আমার প্রিয় পোস্ট
- আজ ১২ ই নভেম্বর ওদের জন্মদিন - জুন
- ডাডাবাদ থেকে সুররিয়ালিজম: অবিস্মরণীয় সেই শৈল্পিক উত্তোরণ - ইমন জুবায়ের
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা - ৫৪ মাটির সংসার : আবদুল মান্নান সৈয়দ (কবি আজ চলে গেলেন । ভালো থাকুন কবি !) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- চার্লস বুকোস্কির কবিতা - অমিত চক্রবর্তী
- নাফাখুম...... বাংলাদেশের নায়েগ্রা! - নীল ভোমরা
- হারিয়ে যাওয়া... - হাসান মাহবুব
- হা'ভাইত্যামী .. - মনির হাসান
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব১৯ - ত্রিশোনকু
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আদিবাসী বনাম উপজাতি বিতর্কঃ - জুল ভার্ন
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- যেখানে স্বাধীন বাংলাদেশের লজ্জা: পাহাড়ের আদিবাসীদের মর্মন্তুদ জীবন........ - সুবিদ্
- প্রসঙ্গ টিপাইমুখ বাঁধ: আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারতের অবস্থাণ এবং সাধারণ মানুষের কর্তব্য...... - সুবিদ্
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- পার্বত্য চট্টগ্রাম পাকিস্থানে অন্তর্ভুক্ত হলো যেভাবে : ইতিহাসের পথ ধরে একটি বিশ্লেষণের চেষ্টা - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ভারতের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে দেশপ্রেমিক ব্লগারদের অনৈক্য : একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ - ফিউশন ফাইভ
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- উচ্চবিত্তের সংসার (প্রত্যুত্তর কবিতা) - নাফিস ইফতেখার
- কেন লিখিনা - সামী মিয়াদাদ
- রসু খাঁ, তার খুনসমূহ এবং ক্রসফায়ারচিন্তা - সুমন রহমান
- হারিয়ে যাওয়া জাতীয় ইতিহাস- শামসুল হক (আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক) - মুনতাসির আলম
- হুমায়ূন আহমদ : আহমদ ছফার চোখে - আবু নাঈম
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- প্রবাসের পথে... (৫) ফসলের ছবি... - নতুন রাজা
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- রিওতেই তো ওরা বলে-- পেলে থার্ড, আমি ফার্স্টঃ বাংলা কাগজে মারাডোনার সাক্ষাৎকার... - জাতেমাতাল
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাঃএর কিছু দালিলিক প্রমাণ,আশা করি বিভ্রান্তি এবার দূর হবে - যাযাবর রাজিব
- নবী - রাসূলদের সমাধিক্ষেত্র সমূহ এবং অন্যান্য ! - জেমসবন্ড
- আমরাই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ টি-টোয়েন্টি দল :: এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে উল্লসিত জুনায়েদ সিদ্দিকী - মেহরাব শাহরিয়ার
- ফারাক্কা বাঁধ : ভাসানীর লংমার্চ ও ইন্দিরা সাথে পত্রালাপ - আশরাফ রহমান
- সচিত্রে বিডিআর এর একটি অপারেশন: আমাদের ঘামে আমদানী করা জ্বালানী চলে যাচ্ছে পাশের দেশে। প্রশাসন নির্বিকার - খালেদ সময়
- নবীনদের জন্য - নাদান
- তাহলে জিয়ার মুখেই শুনুন - অমি রহমান পিয়াল
- শ্রীলংকায় পিতা আদম (আঃ) এর পবিত্র পায়ের ছাপ এবং আদমের সেতু !! - জেমসবন্ড
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- একটি মর্মস্পর্শি পত্র!(সাবধানতা-খুবই সিরিয়াস পোস্ট,চোখের পানি ফেলা আবশ্যক) - হাসান মাহবুব
- বাঁশি রবীন্দ্রনাথের একটি আধুনিক কবিতা! - হমপগ্র
- হুমায়ূন আজাদের কয়েকটি ত্রিকালদর্শী প্রবচন । (উতসর্গঃ বিশ্বের সকল মুক্ত মন কে) - সিহাব চৌধুরী
- বিষয়: ইত্তেফাকের প্রতিস্ঠাতা - সেলটিক সাগর
- জর্জ বুশের বাণী - লুনা রুশদী
- নিরপেক্ষ সুচিন্তিত মতামত দিন-ট্রানজিট/করিডোর। - ত্রিশোনকু
- মনযোগী হতে হবে - শামীম হাদী
প্রসঙ্গ টিপাইমুখ বাঁধ: আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারতের অবস্থাণ এবং সাধারণ মানুষের কর্তব্য......
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
বিপদটা হলো আমরা সোচ্চার হলাম অনেক দেরীতে........
ঘটনা ঘটার পরে কথা-বার্তা শুরু করে তো সত্যিকারের কোন লাভ নাই.......ইতিমধ্যে এই বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়ে গেছে (ভিত্তিপ্রস্তর করে ফেলেছে মনমোহন সিং).......আমাদের কর্মকর্তাদের সেখানে গিয়ে চা খেয়ে আসার দাওয়াত-ও দিয়েছে ভারত!!!!
আমাদের কি মনে আছে International Tipaimukh Dam Conference 2005 Dhaka Bangladesh নামে একটা সম্মেলন হয়েছিল ২০০৫-এর ৩০-৩১ ডিসেম্বরে??? এবং যাতে দাওয়াত পেয়েও মেজর হাফিজ যোগ দেননি........আবার মাল মুহিত, রাজ্জাক এনারা গিয়েছিলেন......যারা এখন কি বলতে কি বলছেন তারই কোন ঠিক নেই.......
তখন কিন্তু এই ব্যাপারটা নিয়ে তেমন কোন আলোচনাই হয়নি.......সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠতে পারে যে কেন........এইখানেই লুকিয়ে আসল মজাটা........এটা বুঝতে না পারলে শত্রু-মিত্র নিয়ে জুজুর খেলাই চলতে থাকবে দেশজুড়ে........
রাজনীতির ক্ষেত্রে আমাদের দেশে যেমন ২টি ধারা.......প্রো-আওয়ামী আর এ্যান্টি-আওয়ামী, তেমনি মিডিয়াতেও......এখন অবশ্য ছদ্ম নিরপেক্ষ কিছু পত্রিকা আছে যারা আওয়ামী লীগের প্রতি দুর্বল.......
আর বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারত সর্বদাই ফ্যাক্টর......এবং সব দলই ক্ষমতায় থাকলে ভারতের স্বার্থপন্থী হয়.....আ'লীগের সাথে ভারত অবশ্যই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, কিন্তু ক্ষমতাসীন বি.এন.পি.-ও ভারতের স্বার্থরক্ষায় সর্বদা তৎপরই থাকে.........
মনে রাখতে হবে বি.এন.পি.-র বিরোধী রাজনীতির স্ট্র্যাটেজিটাই হলো ভারত বিরোধীতা.......আ'লীগের তা নয়.......একারণে 'সুবিধাভোগী' বি.এন.পি.-র আমলে টিপাইমুখ নিয়ে তেমন সিরিয়াস আলোচনা হতোনা.......কারণ আওয়ামীপন্থী মিডিয়াতো চুপই থাকবে আর বি.এন.পি.-পন্থী মিডিয়াও তখন এইসব বিষয়কে তেমন গুরুত্ত্ব দেয়না........ভারত কিন্তু তার কাজ সবসময় ঠিকঠাক এগিয়ে নিচ্ছে.......
ফারাক্কার ব্যাপারটা দেখুন: ১৯৬৪-তে পাকের জান-পরাণের দোস্ত (?) আমেরিকার আরেক শয়তান বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় এই কাজ শুরু করে ভারত.......অথচ পাকিরা এটাকে কতটা headace হিসেবে নিয়েছিল আল্লাহ জানেন........কিন্তু ৭৪-এই বাঁধ চালু (পারীক্ষামূলক বলে পুরোদমে) হলে তার পুরো দায় একতরফা মুজিব সরকারকে চাপিয়েছি আমরা.......
তেমনি টিপাইমুখ নিয়ে কথা উঠে বাজপেয়ী সরকারের শেষ সময়ে......আমাদের উচিত ছিল তখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভারতের সাথে দ্বি-পাক্ষিক সভায় বসা, পাশাপাশি technically তা বিশ্বসভায় তুলে ধরা.......হৈ চৈ-টা শুরু করা..........
যাই হোক, সাধারণ মানুষ যে এখন কথা বলছে, তা দেরীতে হলেও মন্দের ভালো.......আমাদের উপর ভারতের দাদাগিরির জন্য দায়ী আমাদের ধারাবাহিক রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা.......একক কোন দল নয়........
আমাদের আজ কোন নেতা নেই.......প্রচন্ডভাবে বিভক্ত জনতার কাতারে বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদ করে আমরা মানসিক শান্তি হয়তো পেতে পারি.......কিন্তু ভারতের মতো রাষ্ট্রের সন্ত্রাস প্রতিহত করা তাতে সম্ভব কিনা তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়........কাশ্মীরের চেনাব নদীর বাঁধ নিয়ে যেমন পারমানবিক শক্তিধর পাকিস্তান বলার মতো কিছু করতে পারেনাই.......
আর এই প্রতিবাদে আমাদের আজকের গলাবাজ তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের থেকেও সাবধান হওয়া উচিত........
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সুবিদ্ বলেছেন:
একটু বলে রাখি, খুব দ্রুত টাইপ করেছি.......একবসায়.......অনেক ক্ষেত্রে তাই কিছুটা অবিন্যস্ত মনে হতে পারে.......
রোহান বলেছেন:
সত্যি কথাগুলো জানানোর জন্য +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই........কিন্তু খুব দুঃখ লাগে মাঝে মাঝে........
েপচাইললা বলেছেন:
আমাদের দেশপ্রেমিক নেতাদের প্রেম শুদু ক্ষমতার প্রতি। সবাই কমবেশি উপলব্ধি করতে পারেন যে ক্ষমতায় আসার জন্য দেশকে আমেরিকার হাতেই হোক আর ভারতের হাতেই হোক তুলে দিতেও আমাদের নেতাদের কোন সমস্যা নেই। এই মানসিকতার দীর্ঘদিনের চর্চাই আজকের টিপাঁইমুখ কিংবা ৭৪-এর ফারাক্কা। আমাদের বুদ্ধিজীবিরা সারাজীবন রাজনীতিবিদদের কাছে সারাজীবন তাদের পছন্দমাফিক বুদ্ধি বিক্রি করে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকেন। এসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা জনসচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা সারাজীবনই শুন্য।
আমরা শুধু আমাদের চালকদের দাসত্বমূলক মনোভাবের কারণে আসা সবগুলো ডিজাস্টারের করুণ শিকোর মাত্র।
মাঝেমধ্যে নিজের দেশপ্রেমকেও হাস্যকর মনে হয় এসব কারণে।
ধন্যবাদ অনেক দেরীতে হলেও এমন একটি পোস্টের জন্য্।
কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাই পোস্টটি স্টিকি করার জন্য।
লেখক বলেছেন: মাঝেমধ্যে নিজের দেশপ্রেমকেও হাস্যকর মনে হয় এসব কারণে.......একমত......
অনেক আগেই টিপাইমুখ নিয়ে একটা পোষ্ট স্টিকি করা উচিত ছিল.......ধন্যবাদ
েপচাইললা বলেছেন:
বর্তমান প্রেক্ষাপটে করণীয় বিষয়াদি নিয়ে আলোচনার জন্য পোস্টটি অবশ্যই স্টিকি করা উচিত। আশা করছি কর্তৃপক্ষ সদয় দৃষ্টি দিবেন।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
যেহেতু মুজিবই বাংলাদেশের পক্ষ হতে কোন লিখিত সমঝোতা ছাড়া ভারত কে পরীক্ষামূলক ভাবে ফারাক্কা বাধের চালুর অনুমতি দেয় তাই এ দেশের জনগণ মুজিবের অদূরদর্শিতা ও র্নিবুদ্ধিতার জন্য তাকে একতরফাই দ্বায়ী করবে। আর শহীদ জিয়াই প্রথম ব্যাক্তি যিনি জাতিসংঘে ফারাক্কা বাধের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেন ১৯৭৭ সালে। তার দীর্ঘদিন পর ২০০৫ সালে চার দলীয় জোটের পররাষ্ট্র মন্ত্রী মোর্শেদ খান জাতিসংঘে পুনরায় বাংলাদেশের পক্ষ হতে ফারাক্কা বাধের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। শহীদ জিয়ার সরকারের পর বিগত চার দলীয় জোট সরকারই প্রথম যে ভারতের সাথে নতুন কোন অসম বা বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি করেনি। ২০০৫ সালে মোর্শেদ খান জাতিসংঘে ঐ বক্তৃতার পরদিন আলীগের সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী রাজ্জাক তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন। ভারতের সাথে সম্পর্ক নষ্ট হবে বলে হুক্কা হুয়া দিয়ে শোরগোল তুলেন। আর বর্তমানের পানি সম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র তো বলেই দিয়েছেন ভারত কম পানি দিলেও প্রতিবাদ করা যাবে না এবং ভারত আগে টিপাই মুখী বাধ নির্মাণ করুক পরে দেখা যাবে। তাই যে দেশের পানি সম্পদ মন্ত্রী এই কথা বলে তো তখন বাংলাদেশের জনগণ কিভাবে বিশ্বাস করবে যে বর্তমান মহাজোট সরকার ভারত কে কূটনৈতিক ভাবে রাজী করাতে না পারলে তার বিরুদ্ধে জাতিসংঘে নালিশ করবে বা আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা ঠুকবে? আলীগের অত্যাধিক ভারত ভক্তির রাজনীতির জন্যই গোট বাংলাদেশের মানুষ সম্মিলিত ভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভারতের পানি লুটের বিরুদ্ধে কিছু করা তো দূরে থাকুক কোন প্রতিবাদ পর্যন্ত করতে পারে না। তাই সচেতন জনগণের প্রবল গণ আন্দোলন ছাড়া এ বিষয়ে বর্তমান মহাজোট সরকার কখনই টিপাই মুখী বাধের বিরুদ্ধে আন্তরিক ভাবে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিবে না। আর এ দিকে ভারত সফল ভাবেই টিপাই মুখী বাধের নির্মাণ কাজ শেষ করবে। আর ১৯৯৬ সালের বৈষম্য মূলক ফারক্কা চুক্তির মতই টিপাইরও চুক্তি হবে। এ বিষয়ে কোন সন্দেহ আছে কি?
লেখক বলেছেন: "লিখিত সমঝোতা ছাড়া ভারত কে পরীক্ষামূলক ভাবে ফারাক্কা বাধের চালুর অনুমতি দেয়"----তাহলে কিভাবে অনুমতি দেয়া হয়েছিল??
আর দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি না থাকলে তো আপনার আলোচনার কোন জায়গাই আর থাকেনা.........৯৬-চুক্তির বড় drawback হলো তাতে কোন guarantee clause ছিলনা.......
মজাটা হলো জনাব মোর্শেদ খান ৯৬-এর চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের পানি না পাওয়ার বিষয়টাই তুলে ধরেছিলেন.........কিন্তু সময়টা ছিল দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের আগে দিয়ে.......ভারত এরপর আর বসেই নাই মিটিংয়ে......এতে কি কোন লাভ হয়েছিল????
ঘনাদা বলেছেন:
সমস্যাটা হলো...তোমরা মানে হিজচুত চুথিয়ারা এইসব মায়াকান্না করো ঠিকই... তবে তোমাদের উদ্দেশ্য হলো আমাদেরকে 'ফুটন্ত কড়াই থেকে জলন্ত উনুনে নিক্ষেপ' করার উদ্দেশ্য...
মানে ইন্ডিয়া যদি বদ হয়, তবে তার হাত থেকে নিয়ে আমাদের সঁপে দিতে চাও চৌদিয়ারবের হাতে।
কোনটা বেহেতর আমাদের জইন্যো?
লেখক বলেছেন: আপনার কাছে কোন সমাধান আছে নাকি.......বাতলান জলদি!!
লেখক বলেছেন: আরে ভাই.....মন দিয়ে পড়েন.......১৯৬৪-র কথা বলা হচ্ছে.......পাক-মার্কিন সম্পর্ক নিয়ে........আইয়ুবের পাকিস্তানের সাথে আমেরিকার জানি-দোস্তির কথাই তো শুনে আসছি আমরা, নাকি!!!
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
@ লেখক, মুজিব কে অনুরোধ করলে তিনি মুখেই তা পরীক্ষামূলক চালুর অনুমতি দেন। ১৯৯৬ সালে চুক্তির আগে বিএনপি, জামাত, জাপা সহ বাংলাদেশের সকল দল হাসিনা ও আলীগ কে অনুরোধ করেছিল যে গ্যারান্টি ক্লজ যেন চুক্তিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। কিন্তু শেখ হাসিনা তাতে বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করেন নি।
চুক্তির সমন্ধেই হৌক আর ফারাক্কা নিয়েই হৌক, বাংলাদেশ যে ঠিকমত ন্যায্য পানি শুস্ক মৌসুমে পায়না সেটা জাতিসংঘে যেয়ে বলার দেশপ্রেম বিএনপির আছে। আর আপনি যৌথ নদী কমিশন তথা JRC এর কথা কলে খন্ডিত তথা বিকৃত সত্য তুলে ধরলেন। ১৯৯৬-২০০১ এর কথা বাদ দিলেও ২০০২-২০০৪ তিন বছর বেশ কয়েকবার JRC এর বৈঠকে বাংলাদেশের তরফ থেকে ভারত কে বার বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও ভারত বাংলাদেশ কে উল্লেখিত সময়ে শুস্ক মৌসুমে ন্যায্য পানি দেয় নি। তাই আপনি কি চান ভারত বাংলাদেশ কে গায়ের জোড়ে বা মাস্তানি করে পানিও দিবে আর আমরা সেটা জাতিসংঘে গিয়ে প্রতিবাদও করব না? এ কেমন দেশপ্রেম আপনার? যেখানে ১৯৯৬-২০০১, চুক্তির ৫ বছরে ডজনের কাছাকাছি JRC বৈঠক করার পরও বাংলাদেশ সফল হয় নি সেখানে চুক্তির ৮/৯ বছর পর ২০০৫ সালে জাতিসংঘে নালিশ করা ছাড়া আর কি উপায় আছে? ইতিমধ্যে পদ্মার বহু শাখা নদী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আপনি কি চান বাকী গুলোও বিলুপ্ত হৌক?
লেখক বলেছেন: ভুল বুঝলেন........বাংলাদেশে চুক্তির আগে খসড়া নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়????
"শহীদ জিয়ার সরকারের পর বিগত চার দলীয় জোট সরকারই প্রথম যে ভারতের সাথে নতুন কোন অসম বা বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি করেনি"----অসম চুক্তি যেগুলোকে বলছেন সেগুলোতো বাদও দেয়নি........সমস্যা কার্পেটের তলায় গুঁজে রেখে ক্ষমতার বাইরে এলেই সেগুলো নিয়ে হৈচৈ করবেন???
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
@ লেখক, দুঃখিত "তাই আপনি কি চান ভারত বাংলাদেশ কে গায়ের জোড়ে বা মাস্তানি করে পানিও দিবে আর আমরা সেটা জাতিসংঘে গিয়ে প্রতিবাদও করব না?" এখানে "পানিও দিবে না" পড়তে হবে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: জাতিসংঘে গিয়ে বলতে তো সমস্যার কথা হচ্ছে না........বলা হচ্ছে timing-এর ব্যাপারটা........
ভাই, কূটনীতি কেমন দেখেন........ভারত ২০০৫-এ IAEA-তে ইরানের বিরুদ্ধে ভোট দেয়ার পরেও সম্পর্ক ঠিক আছে......চিন্তা করেন, বেগম জিয়ার শেষদিকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কোথায় গিয়ে ঠেকছিল.......যত শয়তানই হোক না ভারত, প্রতিবেশী হিসেবে সম্পর্ক খারাপ করে আমাদের কোন লাভ হয়েছে???
হাসান মাহবুব বলেছেন:
গুড পোস্ট +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
শুভ৭৭ বলেছেন:
"আমাদের কি মনে আছে International Tipaimukh Dam Conference 2005 Dhaka Bangladesh নামে একটা সম্মেলন হয়েছিল ২০০৫-এর ৩০-৩১ ডিসেম্বরে???" - আপনি কী বলতে চান, টিপাই মুখ - এটা তামাদি কেইস?নাকি, বি এন পি বিরোধিতা করেনি তখন, তাই এখনও আর আলোচনা বা বিরোধিতা করা যাবেনা? অথবা, এখন আ লীগ আছে বলে বিরোধিতা করা যাবেনা?
রাজনীতিবিদদের প্রতি আমি ঘৃণা পোষণ করি। সেই সাথে তাদের অন্ধ সমর্থকদের প্রতিও।
--- দিলাম অনেক দিন পর।
লেখক বলেছেন: ভাইঃ +/- বাদই দিলাম.......পুরোটা পরে কমেন্ট করলে ভালো হয়, তাইনা!!!
"যাই হোক, সাধারণ মানুষ যে এখন কথা বলছে, তা দেরীতে হলেও মন্দের ভালো".......আরেকবার পড়ে আসবেন???
আর রাজনীতিবিদদের ঘৃণা করাটা কাজের কোন কথা না.......কারণ এদের ছাড়া তো চলবেই না........১/১১ দেখে কি বুঝলেন তবে???
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
@ লেখক, এরই নাম ইতিহাস বিকৃতি। ১৯৯৬ সালের ২৩শে জুন হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন আলীগ সরকার শপথ নেয়। আর প্রধানমন্ত্রী ঐ বছরের শেষে ভারত সফর করেন। ঐ সময়ে সরকারী ভাবে সফরের অনেক আগেই বলা হয় এবার বাংলাদেশ ভারতের সাথে ফারাক্কার পানি বন্টন চুক্তি করবে। ত্খনই আলীগ বাদে বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল গ্যারান্টি ক্লজ অন্তর্ভূক্তির দ্বাবী জানায়। আপনি কি দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর কে পুতুল খেলা মনে করেন? আগের সরকার চাইল হল এবং পরের অন্য সরকার সেটা বাতিল করল, এই কি আপনার আন্তর্জাতিক নিয়মনীতির জ্ঞান? আর মনে রাখতে হবে ভারত বিশাল শক্তিশালী দেশ, তাই তার সাথে চাইলেই কোন সম্পাদিত চুক্তি বাতিল করা যায় না। আপনি বলতে চাচ্ছেন যে আলীগ খেয়াল খুশী মত চুক্তি করে যাবে আর বিএনপি এসে তা বাতিল করবে, এই তামাশা বা প্রহসন আর কতদিন? ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না। দেশ বিরোধী চুক্তির আগে কি আলীগের ভাবা উচিত নয় যে ভবিষ্যতে এর পরিণতি কি? কেন হাসিনা ১৯৯৬ সালে গ্যারান্টি ক্লজের ব্যাপারে কর্ণপাত করল না? আলীগ হল ভারত ভক্ত-তাবেদার দল, এটা স্বীকার করতে কষ্ট কেন?
আপনি টাইমিং এর কথা বললেন, সেই ১৯৭৪ সাল হতে ২০০৫ কিন্তু কম নয়। তার উপর ১৯৯৬ হতে ৮/৯ বছর, সেটাও কি খুব কম? এর মধ্যে যে পদ্মার বহু শাখা নদী বিলুপ্ত হয়েছে এটা কি আমাদের বিশাল ক্ষতি নয়? তারপরেও কোন যুক্তিতে বলেন যে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে ক্ষতি। আমরা যদি সারা বিশ্বে সকল দেশের কাছে প্রচারণা চালাই, জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক আদালতে যথাযথ ভাবে উদ্যোগ নেই তখন নিশ্চয় ভারতও বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ কে তার প্রাপ্য অংশ দিবে। আপনার দর্শনে চললে ভারত শুধু নিয়েই যাবে বাংলাদেশ কিছূ পাবে না। এর জন্যই পাকিস্তানের কথা বলতে হয় যে তারা অভিন্ন ৫ টি নদী হতে ভারতের কাছ থেকে ন্যায্য পানির অংশ আদায় করে নিচ্ছে। কিন্তু আলীগের হিজড়াপানা রাজনীতির জন্য ভারত পার পেয়ে যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: যাক, অবশেষে রেফারেন্স হিসেবে পাকিস্তানকে আনসেন......তাইলে আর কি কথা বলবো........
কোন চুক্তিই ছিলনা যেখানে, বছরের পর বছর ভারত একতরফা পানি প্রত্যাহার করেই যাচ্ছিল........বসার কোন ব্যবস্থাই করতে পারলোনা এরশাদ-বেগম জিয়া সরকার, আ'লীগ এক চুক্তি করাতেই তবু ওদের গিয়ে ধরা-টরা যায়, নাকি???
"আলীগ খেয়াল খুশী মত চুক্তি করে যাবে আর বিএনপি এসে তা বাতিল করবে, এই তামাশা বা প্রহসন আর কতদিন"----তাইতো আর কতদিন??? কিন্তু এখনো ভারতকে দরতে ইন্দিরা-মুজিব চুক্তিই লাগে.......'৯১-এ বেগম জিয়া সরকার যে ৩বিঘা করোডোর চুক্তি করেছিল, তার কিছুদিন পর যে ভারত চোখ উল্টানি দিল, তার কি হবে???
আপনার কথা ঠিক, "ভারত বিশাল শক্তিশালী দেশ"----তাই বলি, ইস্যু নিয়ে কথা বলুন......জুজু, জুজু না করে.......
সুবিদ্ বলেছেন:
@বাংলাদেশ জিন্দাবাদঃ ভাই, টিপাইমুখ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল বেগম জিয়ার আমলের শেষ দিকে........উনারা তখন চুপ ছিলেন কেন যেন???
Click This Link
লেখক বলেছেন: @শামসীর: জানা দরকার আছে ভাই......নাইলে গুলাইয়া যাইবো তো......
েভােরর স্বপ্ন বলেছেন:
বাংলাদেশের আসলে কোন পররাস্ট্রনীতি নেই। বেহুদায় চিল্লাইয়া লাভ নেই।
লেখক বলেছেন: একটা পররাষ্ট্রনীতি কোনদিন হবে তা আশাও করতে পারি না........
লেখক বলেছেন: একমত..........কিন্তু মেরুদন্ডটা তো অতো শক্ত না আমাদের মাথাদের...........
এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন:
লেখকের পোস্টের সাথে টেকনিক্যালি একমত। আমরা গলাবাজ জাতি দেখেই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়া দুই পক্ষে বিভক্ত (আসলেই কি স্বাধীন মানসিকতা অর্জন করেছি?) যা আমাদের জাতিগত ঘিলুর পরিচয়। আজ কে ভারতের সম্রাজ্যবাদী চেহারার ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করায় এতদিন যারা ভারত কে তুলনামূলক বন্ধু রাষ্ট্র মনে করত তারা বেশ খানিকটা হতাশ ও লজ্জিত, কিন্তু স্বীকার করতে কষ্ট হওয়ায় "....তবে তোমাদের উদ্দেশ্য হলো আমাদেরকে 'ফুটন্ত কড়াই থেকে জলন্ত উনুনে নিক্ষেপ' করার উদ্দেশ্য...." এধরনের মন্তব্য করে বিষয়টিকে রাজনৈতিক রং চড়িয়ে পরোক্ষভাবে নিজেদের ভুল স্বীকার করেন।কোনো সন্দেহ নেই যে ভারত আমাদের সাথে প্রথম থেকেই বন্ধু বেশে সম্রাজ্যবাদী আচরন করে আসছে, যা অনেকের চোখে "তেমন কিছু না!" টাইপের ছিলো। কিন্তু আমরা এমনই বিভক্ত যে বাঘের উপর যে টাগ থাকে (ভারতের উপর চীন) সেটা খেয়াল করার মত মানসিকতা আমাদের নাই। আমাদের প্রতিপক্ষ কারা সেটা ইস্যু দিয়েই নির্বাচন করা উচিৎ। "দেরি হয়েগেছে" বা "করে লাভ নেই" এই ধরনের ফালতু মন্তব্য কম করাই ভাল।
তাই ভারত যতই শক্তিশালী হোক আমরা যদি হীন রাজনৈতিক স্বার্থ বাদ দিয়ে পররাষ্ট্র নীতিতে কার্যকর কূটনীতি প্রয়োগ করার পাশাপাশি জোর জনমত তৈরি করলে মিডিয়া ও সরকার বাধ্য হয়েই এই আন্তর্জাতিক ইস্যুটিকে গুরুত্বপূর্ণ করার জন্য কাজ করবে। না হলে যেকোনো শক্তিশালী দেশই আমাদের উপর একের পর এক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য..........
দেরী তো অবশ্যই হয়েছে........ভুল স্বীকারে সমস্যা কি????
দাদাগিরিটা ভারত করতে খুব মজা পায়.........আমরা আশা করি সরকার জনগণের সাথে বেইমানী করবেনা.......
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে......
এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন:
লেখক@ ভুল স্বীকারে কোন সমস্যাই নেই, আর এটা সবসময় সাগতম। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ভুল স্বীকারে পদ্ধতি, কারন সরাসরি ভুল স্বীকার না করে অনেকেই বিষয়টিকে এখনও রাজনৈতিক আবহ দিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন। আর এ কারনেই অনেকে এখনও বিষয়টির তেমন কোনো গুরুত্ব দিতে রাজি না। কিন্তু বিষয়টা তো রাজনীতির না। এটাই বলতে চাচ্ছিলাম।
লেখক বলেছেন: এই অপরাজনীতিই তো খেল আমাদের.......আশা করি সবারই, বিশেষ করে যাদের উপর আমাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার রয়েছে, শুভবুদ্ধির উদয় হবে......
ধন্যবাদ আপনাকে........
সুবিদ্ বলেছেন:
আমরা সবাই কি ঝিমিয়ে পড়েছি যথারীতি?? ভারতের পরিবেশমন্ত্রীকে নিয়ে মনমোহন সিং সম্ভবত ১৮ অক্টোবর সভা করছেন টিঁপাইমুখ প্রকল্প নিয়ে...Click This Link
আসুন আমরা আবারো সোচ্চার হই...
তানিয়া মুন বলেছেন:
খুব বেশি দেরি কি হয়ে গেল? এখনও কিছু কিছু করা যায় না?
লেখক বলেছেন: দেরি হয়েছে বলেই তো সংগ্রামটা চালিয়ে যেতে হবে আরো জোরসে...
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















