somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ‘সঙ্গ প্রসঙ্গের লেখা’-সরদার ফজলুল করিম একুশের বইমেলা ২০১২ রোদেলা প্রকাশনীর বই (স্টল নং ২৫৪-২৫৫) অন্য প্রকাশের সাথে। ‘সঙ্গ প্রসঙ্গের লেখা’ সরদার ফজলুল করিম ... সংগ্রহ ও সংকলন শেখ রফিক

সম্পাদক-বিপ্লবীদের কথা
http://www.biplobiderkotha.com]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29538654 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29538654 2012-02-10 22:40:22
প্রখ্যাত কৃষক নেতা জিতেন ঘোষ
মা, বাবা, ভাই-বোনের সাধারণ পরিবারে জিতেন ঘোষ ছিলেন কিছুটা ব্যতিক্রমধর্মী। বাল্যকাল সম্পর্কে তিনি লিখেছেন-“রাজনীতিতে তখনও নাম লিখাইনি। কিন্তু মনে মনে এদেশে ইংরেজ রাজত্ব পছন্দ করতাম না। একটু অপমান ও লজ্জা বোধ করতাম ইংরেজদের অধীনে আছি বলে” (জেল থেকে জেলে-পৃষ্ঠা:-১)। কৈশোরের প্রথম থেকেই তিনি গীতা, চন্ডী পাঠ করে আত্মিকশক্তি ও সংগ্রামী মনোভাবকে উদ্দীপ্ত করে সাধারণ মানুষকে সেবা করার জন্য সেবাশ্রম ও লাইব্রেরী গড়ে তোলেন। এখান থেকে তিনি দেশপ্রেমের ভাবধারাকে সহপাঠী তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তাকে বিপ্লবীদের একজন মনে করে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। কয়েক দিন আটক রেখে মারধর ও জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়। আগুনে ঘৃতাহুতির মতো, একারণে জিতেন ঘোষের মনে স্বাধীনতার আগুন জ্বলে উঠে।

প্রাথমিক পড়াশুনা শেষ করার পর তাকে কাজিরপাগলা অভয়কুমার তালুকদার হাই স্কুলে ভর্তি করানো হয়। স্কুলে পড়াশুনাকালীন সময়ে তিনি বিপ্লববাদী দল যুগান্তরের সাথে যুক্ত হন। বিক্রমপুরের বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রদেরকে নিয়ে বিপ্লবী গ্রুপ গঠন করেন। ১৯১৭ সালে এই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তারপর আই.এ. ভর্তি হন। এসময়েও তিনি বিপ্লবী দলে কলেজ ছাত্রদের টেনে আনার কাজে যুক্ত থাকেন। ১৯১৯ সালে আইএ পাশ করার পর ১৯২০ সালে বিএ ভর্তি হন। ১৯২১ সালে তিনি অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে কলেজ ত্যাগ করে ওই আন্দোলনে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত হন এবং স্কুল-কলেজের শত শত ছাত্রকে এই অসহযোগ আন্দোলনে শামিল করেন। এই আন্দোলনে যুক্ত থাকার কারণে ব্রিটিশ তাকে গ্রেফতার করে দেড় বছর সশ্রম কারাদন্ড দিয়ে ঢাকা জেলহাজতে পাঠায়।

তখন জেলখানাগুলোতে দেশপ্রেমিক কয়েদীদের উপর ব্রিটিশ সীমাহী নির্যাতন চালাত। কয়েদীদের ঘানি টানানো হতো। দুর্গন্ধযুক্ত, পাথর মিশানো ভাত, জঙ্গলের তরিতরকারী ও ছোবলাসহ ডাল ছিল কয়েদীদের খাবার। আর কথায় কথায় দৈহিক নির্যাতন তো রয়েছেই। কিন্তু এর কোনোকিছুই জিতেন ঘোষকে দুর্বল করতে পারেনি। তিনি ইংরেজ জেলের নিয়ম-কানুন পরোয়া করতেন না। এজন্য তাঁকে বহুবার বেদমভাবে মারধর করা হয়েছে। তবু তাঁর একই কথা তিনি ইংরেজ জেলের নিয়ম-কানুন মানেন না। একদিন তাঁকে ঘানি টানার জন্য নেয়া হল। তিনি প্রথম থেকেই একাজ করতে অস্বীকৃতি জানান। জেলের কর্মকর্তা তাকে প্রচন্ডভাবে মারধর শুরু করেন। জিতেন ঘোষও হাতের কাছে যা পান তা দিয়ে মার প্রতিরোধ শুরু করলেন। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ পাগলাঘন্টি বাজালো। ততক্ষণাৎ লাঠী, বন্দুকধারী সিপাহীরা এসে প্রচন্ডভাবে মরতে শুরু করে। তাঁর নিজের বিবরণ থেকে বুঝা যাবে মারের রূপ কি ছিল।

“—চলল মার। উঃ কি দারুণ সে মার’। “আমার গা দিয়ে রক্ত বেরুল। নাক দিয়ে রক্ত ছুটল। আমি মাটিতে পড়ে গেলাম। অজ্ঞান অবস্থায় আমাকে নিয়ে ডিক্রীতে বন্ধ করে দেওয়া হল। আমি মেঝেতেই পড়ে রইলাম। বেশ কিছুক্ষণ পড়ে জেগে দেখি পানির কলসিটাও নেই। সরানো হয়ে গেছে। একটু পানিও খেতে পেলাম না। ডাক্তার আসাতো দুরের কথা, একফোটা ঔষধও পেলাম না। পানির অভাবে নাক-মুখের রক্তও ধোয়া গেল না। কম্বলটা বেশ করে বিছিয়ে শুয়ে পরলাম” (জেল থেকে জেলে-পৃষ্ঠা:-১৩)।

এত অত্যাচারের পরও তিনি জেলের নিয়ম-শৃঙ্খলা মানলেন না। এর ফলে সদাসন্ত্রস্ত কয়েদীদের কাছে তিনি হয়ে উঠেন এক অসাধারণ মানুষ এবং দুর্ধর্ষ কয়েদীরা এসে তাকে সেলাম দিতে শুরু করে। কারাঘারা একজন কয়েদীর এ ধরণের প্রতিবাদ, দ্রোহ দেখে সবাই একটু একটু প্রতিবাদী হয়ে উঠতে শুরু করেন। এই বৈশিষ্ট না থাকলে বন্দীদের জেল জীবনের সম্মান রক্ষার লড়াই করা সম্ভব হতো না।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29538183 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29538183 2012-02-10 00:46:46
কেউ কথা রাখে না কেউ কথা রাখেনি কেউ কথা রাখে না শুধু শুধুই বার বার প্রবঞ্চনার ফাঁদে পড়া আর মনকে মিথ্যে বলা জীবনে এই মিথ্যেটাই আবার বার বার সত্যি হয়...কি দারুণ, তাই না?]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29537565 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29537565 2012-02-09 01:30:21 http://www.politiciannewsbd.com/ http://www.politiciannewsbd.com/

স্বরাষ্টমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন বলেছেন, ‘জামায়াত-বিএনপি দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। সেনাবাহিনীকে উসকানি দিয়ে অগণতান্ত্রিক পন্থায় তারা ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিল। তাদের এ ষড়যন্ত্র আমরা ধরতে পেরেছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29536947 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29536947 2012-02-08 01:16:10
বিপ্লবী জিতেন ঘোষ “পদ্মা পাড়ের মানুষ জীতেন ঘোষ। কিশোর বয়সেই পদ্মার উত্তাল ঢেউয়ের মত ছিল তাঁর স্বাধীনতার আকাঙ্খা। ‘জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য’ চিত্ত ভাবনাহীন’ এই পণ করিয়া সন্ত্রাসবাদী দলে যোগ দিয়েছিলেন। কংগ্রেসের গণআন্দোলনের প্রথম যুগে তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ কংগ্রেসকর্মী। কিন্তু তারপরও রাজনৈতিক দিক-নির্ণয়ের পরিপূর্ণতা পাননি। সবশেষে জনগণের একমাত্র শোষণমুক্তির পথ মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের তত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক পরিপূর্ণতা আসে।

নিরন্ন বুভুক্ষু কৃষকদের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম করিয়া তুলিলেন। একটি অবহেলিত গরীব মুসলিম গৃহে হইল তাঁর বাসস্থান। কত হিন্দু-মুসলমান মেহনতি কৃষককে তিনি প্ররণা দিয়াছেন, উদ্বুদ্ধ করিয়াছেন কে তার হিসাব রাখে! আজিকার সামাজিক পরিবর্তনে কুষক আন্দোলনের ও সংগঠনের অসীম গুরুত্ব উপলব্দি করিয়া তিনি সর্বশেষ জীবন পর্যন্ত কৃষক সংঘঠন গড়িয়া তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করিয়াছিলেন। তিনি ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক আর কৃষক সংগঠনের প্রাণশক্তি।

