somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... শহর থেকে দুরে > মরুর বুকে বিকেল সহ এক সন্ধ্যা (Desert Safari Tour) ছবি ব্লগ।

আমোদ আর প্রমোদ এর নগরী ডুবাই, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ অবকাশ আর একান্ত কিছু সময় কাটানোর জন্য আসে এই শহরে , এদের কথা মাথায় রেখেই গড়ে উঠেছে নানা রকম আনন্দ আয়োজন তারই একটি হল Desert Safari Tour মুরুর বুকে এই ভ্রমনে আপনি যেসব সুবিধা পাবেন এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হল.....
*Pick up and drop *Desert dune bashing *Live Belly Dance *Henna painting *Camel Riding *Tanoura Dancing *Sand Boarding *Music System * dinner tables with carpet & Pillows*Childern play Corner *Unlimited Soft Drinks *Bar BQ Dinner *Bedouine tents with carpet and pillows Local Dresses for men & Women (for photography)
সব মিলিয়ে দুপরের শেষ থেকে রাত সাড়ে নটা পর্যন্ত মনে রাখার মত চমৎকার একটা সন্ধ্যা। এবার চলুন ছবি দেখি আর ঘুরে আসি মরুর বুকে <img src=" style="border:0;" />

০১: শহর ছেড়ে চলছি ঐ মরুর পথে।


০২: ঐ দেখা যায় মরুভুমি এ পথেই চলে গেলাম দুর থেকে বহু দুরে ।


০৩: আমাদের পেছনের গাড়ী গুলো কেমন যেন পাহাড় ভেংগে ছুটে আসছে।


০৪: পাহাড় ভাঙার মুহুত্বে <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


০৫: পাহাড়ের উপর থেকে ছুটে আসা গাড়ীগুলোকে এমনই দেখায়।

০৬: এবার ফটোসেশন হবে সবাই কে গাড়ীথেকে নামতে দেওয়া হল আর গাড়ীগুলরও একটু রেষ্ট নেওয়া হচ্ছে।


০৭: ফটোতে দেখেন পিওর মরুভুমি।


০৮: আরেকটা এ্যকশন <img src=" style="border:0;" />


০৯: এবার হবে উঠের পিঠে ছড়া......উঠের পিঠে উঠেই আমার এই গানটা সেনালী প্রান্তরে মনে হল আর তখনই গেয়ে উঠলাম সে অন্যরকম এক অনুভূতি।

১০: কিছুক্ষন পরেই আসবে সন্ধ্যা হবে নাছ গান তার আগে দেখে নেই অনেক গুলো পরীর মধ্যে একটা পরী বালু নিয়ে কি সুন্দর খেলায় মেতে উঠেছে....পরীটার নাম হচ্ছে ফাতিমা।
১১: সন্ধ্যার পরেই শুরু হল ঐতিহ্যবাহী Belly Dance.. আরো অনেক ক্লিয়ার পিক আছে ওগুলো ইচ্ছে করেই দিলাম না কারন ১৪+ <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


১২: এই সুন্দরী কিন্তু প্রফেশনাল নাচনীওয়ালী না আমাদের মতই দর্শক কিন্তু ভালই নাচে


১৩: এইটা হল Tanoura Dance


১৩-১ এইটা হল Tanoura Dance এর আরেকটা লাইটিং Dance


১৪: এবার খানা-পিনা হবে ইয়াম্মি ইযাম্মি Bar BQ Dinner লাইনে দাড়িয়ে একের পর এক খাবার তুলে নিচ্ছে <img src=" style="border:0;" />


১৫: বাপ ছেলে <img src=" style="border:0;" />

বিদ্র: Belly Dance..এর অনেক ফটুক ছিল দিলামনা ওগুলা হয়ত ১৪,১৫,১৮+ হয়ে যাবে ইদানিং কালে বাচ্ছারাও সামুতে আসে, বাচ্ছারা এসব পিক দেইখা যদি বাপ-মার কাছে Belly Dance..দেখার আব্দার করে বসে তাইলে হইছে.. <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29539533 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29539533 2012-02-12 12:41:32
:........শেষ চিঠি..........:
শাহরিয়ার আজকে এতটাই উত্তেজিত হয়েছেন যেটা তার জন্য মোটেও ভাল লক্ষন নয়, এমন শান্ত স্বভাবের মানুষও অত গরম হতে পারে শাহরিয়ারকে না দেখলে বুঝার উপায় নেই। আসলে নতুন কাজের লোকটাকে আগেই বলে দেওয়া উচিত ছিল শাহরিয়ারের ঘরের কোন জিনিস যেন না ধরা হয়। এই একটা ব্যাপারে ও কারো সাথেই শান্ত থাকতে পারে না, ওর ঘরটা একজনের স্মৃতি দিয়ে অনেকটা মিউজিয়ামের মত করে রেখেছে অথবা ঠিক মিউজিয়ামও বলা যায় না কারন মিউজিয়ামে দর্শনার্থীদের প্রবেশ থাকে কিন্তু শাহরিয়ারের ঘরে কেউ প্রবেশ করুক এটা সে কক্ষনোই চায় না। সদ্য চল্লিশ-এ পা রাখল অথচ এখনও ঐ ঘরটি নিয়েই পড়ে থাকে। কয়েক মাস আগে মা-বাবাও চলে গেল ওপাড়ে না ফেরার দেশে, কত চেষ্টা করেছেন ওনারা ছেলের বউকে দেখে যেতে কিন্তু কোন চেষ্টাই সফল হয়নি সব যেন শাহরিয়ারের সিদ্ধান্তের কাছে মাথা নত করেছে। ওর এমন কান্ড দেখলে বিশ্বাসই হয় না ও অত বড় একটা Organization এর Country Representative হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করে আসছে।


ভাবতে খুব অবাক লাগে ১৫ বছর আগে রোজীর সেই চিঠি খানাই শাহরিয়ারকে এমন করে দিল। কি চমৎকার জুটি ছিল ওদের ভার্সিটিতে সবাই ওদেরকে দেখে কত কথা বলত বন্ধুরা বলত এমন যুগল আর দ্বিতীয়টি নেই। রোজী শাহরিয়ারের ১ ক্লাসের ছোট ছিল হাইস্কুল থেকেই ২জনের মধ্যে জানাশুনা। শাহরিয়ার যখন কলেজ থেকে বের হবে রোজী তখন একই কলেজের একাদশের ছাত্রী। শাহরিয়ার রোজীকে খুব পছন্দ করত কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও মনের কথা বলতে পারেনি, একদিন রোজী শাহরিয়ারকে কলেজ পাঙ্গনে শহীদমিনারে দেখা করতে বলে আর সেখানেই শাহরিয়ার শুনতে পায় তার জীবনের সবচেয়ে মধুর শব্দটি রোজী তাকে Propose করে, আর শাহরিয়ার Commitment করে ভালবাসবে অনন্ত।

কলেজের গন্ডি পার করে এসেই শাহরিয়ার দেশের সেরা সরকারী ভার্সিটিতে ভর্তি হয় বছর ঘুরে রোজীও একই ভার্সিটিতে ভর্তি হয়। যদিও রোজী প্রথম অবস্থায় একই ডিপার্টমেন্টে সাবজেক্ট পায়নি কিন্তু পরে মাইগ্রেশন করে শাহরিয়ারের ডিপার্টমেন্টে আসার সুযোগ হয়, আর ওদের সম্পর্কের বিস্তৃতি বাড়তে থাকে। ওদের সম্পর্কের সাক্ষী হয়ে আছে ঐ নীল আকাশ, স্নিগ্ধ বাতাস, সবুজ ঘাস, চায়ের ক্যন্টিন, খেয়া তরী, চলাৎ চলাৎ নদীর জল, নদীর পাড়ের কাশফুল আরো অনেকই। সময় গড়িয়ে এই যুগলের প্রেমের বয়স কখন যে, ছয় শেষ হয়ে সাত-এ আসল তারা টেরই পেল না। রোজী মনে মনে তাদের সন্তানের নামও ঠিক করে রেখেছে ছেলে হলে নাম রাখবে ‘শায়ান মাহমুদ’’ আর যদি মেয়ে হয় তাহলে রাখবে ‘রাইশা মাহমুদ’ কারন শাহরিয়ারের পুরো নাম শাহরিয়ার মাহমুদ ওর নামের শেষাংশ ছেলে মেয়ের নামের সাথে দিবে। এদিকে শাহরিয়ারের ভার্সিটি শেষ এখন শুধু একটি ভাল চাকরী তারপর রোজীকে নিয়ে একই ছাদের নীচে থাকার কথা ভাবতেই মুহূর্মুহূ আনন্দে শিহরিত হচ্ছে বারবার। ও ভবিষ্যত স্বপ্নে বিভোর হয়ে শিহরিত হয় আর বিধাতা এ দিকে মুচকি হাসে। শাহরিয়ারের চাকরীতে যোগদানের কয়েকটি দিন বাকী মাত্র তখনই রোজীর সেই চিঠিটি আসে যেটা বিনা মেঘেই বজ্রপাত অথবা শান্ত সমুদ্রে অতর্কিত সাইক্লোন। যেই সাইক্লোনটাই শাহরিয়ারের জীবনটাকে নিমিষেই থমকে দিল। রোজীর চিঠি পড়ে শাহরিয়ার মনের অজান্তেই গেয়ে উঠল……

You are the one......

I cherish more than anythings....

I love you more than you will ever know

I love you more than you will ever see

More than my heart could ever show………..

উৎসর্গ: সেই মানুষগুলোকে.....বাস্তবতা যখন দুটি মানুষকে একসাথে একই ছাদের নিচে থাকতে দেয় না কিন্তু ভালবাসি তাই অভিশাপ নয় অনন্তকাল প্রত্যাশাহীন ভালবেসে যায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29524460 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29524460 2012-01-18 15:23:50
‘…….বিয়োজনের চৈতন্য…….’

কলেজের হলরুম কানায় কানায় পূর্ণ আগত অতিথী ও অভিবাকদের মধ্যে সবাই এরই মধ্যে নিজেদের আসন খুজে নিয়েছেন, কিছুক্ষনের মধ্যেই কীর্তি ছাত্রদের জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হবে। আজ ভাবতে ভাল লাগছে এই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ৭ বছরের জীবনে অনেক কিছুই পেয়েছি, বিভাগীয়ভাবে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান পাওয়ায় কলেজের স্যার’রা খুব খুশি, এস.এস.সি’তে যদিও স্থান পেয়েছিলাম তবে সেটা প্রথম ছিলনা তাই তখন খুব আক্ষেপ হয়েছিল। স্যারদের অক্লান্তপরিশ্রম আর আমাদের অদম্য অভিপ্রায় এটা সম্ভব হয়েছে, এবার এই প্রতিষ্ঠান থেকে আমরা ৩জন বিভাগীয়ভাবে মেধা তালিকায় ১ থেকে ১০ এর মধ্যে আছি। উপস্থাপক শুরুতেই এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্য সম্পর্কে শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য পেশ করলেন, এরপর শিক্ষার্থীদের মথ্যে প্রথমে বিভাগীয়ভাবে ৮ম স্থান অধিকারী রাজীব নুর কে মঞ্চে গিয়ে তার অনুভূতি জানানোর জন্য অনুরোধ করলেন। রাজীব উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে তার মা-বাবাকে দেখিয়ে বললেন আমার মা-বাবা সব সময় আমার সাথে ছায়া সঙ্গীর মতই অনুপ্রেরনা যুগিয়েছে তাই তাঁদের স্বপ্ন পুরনে আমি সবসময় ভাল করতে চাই সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। রাজীবের কথা গুলি আমার মাথার মধ্যে ঘুর পাক খাচ্ছে মনে হচ্ছে মাথার ভেতর কেউ লোহার তপ্ত খণ্ড দিয়ে ব্যাট-বল খেলছে আর ব্যাটের সাথে বলের প্রতিটি স্পর্শই আমার মাথার ভেতরে অনবরত কম্পনের সৃষ্টি করছে।


উপস্থাপক এবার মেধা তালিকায় ৩য় হওয়া অনামিকা শৈলি’কে অনুরোধ করল মঞ্চে গিয়ে তার অনুভুতি জানানোর জন্য, অনামিকা প্রথমে শিক্ষদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল তার পরেই বলল ওর এই অসামান্য সাফল্যের পেছনে তার মা-বাবার অকৃত্রিম ভালবাসার অবদান সবচেয়ে বেশী সে চায় এইভাবে সবসময় ভাল করে তার মা-বাবার মুখ উজ্জল করতে। ওদের কথা শুনে ঘামে আমার শরীর ভিজে যাচ্ছে ভেতরে থাকা শরীরের পানীয়জ্বল আজ অবলীলায় প্রতিটি পশমের গোড়াদিয়ে মিছিলের সহীত বের হয়ে আসছে, এক্ষুনিইতো আমার ডাক পড়বে আমি কি বলব? মা-বাবা সম্পর্কে কোন কিছুইতো আমার মনে নেই, মা-বাবার ব্যখ্যাওতো জানিনা, আমার কাছে মা-বাবা মানেইতো ঐ দুর গগণের তারা। অন্য কেউইতো তেমন নেই একমাত্র মামা সেওতো কখনও বলেনি তার স্বপ্নপুরন করতে হবে, সেই ছোট বেলা থেকেই স্কুল কলেজের হোষ্টেলেই থেকে বড় হচ্ছি। মামা ছাড়া অন্যকোন আত্মীয়-স্বজন সম্পর্কেওতো জানি না যাদের আমাকে নিয়ে কোন স্বপ্ন থাকতে পারে। এমনকি স্কুল কলেজের লম্বা ছুটির সময়গুলোও আমাকে হোষ্টেলেই থাকতে হয়েছে। বার্ষীক পরীক্ষার পর সবাই যখন হোষ্টেল থেকে তার মা-বাবার সাথে বাড়ী চলে যেত আমি তখন ওদের মা-বাবার দিকে তাকিয়ে থাকতাম আর ভাবতাম একটু! যদি একটু চমৎকার হত কেউ এসে বলত রোহান তোমার আব্বু আম্মু তোমাকে নিতে এসেছে। কিন্তু সে রকমতো কখনই হয়নি ঐ গগনের তারা ছাড়া কেউই আমার সংগী হয়নি, এমনকি মামা তার একমাত্র বোনের ছেলেকে তার বাড়ীতে নিতেও সাহশ করেননি পাছে তার বউ কোন ঝামেলা করে । মামার কাছেই কেটেছে বয়স দেড় থেকে ৭ অব্ধি। একসময় মামার পরিনয়ের কথা হল আর আমার সংস্থান হল হোষ্টেলে তার পর থেকেই হোষ্টেলই আমার সব। কি ছুটি কি ঈদ কোন কিছুতেই নিয়ম বদলায়নি শুধু মামাটা বছরে দুই একবার এসে দেখে যায়।


