আমার প্রিয় পোস্ট

যত বড় শহর, তত বড় একাকীত্বতা...

শেষের সময় - বার্ধক্য... (শেষ পর্ব)

১১ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২

শেয়ার করুন:                   Facebook

প্রথম পর্বঃ Click This Link


ডোরবেল বাজাতেই ছুটে এসে দরজা খুলে দেয় নাতিটা। ঘের ঢুকতেই দাদুকে জাপটে ধরে জানতে চায়-
" পেয়েছো দাদু ? "
আবেদীন সাহেব কিছু বলেন না। নাতিটার মাথায় হাত বুলোয়। রান্নাঘর থেকে ছুটে এসে ছেলেটার হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে যায়। দু-একটা চড়-থাপ্পরও দেয়। ক্রোধ ভরা মনে বলতে থাকে -
" আশায় আছো কম্প্যুটার দেবে ? কিচ্ছু দেবেনা। টাকা পেলেও দেবেনা। ওই টাকা কোথায় কোথায় খরচ হবে তার হিসাবও হয়ে গেছে। আমি কি পেয়েছি ? সংসারের ঘানি টানতে টানতেই জীবন শেষ হয়ে গেছে। যেন আমার কোন শখ - আহ্লাদ নেই। আমার কোন স্বাধীনতা নেই। "
রাগের ঝাল মেটাচ্ছে ছেলেটাকে প্রহার করে। আর কথাগুলো বলছে আবেদীন সাহেবকেই উদ্দেশ্য করেই। তবে তা সোজা পথে সরল ভাষায় নয়, বাঁকা পথে। ক্রোধ প্রকাশের জন্য মানুষ সবসময় একটা রাস্তা খোঁজে সেটা সোজা হোক আর বাঁকাই হোক। এমন ভাবে কথাগুলো বলা হচ্ছে যেন টাকাগুলো তিনি পেয়েছেন কিন্তু বলছেন না। সবাই শুধু চাইছে, ভাবছে আমি কি পেয়েছি ! এই আমি এবং কি পেয়েছি এই সীমানার মধ্যেই বন্দী হয়ে আছে মানুষ আর মানুষের চিন্তা-চেতনা। এই সীমানা কেউ টপকাতে পারছেনা, নাকি চাইছেনা ! আবেদীন সাহেব সব শোনেন কিন্তু কিছু বলেন না। একটা দীর্ঘশ্বাস গোপন করে চলে যান তার ঘরে।

কাপড় ছেড়ে হাত-মুখ ধুয়ে নেন। পানির ছোঁয়া লাগতেই জ্বলে উঠছে ক্ষতগুলো। চিনচিন করে জ্বলছে। ভেতরের - বাইরের সব ক্ষতগুলো।
হাত - মুখ মুছে ইজি চেয়ারটাতে বসেন। ঘরে তিনটি প্রান নাতিটা, বৌমা আর তিনি। তবু ঘরটা নিশ্চুপ। শুধু মাঝে মাঝে হাড়ি পাতিলের ঠুকঠাক শব্দ। ছেলেটা সংসারের বোঝা কাঁধে নিয়ে বড্ড ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছে। সেই
সকালে বেরিয়ে যায়। ফিরতে ফিরতে সেই রাত দশটা - এগারোটা। তারপর ক্লান্তির কাছে আত্মসমর্পন। আবার ভোর আসে আবার শুরু হয় ব্যাস্ততা। এক ছুটির দিন ছাড়া দেখাই পাওয়া যায়না। আসলে সন্তানরা যখন বড় হয়ে যায় তখন তারা আর পিতা-মাতার নিজস্ব সম্পত্তি থাকেনা। তারা হয়ে যায় সংসারের, জগতের। মেয়েটাও ক্লাস থাকুক আর না থাকুক
প্রতিদিন বের হওয়া চাই। ইউনিভার্সিটি চত্বর, বন্ধু-বান্ধব, আড্ডা এই করেই সারাটা দিন কাটিয়ে দেয়। ঘরে ফেরে সন্ধ্যার পরে, কখনও রাত আটটা - নয়টাও হয়ে যায়। অসুবিধা কি নারীরা স্বাধীন হয়েছে না ! যে স্বাধীনতা নারীদের ঘরের চৌকাঠ পেরিয়ে বাইরের পানে ডাকছে। মেয়েটা স্বাধীন হয়েছে, বৌমা স্বাধীনতা চাইছে। বাইরের জগত হাতছানি দিয়ে ডাকছে। বাইরের জগতের মোহে নারীরা ছুঁটছে বাইরে। তাহলে কি তিনি নারী স্বাধীনতা বিরোধী ? বুঝে উঠতে পারছেন না। আসলে স্বাধীনতা মানেটাইবা কি ? একটা থেকে স্বাধীনতা মানে অন্যটার অধীনতা। তবু স্বাধীনতা একটা মুল্যবান কিছু ! নারী - পুরুষ সবাই ছুটছে বাহিরপানে। ঘরের জগতের চেয়ে বাইরের জগতটাই বেশী সময় কেড়ে নিচ্ছে। এদিকে অযত্নে অবহেলায় সংসার জট পাকিয়ে যাচ্ছে অগোছালো সুতলির মত।
কুহেলিকাময় এবং জঞ্জালে পুর্ণ বাইরের জগতটার সাথে কুলিয়ে উঠতে পারে কি নারীদের কোমল হৃদয় ? না পেরে বারবার তারা হচ্ছে প্রতারিত।
যে জগতটার সাথে নারীদের পরিচিত করানোর জন্য আহবান করা হচ্ছে সেই জগতটাকে ঠিক না করে তাদেরকে প্রতারনার শিকার হবার সুযোগ করার কি মানে আছে ? বাইরের সমস্যা সংকুল জগতটাতে নারী আর পুরুষ হয়ে যাচ্ছে প্রতিদ্বন্ধী। তিনি নারী স্বাধীনতা বিরোধী নন। তবে স্বাধীনতার অবমুল্যায়ন এবং যুদ্ধংদেহী মনোভাবের বিরোধী। তিনি এটুকু বোঝেন, নারীরা এমন কিছু সহজাত গুনাবলীর অধিকারী যেখানে পুরুষরা কুলিয়ে উঠতে পারবেনা, আবার পুরুষের সহজাত গুনাবলীর কাছে নারীরা কিছুইনা। উভয়েরই উচিত উভয়ের সহজাত গুনাবলীগুলোর সাথে স্বমন্বয় সাধন করে জীবন যাপন করা। এই কম্বিনেশনটাই বড্ড প্রয়োজন এই সমস্যা সংকুল পৃথিবীতে পথ চলতে।

কোন কাজ নেই, তবু সময় বয়ে যাচ্ছে দ্রুত - কলস্বরা। দুপুর শেষে বিকেল হয়ে গেছে। খবরের কাগজটা পড়া হয়নি। সেটা নিয়ে বসেছেন। হেডলাইন ইরাকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রস্তুতি। ভাল করে খুটিয়ে খুটিয়ে পড়েন বিশ্ব সংবাদগুলো। যুদ্ধের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র।
চোখ থাকে খবরের পাতায় কিন্তু ভাবনার দৃষ্টি খবরের কাগজ ভেদ করে চলে গেছে অনেক গভীরে। যার ক্ষতি হয় হোক, যত মানুষ মরে মরুক তাতে কিছু আসে যায়না। আপন স্বার্থ চরিতার্থই আসল কথা। ইতিহাস কি বলে ? প্রথমে সারাবিশ্ব দাপট করেছে ইউরোপ, শুষে নিয়েছে দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে। তারপরে আসল যুক্তরাষ্ট্র, আবার সময়ের নিয়মে অন্য কেউ আসবে। এভাবেই চলবে দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার। ছাত্রজীবনে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের কথা বলতেন। এখন ভাবেন আসলে কোন তন্ত্রে-মন্ত্রে লাভ নেই। যতক্ষন পর্যন্ত তন্ত্র - মন্ত্রের শীর্ষে থাকা মানুষগুলোর অন্তর কলুষতা মুক্ত না হবে। সব বিপ্লবের আগে প্রয়োজন মানুষের মনের আত্মশুদ্ধি। মানসিক বিপ্লব।

পড়ন্ত বিকেল। আকাশ রক্তিম বর্ণে সেজেছে। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে গোঁধুলী
লগ্ন দেখছেন আবেদীন সাহেব। কখনও কংক্রিটের জঙ্গলের মত নগরটাকে দেখছেন। কোন সবুজ মাঠ নেই, যেখানে শিশুরা ছুটোছূটি করতে পারে। পুকুর নেই যেখানে সাঁতার কাটতে পারে। কি রেখে যাচ্ছি আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ? আবারো প্রশ্ন ! আজকাল কি যে হয়েছে, ছোট - বড় সব বিষয়েই গভীর ভাবনা এসে জড়ো হয়। যেন জীবনের শেষের পথে এসে খুঁজে ফিরছে জীবনের আসল দর্শন। যেন সে একজন শেষের দার্শনিক। বার্ধ্যকের সময়টা বোধ হয় এমনই !

সন্ধ্যার পরেও কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে রইলেন বারান্দায়। আরও কিছুক্ষন থাকার ইচ্ছে ছিল। কিন্ত পারলেন না, শরীরের ক্ষতগুলো শুকোচ্ছে, ব্যাথায় টনটন করছে। গা গরম হয়ে আসছে। আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন না। ঘরে এসে বিছানায় শুয়ে পরলেন। শুয়ে শুয়ে অতীতের কথা ভাবেন। বাজী ধরে সাঁতরে নদী পার হবার কথা, সেই কানামাছি, ডাংগুলি, হাডুডু খেলার কথা। কত আঘাত পেয়েছেন কিন্তু তখন সেগুলোকে কিছুই মনে হয়নি, মামুলি। আর আজ ! সামান্য ব্যাথায় কাহিল হয়ে পরেছেন। ছোটবেলায়
অসুখ হলে মা শিয়রের পাশে বসে থাকতেন বিশ্বাসী প্রহরীর মত। মাথায় জ্বলপট্টি আর বিধাতার কাছে পুত্রের সুস্থতা কামনা করতেন। অথচ আজ !
শেষ জীবনে এসে এক সিমাহীন নিস্বঙ্গতা নিয়ে কাটছে সময়টা। একা শুধুই একা, বোঝার মত কেউ নেই। মন শুধু বিদ্রোহ করছে প্রানপন পিছে ফিরে যাবার ইচ্ছায়। যদি আবার সেই যৌবনটাকে ফিরিয়ে আনা যেত, তাহলে সব বদলে ফেলা যেত। বুঝিয়ে দেয়া যেত সে একা ঠিকই কিন্তু দুর্বল নয়। কিন্তু উপায় নেই। শেষ সময়টা এমনই, যেখানে অনিবার্যতা আর মেনে নেয়াটা নির্মম নিয়তিতে বাঁধা।

শরীর কাপিয়ে জ্বর আসছে। দুর্বল লাগছে। নড়াচড়া করতে ইচ্ছে করছেনা।
কিছু ক্ষেতেও ইচ্ছে করছেনা। তার খুবই প্রিয় একটা গান আছে। সেই গানটা শুনতে ইচ্ছে করছে। আবেদীন সাহেব রেকর্ডটা প্লে করে দিয়ে কাঁথা জড়িয়ে শুয়ে পরলেন। রেকর্ডটা বাজছেঃ
-----" পথিক পরান চল, চল সে পথে তোর যে পথ দিয়ে গেলরে তোর বিকেল বেলার জোর। যে পথ বেয়ে গেছে যে তার সন্ধ্যা মেঘের সোনা, প্রানের ছায়া বিথীর তলে গানের আনাগোনা, রইলো না কিছুই। যে পথে তার পাপড়ি দিয়ে বিছিয়ে গেল ভুল, অন্ধকারে সন্ধ্যাজুথির স্বপনময়ী ছায়া, উঠছে ফুটে তারার মত কায়া বিহীন মায়া, ছুঁই তারে না ছুঁই। পথিক পরান চল, চল সে পথে তোর..."-----

চোখ বুজে শুয়ে আছেন তিনি। চোখের কোন বেয়ে ঝড়ে পরছে অশ্রুধারা, অবুঝ শিশুর মত। একসময় সে অশ্রু শুকিয়ে সাদা নোনা জমে যায়। নিজের অজান্তেই কখন যেন ঘুমিয়ে পরেন তিনি। আপন মনে বাজতে বাজতে বন্ধ হয়ে যায় রেকর্ডটা।

চারপাশ জুড়ে পাকা ধানের ক্ষেত। বাতাসের দোলায় দোল খাচ্ছে পুরো ক্ষেত জুড়ে। আবেদীন সাহেব সেই ক্ষেতের মাঝে দাড়িয়ে আছেন। বাতাসের ছোঁয়ায় সে যেন নতুন প্রানের দোলা অনুভব করছেন। বেশ কিছু দুরে ক্ষেতের মাঝে এক বিশাল ছায়াবৃক্ষ দাড়িয়ে আপনমনে। সেই বৃক্ষটা যেন আবেদীন সাহেবকে যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। তার বোধ বলছে তাকে সেই বৃক্ষটার কাছে যেতেই হবে। ক্ষেতের সরু আল বেয়ে প্রচন্ড গতিতে ছুটছেন সেই গাছটার দিকে। গাছটার নীচে এসে পৌঁছেছেন। গাছটার তলে দাঁড়িয়ে কি যেন একটা খুঁজছেন। হ্যাঁ, খুঁজে পেয়েছেন। গাছের মগডালে বসে আছে একটা সবুজ, গাঢ় সবুজ পাখি। বেশ তরতাজা, দেখতে অপুর্ব। পাখিটার নামটা যেন কি ? মনে করতে পারছেন না। কিন্তু বড় চেনা চেনা মনে হচ্ছে। কোথায় যেন দেখেছেন। যে আকর্ষনের বোধ তাকে এই গাছের নীচে নিয়ে এসেছে সেই বোধ বলছে, ঐ পাখিটাকে ধরতে হবে। আবেদীন সাহেব প্রস্তুত হয়ে গাছে উঠছেন, পাখিটাকে ধরার জন্য। খুব সাবধানে সেই ডালে চড়লেন যে ডালে পাখিটা বসে আছে। যেই খপ্ করে ধরতে যান তখনই পাখিটা উড়ে গিয়ে অন্য ডালে বসে। আবেদীন সাহেব হাল ছাড়েন না। আবার সেই ডালে চড়েন তিনি। আবরো পাখিটা উড়ে যায়। এভাবে এ-ডাল থেকে ও-ডালে, ও-ডাল থেকে এ-ডালে ছুটছে পাখিটা, যেন ধরা দিতে চাইছেনা। আবেদীন সাহেব ও ছোটেন পাখিটার সাথে সাথে।
এক সময় এক অস্থিরতা নিয়ে ধরফর করে লাফিয়ে ওঠেন ঘুম থেকে। ঘামে পুরো শরীরটা ভিজে একাকার। হিম হয়ে গেছে শরীরটা। নিথর - নিশ্চুপ হয়ে বসে এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন, কিন্তু কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না। চারপাশ জুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার।




-----------------------------------------------
লেখার তারিখঃ ২৯ শে ডিসেম্বর ২০০২
স্থানঃ যান্ত্রিকনগর (ঢাকা)
-----------------------------------------------







 

 

  • ৫৬ টি মন্তব্য
  • ২৮০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৮
comment by: হুমায়ুন বলেছেন: আগের পর্ব গুলোর লিংক দেন।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন:
এটা দুই পর্বেই শেষ। আর মানুষের ভীড়ে নামক লেখাটা চার পর্বে শেষ করেছি।

প্রথম পর্বের লিংকঃ
Click This Link

২. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০
comment by: কিরিটি রায় বলেছেন: অন্ধকার টুকু কি ছোট ঘরের?
তবে গল্পের দারুন দোত্যনা আসে...

আর যদি হয় ঘরের বিছানায় তবে যেন কেমন হঠাৎ খেই হারিয়েছি মনে হয়....(একান্তই আমার কাছে)...

তবে, ভাল লিখেছেন।+
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন:
সবুজপাখি ধরতে গিয়েও ধরতে পারছেন না। আর সেটা তিনি পারবেনও না কারন, সবুজ পাখিটা যৌবনের একটা প্রতিচ্ছবি।
সেটা না পেরে তার স্বপ্ন ভঙ্গ হয়, আর ছোট ঘরটায় অন্ধকারের আবহ সেটা তার শেষের জীবনটায় জড়িয়ে আছে।

অন্ধকারটুকু সে দেখতে পাচ্ছে ছোট ঘরে কিন্তু বাস্তবতায়তো পুরোটা জীবনেই। তার পারিপার্শ্বিকতায়, তার চিন্তা - ভাবনার বহিঃপ্রকাশে।

ধন্যবাদ, এভাবে গভীরভাবে পাঠ করে অর্থবহ মন্তব্য করার জন্য।
আপনার আমন্ত্রন সর্বদা আমার উঠোনে।

৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৪
comment by: মমমম১২ বলেছেন: শব্দে এত সুন্দর করে বাস্তবতাকে একেছেন সব যেন দেখতে পাচ্ছি।
লেখার সময় কি আপনার সামনে ছবি ভাসে?
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন:
প্রথমেই আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আর ছবি কল্পনায় চোখর সানে নিখঁতভাবে না ভাসে তবে কি উপলব্ধি
করা যায় ! আর তা নাহলে কি লেখা যায় ? আমি পারিনা বা আমি দেখার চেষ্টা করি।
আর প্রথমে বলেছিলেন শুরুটা সুন্দর হয়েছে, শেষটা কেমন হল বললেন না তো !

৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: কাল রাতে পড়ব। একটু ব্যস্ত আছি। অনেক অনে ধন্যবাদ ভাই।
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮

লেখক বলেছেন:
ঠিকআছে। ধন্যবাদ।

৫. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০৬
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: ফিনিশিং টাই বলে দিচ্ছে আপনি এটা নিয়ে কত ভেবেছেন, আর আপনার লেখনি শক্তি, আমার দারুন লেগেছে।
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ বাপ্পীভাই। আসলে আমি এখন যেভাবে ভাবি ঠিক সেভাবে লিখতে পারিনা। এসব আগের লেখা।

শুভেচ্ছা রইল।

৬. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০৬
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: নতুন কবিতা দিয়েছি।
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন:

ঘুরে এসেছি আপনার বাড়ীতে।

৭. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
comment by: সুরভিছায়া বলেছেন: মান সম্পন্ন লেখা।ধন্যবাদ।
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদসহ শুভেচ্ছা।

৮. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
comment by: পুষ্প বলেছেন: আমার খুব মনে হয় আপনার লেখাগুলো যদি বইয়ের মধ্যে পেতাম তাহলে লংটাইম লাগিয়ে অনুধাবন করে পড়তাম।:)

আর বৃদ্ধদের কত কষ্ট,আমি ভাবি বড় হলে সরকারি চাকুরি করব তাতে করে বার্ধক্যে পরিবারের মানুষেরা এটলিস্ট ছুড়ে ফেলে দেবে না।পেনশন পাবতো এজন্যে( এতান্তই আমার নিজস্ব ভাবনা)

আপনার কল্পনার প্রকাশগুলো দুর্দান্ত।পড়তে পড়তে চোখের সামনে এসে পড়ে ।আর মনে হয় এটাই লেখকের সার্থকতা।

+
++++
+

এবার +গুলো আপনার শোকেসে রেখে দেন।;)আপনি আমাদের +গুলো কুড়িয়ে কই যে রাখেন আল্লা মালুম।:)
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: হাসলাম, যদিও আমি খুব একটা হাসিনা। কারনগুলো শুনবেন ? না থাক...
কিছু কিছু ব্যাপার কখনই বলতে নেই। যা একদম নিজের।

আল্লামালুম না, আপনারাও মালুম করেন,
আমার মনের মধ্যে রাখি একান্ত সংগোপনে স্বযত্নে রাখি।

৯. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪৯
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: সময়ের অভাবে পড়া হয়ে উঠেনি...........

কাল পড়বো আশাকরি।

ভালো থাকুন

শুভেচ্ছা ।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন:
হুমমম...

১০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৭
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: নতুন কই?
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২১

লেখক বলেছেন:
পুরোনো লেখা দিতে ইচ্ছে করছেনা। নতুন কিছু লেখা শেষ করি করি করেও শেষ করতে পারছিনা।
দেই আস্তে আস্তে।
কেমন আছেন ? আমাদের ভাতিজা/ভাতিজি দুনিয়ার আলো দেখলে সুখবরটা দিয়েন।

১১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৫
comment by: মমতাজ জাহান বলেছেন: চমৎকার ব্লগ। ধন্যবাদ এবং প্লাস
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকেও।
শুধু লেখাই নয়, চমৎকার ব্লগ !!! এর মানে কি দাড়ায় ?

১২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২০
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: । পানির ছোঁয়া লাগতেই জ্বলে উঠছে ক্ষতগুলো। চিনচিন করে জ্বলছে। ভেতরের - বাইরের সব ক্ষতগুলো।----------কথাগুলো অনেক কষ্টের।
মানুষ একা হয়ে গেলে এমনই ভাবনার উদয় হয়।

হিম হয়ে গেছে শরীরটা। নিথর - নিশ্চুপ হয়ে বসে এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন, কিন্তু কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না। চারপাশ জুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার।...........আপনার ভাষাগত দিকটা আমাকে অনেক বেশি মুগ্ধ করেছে।
গল্পটা ঠিক যেনো চোখে কাউকে দেখা এক বৃদ্ধের গল্পের মতন।

নতুন লেখার অপেক্ষায় আছি।
শুভেচ্ছা ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন:
অপেক্ষাতে থাকুন, জানিনা কবে পয়দা হবে।

১৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৮
comment by: পুষ্প বলেছেন: আপনার রেস্টের দিনকাল কেমন চলছে?
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন:
উধাও ভাবনা আর অফিসের চাপ এই দুই মিলে মাথার মধ্যে জট পাকাচ্ছে অগোছালো সুতলির মত। রেস্ট তোমায় দিলাম ছুটি... (চিরতরে)।

কেমন আছেন ?

১৪. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: নতুন লেখা কই???
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২৮

লেখক বলেছেন:
নতুন লেখা মাথার মধ্যে আর ডায়েরীতে।

১৫. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯
comment by: পুষ্প বলেছেন: কেমন আছেন?
নতুন লেখা কবে পাব???


আমরা একটা নতুন পোষ্ট দিয়েছি:)

শুভেচ্ছা রইল।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন:
নতুন পোস্ট দিয়েছেন তা দেখেছি। কিন্তু অফিসের চাপে নিজেও লিখতে পারছিনা আর কারও লেখা পড়া হয়ে উঠছেনা।
আজকে যাবো আপনাদের বাড়ীতে।

শুভেচ্ছা...

১৬. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪১
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: নতুন কিছু পাচ্ছিনা কিন্তু।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন:
আন্তরিকভাবে দূঃখিত।
অফিসের চাপে নিজেও লিখতে পারছিনা আর কারও লেখা পড়া হয়ে উঠছেনা।
আজকে যাবো আপনার বাড়ীতে।

শুভেচ্ছা...

১৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১৪
comment by: অর্পিত স্নৃগ্ধা বলেছেন: তোমার লেখাটা পুরোনো হলেও তাজা।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন:
তা না হলে তো আর লেখার কোন মানেই নেই।
নাকি ?
তালেবানদের মত নাক বাঁধা কেন ?

শুভেচ্ছা।

১৮. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৩০
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: কিরে ভাবুক ভাই কি হইল। গল্প নাই কেন। ওক্কে ব্যস্ততা কাটিয়ে লিখা হোক সময় নিয়ে, আছি আমরা।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন:
থাকেন সাথে সেই কামনাই করি।
অবসর পেলেই পোস্ট দেবো।
ধন্যবাদ।

১৯. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
comment by: অর্পিত স্নৃগ্ধা বলেছেন: কেমন আছো?
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন:
ভালো।
তুমি ?

২০. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭
comment by: অর্পিত স্নৃগ্ধা বলেছেন: 'তুমি'রা সবসময় ভালো থাকার চেষ্টা করে।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন:
তুমিরা কখনও মডারেট হয়না। এটাও মনে রাখবা। আর তুমিরা অন্যকে ভাল থাকতে বলে আর রাখারও চেষ্টা করে।
ভাল থাকো।

২১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
comment by: অর্পিত স্নৃগ্ধা বলেছেন: গুড।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন:
ভেরীগুড...

২২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬
comment by: মমমম১২ বলেছেন: কি হলো?নতুন লেখা কই?

অলসতা?

ব্যস্ততা?
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: ৭০% ব্যস্ততা আর ৩০% অলসতা।

কেমন আছেন ? দেব নতুন লেখা দেব।
আপনিও কিন্তু কোন পোস্ট করছেন না। কেন ?
শুভেচ্ছা।

২৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০১
comment by: মাছরাঙ্গা বলেছেন: বার্ধক্য দেখে ভয় পেয়েছি। ভয়ের ধাক্কায় পড়িনি।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন:
ভয়, কিছু কিছু ভয় থাকা ভালো। থাকলে সু-পথে পরিচালিত হতে সহজ হয়। আর পড়েননি যে সেটা শুনে ভাল লাগল।

২৪. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৮
comment by: মাছরাঙ্গা বলেছেন: এত্ত বড় লেখা পড়ার টাইম পাই কই ?

গাছের তলে কত কাল বসে থাকবেন। পারলে মাথার উপর ছাদ বসান।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন:
না পরলে না পরেন, জোরতো করিনাই।
আর মস্ত আকাশটাইতো বিশাল এক ছাদ আর ছাদ লাগবে কিসে...

২৫. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৫
comment by: কঁাকন বলেছেন: ভালো
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৫

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

২৬. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০০
comment by: মাছরাঙ্গা বলেছেন: জোর করতে পারলে তো করবেন।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন:
কেউ জোর করতে পারে কিন্তু করেনা
আবার কেউ জোর করতেই পারেনা
কেউ না পেরেও জোর করে
আবার কেউ না পেরে পারার ভান করে।

কোনটার আওতায় পরলাম ?

২৭. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮
comment by: অর্পিত স্নৃগ্ধা বলেছেন: ব্লগে শুধু তুমি আছ,
নেই তোমার নতুন লেখা।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭

লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ আমি থাকাটাই তো আসল নাকি !
আমার লেখাও আছে, তবে তা পোষ্টাবো না এখনই...
বুজলা ?

আছো কেমন ?

২৮. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
comment by: অর্পিত স্নৃগ্ধা বলেছেন: ভালো আছি, প্রতীক্ষায় আছি।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন:
ভালো আছো জেনে ভালো লাগল।
কিসের প্রতীক্ষায় আছো ?

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২০৫১১