যুদ্ধাপরাধের ইসুটি পুরোনো এবং স্পর্শকাতর । যুদ্ধাপরধীদের বিচার হওয়া কেন জরুরী তা ইজ প্রতিষ্টিত এই বিষয়ে লিখে আপরাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করেত চাই না।
যুদ্ধাপরধী আসলে দুই শ্রেনীতে বিভক্ত :
১) পাকিস্তান সেনা বাহিনীর সদস্য
২) এই ভুখন্ডে বসবাসকারী রাজাকার, আলবদর, আল শামস.....
বর্তমানে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরধীদের বিচার বলতে দ্বিতীয় শ্রেনীভক্তদের বিচার হচ্ছে। এখানে একজনও পাকিস্তানী নাগরিক নেই । যারা এই শ্রনীর যুদ্ধাপরাধী তারাতো বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলাদেশের নাগরিকদের বিচার বাংলাদেশ কবে কিভাবে করবে সেটাতো নিতান্তই বাংলাদেশের বিষয়। এখানে পাকিস্তানের মাথা ব্যথার কারনটি আমার কাছে বোধগম্য হয়নি প্রথমে । উত্তর খুঁজতে গিয়ে শিরোনামের যথার্থতা খুজে পেলাম। আসলে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের অধিকাংশই জামাত। তাদের বিচার হলে এদেশে জামাত দূর্বল হয়ে যাবে তাই । জামাত তার মূল দেশ পাকিস্তানকে গোপনে সহায়তার আহবান জানিয়েছে। তাই পাকিস্তান আজ এতবড় কথা বলার সাহস পায় । "যুদ্ধাপরধীদের বিচার হলে দুদেশের সম্পর্ক শীতল হবে"
আমার কথা মিথ্যা হলে পাকিস্তানের মর্তমান ভূমিকার আপনাদের কাছে কোন যুক্তি সঙ্গত কারন আছে কি?
তাই আমি বিশ্বাস করি জামাত এখনও পাকিস্তানের দল তাই তাদের সার্থ রক্ষার জন্য পাকিস্তান প্রানপন(যা শেষে ব্যর্থতায় পযবিশত হবে) চেষ্টা করে যাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