উপস্থাপকের কন্ঠে মেধা তালিকায় প্রথমস্থান অধিকারী রোহান আরেফীন এর নাম শুনেই অপ্রস্তুতভাবে উঠে দাঁড়ালাম কি বলব তা আমার জানা নেই কিন্তু তারপরেও মঞ্চে গিয়ে সৌজন্যতা দেখাতে হবে, আমার সামনে মাইক্রোফোন হাত-পায়ে কোন কম্পন নেই খুব স্বাভাবিক আছি কিন্তু হিয়ার মধ্যে রক্তক্ষরন হচ্ছে এটা বুঝতে বাকি নেই, হলরুমের প্রতিটি জোড়া চোখ আমার দিকে তাকিয়ে আছে সবাই অতি আগ্রহের সহীত কিছু শুনার জন্য অপেক্ষা করছে কিন্তু সেদিকে আমার বিন্ধুমাত্র প্রবৃত্তি নেই। আমি মনে হচ্ছে এখনও কোন চমৎকারের অপেক্ষা করছি, তাইতো এতগুলো জোড়া চোখের মধ্যে দুই জোড়া চোখ অনবরত খুজে ফিরছি। ঐ দুই জোড়া চোখ যারা হল আমার মা-বাবা! যারা পরম মমতাভরা চোখ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থাকবে, যাদের চেহারায় ফুটে থাকবে ছেলের অসামান্য কীর্তিত্বে গর্বিত হওয়ার স্পষ্ট ছাপ। যারা আমার প্রতিটি শব্দের মধ্যে আমাকে নিয়ে বুণা তাদেঁর স্বপ্ন খুজে পাবে কিন্তু তা হচ্ছে না। আমি বরং আমার চোখে কিছুই দেখতে পারছিনা সব কিছু ঝাপসা হয়ে আসছে, চোখ ভর্তি জ্বল নিয়ে কিছু দেখা যায় না, সবকিছু ক্ষীণ দেখায়। একি! মনে হচ্ছে আমার কণ্ঠও জমে গেল আমার মুখ দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না কিন্তু দু চোখ থেকে গাল গড়িয়ে কয়েক ফোটা জ্বল পড়লো মেঝেতে। আজ হাতের উল্টো পাশ দিয়ে চোখ মুচতেও ইচ্ছে হয়না আজ যে, আমার ইচ্ছেগুলিও তার চৈতন্য হারিয়েছে।


উৎসর্গ: সকল সন্তানদের যাদের মা অথবা বাবা আজ ঐ দুর আকাশের তারা হয়েই দেখা দেয়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29507134 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29507134 2011-12-21 14:23:30
ছবি ব্লগ সাথে আছে কিছু কথা একদম ফ্রি
আমাদের হাম্বা আর তার সুখি পরিবার, বাচ্ছা ভাই-বোন ২টা বজ্জাত কম না দেখেন কি পরিমান অলস, ঘাস খাবে তাতেও তাদের আলসেমীর এতটুকুও কমতি নেই মেম সাহেবের মত শুয়ে বসে দিন পার করছে


বাবার মাছের খামার, কিন্তু এখানের মাছ গুলা দুষ্টের পা ঝারা, সব সময় নাকি তারা পানির উপরিভাগে নটাংকি করে<img src=" style="border:0;" /> যেই না আমি গেলাম একটু দেখব বলে, তাতেই তারা পানির নীচে চলে গেল <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


আমরাও কম যাই না, <img src=" style="border:0;" /> জেলে খবরদিয়ে সবগুলারে কানে ধরিয়ে উপরে আনা হয়েছে, এবার মামু যাইবা কই অথবা পালাবি কোথায়(মুভি স্টাইল)<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


দেখেন অবস্থা :-* উপরে আনার পর মনেহয় ভাজা মাছটি উলটে খেতে পারবে না, আর পানির মধ্যে কত-শত নটাংকি <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


বাবার মাছের খামারে বাঁধের উপর পেপে গাছ, মাশআল্লাহ ধরতে আর আলসেমী করে নাই এই রকম সবগুলো গাছেই এমন জব্বর ধরা ধরছে <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


আমার নিজের রোপনকৃত জলপাই গাছ, এই গাছটার পেছনে আমার অনেক শ্রম আছে যখন রোপন করেছিলাম তখন সকাল-বিকাল ২বেলা পানি দিয়ে তাকে বাছিয়ে রেখেছি, এখন তার সর্বাঙ্গে জলপাই দিয়ে নতুন বউর মতো রুপ বিলিয়ে দিচ্ছে দেখে মনে হচ্ছে তখনকার সব দুখ: এ দৃশ্যের কাছে নস্যি। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


একদিন সকাল বেলায় খুব আরাম করে ঘুমোচ্ছি এর মধ্যে আমার খুব প্রিয় একজন তার ছোট ছোট হাত দিয়ে আমাকে টেনে উঠোচ্ছে, চোখ কচলাতে কচলাতে উঠলাম, অন্যকেউ হলে মোটামুটি দমকদিয়ে তার হাইপ্রেসার তুলে দিতাম কিন্তু ওকে কিছুই বলতে পারলাম না পরে দেখলাম আমার মামা আমাকে সাপের খেলা দেখানোর জন্য এত টানা হেছড়া করছে পরে সাপুড়ে মহিলার অদ্ভুত মন্ত্র শুনে আমার ঘুমের নেশা কেটে গেল এমনকি সকাল বেলার ছোট-বড় কাজের কথাও দিব্যি ভুলে গেলাম আরেকটু হইলে হয়ত নিজের নামও ভুলে যেতাম


যে প্রিয় একজনের কথা বললাম এই সেই গুলুগুলু মামাটা, ও আমার চাচাত বোনের এক মাত্র ছেলে। একটি দূভাগ্যবশত ওর বাবা থেকেও নেই ছোট কাল থেকেই নানার বাড়ীতে, ও মাশআল্লাহ অনেক বুদ্ধিমান এক কথায় ওর চিন্তাশক্তি দেখে আমি মাঝে মাঝে অবাক হই। ওর কারনেই বাচ্ছাদের প্রশ্নকরার প্রবনতা আমার এত পছন্দ হয়। মামাটা অনেক শান্ত এবং সাহশীও এইতো কিছু দিন আগেই পড়ালেখার উর্দেশ্যে মা,নানা,খালা সবাইকে ছেড়ে ওর ছোটমামার সাথে সিলেটে থাকতেছে। আমার বিশ্বাস ও সত্যিই অনেক ভাল করবে, সবাই সম্ভব হলে ওর জন্য একটু দোয়া করবেন।

উৎসর্গ: ব্লগে ছবি ব্লগ দেয় যেমন: বিলাই আপু, শায়মা আপু, নাআমি আপু, জুন আপা, শিশিরের শব্দ আপা, ত্রিনিত্রি বইন, আমাদের নীল-দর্পণ, নানা সামশীর, রুম্মান ভাই, সবাক দা, শশী ভাই, শোশমিতা বইন, আমাদের জাহাজী পুলা এবং সালাউদ্দিন ফয়সাল, রবিন মিলফোর্ড,অমাবশ্যার চাঁদ,রেজওয়ান মাহবুব তানিম আর নাম মনে আসতেছে না

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29496110 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29496110 2011-12-04 14:40:31
......অন্তহীন অপেক্ষা......
পিলপিল করে মানুষ এদিক ওদিক চলে যাচ্ছে, মনে হচ্ছে সারিবদ্ধ পিপড়ের মিছিল মাঝে মাঝে মনে হয় আস্ত শহরটাই পিপড়ের নগরী আর পিপড়েগুলো সব মানুষে রুপান্তিত হয়েছে। এই ব্যস্ত শহরের অতীব ব্যস্ত রাস্তার ফুটপাতে অফিস ছুটির সময় এর ব্যতিক্রম কিছু আশা করাটাও অশোভন, তবুও মোহিত হায়দার দাড়িয়ে আছে যাত্রীছাউনির ডান পার্শ্বে। এখানে দাড়িয়ে থাকতে এখন অতটা খারাপ লাগছে না উপরন্তু টিকেট হাতে দাড়িয়ে থাকা ঘরমুখো মানুষগুলোর চেহারার উপর লেগে থাকা বিরক্তি দেখতে ভালই লাগছে, এটা হয়ত মনুষ্যের সহজাত প্রক্রিয়া আরেক জনের কষ্ট দেখে আপনার যন্ত্রনা ভুলে কিছুক্ষনের জন্য হলেও তৃপ্তি পাওয়া, মোহিতের মধ্যেও এর ব্যতিক্রম দেখা যায়নি। মোহিতের অবশ্য ঘরে ফেরার কোন তাড়া নেই, কিন্তু তাকে টিকেট কাটতে হয় যেটা সে গত ৫ দিন ধরেই খুব বিশ্বস্থতার সহীত করে আসছে। তবে এইমুহুত্বে মোহিত মনে মনে একটু অস্বস্থিতে আছে আজকে ঐ মেয়েটি এখনও আসছে না কেন! যেখানে অন্য দিনগুলোতে মোহিত এসে দেখতে পেত মেয়েটি টিকেট হাতে দাড়িয়ে আছে অথচ আজকে মেয়েটিকে এখনও দেখা যাচ্ছে না। মোহিতের মনে পড়ে গেল প্রথম দিনের কথা যেদিন মোহিত তার এক আত্মিয়ের জন্য এই যাত্রিছাউনিতে অপেক্ষারত অবস্থায় দেখতে পেল একটি মেয়ে পর পর ৪টা গাড়ীতে উঠতে গিয়েও সফল হল না, এত ভিড় ঠেলে গাড়িতে উঠা মেয়েটির কর্ম নয়, গাড়ী আসা মাত্রই সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ে মেয়েটাও গাড়ী পর্যন্ত যায় কিন্তু ততক্ষনে অনেক বিলম্ব হয়ে যায় বৈকি, পুরুষদের সাথে পাল্লা দিয়ে গাড়ীতে ওঠা ছাট্টিখানি কথানয় অন্তত এই ঢাকা শহরের জন্য। এক সময় মেয়েটি সফল হয় গাড়ীতে উঠতে ততক্ষনে সময় হিসাব করলে বলা যায় ১ঘন্টা ৩৫মিনিট যুদ্ধের পর মেয়েটি সফল হয়। মোহিতের অবশ্য অনেকদিন গাড়ী ধরার জন্য হায়-হুতাস করতে হয়নি চাকরীতে যোগদানের পরই একটা মোটর বাইক কিনে নেয় এর পেছনে অবশ্য তার হিটলার বাবা আফছার হায়দার এর অবদানই বেশী। ছেলেকে বাইকের টাকা লোন দিয়েছেন উনি, উনার কথা হল ক্যরিয়ারের শুরুতে অফিসে বিলম্বে পোছা অশোভন তাই আফছার হায়দার নিজে থেকেই বলেছে বাইকের টাকা আমার কাছ থেকে নিয়ে যাও মাসে মাসে পরিশোধ করে দিবে। মোহিত যদিও হিটলারকে দেখেনি তবুও ওর বাবার এইরকম কর্মকান্ডের জন্য বাবাকে হিটলার মনে হয়।


মোহিত প্রথম দিন মেয়েটিকে দেখেই তার প্রতি কেমন একটা অদৃষ্ট মায়া জন্মেগেল অথচ কলেজ-ভার্সিটি-এখন কর্মজীবনে মোটামুটি কিছু মেয়ে দেখেছে কারো প্রতি এমন অভিনব টান অনুভূত হয়নি। ঐ রাতে মোহিতের ভাল ঘুম হয়নি প্রায় সম্পূর্ন রাত মেয়েটির কথা ভেবেছে, কি অদ্ভুত শান্ত একটা মেয়ে সাদা সেলোয়ার কামিজে ওকে মেঘের দেশের পরীর মতই মনে হয়েছে যদিও মেঘের দেশের কোন পরীকে সে আজ অব্দি দেখেনি শুধু দাদীর কাছে ছোট বেলায় গল্প শুনেছে তবু্ও কেন জানি এই মেয়েটাকেই মেঘের দেশের পরী মেনে নিল। মেয়েটার সরু হাত, মায়াবী মুখশ্রী, নয়ন যুগল, কালো কেশ সব মিলিয়ে মেয়েটার মধ্যে আলৌকিক/অভূতপূর্ব, নিখুঁত ভাল লাগা আছে এক কথায় ভোরের অরুন আর রাতের চন্দ্রাবতী। মোহিত মনে মনে ঠিক করল আজকে অফিস শেষে ঐ যাত্রীছাউনিতে গিয়ে দাড়াবে মেয়েটিকে দেখার জন্য। অফিস শেষে মোহিত যথারিতি যাত্রীছাউনিতে যায়, গিয়েই মেয়েটিকে দেখতে প্রায় আজ অবশ্য সাদা নয় হালকা আকাশী রঙয়ের সেলোয়ার কামিজ পড়েছে তবু্ও তার কাছ থেকে যেন সৌন্দোয্যের দ্যুতি ধরনীতে ছড়িয়ে পরছে । মেয়েটি আজকেও টিকেট হাতে দাড়িয়ে আছে কিছুক্ষন পরেই ঐ রুটের গাড়ী আসল গতকালের মতই গাড়ীটি মিস করল। মোহিত জানে না কত দিন ধরে মেয়েটি এইরকম গাড়ীর পাশে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে, মেয়েটি হয়ত তার জীবনের ডায়রীতে এটা স্বাভাবিক বলেই মেনে নিয়েছে। মোহিত ঠিক করল মেয়েটিকে সাহায্য করবে কিন্তু কিভাবে করবে ঠিক বুঝতে পারল না। প্রথম ভাবল ওর বাইকে করে মেয়েটিকে গন্তব্যে পোছে দিবে, ভেবে দেখল এটা সম্ভব নয় মেয়েটি একটা অপরিচিত ছেলের বাইকে কেন উঠবে! মোহিত ঠিক করল গাড়িতে উঠতেই মেয়েটিকে সাহায্য করবে, পরে নিজেই একটা টিকেট কেটে নিল পরের স্টেশনের জন্য। বাস আসার সাথে সাথে দৌড়ে গিয়ে আগে দরজায় দাড়ালো, মানুষের ধাক্কা সয্য করেও মেয়েটিকে উঠার জন্য যায়গা করে দিল। মানুষের দাক্কায় নিজেও উঠে গেল নামার আর সুযোগ হল না। দু-একবার মেয়েটার সাথে চোখা-চোখি হল কি অপূর্ব চোখ যুগল, ইচ্ছে হয় এভাবেই চেয়ে থাকে নিরবধি। কিছুক্ষন পরই মোহিতের পরের স্টেশন এসে পড়ল এবং সে নেমে গেল। এভাবেই গাড়ীতে উঠতে মেয়েটিকে সাহায্য করা একটু চোখা-চোখি আর মেয়েটির একটু মিষ্টি হাসি, অত:পর পরের স্টেশনে নেমে আবার বাস ধরে যাত্রী চাউনিতে বাইকের কাছে আসা চলল গত ৫ দিন ধরে । অথচ এখন পর্যন্ত মেয়েটিকে নাম জিজ্ঞাসা করা হয় নি পাছে যদি মেয়েটি কিছু মনে করে আসলে মোহিত চায় না মেয়েটি তার কাছ থেকে হারিয়ে যাক । আজকে মোহিত মনে মনে ঠিক করেছে মেয়েটিকে অন্তত নাম জিজ্ঞেস করবেই কিন্ত মেয়েটি এখনও আসছে না কেন! ঘড়িতে সময় দেখে নিল প্রায় ৬টা বেজে গেল মেয়েটার কি হল তাহলে কি আজকে ও আসে নি! আজকে আর আসবে না ! হাতে থাকা টাইটানের ঘড়িটা দেখে নিল সন্ধ্যা ৭:৩০ হয়ে গেল অথচ মেয়েটি আসে নি হয়ত আজ আর আসবে না, ভাবতেই অবচেতনভাবে দীর্ঘশ্বাস ফেলে! রাজ্যের মন খারাপ নিয়ে বাসায় যাত্রা করল আর ভাবতে লাগল আগামী কালতো ছুটির দিন নিশ্চই সে আসবে না, তারপর ভাবল যদি সে আসে! যাইহোক তবুও সে অপেক্ষা করবে, আজকে মোহিতের আকাশের রঙ নেই বিবর্ণ আকাশ শহরটাকে খুব ফ্যাকাসে লাগছে।


