somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - কিছু ভ্রূকুটি , কেউ কি উত্তর দিতে পারেন ?

১৯ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সম্প্রতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এর বিষয়টা on the brink of commencement .
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ে আইনমন্ত্রী সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে বলেছেন - " যুদ্ধাপরাধের বিচার নয় , মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার করবে সরকার "

এখানে একটা ভ্রুকুটি তথা প্রশ্ন জাগে :
যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এর মধ্যে পার্থক্য কি ?
যুদ্ধাপরাধ বলতে যেটা সহজভাবে বোঝায় :
১)নিরস্ত্র মানুষ হত্যা ,
২) বন্দীমানুষকে কৃতদাসত্বে বাধ্য করা ,
৩) অগ্নিসংযোগ করা ,
৪) নারী ধর্ষন করা , নারীকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা , নারীর প্রতি যেকোন অশালীন আঘাত ,
৫)সম্পদলুন্ঠন করা
সূত্র : চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন , আর্টিকেল ২৭ ।

“ Protected persons are entitled, in all circumstances, to respect for their persons, their honour, their family rights, their religious convictions and practices, and their manners and customs. They shall at all times be humanely treated, and shall be protected especially against all acts of violence or threats thereof and against insults and public curiosity. Women shall be especially protected against any attack on their honour, in particular against rape, enforced prostitution, or any form of indecent assault. Without prejudice to the provisions relating to their state of health, age and sex, all protected persons shall be treated with the same consideration by the Party to the conflict in whose power they are, without any adverse distinction based, in particular, on race, religion or political opinion. However, the Parties to the conflict may take such measures of control and security in regard to protected persons as may be necessary as a result of the war. ”
—- Article 27, Fourth Geneva Convention

জেনেভা কনভেনশন-উইকিপিডিয়া

জেনেভা কনভেনশন ৪ শ্রেণীর মানুষের উপর প্রযোজ্য :
১)wounded or sick fighters (আহত বা অসুস্থ প্রতিপক্ষ সৈনিক )
২)prisoners of war (যুদ্ধবন্দী প্রতিপক্ষ সৈনিক যেকোন লিংগ এবং বয়স)
৩)civilians (নিরস্ত্র সাধারণ মানুষ)
৪)medical and religious personnel (চিকিৎসা পেশাজীবি এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব)

যুদ্ধাপরাধের ব্যাখ্যায় সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলো হলো :

Grave breaches
Not all violations of the treaty are treated equally. The most serious crimes are termed grave breaches, and provide a legal definition of a war crime. Grave breaches of the Third and Fourth Geneva Conventions include the following acts if committed against a person protected by the convention:
সকল কনভেনশন লংঘন সমান নয় । সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলো হলো "Grave Breaches" বা "গুরুতর লংঘন"। সেগুলো হল :

১)willful killing, torture or inhuman treatment, including biological experiments
ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা , নির্যাতন , অমানবিক কায়দায় ব্যবহার করা , জীববৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজে ব্যবহার করা
২)willfully causing great suffering or serious injury to body or health
ইচ্ছাকৃতভাবে অতিযন্ত্রনাদায়ক অথবা গুরুতরভাবে আহত করা , আঘাত করা শারীরিকভাবে , স্বাস্থ্যগতভাবে।
৩)compelling one to serve in the forces of a hostile power
willfully depriving one of the right to a fair trial.
কাউকে জোরপূর্বক দাসত্বে বাধ্য করা ,
ইচ্ছাকৃতভাবে সঠিক বিচার থেকে বন্চ্ঞিত করা।
Also considered grave breaches of the Fourth Geneva Convention are the following:

৪)taking of hostages
রক্ষাবর্ম হিসেবে বন্দীদেরকে ব্যবহার করা
৫)extensive destruction and appropriation of property not justified by military necessity and carried out unlawfully and wantonly
অতিমাত্রায় সম্পদ ধ্বংস এবং দখল করা যেটা সামরিক প্রয়োজনে অযৌক্তিক , বেআইনীভাবে উছ্শৃংখলভাবে কৃত।
৬)unlawful deportation, transfer, or confinement.[8]
বেআইনীভাবে দেশত্যাগ , স্থানান্তর অথবা বন্দীকরা।

