আমার প্রিয় পোস্ট

এসো বেপরোয়া সময়ের হাতে হাতকড়া পড়িয়ে নির্বাসনে পাঠাই , এসো কষ্টবারুদে বারুদ ঘষে ভালবাসার আগুন জ্বালাই

রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি, "ত্রিভুজীয়" মানসিকতা ও কিছু কথা

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

ত্রিভুজ, প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই "রবীন্দ্রসঙ্গীতকে কেউ যদি নিজের নামে চালাতে চায়.. তাও নিজের সম্পত্তি দাবী করে?" পোষ্টটি দেবার জন্য কারণ এখানে চমত্কার সব তথ্যমূলক মন্তব্যগুলো আসার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে যা অনেককেই রবীন্দ্রনাথ এবং তাঁর সৃষ্টির কিছু গোড়ার কথা জানার ব্যাপারে সাহায্য করেছে। আপনি যে গানগুলি এবং তাদের মূল ইংরেজী সোর্সগুলি দিয়ে আপনার পোষ্টটিতে বাহাবা কুড়াতে চেয়েছেন তা যে আদতেই গুড়ে বালি তা কি আপনি জানেন? বাংলাদেশ টেলিভিশনে অনেক আগে "গীতাঞ্জলি" নামক নিয়মিত একটি অনুষ্ঠান প্রচার করা হত যার উপস্থাপক ছিলেন রবীন্দ্র গবেষক ও শিল্পী সানজিদা খাতুন। এ অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন ধাচের (যেমন পুজা, প্রেম ইত্যাদি পর্যায়) গানের উপর আলাদা করে বিষয়ভিত্তিক আলোচলা ও সঙ্গীত পরিবেশন করা হত। এমনি একটি পর্ব ছিল "খেলা ভঙ্গার খেলা" যে পর্বটি মূলত করা হয়েছিল রবীন্দ্রনাথ যেসব গান ভেঙ্গে গান করেছিলেন তার উপর। এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রথিতযশা কিছু রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মূল ইংরেজী গানগুলি প্রথমে এবং তারপরে রবীন্দ্রনাথের করা গানগুলি করেছিলেনন। একই রকম বিষয়ভিত্তিক রবীন্দ্র সঙ্গীতের উপর আরও একটি নিয়মিত অনুষ্ঠান "আনন্দধারা" পরবর্তী কালে করেছিলেন আরেকজন খ্যাতিমান রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী তপন মাহমুদ। এ অনুষ্ঠানেরও একটি পর্বে একই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সঙ্গীত পরিবেশিত হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ যে সময়ে গানগুলো করেছিলেন সে সময়ে ভারতবর্ষের সম্ভ্রান্ত শ্রেনীর সঙ্গীত শ্রোতারাও তত্কালীন বহুশ্রুত ইংরেজী গানগুলোর সাথে পরিচিত ছিলেন। কাজেই রবীন্দ্রনাথের এই সমস্ত গানের ধূন ভেঙ্গে গান করাটা চুরি করে পাড় পেয়ে যাবার মত কোন বিষয়ই ছিলনা। বরং তিনি যা করেছেন তা হলো ট্র্যাডিশনাল Waltz বিটে করা কিছু গানকে উপমহাদেশীয় দাদরা তালে অথবা চার-চার মাত্রায় করা "Aulde Lang Syne" গানটিকে তিন-তিন মাত্রায় ভেঙ্গে বাংলা বাণী সহকারে একটা উপমহাদেশীয় সঙ্গীত রুপ দান করেছেন। বিষয়টা যে অনেকেরই অপছন্দ হয়নি তা নয়। সে সময়েও অনেকেই আপনার মত হই-হই করে উঠেছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে সঙ্গীতজ্ঞ ও শ্রোতারা এ বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ যে গানগুলোর উপর ভিত্তি করে গান করেছিলেন সেগুলো ছিল সাধারন ফোক গান (স্কটিশ ও আমেরিকান) যা অনেক শিল্পীই বিভিন্ন সময়ে গেয়েছিলেন, রেকর্ড করেছিলেন - যা অনেকটা আমাদের পল্লী গীতির (যেমন "লোকে বলে ঘর বাড়ি ভাল না আমার")মত নির্দিষ্টভাবে কারো জন্যে কপিরাইট প্রটেকটেড না। আমি রাগিব সাহেবের সাথে পুরোপুরি একমত যে কপিরাইটটি আসলে ছিল স্বরলিপিকারের। আর "Drink to me" গানটি মূলত একটি আমেরিকান ফোক গান। গানটি মোৎজার্টের সুর করা-আপনার দেয়া এই তথ্যটি ঠিক নয়। The origin of the tune is not known. It does not appear earlier than around 1770. The words are Ben Johnson's poem, "To Celia," written in 1616. According to the Oxford Companion to Music, the tune cannot be traced back beyond about 1770.