মোহিত আজকেও অপেক্ষারত যাত্রীছাউনিতে কিন্তু আজ কয়েকদিন ধরে এই যায়গাটা অনেক ফাকা-ফাকা লাগে তবে ঈদের দিনের থেকে আজকে একটু ভাল, মানূষজন কিছুটা আছে। ঈদের ছুটি শেষ হয়ে আজকেই প্রথম অফিস শুরু হল মোহিত নিজেও অফিস করে এসেছে ওর অফিসেও অনেকেই আজকে অফিসে আসে নি, হয়ত অনেকে গ্রামের বাড়ী থেকেও ফেরেনি। মোহিতের বাবা আর ছোট ভাইও গ্রামের বাড়ীতে ঈদ করার জন্য গেছে তারাও এখনো ফেরেনি মোহিতের মা রওশনআরা যেতে ছেয়েছেন কিন্তু উনি আবার বড় ছেলেকে একা রেখে যাবেন না, মোহিতের কারনে তার মা দেশে যেতে পারেনি মার জন্য কিছুটা কষ্ট হয়, কিন্তু মোহিত এখানেই অচল কেউ একদিনের জন্য শহর ছাড়তে বললেও সে রাজী নয়। মোহিত মেয়েটিকে দেখতে পায়নি আজ ৯মাস এগার দিন আর এই ৯ মাস এগার দিনের মধ্যে একদিনও শহরের বাইরে যায়নি। কি করে যাবে শহরের বাইরে গেলে এইখানে যে, আসা সম্ভব নয়। মোহিত কারো সাথে পণ বা প্রতিজ্ঞা করেনি, কিন্তু তার পরেও দিনের শেষ সময়টুকু এখানেই কাটিয়ে দেয়। তার মনের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য দু চোখ খুলে বসে থাকে, এইখানের আশে –পাশের সকল হকার, দোকানদার সবাই এখন মোহিতকে চেনে কেউ কেউ ভাবে ওর মাথায় গন্ডগোল আছে, যে কিনা পছন্ড জ্বরে গাত্রদাহ অবস্থায় চাদর মুড়ি দিয়ে যাত্রিছাউনিতে ৩ ঘন্টা অব্দি বসে থাকে, তাকে পাগল বললে নিশ্চই পাপ হওয়ার কথা নয়। এমন কি ঈদের দিন পর্যন্ত যে এখানে আসতে ভুলে না তাকে পাগল না হোক অন্তত পুরোপুরি সুস্থ্য বলা যায় না। মোহিত এসব কিছু নিয়ে মাথা ঘামায় না তার বিশ্বাস এখানেই সে যাকে দেখেছে আবার এখানেই তাকে হারিয়েছে তাই এখানেই তাকে খুজে পাবে তাইতো আজ অপেক্ষার দীর্ঘ ৯ মাস এগার দিন হল। প্রতি দিনই বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০ পর্যন্ত দু-চোখ খুলে বসে থাকে মেয়েটিকে দেখার জন্য, ওর প্রতিদিনই মনে হয় আজই দেখব মেয়েটি টিকেট হাতে গাড়ীর জন্য দাড়িয়ে আছে। তাইতো সে প্রতিটি দিনকেই অপেক্ষার প্রথম দিন মনে করে কিন্তু এর মধ্যে তার উদ্যমীর এতটুকুও কমতি নেই, মেয়িটিকে খুজে পাবে সেই বিশ্বাসের উপস্থিতিও সেখানে পর্যাপ্ত।

উৎসর্গ: জীবনের সেই সব খন্ড খন্ড ভাললাগা ও ভালবাসাগুলিকে যেগুলো স্বীকার করার আগেই হারিয়ে যায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29488881 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29488881 2011-11-23 15:04:41
অপারেশন থিয়েটার আর জীবন থেকে ৫ দিনেরও বেশি সময়ের জন্য অবসর ....এবঙ হেসে অন্যায় করেছি যার ক্ষমা চেয়ে নেওয়া হয়নি
তখন সবে মাত্র স্কুল জীবনের ২য় শ্রেনীর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ মনে বেশ আনন্দ নানু বাড়ী বেড়াতে যাব, কিন্তু আমাকে অতিমাত্রায় অবাক করে দিয়ে মা বলল আমরা নানু বাড়ী নয় শহরে যাচ্ছি, তোমাকে শহর দেখাতে নিয়ে যাব। আমিতো পুরোপুরি অবাক আর একটা অজানা খুশিতে খুব উড়ুউড়ু মুডে আছি , মা প্রয়োজনীয় কাপড় গুছিয়ে নিলেন যথরীতি খুব সকাল বেলায় রওনা হয়ে গেলাম সাথে নানা ভাইও আছে, গাড়িতে ৫ ঘন্টার সফর শেষে আসলাম শহরে কিন্তু যেখানে নিয়ে যাওয়া হল সেটা বিশাল একটা সরকারী হাসপাতাল আমাকে এক ডা: এর কামরায় নিয়ে যাওয়া হল আরে এ দেখি আমার ডা: নানা ভাই(আম্মার বড় মামা) আমিতো ওনাকে দেখেই প্রশ্ন ছুড়ে দিলাম নানা ভাই তুমিও কি শহর দেখতে এসেছ? নানা ভাইতো হেসেই খুন তার পর বলল নারে আমি তোকে শহর দেখাতে এসেছি। এর পর ডা: নানা ভাই তার প্রিয়নকে দিয়ে আম্মাকে আর আমার নানা ভাইকে বাসায় দিয়ে আসতে বলল আর উনি আমাকে হসপিটাল একটু গুরিয়ে দেখাবে তারপর বাসায় নিয়ে যাবে বলল, কিন্তু উনি আমাকে কয়েকটা রুমে নিয়ে এক্সরে আরো কি কি টেষ্ট করালেন, তার পর বাসায় নিয়ে গেলেন। ২ দিনপর বাসায় শুনলাম আগামীকাল আমার অপারেশন হবে গলায় যেটা আমায় ব্যথা দেয় তাকে উপর্যুক্ত শাস্তি প্রদান করা হবে।

অপারেশন কি আমি তখন বুঝতাম না আমার শুধু এতটুকুই মনে আছে আমাকে অনেক সুন্দর একটা রুমে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে অনেক লাইট ও মেশিন পত্তর ছিল আবার ডা: নানা ভাই ও আরো ৫/৬ জন মিলে অদ্ভুত রকমের পোশাক পরে ছিল ডা: নানা ভাই আমার গলায় থাকা আল্লাহুর তাবিজ টা কেটে নিল আমি দিতে না চাইলে ওটা কেটে আমার হাতে দিল। তার পর আমার আর কিছু মনে নেই আমি যখন চোখ খুললাম তখন শুধু দেখলাম আমি একটা অচেনা রুমে শুয়ে আছি আর আমার দিকে কতগুলো চোখ তাকিয়ে আছে, হাতের মধ্যে স্যালাইনের সুই লাগানো, পরে জানতে পারলাম আমি দীর্ঘ ৫ দিন ৭ ঘন্টা গুমিয়ে ছিলাম আমার বিশ্বাসই হয় নি এ কি করে সম্ভব এক সাথে এতদিন ঘুমানো? আমি বহুবার চেষ্টা করেছি ওই ৫ দিনের হিসাব মেলাতে কিন্তু আজ পর্যন্ত সে হিসাব মিলাতে পারিনি।

ওই অপারেশনের কারনে আমি দীর্ঘ ১৮ দিন টানা হসপিটালে ভর্তি ছিলাম প্রথম দেড় সপ্তাহ আমি বিছানা থেকে উঠার অনুমতি পাইনি গলায় অপারেশন হ্ওয়াতে কোন দিকে দেখতে হলে আমাকে পুরো শরীর ঘুরে দেখতে হত অন্যথায় শেলাইয়ের টান খেয়ে ব্যথা লাগত, শেষ সপ্তাহটা বলা চলে অনেক ভালই কেটেছে ডা: নানার সাথে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ও রুমে ঘুরে ঘুরে রোগি দেখতাম এর জন্য অবশ্য একটা নাম পেয়েছিলাম(ছোট্ট ডা: ) একজন মহিলা রোগি ছিল উনি খুব অসুস্থ্য ডা: নানা ভাইর সাথে ওনাকে দেখার জন্য প্রায়ই ওনার রুমে যেতাম একদিন আমরা যাওয়ার পর উনি উঠে বসতে ছিলেন আর সাথে সাথে ওনার মাথা থেকে সবগুলো চুল এক সাথে খুলে পরে গেল আর বেরিয়ে এল দবদবে টাক, আমি এটা দেখে ফিক করে হেসে দিলাম আর সাথে সাথে রুমটার মধ্যে যেন রাজ্যের নিরবতা ভর করল তখন বুঝিনি কি ভুল করেছি উনি একজন মিত্যু পথযাত্রি ছিলেন আমরা চলে আসার মাস খানেক পরেই নাকি উনি ওখানেই মারা যান। এখন্ও আয়নার সামনে দাড়ালে গলায় লেগে থাকা অপারেশনের দাগটা দেখলে অনেকগুলি মুখ মনে আসে এর মধ্যে ঐ অসুস্থ্য আন্টিটিও অন্যতম যখন বুঝলাম হেসেছি ভুল করেছি ক্ষমা চাওয়া উচিত তখন উনি সধ্যের বাহিরে চলে গেছেন। আমার ডা: নানাও না ফেরার দেশে চলে গেছেন অনেক বছর হল তবু্ও মনে পড়ে এখন আর চেহারা মনে আসে না শুধু কথা আর ঘটনা চিত্রগুলি মনে আসে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29482650 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29482650 2011-11-13 20:35:55
<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> On The ওয়ে To মাই Beautiful বাংলাদেশ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> এই পোষ্টটি দিয়েই পাড়ি জমাই অজানার দেশে। একটু একটু করে দিন-সপ্তাহ-মাস গিয়ে দু বছর শেষ হয়ে আজ আসল সেই ক্ষন যখন একবুক উচ্ছাস নিয়ে ফিরছি আমার অপরুপ মাতৃভূমিতে, ফিরছি মায়ের কোলে, ফিরছি আপনজনদের কাছে। প্রবাসের এক-একটি ক্ষন এক-একটি দিন কিভাবে কাটে তা শুধু যারা জন্মভূমি ছেড়ে যোজন যোজন দুরে থাকে তারাই উপলব্ধি করতে পারে। এখানে মানব জীবনের সুযোগ সুবিধার সবটুকুই তো ঠিকই আছে তবুও বড় একটা কিছুর অভাববোধ বুকের ভেতরে চিন-চিন ব্যথার সুর তোলে প্রতিটি মুহুত্ব।

বিশ্বাস হবে কিনা জানিনা এখানে আসার পর আজপর্যন্ত ১ মিনিটের জন্যও ইলেক্ট্রিসিটি যেতে দেখি নি, কখোনই পানির অভাবে কাক ভেজা হয়ে গোসল করতে হয় নি, কখোনই পাব্লিক বাসে বাদুড় ঝুলে চলতে হয়নি, চলার পথে কখনই হাইজ্যাক অথবা পকেট মারের পাল্লায় পড়তে হয় নি, এখানে অফিস আদালতে কখনও অনিয়ম দেখিনি, আসলে জীবনের নিরাপত্তা বলতে সবকিছুই যেন এখানে বিদ্যমান।

তবুও এখানে কেন পৃথিবীর কোথাও নেই সেই অনুভুতি একমাত্র আমার মাতৃভূমি ছাড়া। ভোর বেলায় সতেজ ঘাসে ঘুমিয়ে থাকা শান্ত শিশির বিন্দুর উপর সূর্য উদয়ের প্রথম কিরনে যে, অভূতপূর্ব ভাল লাগা আছে তা কি করে বুঝাব? অথবা শেষ বিকেলে গোধুলীর আলোয় আমার রুপসী বাংলা যে, আরো অপরুপা হয়ে উঠে তা কোথায় পাব? আমি বাংলাদেশী হিসাবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। হায়-হুতাস না করে এখনও স্বপ্ন দেখি আমরা একদিন সব সমস্যার সমাধান করবই, নতুন প্রজন্মের জন্য রেখে যাব নিরাপদ আবস্থল। আমার দেশটিতে যত সমস্যাই থাকুক, তার মধ্যেও যতটুকু ভাল লাগা আছে, সামাজিকতায় ভালবাসার যে বন্ধন আছে, বিরত্বগাথার যে ইতিহাস আছে , তার জন্য আরো হাজার বার বাঙালী হয়ে জন্মানের ইচ্ছা রাখি।


Leave Application Sign করার পর থেকেই যেন সময়গুলো মন্থর হয়ে গেছে শুধু মনে গুন গুন করে কত দুর আর কত দুর???
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29436250 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29436250 2011-08-21 22:41:26
বৃষ্টিভেজা একটি বিকেল আর অপিরিচিত আপুর কাছ থেকে ছ্যাঁচা খাওয়া<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
শ্রাবনের আকাশে সকাল থেকেই সূয্যি মামার দেখা নেই আকাশ যেন পরম মমতায় বৃষ্টি ছড়িয়ে যাচ্ছে। আজ আর কোন আলস্যতায় তাকে ছুতে পারে না, এ জন্যে থামার কোন বালাই নেই। বিকাল ৫টায় শরিফ ছাতা মাথায় দিয়ে দাড়িয়ে আছি ফার্মগেট ওভার ব্রিজের পূর্ব পাশে উদ্দেশ্য মঘবাজার কাজী অফিস-লেন, না তাই বলে বিয়ে করতে বা করাতে যাচ্ছি না<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> ভাইয়া জরুরী তলব করেছে ওনার বাসায় যেতে হবে,এই জন্যে অনেক্ষন ধরেই সিএনজি অটো রিক্সার জন্য দাড়িয়ে আছি। যাও দু-একটা সিএনজি আসে তাও আমার ভাগ্যে জুটে না আমার আগেই অন্য কেউ নিয়ে নেয়। প্রায় ২৫ মিনিট দাড়িয়ে থাকার পর নিজেও সংগ্রামী হয়ে উঠলাম সিএনজি আমাকে নিতেই হবে। একটা সিএনজি আসতেছে দেখেই মরিয়া হয়ে উঠলাম, দৌড়ে গিয়ে বললাম মামা মগবাজার যাবা? সাখে সাথে শুনলাম আরেকটা কণ্ঠও মগবাজার এর কথা জিজ্ঞেস করছে পাশে ফিরে দেখি একজন মেয়ে এবার ড্রাইবারের কথায় গাড় ফিরালাম, মিটারে যামুনা ৫০ টাহা লাগবে কে যাইবেন কন? আমি এতেও রাজী এতক্ষন দাড়িয়ে থাকতে থাকতে মেজাজ বিলা খুব হইছে তার পরেও ভদ্রতা দেখিয়ে ঐ মেয়েটা কে জিজ্ঞেস করলাম আপনার খুব তাড়া থাকলে আপনি যান আমি আরেকটার জন্য অপেক্ষা করি এতেই উনি খুব মায়াবী হাঁসি দিয়ে থেংস জানিয়ে সিএনজিতি উঠলেন আর আমি পেছনে হাটা শুরু করলাম আরেকটা সিএনজির আসায়। এরই মধ্যে শুনতে পেলাম কে যেন কাকে ডাকছে এই যে শুন পেছনে ফিরে দেখি উনি আমাকেই ডাকছে তাও আবার তুমি করে, বাবলাম ১৯ বছরেও চেহারার উপরের মাসুম ভাবটা আর গেলনা। সিএনজির কাছে গেলাম এ দেখি ক্লাস টিচারের মতই প্রশ্ন শুরু করল তুমি মগবাজার কোথায় যাবা? আমার উত্তর কাজীঅফিস..লেন বলার আগেই আবার বিদ্রুপের সাথে প্রশ্ন তুমি কি বিয়া-সাধি করাও নাকি কাজি অফিস কেন যাবা? এবার মুখে রাগ ফুটিয়ে বললাম কাজি অফিসলেন হো হো তাই বলো আমিও ওখানেই যাচ্ছি তুমি চাইলে আমার সাথে আসতে পার, এটা শুনে আমি ভাবনায় পড়ে গেলাম কি করব? আবারও উনি বলল আরে চাওয়া-চায়ির কিছু নাই চল এক সাথেই যাই,<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> উনি সিএনজির এক পাশে সরে বললেন ছাতা বন্ধ করে উঠে পড় আমি তাও ভাবতেছি এবার ড্রাইবার বললেন উঠেন উঠেন আপা এত করে বলতেছে শেষ পর্যন্ত উঠেই পড়লাম। মোটামুটি জড়োসড়ো হয়ে বসলাম মনের মধ্যে একটা ভয় কাজ করতেছিল কিন্তু কি জন্যে সেটা টের পাচ্ছিলাম না।<img src=" style="border:0;" />

