somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্র..................বা...............স...................থেকে ।

২৮ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মধ্যপ্রাচ্যের খাতুনদের নিয়ে কি লিখব, সে ভাষা খুজে পাচ্ছি না, তবু লিখতে বসলাম । আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে যখন জিয়া সরকার হ্মমতায় এসেছিল, তখন থেকে যাত্রা আমাদের দেশের এই খাতুনদের । যদিও কোন সরকারের এটাতে কোন দোষ নেই, কারণ আমরা গরীব, গরীব আমাদের সংসার দেশ ছোট কিন্তু জনসংখা অনেক বেশী, দেশের এই জনসংখাকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্যই হয়তো আমাদের দেশের সচেতন মহল এই মহৎ কাজের উদ্দোগ নেয় । কিন্তু আমাদের সেই মহৎ কাজ পরিণত হয় মহা ইজ্জত বাঁচানোর কাজে ।

শুরু থেকে আজ অবধি এই খাতুন যারা আছেন , তারা নির্যাতিত হয়েছেন দেশে এবং প্রবাসে ।
গত কিছু দিন আগেও খবরের কাগজে দেখলাম এক চেয়ার ম্যান তারই গ্রামের গরীব সংসারের মেয়েকে বিদেশ পাঠাবে বলে ঢাকায় এনে আটকে রেখে বেশ কয়েকদিন তার সম্ভ্রমহানি করার পর ধরা পরে । এই সমস্ত দালালদের এমন শিহ্মা দেয়া উচিৎ পরবর্তীতে যেন, নতুন করে আর কেউ এমন করতে সাহস না পায় ।

আর প্রবাসে যারা নির্যাতিত হচ্ছে তাদের অনেক গুলো দিক আছে । কয়েকটি বিষয় লিখব মাত্র ।
( ১ ) একজন মহিলা তার এক মাত্র সম্বল জমি জমা বিক্রি করে, এবং লাভের উপর টাকা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমায় এসে যখন দেখে তার বেতন ১৮ দিনার । তাতে সে কি করবে নিজে খাবে না দেশে পাঠাবে । এদিকে দেশে মা ,বাবার চাপ সুদের টাকা দিন দিন বেরেই চলছে । উপায় অন্তর না দেখে বের হয় কাজের সন্ধানে, তবে এখানে বাইরে কাজ করা নিষেদ । তার পর দু একজন নিজের সমস্যাকে সামলাতে না পেরে বাইরে কাজ করতে বাধ্য হয় । এই কাজের সন্ধান করতেই কারো কারো সাথে শখতা গড়ে উঠে এখান থেকেই রসের হাড়ি হাটে ভাঙ্গতে শুরু করে ।

(২) ছেলেরা এদিক সেদিক চুরি করে কাজ করে থাকে, কিংবা কোন কোন কোম্পানী ৪/৬ মাসের বেতন না দিলে তারা কোম্পানী ছেড়ে চলে যায় । কিন্তু মেয়েরা কি করবে যখন পেটে খাবার জোটেনা তখন পালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর উপায় থাকে না । বাধ্য হয়ে তারা আমাদের সমাজে যে কাজ ঘৃনিত তাই করছে ।

(৩) এখানে অনেক পরিবার আছে, যাদের বাসায় মুসলমান কাজের মেয়ে চাই ।কিন্তু এর সুফল ব্যবহার করছে ভারতীয় এবং শ্রীলংকান মেয়েরা পাসপোর্টে তাদের নাম রাখছে মুসলমানের নামের সাথে মিল রেখে যেমন বেশীর ভাগ হ্মেত্রে মরিয়ম,ফাতেমা,আয়শা ইত্যাদি । কিন্তু মুলে তারা মুসলমান নয় ,ধরুন একই বাসায় আমাদের দেশী এবং একজন ভারতীয় অথবা শ্রীলংকান আছে,ভারতীয় এবং শ্রীলংকান মেয়েটি ড্রাইভার, হাউসবয় আরও অন্যান্য সবার সাথেই বন্ধত্ব তৈরী করছে ।এক পর্যায় বিছানা পর্যন্ত গডায় কিন্তু তাদের বিবেকে বাধেনা তারপর এই মেয়েই আমাদের দেশের মেয়েটিকে ফুসলাতে থাকে ,তুই কেন বন্ধত্ব করিস না সে বলে এটা ঠিক না কারণ আমার স্বামী আছে কিংবা আমার বিবাহ হয় নাই ইত্যাদি ইত্যাদি । যখন আশে পাশের তারা সবাই এই কাজ করছে দেখতে দেখতে সেও এই দিকে চলে যায় ।

অবশেষে বলা যায় এখানে আমাদের দেশের কাজের মেয়ে বাসায় খুব কম অনেক ছাট কাট হওয়ার পরে যারা বাসায় আছেন তারা সুখে আছেন ।

আর যারা কোম্পানীতে আছেন তদের বিষয় হযতো পুর্বেই অবগত হয়েছেন । সব কিছুর মূলে রয়েছে আমাদের দেশের দালাল, তারা পরিবারে এসে মিথ্যা কথা বলে থাকে যেমন আপনার মেয়েকে বিদেশ পাঠায়ে দেন, সেখানে মাদ্রাসা কিংবা হাসপাতালে চাকুরী করবে , ৮ ঘন্টা ডিউটি পারটাইম করতে পারবে প্রতি মাসে আপনার মেয়ে ৩০ হাজার টাকা কামাতে পারবে ইত্যাদি ইত্যাদি এই সব ফাঁকি বাজিতে কান না দিয়ে নিজের সর্বস্ব হারাবেন না ।


সবার কাছেই অনুরোধ রইল ।

কবিতার নাম প্রবাসীদের জীবন

-রেডসিগনাল

সংসারটাকে সুখ দিব বলে, চলে এলাম বিদেশ
এখন আমি নিজেকে বাঁচাতে সব করেছি শেষ ।
মা লিখে মোরে কেমন আছ মারে ?
কত যে সুখে আছি কেমনে বলি তারে ।
মাসের শেষে ফোন আসে টাকা চাই টাকা,
জীবন যুদ্ধে আমার, সব কিছু ফাঁকা ।
দিনার কামাতে দেহের সব করেছি শেষ,
বাবা বলে এই মাসে টাকা দিয়েছ বেশ ।
বিরহের গান শুনে একা একা কাদিঁ,
শেষে মোর জীবনের কেউ নাই সাথী ।
মানুষ না হয়ে যেন শঙ্খ চিলের বেশে,
আবার যেন জন্ম হয় এই পৃথিবীতে ।।







সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×