আমার প্রিয় পোস্ট
- সাংবাদিকতা ছেড়ে যাচ্ছি, অভিসারে স্মৃতিকাতর মন - সায়েমুজজ্জামান
- ২৮তম বিসিএস থিম সংগীত - সায়েমুজজ্জামান
- ফের জন্ম হলে তা যেন হয় বরিশালে - সায়েমুজজ্জামান
- বাংলাদেশ এখন কিডনির জমজমাট বাজার - সায়েমুজজ্জামান
- আমার ভীনদেশী! এক পাগলি বান্ধবী যাকে খুব মিস করছি। - সায়েমুজজ্জামান
- নারী ধর্ষণ করে এদেশে উত্তারাধিকার রেখে যাওয়ার নীতি নিয়েছিল পাক বাহিনী - সায়েমুজজ্জামান
- নির্যাতন নিয়ে আমার সাতটি রিপোর্ট - সায়েমুজজ্জামান
- বৃটিশ গোয়েন্দা মিষ্টার হ্যামপারের জবানবন্দি-১ - জাগারণ
- বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনী সমূহ - রাকা ও আমি
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান -১ - লিঙ্কন
- জীবনানন্দের মৃত্যু রহস্য - আহমদ আবদুল হালিম
- লে. জে. এ এ নিয়াজির একটি দুর্লভ সাক্ষাতকার - শেখ আমিনুল ইসলাম
- রাজা-বাদশার কিসসা - তিতাসপুত্র
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- পারমানবিক বিদ্যুৎ শক্তি নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর - নুভান
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- ইন্টারনেট থেকে আয়ের সহজ উপায় - বাংলা কল
- হাবিবের স্বপ্নের চেয়ে মধুর গানটির একটা মিউজিক ভিডিও বানালাম দেখুনতো কেমন হল - টেকি মামুন
- স্বপ্নের চেয়েও মধুর........(২.০) - নাফিস ইফতেখার
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৮ঃশেষ পর্ব - টুটুল বরকত
- পার্বত্য চট্টগ্রাম : ওয়েবে আমার বাংলাদেশ যেভাবে ধর্ষিত হচ্ছে প্রতিদিন - ফিউশন ফাইভ
- ইংলিশ মুভির সাবটাইটেল সমস্যার অসাধারণ সমাধান(পড়বেন অবশ্যই) - টেকি মামুন
- টুকরো টুকরো মুক্তিযুদ্ধ - টাইম ম্যাগাজিনে ১৯৭১ - রাগিব
- পৃথিবীর দেশে দেশে ছাত্র আন্দোলন - জানুয়ারী ২০০৯। - ভিন্ন চিন্তা
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ভণ্ডপীরদের ভণ্ডামী: প্রসঙ্গ দেওয়ানবাগী (৩য় পর্ব ) - আহমদ আবদুল হালিম
- ব্লগে এসব কি হচ্ছে!!!!!!!!!! - ফয়েজ ০৮
- একজন মহান "মানবাধিকার ও সংবাদকর্মী" অন্যজন "কিছুই নেই বলার" - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX) কী ও কিভাবে কাজ করে - জোবাইর
- সামহয়ারইন ব্লগ সংকলনঃ টপ টেকি পোষ্ট!!
- ইসানুর
- কবি ইকবালের শিকওয়া ও জওয়াব-ই-শিকওয়া ( অভিযোগ ও অভিযোগের উত্তর) - তালহা তিতুমির
- ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ - ফুয়াদ০দিনহীন
- রাজধানীর ঢাকায় কোথায় কোন অডিটরিয়ামঃ - জুল ভার্ন
- নজরুল সঙ্গীতের কিছু ভালোলাগার কলি ও জীবনের কিছু চাওয়া পাওয়া - অপ্সরা
- রাতের ছবি (নাইট ফটোগ্রাফি) - নুভান
- জামায়াতের ধর্ম ব্যবসার কিছু নমুনা এবং জামায়াত থেকে যে কারণে দূরে থাকতে হবে। - হা...হা...হা...
- আল্লাহকে পেতে মাধ্যম গ্রহণ - mamun
- ফ্রিতে নিন Kaspersky AntiVirus 2010 এর ৬ মাসের অরিজিনাল লাইসেন্স - আরিফ বল্গ
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- ~~*~*~দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১ ও ২০০৮:জামাতের রঙ বদলের জ্বলন্ত প্রমান~~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- ......... তাই গোলাম আযম অবশ্যই একজন ধর্ষক.........পড়ুন তার রাজাকারীর কয়েকটি দলিল...... - ব্লগেস্ট তৌহিদ
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- আমরা ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাবো নাকি যাবো না? - যারা ৭২ এর সংবিধান ও বর্তমান সংবিধান এর মধ্যে বিরোধ কি তা ভালো ভাবে বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট। - নাহিদ মাহমুদ
- স্পেনের কিছু ইতিহাস, মুর মুসলিমদের সভ্যতা, উথ্থান/পতন এবং একটি পেন্ডিং এপোলজি - উম্মু আবদুল্লাহ
- মেজর জলিল : ইগোর লড়াইয়ে বলি এক সাহসী সেক্টর কমান্ডার - অমি রহমান পিয়াল
- ইবনে সিনা: একজন কাফের? - উম্মু আবদুল্লাহ
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের ভ্রান্ত আক্বীদা ও তার খন্ডন (৬) - তুষারপাত
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
নারী ধর্ষণ করে এদেশে উত্তারাধিকার রেখে যাওয়ার নীতি নিয়েছিল পাক বাহিনী
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার তিনমাস পর এদেশে পাকিস্থানী উত্তারাধিকার জন্ম দেয়ার নীতি নিয়েছিল পাক বাহিনী । তাদের ধারণা ছিল- সন্তান তাদের পিতার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবেনা। এ কারণেই তারা নারীদের ধর্ষন করে ক্যাম্পে আটকে রেখেছিল। পাকিরা ওই এজেন্ডা বাস্তবায়ন না করতে পারলেও তাদের কিছু আধ্যাত্মিক জারজ সন্তান রেখে গেছে। এরা আজ কয়েকটি বিষয় নিয়ে যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করে। যখনই কেউ এসব নিয়ে তর্ক করে তখনই বুঝতে হবে এরা কারা? দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্থানও এ ধরনের যুক্তিতর্ক করে আসছে। আমাদের স্বাধীনতার অর্জনকে ম্লান করতেই তারা এসব প্রশ্ন তুলে। পাকিস্থানীদের সুরে যেসব বিষয় নিয়ে যুক্তি তর্ক করা হয় তার কয়েকটি হলো, ১. ৩০ লাখ বাঙ্গালি মারা যান নি। ২. দুই লাখ মা বোন ধর্ষিত হয়নি। ৩. ধর্ষন পাকিদের যুদ্ধের নীতি ছিলনা। ৪. পাক সেনারা এদেশে তাদের উত্তারাধিকারী রেখে যাওয়ার কোন নীতি নেয়নি। ৫. মুক্তিযোদ্ধারাও ধর্ষন ও লুটপাট করেছেন। ইত্যাদি।
ব্লগার তানিয়া মুন আমার কাছে জানতে চেয়েছেন, ”উত্তারাধিকার জন্ম দেয়ার নীতি''- ধারনাটি কি একান্তই আপনার নিজের ব্যাখ্যা ? কেন আপনি এরকম ভাবছেন, জানাবেন কি?”
