আমার প্রিয় পোস্ট

Only I know what is my goal, My heart is my temple.

তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

শেয়ারঃ
0 0 0

আপনার সঙ্গে বিতর্কে যাওয়াটা ঠিক হবে কিনা তা নিয়ে দুই দিন ভাবলাম। আমার মনে হলো আপনি লিখিতভাবে আমার ওপর হরতালের পিকেটিং করা শুরু করেছেন। আপনি বলেছেন, আপনার কোন কথার জবাব দেয়ার যোগ্যতা আমার নেই। তাই বাধ্য হয়েই জবাবটা দিলাম। তবে এর আগে তেল গ্যাস ইত্যাদি নিয়ে আমার অবস্থানটা পরিস্কার করে নেই। আমি সবসময় কবি হাসান শাহরিয়ারের ভাষায় বলে আসছি, ’কুত্তা আসে, কুত্তা যায়, কুত্তা যায় আসে। রাধার লাশ দেখে এলাম পাট ক্ষেতের পাশে।’ বাংলাদেশকে আমার কোন হিন্দু মেয়ে ধর্ষিতা রাধার মতোই মনে হয়। যার লাশও পালাক্রমে ভক্ষণের শিকার হচ্ছে। বিদেশী কোম্পানীগুলে বাংলাদেশকে এভাবেই পেয়ে বসেছে। আমার বক্তব্য আপনি বুঝতে পারেনি। প্রথম পোস্টে আমি বলেছি- পিএসসি (প্রোডাক্টশন(শেয়ারিং কনটাক্ট) এর অসামঞ্জস্যতার বিরুদ্ধে আন্দোলন করা উচিত। কারণ পিএসসিতে দেশের স্বার্থ বিরুদ্ধ অনেক ধারা রয়েছে। এটা আমি স্বীকার করছি।
আমরা অনেক সময় বাস্তবতা ভুলে যাই। আমাদের দেশের আকার, প্রকৃতি, অবস্থান অনুযায়ী আমরা কথা বলিনা। মানুষের কথা আর প্রত্যাশা দেখলে মনে হয় আমরা কোন উন্নত দেশে বাস করছি। আমি স্বপ্ন দেখি বাপেক্স নামের প্রতিষ্ঠানটি নিজের পরিচালনায় তেল গ্যাস তুলছে। তারা বিদেশী কোম্পানীর মাধ্যমে গ্যাস তুললেও তাদের শুধু পারিশ্রমিক দিয়ে বিদায় করছে। তাদের তেল গ্যাসের জন্য ভাড়া খাটানো হচ্ছে। কিন্তু স্বপ্ন স্বপ্নই। বাংলাদেশতো দুরের কথা, পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশও নিজেদের মতো করে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন করতে পারেনি। ইরাক চেয়েছিল তার পরিনতি আমরা দেখেছি। বিশ্বে ভেনিজুয়েলার এত হাম্বিতম্বি। খোঁজ নিয়ে দেখুন তাদের তেল সম্পদ কিভাবে উত্তোলিত হচ্ছে। কোম্পানীগুলো কোন দেশের। ইরান কাস্পিয়ান সাগরে তেল গ্যাস উত্তোলন করতে সাগরে নামার সঙ্গে সঙ্গে ইঙ্গো-মার্কিন তাদের বিরুদ্ধে যেভাবে লেগেছে তা দেখা যাচ্ছে। পারমানবিক কর্মসূচী আসলে ভাওতাবাজী। কারণ হচ্ছে মার্কিন কোম্পানীগুলো কাস্পিয়ান সাগরে তেল গ্যাসের ভাগ চেয়েছিলো। ইরান তাদের পাত্তা দেয়নি। বুশ প্রশাসন ক্ষমতায় গেলে এটা আদায় করে ছাড়তো। বাংলাদেশ আর ইরান এক কথা নয়। ইরানের অর্থনীতি তেল সম্পদের কারণে অনেক সমৃদ্ধ। আর বাংলাদেশ সাহায্য ছাড়া একদিনো চলতে পারেনা। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদের রিজার্ভ নিয়ে বিদেশী মিডিয়ায় কি তথ্য দেয়া হয়েছে তা দেখে নিন।
২০০১ সালের জুন মাসে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভের একটি জরিপে বলা হয়েছে এদেশে ৩২.১ ট্রিলিযন ঘনফুট অনাবিস্কৃত রয়েছে। এর বেশিরভাগ মজুদ বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন ব্লকে রয়েছে। এ রকম তথ্য দিয়ে তারা সেদেশের কোম্পানীগুলোর চোখগুলোকে আরও লোভনীয় করে তুলছে। যদিও পেট্রোবাংলা মনে করছে দেশ মোট প্রমাণিত গ্রাস মজুদের পরিমাণ হলো ১৫.৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এখন কথা হলো আমরা কি এ গ্যাস ক্ষেত্র থকে নিজেরা গ্যাস উত্তোলন করার মতা রাখি ? আমার ব্যক্তিগত মত হলো তা সম্ভব নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্তর্জাতিক টেন্ডার দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে মায়ানমার ও ভারত বঙ্গোপসাগরে হামলে পড়েছে। পূর্ব দক্ষিণ দিকে মায়ানমার তার নৌবাহিনীকে পেছনে রেখে সামনে চীনের কোম্পানীকে গ্যাস উত্তোলনের জন্য ঠেলে দিয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে একই কায়দায় ভারত দক্ষিণ পশ্চিম দিকে মার্কিন কোম্পানীকে গ্যাস উত্তোলনের জন্য ঠেলে দিয়ে তাদের নিরাপত্তার জন্য যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে। গরীবের বউ নাকি সবার ভাবি হয়। আসলে ব্যাপারটা এই রকমেরই দাড়িয়েছে। এ অবস্থায় ব্যালেন্স করে মার্কিন, ভারত ও চীনের স্বার্থ সংরক্ষণ ছাড়া বঙ্গোপসাগর থেকে গ্যাস তুলে তা ব্যবহার করা আমার স্বপ্নের মতোই মনে হয়। এটা কোনদিন সম্ভব নয়। মায়ানমার চীনের উস্কানীতে গ্যাসের জন্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা যুদ্ধাস্ত্র সংগ্রহ করছে। অধ্যাপক তালুকদার মনিরুজ্জামান আমাকে বলেছেন, মিয়ানমারের এমন কোন শত্রু নেই যে মারণাস্ত্র যোগাড় করতে হবে। তারা গ্যাস দখলের জন্য বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নিকট ভবিষ্যতে তারা যুদ্ধও করবে । এ কারণে তারা এশিয়ান হাইওয়ে মেনে নিচ্ছেনা। এ অবস্থায় ভাবালুতা ছেড়ে দিয়ে আমাদের বাস্তবে ফিরে আসা দরকার। এর মানে হলো কাউকে ভাগ না দিয়ে সাগর থেকে গ্যাস উত্তোলন সম্ভব নয়। কোন বোকাও এটা বিশ্বাস করবেনা যে আমার তেল গ্যাস আমি তুলে নিতে সক্ষম হবো।
এখন প্রশ্ন আসে দেশের এ মুহুর্তে আমরা সমূদ্রে কেন গ্যাস খুঁজতে যাচ্ছি। আমি গত ১০ সেপ্টেম্বরের বিদ্যুৎ উৎপাদনের চিত্র তুলে ধরছি। ওই দিন কমপক্ষে ১০ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির শিকার হয়েছে। কেন্দ্রগুলো হলো-চট্টগ্রাম রাউজান স্টিম-১ নম্বর স্টেশনটির বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ৩৬০ মেগাওয়াট। অথচ গ্যাসের ঘাটতির কারণে মাত্র ২২০ থেকে ২৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন হয়েছে। শিকলবাহা স্টেশনটি গ্যাস না থাকার কারণে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। ফলে এই কেন্দ্র থেকে যে ৪০ মেগাওয়াট পাওয়া যেত তা পাওয়া যায়নি। শিকলবাহা বিএমপিপি স্টেশনটিও গ্যাস না থাকার কারণে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এছাড়াও ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩,৪,৫,৬ নম্বর স্টিম থেকে ৭৮০ মেগাওয়াট উৎপাদন হওয়ার কথা থাকলেও তা কমে ৬০০ মেগাওয়াটে নামে। টঙ্গী কেন্দ্র থেকে ১০৫ মেগাওয়াট হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে ৩০ মেগাওয়াট থেকে ৫০ মেগাওয়াট। শাহাজী বাজারের কেন্দ্র থেকেও ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে মাত্র ১১ মেগাওয়াট। হরিপুর কেন্দ্রের-–১,২,৩ এসবিইউ থেকে ৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার কথা থাকলেও মোটেও উৎপাদন হয়নি। মেঘনাঘাটে বেসরকারী বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পুরোপুরি ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। অথচ সেখান থেকে ৪০ মেগাওয়াট কম বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। হরিপুর বেসরকারী বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা আইপিপি নামে পরিচিত তা থেকে ৩৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা থাকলেও তা পিক আওয়ারে ২৮২ মেগাওয়াটে নেমে আসে। হরিপুরের বেসরকারী এনইপিসি কেন্দ্র থেকে ১১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হওয়ার কথা থাকলেও তা ৩০/৪০ মেগওয়াটে নেমে আসে। শুধু গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণেই ১০ সেপ্টেম্বর ৫৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম উৎপাদিত হয়েছে। ফলে লোড শেডিং, উৎপাদনে ঘাটতি, জনজীবন দুর্বীসহ, .... আর কত বলবো। এ কারণেই এই মুহূর্তে গ্যাস তোলা প্রয়োজন। সাঙ্গুতে যে পরিমাণ গ্যাস ছিল বলে ধারণা করা হয়েছিল তা পাওয়া যাচ্ছেনা। এভাবে ব্যবহার করলে বর্তমান মজুদ আগামী ৩ বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। সরকার তার ঐতিহাসিক চরিত্রের কারণেই এ তথ্য প্রকাশ করছেনা। কারণ তারা ১০০ জন মারা গেলেও প্রচার করে ১০ জনের মৃতু্ হয়েছে। আমার ধারণা দেশকে অকার্যকর করতে সরকারের গ্যাস আগামী তিন বছরের মেধ্র শেষ হয়ে যাবে - এধরনের একটি ঘোষণাই যথেষ্ট। ভেবেছেন গ্যাস না থাকলে দেশের অবস্থা কি হবে? এখন উপায় একটাই। তা হলো জরুরী ভিত্তিতে গ্যাস তুলতে হবে। পেটে ক্ষুধা লাগলে মানুষ হালাল হারাম বাছেনা। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো জনপ্রিয় সরকার স্বাধীনতার পর আসেনি। হাসিনা ও খালেদাকে ধরা হলো- দেখলাম মানুষ কত খুশি। কিন্তু যখনই মানুষ না খেয়ে থাকতে শুরু করলো- সব উল্টে গেলো। বলতে লাগলো –তারা চোর হলেও আমাদেরতো খাইয়েছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খুলনার কলকারখানা বন্ধ করে দেয়া হলো। আমি গেলাম রিপোর্ট করতে। একজন শ্রমিক বললেন, ভাই, আমার মেয়ে আয় করে আমাদের খাওয়ায়। আমি বাবা হয়ে গভীর রাতে মেয়ের জন্য দড়জা খুলে দেই। তার চোখের দিকে তাকাতে পারিনা। বলতে পারিনা এত রাত পর্যন্ত কি কাজ ছিল ? এটাই বাস্তবতা। এখন ঘরে চাল নেই, মহাজনের কাছে সব বান্ধা দিয়ে সুদে ধার তো করতেই হবে। এ ছাড়া যে জীবন বাঁচবেনা। মার্কিন কোম্পানী একরকম মহাজনই সেজে বসেছে। এখন সম্ভ্রম হারানোর অপেক্ষা আর কি?
আমি এই জন্যই বলছি, বিদেশী কোম্পানী হটাও শ্লোগান আমার খুব ভালো লাগে। অন্তত আমার জীবন দিলে তারা যদি এদেশ থেকে চলে যেত আমি তাই করতাম। কিন্তু ওদের লোলুপ হায়নার দৃষ্টি গ্যাসের ওপর থেকে কোনদিনো যাবেনা। এর বিরুদ্ধে কিছু করতে গেলে দেশে অরাজকতা তৈরী করা হবে। আমাদের দেশের মানুষই তাদের এজেন্ট। তারাই অরাজকতা শুরু করবে। আজ ব্যারিষ্টার রফিকুল হক আমাকে ব্যক্তিগত আলাপের সময় কাদের দালাল বলেছেন শুনলে আপনারা ক্ষেপে যাবেন। এজন্যই চুক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া দরকার। চুক্তিগুলো যাতে কিছুটা হলেও দেশের পক্ষে আসে তার জন্য কাজ করা দরকার। তাদের ‘হঠাও’ বললে তা বেশি অফেন্সিভ হয়ে যায়। এতে আসল বিষয় আড়াল হয়ে যাবে। এটা আমাদের বামপন্থী নেতাদের বোঝা দরকার।
আপনারা ফুলবাড়ি কয়লা খনির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আত্মতুষ্টিতে ভুগেন। মনে করেন এশিয়া এনার্জি তাদের কাজ করতে সক্ষম হয়নি। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি- এশিয়া এ্যানার্জি ওই প্রকল্প এখনও বাদ দেয়নি। তারা এখন সময় ক্ষেপনের কৌশল অবলম্বন করছে। এর পক্ষে জনমত তৈরী করতে আমার সমগোত্রীয় সাংবাদিক ভাইদের একজন একজন করে কিনছে। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। আমি গত ১০ বছর ধরে সাংবাদিকতায় রয়েছি। এর মধ্যে পাঁচ বছর জ্বালানী ও বিদ্যুৎ নিয়ে রিপোর্ট লিখছি। আপনি আমাকে জ্ঞান দিয়েছেন। আমার মনে হয় খুটিনাটি বিষয় না জানলে আমার চাকরি থাকার কথা নয়। জ্বালানী বিষয়ের সকল সাংবাদিক নাইকো, ইউনিকল, এশিয়া এ্যানার্জির টাকায় অষ্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ডসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ঘুরে এসেছেন। হাত খরচের নাম করে হাজার হাজার ডলার পকেটে পুরেছেন। এশিয়া এ্যানার্জির কথাই বলি। তারা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দেরী করায় ক্ষতি কাদের হচ্ছে? এশিয়া এ্যানার্জিকে চিরতরে খেদানো যায়নি। কয়লার দেশে এখন কয়লা আমদানী করতে হচ্ছে। এভাবে সাগর বক্ষে গ্যাস উৎপাদনের বিরুদ্ধে জোরেসোরে আন্দোলন হলে তা হয়ত থেমে যেতে পারে। তবে এতে গ্যাস উত্তোলনে বিলম্ব ছাড়া কোন ফল বয়ে আনবে বলে আমার অন্ত্যত মনে হয়না। মাঝখান দিয়ে এতে দেশ দুর্ভোগে পড়বে। তারা টুডে টুমরো গ্যাস ঠিকই তুলে নেবে। অথবা তা ভারত মায়নমারের খাদ্যে পরিণত হবে। আমি বললাম আর আপনি দেখবেন আমরা না চাইলেও এশিয়া এ্যানার্জি উন্মুক্ত পদ্ধতিতেই কয়লা তুলে নেবে। আন্দোলনের ফলে স্থানীয়রা ক্ষতিপূরণও ভালো করে পাবেননা। এ নিয়ে যা কিছু হয় তা নির্বাচনের আগেই হয়। বুঝলেন!
আমি বলেছি, রমজানের সময় হরতাল দিলে জনমত বিপক্ষে যাবে। আসলে বামপন্থীরা মানুষের ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের ব্যাপারে উদাসীন। এ সেন্টিমেন্ট ভালো না খারাপ সেই বিতর্কে আমি যাচ্ছিনা। বাস্তবতা হলো- রোজার মাসে একজন মুসলমান কোন আন্দোলন করতে পারেনা। যুদ্ধ করতে পারেনা। কেউ মারতে আসলেও বলতে হয় আমি রোজাদার। এ কারণে হরতালের স্বর্ণযুগ গত ১৬ বছরে বিএনপি বা আওয়ামী লীগ কেউ রমজানে হরতাল দিতে সাহস পায়নি। রমজান মাস আসলেই সরকার এক মাসের জন্য নিরাপদ হয়ে যেত। বিরোধী দলগুলো বলতো রমজানের পর দেখা যাবে। আর আপনারা বলছেন, রমজানে হরতাল ডাকায় মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিতে কিভাবে আঘাত করা হলো? কোন রোজাদার হরতালে পথে নামবেননা। সে যতই আপনার আমার পক্ষে থাকুক। তাহলে হরতাল সফল করবে কে? আপনারা গুটি কয়েক লেকজন! এতবড় একটি স্বার্থের বিষয়ে গুটি কয়েক লোকের আন্দোলন হলে তাতো মাঠে মারা যাবে।
পরিশেষে ব্লগ লিখেন ভালো কথা। কার কি যোগ্যতা আছে না না আছে তা আপনার ভাববার বিষয় নয়। নিজেকে পন্ডিত ও একমাত্র দেশপ্রেমিক ভাবারও কোন দরকার নেই। আমার উপরের লেখা আপনার কাছে ভালো লাগলো না লাগলো তাতে আমার কিছু আসে যায়না। লেখাটির সঙ্গে আমার প্রথমে ব্যক্ত দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হতে পারে। তবে এটাই বাস্তবতা। কবিগুরুর ভাষায় বললে,
মনেরে তাই কহযে, ভালোমন্দ যাহাই আসুক সত্যরে লও সহজে।
আসুন বিদেশী কোম্পানী হটানো নয়, পিএসসিতে যাতে দেশের স্বার্থ আরও সংরক্ষিত হতে পারে সেজন্য জনমত গড়ে তুলি। রোজার মাসে কোন আন্দোলন নয়।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আসলে আমাদের প্রাকটিকাল হোয়া উচিত।

২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
মাইনাস।

রোযার মাসে আন্দোলনে সমস্যা কি?
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: একথা আওয়ামী লীগ বা বিএনপিকে জিজ্ঞসা করুন। তারাই বলতে পারবেন কেন রমজানে তারা কোনদিন হরতাল ডাকেনি।
আমার যুক্তি আমি তুলে ধরেছি। আপনার সদয় অবগতির জন্য আবার তুলে ধরলাম-
রমজানের সময় হরতাল দিলে জনমত বিপক্ষে যাবে। আসলে বামপন্থীরা মানুষের ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের ব্যাপারে উদাসীন। এ সেন্টিমেন্ট ভালো না খারাপ সেই বিতর্কে আমি যাচ্ছিনা। বাস্তবতা হলো- রোজার মাসে একজন মুসলমান কোন আন্দোলন করতে পারেনা। যুদ্ধ করতে পারেনা। কেউ মারতে আসলেও বলতে হয় আমি রোজাদার। এ কারণে হরতালের স্বর্ণযুগ গত ১৬ বছরে বিএনপি বা আওয়ামী লীগ কেউ রমজানে হরতাল দিতে সাহস পায়নি। রমজান মাস আসলেই সরকার এক মাসের জন্য নিরাপদ হয়ে যেত। বিরোধী দলগুলো বলতো রমজানের পর দেখা যাবে। আর আপনারা বলছেন, রমজানে হরতাল ডাকায় মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিতে কিভাবে আঘাত করা হলো? কোন রোজাদার হরতালে পথে নামবেননা। সে যতই আপনার আমার পক্ষে থাকুক। তাহলে হরতাল সফল করবে কে? আপনারা গুটি কয়েক লেকজন! এতবড় একটি স্বার্থের বিষয়ে গুটি কয়েক লোকের আন্দোলন হলে তাতো মাঠে মারা যাবে।

রমজানের এই সুযোগ নিতেই শেখ হাসিনা ৭ সেপ্টেম্বর পিএসসি সই করেছেন।

৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯
জাকি ফারহান বলেছেন: ও মোর আল্লাহ্‌!!!!
এইডা কি দুইডিন ধইরা ভাবসো নাকি লিখসো মনু?
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: এটা ভাবতে দুই দিন লাগেনা। তবে যার জন্য লিখেছি তাকে এ জবাবটা দেবো কিনা- তাই নিয়ে ভাবছিলাম আর কি।

ও মনুরে, মন্তব্য লিখে ভাবছো নাকি মুই কি হনুরে...............

৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪
কিরিটি রায় বলেছেন:
পিএসসিতে যাতে দেশের স্বার্থ আরও সংরক্ষিত হতে পারে সেজন্য জনমত গড়ে তুলি।

রমজানের সময় হরতাল দিলে জনমত বিপক্ষে যাবে। আসলে বামপন্থীরা মানুষের ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের ব্যাপারে উদাসীন। ---ভাবনার বিষয়!!

ইসলাম আগমনের আগেও রমজানে যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ থাকতো। পরম শত্রুও নির্ভয়ে মক্কায় আসতে পারতো।

লেখককে +
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬
ডিএইচবাদল বলেছেন: লেখক বলেছেন: একথা আওয়ামী লীগ বা বিএনপিকে জিজ্ঞসা করুন। তারাই বলতে পারবেন কেন রমজানে তারা কোনদিন হরতাল ডাকেনি।


আমি ওআপনার সাথে সহমত। বি,এন পি কিন্তু মানবতার দিক বিবেচনা করে হরতালের সমর্থ করেছে..এটাকে আপনি কোন চোখে দেখবেন?????
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: বিএনপি নিজেরা কি করেছে- তা আমাদের জানা উচিত। সাইফুর রহমান গ্যাস রপ্তানীর পক্ষে কথা বলেছিলেন। তিনি মাটির নিচে গ্যাস ফেলে রেখে লাভ কি তা জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এখন গ্যাস রপ্তানীর বিরুদ্ধে ডাকা হরতালে তারা সমর্থন দেন। হায়রে দেশ! আপনি এবার বিচার করুন। ক্ষমতায় থাকলে এক অবস্থান আর ক্ষমতার বাইরে থাকলে আরেক অবস্থান নয় কি?

৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
রমজানের এই সুযোগ নিতেই শেখ হাসিনা ৭ সেপ্টেম্বর পিএসসি সই করেছেন
========>>>>>>>

এই সুযোগ না দিতেই সেজন্য রোযার মধ্যে হরতাল করাটা ফরয হয়ে গেছে....
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পায়
তাই বলে কি কুকুরকে কামড়ানো মানুষের শোভা পায়.....



কুকুরকে সময় বুঝে মারতে হয়।

৭. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
মাসুদুল হক বলেছেন: তা ঠিক, হরতাল রমজানের পরে দিলেই ভালো হত
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: আজ পাবলিক রিএ্যাকশন দেখেছেন?

হরতালের ডাক হিতে বিপরীত হয়েছে।

৮. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪
*পাগলা জগাই* বলেছেন: আপনার পুরো লেখায় হরতালের বিপক্ষে কোন যুক্তি খুঁজে পেলাম না। আপনার সমগোত্রীয় যেসকল সাংবাদিকের কথা বললেন যারা বিক্রি হয়ে গেছে, আপনাকেও সেই দলেরই বলে মনে হচ্ছে। মাইনাস।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: আপনি এতক্ষণ পর এটা বুঝলেন ? সারারাত রাম আর সীতার কাহিনী বললাম আর সকালে উঠে আপনি বলছেন- সীতা কার বাপ?

আজ রাস্তায় নামুন। লোকজনের কথা শুনুন। তাহলেই হরতালের বিপক্ষে আমার আর যুক্তি দিতে হবেনা। আপনি নিজেই খুঁজে পাবেন।

৯. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭
*পাগলা জগাই* বলেছেন: মানুষ কি বলছে সেতো বুঝতেই পারছি! নইলে আপনার মত সাংবাদিকদের ভাড়া করার প্রয়োজন পরতো না প্রোপাগান্ডা চালানোর জন্য। মানুষকেই ঠিক করতে দিন তারা কি করবে না করবে। দালালকে ইতিহাস ক্ষমা করে না।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: ভাই আপনি যুক্ত না মানা একজন মানুষ। আপনার মতো মানুষের সঙ্গেতো বিতর্ক করা যায়না। আপনি বারবার ব্যক্তিগত আক্রমন করে যাচ্ছেন। আমি কে এবং কি, সৎ নাকি অসৎ এটা আমার চেয়ে আপনার ভালো জানার কথা নয়।
আমি অবশ্যই রমজানে হরতালের বিপক্ষে। রমজানের পরে নই। কারণ এক দুপুর হরতাল হলে ঈদের বাজার ক্ষতি হবে। আমাদের দেশর বেশিরভাগ মুনাফাখোর মানুষ বা ব্যবসায়ী এটা মেনে নেবেনা। এজন্যই কউশল দরকার।

১০. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৯
*পাগলা জগাই* বলেছেন: এই তো দেখেন আপনার মুখোশ সশব্দে খসে গেল! মুনাফাখোর ব্যবসায়ী মেনে নেবে না বলেই আপনার অসুবিধা! সাধু সাধু! মুনাফাখোর পলিটিশিয়ানরাও মেনে নিচ্ছে না এই মুভমেন্ট। সেজন্যই আপনাদেরকে নিয়োগ দিয়েছে! তাহলে কি দাঁড়ালো? যেহেতু মুনাফাখোর পলিটিশিয়ানরা মেনে নিচ্ছে না, পাবলিকের উচিৎ তাদের স্বার্থে নীরব হয়ে ঘরে ফিরে যাওয়া! বাহ মমিন বাহ! শামছুর দিন শেষ এখন মমিনেরই কাল!

আপনার কউশল আপনি আঙুলে লাগিয়ে চুষতে থাকুন, তবে আপনাকে চিনে রাখা হলো। সংগ্রাম শেষে দই মারতে এলে এবার ছালা বেঁধে আসতে ভুলবেন না যেন।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: বাস্তবতা এটাই। পরিবারের সকল সদস্যকে নিয়েই সংসার। আপনি কাউকে বাদ দিয়ে ভাবতে পারেননা।
আমি বেশিরভাগ মানুষকে মুনাফাখোর বলেছি। এ কারণে বলিছি যে তারা অল্প সংখ্যক হলে বাজারের অবস্থা এই রকম হয়না। বাস্তবতা হলো এরাই এ দেশের নাগরিক। এদেরকে নিয়েই আমাদের এদেশে থাকতে হবে। দুর্ভাগ্য হলেো সত্য এদের সমর্থন ছাড়া কোন আন্দোলন স্বার্থক হবেনা।
আপনি আমার কথার স্পিরিট বুঝতে পারেন নি।
ধন্যবাদ আপনাকে।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন:
পাগলা জগাই আপনি মুনাফাখোর কারা চিনতে পারেননি। তাই আপনার জন্য প্রথম আলোর আজকের রিপোর্টটি তুলে দিলাম-----

ঢাকায় জাতীয় কমিটির ডাকা অর্ধদিবস হরতাল আজ
বাস চালানোর ঘোষণা মালিকদের
এদিকে জাতীয় কমিটিভুক্ত বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এবং সাম্যবাদী দল (এমএল) এই হরতালের বিরোধিতা করেছে। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডা¯িট্র, বিজিএমইএ ও ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি হরতাল প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের বিভিন্ন সংগঠন এ হরতালকে জাতীয় স¦ার্থবিরোধী অভিহিত করে এটি প্রত্যাখ্যানের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতি, ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়ন ও মহাখালী বাস টার্মিনাল সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি আলাদা আলাদা বিবৃতিতে বলেছে, রমজান মাসে এই হরতাল তারা মানবে না। অন্যান্য দিনের মতোই তারা আজ সকাল থেকে সব রুটে বাস-মিনিবাস চালাবে।
বাংলাদেশ নারী মুক্তি আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু ¯œৃতি সংরক্ষণ পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন হরতালের বিরোধিতা করে বিবৃতি দিয়েছে।

আপনি বলেছেন- দালালকে ইতিহাস ক্ষমা করে না। বুঝলেন কারা দালাল। আপনাদের বামপন্থীদেরই একটি অংশ। ৬০ এর দশক থেকে কারা কারা বাম করতো তাদের খুজুন। দালাল পেয়ে যাবেন বলে আশা করি।