যুদ্ধাপরাধের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত সবগুলো অপরাধইতো মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ।
তাহলে আইনমন্ত্রী "শব্দচয়ন" এর ক্ষেত্রে এরকম তারতম্য করলেন কেন ?
"যুদ্ধাপরাধের বিচার নয় , মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার "- আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ।

সম্প্রতি পত্রপত্রিকায় এমনটাও দেখা গেছে : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবীতে ক্যাম্পেইনার কিছু ব্যক্তি বলছেন :
"মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান গ্রহনকারী মাত্রই যুদ্ধাপরাধী নয় , যারা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে তারাই যুদ্ধাপরাধী"।
কথাটা যৌক্তিক , কারন মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী ছাড়াও চীনপন্থী বাম রাও স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো । কিন্তু তারা যুদ্ধাপরাধের সংজ্ঞাভুক্ত কোন অপরাধ করেছে বলে আমার জানা নেই।
কিন্তু যে প্রশ্নটা এসে যায় ;
মতিউর রহমান নিজামী , আ আ মো মুজাহিদ , মীর কাসেম আলী , মাওলানা মান্নান প্রমুখ এরাযে প্রকাশ্যে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো সেটা প্রমানের সবচেয়ে বড় দলিল জামায়াতের মুখপত্র "দৈনিক সংগ্রাম" এর সেই সময়কার পেপারকাটিং ।

কিন্তু সেটাদিয়ে কি প্রমান করা সম্ভব যে তারা যুদ্ধাপরাধের সংজ্ঞাভুক্ত অপরাধগুলো করেছে যেটার সাথে তারা আসলেই জড়িত (প্রমাণ হাতে থাকুক বা না থাকুক সেটাই সত্যি )
এদের আইনগত সংজ্ঞা কি হবে ?
যুদ্ধাপরাধী নাকি যুদ্ধাপরাধীর সহযোগী?

আরেকটা গুরুতর প্রশ্ন: "যুদ্ধাপরাধী এবং
যুদ্ধাপরাধীর সহযোগী উভয়কে কি একই আইন এ বিচার করা যাবে ?

১৯৭৩ দালাল আইন এ এদের কে বিচার করা যাবে বলেই আমি জানি।
কিন্তু ঐ আইনের বিপক্ষে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক চিল্লাফাল্লা শুরু হয়েছে এই Ground এ যে আইন টি সেকেলে এবং এর ভেতরে অনেক মানবতাবিরোধী Ingredients / Contents আছে ।
সেক্ষেত্রে সরকার কি আইনটি সংস্কার করবে ?
তাতে কি লঘু শাস্তির সম্ভাব্যতা বা ফাঁকফোকর বাড়বেনা ?

সম্প্রতি LGRD মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: "শুধুমাত্র শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে "।

তাতে কি নিজামী , মুজাহিদ , কাসেম আলী এরা কি ছাড়া পেয়ে যেতে পারেনা ?
কারন Available প্রমানাদী দিয়ে এটা নি:সন্দেহে প্রমান করা সম্ভব যে এরা মুক্তিযুদ্ধের নৈতিকবিরোধী ছিলো , কিন্তু যুদ্ধপরাধ কি করেছিলো ?
Bottom Layer এ গেলে এখনও প্রচুর রাজাকার , আলবদর , আলশামস্ , শান্তিবাহিনীর ক্রিমিনালদেরকে পাওয়া যাবে যাদের বিপক্ষে প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী পাওয়া যাবে এরা যে পাকবাহিনীকে যুদ্ধাপরাধে সরাসরি সহায়তা করে ছিলো ।
শুধু Top Layer নিয়ে বিষয়টা শেষ করতে গেলে কি
Bottom Layer এর অসংখ্য বদমাইশ ছাড়া পেয়ে যাবেনা ?
উপরন্তু Top Layer দের ছাড়া পেয়ে যাওয়া "আদালতের ভৎর্সনা" নিয়ে (যেটা ঐ বেহায়াদের গায়ে লাগবেনা , কথায় বলে : ন্যাংটার নাই বাটপাড়ের ভয়) সেটার কথাতো বললামই।