আমি অবাক হয়ে গেলাম। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে রয়েছি তারাও স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কে জানিনা। হিন্দী ছবি রং দে বাসন্তীর চরিত্রদের মতোই আমাদের অবস্থা। সবাই ক্যারিয়ার, প্রতিযোগিতা, পরিবারের জন্য দুমুঠো খাবার যোগাড়ের জন্যই ব্যস্ত। মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে ভাবার সময় কোথায়?
বিভিন্নভাবেই এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, বর্বর পাক আর্মীরা এদেশের নারীদের ধর্ষন করে সন্তান জন্ম দেয়ার নীতি নিয়েছিল। আমার কয়কেটি যুক্তি নিচে তুলে ধরছি।
এক. বর্বর পাকিস্থানীরা এদেশে ধর্ষণ করে তাদের উত্তারাধিকার রেখে যেতে চেয়েছিল। এটা তাদের যুদ্ধের নীতি ছিল। নারীদের গণধর্ষণ শুরু হয় যুদ্ধ শুরুর তিন মাস পর। তারা অপারেশন সার্চ লাইটের প্রথম দিকে মানুষ মেরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছিল। কিন্তু বাঙ্গালীদের রুখে দাড়ানো ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠলে ধর্ষনের এ নীতি গ্রহণ করে পাকিস্থানীরা। এ কে নিয়াজী তার (Niazi, Lt Gen AA K (2002): The Betrayal of East Pakistan, Oxford University Press, Karachi) বইতে মুক্তিযুদ্ধ এবয় এবং বাংলাদেশের জন্মসহ পুরো বিষয়টিকে পাকিস্থানী রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বলেছেন। নিয়াজী ধর্ষনের দায়িত্ব এড়িয়েছেন তার কয়েকটি চিঠি দেখিয়ে। ওই সব চিঠিগুলো তিনি যুদ্ধরত পাক কমান্ডারদের কাছে পাঠিয়েছিলেন। সেখাসে তিনি বলেছেন, যেভাবে নারী ধর্ষন লুটপাটের খবর আসছে তাতে তার ভাষায় ইসলামিক সেনাবাহিনীর শৃংখলা আর নৈতিক মনোবল ভেংগে যেতে বাধ্য। চিঠিটি উল্লেখ করে তিনি ওই বইতে এটিও বলেছেন যে, তার এ নির্দেশ মানা হয়নি। বলেছেন পুরো বিষয়টি যে একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল তা তিনি জানতেননা। রাজনৈতিক নেতৃত্ব পাকিস্থানের গরীব অংশ ছেড়ে দেয়ার রাজৈনতিক সিদ্ধান্ত নেয়ার পরও সৈনিকদের দিয়ে যুদ্ধ করিয়েছে। নিয়াজী একাত্তরে সংগঠিত র্ধষণের ঘটনা স্বীকার করার সাথে সাথে একটি অসংলগ্ন উক্তিও করেছিলেন - আপনি এরূপ আশা করতে পারেন না যে, সৈন্যরা থাকবে, যুদ্ধ করবে এবং মুত্যু বরণ করবে পূর্ব পাকিস্তানে আর শারীরবৃত্তিয় চাহিদা নিবৃত্ত করতে যাবে ঝিলামে !
দুই. উত্তারাধিকার নিয়ে আমি যা লিখেছি এটা আমার বানানো কোন বক্তব্য নয়। বিশেষজ্ঞরাই এ বক্তব্য দিয়ে আসছেন। তারা বলছেন, পাকিস্থানী বাহিনীর আক্রমনের যে নীতি ছিল তা অনুরূপ নীতিকে সমর্থন করে। কারণ তারা প্রথমে গোলন্দাজ বাহিনীকে পাঠিয়ে অথবা বিমান হামলা করে কোন এলাকা পুরুষশুন্য করে দিতো। পরে স্থল বাহিনী ওই এলাকায় মুভ করতো। এর কারণ একটাই যাতে ধর্ষণ চালানো যায়।
তিন. তারা নারীদের ক্যাম্পে নিয়ে ধর্ষণ করে আটকে রাখতো। উদ্দেশ্য ছিল তাদের গর্ভবতী করা। তারা নারীদের কাপড় খুলে উলংগ করে রাখতো। এরপরও কিছূ মেয়ে সিলিংয়ের সঙ্গে মাথার চুল পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে কেউ যাতে আত্মহত্যা করতে না পারে সেজন্য মাথার চুল কামিয়ে দেয়া হতো। যুদ্ধ শেষে ক্যাম্প থেকে বীরঙ্গণা নারী যাদের উদ্ধার করা হয়েছিল তাদের সবার মাথার চুল কামানো ছিল। ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পরও পাকিস্তানি সৈন্যরা বাঙ্কারে আটকে রেখে নির্বিচারে ধর্ষণ করেছে বাঙালী নারীদের। বিচারপতি কে এম সোবহান প্রত্যক্ষ দর্শনের অভিজ্ঞতা থেকে বলেছেন, ‘ ১৮ ডিসেম্বর মিরপুরে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া একজনকে খুঁজতে গিয়ে দেখি পাক আর্মিরা মাটির নিচে বাঙ্কার থেকে ২৩ জন সম্পূর্ণ উলঙ্গ, মাথা কামানো নারীকে ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছে। ’
চার: যুদ্ধের পর রাজধানীতেই অনেকগুলো অ্যাবরেশন সেন্টার খোলা হয়। বীর প্রতীক ডা. সেতার পারভীন একটি সাক্ষাতকারে এ বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। রাজধানীতেই ৫০টির মতো অ্যাবরেশন সেন্টার খোলা হয়েছিল বলে তিনি জানিয়েছেন। ৭২ সালের প্রথম দিকেই ওইসব যুদ্ধ শিশু জন্ম নিতে শুরু করে। লোকচক্ষুর অন্তরালে এদের জন্ম দেয়ার কাজটি সারতে সারাদেশব্যাপী গড়ে তোলা হয়েছিল বাইশটি সেবাসদন। এতে প্রতিদিন তিনশ’ থেকে চারশ’ শিশু জন্ম নিতো। ক্যানাডিয়ান ইউনিসেফ কমিটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর যুদ্ধপূর্ব এবং যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন। রেডক্রস প্রতিনিধি এবং ইউনিসেফের লোকজনের সংগে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি অটোয়ার মূল অফিসে জানান যে, বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া যুদ্ধ শিশুর সংখ্যা আনুমানিক দশ হাজার। আমাদের নারীরা চিরকালই ধর্ষিত হলে তা লুকিয়ে ছাপিয়ে রাখতে চান। সমাজের প্রকৃতিও এমনই। এজন্য মুক্তিযুদ্ধে কতজন ধর্ষিত হয়েছিলেন এ সংখ্যা হয়ত কোন দিনও জানা যাবেনা। জ্ঞানপাপী শর্মিলা বোস যুদ্ধের ৩৫ বছর পরে যতই ভ্রান্ত গবেষণা উপস্থাপন করুন না কেন। ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিংস কমিটির পুরোধা এমএ হাসান তার ‘The Rape of 1971: The Dark Phase of History’ এ দাবি করেন, ‘অ্যাবরেশন করানো নারীর সংখ্যা ছিল কমপে ৮৮ হাজার ২ শ’। ’৭২ সালের মার্চ পর্যন্ত ১ লাখ ৬২ হাজার ধর্ষিত নারী এবং আরো ১ লাখ ৩১ হাজার হিন্দু নারী স্রেফ গায়েব হয়ে গিয়েছিল। তারা বিলীন হয়ে গিয়েছিল বিশাল জনসমুদ্রে।’ তাদের হদীস তখন সরকারও রাখতে চায়নি। আন্তর্জাতিক প্লানড ফাদারহুড প্রতিষ্ঠানের ড. জিওফ্রে ডেভিস জানান, ৫ হাজার জনের গর্ভপাত সরকারিভাবে ঘটানো হয়েছিল। যুদ্ধের পরপরই তিনি এসব মা ও তাদের শিশুদের সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশে আসেন। ১৯৭২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার কাজের ওপর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন তৎকালীন দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত হয়েছিল। তার মতে, সরকার উদ্যোগ নেওয়ার আগেই ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার নারীর ভ্রুণ স্থানীয় দাই, কিনিকসহ যার পরিবার যেভাবে পেরেছে সেভাবে 'নষ্ট' করেছে। তবে ধর্ষন নিয়ে গবেষণা করেছেন আমেরিকার সাংবাদিক ব্রাউন মিলার। তিনি Against Our Will: Men, Women and Rape নামের এ গবেষণা কাজ টি ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি বলেছিলেন, ধর্ষণের পরও বেঁচে থাকা নারীদের মধ্যে ২৫ হাজার জন গর্ভধারন করেছিলেন বলে জানা যায় (ব্রাউন মিলার, ১৯৭৫ : ৮৪)। পৃথিবীর অন্য কোন যুদ্ধে এত ধর্ষনের শিকার কোন দেশের নারীরা হয়েছিলেন কিনা তা আমার জানা নেই। পাকিস্থানী কর্তৃপক্ষ একটি হিসাব দেখিয়ে বলেছে, এত কম সংখ্যক সৈনিকরা এত সংখ্যক ধর্ষণ ঘটাতে পারেনা। এটা সম্ভব হয়েছে কারণ তাদের যুদ্ধের নীতিই ছিল নারীদের ধর্ষণ করা।
পাঁচ: পৃথিবীর অন্যান্য যুদ্ধে নারী ধর্ষণ ছিল সৈনিকদের ভোগের উদ্দেশ্যে। মুক্তিযুদ্ধে তা ছিলনা। তা থাকলে বাসা বাড়িতে গিয়ে নারীদের ধর্ষণ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতো তারা। কিন্তু তারা তা করেনি। নারীদের ধরে ট্রাক বোঝাই করেই ক্যাম্পে নেয়া হয়েছে। তাদের ট্রাক থেকে নামানোর আগেই অন্য সবার সামনে সৈন্যরা নারীদের ওপর হামলে পড়েছে। কমান্ডারদের জন্যও আলাদা নারী থাকতো। এটি ছিল সৈন্যদের রুটিন ওয়ার্ক। ব্রাউন মিলার লিখেছেন, একাত্তরের ধর্ষণ নিছক সৌন্দর্যবোধে প্রলুব্ধ হওয়া কোন ঘটনা ছিলনা আদতে; আট বছরের বালিকা থেকে শুরু করে পঁচাত্তর বছরের নানী-দাদীর বয়সী বৃদ্ধাও শিকার হয়েছিল এই লোলুপতার। পাকসেনারা ঘটনাস্থলেই তাদের পৈচাশিকতা দেখিয়েই ক্ষান্ত হয়নি ; প্রতি একশ জনের মধ্যে অন্তত দশ জনকে তাদের ক্যাম্প বা ব্যারাকে নিয়ে যাওয়া হতো সৈন্যদের জন্য। রাতে চলতো আরেক দফা নারকীয়তা । কেউ কেউ হয়ত আশিবারেও বেশী সংখ্যক ধর্ষিত হয়েছে ! এই পাশবিক নির্যাতনে কতজনের মৃত্যু হয়েছে, আর কতজনকে মেরে ফেলা হয়েছে তার সঠিক সংখ্যা হয়ত কল্পনাও করা যাবে না । (ব্রাউন মিলার, p. 83)
ছয়: মাদার তেরেসার একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে রয়েছে। যা পুরান ঢাকায় এখনো কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানটি যুদ্ধ শিশুদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। তাদের ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দত্তক নিয়ে গেছেন। মাদার তেরেসার সত্যিকার মহীরুহ হওয়ার কারণও এই যুদ্ধ শিশু। এত অ্যাবরশনের পরও অনেক শিশু জন্ম নিয়েছিল। কারণ অনেক মহিলাকে যুদ্ধের প্রথম দিক থেকে ধর্ষন শেষে আটকে রাখা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল যাতে বাচ্চার জন্ম হয়। এরা অ্যাবরশন করতে সুযোগ পাননি। মাদার তেরেসার প্রচেষ্টায় যুদ্ধ শিশুদের প্রথম ব্যাচ ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে ক্যানাডায় পৌঁছলে তা মিডিয়ার ব্যাপক মনযোগ আকর্ষণ করে। পরে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, সুইডেন এবং অষ্ট্রেলিয়াও যুদ্ধ শিশুদের দত্তক নিতে এগিয়ে এসেছিল । এখনও ওইসব শিশু বর্তমানে যারা যুবক হয়েছেন নীরবে বাংলাদেশ ঘুরে যান। বাংলাদেশের নারীদের মুখের দিকে তাকিয়ে মায়ের সন্ধান করেন। আমার সঙ্গেও কয়েকজনের দেখা হয়েছিল। একটি হোটেলের ম্যানেজার আমার বন্ধূ তিনি আমাকে জানিয়েছিলেন। আমি দেখা করে তাদের সম্পর্কে লিখতে চাইলাম। তারা আত্ম সম্মান বোধ আর জন্ম নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে রাজি হননি।
সাত: পাকিস্থান এ বর্বরতম কাজকে ধামাচাপা দেয়ার জন্যই হামিদুর রহমান কমিশন করেছিল। এ কমিশন পাকিস্থানী রাজনৈতিক কারণে তৎকালীন কয়েকজন রাজনীতিবিদকে দায়ী করে ধর্ষনের বিষয় স্বীকার করলেও ব্যাপক ধর্ষনকে দায়মুক্তি দিয়ে দেয়। বাংলাদেশ সরকারও ওই সময়ে যুদ্ধ শিশু আর ধর্ষনকে এড়িয়ে যেতে চেয়েছিল। কারণ দেশের সামাজিক অবস্থা কখনোই এর পক্ষে ছিলনা। এ কারণে ওইসব শিশুদের যাতে দত্তক নিতে কোন অসুবিধা না হয় সেজন্য অধ্যাদেশও জারি করা হয়েছিল। বিদেশী নাগরিকরা যাতে সহজেই যুদ্ধ শিশুদের দত্তক নিতে পারেন সে জন্য ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে প্রজ্ঞাপিত হয় The Bangladesh Abandoned Children (Special Provisions) Order।
পুনশ্চ: কোন মুক্তিযোদ্ধা ধর্ষন লুটপাটের সঙ্গে জড়িত থাকতেই পারে। তারা প্রকুত মুক্তিযোদ্ধা নয়। একটি যুদ্ধকালীন সময়ে সুযোগসন্ধানী এসব লোকজন সহজেই ঢুকে যেতে পারতো। এক্ষেত্রেও হয়েছে তাই। এজন্যও দায়ী পাকিস্থানীরা। কারণ যুদ্ধ তারাই বাধিয়েছে। একারণে যুদ্ধে যা হয়েছে তার সব কিছুর জন্যই তারা দায়ী। এর ক্ষতিপূরণও তারা দিতে বাধ্য। যুদ্ধ না বাধালে ওই সুযোগ সন্ধানীরা তো আর ধর্ষণ ও লুটপাটের সঙ্গে জড়াতে পারতোনা।
কয়েকটি লিংক দিলাম। এসব লিংকে মুক্তিযুদ্ধে ধর্ষনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে নারী ধর্ষনকে নীতি হিসেবে নিয়েছিল পাকিস্থানীরা।
Click This Link
http://www.sachalayatan.com/faruk_wasif/13453
http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=721
Click This Link
Click This Link
সায়েরার কাহিনী দেখুন যে রিপোর্ট করার সময়ও গর্ভবতী ছিল
http://www.youtube.com/watch?v=xwwPbkyZVJo
