somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এস এম মোমিন
কৃষিবিদ এম আব্দুল মোমিন বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে কৃষি সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত। পেশায় সরকারী কর্মকর্তা হলেও তিনি কৃষি সাংবাদিকতাকে তিনি অন্তরে লালন করেন। কৃষি সাংবাদিকতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ কওে যাচ্ছেন তিনি। ২০০৩ সালে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ব

কৌতুক শুধু যৌতুক বিরোধীদের জন্যে......

১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

1. ছাত্র ও শিক্ষক
ছাত্র :”স্যার আপনি কি আমাকে এমন কোন কিছুর জন্য শাস্তি প্রদান করবেন যা আমি করিনি ?”
শিক্ষক : ”নিশ্চই নয়” বলার পর তিনি এ বিষয়ে দীর্ঘ নীতিবাক্য ও আলোচনা করলেন।
ছাত্র : স্যার আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগলো, আমি আমার বাড়ীর কাজ করিনি।

2. দোকানদারের কুকুর
একজন ব্যাক্তি একটি দোকনে হেটে প্রবেশ করে এবং একটি সুন্দর কুকুর দেখতে পায় সে দোকানদারকে জিজ্ঞেস করে তোমার কুকুর কি কামড়ায় ?
দোকানদার উত্তর দেয় ”যে আমার কুকুর কামড়ায় না
লোকটি দোকানের সামনের কুকুরকে আদর করতে যায় তখন কুকুরটি তার হ‍াতে কামড়ে দেয়।
লোকটি ক্ষুব্ধ হয়ে বলে তুমি বল্লে তোমার কুকুর কামড়ায় না !
রোকটিও ক্ষুব্ধ হয়ে বলে- আমি কি বলেছি এটা আমার কুকুর।

ভুলো মন
3.একজন বক্তা একটি বক্তৃতা তৈরী নিয়ে চিন্তায় মগ্ন ছিলেন। রাস্তায় বাক নিতে গিয়ে একটি গরুর সাথে ধাক্কা খেলেন
এবং সাথে সাথে খুব বিনয়‍াবনত হয়ে বললেন স্যার আমি আপনার ক্ষমা প্রার্থি
তারপর তিনি তার ভূলটা বুঝতে পারলেন এবং চরম মনবেদনা বোধ করলেন ।
সহসা তিনি আবার তার বক্তৃতা নিয়ে চিন্তায় মগ্ন হলেন অতপর আবার স্থানীয় মাস্তানের সাথে ধাক্কা খেলেন
সাথে সাথে তিনি চিৎকার দিয়ে বললেন সরে যা জানোয়ার!
অতপর....নিরবতা তারপর দুর থেকে শুধু আওয়াজ শুনা যাচ্ছিল...ধুম,ধাম,ঠিসুম ঠাসুম।
A Cup of Tea

নান-ইন, জাপানীজ জেন মাস্টার। তাঁর কাছে এক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর আসলেন। উদ্দেশ্য “জেন” সম্পর্কে জানবেন।
জেন মাস্টার তার সামনে চায়ের পাত্র রাখলেন। এরপর চা ঢালতে শুরু করলেন। চা পূর্ণ হয়ে গেলো, তবু নান-ইন পাত্রে চা ঢেলেই যাচ্ছেন।

প্রফেসর কিছুক্ষণ লক্ষ্য করলেন, কিন্তু মাস্টারের মধ্যে থামার কোন লক্ষণ নেই। শেষমেষ উশ-খুশ করে প্রফেসর বলেই বসলেন, “চা পূর্ণ হয়ে গেছে। এই পাত্রে আর কিছু ধরবে না।”

“এই কাপের মতোই,” সৌম্য জেন মাস্টারের উত্তর, “আপনি আপনার নিজ মতামত আর দৃষ্টিতে পূর্ণ। কিভাবে আপনাকে ‘জেন’ ব্যাখা করবো, যতক্ষন আপনার পাত্র না খালি করছেন?”



Cliffhanger

(গৌতম বুদ্ধ তাঁর শিষ্যদের কিছু গল্প-ধাঁধা বলতেন। এগুলো “Buddha Parable” নামে পরিচিত। নিচের গল্পটি তার একটি।)

বনের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে এক ব্যক্তি হিংস্র বাঘের মুখে পড়লো। বাঘ ক্ষুধার্ত বুঝতে পেরেই লোকটি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। দৌড়তে দৌড়তে সে পাহাড়ের কিনারায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন সময় পেছনে বাঘ প্রায় পৌছে গেলো। উপায় না দেখে লোকটি পাহাড়ের কিনারের নিচ দিয়ে বের হওয়া কাঠের গুড়ি ধরে ঝুলে পড়লো। কাঠের গুড়ির বেশ আলগা অবস্থা -- ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দ করে প্রতিবাদ জানায়, ভেঙ্গে পড়তে শুরু করে; লোকটি বিপদজনকভাবে ঝুলতে থাকে।

ঝুলতে ঝুলতে সে খেয়াল করলো, দুটি ইঁদুর কাঠের গুড়ির মুখে উদয় হয়েছে। উদয় হবার পরপরই তারা কাঠের গুড়িতে দাঁত দিয়ে খোঁচাতে শুরু করেছে।

পাশে তাকিয়ে লোকটি দেখলো কাঠের গুড়ির ঠিক পাশেই স্ট্রবেরীর একটি শাখা, কিছু ফল সেখানে ঝুলছে। একটি ছিঁড়ে নিয়ে সে মুখে পুড়লো।

অদ্ভুত স্বাদ স্ট্রবেরীর !



The Burden

দুইজন বৌদ্ধ ভিক্ষু বিকেলবেলা তাদের আশ্রমে ফিরছে। কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি হয়েছে, কর্দমাক্ত রাস্তা, রাস্তার ওপারে যাবার জন্যে পথের মাঝে একটি পিচ্ছিল সাঁকো রয়েছে। সাঁকোর কাছেই একজন সুন্দরী তরুনী দাঁড়িয়ে আছে, পা পিছলে যাবার ভয়ে সাঁকো পার হতে সাহস পাচ্ছেন না। বয়োজ্যেষ্ঠ ভিক্ষু তরূনীকে ধরে সাঁকোর ওপারে পৌছে দিলেন, এরপর আবার তারা আশ্রমের পথ ধরলেন।

বিকেলের শেষভাগে তরুন ভিক্ষু এসে বয়োজ্যেষ্ঠের সাথে দেখা করলেন। “জনাব, একজন ভিক্ষু হিসেবে আমরা কি কোন নারীকে স্পর্শ করতে পারি?”

বয়োজ্যেষ্ঠ উত্তর দিলেন, “না”।

-“তাহলে, আপনি ওই তরুনীকে সাঁকো পার করে দিলেন কেন?”

বয়োজ্যেষ্ঠ মৃদু হেসে বললেন, “বাছা! আমি তো ওই তরুনীকে রাস্তার ওপারেই রেখে এসেছি। কিন্তু, তুমি তো তাকে এখনো বয়ে চলেছো।”



The Other Side

একদিন এক তরুন ভিক্ষু আশ্রম থেকে ছুটি নিয়ে নিজ বাসায় ফিরছে। দূরের পথ, হাটতে হাটতে ছোট এক প্রমত্ত নদীর ধারে এসে দাঁড়ালো। নদীর স্রোত তাকে ভাবিয়ে তুললো, সে চিন্তা-নিমগ্ন হলো, “এই বাঁধা কিভাবে পার হবো?”।

ঘন্টাখানের পর সে যখন ভ্রমণ পরিকল্পনা ইস্তফা দিবে চিন্তা করছে, এমন সময় নদীর ঠিক ওপারে তার এক শিক্ষকের দেখা পেলো। গলা উঁচু করে তরুন ভিক্ষু প্রশ্ন করলো, “হে জ্ঞাণী! আমাকে দয়া করে বলে দেবেন, নদীর অপর পারে কিভাবে পৌঁছুতে হয়?”

মহামতি শিক্ষক একবার নদীর স্রোতের দিকে তাকালেন, তারপর তরুনের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিলেন, “বাছা! তুমি অপর পারেই আছো।”



Is That So?

জেন মাস্টার হাকুইন তার সাধনা এবং শিক্ষাদানের জন্যে নিজের গ্রামে অত্যন্ত সম্মানিত এক ব্যক্তি ছিলেন।

অসম্ভব সুন্দরী এক তরুনী হাকুইনের বসত-বাড়ীর কাছেই বসবাস করতো। তরুনীর বাবা-মা খাবারের ব্যবসা করতেন। হঠাৎ একদিন তারা আবিষ্কার করলেন, তাদের মেয়ে সন্তান-সম্ভবা।

বাবা-মা প্রচন্ড রেগে গিয়ে মেয়েকে চেপে ধরলেন। তরুনী প্রথমে স্বীকার করতে না চাইলেও, জেরার মুখে সে বলতে বাধ্য হলো, “হাকুইন দায়ী”।

বাবা-মা রেগে গিয়ে জেন মাস্টারের কাছে গেলেন। সব শুনে হাকুইন শুধু বললেন, “সত্যিই তাই?”

হাকুইনকে তার সমাজ একঘরে করে দিলো। সন্তান জন্ম নেবার পরে, তরুনীর বাবা-মা শিশুটিকে হাকুইনের কাছে রেখে আসতে গেলেন। তারা হাকুইনকে বললেন, যেহেতু হাকুইনই দায়ী, এই শিশুর সব দায়ভার তারই।

“সত্যিই তাই?” শিশুটিকে গ্রহন করতে করতে হাকুইন শান্তভাবে বললেন।

একবছর পর। তরুনী আর সহ্য করতে না পেরে তার বাবা-মাকে সবকিছু খুলে বললো। এই শিশুর আসল বাবা একজন তরুন, পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। বাসার কাছেই থাকে।

সাথে সাথে তরুনীর বাবা-মা হাকুইনের কাছে ছুটে গেলেন, করজোরে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। হাকুইনকে বললেন, “ও আপনার শিশু নয়। ওকে দয়া করে নিয়ে যেতে দিন।”

হাকুইন শিশুটির দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন, অনুমতি দেবার আগে শুধু বললেনঃ “সত্যিই তাই?”



The Blind Men and the Elephant

কয়েকজন মানুষ জড়ো হয়ে গল্প করছিল। হঠাত তারা সৃষ্টিকর্তা এবং ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়লো। তর্কের উপসংহারে পৌঁছতে না পেরে তারা গৌতম বুদ্ধের কাছে গেলো, “মহামতি বুদ্ধ, আমাদের বলে দিন সৃষ্টিকর্তা কেমন দেখতে?”

বুদ্ধ তার এক শিষ্যকে এক বিশালকায় হাতি এবং চারজন অন্ধ মানুষ জোগাড় করতে বললেন। এরপর অন্ধ মানুষগুলোকে এক এক করে হাতি দর্শন করালেন। তাদের জিজ্ঞেস করা হলো, হাতি কেমন দেখতে?

প্রথম অন্ধ মানুষ হাতির পা স্পর্শ করলো এবং দেয়ালের পিলার হিসেবে আখ্যা দিলো। দ্বিতীয়জন হাতির পেট স্পর্শ করলো এবং একে দেয়াল আখ্যা দিলো। তৃতীয়জন হাতির কান স্পর্শ করে একে কাপড়ের টুকরো হিসেবে বর্ণনা করলো। চতুর্থজন হাতির লেজ ধরে একে দড়ির টুকরো মনে করলো।

এরপর বুদ্ধ সেই তার্কিকদের জিজ্ঞেস করলেন, “চারজন অন্ধ মানুষ হাতিকে স্পর্শ করেছে কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা দিয়েছে। বলো, কোন উত্তরটি সঠিক?”



Temper

এক ছাত্র তার জেন মাস্টারের কাছে অভিযোগ করলোঃ “মাস্টার, আমার প্রচন্ড রাগ। কিভাবে রাগ দূর করি?”
-“অদ্ভুত ব্যাপার। তোমার রাগ আমাকে দেখাও” মাস্টার জানতে চাইলো।
-“কিন্তু, এখন কিভাবে রাগ দেখাবো?” ছাত্র জিজ্ঞেস করলো।
-“কখন দেখাতে পারবে?” মাস্টারের জিজ্ঞাসা।
-“এটি হঠাৎ করেই জাগে” ছাত্র উত্তর দিলো।
-“তাহলে, এটি তোমার অন্তর্গত নয়।,” মাস্টার বললেন। “যদি অন্তর্গত কিছু হতো, তুমি যেকোন সময়ে একে দেখাতে পারতে। যখন তুমি জন্মেছো তখন এর অস্তিত্ব ছিল না এবং তোমার অভিভাবকও তোমাকে এটি উপহার দেন নি। মনে করো, এটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।“



Maybe

এক গ্রামের এক কৃষক সারাদিন ফসল আর গবাদি পশুর পেছনেই খাটতেন। বহুবছর ধরেই তিনি কঠোর পরিশ্রম করছেন। হঠাত একদিন কৃষকের ঘোড়াটি পালিয়ে গেলো। খবর শুনে কৃষকের প্রতিবেশীরা স্বান্তনা দিতে আসলেনঃ “খুবই খারাপ সংবাদ বটে”।

“হতে পারে” কৃষক উত্তর দিলেন।

পরদিন সকালে তার ঘোড়া আবার নিজেই ফিরে এলো, সাথে করে আরো তিনটি বন্য ঘোড়া নিয়ে এসেছে।

“কি অসাধারণ ব্যাপার”, প্রতিবেশীরা খবর শুনে দেখা করতে আসলেন।

“হতে পারে” বৃদ্ধ কৃষকের উত্তর।

সেদিন বিকেলে তার ছেলে বন্য ঘোড়ার পিঠে চড়বার চেষ্টা করছে, ঘোড়া ঝাকুনিতে ছিটকে পড়ে গেলো, পা ভাঙ্গলো। প্রতিবেশীরা এসে স্বান্তনা দিতে লাগলেন। “দুঃখজনক”।

“হতে পারে” কৃষক উত্তর দিলেন।

দিন পর, মিলিটারি বাহিনী গ্রামে তল্লাশী চালিয়ে তরুন, শক্ত-সামর্থ্য ছেলেদের ধরে নিয়ে গেলো, সেনাবাহিনীতে কাজ করানোর জন্যে। পা ভাঙ্গা দেখে তারা কৃষকের ছেলেকে বাদ দিলো। প্রতিবেশীরা এবার অভিনন্দন জানাতে আসলো, “আপনার ভাগ্য খুবই প্রসন্ন”।

“হতে পারে” কৃষক আবারও উত্তর দিলেন।



বোনাসঃ Teaching the Ultimate

প্রাচীনকালে জাপানে বাঁশ, পাতা আর মোম দিয়ে লন্ঠন তৈরী করা হতো। এক অন্ধ মানুষ তার বন্ধুর সাথে দেখা করতে এসেছিলেন, ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে গেছে। বন্ধু তাকে লন্ঠন নিয়ে যেতে বললো।

“আমার লন্ঠন দরকার নেই,” অন্ধ লোকটি বললো। “আলো-অন্ধকার সবই আমার জন্যে সমান।”

“আমি জানি পথ খোঁজার জন্যে তোমার লন্ঠন দরকার নেই”, বন্ধু উত্তর দিলো, “কিন্তু, লন্ঠন না নিলে অন্ধকারে কেউ তোমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিতে পারে। লন্ঠন নিয়ে যাও।”

অন্ধজন লন্ঠন নিয়ে যাত্রা শুরু করলো, বেশ কিছুদূর যেতেই একজন আগুন্তুক তার দিকে এগিয়ে এলো। “জনাব, খেয়াল করে পথ চলুন।”

“আমার হাতে লন্ঠন আছে, দেখতে পাচ্ছো না?” অন্ধজন জিজ্ঞেস করলো।

“আপনার লন্ঠনের মোম শেষ হয়ে গেছে” আগুন্তুকের উত্তর।

ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৩২
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×