বড় রাস্তায় বাঁক নেবার মুখে দাঁড়িয়ে ছিল লোকটা
গৎভাও-এর শম্ নেবার মতো করে আমার যুগল ভ্রু নাচিয়ে
বললাম, কী ভাই লাম্পট্যের কূটজাল ছিঁড়ে
কবে থিতু হলেন এখানে?
লোকটি ছিঁচকাঁদুনে গলায় হেসে উঠে বললো,
এর উত্তর আপনাকে ই-মেইল করে জানাবো জনাব!
আমি অতঃপর শীরদাড়া সোজা করে চেতনার কী-বোর্ডে
হাতরে বেড়াই আমার কাঙ্খিত অন্তর্জাল বার্তা
দীর্ঘ জটাজুট পাসওয়ার্ড ছিন্ন করে পৌঁছে যাই
চিত্রপুট এক অসংবিধিবদ্ধ পত্রবেদীতে।
এটাচড্ ফাইলটা মেলে ধরতেই দেখলাম আমরা ক’জন
দাঁড়িয়ে আছি প্রাক ইলেক্ট্রনিক যুগের সেই ধুসর
ঝিকড়গাছা ইস্টিসনে,
প্রায়ন্ধকার প্লাটফর্মে অপেক্ষমান কুঞ্চিত ভ্রু স্টেশন মাস্টার তার
গাণিতিক লন্ঠন দুলিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিল পূবের সেই পথ
আমরা এখনও যারা বিশ্বায়নের ধকল সইতে সইতে
সার্চ এঞ্জিনে খুঁজে চলি সুশীল পৃথিবীর প্রোফাইল,
ভুল ব্রাউসারে হোঁচট খেয়ে তারা ফিরে আসি ইতিহাস নির্ধারিত পথে-
তারপর, এখনও, অসংখ্য ডটকম এর জানালা বেয়ে
ঝিকড়গাছা ইস্টিশনে এসে থিতু হই, পূবের পথ ধরবো বলে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

