somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম এবং তাঁর গানে আল্লাহ-রাসুল

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করমি নাস্তিক না আস্তিক? এমন একটি অদ্ভূত প্রশ্নের সূত্রপাত আমাদরে মধ্যে না হওয়ারই কথা ছিলো। তবু হয়ে গেলো। আমি এই আলোচনার পরিসমাপ্তির লক্ষ্যে শাহ আবদুল করমিরে সাথে র্দীঘ আলোচনা করেছিলাম। শাহ আবদুল করিম আমাকে স্পষ্ট জানিয়ে ছিলেন, আমি নাস্তিক নই। শাহ করিম আমার সাথে বিষয়টি যেভাবে আলোচনা করেছিলেন আমি সেইভাবেই তা লিখে পাঠকের সামনে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি, যা কবি মুহিত চৌধুরী সম্পাদিত বিশ্ববাংলা ম্যাগাজিনে২০০৮ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারীতে প্রকাশতি হয়। আমার বন্ধুদের যারা শাহ করিমের ভাবার্দশন না বুঝে আবেগপ্রবণ হয়ে তাঁকে নাস্তিক প্রমানের প্রাথমকি চেষ্টা করেছিলেন তারা এই সাক্ষাৎকার পাঠে কিছুটা থমকে গিয়ে আত্মপক্ষ সর্মথনে যে ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা করেছেন তা বিশ্বাস করলে শাহ আবদুল করিমের সাথে অবিচার হয়, আর যদি বিশ্বাস না করি তবে আমার বন্ধুদের সততা নিয়ে প্রশ্নজাগে। প্রকৃতপক্ষে দু'টাই আমাদরে জন্য খুব কষ্টকর বিষয়। তবে আমরা যদি তাদের আলোচনার আত্মপক্ষ সর্মথনের দিকটা বাদ দিয়ে বিবেচনা করি তবে দেখতে পাবো তারা যে বিষয়টি ইচ্ছায় অনিচ্ছায় স্বীকার করেনিয়েছেন কিংবা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন তা হলো, শাহ আবদুল করমি নাস্তিক নয়, আস্তিক। এই বিষয়ে তাদের কথা এবং আমার কথায় কোন ভিন্নতা আর নেই। এবং তারা নাকি শাহ আবদুল করিমকে নাস্তিক প্রমানরে চেষ্টাও করেননি। যাক, বাঁচা গেলো একটা বিশাল বিভ্রান্তি থেকে। অবশ্য আমরা কেউ স্বীকার না করলেও শাহ আবদুল করিমের গানই যুগে যুগে প্রমাণ দিয়ে যাবে তিনি মূলত কি ছিলেন। শাহ আবদুল করিমের একটা র্দীঘ নদীর মতো জীবন। এই নদীতে অনেক জোয়ার ভাটা আছে। একটা খণ্ডাংশ নিয়ে বিবেচনা না করে যদি আমরা শাহ আবদুল করিমের ব্যক্তি জীবন এবং গানের ভাষাকে বিবেচনা করি তবে শেষ ফল দাঁড়ায় তিনি ছিলেন আস্তিক। এখানে তিনি শরিয়তি ছিলেন না মারিফতি ছিলেন, তা ভিন্ন প্রশ্ন। শরিয়ত এবং মারিফত কি তাও বুঝার বিষয় আছে। আমাদের বক্তব্য এখানে নয়। আমাদের প্রশ্ন তাঁর আল্লাহ এবং রাসুল বিশ্বাস নিয়ে। তিনি বিশ্বাসী হলে যেমন আমাদের কিছু আসে যায় না, তেমনি অবিশ্বাসী হলেও। কিন্তু কোন কারনে যদি সত্য গোপন হয়ে যায় কিংবা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় তবে একজন লেখক হিসেবে সত্যকে প্রকাশ করা আমাদের দায়িত্ব। আমি এই বিষয়ের আলোচনাটা সেই দিক বিবেচনায় শুরু করেছি। শাহ আবদুল করিমের প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে প্রসিদ্ধ এবং উল্লেখযোগ্য একটি `কালনীর ঢেউ'। যা উনিশ শ একাশি খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বরে প্রথম প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় প্রকাশ ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দের সপ্টেম্বেরে এবং তৃতীয় প্রকাশ ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবরে। প্রকাশক কবি পুত্র নূর জালাল। এই গ্রন্থের শুরুতেই লেখক উৎর্সগনামায় লখিছেনে `আমার প্রয়াত সহর্ধমনি সরলা কে ।' লেখকের কথার আগে আছে গানের ছন্দে আত্ম পরিচিতি। এতে শাহ করমি তাঁর নিজের জন্ম, গ্রাম, পরিবার, মুর্শিদ, উস্তাদ সর্ম্পকে বর্ণনা করতে গিয়ে শুরু করেছেন এই বলে

‘কেউ বলে শাহ আবদুল করমি কেউ বলে পাগল।
যার যা ইচ্ছা তাই বলে বুঝি না আসল নকল।।’

এই আত্ম পরিচিতি পাঠে একজন পাঠক বুঝতে পারবেন শাহ করিমের জন্ম সুনামগঞ্জরে দিরাই থানার ধল গ্রামে। এই গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে কালনী নদী, যার উত্তর পারে শাহ করমিরে কুড়েঘর। তাঁর মুর্শিদ মৌলা বস্ক মুন্সী, পীর শ্রীপুররে শাহ ইব্রাহিম মাস্তান, পিতা ইব্রাহমি আলী, মাতা নাইওরজান, কোরআনের শিক্ষক ছমরু মিয়া মুন্সী, বাংলা র্বণমালার শিক্ষক তৈমুর চৌধুরী, গানরে প্রথম উস্তাদ ধলের করমুদ্দিন এবং পরে রশিদ উদ্দিন, স্ত্রী ছলিনে সরলা, ছেলে নূর জালাল (ডাক নাম বাবুল)। এই আত্ম পরচিতিরি র্সবশষে দু'টি পংক্তি হলো

পিতা-মাতা আছেন আমার এখনও জীবিত।
পিতা-মাতার চরণ সেবায় আছি নিয়োজিত।।
পীর, র্মুশদি উস্তাদ আমার করিয়াছেন মায়া।
জিয়নে মরণে মাগি সেই পদছায়া।।

এখন যদি আমরা এখানে আলোচনা শুরু করি তবে দেখতে পাবো শাহ করিম একজন পিরের মুরিদ ছিলেন। প্রথমে তিনি মৌলা বস্ক মুন্সী এবং পরে শ্রীপুরের পির শাহ ইব্রাহিম মাস্তানের মুরিদ ছিলেন। আর তাঁর কোরআনের উস্তাদ ছিলেন ছমরু মিয়া। আর তিনি জীবন-মরনে তাদের পদছায়া কামনা করেছেন (পীর, র্মুশদি উস্তাদ আমার করিয়াছেন মায়া।/ জিয়ণে মরণে মাগি সেই পদছায়া)। যে মানুষের পির, মুরশিদ আছে তাঁকে নাস্তিক ভাবা অনেকটা হাস্যকর ব্যাপার।
`কালনীর ঢেউ' গ্রন্থে মোট ১৬৩টি গান গ্রন্থিত হয়েছে। আমরা তা পাঠকালে দেখতে পাই শাহ আবদুল করিম গ্রন্থটি শুরু করছেনে আল্লাহ, রাসুল, পীর-বুর্জুগ এবং নিজ র্মুশিদের প্রশংসা করে। অতপর তিনি এনেছেন জাগতিক অন্যান্য বিষয়। আল্লাহ, রাসুল, পীর-দরবেশদের প্রতি শাহ আবদুল করিমের অন্তরে কি পরিমাণ প্রেম জাগ্রত ছিলো তা একজন সাধারণ পাঠকও অনুভব করতে পারবেন এই গ্রন্থের গানগুলো পাঠকালে। শাহ করিম তাঁর এই গ্রন্থের শুরুতেই সয়ালের দয়াল বন্ধুর পরিচয় লতায় পাতায় দেখে বলে উঠেন

নিরাশ আধাঁর মাঝে
আশার আলো তুমি
কাঙ্গালের বন্ধু তুমি
তুমি অর্ন্তযামীরে।।
পাগল আবদুল করিম বলে
কি করবে শয়তানে।
তুমি যারে কর দয়া
তোমার নিজ গুণে রে।।

একজন মানুষের অন্তরে কতটুকু আল্লাহ প্রেম থাকলে এমন একটি আত্ম বিশ্বাসী বক্তব্য উপস্থাপন করা সম্ভব তা পাঠকের বিবেচনায় রইলো। এখানে আবদুল করমি মূলত আল্লাহর দয়ায় শয়তানরে ধোঁকা থেকে রক্ষার র্প্রাথনা করছেন। এরপর আবার করমি গ্রন্থরে দ্বিতীয় গানে কাকুতি করে আল্লাকে বলছেন

রাখ কি মার এই দয়া কর
থাকি না যেন তোমাকে ভুলিয়া।।
---------
দয়াল নাম তোমার জগতে প্রচার,
জীবরে দয়া কর বলিয়া।
আবদুল করমি বলে রেখ চরণ তলে
দিও না দূরে ঠেলিয়া।।

তৃতীয় গানে এসে আবদুল করিম বলছেন

তুমি বিনে মনের বেদন কারে কই?
ভাল মন্দ যা-ই করি তোমার ছাড়া তো অন্যের নই।।
যখন যাহা প্রয়োজন তোমার কাছে বলি তখন
আমার কে আছে আপন; জানিনা আর তুমি বৈ
জন্মের আগে নিজ গুণে মায়ের বুকে দুগ্ধদানে
পুষিয়াছ জানি মনে আমি কি আর অন্যের হই।।

না, শাহ আবদুল করিম আজীবনে প্রমাণ করে গেছেন তিনি আল্লাহ ছাড়া অন্যের নয়। আমরা যারা তাঁকে খুব কাছাকাছি থেকে দেখেছি তারা সবাই স্বীকার করবো-শাহ আবদুল করিম আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর সামনে জীবনে মাথা নত করেন নি। আল্লাহর সাথে কতটুকু প্রেম হলে পরে এমন কথা বলা যায় যে,

তুমি মার তুমি বাঁচাও যা-ই করি তুমি করাও
তবে কেন ধমক দেখাও, পাকা ধানে দিবে মই।

শাহ আবদুল করিমের এই পংক্তির সাথে আমরা যদি উর্দু সাহিত্যের খ্যাতিমান কবি আল্লামা ইকবালের `বালে জিব্রিল' কবিতা পাঠ করি তবে দেখবো আল্লাহর সামনে প্রশ্নের ক্ষেত্রে কিংবা র্স্বগ-নরকের ক্ষেত্রে দু'জন এক হয়ে গেছেন। তাই আমরা দেখি ওরা দু'জনের ক্ষেত্রে কিছু কিছু পাঠক হালকা চিন্তাগত কারণে বিভ্রান্ত হয়ে তাদেরকে আল্লাহ এবং রাসুল দ্রোহী হিসেবে চহ্নিতি করতে চেষ্টা করেছেন। তাদের অনেকের আলোচনা পাঠে দেখা যায় তারা প্রেমের সুর আর বিদ্রোহের সুর চহ্নিতি করনে প্রায় ব্যর্থ। আবার কেউ কেউ এমনও আছেন যে, একদিকে শাহ আবদুল করিমের গানকে অস্বীকার করতে পারছেন না অন্যদিকে তাঁর গানে অতিরিক্ত আল্লাহ এবং রাসুল প্রেমকে স্বীকারও করতে পারছেন না। এই শ্রেণীর আলোচনাগুলো পাঠে দোখা যায় তাঁরা বিভিন্ন প্রকার বাঁকলের নীচে শাহ আবদুল করিমের আল্লাহ এবং রাসুল প্রেম লুকিয়ে ফেলতে চেষ্টা করেন। তাদের আলোচনাগুলো পাঠ করলে যে কোন পাঠক স্পষ্ট বুঝতে পারবেন উদ্দশ্যেপ্রণীতভাবে কিছু একটা হচ্ছে। যেখানে শাহ আবদুল করিমের গানগুলো স্পষ্ট বলে দেয় তাঁর অন্তরাত্মায় লুকায়িত আল্লাহ ও রাসুলর প্রেম, সেখানে কেনো যে তারা এই মেকি বাঁকল তৈরীর চেষ্টা করেন, তা আমাদের বুঝে আসে না? তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার শাহ আবদুল করিমের গানে আল্লাহ, রাসুল আছে স্বীকার করেও বলতে চেষ্টা করছেন, শাহ আবদুল করিমের আল্লাহ-রাসুল আর ইসলামের আল্লাহ রাসুল এক নয়। অথচ শাহ আবদুল করিমের গানে আল্লাহ, রাসুলের র্বণনা আর কোরআন, হাদিসে বর্ণিত আল্লাহ, রাসুলের পরিচয় পাশাপাশি রেখে পাঠ করলে স্পষ্ট হয়ে উঠে এখানে কোন ব্যবধান নেই। অনেকে আবার বলেন, শাহ আবদুল করিম কোন র্ধম মানতেন না। তিনি ছিলেন ভাবের জগতের লোক। তাই করিমের ক্ষেত্রে আস্তিক-নাস্তিক আলোচনা অবান্তর। আমরা ওদের সাথে দ্বি-মত করে বলবো,শাহ আবদুল করিম র্ধম মানতনে না, এটা তিনি কোথাও বলেন নি। র্ধম না মানা আর র্ধমরে কোন বিধানেক পালন না করা অভিন্ন নয়। আর এখন কথা হলো ভাব নিয়ে। আমাদের প্রশ্ন হলো, ভাব জিনিষটা কি? ভাবের উৎস কি? সাধনা ছাড়া কি ভাব আসে? আসলে প্রেমের একটা অংশ হলো ভাব। ভাব সৃষ্টি হয় কোন একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে। এই বিষয়ের মূলে হতে পারে বস্তু কিংবা অবস্তু কিছু। কারো ভাবে থাকে নারী, কারো ভাবে থাকে প্রকৃতি, কারো ভাবে থাকে জীবনের বিভিন্ন রহস্য কিংবা বিজ্ঞান_প্রযুক্তি। আমরা যদি শাহ আবদুল করিমের ভাবের জগতে র্পযবেক্ষণ করি তবে দেখতে পাই প্রথমে আল্লাহ এবং রাসুল। তিনি আজীবন পাগলের মতো আল্লাহকে খুঁজেছেন। করিম নিজেই বলেছেন

খুঁজিয়া পাইলাম নারে বন্ধু, তুমি কোথায় থাক।
আমি তোমায় দেখতে নারি তুমি আমায় দেখরে বন্ধু।
তুমি কোথায় থাক।।
দেখতে পাইতাম, যদি হইতাম তোর ভাবের ভাবুক
মরম জ্বালা সইতে নারি বৈরীপাড়ার লোকরে বন্ধু
তুমি কোথায় থাক।।’ (গান নং ৪, কালনীর ঢেউ)।

শাহ আবদুল করিম এখানে স্পষ্ট করে বলেছেন যে আল্লাহ কোথায় আছেন। তিনি জানেন না এবং তিনি আল্লাহ কে দেখছেন না, কিন্তু তাঁর র্পূণাঙ্গ বিশ্বাস ছিলো আল্লাহ তাকে দেখছেন। কোরআন-হাদিসে বর্ণিত আল্লাহ আর বাউল আবদুল করিমের বিশ্বাসের আল্লায় ব্যবধান কোথায়? শাহ আবদুল করিম আরো স্পষ্ট করে বলছেন তাঁর আল্লাহ বিশ্বাসের কথা

দয়াল তোমার নিজগুণে
পাপী তাপী কত জনে নিলে সে পারে
তোমার নামেতে কলঙ্ক রবে
করিম যদি ডুবে মরে।।( গান নং ৫, প্রাগুক্ত)।

এই নয় শুধু, শাহ করিম আরো পরিস্কার করে বলে দিচ্ছেন

নাম নিলে হয় মন পবিত্র রি অন্তিমে কল্যাণ,
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ঠিক রেখ ঈমান।।
নবী অলীগণ, যুগে যুগে করলেন কত অসাধ্য সাধন
স্মৃতি মিটবে না কখন।
কুদরতী ক্ষমতার বলে হয়ে বলিয়ান
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ঠিক রেখ ঈমান।।(গান নং ১০, প্রগুক্ত)।

করিম স্পস্ট বলছেন কালেমাতে ঈমান রাখতে। অতঃপর সন্দেহ তৈরীর কোন সুযোগ আছে কি? শরিয়তের আল্লাহর সাথে করিমের বিশ্বাসী আল্লাহর সংঘাত কোথায়?

শাহ আবদুল করিম যদি ইসলাম র্ধম না মানতেন তবে কি এমন করে বলতেন যে,
কে যাওরে সোনার মদিনায়।
কই বিনয় করিয়া কাঙ্গাল জানিয়া
নেও সঙ্গে করিয়া যদি মনে চায়।।
না নিলে আমারে, বলি সকাতরে
আমার সালাম কইও নবীজির রওজায়।
হাসান হোসনে দুই জনে মা জহুরার চরণে
আরও কইও সালাম আলী র্মতুজায়।।
হযরত আবু বকর, ওসমান, ওমর
কইও সালাম মোর, এ সবার পায়।
ইয়ার আসহাব যত, সালাম শত শত,
একে একে জানাইও সবায়।।
কাসেমের চরণে জয়নাল আবেদীনে
জানাইও সালাম বিবি সখিনায়।
আবদুল করিম কয়, কত যে মনে হয়
প্রাণপাখি আমার উড়ে যেতে চায়।। ( গান নং ৯, প্রাগুক্ত)।

শাহ আবদুল করিমের আরো অসংখ্য গান আছে যেগুলোতে আল্লাহ_রাসুলের প্রশংসা করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো এই গানগুলো কি প্রমাণ করে না যে শাহ আবদুল করিমের র্ধম বিশ্বাস ছিলো ইসলাম? তিনি আল্লাহ, রাসুল, আবু বকর, ওমর, আলী, ওসমান, হাসান, হোসনে, কাসেম, জয়নাল আবেদিন সবই বললেন। বললেন, তাঁর প্রাণপাখি উড়ে যায় সোনার মদিনায়। এরপরও যদি কারো বুঝতে অসুবিধা হয় তবে তিনি কে আর কিছু দিয়ে বুঝানো যাবে বলে আমাদের মনে হয় না। কারণ, তিনি না বুঝার সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে আছেন। ঘুমরে মানুষ জাগাননো যায়, কিন্তু জাগ্রত মানুষকে জাগানো যায় না।

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৪
১০টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×