আমার প্রিয় পোস্ট

লেখার কিছু পাই না, তাই আবোল তাবোল লিখি

১৮ই জানুয়ারীতে ঢাবি ঘটনায় ছাত্রলীগের জরিত থাকার প্রমান পাওয়া গেলোঃ চমকে দেবার মত ভিডিও

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩

শেয়ারঃ
0 1 0

কিছুক্ষন আগে ফেইস বুকে পাওয়া একটি ভিডিও দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম।

ভিডিও টি তে ১৮ই জানুয়ারী ২০১০ এ ঘটে যাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের একটি বিশ্লেষন পয়া গেলো। সেখানে দেখতে পেলাম ছাত্রলীগের এক কর্মী ছাত্রদল নেতা টুকুর উপর হামলা চালায় এবং পরবর্তীতে দেখা যায় সেই ছাত্রলীগের কর্মী ছাত্রলীগের মিছিলে স্লোগান দিচ্ছে। ব্যপারটি খুবই আশ্চর্যজনক। আমি নিজেও ঐদিন ভেবেছিলাম ঐ সঙ্ঘর্ষের জন্য ছাত্রদলের দুই পক্ষই দায়ী। এখন দেখি উলটো ঘটনা।

ভিডিও টি দেখুনঃ
ফেইসবুক Click This Link



এখন আমাদের দেশের ভবিষ্যত কর্নধারদের যদি এই অবস্থা হয়, তবে আমাদের দেশের ভবিষ্যত কি?

এই ধরনের ছাত্র রাজনীতি আমরা চাই না। এই ছাত্র রাজনীতির আমাদের দেশে কোন প্রয়োজন নেই।

দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি সকল ধরনের ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার দাবী জানাচ্ছি।

--------------------

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছাত্রলীগঢাবিছাত্রদল ;
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৯
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: বাঃ কি চমৎকার দেখা গেল।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: ২ জনের ভাল লাগেনি, ভয় পাইছি। এখানেও দেখি ওরা উত পেতে বসে আছে? :(

২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১০
আলুমিয়া বলেছেন: আমার খোমাবই নাই - তাই দেখতে পারি না।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: জটিল জিনিস মিস করসেন ;)

৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১০
রাঙা মীয়া বলেছেন: নাউযুবিল্লা ! এডি কি কচ্ছেন ? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি মিথ্যা বলতে পরেন :P

সব শিবিরের ষড়যণ্ত্র :P
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: এইয়্যা কি কইলা মনা? ;)

৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১১
তাহের বলেছেন: টুকুরে মারলেই কি আর না মারলেই কি, টুকু তো ভাত্রই না।

Click This Link
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: দেশে মন্ত্রী মিনিষ্টার মরলেও আমার কোন আশে যায় না। তবে কন্সপাইরেসি থিউরী কিন্তু কোথাও ভালো না। এসবের ফান্দে আপনিও পরতে পারেন।

৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩
'লেনিন' বলেছেন: আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডাররাই ক্যাম্পাসগুলোতে শোডাউন করে। সুতরাং প্রথম আলোর খবরেও 'ছাত্রদলের নিজেদের মারামারি' দেখে কিছুটা আশ্চর্য হয়েছিলাম।

ভিডিওর লিংকটি আমিও পেয়েছি।

তবে আমার মত হচ্ছে : ছাত্ররাজনীতি তা ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, শিবির যারাই করছে সব নির্মূল করে দেয়া উচিৎ এসব বিষফোঁড়া এবং জাতির জন্য ক্ষতিকর। লেজুরবৃত্তিমূলক ছাত্রসংগঠন থাকার চেয়ে কোনো সংগঠন না থাকা আরো ভালো।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে ২০০% একমত

৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩
রাঙা মীয়া বলেছেন: ভাদার দল চুপিসারে মাইনাস দিচ্ছে :-*
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: দিতে থাকুক। তাতে কার কি আসে যায়? যেদিন ওদের মাথায় কেউ কাঠাল ভেঙ্গে খাবে, সেদিন বুঝবে।

৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:

ইউটিউবে দাও ভিডিওটা।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: ঐখানে আছে নাকি জানি না। আমি ফেইস বুক থেকে পাইছি। তাই দিলাম।

৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৬
লুলু পাগলা বলেছেন: লেখক বলেছেনঃ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি সকল ধরনের ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার দাবী জানাচ্ছি।

একমত নই। বরং লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: তাইলে আজীবন এসব দেখতে থাকেন।

৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৮
ত্রিভুজ বলেছেন: আওয়ামীলীগ আর আওয়ামী মিডিয়ার মিথ্যাচার পুরানো বস্তু... তাই চমকে যাওয়ার কিছ পেলাম না। শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: কিন্তু আমি চমকাইছি। কারন আমি নিজেও শিউর ছিলাম ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে মারাম্রি হইছে।