চরম আত্মত্যাগ, শত লাঞ্ছনা, দুঃখ, ক্লেশ, জুলুম-অত্যাচারের মধ্যেও তিনি ছিলেন হিমালয়ের মত অটল। আদর্শের উপরে ছিল তাঁর ইস্পাতের ন্যায় দৃঢ়তা। তাই অনেক উত্থান পতনের মধ্যেও তাঁর সংকল্প ছিল অটুট। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গে যারা ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাদের কাছে অতি প্রিয় নাম জিতেনদা, অগ্নি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক বিপ্লবী চরিত্র। তাকে আগামী দিনের বংশধরদের নিকট চির ভাস্কর করিয়া রাখিবার দায়িত্ব তাঁর সাথী ও সহকর্মীদের”—কমরেড মণিসিংহ।

Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29536941 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29536941 2012-02-08 01:00:57
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সোনার ছেলেদের কাজ। এ আর নতুন কি? মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সোনার ছেলেদের কাজ। এ আর নতুন কি? এদের এক সাবেক নেতা ধর্ষণের সেনচুরী করেছিল_সে কাহিনী কি ভুলে গেছেন? আমাদের প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের ভাষাও সেই পুরানো স্টাইলের। এটাকে বদলানো দরকার।
সময়ের প্রয়োজনে যা দরকার তা থেকে আমরা অনেক পিছিয়ে......এভাবে আর কতকাল?
বর্বর ছাত্রলীগের রামদা’র কোপে মাথায় গুরুতর জখম হওয়া ছাত্র ইউনিয়ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক সোবহান। আমরা সোবহানের সুস্থতা কামনা করছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29535136 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29535136 2012-02-04 23:45:57
‘সঙ্গ প্রসঙ্গের লেখা’-সরদার ফজলুল করিম একুশের বইমেলা ২০১২, রোদেলা প্রকাশনীর বই (স্টল নং ২৫৪-২৫৫) ‘সঙ্গ প্রসঙ্গের লেখা’ সরদার ফজলুল করিম...


... সংগ্রহ ও সংকলন
শেখ রফিক
সম্পাদক-বিপ্লবীদের কথা
http://www.biplobiderkotha.com]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29534594 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29534594 2012-02-03 22:28:48
'আপনার সন্তানের নাম বাংলায় লিখুন- বিপ্লবী আবদুশ শহীদ’ 'আপনার সন্তানের নাম বাংলায় লিখুন- বিপ্লবী আবদুশ শহীদ’ আসুন এই মহান ফেব্রুয়ারিতে এটাই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা।

বিপ্লবী আবদুশ শহীদ
বিপ্লবী লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ ও শোষিত মানুষের আধিকার আদায়ের লড়াকু যোদ্ধা আবদুশ শহীদের জীবনের অধিকা...ংশ সময় কেটেছে কারাগারে ও আত্মগোপনে। আজীবন সংগ্রামী এই মানুষটি সারাজীবন মানুষের মুক্তির সংগামে নিবেদিত ছিলেন।
আবদুশ শহীদ বরিশালের চাখারের পার্শ্ববর্তী গ্রাম বলহারে ১৯১৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মুনশী মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন, মা কাজী হামিদা। তিনি কিশোর বয়সে শর্ষীনা মাদ্রাসার ধর্মীয় শিক্ষা শুরু করলেও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হন এবং ১৯৪৪ সালে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রী অর্জন করেন। ছাত্রবস্থায় তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। সে সময় পূর্ববঙ্গে হাতেগোনা স্বল্পসংখ্যক মুসলমানের মধ্যে তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। তাই তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরেবাংলা একে ফজলুল হক তাঁকে কলকাতা পোর্টের প্রথম শ্রেণীর অফিসারের চাকরি দেন। কিন্তু তার রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুতির আশঙ্কায় দলের নির্দেশে তিনি সহজেই নিশ্চিত সচ্ছল প্রতিষ্ঠিত ধারা না গ্রহণ করে কঠোর নির্মম পথে জীবনযাপন শুরু করেন। ফলে তাঁর নিজের ও পরিবারকে সহায়-সম্বলহীন জীবন কাটাতে হয়। অন্যদিকে শুরু হয় জেল-জুলুম-হুলিয়া। বিভিন্ন আন্দোলনে সংগঠকের ভুমিকা পালন ও কমিউনিস্ট পার্টিকে সংগঠিত করার কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৫০ সালের ২৪ এপ্রিল খাপড়াওয়ার্ডে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।
তিনি কর্মজীবনে দীর্ঘ সময় শিক্ষকতা ও শিক্ষা প্রসারের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৬১-৬৩ পর্যন্ত তিনি বিক্রমপুরের ষোলঘর এ.কে.এস.কে উচ্চ বিদ্যালয়, রুসদী উচ্চ বিদ্যালয় ও কনকসার জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।
সাংবাদিকতার পেশাতেও তিনি দীর্ঘ সময় নিয়োজিত ছিলেন। ‘কীর্তনখোলা’ নামে একটি পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করতেন।
তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে আছে 'কারা স্মৃতি', 'আত্মকথা', 'খাপড়া ওয়ার্ডের সেই রক্তলাল দিনগুলি', 'মেকং থেকে মেঘনা'।
১৯৯৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29533029 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29533029 2012-02-01 01:47:18
‘বিপ্লবীদের কথা’ পত্রিকা ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় বিজ্ঞাপন দিন একুশের বইমেলা ২০১২ ‘বিপ্লবীদের কথা’ পত্রিকা ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় নতুন বইয়ের বিজ্ঞাপন দিন। প্রয়োজনেঃ ০১৭২৬-১২৩৫৫০ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29533007 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29533007 2012-02-01 01:00:19 ‘বিপ্লবীদের কথা’ পত্রিকায় নতুন বইয়ের বিজ্ঞাপন দিন একুশের বইমেলা ২০১২ ‘বিপ্লবীদের কথা’পত্রিকায় নতুন বইয়ের বিজ্ঞাপন দিন। প্রয়োজনেঃ ০১৭২৬-১২৩৫৫০]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29532344 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29532344 2012-01-31 00:37:29 সঙ্গ প্রসঙ্গের লেখা সরদার ফজলুল করিম একুশের বইমেলা ২০১২ রোদেলা প্রকাশনীর বই (স্টল নং ২৫৪-২৫৫) ‘সঙ্গ প্রসঙ্গের লেখা’ সরদার ফজলুল করিম

সংগ্রহ ও সংকলন
শেখ রফিক
সম্পাদক-বিপ্লবীদের কথা
http://www.biplobiderkotha.com
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29532327 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29532327 2012-01-31 00:00:57
মোটা-তাজাকরণ পদ্ধতিঃ ২ (মানুষ) শুধু গবাদিপশুই নয়, মানুষও মোটা-তাজাকরণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে সাফল্য পেয়েছে। চিকন মানুষ অল্পদিনের মধ্যে মোটা-তাজাকরণ পদ্ধতিঃ অবলম্বন করে লাভবান হয়েছেন এমন চিকিৎস্যার দোকান ঢাকা শহরের সবখানেই কম-বেশী দেখা যায়। মজার বিষয় এইসব দোকানের ডাক্তারদেরকে চিকিৎস্যা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য এদেশের মত্রীরা স্বর্ণ পদক দেন। আবার কিছু এলোপথিক হাতুড়ে ডাক্তারও চিকন মানুষকে মোটা-তাজাকরণের লক্ষ্যে গরু মোটা-তাজাকরণের ট্যাবলেট দেন, এক্ষেত্রে গরু ও মানুষের মোটা-তাজাকরণের চিকিৎস্যা এক ও অভিন্ন পদ্ধতি।
জয় বাবা মোট-তাজাকরণ পদ্ধতি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29531748 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29531748 2012-01-30 00:55:32
২৭ জানুয়ারি ২০১২, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির জাতীয় সমাবেশে 'যুব ইউনিয়নের' প্রদত্ত ভাষণ বাংলাদেশের বিপ্লবী ধারার যুব সমাজের পক্ষ থেকে রক্তিম অভিনন্দন ও লাল গোলাপ শুভেচ্ছা গ্রহন করুন। বাংলাদেশের ৪ কোটি ৪০ লক্ষ যুবক যাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫, তাদের ১ কোটি ২০ লক্ষ পূর্ণ বেকার, ১ কোটি ৫০ লক্ষ নিজস্ব পছন্দ ও যোগ্যতানুযায়ী কাজ পায় না, তারা আধা বেকার, ছদ্ম বেকার । অর্থাৎ ২ কোটি ৭০ লক্ষ যুবক হয় বেকার, নয় আধা বেকার , নয় ছদ্ম বের্কা । এই ২ কোটি ৭০ লক্ষ যুবকের মধ্যে ১ কোটি ৭০ লক্ষ নারী, ১ কোটি পুরুষ। ৮০ শতাংশ বসবাস করে গ্রামে, সিংহ ভাগের কোন শিক্ষা নেই। এসব তথ্যের একটাও আমার তৈরী না। এসব তথ্য জাতির সামনে হাজির করেছেন বর্তমান সরকারের প্রিয় ’দিন বদলের কর্মসূচী’র অন্যতম সহ প্রণেতা অধ্যাপক আবুল বারাকাত। উপযুক্ত শিক্ষার অভাবে যুবকরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কাজ পচ্ছে না। তাই আওয়াজ উঠেছে ” কোটি যুবকের এক আওয়াজ- চাই শিক্ষা, চাই কাজ।” শিক্ষা কাজের দাবী আজ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। আজকে উপস্থিত লাখো জনতার মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়বে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে, হাটে, মাঠে, ঘাটে, কলে, কারখানায়, ক্ষেত, খামারে। সকল প্রান্ত থেকে একসাথে বুকের গভীর থেকে আওয়াজ উঠবে ” কোটি যুবকের এক আওয়াজ- চাই শিক্ষা, চাই কাজ।”

