আমার প্রিয় পোস্ট

ছাগু তোষণ নীতি নির্ভর মডারেশন প্রক্রিয়াকে ধিক্কার জানাই. ব্লগের এক কোনায় জেনোসাইড বাংলাদেশের লোগো ঝুলিয়ে ছাগু তোষণ নীতির নামে ভন্ডামি বন্ধ করুন... নইলে এই মডারেশন নীতি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকার নাটক বন্ধ করুন.. ব্লগ পর্যবেক্ষনে, আপাতত শুধু কমেন্টাই..

যমুনা ফিউচার পার্ক, আমাদের বিলাসীতা আর বিদেশী পণ্য বর্জনের স্বপ্ন :( :( :(

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭

শেয়ারঃ
0 3 0



ঘটনার সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। বসুন্ধরা এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলাম, সামনে পড়লো যমুনা ফিউচার পার্ক। গাড়ির ড্রাইভার পার্ক দেখায় বললো ঐখানে নাকি সাতটা সিনেমা হল হবে আর পোলাপাইন সিনেমা দেখতে যাবে... বয়স্ক ড্রাইভারের প্রশ্ন ছিলো স্যার এতো টাকা খরচ করে সিনেমা দেখার কি দরকার :|

গত কদিন ধরে আস্তিক-নাস্তিক, রাজাকার, জাফর ইকবাল -- এইসব সিন্ড্রোমে ব্লগ আক্রান্ত। টিপাইমুখের প্রতিবাদে এর সাথে যুক্ত হয়েছে বিদেশী পণ্য বিশেষ করে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ব্লগীয় আন্দোলন। এরকম দু একটা পোষ্টে লম্বা কমেন্ট করতে গিয়ে চিন্তাগুলোর কচকচানি থেকে এই পোষ্ট।

আর্থিক স্বচ্ছলতা কিংবা প্রচলিত নাগরিক সুযোগ সুবিধার প্রশ্নে বাংলাদেশ কত পিছিয়ে সেটা আবার মনে করিয়ে দেবার নাই। সামান্য কয়টা বেসিক চাহিদা পূরণেও আমাদের কত নাগরিককে হা হুতাশ করতে হয় সেই উপাত্তও হয়তো খোঁজার দরকার নাই, সবাই জানে বুঝে। আমাদের এই নাগরিক জীবনে বিদেশী পণ্যের ব্যাপক আনাগোনা। আর সর্বাগ্রে ভারত আর চায়না। টিভি খুললে ভারতের চ্যানেল, সস্তায় গাড়ি কিনতে গেলে মারুতি আর টাটা, ইলেক্ট্রনিক্স এ চায়না আর চায়না। কাঁচা বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ-আদা-রসুন, মাংসের দোকানে ইন্ডিয়ান বুড়া গরুকে দেশী বলে চালানোর প্রবনতা, এমনকি ডিমও বর্ডার থেকে নাকি পাচার হয়ে আসে। প্রশ্ন ছিলো আমরা এর কতটুকু বর্জন করতে পারি?

খাদ্য সহ বেসিক চাহিদাগুলোতে স্বয়ংসম্পুর্ণতা অর্জনে আমাদের ব্যার্থতার কথাও আশা করি বলে বোঝানোর দরকার নাই। হতাশার কথা হলো এই নিয়ে এতো বছরে কোনো সরকারের কোনো মাথাব্যাথাও দেখা যায় নি। সাধারণ পাবলিকের মুখে শোনা যায় বিদেশীরাই নাকি ভিক্ষা ক্ষেত্র বানানোর জন্যই আমাদের কিছু বিশেষ সেক্টরকে উঠতে দেয় নি। ভারতের পণ্য আসলেই অনেকেই আবার সরকারকে বিশেষ করে আওয়ামি লীগ সরকারকে নাকালের একান্ত করে ফেলেন। কিন্তু এভাবে কি দায় এড়ানো সম্ভব?

এক ঢাকার কথাই বলি। যে দেশে নুন্যতম চিকিৎসাসেবার অভাবে শত সহস্র মানুষ মারা যায় সেখানে এই ঢাকায় আছে তিনটা বিশাল বেসরকারী হাসপাতাল -- স্কয়ার, ইউনাইটেড আর অ্যাপোলো। ল্যাব এইড সহ অন্যদের তো টানলাম ই না। তো এই বড় হাসপাতাল গুলো কি দুএকটা সেক্টর বাদ দিলে চিকিৎসা সেবায় কোনো বড় দিনবদল আনতে পেরেছে? গরীব মানুষ সেই মেডিক্যালেই কাঁতরাচ্ছে আর বড় লোক গুলো সিঙ্গাপুর আর ব্যাংককেই যাচ্ছে। মাঝখান থেকে দেশে বিলাসখাতে কিছু অর্থ ব্যায় আর কিছু কি আছে?

বিলাসিতায় আমাদের জুড়ি মেলা আসলেই কঠিন। নুন্যতম চাহিদা মেটাতে না পারলেও এমপিথ্রি আর হাই রেজলিউশনের ক্যামেরা ফোন কেনার আকাংখার কমতি নাই। আর এই বিলাসীতাকে পুঁজি করে ব্যাবসার বৃহৎ উদাহরণ তো হালের বসুন্ধরা সিটি আর সামনের যমুনা ফিউচার পার্ক। যে দেশের ছেলে মেয়েরা এখনও অরিজিনাল সিডি না কিনে পাইরেটেড কিংবা ডাউনলোডেড মুভি, সং নিয়ে পড়ে থাকে তারাই সাতটা সিনেপ্লেক্সে পপকর্ন নিয়ে মুভি দেখতে যাবে। কি তামাশা। ফাস্ট ফুড, শপিং এসব তো বাদ ই দিলাম।

বিদেশের গাড়ি কেনা বাদ দিয়ে কিংবা ক্যাব-সিএনজি আমদানী বন্ধ করে অথবা চায়নার সস্তা ইলেক্ট্রনিক্স ফেলে দিয়ে তো নিজের পায়েই কুড়াল মারবেন। তার থেকে আমরা কি পারি না যমুনা ফিউচার পার্কে হাজার কোটি টাকা ব্যায় না করে বরং একটা মোটর কার ইন্ডাস্ট্রি দিতে? নিদেনপক্ষে একটা বাইসাইকেল কিংবা মোটর সাইকেল ফ্যাক্টরী? ইলেক্ট্রনিক্সে আমরা কি একটা ইন্ডাস্ট্রি তৈরী করতে এতোটাই অক্ষম? অবশ্যই না, আমাদের লোকাল ইনভেষ্টরদের হাতে পয়সা আছে সেটা তো প্রকাশ্য, তবে সমস্যা কোথায়?

যে দেশের মানুষ খেতে পারে না, সেই দেশে এশিয়ার বৃহত্তম শপিং মল আর বিশ্বের ১৩তম বৃহত্তম শপিং মল খুলে কার কি লাভ? মলের সামনে একদল ফকির হাত পেতে ভিক্ষা করবে, সামনের রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম লেগে থাকবে আর ভেতরে ফুড কোর্ট আর সিনেপ্লেক্স বাদে অন্য দোকানীরা মাছি মারবে... এই তো? এর জন্য এতো ফুটানির কোনো মানে হয়????? এই ফুটানিটা যদি কোনো উন্নয়নশীল খাত নিয়ে মারতে পারতাম.... ইস....

