মাছের পচন নাকি শুরু হয় লেজ থেকে।কিন্তু সূশীল পচন শুরু হয় মাথা থেকে।সমাজের বুদ্ধিজীবী নামে দাবী করা তথাকথিত সূশীল সমাজের যখন মষ্তিষ্ক বিকৃতি শুরু হয় তখন পচন ধরে পূরো সমজের ।বিবেকের জানালা বন্ধ করে খূলে দেয় পদলেহনের দরজা।অর্থের প্যাদানীতে পা রেখে অসভ্যতার রথ ছূঁড়ায়।সত্য মিথ্যা এদের কাছে বড় কোনো বিষয় নয়।অর্থ বাবুদের ইন্ধনে মূখ থেকে ঝরে শুধু তৈলাক্ত লালা।মনুষত্বের লেবাস খূলে পড়ে নিয়েছে যেনো পশুত্বের খোলস।পান্তাভাতের অনূষ্টান সর্বস্ব বাঙালীপনা- বেমালূম ভূলে যায় থার্টি ফাষ্ট নাইটের আবহ ধারায়।বাঙালী জাতির লালিত চেতনায় ছূরি দিয়ে আমদানি করে ডাষ্টবিনের পঁচা সভ্যতা।বিলাসীতার চাদরে নিজেকে জড়িঁয়ে রচনা করে ফূটপাতের অসহায় মানুষগুলোর কাব্যগাথাঁ।পূজিঁবাদের চেতনায় শোষন করে নেয় অসহায় পাংশু মুখের শেষ সম্বলটুকুন ও।সাম্যের কথা বলে এরাই অসাম্যের প্রাচীল তুলে সমাজে।এরা ধর্মের নাম শুনলেই জ্বঁলে উঠে তেলে বেগুনে।মনে হয় কেউ একজন আগুন ধরিয়ে দিয়েছে গাঁয়ে।অথচ এখনো যতটুকুন সততা অবশিষ্ট আছে তা ধর্মের কারণেই অবশিষ্ট আছে।প্রত্যকটি ধর্মই মানুষকে সভ্য হওয়ার শিক্ষা দেয়।যারা সভ্যতার শ্লোগান দেয় তারাই রনাঙ্গনে তাদের সহকর্মীদের উদরকে বানায় জারজ সন্তানের আখড়া।তারা শান্তি প্রতিষ্টার নামে বাজাঁয় যুদ্ধের দামামা।সাম্যের নামে উড়াঁয় অসাম্যের কেতন।জাপানের হিরোসিমা,বিশ্বযুদ্ধের হত্যাযঙ্ঘ,আফগানিস্হানের বালিকণায় লেগে থাকা কচি শিশুর রক্ত কণা,ইরাকের বস্রা গোলাপের অবেলায় ঝরে যাওয়া,ফিলিস্তিনের প্রিয় হারানোর ব্যাথায় বিদগ্ধ অন্তরের গোঙানী যাদের সভ্যতার পরিচয় বহন করে তারাই মুসলিম শিশুর কান্নার আওয়াজকে বলে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর।হত্যা করে তাই মানব শিশু।নারীর ঈজ্জত লুন্ঠন করে পরে নেয় সততার লেবাস।রক্ত আর হত্যার এই মহোৎসব যাদের পরিচয় বহন করে তারা আর তাদের লালিত দোসররা মুসলানের ইতিহাস থেকেই পায় রক্তের গন্ধ।মুসলমান আর ইসলামের অনূসারীদের গালি দেন যারা তারা কি জানেনা তাদের ডলারবাবুদের এই মহাকীর্তন?আমার দেশের সূশীল বুদ্ধিজীবিরাকি বিবেকের কপাট খুলে দেবেন?পড়ে নেবেন ইসলামের সূমহান সোনালী ইতিহাস?দয়া করে মন্তব্য করার আগে বিবেকের কড়াঁ নাড়ুন।সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে শিখুন।গালি দেয়ার অভ্যাস পরিহার করে সভ্য হোন,সুন্দর হোন।সমাজের পচঁন রোধে নিজেদের পচঁন রোধ করুন।শুভ কামনা সবার প্রতি।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০১১ দুপুর ১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