প্রিয় বন্ধুগণ,

এই ১৪ দলীয় মহাজোট সরকার ওয়াদা ভঙ্গকারী সরকার। প্রথম ওয়াদা ভঙ্গ করেছে স্বৈরাচারী এরশাদকে কোলে তুলে নিয়ে। এরশাদের ৯ বছর শত শত ছাত্র-যুবক, কৃষক-ক্ষেতমজুর শুধু মাত্র এরশাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে। তাদের রক্তের সাথে বেঈমানী করেছে এ ১৪ দলীয় সরকার। শিক্ষা মন্ত্রীর প্রশংসা করেন সকলে, কিছু বিষয়ে তিনি প্রশংসার দাবীদার বটে । ছোট দলের বড় নেতা থেকে বড় দলের ছোট নেতা হিসাবে খেলতে গেছেন । খেলুন, যত ইচ্ছা খেলুন। কিন্তু আপত্তি হচ্ছে আপনার আপোষ। আপনি আপোষ করেছেন মৌলবাদীদের সাথে । আপনি আপোষ করেছেন ধনিকগোষ্ঠীর সাথে। একইমুখী বিজ্ঞানভিত্তিক সেক্যুলার শিক্ষার পরিবর্তে চালু রেখেছেন তিনধারার শিক্ষা ধনীদের জন্য ইংরেজী মাধ্যম, মধ্যবিত্তদের জন্য বাংলা মাধ্যম, আপামর গরীব মানুষের জন্য মাদ্রাসা। এটাই পরিতাপের বিষয় আওয়ামী লীগ মুখে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে আর অবিশ্বাস্য হলেও সত্য আওয়ামীলীগ যখনই ক্ষমতায় আসে সে সময় মাদ্রাসা শিক্ষা বিস্তৃত হয়। এটার পিছনে কোন ধর্ম নাই আছে রাজনীতি। গরীবদের আধুনিক শিক্ষা বঞ্চিত করে তাদের পদানত করে রাখাই হচ্ছে এই রাজনীতি।
এ সরকার প্রতারক সরকার । এ সরকার প্রতারনা করেছে যুব সমাজের কাছে। ১৪ দলের নির্বাচনী ওয়াদা যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বারবার অঙ্গীকার করেছেন তারা নির্বাচিত হলে প্রত্যেক ঘরে নূন্যতম একটি কর্মসংস্থান প্রদান করবেন। বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি ৫০ লক্ষ পরিবার। অঙ্গীকার অনুযায়ী ৫ বছরে নতুন ২ কোটি ৫০ লক্ষ কাজ সৃষ্টি হওয়ার কথা অর্থাৎ প্রতি বছরে ৫০ লাখ কাজ সৃষ্টি হওয়ার কথা। প্রধানমন্ত্রী গত জুলাই মাসে সংসদে দাড়িয়ে বলেছেন তার আড়াই বছরের শাসনকালে মাত্র ২ লাখ ৪৬ হাজার কাজ সৃষ্টি করতে তিনি সক্ষম হয়েছেন।

সরকারের প্রত্যক্ষ সহায়তায় সরকারী দলের লোকজন বিশেষ করে দলীয় সভাপতির শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে শেয়ার বাজারে লুট করে লক্ষ লক্ষ যুবককে সর্বহারায় পরিণত করেছে। এটাই আশংকার বিষয় আরেকবার ৯৬ সালে এই আওয়ামীলীগ আমলে এই একই ব্যক্তি আরেকবার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শেয়ার বাজার লুট করেছিল।

সুতরাং আজকের সময়ে বাংলাদেশের হত দরিদ্র যুব সমাজের পক্ষ থেকে আমাদের প্রধান দাবী

দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য মানসম্মত শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
উপযুক্ত প্রত্যেক নাগরিকের জন্য কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে।
শেয়ার বাজার লুন্ঠনকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে, এবং তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে শেয়ার বাজারকে অর্থ যোগান দিতে হবে।
গোলাম আযমসহ সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তরান্বিত করতে হবে।
টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধে ভারতকে বাধ্য করতে হবে।
তেল-গ্যাস বিদেশে রপ্তানী করা যাবে না ।

আরেকটা দাবী কখনোই রাজনৈতিক দাবী হিসাবে সামনে আসেনি আমরা যুব সমাজের অন্যতম প্রধান দাবী হিসাবে তা সামনে আনতে চাই। বাংলাদেশের ৪ কোটি ৪০ লক্ষ যুবকের ৫২ শতাংশ নারী এবং ৪৮ শতাংশ পুরুষ। বাংলাদেশে যুব নারীর সংখ্যা ২ কোটি ৩০ লক্ষ । এই ২ কোটি ৩০ লাখের ৭৫ শতাংশ অর্থাৎ ১ কোটি ৭০ লক্ষ তাদের ২০ তম জন্মদিনের আগেই বিয়ে এবং সন্তান জন্ম দিতে বাধ্য হন। পরিতাপের বিষয় প্রতি বছর হাজার হাজার কিশোরী- তরুণী সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যান। লাখ লাখ শিশু জন্মের সময় মারা যায়। আমরা সরকারের কাছে দাবী জানাই ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকল গর্ভবর্তী নারীকে দুই সন্তান পর্যন্ত গর্ভকালীন সময়ে পুষ্টিভাতা দিতে হবে। ডেলীভারীর সকল খরচ রাষ্ট্রকে বহন করতে হবে। সদ্যজাত শিশুর একমাস বয়স পর্যন্ত সমস্ত চিকিৎসার ভার রাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,

আমরা বর্তমানে যে সমাজে বসবাস করছি তা আমার শিক্ষার নিশ্চয়তা দেয় না, আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেয় না, আমার ক্ষুধার্ত মায়ের চোখের জল মুছিয়ে দেয়ার সামর্থ্য দেয় না । জসিম ভাইয়ের ভাষায় বলতে চাই এই সমাজকে ভাঙ্গিতেই হইবে। এই পচা, গলা, নষ্ট, বৈষম্যমূলক সমাজকে ভেঙ্গে চুরে দুমড়ে মুচরে বঙ্গপোসাগরে ছুড়ে ফেলে দিতে হবে। নেতৃত্ব দিবে শ্রমিক শ্রেণী, সঙ্গে থাকবে গ্রামের কৃষক-ক্ষেতমজুর এবং শহরের গরীব মানুষ। আর আমরা যুবকরা হচ্ছি এই মহাসংগ্রামের অগ্নিমশাল। যুবকদের মাঝে যারা বলেন আমাকে আমার মত থাকতে দাও, আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি আমরা তাদের দলভুক্ত নই। আমরা যে সকল যুবক এখানে উপস্থিত হয়েছি আমাদের দর্শন হচ্ছে ’মানুষ মানুষের জন্য’, আমাদের দর্শন হচ্ছে ’সকলে আমরা সকলের তরে, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’। আসুন ভোগবাদকে পরিত্যাগ করি। ভোগের জীবন ত্যাগ করি, ব্যক্তিগত কেরিয়ার এবং ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠার মোহ পরিত্যাগ করি। সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্নকে সত্য করি। কমরেড মণি সিংহের স্বপ্নকে সত্যি করে বাংলাদেশকে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রুপান্তরিত করি। ২০ জানুয়ারীর শহীদদের লাশ ছুঁয়ে যে শপথ নিয়ে ছিলাম তাকে বাস্তবায়িত করি।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,

মুরগী ডিমে তা দিলে তা থেকে বাচ্চা বের হতে সময় লাগে কমপক্ষে ২১ দিন কিন্তু ইনকুবেটরে সে পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ২-৩ দিনে মুরগীর বাচ্চা জন্ম দেয়া হয়। আসুন আমরা বাংলাদেশের বিপ্লবী যুব সমাজ ইনকুবেটরের ভুমিকা গ্রহন করি। আওয়াজ তুলি সোসালিজম ইন আওয়ার লাইফটাইম। আমাদের জীবদ্দশায় সমাজতন্ত্র । আমাদের প্রজন্মের কালেই যদি সমাজকে পাল্টাতে হয় তবে আমাদের কাজ দ্বিগুন করে দিতে হবে- আমরা যারা বসে আছি তাদের উঠে দাড়াতে হবে, যারা দাড়িয়ে আছি তাদেরকে হাটতে হবে, যারা হাটছি তাদেরকে কুইক মার্চ করতে হবে এবং যারা কুইক মার্চ করছি তাদের ডবল মার্চ করতে হবে। আমাদের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে। অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে মাওলানা ভাসানীর মত ঘেরাও আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। যুব আন্দোলনকে, যুব বিদ্রোহে পরিনত করতে হবে এবং যুব বিদ্রোহকে গণ আন্দোলনে রুপান্তরিত করতে হবে।