আকাশ সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে বলার নেই। ভারতে আমাদের সংস্কৃতির বাজার তৈরী করতে না পারা আমাদেরই ব্যার্থতা... আমরা বিনিময় প্রথায় যেতে পারি না যে আমাদের চ্যানেলগুলো না দেখলে আমরাও ওদের গুলো দেখবো না... সহজ হিসাব কিন্তু বাস্তবায়ন কত কঠিন :(

এক টেলিকম খাতে বিদেশী কোম্পানী গুলা কত সহস্র কোটি টাকা নিয়ে যায় প্রতি বছর। অথচ এই খাতে লোকাল ইনভেস্টরদের প্রতি নীতিনির্ধারকদের কি বিমাতা সূলভ মনোভাব। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, যারা নীতি নির্ধারণ করেন তাদের অধিকাংশের বুদ্ধি থাকে হাঁটুর নিচে আর সাদা চামড়া, ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া এরা কিছুই বুঝে না। আর একমাত্র সরকারী টেলকোর কর্মকর্তাদের দুর্নীতির গল্প তো আমাদের সবারই জানা।

একটা কমেন্টে একটা কথা বলেছিলাম ঐটা দিয়েই শেষ করি। আমাদের দেশের পেঁয়াজ যতদিন আমরা নিজ চাহিদামতো উৎপাদন না করতে পারবো ততদিন বিদেশী পণ্য বর্জনের কথা বলে কি লাভ? আমরা সুশীল ভাব নিয়ে কীবোর্ডে বর্জনের স্লোগান তুলে বাজারে গিয়ে ঠিকই ভারতের পণ্য ব্যাগে ভরবো। তাই বর্জন করা উচিত আমাদের এই মানসিকতাগুলোকে, গলা টেপা উচিত আমাদের বিলাসী মনোভাবের আর মানসিকতার উন্নতি দরকার সরকারের নীতি নির্ধারক আর গামলার মতো বিদেশী টাকার দিকে হা করে চেয়ে থাকা সরকারী আমলাদের। তাহলে একটা সময় পরে হয়তো বর্জনের জন্য বিদেশী পণ্য পাওয়াই দায় হয়ে যাবে...

সুন্দর সেই দিনের অপেক্ষায়..................................................

 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪
মনির হাসান বলেছেন: পুরাই সহমত ।

আপনার আগের কমেন্টগুলো দেখেছি । দারুন লেগেছে ।
তবে প্রথমে ভেবেছিলাম ঢাকা শহরের সমস্যা নিয়ে বেশি আলোচনা করবেন ।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: সময় নিয়ে লেখা না। কিছু উদভ্রান্ত চিন্তার লাগাম টানার জন্যই এই লেখাটা। ঢাকা নিয়ে একটা পোষ্ট দেবার ইচ্ছা আছে..

২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
কাঙাল মামা বলেছেন: কথা ঠিকই বলছেন, কিন্তু তারপরেও ঐ শপিং মল, ছিনেমা আর পিয়াজের বাজার আপনি আমি না গেলেও ভালই চলে......যারা যাবার তারা ঠিকই যাবে। আটকাতে পারবেন না।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: আটকানোর দরকার কি? দেশী প্রোডাক্ট বাড়ালেই দাম কমে যাবে আর কমদামে দেশি পেঁয়াজ পাওয়া গেলে কে যাবে কম ঝাঁঝের ভারতীয় পেঁয়াজ কিনতে...

৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
হাসান মাহবুব বলেছেন: দুর্দান্ত লিখসেন। আপ্নার সম্মানে হোটেল শেরাটনে একটা পার্টি দিমু ভাবতাসি /:)
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: আমার আবার ফরেন প্রোডাক্ট ছাড়া চলে না। আর শেরাটন -- ধুর ঐটা তো পুরান হয়া গেছে ওয়েষ্টিনে চলেন স্টেক মাইরা আসি ;)

৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮
রুহুল জাকি বলেছেন: অসাধারণ লেখা
এ ঘটনাগুলো দেখতে দেখতে আমরা রেজিস্ট্যান্ট হয়ে গেছি।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৩

লেখক বলেছেন: কিছু রাগ আর দু:খ নিয়ে লেখা :(

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১১
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: জ্যাডস....এইটা কমন...নাকি গনতান্ত্রিক দ্যাশে সম্পদের সমবন্টন হবার নয়...কি জানি বাপু...মানুষ শতকরা একশ ভাগ থাকলে, পাঁচ/ দশ ভাগ লোকের আরাম-আয়েশ করারই নিয়ম...:(
হামার শেরাটন পার্টিতে বাকী আলাপ হবেনে জ্যাডা...
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: জেডা আচো কিরাম? শেরাটন পুরান হয়া গেছে। কুরিয়ায় গিয়া পার্টি করণ যাইতো না ;)

৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১২
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন: কথায়ই আমাদের যত দাপট। কাজে কিছুই নাই।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: কাজ করতে যে দু একজন চেষ্টা করে তাদেরও তো বেহাল দশায় ফেলা হয়।

আমাদের স্বপ্ন দেখার মানসিকতাও যে মরে গেছে। সবখানে খালি বিলাসী দ্রব্যের বাগাড়ম্বর :(

৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১২
প্রথম বাংলা বলেছেন: আচমকা বড়বড় স্থাপনা প্রমাণ করে আমাদের ধনবৈসম্যে ব্যপকতা।

কালকে যমুনাগ্রুপ তাদের বিজ্ঞাপণে উল্লেখ করেছেন

দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি আছে যারা এইরকম ৪/৫ হাজার কুটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারে, এতেকরে দেশে ভাব মূর্তি উজ্জ্বল হবে এবং এই ভাবে দেশ ডিজিটালায়নের দিকে এগিয়ে যাবে।
উদাহরণ হিসাবে তাদের প্রযুক্তিগত দিক গুলান তোলেধরা হয়েছে।

যে দেশে অনেক প্রতিষ্ঠাণ রয়েছে এমন ৫ হাজার কুটি টাকা বিনিয়োগ করার মত সেই দেশে আবার অনেকেই না খেয়ে মরছে।

আজব দুনিয়ার আজব দেশ,

আর আমরা হলাম আজব জাতি।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪

লেখক বলেছেন: আমাদের যত বিনিয়োগ সব বিলাস দ্রব্যে। প্রডাক্টিভ কিছু করার মানসিকতা কিংবা দেশপ্রেম লোকাল ইনভেস্টরদের বেশীরভাগের মাঝেই নাই।

দুএক জনের যাও আছে, সরকারের দূর্বলতা, বিদেশী চাপ আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সব শেষ :(

৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
সাইফ হাসনাত বলেছেন: আমরা ব্লগাররা যদি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এমন আরো লেখা পোষ্ট করতে পারি, তাহলে কিছু না হলেও অন্তত- আমার মতো অনেকের চোখ থেকে বিলাসিতার মায়াপর্দাটা উঠে যেতো...
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: একদম আসল কথা বলেছেন। আস্তিক নাস্তিক, জাফর ইকবাল -- এইসব সাবজেক্টের ভীড়ে সামজিক দ্বায়বদ্ধতা কোথায় যেনো হারিয়ে যায়... আমরা একজনের মানসিকতাও যদি আমাদের লেখা দিয়ে ফেরাতে পারি তবে ক্ষতি কি...