যুদ্ধাপরাধীদের সহযোগী কিন্তু আওয়ামী লীগেও আছে। বর্তমান বানিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান , হাসিনার বেয়াই মোশাররফ হোসেন , সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী নুরুল ইসলাম , বি এন পির সা কা চৌধুরী এভাবে
Bottom Layer এ খুজতে গেলেও
ঠগ বাছতে গাঁয়ের অর্ধেক উজাড় হব।

শেখ সেলিমের বেয়াই নুলা মুসা কিংবা হালের মুসা বিন শমসের এর কাহিনী জানুন নাগরিক ব্লগে নিঝুম মজুমদারের কাছে

রাজনীতি আজ নীতিতে কত দেউলিয়া !
শেখ সেলিমের ছেলে জহরত মান্না আর নুলা মুসার মেয়ে রাশমা ইমামের বিয়েতে উকিল বাবা ছিলেন হুমুলেজে এরশাদ!

রাজনৈতিক মারপ্যাচে আওয়ামী লীগ বিষয়টা কিভাবে Deal করবে ?
জামায়াতপন্থী মিডিয়া বসে থাকবেনা এটা নিশ্চিত । তারা আওয়ামী লীগের ভেতরের গোমর যতটুকু সম্ভব ফাঁস করতে চাইবে পাল্টা আঘাত হিসেবে।


বিষয়টা কি ঘোলা পানি হয়ে যাবে শেষপর্যন্ত ?
সাঈদী মানহানির মামলা করার সাহস পায় কিভাবে ?
নিশ্চয় সে জানে প্রচলিত আইনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমান করা যাবেনা ?

আন্তর্জাতিক দিক থেকে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু খুবই Vital এটা যেনতেন স্বীকার্য। আরটিভি র "রোড টু ডেমোক্রেসী " অনুষ্ঠানে "ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস্ ফাইন্ডিং কমিটি " ব্যক্তিত্ব ডা: এম এম হাসান নিজের মুখেই স্বীকার করেছিলেন : "আন্তর্জাতিক কূটনীতিগত কারনে সেসময়ে (মুজিব এবং জিয়া Regime)বিচার করা সম্ভব ছিলোনা, কিন্তু এখন সম্ভব"

তার কথাটার সত্যতাসত্য নিয়ে নিজে কিছু বলতে চাইনা । তবে ইতিহাস থেকে যেই সত্যগুলো পাওয়া যায় সেগুলো হলো :

১) বংগবন্ধু শুরুতেই ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠন করেন যখন পুরো দেশই ছিলো ভাংগাচোরা।

২) ১৯৭৪ এ খোদ পাকিস্তান আমাদেরকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিলেও মিডল ইস্ট দেয়নি।
এমন কি শেখ মুজিব , আলজেরিয়ার বুমদিন আর ভুট্টোর ওআইসি সম্মেলনের ছবিও সেটা প্রমান করে শেখ মুজিব মুসলিম বিশ্বের আস্থা অর্জনের চেষ্টা কিভাবে করেছিলেন।

৩)শেখ মুজিবর রহমান এর সময়ে ৩৭০০০ দালাল ধৃত হয়েছিলো । ১৯৭৩ সাধারন ক্ষমা ঘোষনার পর ২২০০০ খালাস পায়।
দালাল আইন এ চিকন আলী নামে এক দালালের নাকি ফাঁসিও হয়েছিলো। কিন্তু অন্য একটা তথ্য যেটা জানা যায় প্রথম আলোর উপসম্পাদক মিজানুর রহমান খান এর কাছ থেকে সেটা হলো : ১১০০০ আটক হলেও এদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর মামলা গুলো ৭৫ এর ৮/১৫ পর্যন্ত ২ বছর স্থবির হয়ে ছিলো । ৭৫২ জন দন্ডাদেশ পায় এবং সায়েম-জিয়ার সময় দালাল আইন বাতিল হলেও সেটা দন্ডপ্রাপ্ত ৭৫২ এর ক্ষেত্রে কার্যকর হবেনা।

৪)জিয়াউর রহমান দালাল আইনে আটক অশাস্তিপ্রাপ্ত (প্রায় ২ বছর জেলে আটক , স্থবির মামলার আসামী ) দালালদেরকে ছেড়ে দেন , শাস্তিপ্রাপ্তদের শাস্তি বহাল রাখেন এবং বিস্ময়কর ভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলো আমাদেরকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে থাকে।
এমন কি আমাদের বর্তমান অর্থনীতির লাইফ সাপোর্ট সেন্টার মধ্যপ্রাচ্য জনশক্তি বাজারও খুলে যায়।
সর্বপ্রথম ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ৬০০০ শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যে পাঠান।

৫) বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মধ্যপ্রাচ্য নতুন জনশক্তি আমদানি বাংলাদেশ থেকে স্থবির করে রেখেছে , এমনকি মালয়শিয়াও।
বরং শ্রমিক দেশে ফেরত আসার ঘটনাই ঘটছে ।






৬) খোদ লে: জেনারেল হারুনর রশীদ বীরবিক্রম ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির কথা "রোড টু ডেমোক্রেসী " অনুষ্ঠানে স্বীকার করে বলেছেন :"অনেকে বলে আমেরিকা না চাইলে এই বিচার হবেনা , সৌদিআরব না চাইলে এই বিচার হবেনা , আমরা মনে করি এদেশের মানুষ চাইলে এ বিচার হবে"

আইনমন্ত্রীর শব্দচয়ন অসংগতি , LGRD মন্ত্রীর শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী বিষয়ক মন্তব্য , আইনের ফাঁকফোকরে যুদ্ধপরাধ না যুদ্ধাপরাধীদের সহযোগী , নাকি কেবলই নৈতিক বিরোধীতা , মধ্যপ্রাচ্যের ৯০ লাখ শ্রমিক যারা এদেশের অর্থনীতিকে বাচিয়ে রেখেছেন তাদেরকে জামায়াতের রক্ষাবর্ম হিসেবে ব্যবহার করা সবকিছু মিলিয়ে কি ঘটতে যাচ্ছে আসলে ?

আলোচনা , সমালোচনা সবকিছুই স্বাগতম।

এডিশন ১ : ৯ই এপ্রিল , ২০১০: বিচারের দুর্বল প্রসিকিউটর প্যানেল নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিলাম । ১ ব্লগারের পোস্টে তথ্যটা পেলামঃ
আজ সকালে (৯ই এপ্রিল)চ্যানেল আইয়ের একটি লাইভ অনুষ্ঠান চলছিলো। উপস্থাপনায় ছিলেন সাংবাদিক গোলাম মুর্তজা এবং অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক এবিএম মুসা। এক দর্শক যুদ্ধপারাধের বিচার নিয়ে আশংকা প্রকাশ করলেন এবং এ ব্যাপারে এবিএম মুসার মন্তব্য জানতে চাইলেন। তিনি ধৈর্য ধরার কথা বলে বললেন তিনিও কিছুটা হতাশ। কারন দুর্বল আইনজীবি প্যানেল এবং তদন্তকারী কমকতাদের অতীত ব্যাকগ্রাউন্ড দেখে। তখন তিনি বললেন দুর্বল আইনজীবি প্যানেল কেন?

এ ব্যাপারে জিজ্ঞাস করার জন্য তিনি নাকি আইনমন্ত্রীকে ফোন করেন এবং প্যানেলে ডঃ কামাল, আমিরুল ইসলাম, ডঃ এম জহির উনাদের মত আইনজীবিদের কেনো রাখা হয়নি তা জানতে চান। উত্তরে আইনমন্ত্রী নাকি বলেছেন ঐসব আইনজীবিদের নাকি থাকতে বলা হয়েছিলো, কিন্তু তারা রাজি হননি এবং অপরাগতা প্রকাশ করে!

হায় এসব আইনজীবিরা এই বিচার নিয়ে কত কথা বলে কিন্তু বিচারে থাকতে বলায় কোন এক অজ্ঞাত কারনে বিচারে অংশগ্রহন করছেননা।
উনারা কি ভীত নাকি অন্য কারনে এমন করলেন কে জানে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০১০ সকাল ৮:৫১
২৬টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×