১০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৯
ইশতে আশিক বলেছেন: মানুষ মিথ্যা বলে কিন্তু টেকনোলজি মিথ্যা বলেনা। সুতরাং টেকনোলজির কাছে সব বাটপার পরাজিত।
সুতরাং বাটপারেরা সাবধান।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: সত্য কথা।

১১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৯
নস্টালজিক বলেছেন: ভিডিয়ো টা ইউটিউব এ দেখলাম কাল!
শকিং!!
১২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৯
টোটাল ভালবাসা বলেছেন: আমরা শান্তিতে বাচতে চাই।
১৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২০
বিডি আইডল বলেছেন: এই পোষ্টে মাইনাচ পার্টির বক্তব্য কি?

ইউটিউবে লিংক থাকার কথা...দেখছি
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: এতোক্ষনে পাইছি লিঙ্কু দিলাম।

ওনাদের বক্তব্য থাকার কথা না।

১৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২০
লুলু পাগলা বলেছেন: @ তিরভুজ, তাইলে তুমাগো ছাগু শিবিরের কি হইবো?? ক্যামতে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করবা? ক্যামতে রগ কাডাকাডি করবা??
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: ধনব্যাদ

১৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২১
ফাহিম আহমদ বলেছেন: দেশ নরকে পরিনত হতে বিলকুল দেরী নাইরেেেেেেেে। :-/

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: ছবির মানে কি?

১৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২১
বিডিআর বলেছেন: ছাত্রলীগ না । ঐটা হচ্ছে কুত্তা লীগ।

ছাত্ররা যা খেলা দেখাইতাছে তাতে তাদের কোন সংগঠন দরকার নাই। আমি সিওর এই ছাত্র গুলো বই এর ধারে কাছে দিয়েও যায়না।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: এভাবে বলতে হয়না ভাইয়া।

১৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৩
রুপন্তী বলেছেন: দরকার নেই ছাত্র রাজনীতির।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: ৫০০% সহমত

১৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৯
াহো বলেছেন: http://iftheker.amarblog.com/posts/96789




ছাত্রদলের নয়া নেতাদের কেউ ছাত্র নন। সবাই বিবাহিত। এ কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ঢাবি তৃণমূলের ছাত্রদল কর্মীরা।

ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির ৫ সদস্যের নাম বুধবার রাতে ঘোষণা করা হয়েছে। এ ৫ নেতা হচ্ছেন_ সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আমিরম্নল ইসলাম খান আলীম, সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল, যুগ্ম সম্পাদক আমিরম্নজ্জামান খান শিমুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ ৫ জনের কেউই এখন আর ছাত্র নন এবং সবাই বিবাহিত। এছাড়াও তাদের বিরম্নদ্ধে জঙ্গি মদদদাতা, নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এসব অভিযোগে অভিযুক্ত করে এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা গতকাল নবগঠিত কমিটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে।


ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরম্নদ্ধে অভিযোগ : টুকুর ভাই আবদুস সালাম পিন্টু প্রথমে শিল্প উপমন্ত্রী ও পরে শিক্ষা উপমন্ত্রী থাকাকালে ভাইয়ের প্রভাবেই কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে টুকু গং। এছাড়াও টুকুর দুই ভাই কারাবন্দি পিন্টু ও পলাতক মাওলানা তাজউদ্দিন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি। তাদের বিরম্নদ্ধে জঙ্গি মদদেরও অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রদলের সর্বোচ্চ আসনে জঙ্গি পরিবারের সদস্যকে অনত্দর্ভুক্ত করায় ছাত্রদল ছাড়াও বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। টুকুকে ২০০৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়। দায়িত্বে থাকাকালে তারা জসীমউদদীন হল, জিয়া হল, সূর্যসেন হল ও মহসীন হলে কমিটি গঠনে ব্যাপক আঞ্চলিক ও স্বজনপ্রীতি করে। এ কারণে পরবর্তী সময়ে এফ. রহমান হলের কমিটি গঠন করতে গেলে ক্ষুব্ধ কর্মীরা সমাবেশে বোমা ফাটায়। পরে হওয়া ভবন থেকে বিশেষ নির্দেশে তার কমিটি স্থগিত করা হয়। টুকু ১৯৮৫-৮৬ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, বর্তমানে তিনি বিবাহিত এবং একটি কন্যাসনত্দানের জনক। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে পরাজিত হন টুকু।