আর হ্যা, আমি যে জারজ সন্তানদের কথা বলেছিলাম। তারা এদেশেই রয়েছে। তাদের একজনের লেখা এ লিংকে পড়তে পারেন। এই ব্যাটা বলতে চেয়েছে, ধর্ষন পাক সৈন্যদের নীতি ছিলনা।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মুরুববী বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে লেখাটি পড়ার জন্য। কারণ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখাতো অনেকেই পড়তে চাননা। আমরাও রংদে বাসন্তীর চরিত্র হয়ে গেছি।
"একটি যুদ্ধকালীন সময়ে সুযোগসন্ধানী এসব লোকজন সহজেই ঢুকে যেতে পারতো। এক্ষেত্রেও হয়েছে তাই। এজন্যও দায়ী পাকিস্থানীরা। কারণ যুদ্ধ তারাই বাধিয়েছে। একারণে যুদ্ধে সকল কিছুর জন্যই তারা দায়ী। এর ক্ষতিপূরণও তারা দিতে বাধ্য। যুদ্ধ না বাধালে ওই সুযোগ সন্ধানীরা তো আর ধর্ষণ ও লুটপাটের সঙ্গে জড়াতে পারতোনা। "
এটা মোটেও গ্রহন যোগ্য বলে আমার মনে হয়নি।কারন এখনো আমাদের দেশে রাজনৌতিক ছত্রছায়ায় ( একটি বিষেশ দল )ধর্ষণ ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত।আতএব মানবাধিকার ও সংবাদকর্মী হয়ে মত প্রকাশে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করিনা বলে মন গডা কিছু গল্প প্রকৃত ঘটনার সাথে ঝুড়ে দেয়া কি ঠিক।
লেখক বলেছেন: ভাই যুদ্ধ হওয়ার কারণেই ৫ম বাহিনীর জন্ম হয়েছে। আমি মুক্তিবাহিনীর একজন স্থানীয় কমান্ডারকে জানি। তিনি বিরশাল অঞ্চলের নাসির। যুদ্ধকালে তার অপকর্ম ওই অঞ্চলের সবার জানা। ওই কারণেই জামাতীরা এসব কথা বলার সুযোগ পায়। পরে নাসিরের পরিণতির কথাও ওই অঞ্চলের লোকজন জানে। রাস্তায় ভিক্ষা করে শেষে রাস্তাতেই মারা গেছে। মুক্তিযোদ্ধারাও তার দিকে তাকায়নি।
মীর জাফরের জন্ম হয়েছিল আমাদের জাতির মধ্যেই। স্যাবোটাজ করার জন্য সবসময়ই একটি দল প্রস্তুত থাকে। এটাকে কেউ এড়িয়ে যেতে পারেনা।
আমি সংবাদকর্মী বলেই লিখেছি দু একজন মুক্তিযোদ্ধাদের খাতায় নাম লিখিয়ে অপকর্ম করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এজন্য দায়ী পাকিস্থানীরা। কারণ যুদ্ধা না বাধালে তারা এসব করলে অবশ্যই শাস্তি পেতে হতো। তেব একথা বলতেই হবে- এদের শিকার যারা হয়েছেন তারা কোন ভাল লোক ছিলেননা। হয় বিহারী নয়তো রাজাকারদের আত্মীয় স্বজন।
আসলে একটি কথা বলতে চাই মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেই একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের বলে মনে করা হয়। এটা ভুল ধারনা। আমি যে কোন দলের নই তা আমার কয়েকটি লেখা দেখলেই বুঝতে পারবেন। তবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে েকান আপস নেই। এক্ষেত্রে 'স্বাধীনতা যুদ্ধ' বললেও আমার আপত্তি নেই।
কারণ দেশে এখন দুটি দল তৈরী হয়েছে। একদল বলে মুক্তিযুদ্ধ। আরেক দল স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমার কাছে দুটোই সমান।
আপনার প্রশ্ন করার মধ্য আমি উদ্দেশ্য খুজে পাচ্ছি। কারণ ৭১ আর বর্তমান এক নয়।
যীশূ বলেছেন:
পড়লাম।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
এইসব পোস্ট পড়া যায়না....তারপরেও আমাদের পড়তে হবেই। আপনাকে ধন্যবাদ।জাহিদ পারভেজের কেপি টেস্ট করা প্রয়োজন।
লেখক বলেছেন: তারপরও পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। জাহিদ পারভেজকে জবাব দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে একমত।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
ভালো লাগলো... পোস্টের জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
লেখক বলেছেন: হাহাহা। ধন্যবাদ।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
একটি কথা না বলে থাকতে পারছি না,পাকিস্তানি সেনা বাহীনি তখন অন্য তম শক্তি ধর সামরিক শক্তি ছিল,তাদের এই ভরা ডুবির অন্যতম কারন এই ধর্ষন
লেখক বলেছেন: অবশ্যই। হায়রে ইসলামী বাহিনী। অথচ এরাই ইসলামের নামে একটি পক্ষের সমর্থন পেয়েছিলো। মওদুদীবাদীরাই এদের সমর্থন করেছে। তারা যে ভ্রান্ত তা আগে কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে তাদের আসল চেহারাটা বের হয়ে গেছে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করে। আল্লাহ তাদের জায়গামতো ধরা দিয়ে দিয়েছে। দুখের কথা হলো তারা এখনো ইসলাম ইসলাম বলে চেচায়। এই উপমহাদেশে জামায়াত ইসলামের যে ক্ষতি করছে তা ইংরেজরাও করতে পারেনি। ইসলামের নাম দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে ইসলামকে ২০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছে। তারা সৎ লোকের শাসনের কথঅ বলে। অথচ ৭১ এ এমন কিছু লোককে তারা ইসলামের নামে সমর্থন দিয়েছিল যারা জীবনে যতটুকু মদ খেয়েছে পানিও ততটুকু খায়নি।
লেখক বলেছেন: পড়লাম। চমৎকার লিখেছেন।
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ভাল লাগল +++
লেখক বলেছেন: ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কোন বিষয়টা ভালো লাগেনি। বলুন। নারী ধর্ষণের বিষয় পড়তে ভালো নাই লাগতে পারে। তবে বিজয়ের মাসে হানাদার ও তাদের দোসরদের স্বরূপ উন্মোচন যদি ভলো না লাগে তা আমাকে আবার অন্য কিছু ভাবতে শেখাবে।
সমালোচনা করলে ধন্যবাদ দিতে পারতাম। তাও দিতে পারলামনা।
পথে-প্রান্তরে বলেছেন:
এক নিশ্বাসে পুরো লেখাটা পড়ে ফেললাম । ++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। বুঝতে পারছে ৭১ আমাদের অন্তর থেকে এখনো দূরে যায়নি।
লেখক বলেছেন: আপনি কি জানেন আপনি কি মানসিকতা বহন করছেন? আমার লেখায় এটাতো বলেছি। আচ্ছা যুদ্ধাপরাধিদের বিচার শুরু হলে তো সাক্ষী দিতে হবে। যারা ভুক্তভুগী তারা অভিযোগ না দিলে আপনি বিচার করবেন কিভাবে? তাদেরকে তো বলতে হবে। কে কি তাদের সঙ্গে করেছে?
ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনীর নাম জানেন? উনি একজন বীরঙ্গনা। এবং সব কথাই বলেছন। এটা তো তাদের অহংকার। আর আপনার আমার শক্তি। বর্বর পাকিস্থানীদের লজ্জা।
পেঙ্গুইন বলেছেন:
ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
সাঁঝের মায়া বলেছেন:
এমন লেখা দেবার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম যা আগে জানা ছিল না। অনেক ধন্যবাদ+++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত রয়েছি। আর বিজয়ের মাসও চলে এসেছে। ভেতর থেকই অনুভব করলাম কিছু একটা লেখা দরকার।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: এখানে অনেকের মন্তব্যেও তা প্রতিফলিত হয়েছে। তবে আশার বিষয় যে কেউ অন্তত মাইনাস দিতে সাহস পায়নি।
আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
নির্ণয় বলেছেন:
"তবে বিজয়ের মাসে হানাদার ও তাদের দোসরদের স্বরূপ উন্মোচন যদি ভলো না লাগে তা আমাকে আবার অন্য কিছু ভাবতে শেখাবে। "
:# ভয় পাইসি, ডর দিয়েননা (
"জামাতীরা যেসব বিষয় নিয়ে যুক্তি তর্ক করে তার কয়েকটি হলো, ১. ১০ লাখ বাঙ্গালি মারা যান নি। ২. দুই লাখ মা বোন ধর্ষিত হয়নি।"
- এবার কি তবে এটা আমাকে অন্য কিছু ভাবতে শেখাবে!!! (
"মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার তিনমাস পার পাকি হারামজাদারা এদেশে পাকিস্থানী উত্তারাধিকার জন্ম দেয়ার নীতি নিয়েছিল। তাদের ধারণা ছিল- সন্তান তাদের পিতার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবেনা। এ কারণেই তারা নারীদের ধর্ষন করে ক্যাম্পে আটকে রেখেছিল।"
- যুদ্ধ শিশুদের ব্যাপারে এত নির্দয় মনোভাব আমি পোষণ করতে পারিনা। যুদ্ধশিশু হলেই কেউ শিবির হবে এই সিদ্ধান্তে আসা যায়না।
"তারা প্রথমে গোলন্দাজ বাহিনীকে পাঠিয়ে অথবা বিমান হামলা করে কোন এলাকা পুরুষশুন্য করে দিতো। পরে স্থল বাহিনী ওই এলাকায় মুভ করতো। এর কারণ একটাই যাতে ধর্ষণ চালানো যায়।"
-এটা আপনার জারজ-উত্তারাধিকার হাইপোথিসিসের সবচেয়ে দুর্বল অংশ। গোলন্দাজ বাহিনীর বোমা বা বিমানের বোমা নিশ্চয় বেছে বেছে পুরুষের উপরে পড়তে পারেনা!
পরিশেষে বলতে চাই উপস্থাপনার দুর্বলতার কারণে মূল বক্তব্য দুর্বল হয়ে গিয়েছে। আপনি যদি বলতে চেয়ে থাকেন যে ধর্ষণের মাধ্যমে পাকিরা জাতিগত পরিশুদ্ধির চেষ্টা চালিয়েছে, তাহলে সেটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা যেতেই পারে। কিন্তু যুদ্ধশিশু আর শিবির সমার্থক হতে পারেনা।
লেখক বলেছেন: "তবে বিজয়ের মাসে হানাদার ও তাদের দোসরদের স্বরূপ উন্মোচন যদি ভলো না লাগে তা আমাকে আবার অন্য কিছু ভাবতে শেখাবে। "
একথায় ভয় পাওয়ার মানে হচ্ছে অন্য। কারণ আরবীতে একটি প্রবাদ আছে, কুল্লু সাইয়িন ইয়ারজিউ ইলা আছলিহি। মানে হলো- প্রত্যেক বস্তু তার মুলে ফিরে যায়। মুলে আঘাত করলে তার লাগবে এটাই স্বভাবিক।
"জামাতীরা যেসব বিষয় নিয়ে যুক্তি তর্ক করে তার কয়েকটি হলো, ১. ১০ লাখ বাঙ্গালি মারা যান নি। ২. দুই লাখ মা বোন ধর্ষিত হয়নি।"
-“ এবার কি তবে এটা আমাকে অন্য কিছু ভাবতে শেখাবে!!!”
