আমার প্রিয় পোস্ট
- ইস্নাইপস, ইউটিউব ডাউনলোডের উপায় - রন্টি চৌধুরী
- কম্পিউটার নিরাপত্তার পাঠ - Encryption বা তথ্যগুপ্তিকরণ (২) - রাগিব
- কম্পিউটার নিরাপত্তার পাঠ - Encryption বা তথ্যগুপ্তিকরণ (১) - রাগিব
- পেনড্রাইভের ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় - লংকার রাজা
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (১ম দিন) - মদন
- প্রয়োজনীয় ১০০+ Run Command - লুলুপাগলা
- ইয়াহু ম্যসেন্জার এর ছোট্ট মজা!.... - আমি............
- পঁচা কাহিনী (আব্জাব) - (অ)গাণিতিক
- রহস্য সাহিত্যের ক্যাপ্টেন- কাজী আনোয়ার হোসেন - নিশাত
- আয় করুন Google Adsense এর মাধ্যমে - গাজী মো: সাইফুল ইসলাম
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
- ওয়েব সার্চ টিপস: গুগুলে ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান? - ত্রিভুজ
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- তৈরি করুন কন্ট্রোল প্যানেল - মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- যেভাবে ভিডিও থেকে অডিও কনভার্ট করবেন - শাওন
- '৭১ এর বুড়ি : সাধারণ কিছু মানুষের গল্প - ফারহান দাউদ
- জামাতের নির্বাচন কৌশল ও তাদের এমপিদের দুর্নীতি - ০১ - রাশেদ
এসো বেপরোয়া সময়ের হাতে হাতকড়া পড়িয়ে নির্বাসনে পাঠাই , এসো কষ্টবারুদে বারুদ ঘষে ভালবাসার আগুন জ্বালাই

রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি, "ত্রিভুজীয়" মানসিকতা ও কিছু কথা
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৭
ত্রিভুজ, প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই "রবীন্দ্রসঙ্গীতকে কেউ যদি নিজের নামে চালাতে চায়.. তাও নিজের সম্পত্তি দাবী করে?" পোষ্টটি দেবার জন্য কারণ এখানে চমত্কার সব তথ্যমূলক মন্তব্যগুলো আসার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে যা অনেককেই রবীন্দ্রনাথ এবং তাঁর সৃষ্টির কিছু গোড়ার কথা জানার ব্যাপারে সাহায্য করেছে। আপনি যে গানগুলি এবং তাদের মূল ইংরেজী সোর্সগুলি দিয়ে আপনার পোষ্টটিতে বাহাবা কুড়াতে চেয়েছেন তা যে আদতেই গুড়ে বালি তা কি আপনি জানেন? বাংলাদেশ টেলিভিশনে অনেক আগে "গীতাঞ্জলি" নামক নিয়মিত একটি অনুষ্ঠান প্রচার করা হত যার উপস্থাপক ছিলেন রবীন্দ্র গবেষক ও শিল্পী সানজিদা খাতুন। এ অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন ধাচের (যেমন পুজা, প্রেম ইত্যাদি পর্যায়) গানের উপর আলাদা করে বিষয়ভিত্তিক আলোচলা ও সঙ্গীত পরিবেশন করা হত। এমনি একটি পর্ব ছিল "খেলা ভঙ্গার খেলা" যে পর্বটি মূলত করা হয়েছিল রবীন্দ্রনাথ যেসব গান ভেঙ্গে গান করেছিলেন তার উপর। এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রথিতযশা কিছু রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মূল ইংরেজী গানগুলি প্রথমে এবং তারপরে রবীন্দ্রনাথের করা গানগুলি করেছিলেনন। একই রকম বিষয়ভিত্তিক রবীন্দ্র সঙ্গীতের উপর আরও একটি নিয়মিত অনুষ্ঠান "আনন্দধারা" পরবর্তী কালে করেছিলেন আরেকজন খ্যাতিমান রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী তপন মাহমুদ। এ অনুষ্ঠানেরও একটি পর্বে একই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সঙ্গীত পরিবেশিত হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ যে