আমার প্রিয় পোস্ট
- শিল্পী রবীন্দ্রনাথ...... - সুফিয়ান ডট কম
- সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের বহুরুপী আচরণ - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- মহাবিশ্বের শেষ সীমানা কোথায়? আদৌ কি আছে? - হোরাস্
- ১৯৭১ সালে সংঘটিত যেসব অপরাধের বিচার হওয়া জরুরী - একরামুল হক শামীম
- মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা, ১৬ বছর পরও কি আপনার এই বক্তব্য অনুদিত হবে না? - অমি রহমান পিয়াল
- কেন কেন কেন?: একটি সাম্প্রদায়িক ফাজলামি ও জামাতে ইসলামির সঙ্গীতপ্রীতি - অচেনা সৈকত
-
অটো চার্জার বা আইপি এস না থাকলে ৫০ টাকায় বানিয়ে নিন। - সায়েন্স জোন
- ইসলামে পতিতাবৃত্তির অনুসন্ধান - অপ বাক
- ব্লগার বর্ণ ডটের (বর্ণ.) অজ্ঞতা নাকি টিপিক্যাল জামাতি অস্বীকার? - রাস্তার ছেলে
- ফটোফানিয়া...একটা মজার সাইট... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ৭১ এর গোপন দলিল: মন্ত্রী নিজামী, মুজাহিদ মুক্তিযুদ্ধ প্রতিহত করতে ততপর ছিলেন - লায়ওনো
- রাজাকার গোলাম আযমের কুকর্মের কিছু দলিল - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বুদ্ধিজীবী হত্যার পরামর্শ (দৈনিক সংগ্রাম, নভেম্বর ১৯৭১) - বিষাক্ত মানুষ
- অ্যাম্বিগ্রাম - মজাদার এক ছবি/লেখার পদ্ধতি
- রূপক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
এখনও চলছে চাঁদাবাজী
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১১
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক বজলে কাদের কিছু চাঁদাবাজী চালু করে দিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি কালা জ্বরের ওষুধ কেলেঙ্কারী তে ধরা পড়েছেন বলে খবর আছে। কিন্তু বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থেকে টাকা নেয়া এবং রোগী দেখতে আসা আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে টিকিটের মাধ্যমে টাকা নেয়ার যে সিষ্টেম চালু করেছিলেন তা এখনও বহাল আছে।
শোনা যায় এই টাকা দিয়ে উন্নয়ন মূলক কাজ হয় কিন্তু তার নমুনা দেখা যাচ্ছে না। রেডিওলজী বিভাগ থেকে সবচেয়ে বেশী টাকা আয় হলেও দীর্ঘ দিন ধরে অচল সিটি স্ক্যান মেশিনটি আজও মেরামত হয়নি। কবে হবে সেটা ভবিতব্য জানে। আমরা সাধারণ মানুষেরা চিরদিন এক এক জন জেনারেলের ইচ্ছার কাছে জিম্মি হয়েই থাকবো? গেট পাসের টাকা দিয়ে ডে লেবার দের বেতন দেয়া হয় বলে শোনা যায় কিন্তু ওদের বেতনও নিয়মিত দেয়া হয় না।
এছাড়া অন্যান্য দূর্নীতি তো আছেই।
কর্মচারীদের প্রতি বছর যে কাপড় দেয়া হয় এবছর সেই কাপড় এতই নিম্ন মানের দিয়েছে যে আয়া রাও সেটা ব্যবহার না করে ফকির মিসকিন দের মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছে। কোন এক কর্মকর্তা নাকি বলেছিল যে এবার যে কাপড় দেয়া হবে তা তারা আগে কখনও দেখে নি। এক রসিক আয়া বলেছে যে "সত্যিই তো আমরা এত খারাপ কাপড় আগে কখনও পাই নি"।
এই দূর্নীতি কবে বন্ধ হবে?
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অচেনা সৈকত বলেছেন:
কমরেড, এইগুলা লিখলে দ্যাশপ্রেমিকরা চেইতা যাইব।দেশটারে আমরা সোনার বাংলা বানাইয়া থুইছি।এদেশের সবই ভাল, ঘুষ,দুর্নীতি, বাটপারি সবই ভাল।ভুলেও যদি নিজ দেশের কোন অসঙ্গতি লেখছেন তাইলে আপনার খবর আছে।কারণ,এ দেশে চাঁদাবাজী বইলা কোন শব্দই নাই।চাঁদাবাজী আবার কি?এগুলান তো বাংলাদেশী ছাড়া আর সব দ্যাশের লোকে করে।
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
"আমরা সাধারণ মানুষেরা চিরদিন এক এক জন জেনারেলের ইচ্ছার কাছে জিম্মি হয়েই থাকবো।"একজন অক্ষ্যাত কবির কবিতার কিছু লাইন মনে পড়ে গেল।
আমরা মিনারেল খাই না,
আমরা জেনারেল খাই।
আর মনে পড়ছে না! কবিতার নাম ছিল মিনারেল ওয়াটার। ঐ জেনারেলই খাইয়েছে জেনারেলরা!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