সাধারণ ছাত্রদল নেতাদের চোখে সাধারণ সম্পাদক আমীরম্নল ইসলাম আলীম 'চরিত্রহীন'। উদাহরণ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতা জানান, ২০০৪ সালে আলীম ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি। ওই সময় অনেক ছাত্রীর শস্নীলতাহানি ঘটায়। এ অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি হলের ছাত্রদল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দাবির মুখে সে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। বর্তমানে আলীমের গ্রুপে যারা রয়েছে, তাদের অনেকেই বহিষ্কৃত এবং জহুরুল হক হলের ছাত্রদল নেতা খোকন হত্যা মামলার আসামি। তিনি ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, তিনি বিবাহিত।

সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল বিরম্নদ্ধে সাংগঠনিক অদক্ষতার পাশাপাশি চুরির অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জানান, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিতে গম চুরির অভিযোগ ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বিরুদ্ধে মিছিল হয়। বাবুল ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, তিনি বিবাহিত। তার এক মেয়ে নগরীর একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। যুগ্ম সম্পাদক আমিরম্নজ্জামান খান শিমুলের বিরম্নদ্ধে অভিযোগ, তিনি সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নন। ১৯৯০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। বয়সের কারণে এ দুই নেতা চেয়েছিলেন মূল বিএনপির হয়ে রাজনীতি করতে। কিন্তু টুকুর আগ্রহেই ছাত্রনেতা তালিকায় আবারও নাম উঠেছে এ দুই নেতার। ১/১১ প্রেক্ষাপটে শুরুর দিকে এ দুই নেতা রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না।

সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, ছিনতাই ও চাঁদাবজির অভিযোগ রয়েছে। কোতোয়ালি থানায় তার নামে ছিনতাই-সন্ত্রাসের মামলা রয়েছে। বর্তমানে খোকন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। নির্বাচনে এ পদে হেরে যাওয়ার পরও আমান উল্লাহ আমানের হস্তক্ষেপে এ পদে আসীন হয়েছিলেন। এ কারণে তাকে দীর্ঘদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেয়নি ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।

সূত্র মতে, কমিটি গঠনের আগে থেকেই কমিটি পেতে ছাত্রদল তিন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক গ্রুপের নেতৃত্ব ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল। অপর একটি অংশের নেতৃত্ব দেন সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি বর্তমান সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও সাবেক সহ-সভাপতি জয়নত্দ কুমার কুন্ডু। এছাড়াও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমীরুল ইসলাম আলীম ও খোকনের নেতৃত্বে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় ছিল। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু গ্রম্নপের প্রতি আগে থেকেই সমর্থন দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, বিএনপির দপ্তর সম্পাদক রিজভী আহম্মেদ, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন ও যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রম্নল কবির খোকন। এসব নেতা টুকুর গ্রম্নপটিকে কমিটির নেতৃত্বে আনতে বিভিন্নভাবে সহয়তা করেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার কাছে নেতারা জানিয়েছিলেন, হেলাল-বাবু ও তার অনুসারীরা সাংগঠনিক কর্মকান্ডের চেয়ে লুটপাটে ব্যস্ত ছিল। উদাহরণ দিয়ে ওই গ্রুপ জানায়, শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিল্ডিং নির্মাণকালেই হেলাল-বাবু চাঁদা নিয়েছে ৮০ লাখ টাকা এবং সিলেট এয়ারপোর্ট থেকে নিয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। এটা ছাত্রদলে ওপেন সিক্রেট। শফিউল বারী বাবুর ছিল অস্ত্র মামলা। এ দুই নেতাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে লিয়াজোঁ রাজনীতিতে লিপ্ত ছিল বলে ছাত্র আন্দোলন-সংগ্রাম সম্ভব হয়নি। ফলে ওই সরকার আমলেই বাবুর অস্ত্র মামলা খালাস পায়। ছাত্রলীগ নেতা পার্থ মজুমদার হত্যা মামলার আসামিও হেলাল-বাবুসহ তার অনুসারীরা। বেগম জিয়ার কাছে বাবু গ্রুপের ব্যাপারে নেতিবাচক উপস্থাপনার কারণেই বাবু গ্রুপ কমিটি থেকে বাদ পড়ে। আর আলীমের প্রতি আশীর্বাদ ছিল বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের। কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলার সময় খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলীমের সাক্ষাৎ করার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন শিমুল বিশ্বাস। এজন্য প্রত্যাশা অনুযায়ী সভাপতি পদ না পেলও সাধারণ সম্পদকের পদ পেয়েছেন।

নবগঠিত কমিটির বিরম্নদ্ধে মাঠপর্যায়ের ত্যাগী ছাত্রদল কর্মীরা গতকাল দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে মিছিল বের করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে ডাকসুর সমানে সমাবেশ করে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন_ জসীমউদ্দীন হলের ক্রীড়া সম্পাদক জসীমউদ্দিন জসীম, বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম সম্পাদক আকরামুল হাসান, ছাত্রনেতা জাহানীর আলম হিমেল, মামুনুর রশিদ প্রমুখ।