পরার জন্য অনেক ধন্যবাদ :)

৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন: "গলা টেপা উচিত আমাদের বিলাসি মনোভাবে"

জোড়ালোভাবে একমত।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: বর্জন করা উচিত আমাদের মানসিকতা, গলা টেপা উচিত আমাদের বিলাসি মনোভাবের আর মানসিকতার উন্নতি দরকার সরকারের নীতি নির্ধারক আর গামলার মতো বিদেশী টাকার দিকে হা করে চেয়ে থাকা সরকারী আমলাদের।

১০. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
আমি স্বার্থপর বলেছেন: আপনার পোষ্ট পড়ে মনে হলো আমরা আরো গরিব হতে যাচ্ছি। পকেটের ফুটো পয়সাটাও বেরিয়ে যাবে....
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: হ বন্ধু বান্ধব নিয়া সিনপ্লেক্সে যাবেন, ফুড পার্কে খাওয়া দাওয়া আর পপকর্ণ -- কোকাকোলা। বিলাসিতার রঙীন চশমায় ঢেকে যাক আমাদের প্রতিটি প্রজন্মের চোখ :(

১১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন: এই দেশের অনেক মানুষ দশ টাকা আয় করতে ঘাম ঝরাচ্ছে। অথচ বসুন্ধরা সিটিতে গেলে দেখি মানুষজন অবলীলায় হাজার টাকা উড়াচ্ছে, যা কিনা স্রেফ অপচয়। যমুনা ফিউচার পার্ক যে বসুন্ধরার টাকা উড়ানো আর অপচয়কেও হার মানাবে তা বলাই বাহুল্য।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: একদম সত্য কথা।

১২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
প্রথম বাংলা বলেছেন:
একেই বলে গরিবের ঘোড়া রোগ।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: এই ঘোড়া রোগেই তো গরিবগো খাইলো। আর লাভের গুড় ঘোড়াওলা খাইয়া গেলো :(

১৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
অরুনাভ বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগছে.......
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ :)

১৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন: এরমধ্যেও মাইনাস পড়ছে!!!!!!!
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: বাবুল সাবে আইছিলো মনে হয় ;)

১৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
গোয়েবলস বলেছেন: আপনি শিল্পকারখানা করার কথা বলছেন আর আমাদের সরকার যা আছে সেগুলিও বন্ধ করে দিচ্ছে।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: আমি অবশ্য এখানে একতরফা সরকারকে দোষ দেই না। দোষটা হয়তো পুরা সিস্টেমের। আর আমরা নিজেরাই নিজেদের ঘিরে এমন এক চক্র গড়ে তুলেছি যার বাইরে বের হওয়া একটা বিপ্লবের ব্যাপার। আমরা বিলাসী তাই আমাদের ভোগপণ্য উৎপাদনে বেশী উৎসাহী আমাদের ব্যবসায়ীরা আর তাদের সহায়তায় জটিল আমলাতন্ত্র আর বিদেশী উৎসাহ তো আছেই।

আমাদের নিজেদের বিলাসী মনোভাবটাকেই আগে দমাতে হবে।

আর সরকারী খাতে শিল্প কারখানা করে লাভ নাই, এগুলো এক একটা পঙ্গু সেক্টর হয়েই থাকবে যতদিন দুর্নীতি আমাদের মাঝে থাকবে।

১৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমাদের তো ভাই দুধ বেচে শুঁটকি কিনে খাওয়ার দশা। নিজের ভাল পাগলেও বোঝে; আমরাই খালি বুঝি না।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: আমাদের তো ভাই দুধ বেচে শুঁটকি কিনে খাওয়ার দশা --- জটিল বলছো :)

১৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪০
মাছিমারা কেরানি বলেছেন: পুরা সহমত।
আমাদের দুর্ভাগ্য হলো আমলাতান্ত্রিকতা আর রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের কারনে উৎপাদনশিল খাতে কোন বিনিয়োগ হচ্ছেনা। মানুষ শেয়ার মার্কেটে না বুঝে বিনিয়োগ করছে, ফাকতালে তাদের মাথায় কাঠাল ভাংছে কিছু খেলোয়াড়। আপনার কথাতেই আসি, একটা গাড়ির কারখানা দেয়া কি আমাদের পক্ষে অসম্ভব? সামান্য কয়েক কোটি টাকাতেই ছোট স্কেল এ গাড়ি সংযোজন কারখানা দেয়া যেতে পারে। কিন্তু ব্যপক দুর্ণীতি এবং অতি উচ্চ কর হার এবং অনিয়ন্ত্রিত শ্রমিক আন্দোলন এর জন্য ব্যবসায়ি দের কাছে প্রোডাকশান এর চেয়ে ট্রেডিং এবং সার্ভিস ইন্ড্রাষ্টিই অধিক আকর্ষনিয়।

এসব ক্ষেত্রে সবচেয়ে আগে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা। সেটা থাকলেই বাকি সমস্যা গুলো অতিক্রম করা সম্ভব।

কিন্তু যে দেশে ভিষন ছাড়া, মুর্খ লোকজন মন্ত্রি হয়, সে দেশে এটা আশা করাটাই দুঃসাহস বলে আমি মনে করি।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: ব্যাপক দুর্নীতি এবং অতি উচ্চ কর হার এবং অনিয়ন্ত্রিত শ্রমিক আন্দোলন এর জন্য ব্যবসায়িদের কাছে প্রোডাকশান এর চেয়ে ট্রেডিং এবং সার্ভিস ইন্ড্রাষ্টিই অধিক আকর্ষনীয়--- চমৎকার বলেছেন :)

আর স্রেফ মন্ত্রি দের দোষ দিয়ে কি হবে, এই যে সচিব পর্যায়ে যারা আছেন তারাও তো কোনো কামের না। তার উপর কেউ একজন যে একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ হবে সে উপায়ও নাই, আজকে পরিবেশ মন্ত্রনালয়ে তো কাল স্বরাষ্ট্র...আজব দেশে বাস করি আমরা :(

১৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: জ্যাডা তুমার লগে দ্বিমত হওয়ার কুন কারনই নাই.....


মুক্ত অর্থনীতির এই যুগে কারও আগ্রাসনই থামানো যাবে না, থামার নয়। আমার কাছে যেইটা প্রধান ব্যাপার মনে হয় সেটা হলো, আমাদের বাঙ্গালীদের মধ্যে দেশপ্রেমের মারাত্মক অভাব। আমরা মুখে বিদেশী পণ্য বর্জনের কথা বলি কিন্তু সুপার মার্কেটে গিয়ে ঠিকই বিদেশে পণ্যের উপর চোখ ফেলি এবং দেশি পণ্যের ব্যাপারে ভ্রু কুচকে ফেলি। দুবাইতে শয়ে কোটি দিরহাম ইনভেস্ট করেছে বাংলাদেশীরা কিন্তু দেশে ইনভেস্ট করবে না। আমাদের দেশ বদলাতে হলে আগে নিজেদের মানসিকতা বদলাতে এবং দেশপ্রেম বাড়াতে হবে। একটা ছোট্ট উদাহরন দেই: আমার বাসার পাশেই একটা বাংলাদেশী গ্রোসারী আছে যেখানে প্রায় সব ধরনের বাংলাদেশী কোম্পানীর জুস পাওয়া যায়, তো ঐ দিন সন্ধ্যায় ওখানে গেছিলাম কিছু কেনাকাটা করতে সেসময় একটা ইন্ডিয়ানও আসছে জুস কিনতে দোকানি তাকে অনেক চেষ্টা করালো বাংলাদেশী কোম্পানীর জুস দিতে কিন্তু সে নিবে না নিবে নাই তার দরকার নিজের দেশী কোম্পানীর জুস। অতপরঃ না পেয়ে সে চলে গেল। দোকানদার দেখলাম তাকে অনেক গালাগালি করছে কিন্তু আমি তার দেশ প্রেমের ছোট্ট নমুনা দেখে নিজের মাথা নিচে নামাতেই বাধ্য হয়েছি। একেই বলে দেশ প্রেম।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: জেডা ইন্ডিয়ানগো এই একটা জিনিস এতো ভালো লাগে সেটা হলো দেশপ্রেম। এরা এমনকি সিরিয়াল থেকে ফিলম -- চান্স পাইলেই দেশপ্রেম ঢুকায় দিবে। গাড়ি কিনবে নিজেরটা, মোবাইল থেকে ইলেক্ট্রনিক্স সবখানেই দেশের প্রাধান্য। ওদের টেলিকম সেক্টরটা পুরা লোকাল আর আমাদের সব পয়সা ফরেনাররা নিয়া যায়। ওদের সংসদে মারামারি হয় আবার ওরা মহাকাশযান পাঠানোর আলোচনাও করে... নাক না সিঁটকে আর সিরিয়ালের সাঁজগোজ আর মুভির কাহিনী কপি পেষ্ট না করে আমরা এসবও তো শিখতে পারি :(

১৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮
এসএনিট বলেছেন: ধন্যবাদ, একটা সাহসী ও সুন্দর লেথা লিখবার জন্যে।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যও অনেক ধন্যবাদ :)

২০. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: আর আলুছনা করতে চাইলে কি ওয়েস্টিন, ফয়েস্টিন বল, হামা ভাই ও শাওন জ্যাডারে লইয়া চলি আসু বুর্জ আল আরব, এইটার উপ্রে কুন কথা নাই। ফয়সার লাগি কুন টেনশানিত হইয়ো না আমাগো ফয়সা নাই কে বলছে, দরকার হইলে বাবুল ভাই বা শাহআলম ভাই আছে না ;);)
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: জেডা তুমার আগের কমেন্টের লম্বা রিপ্লাই দিমু কাইলকা। আপাতত ভাবতাছি বাবুলের থিকা ফয়সা নিয়া কেমতে তুমার ডুবাই ডেখবার যাই :(

বাবুল রে যাইয়া কমু নি -- "টেকা দেন ডুবাই যামু ;)

২১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: বস খুবি ভালো লিখছেন। যমুনাতে নাকি আবার সব বিদেশী Brand তাদের দোকান দিবে!!! এবং আমার মনে হয়তাছে চলবেও সেরকম।
বাংগালীর ফুটানির শেষ নাই।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: বাংগালীর ফুটানির শেষ নাই :(

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
সুিপ্রয় বলেছেন:
"এই দেশের অনেক মানুষ দশ টাকা আয় করতে ঘাম ঝরাচ্ছে। অথচ বসুন্ধরা সিটিতে গেলে দেখি মানুষজন অবলীলায় হাজার টাকা উড়াচ্ছে, যা কিনা স্রেফ অপচয়। যমুনা ফিউচার পার্ক যে বসুন্ধরার টাকা উড়ানো আর অপচয়কেও হার মানাবে তা বলাই বাহুল্য। " -পুরোপুরি একমত। X(
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: সেইটাই :(

২৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন: এরই নাম বাংলাদেশ ..................... !!





ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ :)

১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: :)

২৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১৩
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: একটা বসুন্ধরা সিটি কিংবা যমুনা সিটির থেকে দরকার ছিল উত্তর বঙ্গে কারখানা। আমাদের সবকিছুতেই কেন যানি সমস্যা।
একটা উদাহরন দেই আপনি ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার এসেম্বল করতে চাচ্ছেন, কিন্তু খুচরো জিনিস আমদানি ট্যাক্স বেশি, তার থেকে টোটাল যন্ত্রটার ট্যাক্স কম- আমাদের দেশের হর্তা-কর্তাদের পলিসি তৈরিতে প্রবলেম।
আর আমাদের ব্যাক্তি জীবনে আমরা অনেক বেশি বহির্মুখী, তাই ছেলে-মেয়েরা বসুন্ধরাতে যায় আড্ডা মারতে-পপকর্ণ হাতে মুভি দেখতে।যতদিন না আমরা আমাদের নিজেদের চাকচিক্য দেখানোর প্রবণতা কমাতে পারব ততদিন আমাদের মুক্তি নেই।
আমারা হয়ত সবকিছু তৈরি করতে পারব না, কিন্তু কিছু তৈরি করতে পারি। ছোট ভাইয়ের জন্য রবার কিনতে গেলে যখন দেখি রবার কিংবা রুলার চায়না তৈরি তখন খারাপ লাগে।
আপনার মত আমি ও সুন্দর দিনের অপেক্ষায় আছি। যখন কোন বিদেশি বড় কোম্পানিকে(উদাহরণঃগ্রামীন,এরিকসন ইত্যাদি) সরকার নির্দেশ দিবে তার আয়ের উৎস অণুসারে দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় বিনিয়োগ করতে। কল্পনা করি, সবার আগে নিশ্চিত হবে, অতি মফস্বলের দরিদ্র ছেলে-মেয়ের উচ্চ শিক্ষার সম সুযোগ। আশায় আছি, রাত বারটা-একটায় ঢাকার ফুটপাতে কোন অসহায় লোক একটি ৩ ফুট দৈর্ঘ্যর কোন টুকরির মধ্য শুয়ে থাকবে না, তার থাকবে একটি ভাল মাথা গোজার ঠাই। সমাজের কেউই(বিশেষতঃ উচ্চবিত্ত) এই দেশকে অবহেলার চোখে দেখবে না।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: ভাই লগ আউট করে ফেলসিলাম, স্রেফ আপনার কমেন্ট মোবাইলে দেখে আবার লগইন করলাম।

ইস আপনার স্বপ্নগুলা যদি সত্যি হতো...

স্ট্যাবিলাইজারের কথা তো একটা উদাহরণ, এমন কত ছোট ছোট বোকামীর জন্য আমরা পিছিয়ে আছি। নিজ অভিজ্ঞতা থেকে দেখা নীতিনির্ধারকদের বোকামীর একটা গল্প কাল সকালে লিখার আশা আছে।

আর দেখেন এই আমরাই তো ছোটবেলায় ইকোনো ডিএক্স দিয়ে দিব্বি চালিয়ে গেছি, এখন কতো চাইনিজ, ইন্ডিয়ান কলম... দোকানে পিচ্চি পোলাপাইন যখন ভারতীয় আর চাইনিজ পেন্সিল কিনে আসলেই খারাপ লাগে। কাগজের কথা নাই বা বললাম... আমরা এশিয়ার বৃহত্তম শপিং মল বানিয়ে ফেলেছি অথচ একটা কাঠ পেন্সিলের কারখানা দিতে পারি নাই। কি আফসোস, কি বিলাসীতা :(

জিপি রে দেখলাম গুলশান - ধানমন্ডিতে গিয়া গাছ বিলাইতাছে। কমেডির শেষ নাই। স্কুল কলেজে দুইটা ল্যাপটপ দিয়ে কি দেশের উন্নতি হবে? এদের বাইরে নিয়ে যাওয়া হাজার কোটি টাকার কিছুটাও যদি লোকালী রেখে দেওয়া যেতো তবে কতোই না ভালো হতো।

এক ইলেক্ট্রনিক্সেই আমাদের কত সম্ভাবনা, কারও মাথাব্যাথা নাই। যমুনা কিংবা বসুন্ধরা গ্রুপের এতো টাকা - এরা স্রেফ বিলাস পণ্যে টাকা খাটায়, অন্তত একটা প্রজেক্ট এমন করতো যেখানে নিজের লাভ না হোক দেশের কিছুটা উপকার হতো...

দেশের ইংলিশ মিডিয়াম গুলার দু একটার বেতন শুনলে আঁতকে উঠতে হয়। এদের এক ছেলের বেতন দিয়ে গ্রামের একটা পুরা স্কুল এক মাস চলতে পারে। এই বৈষম্য দূর করার যেনো কেউ নেই :(

২৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২১
আকাশ_পাগলা বলেছেন: এগুলাতে পোলাপাইন হুদাই ঘুরে বেড়ায়, নেড়ে চেড়ে দেখে। কিন্তুক কিনে না। ফাস্ট ফুড কোর্ট আর সিনেপ্লেক্সই শুধু চলবে। কথা ত সত্য।


ওয়ালটন নামে বাংলাদেশের এক কোম্পানীর কথা ত শুনি। দেশীয় মটর সাইকেল আর রেফ্রিজারেটর বানাচ্ছে। কেউ কিনছে বলে কখনও শুনি নাই।

শপিং মলে মল ত্যাগ করা উচিত। এতে যদি টাকাওলাদের শিক্ষা হয়। দেশের কাজে আসবে, এমন কিছু করবে না। কেন এশিয়ার বৃহত্তম খামার বানানো যেত না? অথবা, এশিয়ার বৃহত্তম মোবাইল সেটের কারখানা?

আপনি দারুণ একটা পোস্ট দিছেন।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: কে কইছে কেউ কিনে না। বেবাক হোটেল গুলা কিংবা হাসপাতালে ওয়ালটন নাইলে কনকা টিভি, ফ্রীজ। তয় মার্কেট পাইতে গেলে চায়না নির্ভরতা বাদ দিয়ে গুনগত মানের আরেকটু উন্নতি করা বোধহয় দরকার। কাঁচপুরে ওদের গোডাউনের সাথে আমগো সাইট আছে, কয়েকবার যাওয়া হইছে। খারাপ না ভালোই :)

একমত পরের অংশে। বৃহত্তম শপিং মল আসলেই আমাদের কোনো কাজে আসবে না, পুরাই ফালতু পয়সা নস্ট :(

২৮. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৩
মনুমনু বলেছেন: আপনার সাথে বুক মিলিয়ে কিছুক্ষন চোখ বুজে কাঁদতে ইচ্ছে করছে।

কত শত সম্ভাবনার কাজ পড়ে রয়েছে আমাদের। শুধু ক্ষমতা নাই করার।
কারন ক্ষমতা দিয়ে রেখেছি রক্তচোষাদের
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: ক্ষমতা দিয়ে রেখেছি রক্তচোষাদের

:( :( :(

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩২

লেখক বলেছেন: থিন্কু :)

৩০. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৯
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ভালো লাগলো। পোস্টের সাথে সহমত........

সবই শ্রেণী বৈষম্য ...... বাংলাদেশে এমন একটা ধনীর দুলাল শ্রেণী তৈরি হয়েছে চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা অসম্ভব......। "অভিজাত" এলাকায় গেলেই এদের পাবেন - এরা কে এফ সি, হ্যালভেশিয়া নামক দোকানগুলোতে খায়, দেশীয় খাবার এদের পেটে সয়না। পিটাইতে মনচায় এগুলারে
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: অফিসের কাছে হওনের লিগা কেএফসিতে অবশ্য আমারও অনেক যাওয়া হয় ;)

তবে শ্রেণী বৈষম্যের কথা সঠিক। এই অভিজাত শ্রেণীটারে কেমন যেনো বেমানান মনে হয়। ইয়ো সমাজ দেশটার বারোটা বাজাচ্ছে ঠিকই, তবে আমরা এসব নতুন নতুন অপরচুনিটি তৈরী করে দিয়ে এদের মাথা আরও বিগড়ে ঠিকই দিচ্ছি :(

মিনিট বিশেক আগে হয়ে যাওয়া ভুমিকম্প কেমন লাগলো ;)

৩১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৬
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন:

এমন চিন্তা টাকাওয়ালারা করে না!

তয় বুঝচি আপ্নে আমার মতো ফকির নাই হৈলে মধ্যবিত্তের ভূতসমাজে বাস করেন।:( আরেক বলদে তাজমহলের কেপি পেষ্ট করলো :(

সব বলদ দেখতাছি বঙদেশে জর্ন্মিতাছে:(
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন: আরে এইডার কথা তো ভুইলাই গেছিলাম। তাজমহলের কপি পেষ্ট... এক কলিগে গেছিলো, কাঁদা ভিড় ঠেলে... ফটুক দেইখা বুঝলাম পুরাই ফাউল...

এইসব ফাউল কামে পয়সা ঢাইলা মাইনসে কি যে সুখ পায় কে জানে :(

৩২. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৩
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: রাতে খিদা লাগলে আমার মাঝে মাঝেই মাথা চক্কর মারে, ঐরকমই কিছু ভাবছিলাম...;)

পরে সামুর ফ্রন্টপেইজে দেহি কাহিনী এই!
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: হ আমিও শিউর হইতেই সামুতে লগইন করলাম।

৩৩. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
মুক্ত বয়ান বলেছেন: যমুনা পার্কে যাইতে চাই!!! একটা শার্কহাউস বানাইলে ভালা হইত!!! /:)
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৯

লেখক বলেছেন: তুমি গিয়া বাবুল সাহেবের লগে যুগাযুগ দাও ;)

৩৪. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
চাঙ্কু বলেছেন: সুন্দর সেই দিনের অপেক্ষায়...

আমি ফিউচার যমুনা পার্কে ফাষ্ট কিরকেট খেলতাম চাই ।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: ঐহানে ইনডোর গেম হইবো, আউটডোর গেম খেলার মাঠ বানায়া লাভ নাই, পয়সা ইনকাম হইতো না :(

জেডা আসবা কবে দেশে?

৩৫. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
আল্লাহ রাখা বলেছেন: খুব ভাল লাগলো পড়ে রোহান ভাই।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: থেন্কু :)

১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: ;)

৩৭. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪
রাজীব বলেছেন: ভাই ভালো লিখেছেন।

আমরা যতই বকবক করি কোন লাভ নাই।
আমাদের দেশে প্রগতিতে পাজেরো জীপ (সংযোজন) বানানো হয় প্রায় ২০ বছর ধরে কিন্তু এরকম আর একটি বানানোর কোন উদ্যগ নেই।
প্রগতিতে আগে বাস বানানো হত সেগুলো খুবই ভালো ও টেকসই ছিল কিন্তু এখন আর হয় না। এখন আমরা ভারতীয় বাস আর চায়নার লক্কর ঝক্কর বাস ব্যবহার করি।

আর দেশীয় এসব ফ্যাক্টরী তো সরকারের নিয়ন্ত্রনে। সরকারী আমলাদের দিয়ে কাজ করানোতো খুব সহজ, (যেমন প্রগতির অফিসার হয়ত মুম্বাইতে একটি বাড়ীর বিনিময়ে বাস বানানো বন্ধ করে দিয়েছে।)
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: সেইটাই... আমাদের সিস্টেমটাই এমন, এখানে যে কাউকে প্রভাবিত করা খুব সহজ। আর দূর্নীতির প্রতি আমাদের সহজাত আগ্রহ তো আছেই :( ঐ যে আমাদের চাওয়ার যে শেষ কিংবা লাগাম নাই ....

এক তেঁজগাও এলেই দেখা যায় কত সরকারী মিল ফ্যাক্টরী বিশাল জায়গা নিয়ে আজাইড়া পড়ে থেকে তেলাপোকা-মাকড়শার আখড়া হচ্ছে। ভেঙ্গে চুড়ে পড়ে আছে, কোনো প্রডাকশন নাই, কিচ্ছু না -- আজব এই দেশ, নিজের ভালোটুকুর সাথে সাথে সবার ভালোটা ভাববার বোধটুকুই বোধ হয় নষ্ট হয়ে গেছে :(

১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: চমৎকার লেখা :)

৩৯. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
শ।মসীর বলেছেন: যারা নীতি নির্ধারণ করেন তাদের অধিকাংশের বুদ্ধি থাকে হাঁটুর নিচে আর সাদা চামড়া, ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া এরা কিছুই বুঝে না।---হাছা কইছ।

সুন্দর সেই দিনের অপেক্ষায়.................................................. আমিও।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: এই অপেক্ষা বোধ হয় আমাদের সবারই...

