বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সং¯কারের উদ্যোগ নিয়েছে যা কম বেশী সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। বিশেষ করে সরকারের দূর্নীতি বিরোধী অভিযান সকল মহলের সাধুবাদ পেয়েছে। চলমান সংস্কার কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ অনেক রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ,দূর্নীতি,অবৈধ সম্পদ অর্জন,দলীয়করন, স্বজন-প্রীতি,সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে দূর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে মামলা করেছেন । এর মধ্যে অনেক রাজনীতিবিদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তিও হয়েছে।যারা বর্তমানে জেলে সাজা ভোগ করছেন। বাকিদেরও একই ভাগ্য বরণ করতে হবে এটা প্রায় নিশ্চিত।
শিক্ষা খাতে সরকারের সংস্কার কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জোট আমলে নিয়োগকৃত উপাচার্যকে দূর্নীতির দায়ে তাদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।যা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ছিল সীমাহীন দূর্নীতি, স্বজন-প্রীতি, দলীয়করন ও অনিয়মের অভিযোগ। কিন্তু এসব অভিযোগে তাদের অব্যাহতি দেয়া হলেও তাদের কারোই সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়নি বা মামলা করা হয়নি।
এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে একই ধরনের অপরাধ করে রাজনীতিবিদরা সাজা পেলে দূর্নীতিবাজ উপাচার্যরা বাদ যাবে কেন? শুধুমাত্র অব্যাহতি বা অপসারনই কি তাদের যথেষ্ট শাস্তি ? নাকি বিদ্বান হয়েও দূর্নীতি করার দায়ে তাদের দ্বিগুন সাজা হওয়া উচিত ? আশাকরি বিষয়টি ভেবে দেখবেন সংশ্লিষ্টরা।
# এস.এম মোমিন#

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