নবগঠিত কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সমাবেশে বক্তরা বলেন, এ কমিটির নেতারা অছাত্র, জঙ্গি মদদদাতা, নারী কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, অসাংগঠনিক ও অযোগ্য। এদের অনেকে ১/১১ পেক্ষাপটে বেগম জিয়াকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও যুক্ত। নবগঠিত কমিটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তারা বলেন, বাবার বয়সী কাউকে ছাত্রনেতা হিসেবে আমরা দেখতে চাই না। ক্রিয়াশীল সব ছাত্র সংগঠনকে নবগঠিত এ কমিটিকে বয়কট করার আহ্বান জানান তারা।
ছাত্রদলের নয়া নেতাদের কেউ ছাত্র নন। সবাই বিবাহিত। এ কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ঢাবি তৃণমূলের ছাত্রদল কর্মীরা।

ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির ৫ সদস্যের নাম বুধবার রাতে ঘোষণা করা হয়েছে। এ ৫ নেতা হচ্ছেন_ সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আমিরম্নল ইসলাম খান আলীম, সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল, যুগ্ম সম্পাদক আমিরম্নজ্জামান খান শিমুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ ৫ জনের কেউই এখন আর ছাত্র নন এবং সবাই বিবাহিত। এছাড়াও তাদের বিরম্নদ্ধে জঙ্গি মদদদাতা, নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এসব অভিযোগে অভিযুক্ত করে এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা গতকাল নবগঠিত কমিটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে।


ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরম্নদ্ধে অভিযোগ : টুকুর ভাই আবদুস সালাম পিন্টু প্রথমে শিল্প উপমন্ত্রী ও পরে শিক্ষা উপমন্ত্রী থাকাকালে ভাইয়ের প্রভাবেই কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে টুকু গং। এছাড়াও টুকুর দুই ভাই কারাবন্দি পিন্টু ও পলাতক মাওলানা তাজউদ্দিন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি। তাদের বিরম্নদ্ধে জঙ্গি মদদেরও অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রদলের সর্বোচ্চ আসনে জঙ্গি পরিবারের সদস্যকে অনত্দর্ভুক্ত করায় ছাত্রদল ছাড়াও বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। টুকুকে ২০০৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়। দায়িত্বে থাকাকালে তারা জসীমউদদীন হল, জিয়া হল, সূর্যসেন হল ও মহসীন হলে কমিটি গঠনে ব্যাপক আঞ্চলিক ও স্বজনপ্রীতি করে। এ কারণে পরবর্তী সময়ে এফ. রহমান হলের কমিটি গঠন করতে গেলে ক্ষুব্ধ কর্মীরা সমাবেশে বোমা ফাটায়। পরে হওয়া ভবন থেকে বিশেষ নির্দেশে তার কমিটি স্থগিত করা হয়। টুকু ১৯৮৫-৮৬ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, বর্তমানে তিনি বিবাহিত এবং একটি কন্যাসনত্দানের জনক। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে পরাজিত হন টুকু।

সাধারণ ছাত্রদল নেতাদের চোখে সাধারণ সম্পাদক আমীরম্নল ইসলাম আলীম 'চরিত্রহীন'। উদাহরণ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতা জানান, ২০০৪ সালে আলীম ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি। ওই সময় অনেক ছাত্রীর শস্নীলতাহানি ঘটায়। এ অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি হলের ছাত্রদল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দাবির মুখে সে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। বর্তমানে আলীমের গ্রুপে যারা রয়েছে, তাদের অনেকেই বহিষ্কৃত এবং জহুরুল হক হলের ছাত্রদল নেতা খোকন হত্যা মামলার আসামি। তিনি ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, তিনি বিবাহিত।

সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল বিরম্নদ্ধে সাংগঠনিক অদক্ষতার পাশাপাশি চুরির অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জানান, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিতে গম চুরির অভিযোগ ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বিরুদ্ধে মিছিল হয়। বাবুল ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, তিনি বিবাহিত। তার এক মেয়ে নগরীর একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। যুগ্ম সম্পাদক আমিরম্নজ্জামান খান শিমুলের বিরম্নদ্ধে অভিযোগ, তিনি সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নন। ১৯৯০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। বয়সের কারণে এ দুই নেতা চেয়েছিলেন মূল বিএনপির হয়ে রাজনীতি করতে। কিন্তু টুকুর আগ্রহেই ছাত্রনেতা তালিকায় আবারও নাম উঠেছে এ দুই নেতার। ১/১১ প্রেক্ষাপটে শুরুর দিকে এ দুই নেতা রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না।

সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, ছিনতাই ও চাঁদাবজির অভিযোগ রয়েছে। কোতোয়ালি থানায় তার নামে ছিনতাই-সন্ত্রাসের মামলা রয়েছে। বর্তমানে খোকন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। নির্বাচনে এ পদে হেরে যাওয়ার পরও আমান উল্লাহ আমানের হস্তক্ষেপে এ পদে আসীন হয়েছিলেন। এ কারণে তাকে দীর্ঘদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেয়নি ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।

সূত্র মতে, কমিটি গঠনের আগে থেকেই কমিটি পেতে ছাত্রদল তিন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক গ্রুপের নেতৃত্ব ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল। অপর একটি অংশের নেতৃত্ব দেন সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি বর্তমান সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও সাবেক সহ-সভাপতি জয়নত্দ কুমার কুন্ডু। এছাড়াও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমীরুল ইসলাম আলীম ও খোকনের নেতৃত্বে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় ছিল। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু গ্রম্নপের প্রতি আগে থেকেই সমর্থন দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, বিএনপির দপ্তর সম্পাদক রিজভী আহম্মেদ, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন ও যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রম্নল কবির খোকন। এসব নেতা টুকুর গ্রম্নপটিকে কমিটির নেতৃত্বে আনতে বিভিন্নভাবে সহয়তা করেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার কাছে নেতারা জানিয়েছিলেন, হেলাল-বাবু ও তার অনুসারীরা সাংগঠনিক কর্মকান্ডের চেয়ে লুটপাটে ব্যস্ত ছিল। উদাহরণ দিয়ে ওই গ্রুপ জানায়, শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিল্ডিং নির্মাণকালেই হেলাল-বাবু চাঁদা নিয়েছে ৮০ লাখ টাকা এবং সিলেট এয়ারপোর্ট থেকে নিয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। এটা ছাত্রদলে ওপেন সিক্রেট। শফিউল বারী বাবুর ছিল অস্ত্র মামলা। এ দুই নেতাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে লিয়াজোঁ রাজনীতিতে লিপ্ত ছিল বলে ছাত্র আন্দোলন-সংগ্রাম সম্ভব হয়নি। ফলে ওই সরকার আমলেই বাবুর অস্ত্র মামলা খালাস পায়। ছাত্রলীগ নেতা পার্থ মজুমদার হত্যা মামলার আসামিও হেলাল-বাবুসহ তার অনুসারীরা। বেগম জিয়ার কাছে বাবু গ্রুপের ব্যাপারে নেতিবাচক উপস্থাপনার কারণেই বাবু গ্রুপ কমিটি থেকে বাদ পড়ে। আর আলীমের প্রতি আশীর্বাদ ছিল বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের। কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলার সময় খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলীমের সাক্ষাৎ করার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন শিমুল বিশ্বাস। এজন্য প্রত্যাশা অনুযায়ী সভাপতি পদ না পেলও সাধারণ সম্পদকের পদ পেয়েছেন।

নবগঠিত কমিটির বিরম্নদ্ধে মাঠপর্যায়ের ত্যাগী ছাত্রদল কর্মীরা গতকাল দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে মিছিল বের করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে ডাকসুর সমানে সমাবেশ করে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন_ জসীমউদ্দীন হলের ক্রীড়া সম্পাদক জসীমউদ্দিন জসীম, বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম সম্পাদক আকরামুল হাসান, ছাত্রনেতা জাহানীর আলম হিমেল, মামুনুর রশিদ প্রমুখ।

নবগঠিত কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সমাবেশে বক্তরা বলেন, এ কমিটির নেতারা অছাত্র, জঙ্গি মদদদাতা, নারী কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, অসাংগঠনিক ও অযোগ্য। এদের অনেকে ১/১১ পেক্ষাপটে বেগম জিয়াকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও যুক্ত। নবগঠিত কমিটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তারা বলেন, বাবার বয়সী কাউকে ছাত্রনেতা হিসেবে আমরা দেখতে চাই না। ক্রিয়াশীল সব ছাত্র সংগঠনকে নবগঠিত এ কমিটিকে বয়কট করার আহ্বান জানান তারা।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: ওনার বয়স বেশী, সেজন্য কি ওনারে পিটাইয়া মারতে হবে?