সিএনজি নজরুল এভিনিউ পার হতেই আবার প্রশ্ন করলেন কি ব্যাপার আন ইজি ফিল করছ? আমি নিরুত্তর আবার বললেন তুমি কি ভাবতেছ আমি ছেলে ধরা? এবার আমতা আমতা করে কি যেন বলতে ছিলাম তখন আবার বিদ্রুপের হাসি দিয়া বলল আরে বোকা তোমার মত এত বড় ছেলে ছেলেধরারা নিয়ে কি করবে? এবার সাহস করে ওনার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম ওই মুখ দেখে অন্তত ছেলে ধরা মনে হয় না উপরন্ত অসম্ভব সুন্দরীও বটে। এবাবেই চলল সারাটা পথ প্রশ্নের পর প্রশ্নের ছ্যাছা দিয়ে আমার নামটা নিয়েও হাসা-হাসি করলেন আমার নাম রোমান কেন?<img src=" style="border:0;" /> ছোট কালে কি আমি খুব রোমান্টিক ছিলাম নাকি? যত:সব আজাইরা কথন এরই মধ্যে কাজী অফিস লেন এসে পড়লাম ভাইয়ার বাসা আগে হওয়ায় আমাকে আগে নামতে হল নামার সময় ভাড়া দিতে চাইলাম ড্রাইবারকে হুমকি দিলেন আমার কাছ থেকে টাকা না রাখার জন্য এর পর বললাম অন্তত অর্ধেক রাখার জন্য বললনে ওইটা দিয়া চকলেট খা্ওয়ার জন্য উপরন্ত নিজের ব্যাগ থেকে এক প্যাকেট মিমি আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে স্যরি বললেন এতক্ষন ধরে অনেক কথা বলার জন্য আরো বললেন উনি ওনার ছোট ভাইর সাথে নাকি সব সময় এমন করে আর আমি নাকি তার ছোট ভাইর মতই<img src=" style="border:0;" /> .....:-* অত:পর আমি ভাইয়ের বাসায় উনি ওনার বাসায় চলে গেলেন। পরে বাসায় ফিরে ভাবলাম দুর ওনার নামটা জানা হয় নাই নাম্বারটাও রাখা হয় নাই অন্তত ছ্যাঁচা খা্ওয়ার জন্য হলেও নাম্বারটা রাখা ধরকার ছিল। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

(ঘটনাটা ৪ বৎসর আগে শ্রাবন মাসের কোন এক বৃষ্টিময় পড়ন্ত বিকেলের)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29408159 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29408159 2011-07-06 14:56:36
আমার দুষ্টামি বেলার বান্দর কাহীনি - ০২

দুষ্টামি বেলায় বয়স যখন চার হতে যাচ্ছে তখন বিবিসি বাংলার মতই কড়কড়ে বাংলা বলতাম যে যা বলত তাই কপি করর্তাম উল্টা করেই তাকে বলতাম(বিশেষ করে অপরিচিতদের)<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />। তখন বড়বোন আর কাজীন-রা মিলে স্কুলে যেত এটা দেখে আমার খুব ইচ্ছা হত ওদের সাথে স্কুলে যাওয়ার, এই জন্যে ওরা স্কুলে যাওয়ার সময় খুব জ্বালাতন করতাম ছেলের এই স্কুল প্রেম দেখে আম্মা আপুকে বলল আমাকে ওদের সাথে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন<img src=" style="border:0;" />? কিন্তু আমার বোন তার পাজী ভাইকে সঙে নিতে রাজী হয় না<img src=" style="border:0;" /> কিন্তু আপুর একটা বান্দবী বলল নিয়ে চল আমরা সবাই মিলে দেখে রাখব এটা শুনার সাথে সাথেই বোনের হাত ছেড়ে তার বান্দবীর হাত ধরে বসলাম মনে মনে বললাম আহারে দুনিয়ার সব মেয়েগুলার দিল যদি এমন হত।

স্কুলে গিয়েতো মনে হচ্ছে মেয়েদের ফ্যাক্টরিতে গেলাম<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />(প্রাথমিক ও উচ্ছ মাধ্যমিক বিদ্যালয় একই সাথে ছিল)বড় আপুরা দেখি নাক টিপে-গালে ছুয়ে আদর শুর করল <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />এত আদর দেখতো আমি খুশিতে মনে মনে গান ধরলাম(জন্ম আমার ধন্য ওগো গার্লস স্কুলে এসে, আপুরা আমায় নাক টিপিয়ে-গাল ছুয়ে দেয় অধিক ভালবেসে)চলমান গানের মধ্যেই বেরসিক দপ্তরি ঘন্টা বাজালো আর সাথে সাথে সবাই ক্লাসের দিকে দৌড় দিল আমার দু নয়ন ওই সময় এই ঘন্টার শব্দ কোনদিক থেকে আসতেছে সেটা দেখতে ছিলাম<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> , দেখলাম এক লোক বারান্দায় ঝুলানো গোলাকার একটা থালার উপর অনবরত হাতুড়ী পেটাচ্ছে তার পর হাতুড়ীটি পাশে রাখা চেয়ারের উপর রেখে চলে গেল।

এ দিকে আমাকেও আমার বোনরা টেনে ক্লাসের মধ্যে নিয়ে গেলো ক্লাস টিচার আসল রুল কল শুরু করল সবাই দেখি একের পর এক ইয়েস ম্যাম বলতে লাগল<img src=" style="border:0;" /> এটা দেখে কিছুক্ষন পর আমার মধ্যেও উত্তেজনা এসে পড়ল আমিও কয়েক জনের রুল কল দিয়ে দিতে থাকলাম<img src=" style="border:0;" /> এমন সময় ম্যাডাম হাজীরা খাতা থেকে চোখ তুলে বললেন একই রুল কল দুজন দাও কেন?<img src=" style="border:0;" /> কোন দু-জন ইয়েস ম্যাম বলছ দাড়াও যার রুল সে দাড়ালো সাথে আমাকেও দাড় করিয়ে ম্যাডাম জিজ্ঞেস করে এই ছেলে তুমি কে? তোমাকে-তো ছিনলাম না.. আমি উল্টাইয়া বললাম এই মেয়ে তুমি কে? তোমাকে-তো ছিনলাম না<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />। এটা শুনে পুরো ক্লাস হাসিতে ফেটে পড়ল সবার হাসি দেখে ম্যাডাম ও হাসতে শুরু করলেন। কিছুক্ষন পর আবার সে ঘন্টা বাজল সাথে সাথে এই ম্যাডাম চলে গেলেন।

এরপর আসলেন একজন বুড়ো শিক্ষক উনি বোর্ডে কি লিখে এটার উত্তর সবাইকে লিখতে দিয়ে আরামে ঝিমাইতে শুরু করলেন:<img src=" style="border:0;" />, আবার সেই ঘন্টার আওয়াজে বুড়ো শিক্ষক চমকে উঠলেন<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> জানতে চাইলেন সবার লেখা হয়েছে কিনা? এর পর আবার অন্য শিক্ষক আসলেন কিন্তু আমার ধ্যান-জ্ঞান তখন ঘন্টা নিয়েই ছিল<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> কি এমন আছে যার আওয়াজ শুনেই সবাই ক্লাসে আসে আবার স্যার রা ক্লাস থেকে চলে যায় ভাবতে ভাবতে আবার ঘন্টা বাজল সবাই দোড়ে ক্লাস থেকে বের হয়ে গেল বিরতিতে সব মেয়ে গুলো কত খেলাদুলা শুরু করল আর আমি আস্তে আস্তে ঘন্টার কাছে গিয়ে দেখলাম কিভাবে এটা বাজানো যায় দেখলাম খুব সহজ<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> চেয়ারের উপর রাখা কাঠের হাতুড়ী দিয়ে মারলেই হবে তবে আমাকে চেয়ারের উপর উঠে দাড়াতে হবে<img src=" style="border:0;" /> খুব ইচ্ছে ছিল হাতে কলমে করে দেখার কিন্তু এত মেয়েদের সামনে সাহশ হচ্ছিল না।<img src=" style="border:0;" />

বিরতির পর আবার ঘন্টা বাজল ক্লাস শুরু হল এবার একজন ম্যাডাম আসলেন অনেক সুইট ম্যাডাম আমার মাথায় হাত দিয়ে আদর করলেন<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />, নাম জানতে চাইলেন আমিও আবার তার নাম জিজ্ঞেস করতে ভুলি নাই ম্যাডাম আমার কথা শুনে মুগ্ধ ঘন্টা বাজার পর আমার বোনদের কাছ থেকে আমাকে চেয়ে নিলেন গল্প করার জন্য<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />। ম্যাডামের সাথে অফিস রুমে গেলাম আরো দুইটা স্যার ছিল ওখানে সবাই মিলে এটা সেটা জিজ্ঞেস করা শুরু করল কিন্তু আমার মনে তখনো নিজ হাতে ঘন্টা বাজানোর খায়েশ আকু-পাকু কর্তেছিল<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />।তাঁদের সাথে গল্পে আমার অনীহা দেখে তারা নিজেরাই নিজেদের কোন বিষয় নিয়া ক্যাচাল শুরু করলেন<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />,

এদিকে আমি অফিস রুম থেকে বের হয়েই দেখি একটু দুরেই ঘন্টাটা ঝুলানো হাতুড়ীটি চেয়ারের উপর রাখা এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখি কেউ নেই<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />(মনে মনে বলিলাম আমি পাইলাম মোক্ষম সুযোগ পাইলাম:-*) আর দেরি না করেই চেয়ারের উপর উঠে কাঠের হাতুড়ী দিয়া ক্লান্তিহীন ভাবে গোলাকার পিতল খন্ডটির উপর মারতে লাগলাম আহা কি সুন্দর আওয়াজ হচ্ছে, এদিকে লম্বা ঘন্টার আওয়াজ শুনে সব মেয়েরা বই খাতা নিয়ে বাড়ীর উদ্দেশ্যে দৌড় দিল এটা দেখেতো আমি আরো হাসতে ছিলাম<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> এরই মধ্যে দপ্তরী-আর শিক্ষকদের দৌড়া-দৌড়ি শুরু হয়ে গেল বিনা নোটিশে ২ ঘন্টা আগে স্কুল কিভাবে ছুটি হয়?? অবশেষে হাতুড়ী হাতে আমায় দেখে কিছু সময়ের জন্য তারা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়লেন<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> (হয়তবা মনে মনে বাহ বাহ দিয়েছিল ২ ঘন্টা আগে সবার ছুটি মঞ্জুর করায়)আর আমি বিজয়ী সৈনিকের মত চেয়ার থেকে নেমে বোনদের খুজতে লাগলাম<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />।

আমার দুষ্টামি বেলার বান্দর কাহীনি : ০১
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29389623 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29389623 2011-06-01 15:12:31
মিথীলার আকাশের কাল মেঘ জন্ম থেকেই টুপ টুপ করে বিষের ফোটা হয়ে ঝরছে!!
টিপলি যেন মনের সব মাধুরি মিশিয়ে বৃষ্টির পানিতে জল-কেলি করায় ব্যস্ত, বারান্দায় দাড়িয়ে দেখছিল মিথীলা কিন্তু কিছুতেই মিথীলার বিশ্বাস হচ্ছিল না, তাহলে কি টিপলি সব কিছু ভুলে গিয়ে নতুন করে বাছতে শিখেছে? এমন-ই সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে মনে পড়ল কয়েক মাস আগের কথা যখন টিপলি তার সঙী টিপলাকে নিয়ে মিথীলার বারান্দায় আহার খেতে আসত মিথীলার সাথে ওদের দুজনেরই খুব ভাল ভাব ছিল টিপলা-টিপলি কিচির-মিচির করে খুনশুটি করত আর মিথীলা দেখত নয়ন ভরে তখনই কিছু না ভেবেই দুইটা শালিকের জন্য মিথীলা নাম দিয়ে দেয় টিপলি-টিপলা। টিপলা-টিপলিও ছিল এমন যে নিদেনপক্ষে দিনে দুইবার এসে মিথীলার সাথে ভাব করে যেত, মিথীলা ওদের খুনসুটি দেখে নিজের দুখ: গুলো মুহুত্বের জন্য হলেও ভুলে যেত, কিন্তু কে জানত টিপলা এমন করে অসময়ে টিপলিকে চেড়ে চিরদিনের জন্য চলে যাবে। টিপলা কে হারিয়ে টিপলি যেন জীবনের সব সুর হারিয়ে বসল, মিথীলার বারান্দায় সে আসেতো ঠিকই কিন্তু কিচির-মিচির ভাব বিনিময় হতনা। শুধু উদাস হয়ে কার্নিশে বসে থাকা ছাড়া তার যেন আর কিছুই করার ছিল না।

কিন্তু বহুদিন পরে মিথীলা আজ টিপলির মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ করল এটা ভাবতেই দেখতে পেল টিপলি আজ একা নয় তার সাথে অন্য আরেকটা শালিকও আছে, টিপলা থেকে একটু বড়-সড় আকারের! তাহলে কি টিপলি সত্যিই টিপালার মিত্যুকে ভুলে আবার নতুন করে বাছতে শিখেছে?? এখন মিথীলার নিজের উপর খুব করে ক্ষেপে গেল কেন যে মানুষ হয়ে জন্ম নিল? টিপলির মত শালিক হলেতো তার আকাশের কাল মেঘগুলো বিষের ফোটার ন্যায় বৃষ্টি হয়ে ঝরতে পারত না অন্তত আবার নতুন করে বাছার স্বপ্ন দেখতে পারত! কি এমন বয়স হয়েছে তার গত জৈষ্ঠে-এইতো মাত্র ২৭-এ পা রাখল বিধাতা কেন তার সাথেই এমন চাতুরী করল বার বার কেনই শুধু মিথীলার সাথেই এমন করতে হবে ভাবতেই চোখ থেকে দু ফোটা অশ্রম্ন গাল বেয়ে পড়ল।