সময়ে গানগুলো করেছিলেন সে সময়ে ভারতবর্ষের সম্ভ্রান্ত শ্রেনীর সঙ্গীত শ্রোতারাও তত্কালীন বহুশ্রুত ইংরেজী গানগুলোর সাথে পরিচিত ছিলেন। কাজেই রবীন্দ্রনাথের এই সমস্ত গানের ধূন ভেঙ্গে গান করাটা চুরি করে পাড় পেয়ে যাবার মত কোন বিষয়ই ছিলনা। বরং তিনি যা করেছেন তা হলো ট্র্যাডিশনাল Waltz বিটে করা কিছু গানকে উপমহাদেশীয় দাদরা তালে অথবা চার-চার মাত্রায় করা "Aulde Lang Syne" গানটিকে তিন-তিন মাত্রায় ভেঙ্গে বাংলা বাণী সহকারে একটা উপমহাদেশীয় সঙ্গীত রুপ দান করেছেন। বিষয়টা যে অনেকেরই অপছন্দ হয়নি তা নয়। সে সময়েও অনেকেই আপনার মত হই-হই করে উঠেছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে সঙ্গীতজ্ঞ ও শ্রোতারা এ বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ যে গানগুলোর উপর ভিত্তি করে গান করেছিলেন সেগুলো ছিল সাধারন ফোক গান (স্কটিশ ও আমেরিকান) যা অনেক শিল্পীই বিভিন্ন সময়ে গেয়েছিলেন, রেকর্ড করেছিলেন - যা অনেকটা আমাদের পল্লী গীতির (যেমন "লোকে বলে ঘর বাড়ি ভাল না আমার")মত নির্দিষ্টভাবে কারো জন্যে কপিরাইট প্রটেকটেড না। আমি রাগিব সাহেবের সাথে পুরোপুরি একমত যে কপিরাইটটি আসলে ছিল স্বরলিপিকারের। আর "Drink to me" গানটি মূলত একটি আমেরিকান ফোক গান। গানটি মোৎজার্টের সুর করা-আপনার দেয়া এই তথ্যটি ঠিক নয়। The origin of the tune is not known. It does not appear earlier than around 1770. The words are Ben Johnson's poem, "To Celia," written in 1616. According to the Oxford Companion to Music, the tune cannot be traced back beyond about 1770.
Best Loved Songs of the American People states the tune is sometimes attributed to Mozart, but that there is no verification of the fact. Sir Walter Scott used the tune for a song County Guy.
The tune has also been credited to Colonel Mellish. However, that is unlikely as he is believed to have been born in 1777. Grattan Flood asserted that he had seen an edition of the song dating from about 1803 with Henry Herrington of Bath (1727-1816). তথ্য সূত্র
একটি বিষয় আমার বোধগম্য হচ্ছেনা আপনার আসল উদ্দেশ্যটা কি! রবীন্দ্রনাথকে খাটো করা? না তাঁর সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দিয়ে তাঁকে আরও বেশি জানতে সাহায্য করা? যদি দ্বিতিয়টি আপনার উদ্দেশ্য হয় তো আগেই বলে রাখি উদ্যোগটি নতুন কিছু নয় যদিও তারপরও ভাল (কারন বাজারে স্বাগতালক্ষ্মীর গাওয়া একটি এ্যালবাম পাওয়া যায় যেখানে আপনার উল্লেখিত গানগুলোর মূল এবং রাবিন্দ্রীক ভার্শন দু'টোই পাশাপাশি গাওয়া হয়েছে)। আর যদি আপনার উদ্দেশ্য হয় প্রথমটি তাহলে বলব, আপনার মত চুনোপুটিরা রবীন্দ্রনাথকে স্মার্ট চোর ভাবল কি আর কিছু ভাবল তাতে তাঁর মত সৃষ্টিশীল একজনের কিছুই যায় আসেনা, যায় আসেনা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির অপরিসীম ক্ষমতায় মুগ্ধ লক্ষ-কোটি বাঙ্গালীর। (এখানে উল্লেখ করতে চাই যে রবীন্দ্র সমসাময়িক অনেকেই পাশ্চাত্যের সুরের ছায়া অবলম্বনে গান করেছিলেন, যেমন- দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের "ধন ধান্য পুষ্পে ভরা" গানটি। ও ভাল কথা, এখন আবার ডি এল রায়কে নিয়ে মেতে উঠবেন না তো?)