অপেক্ষার পালা কমে আসবে যদি নিজ নিজ স্বার্থ আর চাহিদার লাগামে একটু টান দেই :)

৪০. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯
জইন বলেছেন: রোহান ভাই ধন্যবাদ,বিষয়টা নজরে আসে নাই, আপনার পোস্টের আগে এসব ফিউচার পার্কগুলা দেখে ভাল লাগতো,এখন মনে হচ্ছে আমাদের আসকারা পেয়েই এরা এসব খাতে বিনিয়োগ করে,

আফসোস আপনার মত সব টাকাওয়ালারা যদি এভাবে ভাবতো।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: টেকা ওয়ালা কইয়া খুঁচা দিলা মিয়া, খাড়াও আইতাছি তুমারে পিডাইতে...

জান্ক ফুড খাওয়া আমার নিজেরই একটা বদঅভ্যাস, এই ছাড়া এইসব মাল্টিপ্লেক্স মেক্স আমারে টানে না। অহনও সিনেপ্লেক্সে মুভি দেহি নাই ডাউনলোড আর ডিভিডিই যথেষ্ট, বসুন্ধরায় ফুড কোর্টে খাওয়া আর ফাউ ঘুরাঘুরি ;) ছাড়া আর একবারই গেছিলাম শপিং এর কামে, হেইডা হইলো বিয়ার শপিং এর সময়... আর খাওয়াদাওয়াও কমায় দিছি, এক আম্রিকান বার্গারেই মাঝে মইধ্যে যাই আর কেএফসি ;) কি আর করুম বদঅভ্যাস কি একবারে যায় :)

ফিউচার পার্ক কইরা আমগো ফিউচারের বারোটা বাজানির ধান্দা আর কি ;)

৪১. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: কোন কিছু বলার জায়গা রাখেন নাই ..... পুরাই একমত। শেষের প্যারাটা তো চরম চরম সত্যি কথা। আগে আমাদের নিজেদের সেকরিফাইস করতে হবে, তারপর অন্যের গুষ্ঠি উদ্ধার।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: আছেন কেমন?

আইজকাল কি যানি হইছে জনসচেতনতা নিয়া মাথায় অনেক কিছু ঘুরপাক খাইতাছে :( আরও কিছু লিখুম লিখুম করতাছি তয় ব্যাটেবলে হইতাছে না :(

৪২. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬
শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা .... আমারও একই অবস্হা :) ..... কয়দিন ধরে নিজের মধ্যে বুদ্ধিজীবি বুদ্ধিজীবি ভার লক্ষ করছি .... হা হা হা । ইচ্ছা করতেছে, লেইখা লেইখা ফাটাইয়া ফালাই, দেশ উদ্ধার একদিনেই কইরা ফালামু ..... হা হা হা ..... ব্যাপার না, আসলে দেশের নানাবিদ সমস্যাগুলো যখন অসহায়ের মত ফুঁসে উঠতে দেখি, তখন একটু হতাশা আকড়ে ধরে; এই আর কি। কয়েকদিন পরই আবার ঠিক হয়ে যায়, গোল্ডফিস মেমোরী বলে কথা :)

আছি, ভালো আলহামদুলিল্লাহ ..... আজকে বউ আসতেছে দেশ থেকে। মনে হয় আগামী কয়েক সপ্তাহ ব্লগে খুব একটা সময় দিতে পারবো না। দোয়া কইরেন।

দেশে এসে দেখার করার ইচ্ছা আছে, আপনাদের সাথে।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: দেন দেন ভাবীরে টাইম দেন... এতোদিন কষ্ট দিছেন, হাত মাত ভাঙাইছেন; অহন টাইম দিয়া, ঘুরাঘুরি কইরা পুষায় দেন...

বুদ্ধিজীবি ভাব ভালো না, পরের গন্তব্য হইতে পারে পাবনা ;)

দেশে আসলে খবর দিলেই হইবো উড়াল দিয়া উত্তরা আয়া পড়ুমনে... তয় অহনও কইলাম জাংকফুড স্যাক্রিফাইস করি নাই, পার্টি পুর্টি হইলে খারাপ হইবো না ;)

৪৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
জেবুন বলেছেন: ফিউচার পার্ক কইরা আমগো ফিউচারের বারোটা বাজানির ধান্দা আর কি ।
১০০% খাঁটি কথা।

খুবই ইতিবাচক ভাবনা ..........।ধন্যবাদ এমন একটা পোস্টের জন্য।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যও অনেক ধন্যবাদ :)

৪৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
শ।মসীর বলেছেন: @ শান্তির দেবদূত ভাইরে আর পাই কে ;)
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: হ আঙুর ফল তো তিতা লাগবোই ;)

তয় কতা হাচা, ডেবডুট ভাইরে আসলেই পাওনের উপায় নাই :)

৪৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এই পোস্টে কমেন্ট আস্তে ধীরে দিমু। আগে একখান স্যালুট লন বস। যা ভাবি তা এইভাবে গুছায়া লিখলেন.।

আপাতত কামলা খাটার কামে যাই .।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: ভালো মতো কামলা খাইটা আহেন... আমার কামলা খাটা শেষ, অহন বাসায় যামু :)

৪৬. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪০
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: জেডা ভাভুল বাঈ ট্যাহা ফইসা কিচু দিচে নি, দিলে ট্যাহার ভাগডা পাডাইয়া দিয়েন ;);)
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১০

লেখক বলেছেন: ভাবুল রে বুখে ঠানটে ছাই তয় ভাভুলের লগে ডেহা খরনের ছান্স ফাই না :(

টেহা ফয়সা ফাইলে ডুবাই গিয়া তুমার ভাগ ডিয়া আমুনে ;)

৪৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
পেন্সিল বলেছেন: পছন্দ হয়ছে কথা গুলা...
১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৪৮. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:

হ্যালু শহীদ কুমটির আহ্বায়ক আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন?? ;)



আছেন কেমুন? থাকেন কৈ?
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: আছি ভালু... তয় ছহীদ কুমটিতে নয়া ছদছ্য না আওনের লিগা কিরাম এলোন ফিলিং কর্তাছি, আছেন নি লাইনে?

গাড়িডার মাথা বিগড়ায় গেছিলো, হেইডার হার্ট মাথা বেবাকডি পাল্টায়া ফেলছি, এগুলান নিয়া দৌড়ের উপরে আছিলাম এই কয় দিন.. সামনের হপ্তায় আবার নাটোরে যামু কাঁচা গুল্লা খাইতে :(

৪৯. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২১
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:


না জ্যাডা আপাদত তুমাগো কুমটিতে এড হওয়ার কুন চান্ছ ই নাই ;)


তুমার গাড়ীরে মাইনাস। হ, পুরা দেশ ঘুইড়া দেশটারে পুরা চক্ষুবন্দি কইরা লাও।
৫০. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
আহমেদ রাকিব বলেছেন: রোহান, এইটা তোমার লেখা সেরা পোষ্ট। প্রিয়তে নিয়া গেলাম। অনেক দিন কোনো খবর নাই। আছ কেমন?
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: হে হে হে থেন্কু থেন্কু....

টুকটাক কাম নিয়া বিজি, ব্লগিং মোবাইলেই চলে অফলাইনে... কাইল পরশু থেকে আবার নিয়মিত হব তবে সামনের সপ্তায় আবার লম্বা ট্যুর... শামসু নানার পোষ্ট দেইখা নাটোরের কাঁচাগুল্লা খাওনের খায়েস জাগছে....

তুমিও তো মিয়া গায়েব... খোঁজ খবর নাই :(

৫১. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬
আহমেদ রাকিব বলেছেন: আমি ঢাকা আইসা পড়ছি। আর ঢাকা আইসাই মেজাজ খারাপ হইয়া যাইতেছে। পেইনের উপ্রে আছি।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: কি আর করবা, লাইফটাই পেইন :)

৫২. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
কিরিটি রায় বলেছেন: @লেখক বলেছেন : আমাদের দেশের পেঁয়াজ যতদিন আমরা নিজ চাহিদামতো উৎপাদন না করতে পারবো ততদিন বিদেশী পণ্য বর্জনের কথা বলে কি লাভ?

---এটা বক্তব্য হিসেবে ভাল, কিন্তু বাস্তবতায় নয়। আমরা লেজুড় বৃত্তি, ব্যক্তি স্বার্থপরতার উপ্রে উঠতে না পারলে, এবং সবচে বেশি বিবৃতি সর্বস্ব দেশপ্রেম ছেড়ে খাটি দেশপ্রেমিক না হলে কোন কথঅয়ই কাজে আসবে না।

আজকেরই একটা খবর দেখুন- লবন শিল্প নিয়ে। লক্ষাধিক লবন চাষীর উৎপাদিত লবন রেখে ভারত থেকে লবন আমদানীর চক্র সক্রিয়। এখন বলুন।
আমাদের সবই আছে। ডিমে পোল্ট্রিতেও আমরা যখন স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে তখন বেনিয়া চক্রান্তে আমাদের মন্ত্রী মশায়রাও যোগ দেয়!!!! তো আর দু:খ রাখবেন কই??

আর যমুনা!!!
তারাতো এসবেই বিনিয়োগ করবে! কারণ পূজিবাদতো চায়ই এমন।

বাকী রইলো.. আম জনতা!!

তারা গান্ধীজির মন্ত্রে চলুক.. দেখ শোন, চুপ থাক।

১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: কেনো যানি স্রেফ পুঁজিবাদের দোহাই দিতে ভালো লাগে না... আসলে আমাদের গোটা সিস্টেমটাই এমন হয়ে গেছে, যমুনা ফিউচার পার্ক এখানে খুব সহজে দাঁড়িয়ে যায়, আর সামান্য পোল্ট্রি আর ডেইরী মার খায়... সিস্টেমটা বদলানো কঠিন, কিন্তু আমরা যদি নিজেদের প্রোডাক্টের মান ভালো করতে পারি, অন্তত দেশীয় প্রোডাক্টগুলোতে দুইনাম্বারী করা বাদ দেই তবে বর্জন করার মতো বিদেশী পণ্য পাওয়াই কঠিন হবে এমন বিশ্বাস।

ছোট একটা ডেইরী ফার্ম দেবার শখ ছিলো, কিন্তু জটিলতা অনেক রে ভাই... মানুষের মানসিকতাই বদলায় নি, বাকীগুলা তো বাদ ই দিলাম :(

৫৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২১
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: দারুন লাগলো..সত্যিই নতুন করে ভাবার সুযোগ পেলাম..যে দেশের ফুটপাতে আহাজারি করে শ্রমিক, শিশু বৃদ্ধ..দুর্নীতি যার শিরায় শিরায় রাজনীতির ফাঁদে আচ্ছন্ন..বিলাসীতা কাদের জন্য??..
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: জেডা তোমাগো মতো দুই একজনের মনে ভাবনাটা তুলে দিতে পেরেছি এটাই অনেক বড় পাওয়া :)

৫৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৭
অ্যামাটার বলেছেন: পুঁজিবাদের জয় হোক, আপনাকে তিরস্কার করলাম, গ্রহণ করেনX(
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: আফনে কি ভাবুলের দুস্ত নি ;)

৫৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
অরণ্যচারী বলেছেন: অসাধারণ লিখছেন... আগেই মনে হয় পড়ছিলাম কিন্তু কমেন্ট করা হয় নাই।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :)

৫৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১১
মদন বলেছেন: জটিলসসসসসসসসসসসসসসসসসস :)
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: :)

৫৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০
যুগান্তকারী বলেছেন: পুরো সহমত।বাংলাদেশ অচিরেই মোটর গাড়ি উৎপাদন শুরু করবেীর জন্য ওয়ালটন মালয়শিয়ার আগেত গ্রুপের সাথে কথা বার্তা শেষ করেছে।আরেকটা ভালো খবর হল এখন আমাদের দেশের তৈরী ওয়ালটন মোটর সাইকেল এবং অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী মালয়শিয়া সহ অন্যান্য দেশে রফতানী শুরু হয়েছে।
http://www.waltonbd.com/
Click This Link
Click This Link
ভাই এই বিষয়ে আপনার একটা লেখা আশা করছি।আমার বক্তব্য মুলত উপরের লিঙ্কগুলোর উপরে ডিপেন্ড করে।পোস্টে প্লাস।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: ভাই চমৎকার খবর, এটা নিয়ে শুনেছিলাম কিন্তু আপনার লিংক পড়ে ভালো লাগলো। ওয়ালটনের বাইকগুলো ভালোই। ট্যুরে ঘুরার সময় অনেক হোটেলে ওডের টিভি ফ্রীজ দেখলাম ভালোই হবে। মোটর গাড়ীর কিংবা ১০০০ মেগাওয়াটের কয়লা বেইজড পাওয়ার প্লান্টের উদ্দ্যোগ সফল হলেই হয়।

লিখবো অবশ্যই :)

৫৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
তৃষ্ণার্ত বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন। আপনার সাথে একমত।
তবে, একটা কথা স্বীকার করছি, আপনি যেসব বিলাসী আর অপচয়কারীদের কথা বলেছেন, আমিও যে তাদের দলে।
আমি শুধু একমতই পোষণ করতে পারি, কিন্তু নিজেকে বদলে ফেলে সত্যিকারের দেশাত্মবোধের পরিচয় কি আমি দিতে পারব?

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: আসলে আমাদের মতো কনজিউমারদের বিলাস পণ্য বর্জন অবশ্যই করতে হবে কিন্তু আমাদের যারা দেশীয় উদ্যোক্তা মূলত: তাদেরই এক্ষেত্রে দায় বেশী। তবে আমাদের ক্ষুদ্র চেষ্টায় আমরা অবশ্যই চেষ্টা করতে পারি। সিনপ্লেক্সে গিয়ে ফাও মুভি দেখা আর পপকর্ণ খাওয়া বাদ দেওয়া কঠিন কিছু না। মোবাইলে কথা বলা নিয়ন্ত্রন কিংবা কথায় কথায় মোবাইলের মডেল বদল এগুলা কি খুব দরকারী। ফাষ্ট ফুড খাওয়া কন্ট্রোল করা যায়ই। আমি যদি ফোনে কথা বলি, চেষ্টা করি লোকাল কোম্পানীগুলোতে থাকতে, হাসপাতাল কিংবা হোটেল গুলোতে যখন অনেক টিভি আর ফ্রিজ পারচেজ করি তখন ওয়ালটন এর প্রোডাক্ট পারচেজ করি, বিদেশীদের অর্থ না দেই। এমন ছোট ছোট অনেক কিছু করা যায় যেটা শুরু হতে পারে, ভবিষ্যতে এটাই হয়তো অনেক বড় কিছু হতে পারে। সামনে এই নিয়ে ঈদের পরে একটা লেখা দিবো :)

৫৯. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭
তৃষ্ণার্ত বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জবাব দেওয়ার জন্য। আসলেই একটু করে আমরা তো এগুলো করতেই পারি। এক্ষেত্রে আমাদের পাশের দেশ একটা উদাহরন হতে পারে।
৬০. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১১
মাছুম পলাশ বলেছেন: দারুন। দোকানের দামটা শেয়ার করি ৪৫১ বর্গ ফুট দাম মাত্র ২ কোটি বিশ লাশ টাকা দশ কিস্তিতে আর একবারে দিল ১০% ছাড় মানে বিশ লাখ টাকা লাগবে না...........ওয়াও ;) ;)
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: দুই কুটি টেকা দিয়া মাইনসে ফিউচার পার্কে দুকান দিবে??!!?? হায়রে আমাগো টেকা সব কই যায় :( আফসুস...