১১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: ভাল বলছেন!! আসলে বাস্তবতার বিরুদ্ধে বামরা ইদানিং শস্তা পলিটিক্স কইরা কিছু জনমত কামাইতে চায়!! ৫-১০ বছর পূর্ব থেকে যদি বাপেক্স নিয়া কড়া আন্দোলন করত তাইলে এতদিনে একটা অবস্থায় পৌছানো যেত, অন্তত চুক্তি গুলা একপেশে হইত না!! এতদিন ধইরা পলিটিক্স কইরা আর ক্ষমতায় বসাইয়া উনারা এখন আলীগরে নতুন কইরা চিনার ব্যবস্থা করতেছেন!! তাই এখনকার পরিস্থিতির জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বামরাও দায়ী!! ক্ষমতায় বসানোর আগ পর্যন্ত কমরেট আনুরা প্রথম আলো গোষ্ঠীর সাথে ভালই সম্পর্ক রাখত, হঠাৎ কইরাই উনাদের মধ্যে সম্পর্কের চিড়!! ১২ বছর আগের প্রথম আলোরে উনারা নতুন কইরা আবিস্কার করল মনে হয়!!!!! সন্দেহ নাই উনারা খনিজ সম্পদের ব্যাপারে অনেক ভাল ও জরুরী তথ্য দিছেন, কিন্তু সেটাকে শস্তা পলিটিক্সে ব্যবহার না করাই ভাল!!
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: সবই স্বার্থ বুঝলেন ভাই। আসলে দেশে বাম বলতে কিছুই নাই। কারণ আজকের বাম নেতা আগামী দিনে তথাকিথত অন্য কোন বুর্জোয়া রাজনৈতিক দলের নেতা। দেখা গেছে আজ তিনি গোড়া বাম দলের নেতা। কাল একটি দলের সংসদ নির্বাচনের টিকিট পেয়েছেনতো ভুলে যান তার ইতিহাস। স্বার্থই বাম দলগুলোর প্রধান অন্তরায়। দলগুলো আর কত ভাংগবে তা গবেষণার বিষয়। কোন জিনিস ভাংগলে নাকি অনু থেকে পরমানু হয়। তারপর বিষ্ফোরণ। আমার মনে হয় বামদলগুলো এখন বিষ্ফোরণের অপেক্ষায় রয়েছে। এজন্যই এদের কাছ থেকে দুরত্ব রাখা এই মূহুর্তে সবার জন্য ভালো বলেই মনে হয়। আর প্রথম আলোর সঙ্গে তাদের সম্পর্কে চিড় এটা একটি রহস্যজনক অধ্যায়। আমার মনে হয় এর কারণও স্বার্থ। দেখলেননা ল্যাম্পপোস্টকে তারা চরমপন্থী বানিয়ে ছাড়লো। আর দাদা তপনের সাক্ষাতকার আর তাকে নিয়ে হিউম্যান হিস্ট্রি এমনভাবে ছাপালো যেন উনি দেশের বিপ্লবী বড় কোন নেতা। তবে দেশে আসলেই কি হচ্ছে তার উদঘাটন হওয়া দরকার।

১২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩১
হঠাৎ বলেছেন: সাংবাদিক ভাই লালসালাম।
আমরা তো তাইলে সরকাররে জিগাইতেই পারি রমজানে এই চুক্তি অরা করল কিবা?
মনো অয় তেনাগরে স্বপ্নে জীবরাঈল মামা এ সম্পর্কিত অহি নাযিল করছিলেন আগেই যার জন্য তেনারা বুঝতে পারসিলেন এ মাসে হরতাল বিরোধী আরেকটা নতুন মতাবলম্বী আসতাছে রে....! আগেভাগে কাম সারা!
আপনে নিজেও তো কাউরে দিয়া আপনার পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে এ সম্পর্কিত একটা লেখা লিখাইতে পারতেন, তাই না? দুইদিন তাইলে ব্লগপোস্টের উত্তর লেখার পেছনে নষ্ট(!) অইত না।
আইচ্ছা আমারে কন তো ভাইয়া, দেশের স্বার্থের বিপরীতে একটা চুক্তি হইতেসে। ইসলাম কি কয়?
আমার তো কমন সেন্সে মনে হয়, ইসরাইল যখন রমজানে গাজায় হামলা করসিল, তখন গাজাবাসী বেআক্কেলের মত বুক পাইতা দেন নাই। তাগো হাতে তখন কী ছিল?
যাউক গা। হরতালে যদি মুসল্লীরা আসেন, স্বাগতম। আর না আসতে পারলে তো নাই। দোষ দিবো না কেউ। আমার মনে হয় এই হরতালে গাড়ি-বাড়ি ভাংচুরের লাগি জঙ্গি দলের না আসলেও চলে। আন্দোলনটা হচ্ছে সরকারের জন্য বিশাল এক "প্রশ্নবোধক চিহ্ন" ফোকাস করা। জনগণকে জানানো যে, এ চুক্তি জনসমর্থনের বৈপরীত্যে।
আর কইছেন চুক্তিটা যাতে কিছুটা অইলেও জনস্বার্থে আসে এ প্রচেষ্টা রাখতে। আমনে কি ভাইজান মনে করেন হরতাল না অইলেই চুক্তিডা জনস্বার্থে আয়া পড়বো? কৈন্চেন দেহি?
"মনেরে তাই কহযে, ভালোমন্দ যাহাই আসুক সত্যরে লও সহজে। "
প্রণাম কবিগুরুকে (আম্নেরে আগেই দিসি,মাইন্ড খাইয়েন না ওস্তাদ)।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে ইসলাম নিয়ে আরও জানতে হবে। হিজবুল্লাহ বা হামাসের সঙ্গে আমাদের কোন উদাহরণ খাটেনা। কারণ তাদের দর্শন ভিন্ন। আামদের দেশের লোকজন মুসলমান হলেও তাদের দর্শন বিশ্বাস করেনা। বিশেষ করে বোমা বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেয়া, বেসামরিক স্থানে হামলার প্রতিশোধ নিতে বেসামরিক লোকজনের ওপর হামলা। এগুলো অনেক বিতর্কিত বিষয়। মুসলিম পন্ডিতরা যা নিয়ে এখন কোন ঐক্যমত্যে পৌছায়নি। আপনি দেখান রমজান মাসে এদেশে কবে হরতাল হয়েছে? পিএসসি চুক্তির অসামঞ্জস্যতার বিরুদ্ধে অনেকভাবেই জনসমর্থন আদায় করা যেত। দশমিনিটের জন্য রাস্তায় নেমে মানববন্ধন করে প্রতিবাদ জানাতে যদি আমাদের সম্মানিত অধ্যাপক, লৈখক বুদ্ধিজীবীরা আহবান জানাতেন সেটা অনেক বেশি কার্যকর হতো, জনসমর্থন লাভ করতো বলে মনে করি। ইসলাম কি বলে জানতে চেয়েছেন। ইসলাম সবসময়ই নির্যাতন ও শোষনের বিপক্ষে। এনিয়ে আরেক দিন লিখবো বলে আশা রাখছি।
কবি গুরুর সঙ্গে আমারে সালাম। কিরগুরুরে কি লাল সালাম দিলেন?

১৩. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মেঘনাদরে ধন্যবাদ, না খোচাইলে অসাধারণ লেখাটা আপনার লেখা হইতো না। উনারও দোষ নাই। এই যেমন পাগলা জগাইরে দেখেন। খুবই অমায়িক মানুষ, কিন্তু বিপ্লব ফ্যান্টাসিতে ভুগতাছেন। কুয়ার ব্যাঙের মতো চোখে ঠুলি পইড়া কুয়াডারেই দুইন্যা ভাইবা লাইতাছেন। বিপ্লব হয়ে যাবে। এই তো মানুষ জাগলো কইয়া।

এই জোশ দুই যুগ আগে নিজে ধারণ করছি, বন্ধূবান্ধবরেও দেখছি ধারণ করতে। কিন্তু ক্যান জানি বিপ্লব হয় নাই, বিপ্লব হয় না। কারণ হইয়া গেলে তখন ব্যাপারটা ছ্যাড়াব্যাড়া লাইগা যাইবো। প্রলেতারিয়েতগো লাইগা ক্ষমতায় যাওয়ার পর সেই ক্ষমতায় প্রলেতারিয়েতগো ভাগ দেওয়া নিষেধ। কারণ তারা অশিক্ষিত, মুর্খ, রাজনৈতিক জ্ঞান নাই। তো এই ক্লাস স্ট্রাগলটা বৈধ। তো তুমি চিন্তা কইরো না, রাজনীতির ব্যাপারটা আমরা দেখতাছি তোমরা এই সমাজতন্ত্রের দেশে চাষবাস করো। তোমাদের ভাবনা আমরা ভাইবা দিমু। এই আধিপত্যবাদটাও বৈধ। তো আমরা শাসক তোমরা প্রজা, রাষ্ট্রীয় কিছু নিয়ম নীতি তো থাকেই, ট্যাক্স তো তোমাদের দিতেই হইবো। তো এই শোষনটাও বৈধ।

আসল কথায় আসি। আপনে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা বলছেন। হরতালের টাইমিং অবশ্যই তার মধ্যে একটা। রোজার দিনে রাজনৈতিক সংযমেরও একটা রীতি চালু বাংলাদেশে। এই যে হরতাল যারা দিলো তারা যতই জনগনের স্বার্থ দেখার আওয়াজ তুলুক, এই টাইমিংটা গোলমাল কইরা দিলো। জনগন হরতাল মানেই বুঝে হয়রানি। রোজা রাইখা ভাদ্রমাসের গরমে রাস্তা দিয়া হাইটা জীবিকার জন্য যাইতে হয়। এবং এখনও এই দেশে হরতালে সবচেয়ে সাফার করে বেলাভিত্তিক রোজগারী সম্প্রদায়।
কারা ডাকছে হরতাল? কম্যুনিস্টরা। ও নাস্তিকরা! এই হইলো পাবলিক ট্রেন্ড। এখন এই কিতাবী আর রূশ দেশ এবং চীন দেশের উপকথা পইড়া ঠোটস্থ কইরা ফেলা মানুষগুলা এইটা বুঝে না যে বলশেভিক বিপ্লবের সময় চার্চগুলা পাওয়ারফুল ছিলো, শোষক ছিলো। তখন ধর্মীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াটা মানাইতো। কিন্তু এই বাংলাদেশে সেটা হয় না। এক বুঝছিলেন ভাসানী। এই কারণেই মওলানার টুপিটা লাল ছিলো। কিন্তু সতীর্থ কমরেডরা তারে অবজ্ঞা করতেন এই টুপির কারণেই। চাষা এবং মূর্খ মওলানার তাই কৃষকবান্ধব হইয়াও বিপ্লব করা হয় নাই। তাদের গুতাগুতিতে নিজের অবস্থানের সঙ্গে অনেকবার আপোষ করছেন। আফসোস তোয়াহার মতো সেরম তাত্বিক গিয়া ঠিকই সামরিক শাসনের ছাতার নীচে আশ্রয় নিয়ে সাংসদের মর্যাদা ভোগ করে। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের আন্দোলন তখন হঠকারিতা বলে থিসিস দেয়।

দুঃখটা এইখানেই। যখনই বিশেষ কিছু বাম উত্তেজনায় ভোগে, তখনই আমরা বুঝি এইবার আসলে ডানরা কিছু করতে যাইতেছে। এখন পর্যন্ত বামদের সব বিপ্লবী উত্তেজনার বেনিফিশিয়ারী এই ডানেরা অর্থ মৌলবাদী দলগুলা। তাদের উপর এখন যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বিচারের হুমকি ঝুলতেছে।

আছিলাম বামের হরতালে চইলা গেলাম ডানে। তাইলে কি বুর্জোয়া দলগুলা খুব ভালো? অবশ্যই না। দুঃখজনক হইলেও একটা বাজে উদাহরন দিয়া বুঝাই। ধরেন একটা বেশ্যা বাড়ি। বুর্জোয়ারা হইলো সেই বেশ্যাখানার মালিক। দেশটারে বেশ্যা বানায়া বিদেশীদের ভোগে তোলে। আর বামেরা হইলো সেই বিদেশীদের দালাল। অল্প পার্সেন্টেজে কাম সারে।

রাজনীতি একটা জীবিকা। এইটা ভোলা যাবে না। জাতীয় পরিচয় পত্রে এইটাই লেখে নেতারা। সেই জীবিকার জন্য এই পিম্পগিরি কিংবা মাদামোজয়েল হওয়া- সেইটা পার্টি ভেদে। দুইযুগ আগের ব্যর্থ বিপ্লবী কমরেডগো জায়গা নিছে নতুন প্রচারক। চাপার জোর উত্তরাধিকার সূত্রেই আগুন গরম। উত্তপ্ত হিমোগ্লোবিন নিয়া ঘোরা পোলাপাইন স্বপ্ন দেখে মহা কিছু কইরা ফেলার। তারা কালবেলা পইড়া অনিমেষ হইতে চায়- সর্বহারার মুক্তি খোজে জীবন বিসর্জনে। আসলে ওই জীবিকাধারীদের ইনকামের সোর্স বনে।

আপনি ইঙ্গিত দিছেন দালালীর। আনু মোহাম্মদ বার্মা ও চীনের টাকা খাইয়া এই আন্দোলন করতেছেন বইলা যেই প্রচারণা চলতেছে সেটার আমি আসলেই কোনো ভিত্তি পাইনা। কারণ কত কোটি টাকার বিনিময়ে মানুষ পা দুইটা তুইলা দেয়। এইটা তো ব্যাঙ্ক ডাকাতি না, সন্দেহ এড়াইতে সহযোগী ডাকাতরে বলা আমারেও একটা গুলি কইরা দে, নাইলে তো পুলিশে ধরবো। তবে আনু মোহাম্মদের ভাবমূর্তি ও তার খ্যাতিরে কাজে লাগাইয়া উল্লিখিত নিম্ন বর্গের দালালেরা যে মাঠে নামছে সেইটা ঠিক।

হায়রে তেল, হায়রে গ্যাস। আমরা তুলতে দিব না, বর্গী খাবে। ধরেন আরেকটা সেনা শাসন আসলো। বুর্জোয়া পার্টি জেলে যাবে, বন্দুকের মুখে স্তব্ধ থাকবে জনগন, বামেরা যথারীতি তল্পি বাইবে স্তুতি গাইবে নতুন থিসিসে। তখন চুক্তি ঠেকাইবো কে? কারে ক্ষমতায় আনলে আপনাদের স্বার্থ রক্ষা হয়? দেশের জনগন আপনাগোরে তো চিনেই না।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: পিয়াল ভাই, আপনার লেখাটাও অসাধারণ হইসে। আমি না লিখলে ব্লগাররাও আপনার এ লেখা থেকে বঞ্চিত হতেন। আমি আপনার সঙ্গে একমত।

অনেক ধন্যবাদ। অনেক কঠিন রূঢ় সত্য কথা আপনি সহজে বলেছন।
`সহজ করে লিখতে আমায় কহযে, সহজ করে যায়না লেখা সহজে।' কবিগুরুর এ লেখা ভুল প্রমাণ করেছন আপনি!

১৪. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
*পাগলা জগাই* বলেছেন: পিয়াল সাব আপনের হইব! আপনের রম্য পড়তে পড়তে এমন হাসা হাসছি, প্রায় পাদ চলে এসেছিল! হা হা হা! আপনে মিয়া দুধের মাছি, এ্যারোসল এড়াইয়া চলাই আপনের জন্য মঙ্গলজনক, বুদ্ধির বেশ্যাবৃত্তির ব্যবসা নিয়া থাকেন সেইটাই আখেরে আপ্নেরে আনন্দময় ব্লগিংয়ে সাহায্য করব!
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: আমারতো মনে হয় দ্রুত আপনার কাপড় পরীক্ষা করে দেখা উচিত।

১৫. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২৫
অচেনা সৈকত বলেছেন: লেখা প্রিয়তে গেল। খুব কৌতুহল নিয়ে অপেক্ষা করছি আসলেই জনগণের প্রতিক্রিয়া কি হয় দেখবার জন্য।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আশা করি জনগনের প্রতিক্রিয়া বুঝতে পেরেছেন।
আসলে দেশর এ সম্পদ নিয়ে বহুমুখী ষড়যন্ত্র চলেছ। গরীবের বউ সবার ভাবি হয় । বড়লোক হন ম্যাডাম। এটাই বাস্তবতা। আমি একটা বিষয় দেখেছি েতল, গ্যাস নিয়ে দেশে এক ধরনের মচ্ছব চলছে। এ নিয়ে কোন সরকারী অনুষ্ঠান হলেও তা বিলাসবহুল হোটেলে হয়। অনেক খরেচর মচ্ছব চলে। বিদেশে হয় রোড শো। পেট্রোবাংলা, তিতাস, বিপিসি, বাপেক্স নামের প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি করলেই হলো- গাড়ি বাড়ি আর অঢেল সম্পদের নিশ্চয়তা। সাধারণ মিটার রিডারদের সম্পদ দেখলে টাস্কি খেতে হয়।
েকন দেশর প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে এত মচ্ছবের উৎসব। তা সবাইকে ভেবে দেখা দরকার।

১৬. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: পাগলা জগাই@ রম্য মনে হইলো! হেহেহে। সেডাই সেডাই। আইচ্ছা এইদেশে গার্মেন্টস কাচামাল আর কম্পিউটার সহ ইলেকট্রনিক সামগ্রীর বাজারটা এখন কাগো হাতে? মানে বাংলাদেশে লুইটা পুইটা ব্যবসা করতেছে কারা? চীন না? তাদের সেই ব্যবসার স্বার্থ রক্ষা এবং প্রতিযোগীদের ঠেকানোর দায়িত্ব কারা নিছে? দেন না ভাই কুওমিংয়ের একটা ভিসা যোগাড় কইরা, একটু মজা নিয়া আসি
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: ঠিক বুঝেছেন ভাই,
ওনাদের কাছে কুনমিং কেন- অনেক দেশেরই ভিসা রয়েছে।

১৭. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
পোড়া মরিচ বলেছেন: পাগলা জগাই, আপনারে লাল সালাম।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: লাল সালাম ইদানিং কারা দিচ্ছে - তা ভাবনার বিষয়

১৮. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
উড়ুউড়ু বলেছেন: আমি আবেগকে অনেক আগেই না বলেছি..এই দেশ আবেগের দেশ না... সবাই সবার স্বার্থটাই আগে দেখে....
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: আসলেই তাই। শুন হে বাঙ্গালি ভাই, সবার উপরে স্বার্থ সত্য তাহার পরে নাই।


বাম নেতাদের গত ৩০ বছরের রাজনীতির ব্যবচ্ছেদ করলে এর সত্যতা পাবেন।

১৯. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: @অমি রহমান পিয়াল
আপনি চীনকে আবার এর মধ্যে টানলেন কেন? এই হচ্ছে আপনাদের সমস্যা। একটার মধ্যে আর একটা ঢুকিয়ে মূল আলোচনা থেকে পাশকাটিয়ে যান। আর চীন কি সমাজতান্ত্রিক বলে আপনি মনে করেন? যদি করেন তাহলে আপনার সমস্যাটা বুঝতে পেরেছি।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: পিয়াল সাব আপনার মন্তব্য দেখেননি। তাই তার পক্ষে আমি জবাবটা দিয়ে দিলাম। তা হলো বর্তমা সরকার সাবেক সরকারের পূর্বমুখী নীতি থেক সরে এসেছে। এটা বুঝতে কোন বিশেষজ্ঞ হতে হয়না। বর্তমান সরকার ভারতপন্থী সরকার। আর ভারত মার্কিন স্বার্থে কাজ করছে। তারা চুক্ততেও উপনিত হয়েছে। এ কারণে চীন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে। চীন এদেশকে সহজে ছাড়বে বলে মনে হয়না। মায়ানমারকে তারা কাজে লাগাবে। আর এদেশ তাদের এজেন্টদের লেলিয়ে দেবে।

এখন পিয়াল সাব কাদের চীনের এজেন্ট মনে করছেন সেটা তার ব্যাপার। তবে এদেশে চীনের যে এজেন্ট রয়েছে আর তারা যে আগামী দিনে সোচ্চার হেচ্ছন এটা িঠক।

২০. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: আসলে দেশে বাম বলতে কিছুই নাই। কারণ আজকের বাম নেতা আগামী দিনে তথাকিথত অন্য কোন বুর্জোয়া রাজনৈতিক দলের নেতা। দেখা গেছে আজ তিনি গোড়া বাম দলের নেতা। কাল একটি দলের সংসদ নির্বাচনের টিকিট পেয়েছেনতো ভুলে যান তার ইতিহাস। স্বার্থই বাম দলগুলোর প্রধান অন্তরায়। দলগুলো আর কত ভাংগবে তা গবেষণার বিষয়। কোন জিনিস ভাংগলে নাকি অনু থেকে পরমানু হয়। তারপর বিষ্ফোরণ।




একমত................আজকে দেখলাম বাম দলের লোকেরা প্রথম আলো পোড়াচ্ছেন...........................আরো কত কি যে দেখতে হবে...........

আর হরতাল রমজান বা কোন মাসেই সমর্থনযোগ্য নয়...........

আর আমাদের দেশের মানুষ সত্য সত্যই আবেগে চলে......................দেখলেননা বিডিআর এর ঘটনার সময় পয়লা বিডিআররে সাপোর্ট দিসে..............তারপর আবার ইউটার্ন নিসে.........

আর এখন সব ভুলে গেছে.................তাই ...............

আমি মনে করি এভাবে হঠাৎ করে কোন কিছু হবেনা.................দেশের আমজনতা এখোনো ব্যাপারটা কিছুই বুঝেনি...............
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সহমত প্রকাশের জন্য। আসলে আমাদের দেশের বাস্তবতা না বুঝে এদেশে রাজনীতি করা যায়না।

আগে জনগণকে সবকিছু জানাতে হবে।

২১. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
বাঁশির সুর বলেছেন: কস কি রে মোমিন????

ফুট এহান থেইক্যা।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২২. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪
অন্যরকম বলেছেন: পোস্ট অনেক বড়.... পড়ার জন্য পর্যবেক্ষনে নিলাম!
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: আমি তেল গ্যাস নিয়ে আমার কিছু বক্তব্য এখানে উপস্থাপন করেছি। আমি বলেছি, আমাদের বাস্তবতা মেনে নেয়া উচিত। কৌশল অবলম্বন করে আমাদের গ্যাস সম্পদ যাতে হাতছাড়া না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত।
আর এজন্য হটকারী কোন কর্মসুচী দেয়া হলে তা দেশের জন্য বুমেরাং হয়ে আসতে পারে।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন:

২৪. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
সেলটিক সাগর বলেছেন: লেখক বলেছেন: একথা আওয়ামী লীগ বা বিএনপিকে জিজ্ঞসা করুন। তারাই বলতে পারবেন কেন রমজানে তারা কোনদিন হরতাল ডাকেনি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ভাই আপনি কি নিশ্চিত এই ব্যপারটায়? আমার আবছা করে মনে পড়ছে রমজানেও খুব সম্ভবত হরতাল হয়েছে এর আগে..... হয়তো অন্য কেউ আরো সিউর হয়ে বলতে পারবেন আমার মনে হওয়াটা ঠিক কিনা...

পোস্ট পর্যবেক্ষনে রইল।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আমি ভাই যতদিন ধরে সাংবাদিকতায় আছি আর স্মৃতি যদি আমার সঙ্গে প্রতারণা না করে তাহলে বলতে পারি রমজানে কোনদিন আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কোন হরতাল ডাকেনি। দেশর মানুষ এটা মেনে নেয়না। এবারই তার প্রমাণ দেখা গেলো।

২৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
স্বপ্নশিকারী বলেছেন: বাম দগুলো হলো দাণ দলের জারজ সন্তান।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: আসলে আমি ভাই বাম দলগুলোর বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইনি। কিন্তু অনেকের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কিছু কথা বলতে বাধ্য হয়েছি।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ আমাকে যা বলেছেন, কিভাবে বাম দলের নেতারা তার কাছ থেকে মাসে মাসে চাঁদা নিতেন। বাম দলের নেতারা ডান দলকে প্রভাবিত করে আন্দোলন পিছিয়ে দেবেন- এ প্রতিশ্রুতি দিয়েই এরশাদের কাছ থেক অর্থ নিতেন তারা। এরশাদ বলেন, এসবের প্রমাণ আছে । তবে এ অর্থের উৎস কোথায় এ প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তা প্রকাশ করতে পারছিনা।
আপনি একটু কঠিন করে বলেছেন। তবে বাস্তবে তার প্রমাণ রয়েছে।

২৬. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা@ভাইরে এই বিষয়ে লেখালেখি চোখে পড়ে তো। তাই উদ্বিগ্ন হই। যেমন নীচের লেখাগুলা পড়েন, স্পষ্ট লেখা আছে আমাদের সাগরতলের জ্বালানীর দিকে শ্যোন নজর আছে চীনে, আর তারা ব্যবহার করতেছে মায়ানমারকে :

Beijing's main objectives are said to be access to raw materials, commodities, natural resources and access to South Asian markets for Chinese goods and to expand China's influence in the region. However, China's support for India's smaller neighbors suggests that gaining access to markets and natural resources is not the only reason behind Beijing's South Asia policy: Beijing also wants to make a point on the limits of Indian power.

আরো লিখছে:



Both face growing demand for energy and are locked in fierce competition for stakes in overseas oil and gas fields in Asia, Africa, Latin America, and the Middle East. In the energy competition stakes, however, China currently has an overwhelming lead because China has linked energy to its national security policy for longer than India has. Moreover, China has been more successful in diversifying its energy resources, developing a varied network of oil suppliers from Africa to Latin America.

China's superior financial muscle and diplomatic clout also enables it to win friends and contracts for natural resources. As 2005 progressed, Chinese oil firms went out of their way (excessively overpaying for assets) to thwart India's attempts to secure international energy assets in Kazakhstan, Ecuador, Angola, Nigeria, and Myanmar. Clearly, India's efforts to secure supplies cannot succeed unless and until New Delhi creates incentives (arms, aid and diplomatic support) or economic dependencies (via trade) for the supplying country to sell oil and gas to India.

Ironically, the day India's oil minister, Mani Shankar Aiyar, left for Beijing to discuss energy-cooperation joint ventures, Myanmar announced that its gas would be flowing east to China instead of north and west to India. Despite the conclusion of energy cooperation agreements, China is likely to go solo in its quest for energy security; energy competition, rather than energy cooperation, will be the norm.

As finding new sources of oil becomes more difficult, there are bound to be areas of friction between Asia's two fastest growing economies. While China views the Andaman Sea off Myanmar's coast as an important source of oil to fuel the economic expansion of China's western provinces, India sees China's presence in the Bay of Bengal an unwelcome development. The Chinese Navy has asserted its legitimate right to operate in the Indian Ocean to ensure security of its oil and trade transiting through the region.

China already has better relations with the two largest energy suppliers -- Saudi Arabia and Iran -- than does India. With Pakistan as its long-term military ally, China also has closer relations with four important Islamic countries (Saudi Arabia, Iran, Pakistan and Bangladesh) than India, the United States and Japan.

As a major trading country and a future world power, China is now laying the groundwork for a naval presence along maritime chokepoints in the South China Sea, the Malacca Straits, the Indian Ocean and the Strait of Hormuz in the Persian Gulf through acquisition of naval bases in Cambodia, Myanmar, Bangladesh and Pakistan to protect its long-term economic security interests.

এই ব্যাপারে গত বিএনপি-জামাত জোট সরকাররে তারা কতখানি প্রভাবিত করছিলো তাও লেখা হইছে :
Taking advantage of a sharp downturn in India's relations with Bangladesh over issues ranging from illegal immigration to Islamist terrorism, transit and trade, Beijing has upgraded its ties with Dhaka to gain naval access to the Chittagong port, to establish a road link with Bangladesh via Myanmar and to acquire Dhaka's immense natural gas reserves. China is already the largest supplier of weaponry to Bangladesh. Chinese Premier Wen Jiabao's recent offer to provide Dhaka with nuclear reactor technology has led to speculation as to whether Beijing would replicate in Bangladesh the sort of military, nuclear and missile collaboration it has with Pakistan. Bangladesh and Nepal are also expected to join Pakistan in concluding peace and friendship treaties with China in the near future.

At the 13th S.A.A.R.C. summit held in Dhaka in November 2005, India's physical presence was overshadowed by China's invisible presence but growing influence. Nothing highlighted this more strikingly than India's volte-face on the issue of China's induction into the grouping as an observer or a dialogue partner.

On the first day of the proceedings on November 12, Indian Foreign Secretary Shyam Saran ruled out China's induction unless it signed a memorandum of understanding for being associated with S.A.A.R.C. However, within less than 24 hours, Indian Prime Minister Manmohan Singh was forced -- mainly by the pro-China grouping comprising Nepal, Pakistan and Bangladesh -- to come out with a statement welcoming China as an observer. (The only consolation for India was that it managed to extend the same privilege to its friend, Japan.)

পুরাটা পড়েন এইখানে :
Click This Link
২৭. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২
নির্ণয় বলেছেন:
"রোজার মাসে একজন মুসলমান কোন আন্দোলন করতে পারেনা। যুদ্ধ করতে পারেনা"

- বদরের যুদ্ধ ও অন্যান্য ??? !
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: ইসলামের কোন যুদ্ধই রমজানে হয়নি। আঘাত করা হলে তা ঠেকানো হয়েছে মাত্র। বদরের যুদ্ধ রসুল দ. মাক্কা গিয়ে যুদ্ধ করেননি। তিনি কাফিরদের আক্রমন ঠেকিয়েছেন মাত্র। তাতেই বিজয়ী হয়েছিলেন।

২৮. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৯
নির্ণয় বলেছেন:
এগিয়ে গিয়ে যুদ্ধ করাটা যুদ্ধ আর এমনি যুদ্ধ করাটা যুদ্ধ না! আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি যেমন বোঝেন! /:)
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: আরে ভাই, ইসলাম পূর্ব যুগেও আরবরা রামজানে যুদ্ধ বিগ্রহ করতোনা। আমি ভাই কামিল হাদিস শাস্ত্রে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছি। কোরান হাসিদে কোথাও পাইনি রমজান মাসে বিগ্রহ করা যায়। আপনি দেখিয়ে দিন কোথায় পেয়েছেন। আমি মেনে নেবো।

২৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:২৭
মাহ্‌মুদুল হাসান । বলেছেন: আপনার বলা উচিৎ ছিল রমজানে আক্রমন করা ঠিক না। আক্রমন ঠেকানোও যুদ্ধ। সাধারণ জ্ঞান তাই বলে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কাজী সায়েমুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতোকত্তোর। জন্ম ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম শহরের দামপাড়ায়। তার পূর্বপুরুষ ছিলেন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই