somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপনার সঙ্গে বিতর্কে যাওয়াটা ঠিক হবে কিনা তা নিয়ে দুই দিন ভাবলাম। আমার মনে হলো আপনি লিখিতভাবে আমার ওপর হরতালের পিকেটিং করা শুরু করেছেন। আপনি বলেছেন, আপনার কোন কথার জবাব দেয়ার যোগ্যতা আমার নেই। তাই বাধ্য হয়েই জবাবটা দিলাম। তবে এর আগে তেল গ্যাস ইত্যাদি নিয়ে আমার অবস্থানটা পরিস্কার করে নেই। আমি সবসময় কবি হাসান শাহরিয়ারের ভাষায় বলে আসছি, ’কুত্তা আসে, কুত্তা যায়, কুত্তা যায় আসে। রাধার লাশ দেখে এলাম পাট ক্ষেতের পাশে।’ বাংলাদেশকে আমার কোন হিন্দু মেয়ে ধর্ষিতা রাধার মতোই মনে হয়। যার লাশও পালাক্রমে ভক্ষণের শিকার হচ্ছে। বিদেশী কোম্পানীগুলে বাংলাদেশকে এভাবেই পেয়ে বসেছে। আমার বক্তব্য আপনি বুঝতে পারেনি। প্রথম পোস্টে আমি বলেছি- পিএসসি (প্রোডাক্টশন(শেয়ারিং কনটাক্ট) এর অসামঞ্জস্যতার বিরুদ্ধে আন্দোলন করা উচিত। কারণ পিএসসিতে দেশের স্বার্থ বিরুদ্ধ অনেক ধারা রয়েছে। এটা আমি স্বীকার করছি।
আমরা অনেক সময় বাস্তবতা ভুলে যাই। আমাদের দেশের আকার, প্রকৃতি, অবস্থান অনুযায়ী আমরা কথা বলিনা। মানুষের কথা আর প্রত্যাশা দেখলে মনে হয় আমরা কোন উন্নত দেশে বাস করছি। আমি স্বপ্ন দেখি বাপেক্স নামের প্রতিষ্ঠানটি নিজের পরিচালনায় তেল গ্যাস তুলছে। তারা বিদেশী কোম্পানীর মাধ্যমে গ্যাস তুললেও তাদের শুধু পারিশ্রমিক দিয়ে বিদায় করছে। তাদের তেল গ্যাসের জন্য ভাড়া খাটানো হচ্ছে। কিন্তু স্বপ্ন স্বপ্নই। বাংলাদেশতো দুরের কথা, পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশও নিজেদের মতো করে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন করতে পারেনি। ইরাক চেয়েছিল তার পরিনতি আমরা দেখেছি। বিশ্বে ভেনিজুয়েলার এত হাম্বিতম্বি। খোঁজ নিয়ে দেখুন তাদের তেল সম্পদ কিভাবে উত্তোলিত হচ্ছে। কোম্পানীগুলো কোন দেশের। ইরান কাস্পিয়ান সাগরে তেল গ্যাস উত্তোলন করতে সাগরে নামার সঙ্গে সঙ্গে ইঙ্গো-মার্কিন তাদের বিরুদ্ধে যেভাবে লেগেছে তা দেখা যাচ্ছে। পারমানবিক কর্মসূচী আসলে ভাওতাবাজী। কারণ হচ্ছে মার্কিন কোম্পানীগুলো কাস্পিয়ান সাগরে তেল গ্যাসের ভাগ চেয়েছিলো। ইরান তাদের পাত্তা দেয়নি। বুশ প্রশাসন ক্ষমতায় গেলে এটা আদায় করে ছাড়তো। বাংলাদেশ আর ইরান এক কথা নয়। ইরানের অর্থনীতি তেল সম্পদের কারণে অনেক সমৃদ্ধ। আর বাংলাদেশ সাহায্য ছাড়া একদিনো চলতে পারেনা। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদের রিজার্ভ নিয়ে বিদেশী মিডিয়ায় কি তথ্য দেয়া হয়েছে তা দেখে নিন।
২০০১ সালের জুন মাসে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভের একটি জরিপে বলা হয়েছে এদেশে ৩২.১ ট্রিলিযন ঘনফুট অনাবিস্কৃত রয়েছে। এর বেশিরভাগ মজুদ বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন ব্লকে রয়েছে। এ রকম তথ্য দিয়ে তারা সেদেশের কোম্পানীগুলোর চোখগুলোকে আরও লোভনীয় করে তুলছে। যদিও পেট্রোবাংলা মনে করছে দেশ মোট প্রমাণিত গ্রাস মজুদের পরিমাণ হলো ১৫.৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এখন কথা হলো আমরা কি এ গ্যাস ক্ষেত্র থকে নিজেরা গ্যাস উত্তোলন করার মতা রাখি ? আমার ব্যক্তিগত মত হলো তা সম্ভব নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্তর্জাতিক টেন্ডার দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে মায়ানমার ও ভারত বঙ্গোপসাগরে হামলে পড়েছে। পূর্ব দক্ষিণ দিকে মায়ানমার তার নৌবাহিনীকে পেছনে রেখে সামনে চীনের কোম্পানীকে গ্যাস উত্তোলনের জন্য ঠেলে দিয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে একই কায়দায় ভারত দক্ষিণ পশ্চিম দিকে মার্কিন কোম্পানীকে গ্যাস উত্তোলনের জন্য ঠেলে দিয়ে তাদের নিরাপত্তার জন্য যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে। গরীবের বউ নাকি সবার ভাবি হয়। আসলে ব্যাপারটা এই রকমেরই দাড়িয়েছে। এ অবস্থায় ব্যালেন্স করে মার্কিন, ভারত ও চীনের স্বার্থ সংরক্ষণ ছাড়া বঙ্গোপসাগর থেকে গ্যাস তুলে তা ব্যবহার করা আমার স্বপ্নের মতোই মনে হয়। এটা কোনদিন সম্ভব নয়। মায়ানমার চীনের উস্কানীতে গ্যাসের জন্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা যুদ্ধাস্ত্র সংগ্রহ করছে। অধ্যাপক তালুকদার মনিরুজ্জামান আমাকে বলেছেন, মিয়ানমারের এমন কোন শত্রু নেই যে মারণাস্ত্র যোগাড় করতে হবে। তারা গ্যাস দখলের জন্য বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নিকট ভবিষ্যতে তারা যুদ্ধও করবে । এ কারণে তারা এশিয়ান হাইওয়ে মেনে নিচ্ছেনা। এ অবস্থায় ভাবালুতা ছেড়ে দিয়ে আমাদের বাস্তবে ফিরে আসা দরকার। এর মানে হলো কাউকে ভাগ না দিয়ে সাগর থেকে গ্যাস উত্তোলন সম্ভব নয়। কোন বোকাও এটা বিশ্বাস করবেনা যে আমার তেল গ্যাস আমি তুলে নিতে সক্ষম হবো।
এখন প্রশ্ন আসে দেশের এ মুহুর্তে আমরা সমূদ্রে কেন গ্যাস খুঁজতে যাচ্ছি। আমি গত ১০ সেপ্টেম্বরের বিদ্যুৎ উৎপাদনের চিত্র তুলে ধরছি। ওই দিন কমপক্ষে ১০ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির শিকার হয়েছে। কেন্দ্রগুলো হলো-চট্টগ্রাম রাউজান স্টিম-১ নম্বর স্টেশনটির বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ৩৬০ মেগাওয়াট। অথচ গ্যাসের ঘাটতির কারণে মাত্র ২২০ থেকে ২৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন হয়েছে। শিকলবাহা স্টেশনটি গ্যাস না থাকার কারণে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। ফলে এই কেন্দ্র থেকে যে ৪০ মেগাওয়াট পাওয়া যেত তা পাওয়া যায়নি। শিকলবাহা বিএমপিপি স্টেশনটিও গ্যাস না থাকার কারণে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এছাড়াও ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩,৪,৫,৬ নম্বর স্টিম থেকে ৭৮০ মেগাওয়াট উৎপাদন হওয়ার কথা থাকলেও তা কমে ৬০০ মেগাওয়াটে নামে। টঙ্গী কেন্দ্র থেকে ১০৫ মেগাওয়াট হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে ৩০ মেগাওয়াট থেকে ৫০ মেগাওয়াট। শাহাজী বাজারের কেন্দ্র থেকেও ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে মাত্র ১১ মেগাওয়াট। হরিপুর কেন্দ্রের-–১,২,৩ এসবিইউ থেকে ৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার কথা থাকলেও মোটেও উৎপাদন হয়নি। মেঘনাঘাটে বেসরকারী বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পুরোপুরি ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। অথচ সেখান থেকে ৪০ মেগাওয়াট কম বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। হরিপুর বেসরকারী বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা আইপিপি নামে পরিচিত তা থেকে ৩৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা থাকলেও তা পিক আওয়ারে ২৮২ মেগাওয়াটে নেমে আসে। হরিপুরের বেসরকারী এনইপিসি কেন্দ্র থেকে ১১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হওয়ার কথা থাকলেও তা ৩০/৪০ মেগওয়াটে নেমে আসে। শুধু গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণেই ১০ সেপ্টেম্বর ৫৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম উৎপাদিত হয়েছে। ফলে লোড শেডিং, উৎপাদনে ঘাটতি, জনজীবন দুর্বীসহ, .... আর কত বলবো। এ কারণেই এই মুহূর্তে গ্যাস তোলা প্রয়োজন। সাঙ্গুতে যে পরিমাণ গ্যাস ছিল বলে ধারণা করা হয়েছিল তা পাওয়া যাচ্ছেনা। এভাবে ব্যবহার করলে বর্তমান মজুদ আগামী ৩ বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। সরকার তার ঐতিহাসিক চরিত্রের কারণেই এ তথ্য প্রকাশ করছেনা। কারণ তারা ১০০ জন মারা গেলেও প্রচার করে ১০ জনের মৃতু্ হয়েছে। আমার ধারণা দেশকে অকার্যকর করতে সরকারের গ্যাস আগামী তিন বছরের মেধ্র শেষ হয়ে যাবে - এধরনের একটি ঘোষণাই যথেষ্ট। ভেবেছেন গ্যাস না থাকলে দেশের অবস্থা কি হবে? এখন উপায় একটাই। তা হলো জরুরী ভিত্তিতে গ্যাস তুলতে হবে। পেটে ক্ষুধা লাগলে মানুষ হালাল হারাম বাছেনা। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো জনপ্রিয় সরকার স্বাধীনতার পর আসেনি। হাসিনা ও খালেদাকে ধরা হলো- দেখলাম মানুষ কত খুশি। কিন্তু যখনই মানুষ না খেয়ে থাকতে শুরু করলো- সব উল্টে গেলো। বলতে লাগলো –তারা চোর হলেও আমাদেরতো খাইয়েছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খুলনার কলকারখানা বন্ধ করে দেয়া হলো। আমি গেলাম রিপোর্ট করতে। একজন শ্রমিক বললেন, ভাই, আমার মেয়ে আয় করে আমাদের খাওয়ায়। আমি বাবা হয়ে গভীর রাতে মেয়ের জন্য দড়জা খুলে দেই। তার চোখের দিকে তাকাতে পারিনা। বলতে পারিনা এত রাত পর্যন্ত কি কাজ ছিল ? এটাই বাস্তবতা। এখন ঘরে চাল নেই, মহাজনের কাছে সব বান্ধা দিয়ে সুদে ধার তো করতেই হবে। এ ছাড়া যে জীবন বাঁচবেনা। মার্কিন কোম্পানী একরকম মহাজনই সেজে বসেছে। এখন সম্ভ্রম হারানোর অপেক্ষা আর কি?
আমি এই জন্যই বলছি, বিদেশী কোম্পানী হটাও শ্লোগান আমার খুব ভালো লাগে। অন্তত আমার জীবন দিলে তারা যদি এদেশ থেকে চলে যেত আমি তাই করতাম। কিন্তু ওদের লোলুপ হায়নার দৃষ্টি গ্যাসের ওপর থেকে কোনদিনো যাবেনা। এর বিরুদ্ধে কিছু করতে গেলে দেশে অরাজকতা তৈরী করা হবে। আমাদের দেশের মানুষই তাদের এজেন্ট। তারাই অরাজকতা শুরু করবে। আজ ব্যারিষ্টার রফিকুল হক আমাকে ব্যক্তিগত আলাপের সময় কাদের দালাল বলেছেন শুনলে আপনারা ক্ষেপে যাবেন। এজন্যই চুক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া দরকার। চুক্তিগুলো যাতে কিছুটা হলেও দেশের পক্ষে আসে তার জন্য কাজ করা দরকার। তাদের ‘হঠাও’ বললে তা বেশি অফেন্সিভ হয়ে যায়। এতে আসল বিষয় আড়াল হয়ে যাবে। এটা আমাদের বামপন্থী নেতাদের বোঝা দরকার।
আপনারা ফুলবাড়ি কয়লা খনির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আত্মতুষ্টিতে ভুগেন। মনে করেন এশিয়া এনার্জি তাদের কাজ করতে সক্ষম হয়নি। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি- এশিয়া এ্যানার্জি ওই প্রকল্প এখনও বাদ দেয়নি। তারা এখন সময় ক্ষেপনের কৌশল অবলম্বন করছে। এর পক্ষে জনমত তৈরী করতে আমার সমগোত্রীয় সাংবাদিক ভাইদের একজন একজন করে কিনছে। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। আমি গত ১০ বছর ধরে সাংবাদিকতায় রয়েছি। এর মধ্যে পাঁচ বছর জ্বালানী ও বিদ্যুৎ নিয়ে রিপোর্ট লিখছি। আপনি আমাকে জ্ঞান দিয়েছেন। আমার মনে হয় খুটিনাটি বিষয় না জানলে আমার চাকরি থাকার কথা নয়। জ্বালানী বিষয়ের সকল সাংবাদিক নাইকো, ইউনিকল, এশিয়া এ্যানার্জির টাকায় অষ্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ডসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ঘুরে এসেছেন। হাত খরচের নাম করে হাজার হাজার ডলার পকেটে পুরেছেন। এশিয়া এ্যানার্জির কথাই বলি। তারা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দেরী করায় ক্ষতি কাদের হচ্ছে? এশিয়া এ্যানার্জিকে চিরতরে খেদানো যায়নি। কয়লার দেশে এখন কয়লা আমদানী করতে হচ্ছে। এভাবে সাগর বক্ষে গ্যাস উৎপাদনের বিরুদ্ধে জোরেসোরে আন্দোলন হলে তা হয়ত থেমে যেতে পারে। তবে এতে গ্যাস উত্তোলনে বিলম্ব ছাড়া কোন ফল বয়ে আনবে বলে আমার অন্ত্যত মনে হয়না। মাঝখান দিয়ে এতে দেশ দুর্ভোগে পড়বে। তারা টুডে টুমরো গ্যাস ঠিকই তুলে নেবে। অথবা তা ভারত মায়নমারের খাদ্যে পরিণত হবে। আমি বললাম আর আপনি দেখবেন আমরা না চাইলেও এশিয়া এ্যানার্জি উন্মুক্ত পদ্ধতিতেই কয়লা তুলে নেবে। আন্দোলনের ফলে স্থানীয়রা ক্ষতিপূরণও ভালো করে পাবেননা। এ নিয়ে যা কিছু হয় তা নির্বাচনের আগেই হয়। বুঝলেন!
আমি বলেছি, রমজানের সময় হরতাল দিলে জনমত বিপক্ষে যাবে। আসলে বামপন্থীরা মানুষের ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের ব্যাপারে উদাসীন। এ সেন্টিমেন্ট ভালো না খারাপ সেই বিতর্কে আমি যাচ্ছিনা। বাস্তবতা হলো- রোজার মাসে একজন মুসলমান কোন আন্দোলন করতে পারেনা। যুদ্ধ করতে পারেনা। কেউ মারতে আসলেও বলতে হয় আমি রোজাদার। এ কারণে হরতালের স্বর্ণযুগ গত ১৬ বছরে বিএনপি বা আওয়ামী লীগ কেউ রমজানে হরতাল দিতে সাহস পায়নি। রমজান মাস আসলেই সরকার এক মাসের জন্য নিরাপদ হয়ে যেত। বিরোধী দলগুলো বলতো রমজানের পর দেখা যাবে। আর আপনারা বলছেন, রমজানে হরতাল ডাকায় মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিতে কিভাবে আঘাত করা হলো? কোন রোজাদার হরতালে পথে নামবেননা। সে যতই আপনার আমার পক্ষে থাকুক। তাহলে হরতাল সফল করবে কে? আপনারা গুটি কয়েক লেকজন! এতবড় একটি স্বার্থের বিষয়ে গুটি কয়েক লোকের আন্দোলন হলে তাতো মাঠে মারা যাবে।
পরিশেষে ব্লগ লিখেন ভালো কথা। কার কি যোগ্যতা আছে না না আছে তা আপনার ভাববার বিষয় নয়। নিজেকে পন্ডিত ও একমাত্র দেশপ্রেমিক ভাবারও কোন দরকার নেই। আমার উপরের লেখা আপনার কাছে ভালো লাগলো না লাগলো তাতে আমার কিছু আসে যায়না। লেখাটির সঙ্গে আমার প্রথমে ব্যক্ত দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হতে পারে। তবে এটাই বাস্তবতা। কবিগুরুর ভাষায় বললে,
মনেরে তাই কহযে, ভালোমন্দ যাহাই আসুক সত্যরে লও সহজে।
আসুন বিদেশী কোম্পানী হটানো নয়, পিএসসিতে যাতে দেশের স্বার্থ আরও সংরক্ষিত হতে পারে সেজন্য জনমত গড়ে তুলি। রোজার মাসে কোন আন্দোলন নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
২৯টি মন্তব্য ২৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×