৬১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সরি, একমত হতে পারছি না।

আবেগ দিয়ে একটা দেশ চলে না। আপনার আবেগকে সম্মান করছি।
কিন্তু যে দেশের মানুষ না খেয়ে থাকে সে দেশের মানুষের খাবার জন্যেই এই ধরনের বিলাশবহুল মার্কেট ইতিবাচক।

দেশে গত কিছু বছর ধরে মানুষ আলগা বিলাসিতা দেখাচ্ছে বলেই অর্থনীতির চাকা ঘুরছে। টাকা খরচ না করলে টাকার চাকা গজায় না। চাকা না গজালে সেই টাকা অলস এবং অর্থহীন।

মার্কেট হলে রিটেইল চক্র গতিশীল হবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনেকগুলো শ্রেনীর মানুষ ভোক্তা ও বিক্রেতা লাভবান হবে অর্থনীতির জন্য এটা গুরুত্বপুর্ন।

তবে বিদেশী পন্যে চেয়ে দেশী পন্যকে উতসাহীত করা উচিত। আর সেজণ্যএো দরকার পুজি। দেশের কাউকে বিদেশের চেয়ে ভাল বা সমমানের পন্য নিয়ে এগিয়ে আস তে হবে।

এদিক থেকে যমুনা বা বসুন্ধরা সিটি কিন্ত অনেক দেশী ক্রেতার বিদেশ গতম ঠেকিয়েছে। এটাও মাথায় রাখা দরকার।

বিদেশী পন্যের সাথে কম্পিটিশনব করে প্রায় মার্কেট দখল করে নিয়েছে দেশের কিছু পন্য, দেখেন প্রান কে। প্রান জুস সেজানকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। বসুন্ধরা টিস্যু ফে টিষ্যুকে বরবাদ করেছে। এমন আরও অনেক উদাহরন আমাদের দরকার।
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই। মার্কেট করার বিরোধীতা করি নাই। মার্কেট না করলে আমরা পণ্য বেঁচবো কই। তবে এক্সট্রা বিলাসীতার বিরোধীতা করেছি অবশ্যই। বসুন্ধরা সিটি কিংবা যমুনা ফিউচার পার্ক টাইপের মার্কেটে মেইন বিজনেসটা একটু দেইখেন, সিনপ্লেক্স, ফুডকোর্ট, সিডি ডিভিডি মার্কেট, মোবাইল জোন - এইসব। কাপড়ের কথা যদি বলেন তো প্রতিষ্ঠিত ব্রান্ড গুলো যেমন ইয়েলো ব্রান্ড, ক্যাটস আই, ওয়েস্টেক এসব বাদে জেনারেল শপ গুলো এক ঈদ বাদ দিলে বাকি সময় মশা মাছির আখড়া হয়েই থাকে। আর হবেই না কেনো এরা কি প্রডাক্ট এর নামে কি যে দেয় অবাকই লাগে।

সবচেয়ে মজার কথা হলো কোয়ালিটি অফ সার্ভিস। আপনে বিশ্বমানের আর্কিটেকচার ব্যবহার করছেন, বিশ্ব মানের জিনিস রাখছেন কয়টা। এক কাপড়ের কথাই যদি বলি আমার বাচ্চার কাপড় কিংবা অন্যান্য প্রডাক্ট কিনতে আমি গুলশান এক এর মার্কেট কিংবা নিউমার্কেটে যত কমফোর্ট ফিল করি আর যে প্রাইসে পাই সেটার কাছাকাছি কোয়ালিটি কিংবা কমফোর্ট কিন্তু বসুন্ধরায় পাইনাই। আমাদের দেশে হাজারটা ওয়ান স্টপ মল খুলেন কিংবা হাজারটা বসুন্ধরা সিটি -- উপরের চাকচিক্য এটাকে হয়তো ভালো একটা ডেটিং প্লেস হিসাবে কিংবা বিকালের আড্ডার লোকেশন বানাবে, কিন্তু প্রডাক্ট কোয়ালিটি মেইনটেইন করতে না পারলে মূল উদ্দেশ্য শপিং সেটা কখনো পুরা হবে না তাই না।

যারা বিদেশে শপিং এ যেতেন, যাদের আসলে ভালো প্রডাক্ট সম্পর্কে জ্ঞান আছে তাদের কেউ কেউ হয়তো হাজার চাকচিক্যের ভীড়ে আসলটা বাছতে পারবেন, বাকীরা কিন্তু হাজার টাকা বেশী দাম দিয়ে লাউ না কিনে কদুই কিনছে, এর বেশী কিছু না।

শেষ প্যারাটা জটিল বলেছেন.... এইরকম হাজারটা উদাহরণ প্রতিনিয়ত আমাদের সামনে উঠে আসছে -- এরকম একটা দিনের প্রত্যাশাতেই কিন্তু এই পোষ্ট....

৬২. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মার্কেটে ইনভেষ্ট না করে ইন্ড্রাষ্ট্রি তে করা দরকার ছিল এমন কথারও কোন ভিত্তি নেই। মার্কেট ও করতে হবে। মার্কেট না থাকলে দ্রব্য বেচবেন কোথায়?
দুটোরই দরকার। একটা বাদ দিয়ে আরেকটা নয়।
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: মার্কেট অবশ্যই দরকার... তবে দেশকে প্রমোট করে এমন মার্কেট বেশী দরকার.... তেমন মার্কেটের বোধ হয় দেশে অভাব নাই, আরেকটা এতো বড় প্রজেক্ট না হলে কি আর দেশের মানুষ না খেয়ে থাকবে? অবশ্যই না.... খামাখা বিদেশী বিলাশ পণ্যের আরেকটা চমৎকার মহোৎসব কিংবা ভালো আরেকটা এয়ার কন্ডিশনড বেড়ানোর জায়গা না বানিয়ে বরং পড়ে থাকা সেক্টরগুলোতে এই বিশাল ইনভেষ্টমেন্টটা কাজে লাগানো হয়তো যেতো। সবাই যদি তাদের টাকা রিয়াল এষ্টেট আর মার্কেট বানানোতে খাটায় তাহলেও বোধ হয় ভালো কিছু হবে না।

৬৩. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: চমৎকার পোস্ট
+++++++++++++++++

প্লাস ই দিবো , তারপর ভুলে যাব , নির্লজ্জের মত হয়ত আমি নিজেই একদিন ঐ খানে মুভি দেখতে চলে যাব :(
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: প্লাস মাইনাস ব্যাপার না, তয় আমরা যদি মান্থলি বিলাসিতার লাগামে হালকা রাশ টানতে পারি তবে মন্দ হয় না... আমরা তিন কলিগ আগে কিছু হইলেই অফিস ফালায় দুপুরে কে এফ সি কিংবা বেলা ইটালিয়ায় দৌড় দিতাম.... তয় এই কয় মাস কৃচ্ছতা সাধন করতাছি, অন্তত এক হাজার করে মাসে বাঁচায় সেই টাকা কারও হেল্পে কাজে লাগাইতে পারলে অনেক ভালো লাগে। এই ভালো লাগাটাই আরেক হাজার সেভ করার ইচ্ছাটাকে জাগাচ্ছে.... চেষ্টা করছি এই উপলব্ধিটা আর পাঁচজনের মাঝে ছড়িয়ে দিতে...

তয় মাঝে মাঝে রিক্রিয়েশন দরকার আছে... তবে একটু লাগাম ধরে এই আর কি... আমি অবশ্য সিনপ্লেক্সে মুভি দেখি না, আগ্রহও পাইনা... আমার ল্যাপ্লিই অনেক ভালো :)

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৬৫. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: চমৎকার বলছেন ভাই

অনেক ধন্যবাদ
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৫৪২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষকে আরো বেশী কথা বলানোর চেষ্টা করি, দেশের টাকা দেশে রাখার চেষ্টা করি আর সবই করি অন্যের ব্যবসা বাড়াতে। চোখ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই