পুরো সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন : Click This Link
প্রধান বিরোধীদল বিএনপিসহ অনেকগুলো রাজনৈতিক দল রাতেও হরতাল ডাকায় বিপাকে পড়েছে মানুষ। অফিস-আদালত, স্কুলে-কলেজ বন্ধ থাকার পরও রাতের বেলাকে টানা হরতাল কর্মসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সর্বমহলে।
বিএনপি ও এর নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ঐক্যজোটসহ সমমনা দলগুলো হরতালের ডাক দিয়েছে ৬-৭ জুলাই টানা ৪৮ ঘন্টা। ৬ জুলাই ভোর ৬টায় শুরু হয়ে ৮ জুলাই ভোর ৬টা পর্যন্ত এ হরতাল পালন করবে তারা। ফলে পরপর দু’রাত অর্থাৎ ৬ ও ৭ জুলাই রাতের বেলাও হরতালের আওতায় পড়েছে। আবার ইসলামপন্থি ৬টিসহ ১২টি রাজনৈতিক দলের ৩০ ঘন্টার টানা হরতাল কর্মসূচি ১০ জুলাই ভোর ৬টায় শুরু হয়ে ১১ জুলাই বেলা ১২টা পর্যন্ত চলবে। এতে ১০ জুলাই রাতের বেলাও হরতালের আওতাভূক্ত হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের অভিমত, রাতে সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এবং সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এমনিতেই বন্ধ থাকে। যানবাহন চলাচলও অনেক সীমিত থাকে। ফলে রাতের বেলা হরতাল ডেকে কেউই তা থেকে রাজনৈতিকসহ কোনও রকমের সুবিধাই আদায় করতে পারে না।
অন্যদিকে বিয়ে-শাদি, জন্মদিনসহ মানুষের অন্য সামাজিক-পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলো সাধারণত রাতের বেলায় হয়ে থাকে। চলতি জুলাই মাসের যে ক’টি রাত হরতালের আওতায় পড়েছে- সে রাতগুলোতেও এ ধরনের অসংখ্য সামাজিক-পারিবারিক অনুষ্ঠানের সময়ক্ষণ আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে আছে। এ কারণে রাতে হরতাল ডাকায় পূর্বনির্ধারিত এসব অনুষ্ঠানের তারিখ পরিবর্তন করতে হতে পারে। প্রস্তুতি শেষ হয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেটি সম্ভব না হওয়ায় চরম বিপাকে পড়ে যেতে হবে সংশ্লিষ্টদের। আবার পরিবর্তন সম্ভব হলেও আর্থিক-মানসিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে অনেককেই। এছাড়া দিনভর অফিস-আদালতে ক্লান্ত-শ্রান্ত মানুষ যেখানে রাতের বেলা মার্কেটিং কিংবা বিনোদনের অন্য সুযোগগুলো নিতে চান- তারাও এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন হরতালের কারণে।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১১ ভোর ৬:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