দ্রষ্টব্য: এই লেখাটি উল্লেখিত পোষ্টের মন্তব্য (কিছু প্রিন্টিং মিসটেইক সহ) হিসেবে লেখা হয়েছিল। অনেকেরই চোখে আমার এ মন্তব্যটি এড়িয়ে যেতে পারে।
মুকুল বলেছেন:
*****
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ইসলাম গ্রুপের লোকজনের কাছে রবীন্দ্রনাথ অস্বস্তির কারন।
লেখক বলেছেন: সেটাই কি তহলে মূল বিষয়?
লেখক বলেছেন: "তাহলে" হবে
রোদ্দূর মিছিল বলেছেন:
শুভেচ্ছা মুকুল।
লেখক বলেছেন: হাসলেও যদি এদের একটু বোধোদয় হয়!!!!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
অনেকেই দুটিকে আলাদা করেন।ধর্ম আর পাকিস্তানপ্রীতি। আমি মনে করি রশুনের গোড়া একখানে। রবীন্দ্রনাথ বাঙালী'র শ্রদ্ধার পাত্র, পাকিস্তান পন্থীরা আবার বাঙালী সংস্কৃতির উপাদানগুলি পছন্দ করেনা। সুতরাং রাজাকারী মানসিকতার লোকজন রবীন্দ্রনাথের ছিদ্রান্বেষন করবে এটাই স্বাভাবিক।
লেখক বলেছেন: মূল বিষয়টি যদি এই হয় তাহলে আমাদের সংস্কৃতি তো একদিন ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়ে যাবে।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
লাভ নাই, লাভ নাই আমার খালি কাহিনী মনে পইরা যায়
ছোটবেলায় দেখতাম আম্মু এতটুকু চাল দিতো আর পাতিল ভরে ভাত হতো, আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকতোনা এই ব্যাপারটা। আমি ভাবতাম, মনে হয় চালগুলো বাচ্চা ফুটায় তাই পাতিল ভরে ভাত হয়।
একদিন, আব্বু আমাকে বুঝিয়ে বললো, "আসলে, চাল সিদ্ধ হয়ে আয়তনে ৩/৪ গুন ব্ড় হয় তাই পাতিল ভরে যায়, বুঝেছ ?"
আমি বলতাম, বুঝেছি।
একটু পরেই আম্মুকে গিয়ে আবার বলতাম, "কিভাবে এত অল্প চালের ভাতে পাতিল ভরে উঠে ?