এখানে একটি কথা বলে রাখি, তাহলো- কত লাখ মারা গেছে তার জরিপ কোনদিন হয়নি। জরিপ হোক। তারপর জানা যাবে কত মারা গেছে। আপনি আরবীতে মানতিক বা যুক্তিবিদ্যা পড়েছেন কিনা আমার জানা নেই। যুক্তিবিদ্যার একটি নীতি জানুন।
মুল কাজটা হলো ধর্ষন। এটাতো হয়েছে নাকি? যদি হয়ে থাকে তাহলে সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক করাটাকে কি বলে জানেন। এটাকে ইংরেজীতে বলে ম্যানিপুলেশন। যেমন ধরুন আপনি মানিব্যাগ থেকে টাকা চুরি করলেন। সেখানে ৫০০ টাকা ছিল। আপনি চুরি করেছেন তিনশ টাকা। বিচারেতো চুরির জন্য আপনি শাস্তি পাবেন নাকি? যদি দাবী করা হয় আপনি পাঁচশ টাকাই চুরি করেছেন। তাতে কি বিচারে প্রভাব পড়বে? পড়বেনা। বিচারক অভিযোগকারীকে বলবেনা উনি চুরি করেছে তিনশ টাকা, আর আপনি দাবী করছেন পাঁচশ টাকা। এজন্য আপনার অভিযোগ খারিজ। এটা যুক্তবিদ্যার ভাষায় কোন বিচারক করতে পারেন না। কারণ আসলে ফ্যাক্ট বা চুরিতো সংগঠিত হয়েছে।
এবার আসি আইনের ভাষায়- আপনাকে গাজী শামসুর রাহমানের লেখা সংবাদপত্র ও প্রেস আইন নিয়ে বইটি পড়ার জন্য বলবো। সেখানে বলা হয়েছে- ধরেন আমার মতো এক পুচকে সাংবাদিক লিখলো, আপনি একজন চোর, ডাকাত, বদমাস, লুচ্চা, হারামী, জামাতি ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনি প্রেস কমিশনে গিয়ে বিচার দিলেন, আমি চোর, ডাকাত, বদমাস, লুচ্চা, হারামী বা জামাতি নই। এরপরও এই সাংবাদিক আমার বিরুদ্ধে এটা লিখে আমার কয়েকশ কোটি টাকা মানহানী করেছে। বিচারক বিচার করবেন। তিনি দেখলেন আপনি চোর ঠিক আছে, ডাকাত তাও ঠিক আছে। আর যেসব অভিযোগ আপনার বিরুদ্ধে করা হয়েছে তা আপনি নন। এবার বলেন, আইনের ভাষায় সাংবাদিকের কি হবে। প্রথমত: এরকম একটি চোর ডাকাতের বিরুদ্ধে লিখে একজন সচেতন সাংবাদিক হিসেবে জাতির পে কাজ করার জন্য আমাকে মানে সাংবাদিককে অভিনন্দন জানানো হবে। আর বাকীগুলো ভুল লেখার জন্য ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার জন্য আদেশ দেয়া হবে। আর চোর ডাকাত হিসেবে আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কমিশন আদেশ দেবে। এই হলো আইন।
এখন যেহেতু ধর্ষণ ঘটেছে, তাই সংখ্যার বিরুদ্ধে আইন আদালতে গিয়ে আপনি কোন সুবিধা করতে পারবেননা।
"মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার তিনমাস পার পাকি হারামজাদারা এদেশে পাকিস্থানী উত্তারাধিকার জন্ম দেয়ার নীতি নিয়েছিল। তাদের ধারণা ছিল- সন্তান তাদের পিতার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবেনা। এ কারণেই তারা নারীদের ধর্ষন করে ক্যাম্পে আটকে রেখেছিল।"
- যুদ্ধ শিশুদের ব্যাপারে এত নির্দয় মনোভাব আমি পোষণ করতে পারিনা। যুদ্ধশিশু হলেই কেউ শিবির হবে এই সিদ্ধান্তে আসা যায়না।
দুখ:জনক হলেও সত্য পাকিস্থানীরা তাই ভেবেছে। আপনি পাকিস্থানীদের চেয়েও কট্টর। পাকিস্থানের ডন পত্রিকায় কি লেখা হয়েছে দেখেন। পাকিস্তান আর্মি যে পরিকল্পিতভাবে বাঙালি মহিলা এবং মেয়েদের উপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে তার প্রমাণ পাওয়া যায় ২০০২ সালের মার্চ মাসের বাইশ তারিখে ডন পত্রিকায় প্রকাশিত একটি আর্টিকেল থেকে। যেখানে গণধর্ষণের বিষয়ে ইয়াহিয়া খানের মন্তব্যকে কোট করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট হিসাবে ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালে সরাসরি বাঙালিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পাকিস্তান আর্মিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। যশোরে ছোট্ট একদল সাংবাদিকের সাথে কথা বলার সময় তিনি এয়ারপোর্টের কাছে জড়ো হওয়া একদল বাঙালির দিকে অংগুলি নির্দেশ করে বলেন যে, ‘আগে এদেরকে মুসলমান বানাও’। এই উক্তির তাৎপর্য সীমাহীন। আপনি বুঝতে না পরলেও পাক আর্মিরা ঠিকই বুঝে নিয়েছিলো।
ইয়াহিয়া খানের এই উক্তিতে উৎসাহিত হয়ে পাকিস্তান আর্মি বাঙালিদেরকে মুসলমান বানানোর সুযোগ লুফে নেয়। আর এ জন্য বাঙালি মেয়েদেরকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে তাদেরকে দিয়ে সাচ্চা মুসলমান বাচ্চা পয়দা করার চেষ্টা চালায়।
"তারা প্রথমে গোলন্দাজ বাহিনীকে পাঠিয়ে অথবা বিমান হামলা করে কোন এলাকা পুরুষশুন্য করে দিতো। পরে স্থল বাহিনী ওই এলাকায় মুভ করতো। এর কারণ একটাই যাতে ধর্ষণ চালানো যায়।"
-এটা আপনার জারজ-উত্তারাধিকার হাইপোথিসিসের সবচেয়ে দুর্বল অংশ। গোলন্দাজ বাহিনীর বোমা বা বিমানের বোমা নিশ্চয় বেছে বেছে পুরুষের উপরে পড়তে পারেনা! আপনি সম্ভবত ইরাক যুদ্ধটাও দেখেননি। সেখানে অপারেশনে যাওয়ার আগে ওই এলাকার পুরুষগুলোকে প্রথমে এক জায়গায় নিয়ে আটকে রাখে। তারপর বাড়ি ঘরে তল্লাশী চালায়। তথ্য রয়েছে এসময় ঘরে অনেক ইরাকী নারী সম্ভ্রম হারিয়েছেন। তবে কাউকে ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে একসঙ্গে ৮০ জন তার উপর ঝাপিয়ে পড়ার রেকর্ড আমার জানা নেই। ভাই সামরিক শাস্ত্র বলতে একটি বিষয় রয়েছে। বিএনসিসি করার ফলে আমিও তা পড়েছিলাম। সেখানে যুদ্ধের কৌশল রয়েছে। সবচেয়ে সস্তা কৌশলই পাক আর্মিরা ব্যাবহার করেছিল। এটা দেশী বিদেশী সামরিক আইনে বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন। আমি তাই লিখেছি। আপনিও পড়েন। জানতে পারবেন। কারণ এটা প্রাথমিক পর্যায়ের একটি কৌশল। এজন্যই বলি পাকিদের মাথায় গোবর ছাড়া কিছু নেই। ওরা কিভাবে যে পারমানবিক বোমা বানালো!!! ৬৫ সালে বাঙ্গালিদের বীরত্বের কারণে ভারতের কাছে তাদের সম্মানজনক হার হয়েছে। ওই যুদ্ধেতো কাশ্মীরের কিছু অংশ হারিয়েছিল। বাঙ্গালিরা না থাকলে সবটুকু কাশ্মিরই হাতছাড়া হয়ে যেতো।
পরিশেষে বলতে চাই উপস্থাপনার দুর্বলতার কারণে মূল বক্তব্য দুর্বল হয়ে গিয়েছে। আপনি যদি বলতে চেয়ে থাকেন যে ধর্ষণের মাধ্যমে পাকিরা জাতিগত পরিশুদ্ধির চেষ্টা চালিয়েছে, তাহলে সেটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা যেতেই পারে। কিন্তু যুদ্ধশিশু আর শিবির সমার্থক হতে পারেনা।
আমি শিবিরকে যুদ্ধ শিশু বলিনি। তবে যুদ্ধ শিশুরা পাকিস্থানী পিতাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবেনা বলেই তারা মনে করেছিলো। যুদ্ধ শিশুকে শেখ মুজিব পর্যন্ত ভয় পেতেন। কারণ কি তিনি জানেন। শেখ মুজিব নির্যাতিত নারীদের কন্যা বলে অভিহীত করলেও তিনি যুদ্ধ শিশুদের প্রতি দরদ দেখাননি। নীলীমা ইব্রাহিম এসব বিষয় নিয়ে কাজ করতেন। এদের ভাগ্যে কী হবে, তা জানতে তিনি শেখ মুজিবের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি তাকে বলেন, ‘না আপা। আপনি দয়া করে পিতৃপরিচয়হীন শিশুদের বাইরে (বিদেশে) পাঠিয়ে দেন। তাদের সম্মনের সঙ্গে মানুষের মতো বড় হতে দিতে হবে। তাছাড়া আমি এসব নষ্ট রক্ত দেশে রাখতে চাই না’। (ইব্রাহিম, ১৯৯৮ : ১৮)। আমি বড়জোর আকারে ইংগিতে শিবিরকে পাকিস্থানীদের আধ্যাত্মিক সন্তান বলেছি।
পরিশেষে বলতে চাই, ধর্ষনের মাধ্যমে পাকিরা জাতিগত পরিশুদ্ধির যে চেষ্টা চালিয়ে সেটা আপনার কাছে চিন্তার বিষয় হলে আপনি চিন্তা করতে থাকুন। ওয়ামা আলাইনা ইল্লাল বালাগ।
মাছুমুল বলেছেন:
যে সব পশু এদেশে অত্যাচার চালিয়েছিল তাদের ঘৃনা আর সেই সব মা বোনদের স্যালুট । আপসোস কিছু কিছু পশু এখন ও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে । পোষ্টে +++++++ ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: আপনার উপরের নির্ণয়ের মন্তব্য সম্ভবত আপনি নির্ণয় করেই আপনি একথা বলছেন। আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ।
সপ্ন পুরন বলেছেন:
জাহিদ পারভেজের কেপি টেস্ট করা প্রয়োজন
লেখক বলেছেন: একজন বলেছেন উনি পজেটিভ। লোকে বলে ভাই আমি আর কি বলবো?