Best Loved Songs of the American People states the tune is sometimes attributed to Mozart, but that there is no verification of the fact. Sir Walter Scott used the tune for a song County Guy.

The tune has also been credited to Colonel Mellish. However, that is unlikely as he is believed to have been born in 1777. Grattan Flood asserted that he had seen an edition of the song dating from about 1803 with Henry Herrington of Bath (1727-1816). তথ্য সূত্র
একটি বিষয় আমার বোধগম্য হচ্ছেনা আপনার আসল উদ্দেশ্যটা কি! রবীন্দ্রনাথকে খাটো করা? না তাঁর সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দিয়ে তাঁকে আরও বেশি জানতে সাহায্য করা? যদি দ্বিতিয়টি আপনার উদ্দেশ্য হয় তো আগেই বলে রাখি উদ্যোগটি নতুন কিছু নয় যদিও তারপরও ভাল (কারন বাজারে স্বাগতালক্ষ্মীর গাওয়া একটি এ্যালবাম পাওয়া যায় যেখানে আপনার উল্লেখিত গানগুলোর মূল এবং রাবিন্দ্রীক ভার্শন দু'টোই পাশাপাশি গাওয়া হয়েছে)। আর যদি আপনার উদ্দেশ্য হয় প্রথমটি তাহলে বলব, আপনার মত চুনোপুটিরা রবীন্দ্রনাথকে স্মার্ট চোর ভাবল কি আর কিছু ভাবল তাতে তাঁর মত সৃষ্টিশীল একজনের কিছুই যায় আসেনা, যায় আসেনা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির অপরিসীম ক্ষমতায় মুগ্ধ লক্ষ-কোটি বাঙ্গালীর। (এখানে উল্লেখ করতে চাই যে রবীন্দ্র সমসাময়িক অনেকেই পাশ্চাত্যের সুরের ছায়া অবলম্বনে গান করেছিলেন, যেমন- দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের "ধন ধান্য পুষ্পে ভরা" গানটি। ও ভাল কথা, এখন আবার ডি এল রায়কে নিয়ে মেতে উঠবেন না তো?)
দ্রষ্টব্য: এই লেখাটি উল্লেখিত পোষ্টের মন্তব্য (কিছু প্রিন্টিং মিসটেইক সহ) হিসেবে লেখা হয়েছিল। অনেকেরই চোখে আমার এ মন্তব্যটি এড়িয়ে যেতে পারে।

 

 

  • ৫৮ টি মন্তব্য
  • ৬২৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৭ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৩
comment by: মুকুল বলেছেন: *****
২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩২
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: ইসলাম গ্রুপের লোকজনের কাছে রবীন্দ্রনাথ অস্বস্তির কারন।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: সেটাই কি তহলে মূল বিষয়?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: "তাহলে" হবে

৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩২
comment by: রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: শুভেচ্ছা মুকুল।
৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
comment by: সালিশদার বলেছেন: হো হি হা হে

চতুষ্কোনীয় হাসি
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: হাসলেও যদি এদের একটু বোধোদয় হয়!!!!

৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪০
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: অনেকেই দুটিকে আলাদা করেন।ধর্ম আর পাকিস্তানপ্রীতি। আমি মনে করি রশুনের গোড়া একখানে। রবীন্দ্রনাথ বাঙালী'র শ্রদ্ধার পাত্র, পাকিস্তান পন্থীরা আবার বাঙালী সংস্কৃতির উপাদানগুলি পছন্দ করেনা। সুতরাং রাজাকারী মানসিকতার লোকজন রবীন্দ্রনাথের ছিদ্রান্বেষন করবে এটাই স্বাভাবিক।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: মূল বিষয়টি যদি এই হয় তাহলে আমাদের সংস্কৃতি তো একদিন ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়ে যাবে।

৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪০
comment by: শান্তির দেবদূত বলেছেন: লাভ নাই, লাভ নাই :( শুধুই পন্ডশ্রম করলেন ভাই ।

আমার খালি কাহিনী মনে পইরা যায় :)

ছোটবেলায় দেখতাম আম্মু এতটুকু চাল দিতো আর পাতিল ভরে ভাত হতো, আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকতোনা এই ব্যাপারটা। আমি ভাবতাম, মনে হয় চালগুলো বাচ্চা ফুটায় তাই পাতিল ভরে ভাত হয়।

একদিন, আব্বু আমাকে বুঝিয়ে বললো, "আসলে, চাল সিদ্ধ হয়ে আয়তনে ৩/৪ গুন ব্ড় হয় তাই পাতিল ভরে যায়, বুঝেছ ?"

আমি বলতাম, বুঝেছি।

একটু পরেই আম্মুকে গিয়ে আবার বলতাম, "কিভাবে এত অল্প চালের ভাতে পাতিল ভরে উঠে ? :P"

আম্মু আবার আব্বুকে ঢাকতো। আব্বু আমাকে আবার বুঝাতো, আমি আবার বুঝতাম , আবার আম্মুকে গিয়ে একই প্রশ্ন করতাম।

এখন দেখতেছি, শুধু বাচ্চারাই না , কিছু বুড়া বাচ্চারাও এমন আচরন করে।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: দারুন বলেছেল। তবে বুড়া বাচ্চার স্থলে হবে জ্ঞানপাপী।

৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
comment by: নাভদ বলেছেন: +
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাভদ।

৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
comment by: এস্কিমো বলেছেন: পূর্ব পাকিস্থানের উজিরে আলা মোনায়েম খান বলেছিলো - আপনারা নিজেরা রবীন্দ্র সংগীত লিখতে পারেন না ............


২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: এই হলো এদের জ্ঞানের হাল!!!!

৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫১
comment by: রাশেদ বলেছেন: হায় হায়! টাড় বোগোল বাজানো বন্ধ করে দিলেন দেখি!!

পোস্টের জন্য থ্যাঙ্কস।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

১০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০২
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আিরফুর রহমান বলেছেন: অনেকেই দুটিকে আলাদা করেন।ধর্ম আর পাকিস্তানপ্রীতি। আমি মনে করি রশুনের গোড়া একখানে। রবীন্দ্রনাথ বাঙালী'র শ্রদ্ধার পাত্র, পাকিস্তান পন্থীরা আবার বাঙালী সংস্কৃতির উপাদানগুলি পছন্দ করেনা। সুতরাং রাজাকারী মানসিকতার লোকজন রবীন্দ্রনাথের ছিদ্রান্বেষন করবে এটাই স্বাভাবিক।

হ, এটাই মূল কারন।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: "এদের জ্ঞান দাও প্রভু, এদের ক্ষমা কর"।

১১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৪
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ত্রিভুজরে একটা ধন্যবাদ দিতেই হয় দেখতেছি। নইলে আপনার এই পোস্ট আর রাগিব ভাইয়ের তথ্যপূর্ণ মন্তব্য পেতাম না। অনেক ধন্যবাদ। আশা করি এইবার রবীন্দ্রনাথ নিয়ে ত্রিভুজের ফালতু প্রোপাগান্ডা বন্ধ হবে।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই তা-ই প্রত্যাশা করি। ধন্যবাদ আপনাকেও।

১২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৫
comment by: মামু বলেছেন: আমি একটা এ্যালবাম বাইর করমু.....
আমার এ্যালবামের নাম হইব "মামুন্দ্র" সংঙ্গীত।

এইটা শুধু মাত্র রবি টাকুরের সিলেক্টেড গান দিয়া সাজামু....

আশাকরি কারো কুনু অভিযুগ তাকব না, কারন রবিটাকুরের কপিরাইট আইনে তামাদি হইয়া গেচে....

তারপর বাইর করমু "নরজুল সংঙ্গিত".... ওইটাও কপিরাইটে তামাদি হইয়া গেচে....

-------------------------------------------------------------------
আসুন সবাই তামিদি হইয়া যাওয়া, গান গুলি নিজের নামে নতুন কইরা বাইর করি।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: কপিরাইট আইন বলেনা যে লেখকের বা কম্পোজারের মৃত্যুর ১০০ বছর (বৃটেনে ৭৫ বছর) পরে যে কেউ তার লেখা গান, কবিতা বা উপন্যাস নিজের নামে চালাতে পারবে। বরং লেখার ক্ষেত্রে পূণঃমুদ্রন, গানের ক্ষেত্রে পুণরায় রেকর্ড এবং ছায়াছবির ক্ষেত্রে পূণঃনির্মান করতে পারবেন। রবীন্দ্রনাথের গান হাজার জন গেয়ে রেকর্ড করলেও তা রবীন্দ্র সঙ্গীতই থাকবে - মামুন্দ্র সঙ্গীত হবার কোন চান্সই নেই।

১৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৯
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: ইসলামে গান বাজনা হারাম।

হজরত ওসমান জীবনে গান গায়নি, এ নিয়ে তার গর্ব ছিল।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন।

১৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: এটা তাদের অতি প্রাচীণ স্বাভাব -- তা আমাদের অজানা নয়,
তাতে কি --- লিখুক না রবী ঠাকুরের মত করে একটা লাইন,
দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ--- এক জন বাঙালী হিসেব নজরুল, রবীন্দ্রনাথ আমাদের সংস্কৃতির বাইরে নন।
এসব হীন মানসীকতার অধীকারীরা আর যাই হউক বাঙালী হতে পারেন না।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: সমস্যা হচ্ছে গিয়ে এরা বাঙ্গালী!!!!!!!

১৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৫
comment by: মোহাম্মদ বলেছেন: তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। +
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: ++++
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৩
comment by: মিরাজ বলেছেন: আশা করি ত্রিভুজ এবার তার দাবির অন্তসারশুন্যতা বুঝতে পারবেন ।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: তাই যেন হয় মিরাজ ভাই।

১৮. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৬
comment by: হাসিব বলেছেন: পাঠামস্তিস্কের জন্য দারুন কষ্ট করলেন । কিন্তু সব পন্ডশ্রম ।

আলোচনা ভালো হয়েছে । ভিত্তি মজবুত অনেক এ আলোচনার ।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: একটা ব্যাপার কি জানেন? দু'ধরনের মানুষকে বোঝানো খুবই মুশকিল- খুবই বেকুব এবং খুবই মেধাবী অথচ পক্ষপাতদুষ্ট। ত্রিভুজের কম্পিউটার বিষয়ক লেখাগুলো পড়লে আপনিও আমার মত বাধ্য হবেন তার মেধা আছে এ কথাটা মেনে নিতে। কিন্তু সে মেধার কি হাল করে রেখেছে তাও তো দেখতেই পাচ্ছেন।

১৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫০
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


+

আমি অবশ্য ওখানে বলেছিলাম তবু রবীন্দ্রনাথকে ভালোবাসতে হয়। বড় মাপের শিল্পী।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: এ ব্যাপারে দ্বিমত থাকতে পারে কেবল অন্ধ বিরুদ্ধাচরণকারীদের। ধন্যবাদ আপনাকে।

২০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৪
comment by: মেন্টাল বলেছেন: সালুয়ার ভাইয়ের সময়ুচিত কমেন্টে পেলাচ
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: হুমম্।

২১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২১
comment by: হাসিব বলেছেন: ত্রিভুজের একবার শেল এ্যাকাউন্ট (কম্পিউটার বিষয়ক) নিয়া পোস্ট দিছিলো । পুরা বাংলাদেশে সেদিন মৃদু ভূমিকম্প হয়েছিলো । কারন কিছু না । হাসতে হাসতে অনেক লোক চেয়ার থেকে একই সাথে পড়ে গিয়েছিলো । তার বিদ্যার দৌড় সেদিনই বোঝা গেছে ।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: এ লেখাটি আমার চোখে পড়েনি। খুব ইচ্ছে হছে একবার আন্ততঃ চোখ বুলিয়ে নিই। লিংকটা দেয়া যায় কি?

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: "অন্ততঃ" হবে।

২২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৯
comment by: হাসিব বলেছেন: লিঙক খুজতে ইচ্ছা করছে না । ধৈর্য নেই ।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: কোন সমস্যা নেই। আমিই এক সময় খুঁজে নেব - যদি লেখাটা মুছে ফেলা না হয়ে থাকে।

২৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৯
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন।
'অল্প বিদ্যা ভয়ংকর' কথাটা মনে পড়ে গেল।:)
এসব মানুষদের বুঝাতে যাওয়া মানে পন্ডশ্রম করা।
কলাগাছের সাথে কথা বলার মতই , তবে এই পোষ্টটা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম।
তাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লিখতে থাকুন।
ভালো থাকুন।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। আমি কিন্তু মোটেই পন্ডশ্রম মনে করছিনা। আমার বিশ্বাস আঁধারের বিরুদ্ধে লড়াই করে একদিন ঠিকই আলো জ্বালানো সম্ভব।

২৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৪১
comment by: অমিত বলেছেন: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

অনেক কাজ তো করেছেন।
বড়লোকের চুরি মাফ কইরা দেওন যায়!


সারোয়ার, ঐ পোস্টে তোমার ভাষা ছিলা এইটা। তুমি তো দেখি পোস্ট দেইখা খোলস পালটাও। গিরগিটি কোথাকার।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমুঢ়!!!!!!!

২৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:১৪
comment by: স্করপিয়ন্স বলেছেন:
ধন্যবাদ
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্করপিয়ন্স।

২৬. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৪
comment by: কাজ করে খাই বলেছেন: ভালো লিখেছেন। ধন্যবাদ।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

২৭. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩২
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ভালো লেগেছে।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ উম্মু আবদুল্লাহ।

২৮. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৭
comment by: ওমিক্রনল্যাব বলেছেন: এইরকম কিছু শুনতে চাচ্ছিলাম। পরিশ্রমের জন্য অনেক ধন্যবাদ এবং সানন্দে +
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: ওমিক্রনল্যাব, পাশে থাকবার জন্য ধন্যবাদ।

২৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৮
comment by: রাতুল" বলেছেন: দারুন পোস্ট। রেফারেন্স হিসেবে ২ পক্ষের পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম। ধন্যবাদ আপনাকে সত্যিটা জানতে দেবার জন্য।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাতুল। অনেক শুভেচ্ছা।

 



 


দলছুট এক ইউক্যালিপটাস
ছালহীন দেহে মাখে কুয়াশার হিম
নিঃসঙ্গ বেদনায়।
পাতা ঝরার আর্তনাদে
ভেঙ্গে খান খান নিরবতা।
ক্যানভাসের বিমূর্ত ছবির মত
এলোমেলো আমার অনুভূতিগুলো...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৫৩৩৭