কিসের মধ্যে যে আপনারা কি খুজেন বুঝিনা।

২০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩০
অথই দীঘির জল বলেছেন: আমার ক্যাম্পাস রে বাচাও :( আমি সেশন জটে পড়তে চাইনা :((
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: বাচাউউউউউউউউউ

২১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩২
আব্দুল্লাহ্‌ আল মামুন সুজন বলেছেন: আপনে সাবধানে থাইকেন,
পাছে লীগ আবার আপনেরেই না ধরে।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: মুই ভুই ফাই। বাচাউউউউ

২২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৩
াহো বলেছেন:

ক্যাম্পাসে দিনভর ছাত্রদলের বিদ্রোহী গ্রুপের মহড়া

নিজস্ব প্রতিবদেক | তারিখ: ২০-০১-২০১০

* ১ মন্তব্য
* প্রিন্ট
*
ShareThis

« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিদ্রোহী গ্রুপ আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনভর মহড়া দিয়েছে। আজও ছাত্রদলের মূল কমিটির কাউকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দেখা যায়নি। বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা-কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিতে দেখা যায়। কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা-কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করতে না দেওয়ার লক্ষ্যে বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাদের দিনভর মহড়া ছিল চোখে পড়ার মতো।
এদিকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিদ্রোহী অংশের অন্যতম নেতা আহসানউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বিদ্রোহী নই, বঞ্চিত। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করার সময় ত্যাগী নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করা হয়নি। উপরন্তু অছাত্র, সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্তদের মূল কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা চাপিয়ে দেওয়া কমিটির ডাকা ধর্মঘটে সাড়া দেননি। বঞ্চিত গ্রুপ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে অছাত্র টুকু-আলিম গংদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রতিহত করবে।


Click This Link
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: জ্বী ভাইজান, আমিও দেখি কারা কি করে। পত্রিকার লাইগা বইসা থাকতে হয় না।

কেডা যে কেম্নে পাহারা দেয়, সবি দেখা যায়।

২৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৮
আমি মনির বলেছেন: নোংরা ছাত্র রাজনীতির কারনে আমাদের শিক্ষার পরিবেশ দিনকে দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মা-বাবারা তাদের সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দুর্ভাবনায় থাকেন, কখন কি হয়ে যায় এই আশংকায়। আজকাল স্কুল-কলেজ পর্যায়েও এর ক্ষতিকর প্রভাব লক্ষনীয়। এরা সবসময়ই ব্যবহৃত হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বার্থে। প্রতি বছরই শত শত মায়ের বুক খালি হচ্ছে এই অপরাজনীতির প্যাঁচে। এই নোংরা রাজনীতি এখনই বন্ধ হোক।

এই ধরনের লেজুরবৃত্তির ছাত্র রাজনীতি চাই না। শিক্ষাঙ্গনে শুষ্ট পরিবেশ চাই। আবার ছাত্র রাজনীতি পুরোপুরো বন্ধ হোক তাও চাই না। ছাত্ররা রাজনীতি করবে দেশের জন্য। যেমনটা করেছিল ৫২ তে।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: যেমনটা করেছিল ৫২ তে
-- ভাইয়া এটা ৫২ না। ৫২ এর ছাত্ররা তাদের কাজ করে দিয়ে গেছেন। বাইরের শক্তির শোষন থেকে আমাদের মুক্তি দিয়ে গেছেন। এখন আমাদের কাজ মনোযোগ দিয়ে লেখা পড়া করে দেশে উন্নতির জন্য কাজ করা।

২৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪২
শাকিল সারোয়ার বলেছেন: আমি তো বুঝিনা, ছাত্ররা ছাত্রসংগঠনের মাধ্যমে কি দাবী আদায় করেছে শিক্ষাঙ্গনে বা শিক্ষা-ব্যবস্থায়?

ছাত্রসংগঠনের কোন দরকার নাই। মিথ্যাবাদী ছাত্রনেতার ও দরকার নাই।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: কিছুই আদায় করতে পারে নাই।
তবে অনেক অনেক অস্ত্র আদায় করতে পারছে। ;)

২৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৬
অক্টোপাস বলেছেন: কোনো ছাত্র রাজনীতিক দলেও মাথায় যদি পুরোটাই গোবর ভরা থাকে তাহলে সেটি হলো : ছাত্রলীগ!
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: হো হো

২৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৭
অক্টোপাস বলেছেন: সব ধরনের ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হোক!!

কিন্তু এ-ও জানি, কলুষিত রাজনীতিকদের কলকাঠি হচ্ছে ছাত্ররা। সুতরাং....

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: সকল ধরনের রাজনীতির সূচনাই হয় ঢাবি থেকে। ;)

২৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৬
ও.জামান বলেছেন: এই বিষয়টা এবং ভিডিওটা নিয়ে আমি একটা পোস্ট দিয়েছিলাম।
Click This Link

মাইনাস পাবো জানতাম। তবে এমন উদ্ভট মন্তব্য আসবে জানতাম না। আপনাকে প্লাস ++++
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: একটু মসলা লাগায়ে দিবেন। দেখবেন তেল ছাড়াই খাড়ি কেমন চলে। হা হা হা ;)

২৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭
মানবী বলেছেন: পাশবিকতাই যেনো এসব অসুস্থ ছাত্ররাজনীতির সবচেয়ে বড় যোগ্যতা।
অস্ত্র হাতে ছুটে আসা ঘৃন্য নরপশুটাকে মানুষের সংজ্ঞায় ফেলা যায়না.. এরা কিভাবে ছাত্র হয়!!! নূন্যতম শিক্ষা থাকলে কেউ এমন নৃশংস হতে পারে!!!