আসুন আওয়াজ তুলি
কোটি যুবকের এক আওয়াজ- চাই শিক্ষা, চাই কাজ

সোসালিজম ইন আওয়ার লাইফটাইম
আমাদের জীবদ্দশায় সমাজতন্ত্র

সবাইকে ধন্যবাদ
ভাল থাকবেন, সুস্থ্য থাকবেন

লাল সালাম
..]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29531745 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29531745 2012-01-30 00:50:33
মোটা-তাজাকরণ পদ্ধতিঃ ১ (শিক্ষা) চোর জন্ম নেওয়ার শিক্ষাকে এখনই না বলা উচিত মোটা-তাজাকরণ পদ্ধতিঃ ১ (শিক্ষা) দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গবাদিপশু পালন একটি সম্ভাবনাময় ও লাভজনক খাত। দারিদ্র্যতাদূরীকরণে গরু মোটা-তাজাকরণ পদ্ধতিঃ দেশের অর্থনীতিসহ পুষ্টির চাহিদা পূরণে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে। অল্পদিনে গরু মোটা-তাজাকরণ পদ্ধতিঃ একটি লাভজনক পদ্ধতি হিসেবে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করণে এনজিও ও প্রাণী সম্পদ বিভাগ একাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। গ্রামীণ দরিদ্র ও বেকার যুবকসহ কৃষক-কৃষাণীদের আধুনিক নির্ভর প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ৫-৬ মাসে গরু মোটা-তাজাকরণে অভূতপূর্ব সাড়া জাগিয়েছে। গ্রামের শিক্ষিত ও বেকার যুবকরা বিদেশ কিংবা চাকরির আশায় না থেকে সবাই গরু মোটা-তাজাকরণের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। ইতোমধ্যে তারা সুফল পেয়েছেন। যে কারণে এখন সবাই মোটা-তাজাকরণে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।
এই মোটা-তাজাকরণ পদ্ধতি গরু দিয়ে শুরু হলেও এখন আর তা গরুতে থেমে নেই। গরু থেকে শুরু করে গুরু পর্যন্ত চলে গেছে। প্রাণী থেকে মানুষ প্রাণী তারপর মানুষ এভাবে মানুষের চেতনা, সৃষ্টি ও কর্ম পর্যন্ত মোটা-তাজাকরণ পদ্ধতি সফল হয়েছে। এক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন এদেশের মানুষ গড়ার কারিকর নামক শিক্ষকরা_যারা প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীকে মোটা-তাজাকরণ মার্কা শিক্ষা গিলিয়ে দিচ্ছেন। আর শিক্ষার্থীরা সেই শিক্ষা পরীক্ষার খাতায় বমি করে এই রাষ্ট্রের কর্ণধর হয়ে গিয়ে রাষ্ট্রের ও জনগণের বারোটা বাজাচ্ছেন। দিনে দিনে বহু চোর বেড়েছে। এই চোর জন্ম নেওয়ার শিক্ষাকে এখনই না বলা উচিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29531245 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29531245 2012-01-29 10:44:57
বিপ্লবীদের কথা'র পক্ষ থেকে রেড স্যালুট 'সজীব' এইতো সেদিন ১৬ জানুয়ারী ২০১২, পল্টনের চা’য়ের দোকানের পাশে ঠিক চাম্বল গাছটির নিচে দাঁড়িয়ে, অভিনুও তোমার সাথে ছিল...তুমি (সজীব) বলেছিলে রফিক ভাই বিপ্লবীদের কথায় আমার জীবনী ছাপাবেন না? আমি বলেছিলাম_মরলে পরে ছাপাবো। সত্যি সত্যিই তুমি মরে গেলে!
(২৬ জানুয়ারী ২০১২)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29530521 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29530521 2012-01-28 00:09:05
ধর্ম প্রসঙ্গে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ধর্ম প্রসঙ্গে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন যা বলেছেনঃ-]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29528144 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29528144 2012-01-24 00:51:07 আমরা নানাক্ষেত্রে সফল হয়েছ, তার দশটি নমুনা হলোঃ যে জাতির সামগ্রিক চেতনা হলো দুর্নীতি সে জাতি আসলে কি করতে পারে? এযাবতকালে আমরা নানাক্ষেত্রে সফল হয়েছি। তার দশটি নমুনা হলোঃ স্বাধীনতার মূলোবোধ ধ্বংস করা, সংবিধান সংশোধনের নামে মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া, জাতির জনককে হত্যা করা, জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা, রাষ্ট্র ক্ষমতা একাধিকবার কু-করা, স্বৈরচার তৈরী করা, জঙ্গীবাদ-মৌলবাদ তৈরী করা ও তাদের দিয়ে প্রগতিশীল মানুষকে হত্যা করা, দুর্নীতিতে ৫বার চেম্পিয়ান হওয়া, খুন-ধর্ষণ-লুটপাটের রাষ্ট্র ও রাজনীতি কায়েম করা, ঔষুধ, শিশু খাবার থেকে শুরু করে সকল নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভেজাল বানানো ও ধনীকে আরো ধনী এবং গরীবকে আরো গরীব মানে একেবারে নিঃশ্ব করা। মোটাদাগে এই হচ্ছে আমাদের দেশের গৌরবোজ্জল অর্জন। যা নিয়ে আমরা নোবেল কমিটির কাছে নোবেল পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারি......।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29526038 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29526038 2012-01-21 00:52:01 যা করার তা তরুণরাই করে, তরুণ বয়সেই করে, অসীম তারুণ্য ও সাহস নিয়ে করে আবার একজন আধমরা বৃদ্ধ তার নিজের বাস্তব অবস্থান থেকে সবকিছু বিচার করে এবং দেখে। যে কারণে একজন আধমরা বৃদ্ধ তার বার্ধক্য অকর্মন্যতা দিয়ে তরুণকে বার্ধক্য হিসেবে বিচার করে এবং দেখে। এধরনের দৃষ্টিভঙ্গি সঠিক নয়। হয়তো ২/১ জনের ক্ষেত্রে ভিন্নতা ঘটতে পারে।
তবে আসল বিষয় হলোঃ- যা করার তা তরুণরাই করে, তরুণ বয়সেই করে, অসীম তারুণ্য ও সাহস নিয়ে করে। যা আজকের বৃদ্ধরা একদিন তরুণ বয়সে করেছিল।
কিন্তু আমাদের দেশের বোদ্ধা রাজনীতিবিদগণ এই সহজ বিষয়টিকে বুঝেন না......
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29525503 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29525503 2012-01-20 03:01:29
বিপ্লবীদের কথা 'জানুয়ারি ২০১২' সংখ্যার জন্য বিজ্ঞাপন প্রয়োজন
বিপ্লবীদের কথা 'জানুয়ারি ২০১২' সংখ্যার জন্য বিজ্ঞাপন প্রয়োজন। প্রয়োজনে ০১৭২৬-১২৩৫৫০

ঊনবিংশ এবং বিংশ শতকের পৃথিবী ছিল বিপ্লবীদের পদচারণায় মুখর। একের পর যুগান্তকারী বিপ্লব পৃথিবীর চেহারা পাল্টে দিয়েছে। ধ্যান ধারণায় নিয়ে এসেছে আমূল পরিবর্তন। ঘটনাবহুল এই সব বিপ্লবের কাহিনী এবং এসব বিপ্লবের নায়কদের তরুণ প্রজন্মের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে ২০০৯ সাল থেকে প্রকাশিত হচ্ছে মাসিক পত্রিকা "বিপ্লবীদের কথা"।
শেখ রফিকের সম্পাদনায় এবং সমমনা কিছু তরুণের সেচ্ছাশ্রমে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে এই ব্যাতিক্রমধর্মী পত্রিকাটি।
যার ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠে একটি বিপ্লবী গবেষণা কেন্দ্র। এই প্রতিষ্ঠানটির "সমাজ বিপ্লব ও বিপ্লবী গবেষণা কেন্দ্র" হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে গিয়ে তার প্রয়োজন হয়ে পড়ে বিপ্লবীদের একটি এনসাইক্লোপিডিয়া তৈরি করার।
শেখ রফিক ও পারভেজ আলমের প্রচেষ্টায় সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আত্মপ্রকাশ করে http://www.biplobiderkotha.com "বিপ্লবীদেরকথাডটকম" ওয়েবসাইটটি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29515141 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29515141 2012-01-03 00:53:47
ব্রিটিশ তাকে কালাপানি, আন্দামান, দ্বীপান্তর পাঠিয়েছে দ্বীপান্তরের বন্দির কথা
ব্রিটিশ তাকে কালাপানি, আন্দামান, দ্বীপান্তর পাঠিয়েছে_ এই তিনটি শব্দ দিয়ে মূলত 'আন্দামান সেলুলার জেলকে' বোঝানো হয়েছে। এটা ছিল ব্রিটিশদের তৈরি করা দ্বিতীয় মৃত্যুকূপ। খোপ খোপ করা বিশাল এক কারাগার। বিপ্লববাদী বন্দিদের পিষে মারার জন্য এখানে পাঠানো হতো।
নলিনী দাস_ একটি নাম; বিপ্লব ও সংগ্রামের।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29514012 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29514012 2012-01-01 11:13:17
অনেক দিন পর কাকের গপ্প (গল্প) মনে পড়লো কাকের গপ্প
অনেক দিন পর কাকের গপ্প (গল্প) মনে পড়লো। কাক নিয়ে ছোটবেলায় অনেক গপ্প শুনেছিলাম। গপ্পগুলো্র ২/১ টি এখনো বেশ মনে আছে। গপ্পগুলো আমার নানী আমাদের (নাতী-নাতনী) শুনাতেন। আমরা খুব মনোযোগসহকারে শুনতাম। কি যে ভালো লাগতো, যা এখনো ভাষায় প্র...কাশ করা সম্ভব না। এখন আমরা বড় হয়েছি। কিছু কিছু বুঝতেও শিখেছি। আবার অনেক সময় যা না বুঝি তাও বুঝি বলে চালিয়ে দেই। উপদেশও কেউ কারে কম দেই না। শুধু উপদেশটা কেউ আমরা নিজের বেলায় প্রয়োগ করি না। সবাই একই। কাজ না-তো খই ভাজ। শুধু কথার খই.........।
তবে আমার এই মনে পড়ে যাওয়া গপ্প দিয়ে কেউ রাজনীতি খুঁজতে যাবেন না। এটা মনে পড়লো তাই একটু শেয়ার করলাম।

যা-ই হোক, এবার গপ্পে ফিরে আসি......।
অনেক গপ্পে কাক খুব বুদ্ধিমত্ত্বার পরিচয় দিত। আবার অনেক গপ্পে কাক খুব বুদ্ধিহীনের পরিচয় দিত।
একটি গপ্পের কয়েকটি লাইন বলছি -------ফাল্গুনের শেষে, মানে পড়ন্ত বসন্তে অনেক কষ্ট করে কাক ওর পছন্দ মতো একটি গাছে নানা স্বপ্ন নিয়ে বাস বাঁধে। তারপর ডিম পাড়ে। অতঃপর সেই ডিমে তা দিতে থাকে। কয়েক দিনের মধ্যে চলে গ্রীষ্ম। তখন বায়ুওমন্ডলে দিন দিন তাপ বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর কাক সেই ডিমে তা দিতে থাকে। গ্রীষ্মের মাঝামাঝি কাক যে গাছে বাসা বেঁধে ছিলো, সেই গাছের সমস্ত পাতা ঝরে যাই। সেই চৈত্রের মাঠ ফাঁটা অসহনীয় রোদ্র কাক সহ্য করে ডিমে তা দেয়। তা দেয়ার মধ্যে দিনের কোনো এক ফাঁকে কোথাও গিয়ে সে খাবার খেয়ে আসে। আবার কখনো কাক তৃষ্ণা মেটানোর জন্য পানি পানে ছুটে। আর তখন কোনো এক সুযোগে কোকিল কাকের ডিম খেয়ে ফেলে নিজের ডিম পেড়ে রেখে যায়। তার আর কোনো খোঁজ থাকে না।
বোকা কাক নিজে নিজের ডিম চিনে না। আবার নিজের ডিম বুঝে কোকিলের ডিমে তা দেয়। একসময় বাচ্চা হয়। কাক ও কোকিল বাচ্চা বয়সে দেখতে একই। সেই বাচ্চাকে বড় করার জন্য, কাক কত কষ্ট করে নিজে না খেয়ে বাচ্চাকে খায়িয়ে পালন করে। বাচ্চা যখন বড় হয়, উড়তে শিখে তখন সে উড়ে যাই। আর ফিরে আসে না। সে নাকি কোকিলের কাছেই ছুটে যায়। .........]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29511921 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29511921 2011-12-29 01:38:27
আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসঃ শেখ রফিক স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বুঝতে পেরেছিল, তাদের পরাজয় অনিবার্য। ওরা আরো মনে করেছিল যে, বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা বেঁচে থাকলে এ মাটিতে ওরা বসবাস করতে পারবে না। তাই পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধাহীন করতে দেশের এসব বরেণ্য ব্যক্তিদের বাসা ও কর্মস্থল থেকে রাতের অন্ধকারে পৈশাচিক কায়দায় চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে হত্যা করে।
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকাণ্ড ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে এক জঘন্য বর্বর ঘটনা, যা বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে স্তম্ভিত করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর ঢাকার মিরপুর, রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের লাশ ফেলে রেখে যায়। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পরপরই নিকট আত্মীয়রা মিরপুর ও রাজারবাগ বধ্যভূমিতে স্বজনের লাশ খুঁজে পায়। বর্বর পাক বাহিনী ও রাজাকাররা এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পৈশাচিকভাবে নির্যাতন করেছিল। বুদ্ধিজীবীদের লাশজুড়ে ছিল আঘাতের চিহ্ন, চোখ, হাত-পা বাঁধা, কারো কারো শরীরে একাধিক গুলি, অনেককে হত্যা করা হয়েছিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে। লাশের ক্ষত চিহ্নের কারণে অনেকেই প্রিয়জনের মৃতদেহ শনাক্ত করতে পারেননি।
ছিলেন ১৯৭২ সালে জাতীয়ভাবে প্রকাশিত বুদ্ধিজীবী দিবসের সঙ্কলন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও আন্তর্জাতিক নিউজ ম্যাগাজিন ‘নিউজ উইক’-এর সাংবাদিক নিকোলাস টমালিনের লেখা থেকে জানা যায়, শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা মোট ১ হাজার ৭০ জন।
সেদিন যারা পৃথিবীর ইতিহাসের এ নিষ্ঠুর, অমানবিক, নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তাদের মধ্যে ছিলেন—

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ডঃ জি সি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ডঃ জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আবদুল মুকতাদির, এস এম রাশীদুল হাসান, ডঃ এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ডঃ সিরাজুল হক খান, ডঃ শাহাদাত আলী, ডঃ এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, মোঃ সাদিক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দীন আহমদ, আনন্দ পয়ান ভট্টাচার্য প্রমুখ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ অধ্যাপক কাইয়ুম, হাবীবুর রহমান, শ্রী সুখরঞ্জন সমাদ্দার, ডঃ আবুল কালাম আজাদ, সাবেক গণপরিষদ সদস্য, মসিউর রহমান, আমজাদ হোসেন, আমিনুদ্দীন, নজমুল হক সরকার, আবদুল হক, ডাঃ জিকরুল হক, সৈয়দ আনোয়ার আলী, এ কে সরদার প্রমুখ।
সাংবাদিকঃ সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), নজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার
চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী, সেলিনা আখতার প্রমুখ।

চিকিৎসাবিদঃ মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী, আবদুল আলীম চৌধুরী, সামসুদ্দীন আহমদ, আজহারুল হক, হুমায়ুন কবীর, সোলায়মান খান, কায়সার উদ্দীন, মনসুর আলী, গোলাম মর্তুজা, হাফেজ উদ্দীন খান জাহাঙ্গীর, আবদুল জব্বার, এস কে লাল, হেমচন্দ্র বসাক, কাজী ওবায়দুল হক, মিসেস আয়েশা বেদৌরা চৌধুরী, আলহাজ্জ্ব মমতাজ উদ্দীন, হাসিময় হাজরা, নরেন ঘোষ, জিকরুল হক, সামসুল হক, এস রহমান, এ গফুর, মনসুর আলী, এস কে সেন, মফিজ উদ্দীন, অমূল্য কুমার চক্রবর্তী, আতিকুর রহমান, গোলাম সরওয়ার, আর সি দাশ, মিহির কুমার সেন, সালেহ আহমদ, অনীল কুমার সিংহ, সুশীল চন্দ্র শর্মা, এ কে এম গোলাম মোস্তফা, মকবুল আহমদ, এনামুল হক, মনসুর (কানু), আশরাফ আলী তালুকদার প্রমুখ।

সেনাবাহিনীর অফিসারঃ লেঃ জিয়ায়ুর রহমান, লেঃ কঃ জাহাঙ্গীর, বদিউল আলম, লেঃ কঃ হাই, মেজর রেজাউর রহমান, মেজর নাজমুল ইসলাম, আসাদুল হক, নাজির উদ্দীন, লেঃ নূরুল ইসলাম, কাজল ভদ্র, মনসুর উদ্দীন প্রমুখ।

সাহিত্যিকঃ পূর্ণেন্দু দস্তিদার, ফেরদৌস দৌলা, ইন্দু সাহা, মেহরুন্নেসা, আলতাফ মাহমুদ,
দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহ্‌, জহির রায়হান (দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাকে হত্যা করা হয়) প্রমুখ।

অন্যান্যঃ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত (রাজনৈতিক নেতা), যোগেশ চন্দ্র ঘোষ (আয়ুর্বেদ শাস্ত্রী),শামসুজ্জামান (চিফ ইঞ্জিনিয়ার), মাহবুব আহমদ (সরকারি কর্মচারী), খুরশীদ আলম (ইঞ্জিনিয়ার), নজরুল ইসলাম (ইঞ্জিনিয়ার), মোজাম্মেল হক চৌধুরী (ইঞ্জিনিয়ার), মহসিন আলী (ইঞ্জিনিয়ার), মুজিবুল হক (সরকারি কর্মচারী) প্রমুখ।

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকাণ্ড ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে এক জঘন্য বর্বর ঘটনা, যা বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে স্তম্ভিত করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর ঢাকার মিরপুর, রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের লাশ ফেলে রেখে যায়। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পরপরই নিকট আত্মীয়রা মিরপুর ও রাজারবাগ বধ্যভূমিতে স্বজনের লাশ খুঁজে পায়। বর্বর পাক বাহিনী ও রাজাকাররা এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পৈশাচিকভাবে নির্যাতন করেছিল। বুদ্ধিজীবীদের লাশজুড়ে ছিল আঘাতের চিহ্ন, চোখ, হাত-পা বাঁধা, কারো কারো শরীরে একাধিক গুলি, অনেককে হত্যা করা হয়েছিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে। লাশের ক্ষত চিহ্নের কারণে অনেকেই প্রিয়জনের মৃতদেহ শনাক্ত করতে পারেননি।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত হয় বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ। এটি ঢাকার মীরপুরে অবস্থিত। স্মৃতিসৌধটির স্থপতি মোস্তফা হালি কুদ্দুস। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, রাজাকার ও আল-বদর বাহিনীর সহায়তায় বাংলাদেশের বহুসংখ্যক বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে তাদেরকে মিরপুর এলাকায় ফেলে রাখে। সেই সকল বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে সেই স্থানে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়।
এ সকল বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নাম জানা ও না জানা বুদ্ধিজীবীদের সম্মানে নির্মাণ করা হয়েছে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ’। স্থপতি মো. জামী-আল সাফী ও ফরিদউদ্দিন আহমেদের নকশায় নির্মিত এ স্মৃতিসৌধ ১৯৯৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে একটি স্মারক ডাকটিকিটের সিরিজ বের করেছে।

১৬ ডিসেম্বর লাল-সবুজের পতাকা
১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৩০লক্ষ শহীদের তাঁজা প্রাণ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল বাঙালি জাতি। ৭১’ সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ। পৃথিবীর বুকে জন্ম নিলো লাল-সবুজের পতাকা আবৃত একটি দেশ। যার নাম বাংলাদেশ। আর এই দেশের জাতীয় সংগীত হলো_আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশে ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা চালানো হয়। ২৫ মার্চের কালোরাতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর শুরু করা অপারেশন সার্চলাইট নামক ধ্বংসযজ্ঞ বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পূর্ব পর্যন্ত চলে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে তা নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন রকম পরিসংখ্যান প্রচলিত রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন এনাসাইক্লোপেডিয়া ও বইতে এই সংখ্যাটিকে ২,০০,০০০ থেকে শুরু করে ৩০,০০,০০০ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যাটিকে ৩০,০০,০০০ হিসেবে অনুমান করা হয়। যুদ্ধের সময় প্রায় এক কোটি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। যারা সে সময় দেশত্যাগ না করলে হয়তো গণহত্যার শিকার হত।
স্বাধীনতা লাভের প্রাক্কালে রাজাকার আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী পাকিস্তান আর্মির নির্দেশে বাংলাদেশের প্রায় ১০০০ জন বুদ্ধিজীবীকে - যাদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক, ডাক্তার, প্রকৌশলী, শিল্পী, কবি, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী - ধরে নিয়ে যায় এবং নির্মমভাবে হত্যা করে।
পাকিস্তানের পদলেহী বাংলাদেশী বিশ্বাসঘাতক রাজাকারের দল ডিসেম্বরের শুরুতেই যুদ্ধের পরিণতি বুঝতে পেরে স্বাধীনতার ঠিক আগে আগে সুপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটায়। বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে তারা সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রগতির পথ বন্ধ করে দেয়াই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।
স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে বহুসংখ্যক বাঙ্গালি নারী সম্ভ্রম হারায়। যার সঠিক সংখ্যা আজো জানা যায়নি। তথ্য প্রমাণ অনুসারে ধারণা করা হয় প্রায় ২,০০,০০০ নারী মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্ষিত হয় এবং তাদের গর্ভে অনেক যুদ্ধশিশু জন্ম নেয়। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে পাকিস্তান আর্মি বহু সংখ্যক মেয়েকে ধরে নিয়ে যায়। যাদের অধিকাংশই ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ পরিবারের মেয়ে। কিন্তু স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ’৭২-এর সংবিধানের মূলনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। সম্ভব হয়নি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ছাড়াই আমরা অনেক কষ্ট নিয়ে ৪০ তম বিজয় দিবস পালন করছি।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ’৭২-এর সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে_সিপিবি
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মনজুরুল আহসান খান ও সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ’৭২-এর সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। সাম্প্রদায়িকতা-সাম্রাজ্যবাদ-লুটপাটতন্ত্র প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি। মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে আজ এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মহান বিজয় দিবসে প্রক্কালে দেশের মানুষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ার সঠিক দিনক্ষণ জানার জন্য অপেক্ষা করছে। দেশবাসীর এক্যবদ্ধ দাবি ও মহাজোট সরকারের নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী এই ঘাতকদের বিচারের জন্য আর সময় ক্ষেপণ করা উচিৎ হবে না বলে জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৩০লক্ষ শহীদের তাঁজা প্রাণ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল বাঙালি জাতি। কিন্তু স্বাধীনতার ৪০বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ’৭২-এর সংবিধানের মূলনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। সম্ভব হয়নি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ’৭২-এর সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সাম্প্রদায়িকতা-সাম্রাজ্যবাদ-লুটপাটতন্ত্র প্রতিরোধ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করা যাবেনা বলে জানান।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29502364 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29502364 2011-12-14 00:17:36
দুর্ভিক্ষ এই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও সবসময় বিরাজ করছে অবশ্য এই দুর্ভিক্ষ এই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও সবসময় বিরাজ করছে। আর এই দুর্ভিক্ষের প্রধান কারণ পুজিবাদ।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29494629 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29494629 2011-12-02 01:15:50 যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ছাড়াই আরেকটি বিজয় দিবস পালন করতে যাচ্ছি ১৬ ডিসেম্বর। মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৩০লক্ষ শহীদের তাঁজা প্রাণ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল বাঙালি জাতি। ৭১’ সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ। পৃথিবীর বুকে জন্ম নিলো লাল-সবুজের পতাকা আবৃত একটি দেশ। যার নাম বাংলাদেশ। আর এই দেশের জাতীয় সংগীত হলো_আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারত উপমহাদেশ স্বাধীন হয়ে দুটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্রের পাকিস্তান ও ভারতের জন্ম হয়। নবগঠিত রাষ্ট্র পাকিস্তানের দুটি অংশ (বারশ মাইলের ব্যবধানে) পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। পাকিস্তানের পশ্চিম অংশ জন্মলগ্ন থেকেই পূর্বপাকিস্তানের সাথে বিমাতা সুলভ আচরণ শুরু করে। এভাবে চলতে থাকে দীর্ঘ ২৩ বছর। এক শোষণ-বঞ্চনার নির্মম ইতিহাস।
৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬২’র শিক্ষাআন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান আর ৭০এর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি এগিয়ে যায় স্বাধিকারের দিকে। সমস্ত সংগ্রামের সমন্বয়ে বাঙ্গালী জেগে উঠে পরাধীনতার গ্লানি মুছতে। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় স্বাধীনতার জন্য।
২৫শে মার্চ মধ্যরাতে পাকবাহিনী ঢাকায় সাধারণ মানুষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। নির্বিচারে হত্যা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের। ওই রাতে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হওয়ার আগে ইপিআর বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশর স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। ২৭শে মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে আবারো স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করলে মুক্তিযুদ্ধ আরো গতি পায়। ১৭এপ্রিল কুষ্টিয়ার মুজিব নগরে গঠন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার। এই সরকারের নেতৃত্বে চলে দীর্ঘ নয় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ।
বিজয়ের মাত্র ২দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বুঝতে পেরেছিল, তাদের পরাজয় অনিবার্য। ওরা আরো মনে করেছিল যে, বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা বেঁচে থাকলে এ মাটিতে ওরা বসবাস করতে পারবে না। তাই পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধাহীন করতে দেশের এসব বরেণ্য হাজার হাজার শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের বাসা ও কর্মস্থল থেকে রাতের অন্ধকারে পৈশাচিক কায়দায় চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে হত্যা করে। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকাণ্ড ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে এক জঘন্য বর্বর ঘটনা, যা বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে স্তম্ভিত করেছিল।
স্বাধীনতার ৪০ বছর পার হলেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু কেন? স্বাধীনতাত্তোর সময়ে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের দিকে। যে চেতনার প্রতিফলন ঘটে ’৭২-এর সংবিধানে। সেই চেতনাকে সকাম্রাজ্যবাদ, প্রতিক্রিয়াশীলগোষ্ঠী ও যুদ্ধাপরাধীরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার মাধ্যমে নস্যাৎ করে দেয়। ভূলুন্ঠিত হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ’৭২-এর সংবিধান। দেশ চলতে থাকে খন্দকার মোস্তাক গংদের প্রবর্তিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ধারায়। যার চালিকাশক্তি ছিল সকাম্রাজ্যবাদ, প্রতিক্রিয়াশীলগোষ্ঠী ও যুদ্ধাপরাধীরা। দীর্ঘ ১৫ বছর চলে সামরিক শাসন। এরা প্রত্যেকেই প্রতিক্রিয়াশীলগোষ্ঠী ও যুদ্ধাপরাধীদের প্রতিষ্ঠা করেছে। ’৯০-এ গণান্দোলনের মধ্য দিয়ে এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর পালাক্রমে বঙ্গবন্ধু ও জিয়ার উত্তরসুরীরা দেশ চালায়। তারাও চলতে থাকে মোস্তাক গংদের প্রবর্তিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ধারায়। ক্ষতায় যাওয়ার লোভে উভয় দলই যুদ্ধাপরাধীদের সাথে নেয়। সেই সুবাদে যুদ্ধাপরাধীরা এদেশে মন্ত্রীও হয়েছে।
অন্যদিকে স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ’৭২-এর সংবিধানের মূলনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। সম্ভব হয়নি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ছাড়াই আমরা অনেক কষ্ট নিয়ে ৪০ তম বিজয় দিবস পালন করতে যাচ্ছি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29493847 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29493847 2011-12-01 00:33:05
বিপ্লবীদের কথা ওয়েব সাইটটি দেখা যাচ্ছে না http://www.biplobiderkotha.com (বিপ্লবীদের কথা ওয়েব সাইটটি) আজ এই সময় পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না।
ডোমিন রিনিউ না করার কারণে এই বাস্তবতা সম্মুখিন হতে হয়েছে বিপ্লবীদের কথা পরিবারকে।
যা-ই হোক হয়তো আগামীকাল নাগাদ এই সাইটটি দেখা যাবে।
এই দুর্ঘটনার জন্য নিয়মিত পাঠকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি...সম্পাদক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29493829 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29493829 2011-12-01 00:14:24
কবি শামসুর রাহমানের সহধর্মিণী জোহরা রাহমান আজ শুধুই স্মৃতি ............ কবি শামসুর রাহমানের সহধর্মিণী জোহরা রাহমান আজ শুধুই স্মৃতি। ২৬ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29491277 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29491277 2011-11-27 01:24:24 ২০১১ সালে চলছে অগ্নিযুগের ১৫ জন বিপ্লবীর জন্মশতবর্ষঃ বিপ্লবীদের কথা, ডিসেম্বর সংখ্যা ১। দীনেশ গুপ্ত ২। প্রীতিলতা ৩। বীণা দাস ৪। সরোজ মুখার্জী ৫। বারীন দত্ত ৬। বিনোদ বিহারী ৭। সুধা রায় ৮। প্রাণকৃষ্ণ চক্রবর্তী ৯। ত্রিদিব চৌধুরী ১০। জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র ১১। সুধী প্রদান ১২। বিনয় চৌধুরী ১৩। গোপাল বসু ১৪। চঞ্চল কুমার শর্ম্মা ১৫। প্রথমনাথ নন্দী
http://www.biplobiderkotha.com ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29491264 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29491264 2011-11-27 00:43:11
১১ নভেম্বর বেতিয়ারা শহীদ দিবসঃ- শেখ রফিক বাঙালির ইতিহাসে ঐতিহ্যবাহী গৌরবোজ্জ্ল সংগ্রাম আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা পালন করে ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ গেরিলা বাহিনী। মুক্তিযুদ্ধে এই যৌথ গেরিলা বাহিনীর উদ্যোগে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-যুব-মেহনতি মানুষসহ সমাজের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ হতে থাকে। দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ মুক্তিপাগল জনগণ সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়ে। এজন্য পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নেন এবং পরবর্তীতে শরনার্থী ক্যাম্পগুলোতে অবস্থানরত অন্যান্যদের মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দেন। প্রশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্নগ্রুপে বিভক্ত হয়ে ভারত সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করে। এমনিই একটি প্রশিক্ষিত গ্রুপ ১১ নভেম্বর কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে বেতিয়ারা নামক স্থান দিয়ে প্রবেশের সময় পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হয় নয় জন বীর গেরিলা যোদ্ধা।
১১ নভেম্বর বেতিয়ারা শহীদ দিবসে শহীদদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হলোঃ

শহীদ নিজাম উদ্দিন আজাদঃ
কমরুদ্দিন আহমেদের পুত্র শহীদ নিজাম উদ্দিন আজাদ ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল থেকে মাধ্যমিক, ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে ভর্তি হন। তিনি রাজনীতির ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী এবং সমাজতন্ত্রের পক্ষের সংগঠন ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন। কলেজ ছাত্রাবস্থায় নিজ মেধা ও যোগ্যতায় অল্পদিনেই সংগঠনের নেতৃত্বের প্রথম সাড়িতে ওঠে আসেন। মৃত্যুর দিন পর্যন্ত তিনি সংগঠনের ঢাকা জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। সন্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রাবস্থায় দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ডাক আসে। সব কিছু পেছনে ফেলে তিনি এগিয়ে যান সামনে। যোগ দেন ছাত্র ইউনিয়ন-ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টির গেরিলা বাহিনীতে। প্রশিক্ষণ শেষে গ্রুপ কমান্ডার হিসেবে গেরিলা বাহিনী নিয়ে মাতৃভুমিকে মুক্ত করার জন্য স্বদেশে প্রবেশকালে বেতিয়ারার ওঁতপেতে থাকা পাক সেনারা হঠাৎ আক্রমন করে। যৌথ গেরিলা দলের যোদ্ধাদের রক্ষার জন্য অস্ত্র হাতে সবার সামনে দাঁড়ান কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে অস্ত্র নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে। যোদ্ধাদের ফেলে রেখে পেছনে ফিরে যেতে চাননি। পাকিস্তানি বাহিসীর প্রতি প্রতিরোধ ব্যুহ রচনা করে নিজের যোদ্ধাদের নিরাপদে পশ্চাদপসরণ করার সুযোগ করে দিলেন। কিন্তু নিজে বরণ করে নিলেন সাহসী বীরের মৃত্যু।

শহীদ বশির মাস্টারঃ
মো. বশিরুল ইসলামের জন্ম ১৯৪৯ সালে। পিতা মরহুম অলিউর রহমান। পিতার পেশা ছিল ব্যবসা। মাতা সাহেরা বানু। বড় ভাই ইঞ্জিনিয়ার মো. শহীদুল ইসলাম, যিনি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন। শহীদ বশিরের ৫ বোন। তার বোনেরা হচ্ছেন ১. জাহানারা বেগম(গৃহিনী) ২. হোসনে আরা বেগম(গৃহিনী) ৩. আনোয়ারা বেগম(গৃহিনী) ৪. কামরুন নাহার বেগম বিএবিএড (ইন্সিওরেন্স কোম্পানির চাকরিরত) ৫. গুলজার বেগম বিএবিএড (আমেরিকায় বসবাসরত)।
শহীদ বশির ১৯৬৪ সালে ঢাকা গভ. মুসলিম হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাশ করে । ১৯৬৬ সালে এইচএসসি পাশ করেন। একই কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে বিএসসি পাশ করেন। ১৯৭১ সালে তিনি সেন্ট্রাল ল কলেজে আইনের প্রথম পর্বের ছাত্র ছিলেন। তিনিও বেতিয়ারায় পাক সেনাদের সাথে গেরিলা বাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন।

শহীদ সিরাজুম মুনীর জাহাঙ্গীরঃ
শহীদ মো. সিরাজুম মুনীর জাহাঙ্গীরের পিতা আলহাজ্ব দলিলউদ্দিন আহমদ, মাতা জাহানারা আহমদ। শহীদ মো. সিরাজুম মুনীর জাহাঙ্গীর ছিলেন পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় সন্তান। ১৯৭১ সালে তিনি এমএ শেষ পর্বের ছাত্র ছিলেন। তিনি ছাত্র ইউনিয়ন, ঢাকা মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পরে ঢাকা জেলা কৃষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে দেশ মাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে ছাত্র ইউনিয়ন-ন্যাপ ও কমিউনিস্ট পার্টির যৌথ গেরিলা বাহিনীর নেতৃত্বে বিভিন্ন রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেন। শহীদ মো. সিরাজুম মুনীর জাহাঙ্গীর সাহিত্য চর্চা করতেন। ৭১ এ তাঁর ছোট গল্প শিল্পী প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সিরাজুম মুনীরের দাদী, ফুপা. ফুপু এবং ফুপাতো ভাইবোনসহ মোট ৯ জন সৈয়দপুরে শহীদ হন। ১৯৭১ সালে এই বীর যোদ্ধা বেতিয়ারায় শহীদ হন।

শহীদ শহীদুল্লাহ্ সাউদঃ
১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অন্য আর সবার সাথে খেলাঘরও অংশ নিয়েছিল দেশ মাতৃকাকে মুক্ত করার লড়াইয়ে। সে লড়াইয়ে আমরা হারিয়েছিলাম ৩০ লাখ বীরকে। যাদের মধ্যে ছিল অসংখ্য বীর কিশোর। এদেরই একজন শহীদ শহীদুল্লাহ সাউদ।
২ নং ঢাকেশ্বরী কটন মিলের কর্মচারী মো. জাবেদ আলী সাউদ ও মোসাম্মৎ জাবেদা খাতুনের চার সন্তানের মধ্যে শহীদুল্লাহ সাউদ ছিলেন ৩য়। গোদানাইল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষ করে তিনি ভর্তি হন গোদানাইল হাইস্কুলে। এরই মধ্যে তিনি জড়িয়ে যান ঝিলিমিলি খেলাঘর আসরের সাথে। ছাত্র ইউনিয়নও করতে শুরু করেন স্কুলজীবন থেকেই শহীদুল্লাহ সাউদ যখন ক্লাশ নাইনের ছাত্র তখন শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ক্লাশ নাইনের ছাত্র শহীদুল্লাহ্ সাউদ দেশকে ভালোবেসে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে। যুদ্ধে যাওয়ার পরেও তাঁর বাড়ির সাথে তার যোগাযোগ ছিল। তিনি বাড়ির সবাইকে কেবলই জানাতেন ভাল আছি কাজ শেষ হলেই ফিরব। অসীম সাহসে লড়াই করতে করতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বেতিয়ারায় আরো ৮ জন সহযোদ্ধার সাথে তিনিও শহীদ হন।

শহীদ আব্দুল কাইউমঃ
শহীদ আব্দুল কাইউম, পিতা-মৃত ছানাউল্লাহ মিয়া, মাতা-মৃত হালিমা খাতুন, গ্রাম-চর শোলাদি, থানা-হাইম চর, জেলা-চাঁদপুর। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধচলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ.ক্লাশের ছাত্র ছিল। দেশ মাতৃকার ডাকে গেরিলা বাহিনীতে যোগ দেয়। বেতিয়ারার অন্যান্য শহীদদের সাথে তিনিও পাক বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন।

শহীদ আওলাদ হোসেনঃ
শহীদ আওলাদ হোসেনের বাড়ি নারায়নগঞ্জ জেলার সোনাচড়া গ্রামে। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এস.সি ক্লাসের ছাত্র। ৬৯ এর গনঅভ্যুত্থানেও তিনি সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ন্যাপ-কমিউনিস্ট গেরিলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বেতিয়ারায় সম্মুখ সমরে শহীদ হন।

শহীদ আব্দুল কাদেরঃ
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী স্টেশনের নিকটবর্তী সাতবাড়িয়া গ্রামের সন্তান আব্দুল কাদের। ১৯৭১ সালে তিনি সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন । এসময় তিনি ভারতে ট্রেনিং প্রাপ্ত হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে দেশের অভ্যন্তরে রণক্ষেত্রে নিরাপদে পৌছে দেয়ার দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা বাহিনীকে স্বদেশে পৌছে দেয়ার সময় কুমিল্লার বেতিয়ারায় পাক সেনাদের সাথে সম্মুখ সমরে শহীদ হন।

শহীদ মোহাম্মদ শফিউল্লাহঃ
নোয়াখালীর সাহসী সন্তান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, প্রগতিশীল রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই তিনি প্রতিরোধ সংগ্রমে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে আসেন এবং নিজ এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলেন। মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার জন্য তিনি গেরিলা বাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে এই বীর দেশপ্রেমিক বেতিয়ারায় শহীদ হন।

বেতিয়ারার সম্মুখ যুদ্ধে যে সমস্ত ব্যক্তি এখনও বেঁচে আছেন--তাদের মধ্যে অন্যতম বুয়েটের সাবেক ভিপি যুব নেতা প্রকৌশলী হিলাল উদ্দিন, শ্রমিক নেতা আবুল কালাম আজাদসহ অনেকেই।
এই সম্মুখ যুদ্ধে গেরিলা বাহিনীর হতাহতের পাশাপশি পাকিস্তানী বাহিনীর অসংখ্য সৈনিক মৃত্যুবরণ করেন ও ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। যা আজও আমাদের মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে। এমনই অসংখ্য গেরিলা যুদ্ধ, সম্মুখ যুদ্ধ, মিত্র বাহিনীর সাথে সম্মিলিত যুদ্ধের মধ্য দিয়েই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীর আত্নসমর্পন ও ঐতিহাসিক সশস্ত্র বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয় ঘটে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29480997 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29480997 2011-11-11 00:49:20
যুদ্ধশিশু-কে যে জারজ বলে, তার বাবা নিশ্চয়ই সাঈদী অথবা নিজামী_এতে কোনো সন্দেহ নেই। ব্যনেটের মন্তব্য
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:২১ ব্যানেট বলেছেন: ২,০০,০০০ নারী মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্ষিত হয় এবং তাদের গর্ভে অনেক যুদ্ধশিশু জন্ম নেয়।
আর ঐ জারজ সন্তান গুলো এখন আওয়ামীলিগ যোগ দিয়ে আবার দেশে ধর্ষন, খুন , লুটতরাজ করছে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আমার পোস্টটিতে ব্যানেট যা মন্তব্য করেছে তা দিয়ে একটি পোস্ট দিলাম। ওর বিচার প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা মন্তব্যের মাধ্যমে করবেন বলে আশা রাখি। আমি ওকে যে জবাবটি দিয়েছি সেটি দিয়ে পোস্ট করছিলাম কিন্তু তা সামু মুছে দিয়েছে।


০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৭
লেখক বলেছেন: যুদ্ধশিশু-কে যে জারজ বলে, তার বাবা নিশ্চয়ই সাঈদী অথবা নিজামী_এতে কোনো সন্দেহ নেই।
মুছে ফেলুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29478722 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29478722 2011-11-06 01:53:31
ছাগুদের বাপদের কারণে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ২,০০,০০০ নারী ধর্ষিত হয় ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৩০লক্ষ শহীদের তাঁজা প্রাণ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল বাঙালি জাতি। ৭১’ সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ। পৃথিবীর বুকে জন্ম নিলো লাল-সবুজের পতাকা আবৃত একটি দেশ। যার নাম বাংলাদেশ। আর এই দেশের জাতীয় সংগীত হলো_আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশে ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা চালানো হয়। ২৫ মার্চের কালোরাতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর শুরু করা অপারেশন সার্চলাইট নামক ধ্বংসযজ্ঞ বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পূর্ব পর্যন্ত চলে।
বিজয়ের মাত্র ২দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বুঝতে পেরেছিল, তাদের পরাজয় অনিবার্য। ওরা আরো মনে করেছিল যে, বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা বেঁচে থাকলে এ মাটিতে ওরা বসবাস করতে পারবে না। তাই পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধাহীন করতে দেশের এসব বরেণ্য হাজার হাজার শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের বাসা ও কর্মস্থল থেকে রাতের অন্ধকারে পৈশাচিক কায়দায় চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে হত্যা করে। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকাণ্ড ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে এক জঘন্য বর্বর ঘটনা, যা বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে স্তম্ভিত করেছিল।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে তা নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন রকম পরিসংখ্যান প্রচলিত রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন এনাসাইক্লোপেডিয়া ও বইতে এই সংখ্যাটিকে ২,০০,০০০ থেকে শুরু করে ৩০,০০,০০০ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যাটিকে ৩০,০০,০০০ হিসেবে অনুমান করা হয়। যুদ্ধের সময় প্রায় এক কোটি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। যারা সে সময় দেশত্যাগ না করলে হয়তো গণহত্যার শিকার হত।
স্বাধীনতা লাভের প্রাক্কালে রাজাকার আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী পাকিস্তান আর্মির নির্দেশে বাংলাদেশের প্রায় ১০০০ জন বুদ্ধিজীবীকে - যাদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক, ডাক্তার, প্রকৌশলী, শিল্পী, কবি, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী - ধরে নিয়ে যায় এবং নির্মমভাবে হত্যা করে।
পাকিস্তানের পদলেহী বাংলাদেশী বিশ্বাসঘাতক রাজাকারের দল ডিসেম্বরের শুরুতেই যুদ্ধের পরিণতি বুঝতে পেরে স্বাধীনতার ঠিক আগে আগে সুপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটায়। বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে তারা সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রগতির পথ বন্ধ করে দেয়াই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।
এই বুনো হায়নাদের হাত থেকে বাংলাদেশের মানুষকে বাঁচাতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওদেরকে প্রতিহত করতে হবে। প্রয়োজনে ওদেরকে আফগানিস্থান, পাকিস্তান পাঠিয়ে দিতে হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29478698 http://www.somewhereinblog.net/blog/RAFIQCPB/29478698 2011-11-06 01:14:15