আম্মু আবার আব্বুকে ঢাকতো। আব্বু আমাকে আবার বুঝাতো, আমি আবার বুঝতাম , আবার আম্মুকে গিয়ে একই প্রশ্ন করতাম।
এখন দেখতেছি, শুধু বাচ্চারাই না , কিছু বুড়া বাচ্চারাও এমন আচরন করে।
লেখক বলেছেন: দারুন বলেছেল। তবে বুড়া বাচ্চার স্থলে হবে জ্ঞানপাপী।
নাভদ বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাভদ।
এস্কিমো বলেছেন:
পূর্ব পাকিস্থানের উজিরে আলা মোনায়েম খান বলেছিলো - আপনারা নিজেরা রবীন্দ্র সংগীত লিখতে পারেন না ............লেখক বলেছেন: এই হলো এদের জ্ঞানের হাল!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আিরফুর রহমান বলেছেন: অনেকেই দুটিকে আলাদা করেন।ধর্ম আর পাকিস্তানপ্রীতি। আমি মনে করি রশুনের গোড়া একখানে। রবীন্দ্রনাথ বাঙালী'র শ্রদ্ধার পাত্র, পাকিস্তান পন্থীরা আবার বাঙালী সংস্কৃতির উপাদানগুলি পছন্দ করেনা। সুতরাং রাজাকারী মানসিকতার লোকজন রবীন্দ্রনাথের ছিদ্রান্বেষন করবে এটাই স্বাভাবিক।হ, এটাই মূল কারন।
লেখক বলেছেন: "এদের জ্ঞান দাও প্রভু, এদের ক্ষমা কর"।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ত্রিভুজরে একটা ধন্যবাদ দিতেই হয় দেখতেছি। নইলে আপনার এই পোস্ট আর রাগিব ভাইয়ের তথ্যপূর্ণ মন্তব্য পেতাম না। অনেক ধন্যবাদ। আশা করি এইবার রবীন্দ্রনাথ নিয়ে ত্রিভুজের ফালতু প্রোপাগান্ডা বন্ধ হবে।
লেখক বলেছেন: আমরা সবাই তা-ই প্রত্যাশা করি। ধন্যবাদ আপনাকেও।
মামু বলেছেন:
আমি একটা এ্যালবাম বাইর করমু..... আমার এ্যালবামের নাম হইব "মামুন্দ্র" সংঙ্গীত।
এইটা শুধু মাত্র রবি টাকুরের সিলেক্টেড গান দিয়া সাজামু....
আশাকরি কারো কুনু অভিযুগ তাকব না, কারন রবিটাকুরের কপিরাইট আইনে তামাদি হইয়া গেচে....
তারপর বাইর করমু "নরজুল সংঙ্গিত".... ওইটাও কপিরাইটে তামাদি হইয়া গেচে....
-------------------------------------------------------------------
আসুন সবাই তামিদি হইয়া যাওয়া, গান গুলি নিজের নামে নতুন কইরা বাইর করি।
লেখক বলেছেন: কপিরাইট আইন বলেনা যে লেখকের বা কম্পোজারের মৃত্যুর ১০০ বছর (বৃটেনে ৭৫ বছর) পরে যে কেউ তার লেখা গান, কবিতা বা উপন্যাস নিজের নামে চালাতে পারবে। বরং লেখার ক্ষেত্রে পূণঃমুদ্রন, গানের ক্ষেত্রে পুণরায় রেকর্ড এবং ছায়াছবির ক্ষেত্রে পূণঃনির্মান করতে পারবেন। রবীন্দ্রনাথের গান হাজার জন গেয়ে রেকর্ড করলেও তা রবীন্দ্র সঙ্গীতই থাকবে - মামুন্দ্র সঙ্গীত হবার কোন চান্সই নেই।
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন।
রুবেল শাহ বলেছেন:
এটা তাদের অতি প্রাচীণ স্বাভাব -- তা আমাদের অজানা নয়,তাতে কি --- লিখুক না রবী ঠাকুরের মত করে একটা লাইন,
দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ--- এক জন বাঙালী হিসেব নজরুল, রবীন্দ্রনাথ আমাদের সংস্কৃতির বাইরে নন।
এসব হীন মানসীকতার অধীকারীরা আর যাই হউক বাঙালী হতে পারেন না।
লেখক বলেছেন: সমস্যা হচ্ছে গিয়ে এরা বাঙ্গালী!!!!!!!