ঘৃনা জানালাম ছাত্র রাজনীতির নামে পাশবিকতার চর্চাকে।

পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ লাল সাগর।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: ঘৃনা জানালাম ছাত্র রাজনীতির নামে পাশবিকতার চর্চাকে।

অসাধারণ বক্তব্য

২৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৩
একজন আমি বলেছেন: মাইনাস প্রদানকারী াহো র মতো কিছু চেতনাধারী রা ভিডিও দেইখাও বিশ্বাস করতেছে না; আবার আরেকজনের পোষ্ট থাইকা কমেন্ট কইরা যে কি প্রমান করতে চাইতেছে হেই জানে...হালায় ছাগল আসলেই ব্লগে ধরে!!
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: ডিজিটাল ছাগু ;)

৩০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৪
মোঃমোজাম হক বলেছেন: ১৯ নম্বরের মন্তব্য দেখে মিনে হলো লাউয়ের চেয়ে বিচি বড়।আর ছাত্রনেতারা এখন থেকে বিয়ে না করে লিভটুগেদারের (ফারুকী থিউরি) কথা ভাবতে পারেন।
এক সময় ছত্রলীগের বঞ্চিতনেতারাও ইঞ্জিনীয়ার ইনস্টিটিউটে হাসিনার সামনেই মারামারি করেছিল।এগুলো ভূলে না গিয়ে সবাই মিলে এর একটা সহজ সমাধান বের করা উচিত।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: কারো কারো আলঝেইমার রোগ থাকে।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: কৈ কিতা?

৩২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৩
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: প্রথম আলো যেভাবে ছাত্রদলের দু পক্ষের মারপিট বলে লিড নিউজ করল, তাতে করে তাদের সংবাদ পরিবেশনের সততা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। সাধারণ জ্ঞানে বলে, যে দল ক্ষমতায় থাকে তাদের ছাত্র সংগঠনের মাঝে ক্ষমতার লড়াই-দখল নিয়ে অরাজকতা হয়।

সকল প্রকার ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য যে মন্তব্য গুলো ব্লগে করতাম তাতে ছাই দিতেন এক কালের প্রগতিশীল ছাত্র রাজনীতি করে প্রতিষ্ঠিত ব্লগাররা। মুক্তিযুদ্ধে ছাত্র নেতার ভূমিকার সূত্র ধরে একালেও সেই ঐতিহ্য ধরে রাখা জরুরি মনে করেন অনেকে। আমার কথা, রাজনীতি করার আলাদা মঞ্চ আছে, পল্টন ময়দান, সংসদ ভবন আছে, শিক্ষাঙ্গনে কেন!
৩৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৯
টি-ভাইরাস বলেছেন: ছাত্র লীগ যে কি মামারা এইটা বুজবেন আসতে আসতে . খেলা আরো বাকি আছে . আপনাকে প্লাস ++++
৩৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩১
ফয়সালরকস বলেছেন:
লাউয়ের চেয়ে বিচি বড়...বাহ...ঝাঁজা!

(আসলে ছাত্রসংগঠনই থাকা উচিৎ না...দেশ সেই আগের মত কোন সংকটে থাকলে একটা তথা ছিল...এখন যা হচ্ছে সব কৃত্রিম সংকট!)
৩৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫১
মৌনোতা বলেছেন: হে খোদা হাইতির মতো একটা গজব এ দেশে নাজিল করো। মানুষ মিথ্যাচার পাপাচার অন্যায় জুলুমে নিমজিত। এদের শায়েস্তা করো এবং আমাকেও এ পৃথিবী থেকে নিয়ে যাও।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: হায় হায়, কি বললেন? আমার উপর যেন না পরে।

৩৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৬
বিবর্তনবাদী বলেছেন: মহিশূর বিশ্ববিদ্যালয়ের (ভারত) পিএচডি উপাচার্যের কাছ হতে এরচে বেশি আর কিই বা আশা করা যেতে পারে?