ম্যাকানিক বলেছেন:
প্রবাসে জামাতীরা বাংলাদেশী কমিউনিটি গ্রুপগুলোতে সিন্দাবাদের ভূত এর মত চেপে ঠিক এই লাইনে প্রপাগান্ডা চালায়া আসতেছে। আর আমরা আজকে বি এন পি , আওয়ামি লিগ এবং এর ভিতরে আবার এই গ্রুপ সেই গ্রুপ করে এত বেশি বিভক্ত যে জামাত নিয়ে ভাবার টাইম নাই।
লেখক বলেছেন: সহমত। ভাই আপনার সঙ্গে আমার অনেক বিষয়েই একমত হয়ে যাচ্ছি। সবাই একমত হলে সুন্দর একটা দেশ গড়া সম্ভব বলেই মনে করি।
আসুন আওয়াজ দেই, যুদ্ধাপরাধিদের বিচার অনেক প্রমাণ সাপেক্ষ ব্যাপার। এজন্য স্বাধিনতার বিরোধিতাকারীদের বিচার দাবী করি। এজন্য কোন কিছু দরকার নেই। শুধু ৭১ সালের নয় মাসে প্রকাশিত দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকাটিই যথেষ্ট। ওই পত্রিকাতেই স্বাধিনতা বিরোধিরা প্রচারণা চালিয়েছে।
লেখক বলেছেন: আমারও তাই মনে হয়। পাকিস্থানী জাতটাই বর্বর। আর সরকারী নীতিই ছিল ধর্ষনের। সেকারণে তারা ক্যাম্পে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণ চালিয়েছে। এটা নীতি না হলে সৈনিকরা ক্যাম্পে নয় যুদ্ধ ক্ষেত্রে ধর্ষণ করতো। যেভাবে বিশ্বের অন্যান্য যুদ্ধে হয়েছে।
আর বাংলাদেশের যে সামাজিক অবস্থা তাতে ধর্ষিত হয়েও লুকিয়ে থাকাই ছিল বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ এতে নারীর হাত না থাকলেও অনেক স্বামী তার স্ত্রীকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এখনো যুদ্ধাপরাধিদের বিচার শুরু হলে ধর্ষিত কয়জন নারী সাক্ষ্য দিবেন তা দেখার বিষয়। আমার মনে হয় দু চারজন ছাড়া কেউ আদালতে যাবেননা। যে কারণে শর্মিলা বোস তার গবেষণার কাজে বেশি তথ্য পাননি। আর নিজের ব্যর্থতা ঢেকেছেন কম হয়েছে বলে ।
জামাত এখনো কম মৃত্যূ আর কম ধর্ষণ হয়েছে বলে চেচিয়ে কি প্রমাণ করতে চায় আমি বুঝিনা। কারণ আসল ফ্যাক্টটতো অস্বীকার করার উপায় নেই। এমনকি পাকিস্থানীরাও অস্বীকার করেনা যে ধর্ষণ হয়নি। তবে তারা বলছে যে কম হয়েছে। জামাতও পাকিস্থানের সুরে এ বিষয়ে কথা বলছে।
বিদ্যালয় বলেছেন:
কথা একেবারে ঠিক
লেখক বলেছেন: নিকের সঙ্গে ছবিটা কি আপনার? আমিও কোন এক সময় এ রকমেরই ছিলাম। চেহারাও মনে হয় কাছাকাছি ছিল। তবে আমি রুমাল পড়িনি।
আমি অবশ্য সাধারণ কলেজো, আর্ট কলেজে সর্বশেষ ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয়েও লেখাপড়া করেছি। আর মাদ্রাসা থেকেও সর্বোচ্চ শিক্ষা লাভ করেছি। ইসলামের নামে েকউ যেন জুজুর ভয় দেখাতে না পারে সেজন্য মাদ্রাসার বিদ্যা কাজে লাগছে।
আমার সঙ্গে একমত হওয়ায় আপনাকে ধন্যবাদ।
লড়াকু বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
আমার কবিতা বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
নির্ণয় বলেছেন:
এত বড় একটা ভুল বাংলায় চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবার পরও যদি তা আরবী যুক্তিবিদ্যা পাঠকারীর দৃষ্টি এড়িয়ে যায় তা হলে তা তো ভাবনার বিষয় বটেই। তার উপর ভুলটা দেখিয়ে দেবার পরও যখন ভুল দেখিয়ে দেয়াটাকে কেন্দ্র করে, "মানে হলো- প্রত্যেক বস্তু তার মুলে ফিরে যায়। মুলে আঘাত করলে তার লাগবে এটাই স্বভাবিক" এর মত ইঙ্গিত আসে তখন বিষ্ময় আরো বাড়ে।
চোখ থেকে সানগ্লাস খুলে তারপর পড়ুন - আপনি লিখেছেন "জামাতীরা যেসব বিষয় নিয়ে যুক্তি তর্ক করে তার কয়েকটি হলো, ১. ১০ লাখ বাঙ্গালি মারা যান নি। "
নিজে বুঝেছেন কি লিখেছেন? ১৭ নম্বরে বোল্ড করে দেখিয়ে দিয়েছি, তারপরও সানগ্লস পরে উত্তর লিখেছেন।
লাইনটা হওয়ার কথা "জামাতীরা যেসব বিষয় নিয়ে যুক্তি তর্ক করে তার কয়েকটি হলো, ১. ৩০ লাখ বাঙ্গালি মারা যান নি।"
এবার মাথায় ঢুকেছে নিজে কি লিখেছেন? আপনি নিজেই ৩০ লাখকে ১০ লাখ লিখে বসে আছেন। আরবী যুক্তিবিদ্যার চেয়ে বাংলায় সংখ্যা পাঠে বেশি মনোযোগী হতে হবে।
এবার পোস্ট এডিট করে ঠিক করুন। ফিরে এসে যদি দেখি ঠিক হয়েছে, তাহলে হয়তো সামান্য আর যেটুকু বক্তব্য বাকি আছে তা লিখে যাব।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ভুল মেনে নিলাম। আপনি ভুলে যাচ্ছেন আমি শুধু আরবীতে নই বাংলা ইংরেজীতেও যুক্তিবিদ্যা পড়েছি। আরবীর কথা এ কারণে উল্লেখ করলাম কারণ ইসলামের জুজুর ভয় দেখিয়ে ম্যানিপুলেশনের চেষ্টা করে।
ধন্যবাদ ভুল ধরিয়ে দেয়ার জন্য। ঠিক করে দিয়েছি। তবে সংখ্যা কোন ব্যাপার নয় এটাই আরবীর যুক্তিবিদ্যা দিয়ে আপনাকে আমি বোঝাতে চেয়েছিলাম, আপনি বোধহয় তা বুঝেননি।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
সুন্দর টপিকস|মোট যুদ্ব শিশুর স;খ্যা কত...??