আজ বাবার কথা খুব মনে পড়ল বাবার নিথর দেহ নিয়ে কফিন-টা যখন বাড়ীর উঠোনে এনে রাখা হয়, যখন সবাই দেদার কান্না-কাটি করছিল তখন ওর খুব বিরক্ত লাগছিল ওর মাথায় আসত না বড়রা কেন কান্না করবে? কান্নাতো শুধু ও করবে পতুল, চকলেট আর বাবার কোলে উঠে বিকালে রাস্তায় ঘুরতে যাওয়ার জন্য! যখন বাবার মুখটা কফিনের মধ্যে ওখে দেখানো হল ওর খুব হাসি পেয়ে গেল আব্বু কতগুলো দানা দানা আকারের পাউডার মুখে লাগিয়ে শুয়ে আছে, এর মধ্যে পাউডার এর গন্ধ তার একেবারেই সহ্য হয় নি কি বিচ্চিরি গন্ধরে বাবা। কেমন যেন ধম বন্ধ হয়ে আসে, এর পর সবাই যখন আব্বুকে খাঠে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল তখন যে সে কি পরিমান অবাক হয়েছে তা বলে বুঝাতে পারবে না! আসলে ওইসময় মিত্যু কি জানা ছিল না ৫ বছর বয়সে অত কিছু জানারও কথা না, যখন মিথীলা জানতে শুরু করল তখন দেখল তার মায়ের অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যাচ্ছে আম্মুর বিয়ের দিন মিথীলা কাঁদতে চায়নি তার পরও তার চোখ যুগল থেকে অশ্রম্ন দেদার গড়িয়েছে।

দাদী আর ছোট চাচার কারনে আব্বু-আম্মু হারিয়ে মিথীলার যায়গা হয় চোট চাচার ঘরে এইছাড়া আর কোন পথও ছিল না মিথীলা আম্মুর সাথে থাকবে বলে মনে মনে ঠিক করেছিল কিন্তু আম্মুর জামাই নিতে রাজী হয় নি। মিথীলা ছোট চাচার ঘরে থেকেই চাচাতো বোন-ভাই দের সাথেই বড় হতে চলছে। দিনে দিনে মিথীলা যেন ফুলের মত ফুটে উঠথে লাগল মানুষ-জন বলত ও এতই সুন্দর জীবনআনন্দ মিথীলাকে দেখলে বনলতা রেখে মিথীলাকে নিয়েই কবিতা লিখত কিন্তু মিথিলা এসব কথায় কখনো খুশিতে আটখানা হয়নি। একদিন মেট্রিক এর রেজাল্ট হল মিথীলা ভাল রেজাল্ট ও করল তারপর আবার পরবর্তী আশ্রয়ের অপেক্ষা।

এক মাত্র ফুফি ঢাকায় থাকে অবস্থা অনেক ভাল ৬ তলা বাড়ী মিরপুর এলাকায়, মিথীলাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজী হল মৃত ভাইয়ের একমাত্র মেয়েকে নিজের কাছে রেখেই পড়ালেখা করাবে। মিথীলা সবুজ-শ্যামল গ্রাম চেড়ে চলে আসল ইটকাঠের শহড়ে প্রথমে মানিয়ে নিতে কষ্ট হলেও পরে আস্তে আস্তে অভ্যস্থ হয়ে গেল কলেজে ভর্তি হল ভালই চলতে ছিল কিন্তু এটাও সইল না মিথীলার জন্য, ফুফির জামাই কুলের আত্মিয়রা ওকে তেমন সহ্য করত না। এরই মধ্যে ফুফির শরির হর্থাৎ খারাপ হওয়া শুরু করল উনি হয়ত বুঝতে পেরেছিলেন ওনার ডাক এসে পড়ছে তাই একেবারেই অতর্কিত ভাবে উনি মিথীলার বিয়ে দেওয়ার জন্য উঠে-পড়ে লাগলেন। নিজের আত্মিয়ার মধ্যেই ঢাকায় থাকে, ছেলের নিজের ব্যবসা আছে ২ ভাইয়ের মধ্যে ছেলে বড় দেখে মিথীলার বিয়ে ঠিক করলেন। মিথীলা পছন্ড কষ্ট পেল কিন্তু ফুফি যখন কেদে বললেন মা আমি যাওয়ার আগে তোকে স্বামীর ঘরে দেখে যেতে চাই, তুই এই বিয়েতে না করিস না, তখন মিথীলার করার কিছুই ছিল না।

ওদের বিয়ে হয়ে গেল জামাই হিসাবে মিথীলার বর হাসান অনেক ভাল ছিল ও মিথীলার মনটাকে খুব বুঝতে পারত অনেক ভালই যাচ্ছিল ওদের দুজনের সংসার। বিয়ের কয়েক মাস পরেই মিথীলার ফুফি চলে গেলেন এই পৃথীবির মায়া ত্যাগ করে। এদিকে মিথীলা আর হাসানের বিয়ের দু-বছর পর ঘর আলোকিত করল ওদের প্রথম সন্তান লামিয়া! মিথীলা লামিয়াকে নিয়ে কত স্বপ্ন বুনে মনের খাতায় তার কোন ইয়াত্তা নেই, আর ধীরে ধীরে লামিয়ার বেড়ে উঠা দেখে। মিথীলা মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে জীবনের সব কিছু দিয়ে হলেও তারা দুজন মিলে লামিয়ার সব চাওয়া পূর্ন করবে। মিথীলা লামিয়াকে কেজি স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয়, হাসান সকালে মেয়েকে স্কুলে দিয়ে আসে আবার দুপরে মিথীলা গিয়ে মেয়েকে নিয়ে আসে এভাবেই লামিয়া কেজি টু-তে ভাল রেজাল্ট করে মেয়ের কৃতকর্মে মিথীলা আর হাসানের সুখের অন্ত নেই। প্রতি ছুটির দিনেই হাসান মিথীলা আর মেয়েকে নিয়ে বাহিরে ঘুরতে যায়, তারপর বাহিরে ডিনার করে বাসায় ফিরে অনেক সুখেই চলছিল তাদেঁর এই সাজানো সংসার! কিন্তু কে জানত মিথীলার আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করেছে যা বিষের ফোটা হয়ে বৃষ্টির মত ঝরে পড়বে।

একদিন বিকাল বেলায় হাসান বাসায় এসে পড়ে মিথীলা জানতে চায় কি হয়েছে হাসানের জবাব শরীর ভাল লাগছে না, মিথীলা কপালে হাত দিয়ে দেখে অনেক জ্বর মিথীলা হাসান কে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় ডাক্তার জ্বর দেখে কিছু টেস্ট করতে বলে টেস্টে দেখা যায় টায়পয়েড, একে বারে বেডরেস্ট করার পরামর্শ দেয় ডাক্তার। মিথীলার ক্লান্তিহীন সেবায় খুব তাড়াতাড়িই ভাল হয় হাসান, আবার শুরু করে নিজের কাজ-কর্ম, ছুটির দিনে বাহিরে ঘুরতে যাওয়া সব কিছুই ঠিকই চলছিল। কিন্তু মাস না যেতেই হাসানের আবার জ্বর, সাথে যোগ হয় গলা ব্যাথা এবারও মিথীলা আগের ডাক্তারের কাছেই নিয়ে যায়। ডাক্তার কিছু টেষ্ট দেয়, টেষ্ট শেষে রিপোর্ট দেখে ডাক্তারের ভ্রু কুচকে যায় উনি রেফার করেন ঢাকা-মেডিকেল ক্যান্সার ইস্পেশালিষ্টের কাছে। ওখানেও গাদা-গাদা টেষ্ট করানো হয় অবশেষে বলা হয় হাসানের গলায় লিফোমা ক্যান্সার এটা শুনার পর কিছু মুহুত্ব মিথীলা জমে গিয়েছিল, মিথীলার নার্ভগুলো যেন ওদের দায়িত্ব ভুলে গেল, অনেক চেষ্টা করেও যেন নিজেকে নড়াতে পারছে না এক খন্ড পাথরের মত স্থীর হয়ে গেল। ডাক্তার যখন নিজের চেয়ার থেকে উঠে মিথীলার মাথায় হাত রাখে মিথীলা তখনই বাস্তবে ফিরে আসে, বুঝতে পারে যে, খুব করে ব্যথা হচ্ছে, বুকের ঠিক একপাশে কেউ যেন বর্শা-বল্লম অথবা বেয়োনেট দিয়ে খুচিয়ে তার হৃদয়টাকে বের করে নিয়ে আসতে চায়। ডাক্তার বলে মা তুমি ভেঙে পড়ো না, তুমি এমন করলে হাসান এর মনবল ভেঙে যাবে তখন দেখা যাবে, যে কয়দিন সময় আছে তার আগেই হাসান চলে যাবে। ডাক্তার এর এই কথাগুলো শুনে মিথীলার পুরো শরির গামে ভিজে গেল অথচ সে হিম-শীতল কক্ষে বসেছিল। মিথীলা শুধু ডাক্তার এর কাছে জানতে চাইল পৃথিবীর কোথায় নিলে হাসান কে ভাল করা যাবে? ডাক্তার শুধু বলল ওর হাতে সময় খুব বেশী নেই তবুও মা তোমরা চেষ্ঠা করে দেখতে পারো। এক সপ্তাহ পরেই হাসানকে মাদ্রাজ নিয়ে যাওয়া হল ওখানে এক মাস চিকিৎসা করানো হলো কিন্তু উন্নতি না হয়ে অবনতিই হচ্ছিল ওখানকার ডাক্তারের এর পরামর্শে হাসানকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আনা হল।

গত অক্টোবরের এক দুপর বেলায় ক্যান্সার ধরা পড়ার মাত্র এক মাস উনিশ দিনের মাথায় হাসান এই পৃথিবীর মায়া চেড়ে চলে গেলেন, চেড়ে গেলেন তার মিথীলাকে চেড়ে গেলেন লামিয়াকে তবে দেখে যেতে পারলেন না একমাত্র ছেলে লাইজু কে হাসানের মিত্যুর পঁচিশ দিন পরেই লাইজু পৃথীবীতে আসে। মিথীলা জানেনা তার সামনের বাকি পথটুকু কিভাবে পাড়ি দিবে? আর কত কাল তার আকাশের কাল মেঘগুলো বিষের ফোটা হয়ে বৃষ্টি মত ঝরবে। কিভাবে মানুষ করবে তার এই নবজাত লাইজু আর ৭ বৎসরের লামিয়াকে? মিথীলা প্রতি দিনই একটা সময় বারান্দায় দাড়িয়ে আকাশ প্রানে চেয়ে এই প্রশ্নগুলো মনে মনে করতে থাকে, সে নিজেও জানেনা তার এই প্রশ্নগুলো আদৌ কেউ শুনতে পায় কিনা। ২৭ বছরের মিথীলা আকাশ সমান চিন্তা মাথায় নিয়ে প্রতিদিন ঢাকা শহরের কোন একটা বারান্দায় উদাস হয়ে দাড়িয়ে থাকে, বিধাতা কি তা আদৌ দেখতে পায়????????

ঘটনাটা নিচক গল্প নয় তবে বাস্তব জীবনই কখনো গল্পের মত রুপ নিয়ে আসে!!!

ছবি কৃতজ্ঞতা গুগুল মামা!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29386868 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29386868 2011-05-27 12:17:43
শুভ জন্মদিন বিলাই আপা অনেক অনেক যুগ বেছে থেকে আমাদের মাঝে

ব্লগের যার প্রতিটি পোষ্টে একটি করে টাইগারের পিক. পাওয়া যায়, আমাদের সবার প্রিয় সেই বড় বিলাই আপার আজ জন্মদিন... সামুর সকল ব্লগারদের পক্ষ থেকে বিলাই আপা তোমাকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা, শুভ জন্মদিন অনেক অনেক যুগ ধরে বেছে থেকে এই ধরনীতে!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29357168 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29357168 2011-04-05 00:55:28
পরকিয়া বললেই.......প্রবাসীদের বউ.. যত দোষ নন্দ ঘোষ!! যাদের সাথে পালায় তারা সবাই ভোরের তুলশি পাতা " style="border:0;" /> কিন্তুু আসলে এটা কেন প্রকট রুপ দারন করছে? এর থেকে বের হয়ে আসার উপায় কি??

প্রবাসীরা বিয়ে করে ৩০/৩৫ দিন দিন বউয়ের সাথে থেকে আবার পাড়ি জমায়/<img src=" style="border:0;" /> প্রবাসে তার পর সেখান থেকে ফিরে ৪/৫ বছর পর তো এর মধ্যে প্রবাসীদের বউগুলা কি করবে স্বামীর ফিরে আসার পথপ্রানে চেয়ে থাকতে থাকতে সময় কাটানোর জন্য হলেও্ এক সময় পাশের ঘর, পাশের বাড়ীর, অথবা দুরালাপনে চলিম/কলিমের সাথে সম্পর্ক হয়ে যায়।

প্রথমত এই সম্পর্ক মনে থাকে এর পর ধীরে ধীরে এটি শরীর পর্যন্ত গড়ায়<img src=" style="border:0;" /> এই অবস্থায় যখন একটি সম্পর্ক শরীর পর্যন্ত যায় তখন সমাজের যে স্তরের পুরুষ গুলোর সাথে এই সম্পর্ক হয় তারা প্রবাসীদের বউদের কে জাদুর কাঠি হিসাবে ব্যবহার করে, ব্লাকমেইল করে.......বাধ্য করে সন্তান সন্ততি ছেড়ে ঘর থেকে বের হয়ে আসতে অনেক মেয়েই আবার বেহালীপনার জন্যও স্বইচ্ছায় বের হয়.......আসলে সব মিলিয়ে এটা সমাজের একটা স্তরের সামাজিক অবক্ষয়ের চরম রুপ....!

তবে এ সামাজিক অবক্ষয় শুধু একা প্রবাসী বউদের কারনেও হয় না, অনেক সময় দেখা যায় বধুরা তাদের স্বামির প্রতি বিশ্বাস ও ভালবাসার টানে যুগ যুগ অপেক্ষা করতে চায় কিন্তু তার চারপাশে সমাজের শকুন রুপি ক্ষুদাত্ব পুরুষদের লোলুপ দৃষ্টি তাঁদেরকে সেই অবস্থায় থাকতে দেয় না.........!!
তবে এই অবক্ষয় থেকে মুক্তির বড় উপায় পারিবারিক শিক্ষা, সামিজিক সচেতনতা, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা, এবং প্রবাসী স্বামিদের আগমনকাল স্বল্পদৈর্ঘ করা...

সবারই মনে রাখা উচিত যৌবনে শরীরে জ্বালা উঠবেই তবে স্বামী-স্ত্রীর একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ও ভালবাসায় সেই জ্বালাকে নিয়ন্ত্রন করতে হবে।

অট: পোষ্ট অনেক ছোট হয়ে গেছে.....এর জন্য দুখি:ত।
যে সকল প্রবাসী ভাইরা এক বছরের অধিক সময় ধরে ভাবীকে ছেড়ে আছেন তাঁদেরকে বলতেছি তাড়াতাড়ি দেশে যান.......দুজনে মিলে একটু একান্ত সময় কাটান......বুড়ো হয়ে গেলে কিছুই কর্তে পারবেন না <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29350456 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29350456 2011-03-24 19:47:00
কয়েক দিনের খেলার সাথী, কিন্তু ছোট বেলার স্মৃতির বড় একটা অংশ জুড়ে যে এখনও আছে
বাল্য কালে কতই না খেলার সাথী মিলে <img src=" style="border:0;" /> আবার সময়ের আবহে হারিয়ে যায়, <img src=" style="border:0;" /> কাউকে ভুলে যাই আবার কেউ মনের অজান্তেই স্মৃতির একটা বড় অংশ জুড়ে থাকে <img src=" style="border:0;" /> স্মৃতির কোঠরের সেই সাথী যার নামটি ছিল দু-অক্ষরের মনি অবশ্য এই ছোট নামটাই মনে পড়ে আসল নামটা মনেই করতে পারতেছি না <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

যেভাবে ও আমার অথবা আমি ওর খেলার সাথী
আমার সবে মাত্র ২ ক্লাশের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হল ৩ ক্লাশ শুরু হওয়ার জন্য তখনো অনেক সময় বাকি, তো ওই সময় টা নানা বাড়ী, খালা বাড়ীতে কাটানোর মজাই আলাদা <img src=" style="border:0;" /> আমি আমার মেজ খালা বাড়ী যা্ওয়ার বায়না ধরলাম, কিন্তু আমাকে খালা বাড়ী নিয়ে যাওয়ার মত কেউই নেই <img src=" style="border:0;" /> । এদিকে পরীক্ষার ২/৩ দিন পর মনির ছোট কাকা আমাদের বাড়ীতে আসল , মনির এই কাকাটা আমাদের উপজেলার কলেজে পড়ত এই জন্যে এই মামাটা প্রায় আমাদের বাড়ীতে আসত..<img src=" style="border:0;" /> মামাটার কলেজ বন্ধ দেওয়ায় উনিও বাড়ীতে যাবে.....বলে রাখা ভালে আমার মেজ খালার বাড়ী থেকে মনিদের বাড়ী প্রায় ২ কি.মি. এদিক ওদিক। মামা আমার মন খারাপ দেখে আম্মার কাছে বলে উনি আমাকে মেজ খালার বাড়ী দিয়ে আসবে...কিন্তু একটা শর্ত সাপেক্ষে <img src=" style="border:0;" /> শর্ত হইল প্রথম ২দিন মামাদের বাড়ী থাকতে হবে কান্না-কাটি করতে পারব না <img src=" style="border:0;" /> পরে শর্ত মেনেই মামার সাথে চলে গেলোম <img src=" style="border:0;" />

এই মামাটা কে অনেক দেখছি কিন্তু ওনাদের বাড়িতে এই প্রথম আসলাম মামা আমাকে বাড়িতে এনেই প্রথম ওনার আম্মার সাথে তার পর তার ভাবী ও ভাইয়ার সাথে শেষ মুহুত্বে ওনার এক মাত্র ভাতিজি মনির সাথে পরিচয় করানোর জন্য নিয়ে এলেন কিন্তু ওর কাছে এনে যা বললেন তা শুনে আমিতো<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
মনির সাথে পরিচয় হয়ে অতটা খুশি হই নাই<img src=" style="border:0;" /> কারন স্কাট পরা একটা মেয়ে কিভাবে আমার সাথে ফুটবল আর ক্রিকেট খেলবে? /<img src=" style="border:0;" /> আমি আশার সময় আমর ফুটবল পর্যন্ত নিয়া এসেছিলাম <img src=" style="border:0;" /> আমি মন খারাপ করে মামার রুমে চলে এসেছি.....ওদিকে কিছুক্ষন পর মনি তার পুরো খেলার সরঞ্জাম নিয়ে চলে আসল মামার রুমে এর মধ্যে যেমন পুতুল ছিল তেমনি ব্যাটারি দিয়ে চালানোর মার্চেটিজ ও ছিল <img src=" style="border:0;" /> তখন থেকে একটু একটু করে ভাব হয়ে যায় তার পর থেকে ওর সাথে যেমন পুতুল খেলেছি তেমন ও আমার সাথে ক্রিকেট ফুটবল ও খেলেছে, মনি ফুটবল ভালো খেলতো<img src=" style="border:0;" /> প্রমানসরুপ ওদের শোকেস এর একটা গ্লাস ভেঙেছে বল ক্রিক করে <img src=" style="border:0;" /> পরের দিন মামা আমাদের একটা দোলনা বেঁধে দিয়েছেন আম গাছের ডালে..........দোল দোল দোলনী, রাঙা মাথার চিরুনী.....
সেই দোলনী.....আহা কি শান্তি আকাশে বাতাশে.........! <img src=" style="border:0;" />

মনিও তখন আমার মতই ২ ক্লাশ শেষ করেছিল তখন স্কুল বন্ধ কিন্তু ও গানের টিচার আসত সন্ধ্যায় গান শিখানোর জন্য...মনি আমি যতদিন চিলাম একদিনও গান শিখতে বসে নাই <img src=" style="border:0;" /> কারন ও দুপরেই রেওয়াজ করে পেলত আমি হারমোনিয়াম বাজাইতাম ও গাইত<img src=" style="border:0;" /> কি যে, বাজাইতাম আর ও যে কি গাইত একনও মনে হলে খুব হাসি পায়<img src=" style="border:0;" /> তবে একজন শ্রোতা ছিল যে বরাবরই বলত অনেক ভাল হয়েছে সে, ছিল ওই মামাটা <img src=" style="border:0;" /> মামা যদিও আম্মার কাছে বলেছিল ২দিন পর আমাকে আমার মেজ খালার বাড়ী দিয়ে আসবেন...কিন্তু সেটা ২ থেকে ১২ দিনে গিয়ে দাড়িয়েছিল তাও যখন আমার খালু আমাকে নিতে এসেছেন। মামা দেখল আমি খুবেই আনন্দে আছি <img src=" style="border:0;" />
এদিকে আমি যেদিন চলে যাচ্ছি তখন মনি আমাকে যেতে দিবে না<img src=" style="border:0;" /> আমারও ওকে রেখে যেতে ইচ্ছে করে নাই....বলেই পেললাম মনিকে আমাদের সাথে দিয়ে দেওয়ার জন্য......মনিও এক লাফে রাজী আমার সাথে যাবে<img src=" style="border:0;" /> কিন্তু ওর আম্মু ওদের নানা বাড়ী যাবে এজন্যে দিতে চাইছেন না পরে মনি অনেক কান্না কাটি করেও আসতে পারে নাই <img src=" style="border:0;" /> ওকে চেড়ে আসতে কছিুটা কষ্ট পয়েছি কিন্তু খালা বাড়ী এসে আবার কাজিনদের সাথে মেতে উঠেছি... <img src=" style="border:0;" /> কিন্তু কখোনই ভাবতে পারি নাই মনির সাথে ওটাই শেষ দেখা/<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29310572 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29310572 2011-01-19 23:00:53
শিশু থেকে শৈশবে যতরকম খেলাধুলা, তার কিছু বর্ননা দেখেন আপনার সাথে দুই-একটা কমন পড়ল কিনা??

খেলা-ধুলা জীবনেরই একটা অংশ বৈকি<img src=" style="border:0;" /> ছোট বেলা থেকেই সবাই কম বেশী অনেক ধরনের খেলাধুলা করে থাকে এগুলা এলাকা ভিত্তিক বিভিন্ন নামের হয়ে থাকে। আমরাও শিশু থেকে শৈশবে অনেক রকম খেলাধুলা করেছি এখন বুড়ো বয়সে সেগুলা মনে করি আর সেকালে ফিরে যাওয়ার মিছে স্বপ্ন দেখি/<img src=" style="border:0;" /> সেরকম কিছু খেলাধুলার স্মৃতিচারন করার অপচেষ্টা এই ব্লগের মাধ্যমে করতেছি<img src=" style="border:0;" /> দেখেন আপনার শৈশবের কোন খেলার স্মৃতি মনে হয় কিনা? নাকি স্মৃতি তুমি বেদনা এ কথা ভেবে স্মৃতির ধরজায় তালা ঝুলিয়ে বসে আছেন<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> পোষ্ট পড়ে দেখেন শৈশবের স্মৃতি তালা ভেঙে বের হয়ে আসবে<img src=" style="border:0;" /> এর পরও যদি না আসে তাইলে আপনার জন্য /<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" /> এবার শুরু করি............>>>>

০১। ( পুতুল খেলা )
শিশুকালে পুতুল খেলে নাই এমন কাউকে পা্ওয়া যাবে তা বাস্তবেতো নয় স্বপ্নেও সম্ভব নয়। আমার পুতুল খেলার হাতেখড়ি হল বড় আপুর কাছ থেকে আপু আর তার বান্দবী মিলে পুতুল বানাতো আবার তাঁদের বিয়ে দিতো<img src=" style="border:0;" />, আমার কাজ ছিলো পুতুল নিয়ে কাদা পানিতে গোসল করানো<img src=" style="border:0;" /> এই কারনে আপু তাঁর একটা বান্দবী ছিল বড়ই চতুর পতুলের কালেকশন সব সময় ওর কাছেই রাখতো<img src=(" style="border:0;" /> ওই আপু আসার সময় পুতুলের বাক্স নিয়ে আসতেন খেলা শেষে আবার নিয়ে যেতেন, একদিন পুতুল খেলা শুরু করল পুতুলের বিয়ে দিবে এমন সময় দেখা গেল যে, বর পুতুল টা আনা হয় নাই<img src=(" style="border:0;" />এতে আপুদের সবার মন খারাপ তখনই চালাক আপুটা চট করে বলে পেলল আজকে রোমান কেই বর বানাব... এ কথা শুনে আমার নিজের বোন টা খুশি হতে পারে নাই<img src=" style="border:0;" /> তার রাজপুত্রের মত ভাইয়াটার প্রথম বিয়ে তা্ও আবার পুতেলের সাথে? কিন্তু বান্দবীদের ডলায় শেষ পর্যন্ত রাজী হইছে। এদিকে আমি যখন বুঝলাম ওরা আজ আমারই বিয়ে দিবে তখন খুশিতে মনে মনে গান শুরু করলাম আহা কি সুখ এই আঁকাশে বাতাশে<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> তারপর ঠিক মত কলেমা বিহীন কবুল দিয়ে বিয়েও হয়ে গেল<img src=" style="border:0;" /> কিন্তু বাঁধ সাঁধলো তখনই যখন খেলা শেষ হল। চালাক আপুটা পুতুল নিয়ে চলে যাবে<img src=(" style="border:0;" /> কিন্তু আমিও পুতুল দিতে নারাজ কারন সেটা তখন আর তার পুতুল ছিল না সেটা ছিল আমার বৌ <img src=" style="border:0;" /> কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই নিষ্ঠুরনী আপুটা আমাকে একা করে, আমার কাছ থেকে আমার পুতুল বৌ কেড়ে নিয়েই চলে গেল /<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />সেই থেকে যত বার টিভিতে কোন খারাপ, দর্জাল, নিষ্ঠুর মেয়ে চরিত্র দেখেছি সব সময় মনে হয়েছে এটাই সেই নিষ্ঠুর আপু<img src=(" style="border:0;" />

০২। ( গোল্লা ছুট )

এই খেলাটা বিকেল বেলায় বাড়ীর উঠোনে খেলতাম খেলার সাথী হিসাবে পাশের বাড়ীর কিছু পোলাপাইনও থাকতো কিন্তু কেন জানি পাশের বাড়ীর পোলাপাইনগুলো খেলা থেকে আমাদের বাড়ীর বরই গাছটার প্রতি বেশি খেয়াল রাখতো/<img src=" style="border:0;" /> এমনও দেখা যেত সী দেওয়ার মাঝ খানে কেউ একজন বরই গাছে ঢিল ছুড়তো আর অমনি খেলা রেখে বরই কুড়ানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে যেত<img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />

০৩। (সী-কুত-কুত)

এই খেলাটার ভাল নাম কি এটাই না কি অন্য কিছু তা জানা নেই, তবে এটা খেলতে হলে মাটিতে স্কয়ার আকারের দাগ টেনে খোপ খোপ বানাতে হয় তার্ পর এক দমে লাফিয়ে লাফিয়ে পা দিয়ে ঝিক এক ঘর, এক ঘর করে নিতে হয়। এই খেলাটায় আপুরা আমাকে নিতে চাইত না/<img src=" style="border:0;" /> আমি নাকি এই খেলায় খুব কান্ডামী করতাম দম ফেলেও বলতাম দম পালাইনি।<img src=" style="border:0;" />

০৪। (লুকোচুরী)

লুকোচুরী খেলাটা ছিল আমাদের নানু বাড়ীর শ্পেশাল খেলা আমাদের বার্ষিক পরীক্ষা শেষে সবাই নানু বাড়ী যেতাম সবাই বলতে আমার অন্য আন্টিরা্ও সবাই কে নিয়ে একসাথে আসত এবং আম্মার চাচাতো বোন গুলাও ওই সময় আসত। নানুবাড়ী থাকত পুরাই জমজমাট। ওই সময় রাতের বেলায় চাঁদের আলোয় আমরা সব কাজিনগুলো লুকো-চুরি খেলায় ব্যস্ত থাকতাম<img src=" style="border:0;" />। লুকোচুরি খেলার সময় একদিন আমি লুকানোর জন্য জায়গা খুজতে গিয়ে দেখি নানা ভাই কম্বল মুড়ো দিয়ে শুয়ে আছে, আমি ঠিক মতো নানা ভাইর কম্বলের নিচে লুকিয়েছি<img src=" style="border:0;" /> কিন্তু কিভাবে যেন আমি ওখানেই ঘুমিয়ে পড়ি/<img src=" style="border:0;" />এ দিকে খেলার সাথীরা আমাকে না পেয়েতো কুত্তাপাগল অবস্থা<img src=" style="border:0;" />। কেউ বলা বলি শুরু করল আমাকে পরীরা কামরু কামাক্কার দেশে নিয়ে গেছে/<img src=" style="border:0;" /> এদিকে আস্তে আস্তে সবাই যেনে গেছে লুকোচুরী খেলতে গিয়ে একজন নিখোঁজ<img src=" style="border:0;" /> আমার মা জননী পুত্রশোকে কান্নাজুড়ে দিল আর নানা ভাই মেয়ের কান্না শুনে ঘুম বেঙে উঠে এল এবং বলল আমি ঘুমোচ্ছি<img src=" style="border:0;" />। এর পর খেলার সাথীরা আমার জন্য কোর্ট মার্শাল আনল রায় হল আজীবনের জন্য ওদের সাথে লুকোচুরি খেলতে পারবো না/<img src=" style="border:0;" /> এর পর আমি বার বার আপিল করার চেষ্টা করেছি কিন্তু কোর্ট মার্শাল এর উপর কোন কথা কি চলে?:<img src=" style="border:0;" />

৫। ( কাঁনামাছি বোঁ-বোঁ)

এই খেলাটা হল চোখে কাপড় বেঁধে দেওয়া হত এই চোখ বাঁধা অবস্থায় অন্য জনকে ছুঁতে হবে, একদিন এই খেলাটার সময় আমি আমার সবচেয়ে অপছন্দের মানুষটাকে জড়িয়ে ধরেছি<img src=" style="border:0;" /> যদিও চোখ বাঁধার আগে সে খেলায় আসেনি, এর পর ডেটল দিয়ে গোসল করতে গিয়ে দেখি ডেটল খুজে পাওয়া যাচ্ছে না<img src=(" style="border:0;" />পরে সোডা সাবান দিয়ে গোসল করে মুক্ত হয়েছিলাম<img src=" style="border:0;" />

৬। (হা-ডু-ডু)
এই খেলাটা বর্ষাকালে খেলা হত, উঠোনে শেওলা জমে উঠোন খুব পিচলা থাকতো আর এখানে খেলতাম হা-ডু-ডু। উঠোন এতই পিচলা থাকতো যে, এক ডু দেওয়ার আগে দু-তিন বার চিৎ-পৎ ধপাশ হতে হত<img src=" style="border:0;" />

৭। সাত চাঁড়া(ঝিক)
খেলাটা ছিল এমন যে ভাঙা মাটির পাত্রের সাতটি টুকরো একটি একটির উপর সাজিয়ে টাওয়ারের মত করা হয় এর পর এক পক্ষ টেনিস বল দিয়ে নির্দিষ্ট দুরুত্ব থেকে টাওয়ারটাকে মাটিতে ছড়াতে হয়, এবং যেই পক্ষ মাটিতে ছড়াবে তাকেই পুনরায় ঝিক দিয়ে টাওয়ার গড়তে হবে। টাওয়ার গড়ার সময় অন্যপক্ষকে টেনিস বল ছুড়ে ওর গায়ে লাগাতে হবে। একদিন আমার চাচীর বাসায় ওর বোনের মেয়ে এসেছিল পরে বিকেলে খেলার সময় আমার পতিপক্ষ হয়ে খেলা শুরু করল ওকে দেখলেই আমার কেন জানি বনলতা সেন মনে হতো....<img src=" style="border:0;" />তো খেলা শুরু হওয়ার পর ও ঝিক গুলো সাজিয়ে টাওয়ার মতো করছে ওই মুহুর্তে আমার হাতে টেনিস বল আসল, আমাকে টেনিস বলটা ওর গায়ে ছুড়ে মারতে হবে/<img src=" style="border:0;" /> কিন্তু আমি বল না মেরে ওর দিকে তাকি দিবা স্বপ্ন দেখা শুর করলাম এদিকে আমার দলের এরা যতই চিল্লায় বল ছুড়ে মারার জন্য আমার কানে কিছুই যায় না আমি বনলতার স্বপ্নে বিভোর<img src=" style="border:0;" />এদিকে ওর ঝিক সাজানো শেষ আমার বোন কাছে এসে দেখে আমি তখনো বেবলার মতো বনলতার দিকে চেয়ে আছি<img src=" style="border:0;" /> এতে আমার রাগী বোনটা ক্ষুব্দ হয়ে আমার গালে একটা চড় বসিয়ে দিয়ে যা বলল তা শুনে আমার চউক্ষে অশ্র আর দিলে ছোট দুইটাই লাগল<img src=(" style="border:0;" />। ও বলল কি প্রেম কি উতলাইয়া পড়ে, প্রেম দেখানোর টাইম পাওনা যত্তসব:-*

৮। (ক্যারাম)
হাই স্কুলে থাকতে হুজুর স্যার প্রতিদিন নামাজের জন্য ধরতেন, আর বেদম পেটাতেন<img src=(" style="border:0;" /> হুজুর স্যারের অত্যাচার থেকে বাঁচতে ওই ঘন্টা পাকি দেওয়া শুরু করি। টাইম পাস করার জন্য ক্যারামটা আবিস্কার করি এমনও দেখা গেছে এক মাসে একদিনও হুজুর স্যারের ঘন্টা করিনি<img src=" style="border:0;" /> হুজুর স্যার একদিন পিটির সময় দেখে বললেন কি ব্যাপার তুমি এখনো এই স্কুলে পড়?<img src=" style="border:0;" />আমিতো মনে করেছিলাম তমি অন্য স্কুলে চলে গেছ টিসি নিয়ে<img src=" style="border:0;" />

৯। (ফুটবল)
সান্স পেলেই খেলি এটার প্রতি বিশেষ দূর্বলতা এখনো কাজ করে, ফুটবল দেখলেই পা কেমন জানি করে<img src=(" style="border:0;" />বলে লাথ্থি মারার জন্য<img src=" style="border:0;" />

১০ (ক্রিকেট)
এটাও সুযোগ পেলেই পিটাই যদিও অতো ভালো পিটাইতে পারি না তবে কিন্তু আউট খুব তাড়াতাড়ি হইতে পারি<img src=" style="border:0;" />


ওরে আল্লারে লেখা দেখি বড় হইয়া গেছে, আরো কিছু খেলা ছিল/<img src=" style="border:0;" />, আর লেখন যাইব না.........সামু আমারে বড় লেখার দায়ে ব্যান মারতে পারে<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29228861 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29228861 2010-08-24 14:33:09
আমার দুষ্টামি বেলার বান্দর কাহীনি - ০১

ছোট যখন অনেক ছোট মানে দুই পা আর দুই হাত যখন দুই দিকে ছোড়াছুড়ি করি তখন থেকেই দুষ্টামি শুরুকরি... আমি তখন বেশি দুষ্টামি করতাম আম্মার সাথে। আমি আবার আম্মাভক্ত ছিলাম তার কোলে ছাড়া আমার ঘুমও আসতো না।/<img src=" style="border:0;" /> যখনই আমাকে তার কোল ছাড়া করত<img src=(" style="border:0;" /> আমি তখনই ফুল ভলি্উমে কান্নার গান শুরু করে দিতাম, আমার এই গান আশে-পাশের সবাইকে চরম বিরক্ত করত কিন্তু আমি কান্নার গান গাইতে অলস্যতা করতাম না<img src=" style="border:0;" />। আমার দাদু এই গান শুনে অতি আনন্দে বলেই পেললেন(এর গলার যেই আওয়াজ) এই নাতিকে দিয়ে ছকিনা খতম পড়াইলে মাইক এবং মাওলানা কিছুই লাগবনা ও একাই একশ!<img src=" style="border:0;" /> । একদিন আম্মা আমাকে কোল ত্যাগকরত বিছানায় রেখে রান্না ঘরে না কোথায় গেলেন, এদিকে আমি আমার কান্নার গান গাইতে শুরু করলাম এমন সময় পিঠে পিপড়া জাতীয় কিছু একটা কামড় দেয়ায় আমি গড়ানি দিলাম। এতে করে আমি যেন সপ্তম আকাশ থেকে শূন্যে ভেশে জমিনে পড়লাম পরে আবিস্কার করলাম আমি খাঠের নিচে অবতরন করেছি। এদিকে আমি আমার শৈল্পিক মনে মাটিতে শুয়ে খাঠের নিচের অংশ অবলোকন কর্তেছি, আহা কি সুন্দর কারুকাজ চারটি পায়া একটা চানী তার উপর আমরা করি কত লাপালাফি। এমন সময় আমার মা জননী এসে দেখে তার দুষ্ট খাঠের উপর নেই, আপুকে জিজ্ঞেস করলো আপুও জানে না এটা শুনে আম্মাও কান্নার গান গাইতে শুরু করলো। আপু এর উপর বলে উঠলো মনে হয় ছেলে ধরায় নিয়ে গেছে, এতে করে গানের ভলিউম আরো অসয্য রকম বেড়ে গেলো। আম্মার কান্নার গান শুনে মনে হচ্ছে আমার কানের ভেতর দিয়ে নাসা তার রকেট উৎক্ষেপন কর্তেছে<img src=(" style="border:0;" />। আমি আম্মার এই গান শুনে হাসিঁ চাপায় রাখতে পারলাম না, জোরে হাঁসতে গিয়ে দেখলাম আমার গলা থেকে কান্নার আওয়াজই বের হইতেছে/<img src=" style="border:0;" /> ।


দুষ্ট বেলায় নানু বাড়ী খুব বালা পাইতাম কিন্তু নানু বাড়ীর ছোট মামার মোচ-ওয়ালা বন্ধুটা ছিলো আমার দুই নয়নের বিষ।<img src=" style="border:0;" /> ওই মোচ-ওয়ালা মামাটা আমাকে দেখলেই খালি কোলে নিয়া আদর করতে চেষ্টা করত, কিন্তু মামাটার মুখ থেকে সিগারেটের এমন গন্ধ আসতো যেন গরু মরে পঁচে-গলে যাচ্ছে। আর তার নাকের নিচের মোচ দেখলে আমার মনে হতো এ, যেনো অ্যামাজান জঙল! এক একটা মোচ মনে হতো এক একটা বাঁশের কন্ছি। মোচ-ওয়ালা মামার এই দুইটা উপসর্গের কারনে তার কোলে যেতে আমার অনীহা ছিল কিন্তু তার পরেও তিনি আমাকে জোর করে কোলে তুললেন আমি নেমে যাওয়ার জন্য জোড়াজুড়ি করতেই আমাকে দমক দিয়ে বললেন তুই একটা পঁচা<img src=(" style="border:0;" />...এটা আমার মনে শেলের মতো বিধে গেলো মামাকে একটা শিক্ষা দেওয়ার দান্ধায় ছিলাম। আম্মার একটা চাছাতো বোন ছিলো যার সাথে ওই মোচ-ওয়ালা মামাটার মনে মনে একটু ভাব ছিলো ওরা দুই জন উঠোনে দাড়িয়ে কথা বলতে ছিলো তখনই আমি এক পা এক পা করে হাটা শিখতে ছিলাম উঠোনে, মামা আমাকে দেখা মাত্র কোলে নেওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠলো এদিকে আমিও কোলে না উঠার জন্য শক্ত ধরলাম, তার পরেও উনি জোর করে আমাকে কোলে নিলেন আমিও সম্পূর্ন শক্তিতে দিলাম মোচড়ানি এতেই মামার কোল থেকে পড়ে যেতে লাগলাম। পড়ার সময় আত্মরক্ষা হিসাবে মামার লুঙিতে ঝুলে থাকার চেষ্টা করলাম, কিন্তু মামা তার ইজ্জতের আত্মরক্ষা করার পূর্বেই আমি তার লুঙিসহীত মাটিতে অবতরন করেছিলাম<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />। আন্টি এই দৃশ্য দেখে দৌড়ে ওনার বড়বোনের বাড়ীতে গিয়ে পালিয়েছে। আর মোচ-ওয়ালা মামার মনের ভালোবাসা কবর ওই দৃশ্যতেই হয়েছে/<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" /> ।

(ঘটনাগুলা স্মৃতিচারনমূলক) <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29156674 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29156674 2010-05-17 11:28:55
অনেকেই প্রোফাইল ফটুক চেইন্জ করেছেন ফটুক দেইখা ব্লগ পাওয়া মুশকিল.... তার পরেও দেখেন ২০১ টা ফটুকের মধ্যে আপনার প্রোফাইল পিক....














১০

১১

১২

১৩

১৪

১৫

১৬

১৭

১৮

১৯

২০

২১

২২

২৩

২৪

২৫

২৬

২৭

২৮

২৯

৩০

৩১

৩২
@আজুরা রাহমানঃ এর অনুরোধে তার ছবি টা মুছে দেওয়া হয়েছে. ১৫৮ নং কমেন্ট দ্রষ্টব্যঃ
৩৩

৩৪

৩৫

৩৬

৩৭

৩৮

৩৯

৪০

৪১

৪২

৪৩

৪৪

৪৫

৪৬

৪৭

৪৮

৪৯

৫০

৫১

৫২

৫৩

৫৪

৫৫

৫৬

৫৭

৫৮

৫৯

৬০

৬১

৬২

৬৩

৬৪

৬৫

৬৬

৬৭

৬৮

৬৯

৭০

৭১

৭২

৭৩

৭৪

৭৫

৭৬

৭৭

৭৮

৭৯

৮০

৮১

৮২

৮৩

৮৪

৮৫

৮৬

৮৭

৮৮

৮৯

৯০

৯১

৯২

৯৩

৯৪

৯৫

৯৬

৯৭

৯৮

৯৯

১০০

১০২

১০৩

১০৪

১০৫

১০৬

১০৭

১০৮

১০৯

১১০

১১১

১১২

১১৩

১১৪

১১৫

১১৬

১১৭

১১৮

১১৯

১২০

১২১

১২২

১২৩

১২৪

১২৫

১২৬

১২৭

১২৮

১২৯

১৩০

১৩১

১৩২

১৩৩

১৩৪

১৩৫

১৩৬

১৩৭

১৩৮

১৩৯

১৪০

১৪১

১৪২

১৪৩

১৪৪

১৪৫
১৪৬

১৪৭

১৪৮

১৪৯

১৫০

১৫১

১৫২

১৫৩

১৫৪

১৫৫

১৫৬

১৫৭

১৫৮

১৫৯

১৬০

১৬১

১৬২

১৬৩

১৬৪

১৬৫

১৬৬

১৬৭

১৬৮

১৬৯

১৭০

১৭১

১৭২

১৭৩

১৭৪

১৭৫

১৭৬

১৭৭

১৭৮

১৭৯

১৮০

১৮১

১৮২

১৮৩

১৮৪

১৮৫

১৮৬

১৮৭

১৮৮

১৮৯

১৯০

১৯১

১৯২

১৯৩

১৯৪

১৯৫

১৯৬

১৯৭

১৯৮

১৯৯

২০০

২০১




চিনতে পারছেন আপনার প্রোফাইল পিক.........>>>>>>>>?????
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29060864 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29060864 2009-12-18 00:45:21
এই মাত্র ঈদের নামাজ পড়ে আসলাম"" সবাইকে ঈদ মোবারক""

প্ররবাসে জীবনের প্রথম ঈদ আজ,,,,,, এই মাত্র ঈদের নামাজ পড়ে বাসায় আসলাম! সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা!! সাথে সাথে এক অন্য রকম অভিজ্ঞতার ঈদের দিন অতিবাহিত করতে যাচ্ছি!! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29013421 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/29013421 2009-09-20 10:08:43
নতুন জব আর ট্রেনিং এর পর ট্রেনিং.....জীবনটা তামা তামা হইয়া গেলো....... ট্রেনিং এর আগের দিন সন্ধ্যায় ডিপার্টমেন্ট থেকে হোটেলে নিয়ে যাচ্ছে!!

রাতে থাকার জন্য এই রুমখানা বুকিং দিলো!!

আমি রুমে আইসা....... শরীরের আড়মোড়া ভাঙার প্রস্তুতি নিলাম....

সকালে ঘুম থেকে উঠে রেডী হয়ে ৮.৩০মি. লবীতে আসলাম দেখি আমার মতো সবাই চলে এসেছে,.... কিন্তু আমাদের বীনেশ ভাই খুবই চিন্তিত <img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />দেখেন না আমার পেছনে দাড়িয়ে গালে হাত দিয়ে কি চিন্তা করতেছে,, আসলে ট্রেনিং করতে গেলে ওনার খালি ঘুম পায়<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> এটাই ওনার চিন্তার কারন।
৯.০০টায় ট্রেনিং শুরু হয়ে গেছে.....ট্রেইনার তার লেকচার শুরু করল।

আমিও ঘুম ঘুম চোখে নোট করা শুরু করলাম!!.. আবার নাকি আমার ওপেনিয়ন দিতে হইবো/<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />

২.০০ ঘন্টা লেকচার শেষ....এবার ওপেনিয়ন এর পালা....আমার ডাক পড়লো....আমি আর নতুন কি কমু সবতো হেরা, জানেই<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />..




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28998671 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28998671 2009-08-23 22:22:53
ব্যাচেলর পাড়া ত্যাগকরত <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />....কিছুদিন পরে কুরবানি মুবারকের টিকিট যারা হাতে পাইয়াছেন তাঁদের জন্য শুভকামনা<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_24.gif" width="23" height="22" alt=":-/" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_24.gif" width="23" height="22" alt=":-/" style="border:0;" />...... আর আমরাও পরিবারতন্ত্র গড়ার জন্য মনে...
ব্লগ পরিবারের কুরবানিকৃত অনেক ভাইয়া ও আপার সতর্কতামূলক পোষ্ট পড়া সত্বেও..........ইদানিংকালে আমাদের ব্যাচেলর পাড়ার @ আইরিন সুলতানা ও @ শিরোনামহীন নিজ ইচ্ছায় কুরবানি হওয়ার টিকেট গ্রহন করিয়াছেন!! এতে ব্যাচেলর পাড়ায় মোটামুটি ২ ধরনের প্রভাব পড়েছে,
প্রথমত ব্যাচেলর পাড়া এখন থেকে কুরবানি কাহিনী জনীত সতর্কতামূলক পোষ্ট পড়ে আর ভয় পাবেনা,,,,,,,,,,,,,কারন কুরবানি হওয়ার মধ্যে কি ফজিলত তা ব্যাচেলরগণ উপভোগ করতে এক ধাপ এগিয়ে এক পায়ে দাঁড়িয়ে প্রস্তুত...........এখন থেকে শওকত হোসেন মাসুম ভাই, তামিম ভাই আরো যাহারা কুরবানি কাহিনী সম্পকৃত সতর্কতামূলক পোষ্ট দেয় ব্যাচেলর রা এখন আর এইসব পোষ্টেও ভয় পাবে না।<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

দ্বিতীয়ত @ @ আইরিন সুলতানা ও @ শিরোনামহীন আপুর কুরবানীর অনুস্ঠানে আমরা যারা ব্যাচেলর আছি, গোপন সুত্র মোতাবেক জানা গেছে যে, ওনারা দুজনই কৃতজ্ঞতার সহীত ব্যাচেলর ব্লগারদের নাম দাওয়াত কার্ডে আগে লিখার চিন্তা করিয়াছেন........কারন ব্যাচেলরের স্বভাব চরিত্র এখোনো ওনাদের মধ্যে বিদ্যমান!! <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />এই কারনে ব্যাচেলর পাড়ায় উত্তম ঝাঁঝা টাইপের আমেজ চলতেছে.........আমি ভাবতেছি ওই অনুষ্ঠানেই কুরবানি হওয়ার একটা গতি করুম<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> হয়তো আমার মতো অনেকেই এই লজিকের উপর আছে<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

এছাড়া @ আইরিন সুলতানাও @ শিরোনামহীন আপুর কুরবানির খবর শুনে পূর্বে যাহারা কুরবানি হইয়াছে তাঁহাদের মধ্যেও উৎসবের আমেজ লক্ষ করা যাচ্ছে,.........তবে তাঁহারা মনে মনে বলতেছেন এক বার কুরবানী হইয়া যাও, তার পরে বুঝবা ৯ মাসে কয় দিন?<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> ( মানে কুরবানির মজা)

বিদ্র: এই কুরবানি প্রক্রিয়ায় @শওকত হোসেন মাসুম ভাইর ব্যাচেলরদের উপর টেক্স অরোপ করার চিন্তা ভেস্তে গেল<img src=(" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />





সুত্র......... কৌশিক ভাইর- Click This Link

এবং শিরোনামহীন এর
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28995881 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28995881 2009-08-18 16:10:24
হায়? হায়.............? প্রথম পাতায় কি হইলো.......???<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /> আমার পোষ্ট দেখি আমার নিজের ব্লগে হান্দাইয়া গেলো...<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />
Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28980653 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28980653 2009-07-19 23:35:55
জুতা নিক্ষেপের পরীক্ষামূলক এনিমেশন পোষ্ট এবার যদি লাইগা যায় পাকি দালালের কপালে........

........>>>> মারো এবার,,,,,,,,!!


জুতা নিক্ষেপের ফলাফল দেখতে পাবেন.......... পোষ্ট ওপেন হওয়ার পর ছবির উপর ক্লিক করুন!!!!!!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28980643 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28980643 2009-07-19 23:20:38
বিলাই আপা আন্মের বাঘ.....সরান<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" />,,,,, আম্নের বাঘে আমারে খামছি মারবো!!!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />


কেউ কি আছেন?? <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> ভাই দেখেন বিলাই আপার বাঘ আমার কাছাকাছি চইলা আইছে.........এখোন মনে হয় খামছি মারবো......./<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />
আমারে আন্মেরা বাছানগোাাাাাাাাা!! নাইলে কিন্তু আমি নিজেই বাঘেরে খামছি মারুম কইলাম:<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

পু:নচ: সম্পুর্ন্ আজাইরা পোষ্ট........<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28979320 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28979320 2009-07-16 21:46:45
শুভ সন্ধ্যা,,,,,,,,,,, কেমন আছেন সামুর পরিবারের সদস্যগণ,?????:আমার এখানে এখন সন্ধ্যা ৭.১০মি. <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> আপনাদের ওখানে কয়টা বাজে?????<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> " style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" /> .!!! আমার এখানে এখন ৭.০৫ মিনিট!! সবাইকে শুভ সন্ধ্যা। সামুর অনেককে খুব মিস করর্তেছি...........!! ট্রের্নিং ও নতুন চাকরীর কারনে একটু বেশী ব্যাম্ত তাই কম্পুতে খুব কম বসা হয়!! আশা করি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সামুতে নিয়মিত হবো<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />। আমার জন্য দোয়া করবেন.........অনেকের সমসাময়িক লেখাগুলো পড়া হয়নি.....আস্তে আস্তে পড়ে শেষ করব ইনশআল্লাহ।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28976848 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28976848 2009-07-11 22:13:32 এমন দেশটি কোথাও খুজে পাবেনাকো তুমি, সকল দেশের রানী সে যে, আমার জন্মভুমি,,, আজ এই জন্মভূমিকে ছেড়ে যাচ্ছি আজানার... ব্লগের শ্রদ্ধেয় ভাইয়া আপু আপনাদেরকে বলছি, আজ ভোরে আরেকজন বাঙালী তার মা এবং মাতৃভূমিকে ছেড়ে অজানার দেশে পাড়ি জমাচ্ছে! সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।

ইদানিং এ ব্যাপারে ব্লগে খুব অনিয়মিত ছিলাম, আশা করি ওখানে গিয়ে আবার ব্লগে নিয়মিত হবো।

সবাইকে ধন্যবাদ...............!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28970074 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28970074 2009-06-26 23:53:48
আজ আমি, উত্তপ্ত দুপরে হেলিকপ্টারে?? করে ২৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছি<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />... হেলিকপ্টারে?<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> করে পাড়ি দিয়েছি! হেলিকপ্টার খানা দেখিতে বড়ই সৌন্দর্য বিশ্বাস না হয় ছবিতে দেখেন।

এটা হইলো হেলিকপ্টার নিয়ন্ত্রনকারী ফাইলটের সামনের অবস্থা এই খানের বিভিন্ন বুতাম টিপ্পা ও চাক্কা ঘুরাইয়া ফাইলট সাব হেলিকপ্টার খানা নিয়ন্ত্রন করে, যাহাতে কপ্টার খানা মনের আনন্দে খালের পানিতে ল্যান্ড না করে।


এই ছবির মামাই হইলো গিয়া হেলিকপ্টারের চৌকস ফাইলট তিনি তার সর্বাত্মক চেষ্টায় এমন একটা যন্ত্রদানবকে নিয়ন্ত্রন করে। (ফাইলট মামা দীর্ঘ ২১ বছর যাবৎ হেলিকপ্টার চালনায় পারদর্শী <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


দেখুন সম্পূর্ন শূর্নাবস্থায় থেকে হেলিকপ্টারের খোলা জানালা দিয়ে বাহিরে তাকালে......আমাদের গাছ-পালা, নদী-নালা, মাটি-মানুষ কি সুন্দর দেখায়


হেলিকপ্টারের নীচে দিয়ে পাকা রাখা হয় কি জন্যে.....ঠিক বুঝলাম না, তয় মনে হয় জরুরূ অবতরনের জন্য ভূমি পর্যবেক্ষনের কাজ সারানোর জন্যই এই পাকা ব্যবস্থা।


ফাইলট মামার চৌকসতায় হেলিকপ্টারটি যখন মেঘের খুব কাছাকাছি, তখন কিছু যাত্রী উত্তপ্ত দুপর বেলায়ও শীতানূভব করতেছিলেন এবং ঠান্ডাবহাওয়ায় শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


আজকের হেলিকপ্টার জার্নিটা সত্যিই উপভোগ্য.............<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28966023 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28966023 2009-06-17 22:06:56
~স্বপ্নজয়~, ভাই...... নাফিস ইফতেখার ভাই, সু-শান্ত ভাই, ইশতিয়াক ভাইসহ যারা পারবেন তাহারা... একটু দেখেন..... ! ভাইয়েরা..........দয়া কইরা একটু সাহায্য করুন...... আমি অনেকগুলো JPG ফরমেটের ইমেজ দিয়ে PDF ফাইল বানাইতে চাই.....আমি সবগুলো ইমেজকে আলাদা আলাদা PDF ফরমেট করছি কিন্তু সবগুলো ইমেজকে একত্রে একটি PDF ফাইল বানাইতে পারর্তেছিনা। আমার পিসিতে Adobe Photoshop & Adobe Illustrator সফটওয়্যার আছে........এখোন বলেন দেখি কিভাবে কি করুম?????????? দয়া কইরা বলেন ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28965666 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28965666 2009-06-17 01:59:53 সামু...............আবার জেগে উঠেছে.....বেবাক খুশ খবর <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> এই মুহুর্তে ১২১ ব্লগার... ১৫৫ ভিজিটর আমি আছি মাঝখানে<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />................আপনি আছেন কই???<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />



আপনি আছেন নিইইইইই?????]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28965417 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28965417 2009-06-16 16:08:24
দীর্ঘ ৫মাসেরও বেশী দিন পরে বাড়ী গেলাম..........মাকে দেখে আসলাম..... আর মোবাইলে কিছু ফুল, ফলের ছবি তুললাম<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" />
০২. ঘরের পাশে কাঠাল গাছ.........কাঠালও আছে।

০৩. নারিকেলের ছারা জন্মেছে......একদিন হয়তো নারিকেল ধরবে

০৪. ফুটবলের মতো জাম্বুরা....ছোট বেলায় জাম্বুরা দিয়ে কতো খেলেছি।
০৫. ঘরের সামনে পেঁপে গাছ।

০৬. মেহেদী পাতা গাছ, এ পাতাগুলোতে অনেক রং হয়।

০৭. এই গাছের পেয়ারা খুবই সুস্বাদু।

০৮. গাছে লেবু ধরেছে।

৮. আমাদের আনারস ফল.......কি সুন্দর

০৯. ফুল গাছে জাম্বুরা, থুক্কু জাম্বুরা গাছে ফুল.

১০. কছু পাতা

১১. জবা ফুল গাছে ফুটন্ত ফুল

১২. আমাদের ডীপ টিউবওয়েল।

১৩. তুলশী পাতা গাছ.....এর রস..কাশের ঔশধ হিসেবে উপকারী।

১৪.......এইটা কিসের..দেখি বলেনতো..

১৫. বলেনতো এইটা কিসের ছবি??

১৬ এই লঞ্চে করে আজ ঢাকায় রওনা দিলাম

১৭ এই নদী পাড়ি দিয়ে.......আসলাম শহরে

১৮. লঞ্চের ভিতরে সীটে বসে পিচ্ছির কান্ড দেখছি


আবার..............অনলাইনে আসলাম........আবার শুরু পোষ্ট পড়া।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28962826 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28962826 2009-06-10 19:50:44
ইসলামাবাদের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের খ্যাতাপুড়িX<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" />(<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /> পাকিজাত তোমাদের জ্ঞাতার্থে বলছি সম্পর্কের ঢেকুর তুলে লাভ নেই<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে বাংলাদেশের আপাময় জনগণ সহ সরকার সক্রিয় হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান সতর্ক করে বলেছেন, এ পক্রিয়া ঢাকা-ইসলামাবাদ সম্পর্ক শীতল করতে পারে.....!
পাকিস্তানের.......পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের এক চামচা বলেন যুদ্ধাপরাধীদের বিছার বিষয়ে বাংলাদেশের এমন কিছু করা উচিত নয়, যাতে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক শীতল হয়ে পড়ে।<img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />

আমি বাঙলার খোলা আকাশের নীচে দাঁড়িয়ে, মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নিয়ে চিৎকার করে পাকিস্তানের সেইসব পাকি চামচাদেরকে বলতে চাই হারামজাদা.......কুত্তারছাওয়াল.....যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকরণে যদি তোঁদের সাথে সম্পর্ক শীতল হয় তবে তাই হোক, এতে সম্পর্ক শীতল করে হলেও পাকি দালাল যুদ্ধাপরাধী নরপশুদেরকে বিচারের সম্মুক্ষিন করতে বাংলার আপাময় জনসাধারন সর্বস্ত প্রস্তুত!!!!........পাকি কুত্তা তোরা আরো শুইনা রাখ.........বাঙলার আপাময় জনসাধারন তোদের ইসলামাবাদের সাথে সম্পর্কে খ্যাতাপুড়ে।.......তাই বলছি এরকম সম্পর্কে ঢেকুর তুলে লাভ নেই তোঁদের দাললদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে ইনশআল্লাহ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28961528 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28961528 2009-06-07 23:35:42
গত ২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:০১-এ আহবানকৃত সামুর প্রোফাইলীয় সেরা ফটো নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশঃ সুধী.. ব্লগার মহোদয়/মহোদায়া আসছালামুআলাইকুম,গত ২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:০১-এ সামুর প্রোফাইলীয় সেরা ফটো নির্বাচনের আহবান জানাই.. Click This Link এতে ২০১ একজন ব্লগার এর প্রোফাইল ফটো দেওয়া হয়। সেরা ফটো নির্বাচনে আপনাদের সতস্ফূর্ত অংশগ্রহন সত্যিই দেখার মতো।...এজন্য আমি সম্মানিত সকল ব্লগারদের কাছে কৃতজ্ঞ। বিগত কয়েকদিন যাবৎ সেরা ফটো নির্বাচনের ফলাফল গননাপূর্বক আজ ব্লগে প্রকাশ করিলাম। তবে এ নির্বাচনে কেহই কোন ফটোই এককভাবে নির্বাচিত হয়নি। নিম্নে ভোটের ফলাফল দেওয়া হইলোঃ

সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে প্রথমস্থানে আছেন ৪ জন ব্লগারের প্রেফাইল ফটো।
১৩৪

৩৮

৫৮

১৭



নিম্নের ৭ জন ব্লগারের প্রোফাইল ফটোগুলো দ্বিতীয়স্থান অধীকার করেছে।
১৬

২২

৪৭

৭০

১৪৯

৭৮

৮২



নিম্নের ৭ জন ব্লগারের প্রোফাইল ফটোগুলো তৃতীয়স্থান অধীকার করেছে।
১৫

১৮

২১


৮৬

১৫৬

১১৯

৪৮



একক ভাবে নির্বাচনের জন্য উপরোক্ত ফটোগুলো থেকে পূনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।.........আর না হয় এভাবেই থাকতে পারে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28958162 http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanbest/28958162 2009-05-31 12:49:35