মোহাম্মদ বলেছেন:
তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন:
++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মিরাজ বলেছেন:
আশা করি ত্রিভুজ এবার তার দাবির অন্তসারশুন্যতা বুঝতে পারবেন ।
লেখক বলেছেন: তাই যেন হয় মিরাজ ভাই।
হাসিব বলেছেন:
পাঠামস্তিস্কের জন্য দারুন কষ্ট করলেন । কিন্তু সব পন্ডশ্রম ।আলোচনা ভালো হয়েছে । ভিত্তি মজবুত অনেক এ আলোচনার ।
লেখক বলেছেন: একটা ব্যাপার কি জানেন? দু'ধরনের মানুষকে বোঝানো খুবই মুশকিল- খুবই বেকুব এবং খুবই মেধাবী অথচ পক্ষপাতদুষ্ট। ত্রিভুজের কম্পিউটার বিষয়ক লেখাগুলো পড়লে আপনিও আমার মত বাধ্য হবেন তার মেধা আছে এ কথাটা মেনে নিতে। কিন্তু সে মেধার কি হাল করে রেখেছে তাও তো দেখতেই পাচ্ছেন।
লেখক বলেছেন: এ ব্যাপারে দ্বিমত থাকতে পারে কেবল অন্ধ বিরুদ্ধাচরণকারীদের। ধন্যবাদ আপনাকে।
মেন্টাল বলেছেন:
সালুয়ার ভাইয়ের সময়ুচিত কমেন্টে পেলাচ
লেখক বলেছেন: হুমম্।
হাসিব বলেছেন:
ত্রিভুজের একবার শেল এ্যাকাউন্ট (কম্পিউটার বিষয়ক) নিয়া পোস্ট দিছিলো । পুরা বাংলাদেশে সেদিন মৃদু ভূমিকম্প হয়েছিলো । কারন কিছু না । হাসতে হাসতে অনেক লোক চেয়ার থেকে একই সাথে পড়ে গিয়েছিলো । তার বিদ্যার দৌড় সেদিনই বোঝা গেছে ।
লেখক বলেছেন: এ লেখাটি আমার চোখে পড়েনি। খুব ইচ্ছে হছে একবার আন্ততঃ চোখ বুলিয়ে নিই। লিংকটা দেয়া যায় কি?
লেখক বলেছেন: "অন্ততঃ" হবে।
হাসিব বলেছেন:
লিঙক খুজতে ইচ্ছা করছে না । ধৈর্য নেই ।
লেখক বলেছেন: কোন সমস্যা নেই। আমিই এক সময় খুঁজে নেব - যদি লেখাটা মুছে ফেলা না হয়ে থাকে।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
অসাধারন লিখেছেন।'অল্প বিদ্যা ভয়ংকর' কথাটা মনে পড়ে গেল।
এসব মানুষদের বুঝাতে যাওয়া মানে পন্ডশ্রম করা।
কলাগাছের সাথে কথা বলার মতই , তবে এই পোষ্টটা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম।
তাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লিখতে থাকুন।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। আমি কিন্তু মোটেই পন্ডশ্রম মনে করছিনা। আমার বিশ্বাস আঁধারের বিরুদ্ধে লড়াই করে একদিন ঠিকই আলো জ্বালানো সম্ভব।
অমিত বলেছেন:
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: অনেক কাজ তো করেছেন।
বড়লোকের চুরি মাফ কইরা দেওন যায়!
সারোয়ার, ঐ পোস্টে তোমার ভাষা ছিলা এইটা। তুমি তো দেখি পোস্ট দেইখা খোলস পালটাও। গিরগিটি কোথাকার।
লেখক বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমুঢ়!!!!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্করপিয়ন্স।
কাজ করে খাই বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ উম্মু আবদুল্লাহ।
ওমিক্রনল্যাব বলেছেন:
এইরকম কিছু শুনতে চাচ্ছিলাম। পরিশ্রমের জন্য অনেক ধন্যবাদ এবং সানন্দে +
লেখক বলেছেন: ওমিক্রনল্যাব, পাশে থাকবার জন্য ধন্যবাদ।
রাতুল" বলেছেন:
দারুন পোস্ট। রেফারেন্স হিসেবে ২ পক্ষের পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম। ধন্যবাদ আপনাকে সত্যিটা জানতে দেবার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাতুল। অনেক শুভেচ্ছা।

