এরা কে কোথায় আছে? বা;লাদেশ ওদের নায্য পাওনা আদায়ের কোন চেস্টা করেছে কি-না সেসব তথ্য জানালে লেখাটা পুর্না;গ হতো|
লেখক বলেছেন: আমি লিখেছি--- তারপরও আপনার জন্য কাট পেস্ট করলাম----
ধর্ষণের পরও বেঁচে থাকা নারীদের মধ্যে ২৫ হাজার জন গর্ভধারন করেছিলেন বলে জানা যায় (ব্রাউন মিলার, ১৯৭৫ : ৮৪)।
মাদার তেরেসার প্রচেষ্টায় যুদ্ধ শিশুদের প্রথম ব্যাচ ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে ক্যানাডায় পৌঁছলে তা মিডিয়ার ব্যাপক মনযোগ আকর্ষণ করে। পরে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, সুইডেন এবং অষ্ট্রেলিয়াও যুদ্ধ শিশুদের দত্তক নিতে এগিয়ে এসেছিল ।
যতদূর জানা গেছে ১০ হাজার যুদ্ধ শিশু দেশের বাইরে রয়েছে।
বাংলাদেশ যুদ্ধ শিশুর ব্যাপারটি সব সময়ই এড়িয়ে গেছে। শেখ মুজিব নিজেও এড়িয়ে যেতে চেয়েছিলেন। এদের দৃষ্টিসীমার বাইরে পাঠাতে তিনি মিরয়া হয়ে গেছিলেন। ্
ক্ষতিপূরণের দাবীটি সামনে আনার জন্যই আমার এ প্রচেষ্টা। ভালো থাকবেন।
নির্ণয় বলেছেন:
সংখ্যা সংক্রান্ত আপনার উপস্থাপিত আরবীযুক্তিবিদ্যা যদি সহি হতো তাহলে আপনি নিশ্চয় লাইনটা সংশোধন করতেননা।
"আপনি সম্ভবত ইরাক যুদ্ধটাও দেখেননি। সেখানে অপারেশনে যাওয়ার আগে ওই এলাকার পুরুষগুলোকে প্রথমে এক জায়গায় নিয়ে আটকে রাখে।"
বিমান বা কামানের গোলা দিয়ে নিশ্চয় নয়? তাদের আটক করতে পদাতিকদেরই যেতে হয়েছে। তাদের পথ ক্লিয়ার করার জন্য বোম্বিং হয়েছে। এবং সে বোমাও নারী পুরুষ চিনে চিনে ফাটেনি।
যাহোক, আবারও বলি উপস্থাপনার দুর্বলতা বক্তব্যকে ম্লান করে দিয়েছে। বিশেষ করে আপনার উস্কানিমূলক মন্তব্যগুলো খুবই অনভিপ্রেত।
আপনার ভুল স্বীকার আর ভুল সংশোধনের পর আমার মনে হয়না এ প্রসঙ্গ আর বাড়াবাড় প্রয়োজন আছে।
লেখক বলেছেন: ভাই আমি একজন নগন্য মানুষ। বিতর্ক করার কোন জ্ঞান আমার নেই। আমি কোন জিনিস ভালো জানি এমনটি আমি কখনোই দাবী করিনি বা করছিনা ভবিষ্যতেও করবোনা। ভুল সংশোধন সব সময়ই সবাই স্বাগত জানায়।
আমি আশা করছি কিছু দিনের মধ্যেই আপনাকে এমন একটি বইয়ের নাম দিতে পারবো যা পড়ে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন পাকিস্থানীদের যুদ্ধের নীতি কি ছিল।
তবে এ বিতর্কের মাঝে আপনি যদি পাকিস্থানীদের এ ধর্ষনের বিরুদ্ধে একটি কথা বলতেন তাহলে আমি একটু হলেও সান্ত্বনা পেতাম।
এটা ঠিক আমি প্রাথমিক তথ্য নিয়ে এই উত্তারাধিকার বিষয়ে লিখতে গিয়েছি। গবেষণা করার মতো এটি একটি বিষয়। এটি নিয়ে আমি এর মধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছি।
এতো বিতর্কের পরও আমি ভাবছিনা, েয আপনি স্বাধীনতার বিপক্ষের কোন শক্তি। এ ভাবনাটাই আমার আগামী দিনের কাজকে শক্তি যোগাবে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
তানিয়া মুন বলেছেন:
পোস্টটা bookmarked করলাম । পড়ার সময় পাচ্ছি না এখনো। তবে আমার প্রশ্নের কারনে পোস্ট করেছেন বলে ধন্যবাদ আর শুভাশীষ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মুন আপনার কারণেই এ রকম একটি লেখা লিখতে হলো।
শেখ মিলন বলেছেন:
আপনার লেখাটি পড়ে অনেক লালো লাগল। ++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
আরি০০৯ বলেছেন:
আর তাদের প্রেতাম্তা ছাগুলীগের মানিক রতন রা সেই কাজ এখন সোতসাহে চালিয়ে যাচ্ছে....................
লেখক বলেছেন: ধর্ষণ যারা চালায় তারা ওদেরই প্রেতাত্মা
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
প্রতিবাদী কন্ঠস্বর বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
গরম কফি বলেছেন:
অসাধারন । +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
পৃথিবীর আমি বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
পৃথিবীর আমি বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ++++++যুদ্ধাপরাধিদের বিচার চাই।
নগর-বাউল বলেছেন:
++++++যুদ্ধাপরাধিদের বিচার চাই
লেখক বলেছেন: এটা সমেয়র দাবী।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















