালাম। একটা পাউরুটির টুকরাকে পানিতে ভিজিয়ে কিছু মাছের কাছে নিয়ে গিয়ে বলল খাওয়াতে। পাউরুটির টুকরা কে আঙ্গুলে পেঁচিয়ে পানিতে ডুবাতেই কোথা থেকে মাছেরা এসে আমাদের আঙ্গুল থেকে নিয়ে খাওয়া শুরু করল। আমার আঙ্গুল যখন ওদের মুখের ভিতর ঢুকে যাচ্ছিল, অদ্ভুত একটা অনুভুতি হচ্ছিল। অবশ্য ওখান কার লোকেরা সাবধান করে দিল যে সব মাছ কে যেন না খাওয়াতে যাই, অনেক মাংশাসী মাছ ও আছে, তাহলে আঙ্গুল নিয়ে আর ফিরা যাবে না।

এরপর আমাদের সময় শেষ হয়ে আসছিল, আমরা আবার আমাদের স্পীড বোটে চড়ে বসলাম। বিকালে র আলোয় আমরা ফিরে যাচ্ছিলাম তীরে। বিকালে র আভায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অসাধারন রূপ, এদেশের মানুষের আতিথেয়তা, সততা, আর বিকালের আলোয় উদ্ভাসিত আমার স্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে মনের মাঝে অপরিসীম শান্তি অনুভব করছিলাম। এরপর ট্যাক্সি নিয়ে হোটেল এর কাছে ফিরে আশে পাশে র মার্কেট এ কিছুক্ষন মার্কেটিং করে ফিরলাম হোটেল । পরবর্তী দিন সকালে আবার ফ্লাইট। এরপর গন্তব্য কুয়ালালামপুর। সেখানে এবং পরবর্তীতে জেন্টিং এ ও কিছু চমতকার সময় কাটানোর সৌভাগ্য আমাদের হয়েছে, কিন্তু পরের দিন সকালে যখন লাংকাভি এয়ারপোর্ট থেকে ফিরতি বিমান ধরলাম বুকের মাঝে একটু কষ্ট হচ্ছিল এত সুন্দর জায়গা ছেড়ে যেতে। মনে মনে ঠিক করলাম , আবার আসব এখানে কোন একদিন টাকা জমিয়ে ।
বিদায় লাংকাভি।


সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৫৭
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×