তাদের সমস্যা হল পৃথিবীটা আর আগের মত নাই সেটা তারা বুঝতে পারছে না। তাই তাদের কাপড় ইয়ুটিউবে খুলে যায়।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: খুব ভালা কইছেন। হা হা

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: দাঁতগুলা দেখলে ডর লাগে।

৩৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৩
আইলা বলেছেন: পুরান খবর, এটা এতদিন পরে জানলেন। ঘুমায়া ছিলেন নাকি এতদিন
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: গায়ে লাগ্লো বুঝি? আহারে! খামারে যান গিয়া।

৩৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪২
গরীবের কথা বলেছেন: এইখানে কিছু লীগের পোলাপাইনের লিস্টি আছেঃ
Click This Link
৪০. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২০
সাকীব বলেছেন: ওই ভদ্রলোক যখন 'শান্তি মিছিল' করছিলেন তখনও তো ওনার হাতে হকিস্টিক (অথবা এজাতীয় কিছু) ছিল!! একজন মানুষকে এইভাবে মারতে কতখানি অনুভূতিহীন হওয়া লাগে কে জানে!! ২৮ শে অক্টোবর রাস্তায় প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ পিটিয়ে মেরে ফেলল। তারই তো বিচার হয়নাই। এটাতো বলতে গেলে প্রায় অখবর সেই তুলনায়।

লাল সাগর, আপনাকে ধন্যবাদ অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য।
৪১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৪
লুথা বলেছেন: কল ধরনের ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার দাবী জানাচ্ছি
৪২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৫
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: জনপ্রিয়তার পূর্ণ সুযোগ নিচ্ছে প্রথম আলো। যারা বাহিরে থাকে তারা ভালো অনলাইন কোয়ালিটির কারনে প্রথম আলো পড়ে, সেই সুযোগে তারা নিজেদের মত করে খবরের ম্যানিপুলেশন করছে। আর সহজ একটা হিসেব কেন যে বোঝেনা সবাই- অস্ত্রধারীরা যদি ছাত্রদলেরই ক্যাডার হবে তবে আওয়ামী সরকার তাদের ধরবে না কেন?? আর এই ভিডিওর পরতো বোঝাই যাচ্ছে কিভাবে একটি সর্বাধিক পঠিত খবরের কাগজ হলুদ সাংবাদিকতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। কিছু মানুষ এখন এই সন্ত্রাসী ঘটনার থেকে টুকুর বয়স নিয়ে মেতে উঠেছে বেশি যা দিয়ে তারা ছাত্রলীগের সন্ত্রাস কে ন্যায্য প্রমান করার চেষ্টা করছে যেভাবে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কথা বললে শিবির রা আওয়ামী লীগেও যুদ্ধাপরাধি খোজার চেষ্টা করে রাজাকারীকে হালাল করার চেষ্টা করে। বেশি বয়সে টুকু র ছাত্ররাজনীতির গ্রহনযোগ্যতা না থাকতে পারে কিন্তু রেঞ্জ বা লাঠি দিয়ে বিনা উস্কানিতে তাকে মারাটাও নিশ্চয় কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য হতে পারেনা। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কিন্তু রাজাকার রা স্বজাতীকেই (নীতিগত বিরোধের জন্যে) মেরেছে বা মারতে সাহায্য করেছে, আজ রাজনীতির নামে কিন্তু কিছু মানুষ সেই কাজই করছে। যাইহোক, পুলিশ কি পারবে এই ভিডিওর উপর নির্ভর করে বাপ্পী নামের অই লাল পোশাক পরা ছেলেটাকে ধরতে??
৪৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩২
লুৎফুল কাদের বলেছেন: এইটাতো ভাই প্রথম দিন থেইকাই বুঝা গেছে. পুলিশের সামনে অস্ত্র নিয়ে ঘুরতাছে আর পুলিশ কিছু বলতেছেনা. পুলিশের দোষ দেইনা, ওদেরত চাকরি বাচাতে হবে. আপনেরে +
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: লজিক আছে।

৪৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৮
অথই দীঘির জল বলেছেন: যারা এগুলা করেছে এগুলা তো ঢাবির ছাত্র বলে মনে হয়না.। কিন্তু যাই হোক, আজকাল দেখি কার্জন হলের সামনে কতগুলা মস্তান পোলা হোন্ডা নিইয়ে বসে থাকে.।।। এগুলারে তো আগে কেউ কখনো দেখে নাই.।। আমাদের ক্যাম্পাসটারে নষ্ট কইরা দিলো :( :((
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ধইরা গনধোলাই দিয়া দিবেন।

৪৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সত্যি সেলুকাস! কী বিচিত্র এই দেশ!
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: কী বিচিত্র

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: সত্যি সেলুকাস!

৪৭. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪২
মেঘকন্যা বলেছেন:
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি সকল ধরনের ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার দাবী জানাচ্ছি
৪৮. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:০২
আলিফ মাহমুদ বলেছেন: এইটারেও বলে ডিজিটাল ধরা।

আরেকখান আছে। দেখেন- Click This Link

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বলার কিছু নাই। তবুও.......

আজ বহুদিন ধরে অস্ত্র টা নিয়ে আমি ঠায় দাঁড়িয়ে.........
প্রতিক্ষা এক বিপ্লবের..........
হয়তো ঘটে যাবে সে বিপ্লব,
বুঝবেনা কেউ..........
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই