আমার প্রিয় পোস্ট

একটা গাড়ী খুজছি , ব্যাক টু দ্য ফিউচারে যাওয়ার গাড়ীটা খুজছি

AML থেকে AL , অসাম্প্রদায়িকতার কার্টেইন এবং পেছনের কাহিনী

০১ লা মে, ২০১০ রাত ১:২৮

শেয়ারঃ
0 38 0



আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে আওয়ামী লীগ।

অবিভক্ত পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনেক বড় এবং সম্ভবত ইতিহাসের মোড় ঘোরানো ঘটনা যেহেতু আওয়ামী লীগই পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেয়।

কিন্তু আওয়ামী মুসলিম লীগ কিভাবে আওয়ামী লীগ হলো সেটা শুধু প্রচলিত জনশ্রতিতেই আটকে আছে। তার সত্য-মিথ্যা যাচাই বোধহয় খুবএকটা যাচাই হয়নি।

শোনা কথায় যেটুকু জানা যায় দেশবিভাগের মাত্র ৭ বছর পর হঠাৎ অসাম্প্রদায়িকতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আওয়ামী মুসলিম লীগ তার নাম থেকে "মুসলিম" নামের ধর্মীয় লেবেলটি সরিয়ে ফেলে।

বিষয়টি এমনও ছিলো না যে বাংলাদেশে তখন বিশাল জনগোষ্ঠী অমুসলিম সম্প্রদায়ের। দেশবিভাগের পর এপার বাংলার হিন্দুদের বিশাল অংশ বাপ দাদার ভিটামাটি-বিষয় আশয় সম্পত্তি ছেড়ে ওপার বাংলায় চলে গিয়েছে।

সুতরাং সমাজে যে অসাম্প্রদায়িকতার রেনেসা তুল্য কিছু হয়েছিলো এমনটা নয়।

তাই আসলেই কি সেরকম কিছু ঘটেছিলো আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পরিবর্তনে?

আমার বিশ্বাস হয়নি। বিশ্বাস হয়নি বলে জানার চেষ্টা করেছিলাম পেছনের কাহিনী। আসলে কি ঘটেছিলো?

এর কান্ডারীই বা কে ?

ঢাকঢোল তো খুব পেটানো হয় মুজিববন্দনার - মুজিব ই নাকি এই "ঐতিহাসিক নাম পরিবর্তন" এর নায়ক।

সেই ১৯৫৪ তে মুজিব তখনো রাজনৈতিক অঙগনে ছাত্রনেতা থেকে মাত্র যুবনেতা পর্যায়ে এসেছে তখনই সে কিনা এতবড় একটা ব্যাপার কে সম্ভব করে ফেললো দেশবিভাগের মাত্র ৭ বছর পর!

সাম্প্রদায়িক দ্বেষের বিষাক্ত বাষ্প তখনও উপমহাদেশের বাতাসে ভারী হয়ে আছে।

আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পরিবর্তন বিষয়ে আওয়ামী লীগের অবস্থান দেখুনঃ "In the backdrop of this, in the initiative of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman"
আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পরিবর্তন বিষয়ে আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটের বক্তব্য , পৃষ্ঠা ৩ এর শেষ ২ লাইন পড়ুন

শেখ মুজিব স্বয়ং অল ইন্ডিয়া মুসলিম স্টুডেন্ট ফেডারেশনের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে আসেন !

১৯৪৩ এ বেঙ্গল মুসলিম লীগে যোগ দেন , সেভাবেই সোহরাওয়ার্দীর সংস্পর্শে আসেন।দেশবিভাগের পর এই শেখ মুজিবই প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম স্টুডেন্ট'স লীগ।

অপরদিকে খোন্দকার মোশতাক যাকে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া বানিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো পাকিস্তান পন্থী হওয়ার কারনে তিনিও মুসলিম তকমা বিহীন আওয়ামী লীগে ছিলেন জাদরেল নেতা হিসেবে!

এমনকি আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদক হওয়ার পরও !

এমনকি যেই মাওলানা ভাসানী এই "ঐতিহাসিক নাম পরিবর্তন" এর সময় আওয়ামী মুসলিম লীগের পুরোধাব্যক্তি ছিলেন তাকেও নেংটি লেজের বর্তমান কিছু বামপন্থী আওয়ামী ঘেষা লোকজন (সৈয়দ বদরুল আহসান , সাংবাদিক , এরকম অসংখ্য ছুপা ভাসানীবিরোধী ইতর আওয়ামী লীগে এবং বামদল গুলোতে লুকিয়ে আছে ) সাম্প্রদায়িক আখ্যা দিতে চায়!

হয়তো তার টুপি দাড়ির জন্যই !

তাহলে চলুন জানা যাক সেই অজানা কাহিনী !
শুরুতেই দেখাযাক আওয়ামী মুসলিম লীগ কিভাবে গঠিত হয়েছিলো ।

১৯৪৯ এর ২৩ শে জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় নারায়নগন্জ্ঞর কে এম দাস লেনের রোজগার্ডেনে ১ শ্রমিক সমাবেশে মুসলিম লীগের দম্ভের জবাব দেয়ার জন্য।

মুসলিম লীগ দাবি করেছিলো তারাই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার নেতৃত্বদান কারী একমাত্র বৈধ রাজনৈতিক দল।

এর প্রেক্ষিতে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী যিনি আসাম মুসলিম লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন মহাসমাবেশ আহ্বান করেন।

সেই মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আতাউর রহমান খান
এবং সেই সমাবেশেই সাংগঠনিক কমিটি গঠিত হ্য়।
মাওলানা ভাসানী হন দলের প্রেসিডেন্ট , আতাউর রহমান ভাইস-প্রেসিডেন্ট , সামসুল হক সাধারন সম্পাদক , শেখ মুজিবুর রহমান ও খোন্দকার মোশতাক আহমেদ হন যুগ্ম সম্পাদক এবং ইয়ার মোহাম্মদ হন কোষাধক্ষ্য।


ছবিঃ রোজ গার্ডেন

যাইহোক এটুকু অনেকটা ভূমিকার মত বলে নিলাম ।
আসল কাহিনীতে এবার যাচ্ছি।

পাকিস্তানবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ঃ
অবিভক্ত পাকিস্তানের মোট হিন্দুর বড় সংখ্যক অংশের বাংলাদেশে বসবাস দেশভাগের পর থেকেই । সংখ্যালঘুদের প্রতি ১৪ জনে ১৩ জন হিন্দু। লোকসংখ্যার অনুপাতে সংখ্যালঘু হলেও অর্থনৈতিক , রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক পরিমন্ডলে হিন্দুরা মোটেই প্রভাব লঘু ছিলোনা।

তবে পাকিস্তান রাষ্ট্রের মুসলিম সত্ত্বা এবং দেশ বিভাগের পর সাম্প্রদায়িক তিক্ততা (কলকাতায় হিন্দু - মুসলিম দাঙ্গা) এসব কারনে হিন্দুরা পাকিস্তানে নিরাপত্তা বোধ করতো না।

পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতি হিন্দুদের অবস্থান হিসেবে দেশবিভাগ পুর্ববর্তী পূর্ববঙ্গ কংগ্রেস নেতা প্রভাস চন্দ্র লাহিড়ী র মন্তব্য কে উল্লেখ করা যেতে পারে।
স্বাধীনতার প্রথমদিনের স্মৃতিচারন করে প্রভাস লাহিড়ী তার নিজ শহর রাজশাহীতে শোকাতর ভাবে বলেনঃ

" আমি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলাম । দুঃখজনক ভাবে আমি আর ভারতীয় নই , আমি এখন পাকিস্তানি , আমাকে এই অপমান মেনে নিতে হচ্ছে।"

কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলী অব পাকিস্তানে বিরোধী কংগ্রেস পার্টির নেতা কিরণ শংকর রায় (সম্ভবত তেওটার জমিদার , তার ভাতিজা কুমার শংকর রায় ও রাজনীতিবিদ ছিলে)স্বীকার করেন যে ভারত এবং বাংলার বিভক্তি নিয়ে তারা খুশী নন।

এছাড়া এস সি চট্টোপাধ্যায়ের মত কংগ্রেস নেতা কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলী অব পাকিস্তানে জয়েন্ট ইলেকটোরেট দাবী করেছিলেন।

এছাড়াও আমাদের মহান মাতৃভাষার দাবী ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলীতে ১৯৪৮'র ২৩ শে ফেব্রুয়ারী তুলেছিলেন কুমিল্লার ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত।

এভাবে রাজনৈতিক , সামাজিক , অর্থনৈতিক -সাংস্কৃতিক সবক্ষেত্রেই হিন্দুরা সচেতন ছিলো যাতে ধর্মীয় চেতনার পাকিস্তানে তারা যাতে টিকে থাকতে পারে।

এটিই আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পরিবর্তনের সবচেয়ে বড়প্রেক্ষিত।
তাই বলে নিলাম আগেই।এবার আসল অংশে যাওয়া যাক।

কিভাবে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে " মুসলিম " বিয়োগ হয়ে আওয়ামী লীগ হলো ?

১৯৫৪ এর মার্চে ঐতিহাসিক প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সাবেক পুর্ব পাকিস্তানে।
১৯৫৩ 'র ১৪ ই নভেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনের প্রস্তাব তোলা হয় সোহরাওয়ার্দী, ভাসানী এবং শেরেবাংলার মধ্যকার নির্বাচনী ঐক্যের ভিত্তিতে।

এই নির্বাচন হয় ২১ দফার উপর ভিত্তি করে যেখানে প্রতিরক্ষা , পররাষ্ট্র এবং মুদ্রানীতির অটনোমী দাবী করা হয় পুর্ব পাকিস্তানের জন্য এবং রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃতি দাবী করা হয়।

নির্বাচনে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট যেখানে শেরেবাংলার কেএসপি (কৃষক শ্রমিক পার্টি ১৯৫৩ 'র ২৩ শে জুলাই প্রতিষ্ঠিত , তবে এর ভিত্তি ছিলো ১৯৩৭ এ গঠিত শেরেবাংলার কৃষক প্রজা পার্টি , কেপিপি নামের দল) এবং ভাসানী , সোহরাওয়ার্দী ও আরো অন্যান্য দল একজোট ছিলো।

শেরেবাংলা এবং সোহরাওয়ার্দী এর মধ্যে রাজনৈতিক স্বার্থগত বিরোধ ছিলো এটা সর্ববিদিত।

এই নির্বাচনেই যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে "নৌকা" কে প্রথমবারের মত ব্যবহার করে।

এইজোট ছিলো মুলত পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর দাপুটে মুসলিম লীগার দের জন্য চ্যালেন্জ্ঞ।

যাইহোক প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জেতে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৭ টি আসন এবং মুসলিম লীগ জেতে মাত্র ৯টি আসন। ২৩৭ টি আসনের ভেতরে ৯ টি ছিলো মুসলিম মহিলা আসন।

এডিশন ২ : ৩রা মে , ২০১০:

সূত্রঃ পাকিস্তানের ঘটনাপন্জ্ঞী , খুররম আলী।

নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদে আসন ছিলো মোট ৩০৯ টি।

৩০ টি ছিলো হিন্দু আসন ,
১ টি ছিলো হিন্দু মহিলা আসন ,
৩৬ টি ছিলো Scheduled caste (বাংলা শব্দার্থ খুজে মনে হলো নিম্নবর্ন সম্প্রদায় বা দলিত এই রকম কিছু , নিশ্চিত নই ) আসন ,
২টি ছিলো Scheduled caste মহিলা আসন ,
১টি খ্রীস্টান আসন এবং
২ টি বুদ্ধ আসন।

সর্বমোট অমুসলিম আসন ছিলো ৭২ টি। যাদের নেতৃত্ব দিতো মূলত পাকিস্তান ন্যাশনাল কংগ্রেস যেটি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের পাকিস্তান ভার্সন।

১৯৫৪ প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের এই সংখ্যাতত্ত্বটি জানিয়ে রাখলাম কারন এটিই এই ব্লগের Key Information / Turning point.

সুতরাং খুব পরিষ্কার ভাবেই বোঝা যাচ্ছেঃ অমুসলিম আসন গুলো খুব সহজেই সরকার গঠনে নির্নায়ক ভূমিকায় থাকবে যদি যুক্তফ্রন্টের ভেতরে বিরোধ তৈরী হয় এবং শেরেবাংলা বা সোহরাওয়ার্দী কোন ফ্রন্ট এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ না হয়।

এই নির্বাচনে কোমর ভেংগে যাওয়া মুসলিম লীগ আর কোনদিন পুর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে সোজা হয়ে দাড়াতে পারেনি।

সোহরাওয়ার্দী এবং ভাসানী নির্বাচনে অংশ নেননি এবং নির্বাচন বিজয়ের পর শেরেবাংলাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান।

শেরেবাংলা - সোহরাওয়ার্দী সমঝোতার পর ১৪ সদস্যের কেবিনেটে ৫ জন নেয়া হয় সোহরাওয়ার্দী মনোনীত।

১৯৫৪ 'র এপ্রিলে শেরেবাংলা কে মুখ্যমন্ত্রী করে প্রাদেশিক সরকার গঠিত হয় এবং সেই মন্ত্রীসভায় শেখ মুজিব কে প্রাদেশিক বানিজ্য মন্ত্রী (মতান্তরে কৃষি এবং বন মন্ত্রী) করা হয়।

শেরেবাংলার সেই কেবিনেটে ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ও ছিলেন।

কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসকরা যুক্তফ্রন্টের এই বিজয় মেনে পারেনি এবং তারা সরকার গঠনের ২ মাসের মাথায় ২৯ শে মে ১৯৫৪ তে যুক্তফ্রন্ট সরকার কে ডিসমিস করে আর্টিকল 92A এর অজুহাত তুলে।

শেরেবাংলা কে অভিযুক্ত করা হয় "পাকিস্তান বিভক্তির ষড়যন্ত্রকারী বিশ্বাসঘাতক " হিসেবে।




ছবিঃ শেরেবাংলা মন্ত্রীত্ব গ্রহনের শপথ পাঠ করাচ্ছেন ধীরেন্দ্র নাথ দত্তকে।

এডিশন ১: ২রা মে , ২০১০:
সূত্রঃ পাকিস্তানের ঘটনাপন্জ্ঞী , খুররম আলী।

শেরেবাংলাকে মুখ্যমন্ত্রীত্ব চ্যুত করার কারন হিসেবে দেখানো হয় ২৩শে মে ১৯৫৪ তে " নিউইয়র্ক টাইমস " এ প্রকাশিত একটি মন্তব্যকে যেখানে " আমার মন্ত্রীসভার ১ম কাজ হবে পূর্ববাংলার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা " বলে শেরেবাংলাকে উদ্ধৃত করা হয়।
সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন নিউইয়র্ক টাইমস প্রতিনিধি জন পি ক্যালাগান (John P Callaghan)।
শেরেবাংলা এই বক্তব্য তার নয় বলে জোর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন এবং তার বক্তব্যকে বিকৃতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে বলে দাবী করেছিলেন।
ব্যক্তিগতভাবে আমার সন্দেহ- পাকিস্তানী মুসলিম লীগাররা জন পি ক্যালাগানকে দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত সংবাদ ছাপিয়েছিলো যাতে শেরেবাংলার কেবিনেটকে বাতিল করার ছুতা পাওয়া যায়।

কারন যুক্তফ্রন্টের ভুমিধ্বস বিজয় আর ইস্ট বেংগল মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় পশ্চিম পাকিস্তানী মুসলীম লীগারদের জন্য ছিলো ১টি চরম অপমানকর চপেটাঘাত।

মূল ঘটনাটি ছিলোঃ

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ৩ এপ্রিল , ১৯৫৪ তে শেরেবাংলা মেডিক্যাল চেকআপের জন্য কলকাতা যান তার প্রিয় বন্ধু ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের কাছে। বিমানবন্দরে "হক সাহেব অভ্যর্থনা কমিটি" তাকে বিপুল জনসমাগম এবং সম্বর্ধনার সাথে স্বাগত জানায়। শেরেবাংলা কলকাতায় আসতে পেরে কিছুটা আবেগ আপ্লুত হয়ে যান।
তিনি বলেন- চিকিৎসা তার কলকাতা আগমনের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়।কলকাতায় তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় কেটেছে। তিনি এসেছেন দেশবিভাগের শরনার্থীদের উন্নত অবস্থার নিশ্চয়তা দিতে যাতে করে তারা (হিন্দুরা) তাদের ফেলে আসা বাসভূমিতে ফিরে যান। তিনি চান যাতে ২ বাংলার মধ্যকার বুদ্ধিবৃত্তিক , সাংস্কৃতিক আর শিক্ষাগত সম্পর্ক স্থাপন হয়।

এটি পাকিস্তানীদেরকে ক্ষুব্ধ করে সবচেয়ে বেশী। কারন জুলফিকার আলী ভুট্টো সবসময় বলতেন পূর্ব বাংলার মুসলিমরা হিন্দু শিক্ষক - বুদ্ধিজীবিদের কাছে শিক্ষা লাভ করে।

এটাকে তিনি পাকিস্তানের অখন্ডতার জন্য হুমকি মনে করতেন। ভুট্টো এটাকে বলতেন "হিন্দু ইন্টেলেসিয়া" বা "ফিফথ কলামিস্ট"।

এছাড়া বাংলাদেশে বসতবাড়ি ফেলে আসা শরনার্থী হিন্দুদের কে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য শেরেবাংলার উদারতাকে পাকিস্তানীরা ভালো চোখে দেখেনি।কেননা দেশবিভাগের পর হিন্দুদের পরিত্যক্ত সম্পত্তি অবাঙালী (বিহারীদের )মাঝে বন্টন করা হয়।

এটি ১ টি কারন যেজন্য ১৯৫৮ তে ইস্ট বেঙ্গল নামটি বদলে ইস্ট পাকিস্তান নামকরন করে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠির দন্ড মুন্ডের কর্তারা।

এর মধ্যেই শেরেবাংলা জন পি ক্যালাগানের কাছে সাক্ষাৎকারটি দিয়ে ফেলেন যা বিকৃতভাবে প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া মে ১৯৫৪'র ৩য় সপ্তাহে আদমজী জুট এবং পূর্ববাংলা জুড়ে অন্যান্য মিলে বাঙালী - অবাঙালী শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয় যেখানে প্রচুর অবাঙালী শ্রমিক হতাহত হয়।

শেরেবাংলাকে নিউইয়র্ক টাইমস এ তার মন্তব্যের ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য প্রাইম মিনিস্টার মোহাম্মদ আলী বোগড়া এবং গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ সামন জারী করেন।
শেরেবাংলা করাচী যান তার ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য , কিন্তু তারা ঐ ব্যাখ্যা সন্তুষ্ট হয়নি।
৩১ মে , ১৯৫৪ তে গভর্নর রুল জারী করেন এবং প্রাইম মিনিস্টার মোঃ আলী বোগড়া রেডিওতে ভাষন দেন শেরেবাংলাকে "ট্রেইটর টু ইস্ট বেংগল" ঘোষনা করে।

সূত্রঃ বাংলাদেশে হিন্দুদের দুর্দশার কাহিনী - রবীন্দ্রনাথ ত্রিবেদী

এই সূত্রের লেখক নিজেও ১ জন হিন্দু। সুতরাং পরিষ্কার বোঝাযাচ্ছে কলকাতায় এবং প্রমিনেন্ট হিন্দু সমাজের কাছে শেরেবাংলা কতটা সমাদৃত ছিলেন। অন্যদিকে সোহরাওয়ার্দীর এই অবস্থান একেবারেই ছিলোনা।বরন্চ্ঞ ব্রিটিশ রাজের অধীনে সোহরাওয়ার্দী অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালেই ১৯৪৬ এর ভয়াবহ কলকাতা দাঙ্গাটি ঘটে।
শেরেবাংলা যখন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখনো তিনি কলকাতার তথা পশ্চিম বাংলার হিন্দু সমাজের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত ছিলেন। ১৯৫৪ এর নির্বাচন বিজয়ের পর কলকাতা সফরে তার প্রাপ্ত অভ্যর্থনাই তা প্রমান করে।এই অংশটুকু আরেকটি " মূল বিষয় " আওয়ামী মুসলীম লীগের নাম পরিবর্তনে।

১৯৫৪ 'র অক্টোবরে গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলী অব পাকিস্তান ডিসলভড করেন এই কারন দেখিয়ে যে গত ৭ বছরেও সংবিধান রচিত হয়নি।
যুক্তফ্রন্ট নেতারা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান , কারন তাতে তাদের কেন্দ্রীয় সরকারে অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা ছিলো।

এরইমধ্যে শেরেবাংলা এবং সোহরাওয়ার্দীর মধ্যকার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দীতাকে গোলাম মোহাম্মদ কাজে লাগান একের বিরুদ্ধে অন্যকে খেলিয়ে।
ইস্ট বেংগল ল অ্যাসেম্বলীর পুনর্চালু করা এবং 92A উইথড্র করার সম্ভবনা দেখা দেয় তখন।
শেরেবাংলার ফ্রন্ট এবং সোহরাওয়ার্দীর ফ্রন্ট উভয়ই কেন্দ্রীয় সরকারে প্রধানমন্ত্রীত্বের জন্য প্রতিদ্বন্দীতা করছিলো।
সোহরাওয়ার্দীর ফ্রন্ট প্রাদেশিক পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ (১৪৩ টি মুসলিম আসন) ছিলো এবং তার জোরে মুখ্যমন্ত্রীত্ব দাবী করেছিলো যুক্তফ্রন্ট সরকারে।
শেরেবাংলার ফ্রন্টের ছিলো ৪৮টি আসন এবং নিজাম-ই-ইসলামর ২২ টি ও গনতন্ত্রী দলের ছিলো ১৩ টি আসন যারা শেরেবাংলাকে সমর্থন দিয়েছিলো।স্বতন্ত্র ৮ জন অ্যাসেম্বলী মেম্বারও শেরেবাংলাকে সমর্থন দিয়েছিলো।

সেই প্রেক্ষিত থেকে সোহরাওয়ার্দী ফ্রন্ট শেরেবাংলার বিপক্ষে অনাস্থা প্রস্তাব করে , তবে পরিষদের হিন্দু সদস্যদের শেরেবাংলার প্রতি সমর্থনের কারনে সেই প্রস্তাব পাস হয়নি।কেননা হিন্দু প্রভাবিত পাকিস্তান ন্যাশনাল কংগ্রেস অ্যাসেম্বলীর অমুসলিম ব্লকের ৭২ জন মেম্বারের নেতৃত্ব দেয়।

এসময় আরেক রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ আলী বোগড়া (বগুড়ার নবাব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত) রাজনৈতিক দৃশ্যপটে আসেন এবং যুক্তফ্রন্টের এই বিরোধ কে কাজে লাগান।
মোহাম্মদ আলী বোগড়া এই রাজনৈতিক মারপ্যাচে যোগ দেয়ার মূল উদ্দেশ্য তার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রীত্ব টিকিয়ে রাখা।

গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ খাজা নাজিমউদ্দীন কে প্রধানমন্ত্রীত্ব থেকে ডিসমিস করার পর এপ্রিল ১৭ , ১৯৫৩ তে মোহাম্মদ আলী বোগড়া পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
১৯৫৪ তে গোলাম মোহাম্মদ কনস্টিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলী অব পাকিস্তান ডিসলভড করার পর যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা দেখা দেয় সেটা আগেই বলেছি।

১৯৫৪ তেই মোহাম্মদ আলী বোগড়া প্রাইম মিনিস্টারের অফিসে রিসিউম করেন এবং "মিনিস্ট্রী অব ট্যালেন্ট" নামে তার মন্ত্রীসভা গঠন করেন।
তাই মোহাম্মদ আলী বোগড়া চাইতেন শেরেবাংলা এবং সোহরাওয়ার্দীর ভেতরকার বিরোধ চলতে থাকুক এবং যুক্তফ্রন্ট কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় আসতে না পারুক।
তবে শেষ রক্ষা হয়নি। গোলাম মোহাম্মদের পরবর্তী গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা মোহাম্মদ আলী বোগড়াকে ১৯৫৫ তে প্রধানমন্ত্রীত্ব চ্যুত করেন এবং পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানী রাষ্ট্রদূত করে পাঠান।

যাইহোক শেরেবাংলা- সোহরাওয়ার্দীর বিরোধের মারপ্যাচ সত্ত্বেও
শেষপর্যন্ত শেরেবাংলা মনোনীত আবু হাসান সরকার কে মুখ্যমন্ত্রীত্ব দেয়া হয়। প্রাদেশিক পরিষদের হিন্দু সদস্যরা গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেন আবু হাসান সরকার মন্ত্রীসভা গঠনে।
প্রাদেশিক পরিষদের সংখ্যালঘু ব্লকের ৭২ জন সদস্যের (পাকিস্তান ন্যাশনাল কংগ্রেসের ছিলো ২৪ টি আসন) সমর্থন ছাড়া আবু হাসান মন্ত্রীসভা গঠিত হতে পারতোনা কিছুতেই।

পাকিস্তান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্বে অমুসলিম ব্লকের শেরেবাংলাকে সমর্থন প্রাসংগিকতায় ২টি কথা জানিয়ে রাখা দরকার ১৯৩৫ এ শেরেবাংলা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রসের সমর্থনে কলকাতার মেয়র নির্বাচিত হন এবং দেশবিভাগের পর জিন্নাহ শেরেবাংলাকে মুসলিম লীগ থেকে বহিষ্কার করেন।

যাইহোক আবু হাসান সরকারের সেই মন্ত্রীসভায় ৩ জন ছিলো অমুসলিম ব্লক থেকে।
মন্ত্রীসভাটি ছিলো নিম্নরূপ:
১.আবু হোসেন সরকার - মুখ্যমন্ত্রী
২.সৈয়দ আজিজুল হক
৩.আশরাফউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
৪.সৈয়দ মোস্তাগাউসুল হক
৫.গিয়াস উদ্দীন আহমেদ চৌধুরী
৬.গিয়াসউদ্দিন আহমেদ
৭.হাজী মোঃ নবী চৌধুরী
৮.আহমেদ হোসেন
৯.প্রভাস চন্দ্র লাহিড়ী
১০.মধুসূদন সরকার
১১.মনোরন্জ্ঞন শিকদার

হিন্দুরা সোহরাওয়ার্দী কে সমর্থন না দেয়ার একটা কারন তারা এএমএল নেতাদের কে (বিশেষ করে সোহরাওয়ার্দী) ১৯৪৬'র কলকাতা দাঙ্গার হোতা মনে করতো।
এই কুখ্যাত দাঙ্গায় ভয়াবহ ধরনের হত্যাযজ্ঞ চলে কলকাতার হিন্দুদের উপর।

কলকাতার সেই ভয়াবহ দাঙ্গার সময় অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সোহরাওয়ার্দী যদিও দাঙ্গা দমনের জন্য তিনি পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ঘাম ঝরানো থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত শিয়ালদহ রেস্ট ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনী ডেকে আনা সব চেষ্টাই করেন।

কলকাতা দাঙ্গা বিষয়ে উইকিপিডিয়া

উপরন্তু শেরেবাংলা হিন্দুদেরকে কে আশ্বস্ত করেন সেক্যুলার ডেমোক্রেটিক সংবিধানের ব্যাপারে এবং জয়েন্ট ইলেক্টোরেটের জন্য।

আর এগুলোই ছিলো সেইসব নেপথ্যের ঘটনা যার ভেতর দিয়ে সুপেরিওরিটি অব পলিটিক্যাল ডমিনেন্সের স্ট্র্যাটেজী থেকে আওয়ামী মুসলিম লীগ নেতারা (ভাসানী, সোহরাওয়ার্দী) বুঝতে পারেন হিন্দুদের সমর্থন (প্রাদেশিক পরিষদের অমুসলিম ব্লক এবং জয়েন্ট ইলেক্টোরেট) ছাড়া এএমএল কেএসপিকে লড়তে পারবেনা।

অসাম্প্রদায়িকতার রোমান্টিক বুলি আওড়ানোর আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই প্রভাবক ঘটনাগুলোই আওয়ামী মুসলিম লীগের নামপরিবর্তনের আসল সমীকরন।

নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এবং ১৯৫৪ 'র নির্বাচন: আফটার ম্যাথ / এর পর কি ঘটলো ? :

কেবল নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্য কখনোই পুরোপুরি ফলপ্রসু হবেনা যতক্ষননা জয়েন্ট ইলেক্টোরেট চালু হচ্ছে।
কারন জয়েন্ট ইলেক্টোরেট ছাড়া আওয়ামী লীগ কেবলই মুসলিম আসন গুলোতে নির্বাচনী প্রতিদন্দ্বীতা করতে পারবে যেটা হয়েছিলো ১৯৫৪ এর ৮ই মার্চের নির্বাচনে।
জয়েন্ট ইলেক্টোরেট ছাড়া নির্বাচনে মুসলিম ভোট মুসলিম আসনের জন্য এবং অমুসলিম ভোট অমুসলিম আসনের জন্য।

নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ প্রাথমিকভাবে যে সুবিধাটি পেতে চেয়েছিলো সেটি হলো অমুসলিম ব্লকের অ্যাসেম্বলী মেম্বারদের সাথে অলিখিত মিত্রতা তৈরী করা(Giving a signal of amity to bag their support) যাতে করে যুক্তফ্রন্টের লাগাম তাদের হাতেই থাকে।

নাম পরিবর্তনের সত্যিকার ক্যাপিটালাইজেশন হিসেবে হিন্দু ভোট নিজেদের ব্যালটে পাওয়ার একটাই রাস্তা।
সেটা হলো জয়েন্ট ইলেক্টোরেট সাংবিধানিক ভাবে চালু করা।

প্রাদেশিক পরিষদের হিন্দু সদস্যরাও জয়েন্ট ইলেক্টোরেটের দাবীতে একাট্টা ছিলেন। তাদের সমর্থন পাওয়াও আরেকটি প্রত্যক্ষ কারন যেজন্য আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের নতুন সংবিধানে জোরালোভাবে জয়েন্ট ইলেক্টোরেট দাবী করে।

হিন্দু সদস্যরা এটা জোরালো ভাবে চাইতেন কারন এতে নির্বাচনের মুসলিম প্রার্থীরা সংখ্যালঘিষ্ঠ হিন্দুদের ভোটের উপর জোর দিতে বাধ্য হতেন,প্রাদেশিক বা কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় যাওয়াটা অমুসলিম ভোটের উপর নির্ভরশীল হত, ফলশ্রুতিতে তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা আসতো। এর ফলে আওয়ামী লীগ খুব দ্রুত হিন্দুদের সমর্থন লাভে সফল হয়। প্রাদেশিক পরিষদের অমুসলিম ব্লক আবু হাসান সরকারের মন্ত্রিসভার উপর থেকে সমর্থন তুলে নেয় এবং যুক্তফ্রন্ট সরকার ব্যর্থ হয়।

এখানে অনেক বড় ১ টি সত্য যেটি আওয়ামী লীগ ধামাচাপা দেয় সেটি হলো - নামপরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ১৯৫৩ 'র ২১-২৩ অক্টোবর রূপমহল সিনেমা হলের দলীয় কাউন্সিলে নিলেও সেটি তখনো কার্যকর হয়নি।শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলীর অমুসলিম ব্লকের সাথে মিত্রতা তৈরী করাই ছিলো সেই সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা। আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে "মুসলিম " শব্দটি পুরোপুরি ভাবে ছেটে ফেলা হয় ১৯৫৫'র অক্টোবরে , নাম পরিবর্তন সিদ্ধান্তের ২ বছর পর , ২৩ মার্চ ১৯৫৬ ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তানের সংবিধান রচিত হওয়ার ৬ মাস পূর্বে।
সূত্রঃ বাংলাদেশে হিন্দুদের দুর্দশার কাহিনী , রবীন্দ্রনাথ ত্রিবেদী।
আমি যেটা ধারনা করি এমনটা করার উদ্দেশ্য ছিলো পরিস্থিতি যাচাই করা, শেরেবাংলার প্রতি হিন্দুদের যে আস্থা সেটা কখন দুর্বল হবে সেটা লক্ষ্য করা এবং ঝোপ বুঝে কোপ মারা।
এরপরপরই আওয়ামী লীগ হিন্দু প্রভাবিত পাকিস্তান ন্যাশনাল কংগ্রেস এর সাথে ৫ দফা চুক্তিতে উপনীত হয়। শেখ মুজিব কংগ্রেস- আওয়ামী লীগের এই ঐক্যকে বলতেন "পন্চ্ঞশীল ঐক্য"।এই চুক্তির উল্লেখযোগ্য ২ টি হলোঃ

১. আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সরকারে যেতে পারলে সংবিধানে জয়েন্ট ইলেক্টোরেট অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোর চেষ্টা চালাবে।

২. সরকারী চাকুরীতে হিন্দুদের জন্য ২৩% কোটা সংরক্ষন করা হবে।

প্রাসঙ্গিক ভাবে বলতে হয় জয়েন্ট ইলেক্টোরেটের রাজনৈতিক চাহিদা থেকেই আওয়ামী লীগ "বাঙালী " জাতীয়তাবাদ অ্যাডপ্ট করে , নৃতাত্ত্বিক বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে নয়।

জয়েন্ট ইলেক্টোরেটের জন্য আওয়ামী লীগ জিন্নাহর ১৯৪৭ এর ১৪ আগষ্ট (১১ই আগষ্ট) প্রথম কনস্টিটিউয়েন্ট অব পাকিস্তানে দেয়া বক্তব্য উদ্ধৃত করে লীফলেট , পত্রিকা , প্রোপাগান্ডা সবভাবে চেষ্টা চালাতে থাকে।

জিন্নাহর যেই বক্তব্যটিকে আওয়ামী লীগ তাদের জয়েন্ট ইলেক্টোরেট প্রচারনায় ব্যবহার করে সেটি ছিলোঃ
" আজ থেকে হিন্দু আর হিন্দু নন , মুসলিম আর মুসলিম নন , কোন ধর্মীয় অর্থে নয় , রাজনৈতিক অর্থে সকলেই এই রাষ্ট্রের (পাকিস্তানের) নাগরিক । "
জিন্নাহর এই বিখ্যাত উক্তির পর মহাত্না গান্ধি ঘোষনা দেন: তিনি পাকিস্তানে বসবাস করবেন এবং পাকিস্তানে প্রবেশের জন্য কোন ভিসা চাইবেননা।

যাইহোক পাকিস্তান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্বে অ্যাসেম্বলীর অমুসলিম ব্লক সমর্থন প্রত্যাহার করলে ১৯৫৬ এর ৬ ই সেপ্টেম্বর আবু হাসান সরকার মন্ত্রীসভার পতন ঘটে , আওয়ামী লীগ- কংগ্রেস জোট ক্ষমতায় আসে হিন্দু পারিষদ দের সমর্থন নিয়ে এবং আতাউর রহমান খান হন মুখ্যমন্ত্রী।
শেখ মুজিব হন শিল্প , বানিজ্য এবং শ্রম - এই ৩ পোর্টফোলিওর মন্ত্রী।
ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
আতাউর রহমান খান প্রথমেই যে কাজটি করেন সেটি ছিলো জয়েন্ট ইলেক্টোরেটের ব্যাপারে একটি রেসোলিউশন পাস করেন ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলী এবং প্রভিন্সিয়াল অ্যাসেম্বলীর নির্বাচনের জন্য।

অন্যদিকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ এর ১২ই সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় আসেন। ১০ই অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলীর প্রথম অধিবেশনেই সোহরাওয়ার্দী জয়েন্ট ইলেক্টোরেট বিল উত্থাপন করেন। সোহরাওয়ার্দী ১৫ ই অক্টোবর চীন সফরের আগেই বিলটি পাস হয়।

আর এভাবেই নাম পরিবর্তন এবং হিন্দুদের রাজনৈতিক দাবীর পক্ষে প্রচেষ্টা চালিয়ে হিন্দু ভোটারদের কে নিজেদের দিকে টেনে নেয় আওয়ামী লীগ এবং পূর্ব পাকিস্তানের সব সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ লাভ করে।

শেষ মন্তব্য হিসেবে কথাটি না বললেই নয়ঃ বাঙালীত্ব এবং বাংলাদেশীত্ব নিয়ে আমার নিজেরও একটি পোস্ট আছে।
বাঙালিত্ব বনাম বাংলাদেশীত্ব

কিন্তু আওয়ামী লীগ ঠিক যেভাবে বাঙালী জাতীয়তাকে অ্যাডপ্ট করেছিলো সেটি ছিলো জয়েন্ট ইলেক্টোরেটের উদ্দেশ্যে একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

শেখ মুজিব কে আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পরিবর্তনের নায়ক বলা এবং জয়েন্ট ইলেক্টোরেটের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বাঙালী জাতীয়তাবাদ গ্রহন করার কথা আওয়ামী লীগের ওয়েব সাইটেই উল্লেখ করা আছে:

আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পরিবর্তন বিষয়ে আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটের বক্তব্য , পৃষ্ঠা ৩ এবং ৪

মূলসূত্রঃ একটি সংকলিত প্রবন্ধ অবলম্বনে যার রেফারেন্স হিসেবে ছিলো নিম্নোক্ত বইগুলো :

1. Lawrence Ziring, Bangladesh From Mujib to Ershad: An interpretive Study ( Karachi:Oxford University Press, 1992), 16.

2. M. Rafique Afzal, Political Parties in Pakistan (1947-1958) (Islamabad: National Commision on Historical and Cultural Research , 1976) , vol1.87

3. Abdul Wadud Bhuiyan, Emergence of Bangladesh and Role of Awami League (Delhi:Vikas Publishing House, 1982),22.

4. Rounaq Jahan, Pakistan: Failure in National Integration (Dacca: Oxford University Press , 1973),38.

5. Feroz Ahmed, “Alliances and the Break-up of Pakistan” Pakistan Forum 2, no. 7/8 (April to May , 1972): 10

6. W.Godfrey, Pakistan, Economic and Commercial Conditions in Pakistan (London: TomStacy, 1951), 65.

7. Y.V.Gankovsky, L.R.Gordon Polonskaya, A History of Pakistan (1947-1958) (Lahore: People's Publishing House
1964), 149.

8. Muhammad Ghulam Kabir, Minority Politics in Bangladesh (Delhi: Vikas Publishing House , 1980), 2.


9. Keith Callard, Pakistan: A Political Study ( New York: The Macmillan Co., 1957), 265.







 

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১:৩৬
কায়েস মাহমুদ বলেছেন: একটা গানিতিক প্রশ্ন করি,
যদি বলদের মাথায় যে সব সময় গোবর থাকে,

তো ছাগলের মাথায় কি থাকে??
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: ফালতু কথার টাইম নাই। মাইনাস দিলে কারন বলে দেবেন। পাড়ার মোড়ের সেলুনের দোকানের থার্ডক্লাশ ক্যাচাল আমার ব্লগে বরাবরই উপেক্ষিত।

০১ লা মে, ২০১০ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

০১ লা মে, ২০১০ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১:৫৩
ডিটেকটিভ বলেছেন: কিছু তথ্য জানলাম , ধন্যবাদ
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

৬. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:০১
দাসত্ব বলেছেন: একজন ব্লগারের জন্য ছুপা মাইনাস খুবই বিরক্তিকর। আমি নিজে কখনো এই কাজটা করিনা। এখানেও ১টা ছুপা মাইনাস পড়লো ২ টা মাইনাসের ভেতরে। কারন না বলেই মাইনাস দিয়ে চলে গেলো।
পোস্ট ভালো না লাগতেও পারে , তাই বলে খারাপ লাগার কি আছে এই পোস্টে আমার বোধগম্য না।

প্লীগ কেউ ছুপা মাইনাস দেবেনা , মাইনাস দিলে আপনার সাথে আমার শত্রুতা হবেনা , কারন টা বলে যাবেন , আলোচনা হতে পারে, নিশ্চিত থাকুন আমার ব্লগে পক্ষ বিপক্ষ কোন ব্লগারই অসম্মানিত হয়না।
৭. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:০৪
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: তথ্য বহুল পোষ্ট...।


প্রথম কমেন্টকারীকে নাকে মুখে যেই লাথ্থিটা দিলেন ঐটা তার প্রাপ্য, কোন সন্দেহ নাই|

০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: না ব্রাদার আমি কাউরে লান্থি দেই নাই। তবে উনি কারন ছাড়াই মাইনাস দিলেন।

০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , আবার আসবেন :)

৯. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:১০
যোবায়ের বলেছেন: মুসলিম শব্দ ভাল দেখায় না.....
০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: আমিও জানি , ধর্মীয় ট্যাগিং নিয়ে রাজনীতি করা ভুল। রাজনীতিবিদ দেরকে সমাজের সব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করতে হয়। আমি জাস্ট এই ঘটনার যে রোমান্টিক বর্ননা শোনা যায় সেটার বিপক্ষে আসল তথ্যগুলো জানালাম।

১০. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:১১
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: সত্যি নতুন কিছু জানলাম...আশা করি আপনি ম্যানিপুলেশন করেন নি কোনো...জন্মের এতো আগের ইতিহাস জানতে পারাটা আসলেই অনেক মজার...ধন্যবাদ
০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: হুমমমম ... আমিও আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে আওয়ামী লীগ হওয়াটাকে স্বাগত জানাই। তবে কিভাবে কি ঘটেছিলো সেটা জানা জরুরী। কারন আওয়ামী লীগ এটা নিয়ে বাহাদুরীর ঢাকঢোল পেটায়।

১১. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:২৩
নষ্ট ছেলে বলেছেন: তথ্যমূলক পোস্ট অনেক কিছু জানলাম++++
০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , আবার আসবেন :)

০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: প্লাস তো পাই নাই , দিসেনতো আসলে ?

১২. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:২৯
লুথা বলেছেন:
অসাধারণ হইছে এবং আমি এইটা ফেসবুকে শেয়ার করলাম ++
০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , শেয়ার মোবারক =p~

১৩. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ৩:২০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: জটিল ঐতিহাসিক পোস্ট দিছেন! এক কোটি প্লাস পাওয়া উচিত! আলীগের এই ছলচাতুরী সম্ভবত অনেক অমুসলিম ভোটাররাই জানে না, তাই এদের ভোট দিয়েও তাদের নির্যাতিত হতে হয়! আর যেই আলীগ কিনা রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী নিয়া সর্বদাই কপট কিন্তু উচ্চকিত, তারা কিন্তু এখনও এই বাংলার দেশে দলের নামের মধ্যে রাজাকারী চিহ্ন ("আওয়ামী") বহন করেন! আশ্চার্য ব্যপার যে আলীগের সমর্থক বা প্যারাসাইট বামুরা কখনই তাদের রাজাকারী নাম নিয়া প্রশ্ন করে না!!
০১ লা মে, ২০১০ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: হুমমম , ১ টা মাইনাস ক্লীয়ার , ৩টা ছুপা মাইনাস পড়ছে।

১৪. ০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৪:০৩
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: আপাতত বুক মার্ক পড়ে পরুম
০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৪:৩১

লেখক বলেছেন: ওকে

১৫. ০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৪:১৯
কঠিনলজিক বলেছেন: দাসত্ব বলেছেন: একজন ব্লগারের জন্য ছুপা মাইনাস খুবই বিরক্তিকর।
একমত,প্যাচাল পোস্টের বেলায় ঠিক আছে।
তবে এরকম পোস্টের ক্ষেত্রে ঘটনা অন্যরকম ।
তথ্যভিত্তিক পোস্ট বোঝার ক্ষমতা যাদের নাই তারা ছুপা মাইনাস না দিয়েই বা কি করবে বলেন ?
আর যে পোস্ট দিছেন আপনার পোস্টের ওজনই যথেস্ঠ, একবারেড় জন্যেও রেটিং এ চোখ দেবার দরকার নাই ।
আমি পারলে এক সাথে ১০০ প্লাস দিতাম :( , একটাই দিতে পারলাম ।
০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: আমিও সেটাই চিন্তা করলাম , কিছু ঘটনা জানালাম। এটা আওয়ামী লীগের পক্ষে - বিপক্ষে কিছুই যায়না। তারপরও চুপচাপ ৩ টা মাইনাস দিয়ে সরে পড়সে।

১৬. ০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৪:৩৫
জাতি জানতে চায় বলেছেন: এইরকম একটা তথ্যবহুল লেখায় প্লাস-মাইনাস নিয়া চিন্তাই কইরেন না! যে গুলা মাইনাস দিসে তারা নিজেগোরে চোখ থাকিতে অন্ধ হিসেবে দাড় করাইলো! প্লাস-মাইনাস হিসেব কইরা যে এই পোস্ট বুঝতে আসবো, তারে অন্ধই থাকতে দেন!
০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: হুমমমম ভালো বলসেন-এটাই চিন্তা করতেছি। লীগাররা সবসময় বলে এন্টি লীগাররা নাকি ছুপা মাইনাস দেয়। আমি ঠিক করসি যতগুলা ছুপা মাইনাস পড়বো ততখুশী হমু। ছুপা মাইনাস যে ওরাও দেয় তার একটা প্রমান হিসেবে পোস্টটা থাকবে।

১৭. ০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৪:৫১
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: আপনি কি লেখাটা কোন পত্রিকায় ছাপাতে চান?? যদি ইচ্ছে থাকে দয়া করে জানাবেন...
০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: ছাপাতে পারলে খুশীই হবো বরং। আর ফেসবুকেও শেয়ার করতে পারেন। যেভাবেই হোক মানুষ জানতে পারলেই আমি সার্থক।

১৮. ০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৫:৪২
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: ভাইয়া, আমিও বুয়েটিয়ান... আপনার লেখাগুলো সবগুলোই ভালো লাগছে...আমি ফেসবুকে শেয়ার না করলেও অনেকের কাছে মেসেজ করে দিয়ে দিয়েছি এবং তাদের অনেকে প্রশংসা করেছে। শহীদ জিয়া কে নিয়ে আপনার লেখাটি শেয়ার দিব। যাইহোক আতাউস সামাদের 'সাপ্তাহিক এখন' এ আপনার লেখাগুলো ছাপানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে...আপনি কি কাইন্ডলি আমাকে ইমেইল করে দিতে পারেন?? এখানে আমার যে নিক আছে ওটার সাথে জিমেইল দিয়ে পাঠায়ে দিবেন...আপনার মূল লেখায় আপনার নাম র পদবী দিয়েন...ধন্যবাদ...
০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: আমি নাম প্রকাশ করতে চাইনা । ছদ্মনামেই প্রকাশ হোক। আর আমি হয়ত আপনার জুনিয়র হতে পারি। ০২ ব্যাচ-মেকানিক্যাল।

০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: =p~ =p~

২০. ০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৬:১৪
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: অসাধারন...আমি ২০০০ ব্যাচের...আমি জায়গামত দেবার চেষ্টা করছি তোমার ২টা লেখাই...
০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৬:১৯

লেখক বলেছেন: ওকে , আমি মেইল করবো।

২১. ০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৬:৩০
বাকরুদ্ব বলেছেন: ভাল লাগল...কিছু নতুন তথ্য পেলাম....প্রিয়তে রাখলাম....
০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: কি কারনে মাইনাস ভাইজান !?

২৩. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:০৩
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: ফ্যাসিজম যাদের রক্তে মা;শে মজ্জায় তাদের মাইনাস দিতে কোন কারন লাগে না, লেখকের নাম দেখেই মাইনাস| আপনি ব্লগে মনে হয় নতুন, কিছুদিন যাক, ওরা যখন বুজবে আপনি লীগের সাপোর্টার না, আর যায় কই......., আপনি তখন যদি লিখেন সূর্য্য পশ্চিমে অস্ত যায়, তাতেও মাইনাস খাইবেন.............
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা ভালো বলসেন ভাই ,
সূর্য পশ্চিম দিকে অস্ত গেলেও মাইনাস- কারন আমি অ্যান্টি লীগ।
যাইহোক চোরগুলার গলাবাজী ঠান্ডা করা যাবে এই পোস্ট দিয়ে।

২৪. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:০৬
আরি০০৯ বলেছেন: কত অজানা ছিল.....ধন্যবাদ তথ্যবহুল এই পোস্টের জন্য .....।
আমিও ফেসবুকে শেয়ার করলাম।
ভবিষ্যতেও এমন লেখা আশা করি ।
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমিও এই রকমই নিয়মিত লিখে যাবো ইনশাল্লাহ

২৫. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:০৮
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
ভাল লাগল তাই প্লাস দিলাম।
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৬. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:১১
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: ভাই...শুধু মাইনাসের উপর দিয়ে গেছে এটা তো তোমার জন্যে সুসংবাদ। গত দেড় বছরে দেখনি কিভাবে আওয়ামী বিরুদ্ধমতদের দমন করা হচ্ছে...ভার্চুয়াল মিডিয়া দেখে রক্ষা...যাদের রক্তে বাকশালী তাদের কাছ থেকে এর চেয়ে আর ভালো কি আচরণ কি আশা কর?? এখন বাকশালীর ভার্সন শুধু একটু চেঞ্জ হইছে...
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: তাও ভালো আগে টুটি চেপে ধরতো আবার গলাবাজীও করতো।
এই পোস্টে যা করতেসে পুরাটাই ভেজা বিড়ালের মত ছুপাগিরি।

২৭. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:১২
সজল শর্মা বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক তথ্য জানা গেল।
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ব্রাদার আমি কিন্তু কোন বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষী নই।
১৯০৫ সালে অবহেলিত মুসলিম লীগ গঠনকে যেমন স্বাগত জানাই তেমনি ১৯৫৪ তে পাকিস্তান ন্যাশনাল কংগ্রেসের কোণঠাসা থাকা হিন্দু সম্প্রদায় কে ডিফেন্ড করাটাকেও সমর্থন করি।
আপনার মন্তব্য পেয়ে খুবই খুশী হলাম।

২৮. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:১৫
কমুনা বলেছেন: মাইনাস দিলাম এই জন্য যে আপনি মাইনাস ভয় পান আর সেই ভয়ে নতুন করে আলাদা পোস্ট দেন । :#)
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: মাইনাস ভয় পাইনা , মাইনাস দিয়ে যারা কারন বলে যায়না তারাই নিঃসন্দেহে সত্যিকে ভয় পাই। আমার বিপক্ষে কোন সত্যি প্রমান করেন , মাইনাস তো দিবোইনা ,হয়ত আলোচনা শেষে মীমাংসায় পৌছাবো।

২৯. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:১৯
জর্জিস বলেছেন: একটা বলদ আইসা প্রথমেই কমেন্ট কইরা পোষ্টটায় কালিমা লাগাইছে.....এইসব ছুপা মাইনাসদানকারীদের নিয়ে ভাববেন না...লিখে যান
++++ দিলাম। প্রিয়তে নিলাম
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: ঐ কমেন্টার আসলে বুঝেই নাই কি বলে মাইনাস দিবে ?!
যা ইচ্ছা হইছে সেটা বলেই চলে গেছে। পরে আর চেক ব্যাকও করে নাই কমেন্টের কি জবাব দিলাম।

০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: :`>

৩৩. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ১২:২৫
এস এইচ খান বলেছেন:

অসাধারণ তথ্যবহুল পোষ্ট। কিন্ত দু:খজনক হলেও সত্য হচ্ছে, আপনার এ পোষ্ট যদি আউয়ামীদের কিছু সত্য জানাবেন, এ আগ্রহ থেকে লিখে থাকেন, তবে আমি আপনাকে তামার পাতে লিখে দিতে পারি, আপনার শ্রম নিছকই পন্ড শ্রম। পোষ্টে +++++++++
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: নাহ , আওয়ামী- বিএনপি-জামাত-জাতীয় পার্টি এসব ভাগাভাগি করে লিখি নাই। সবার জন্যই লেখা।

৩৪. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ১:১৯
ডিটেকটিভ বলেছেন: ছুপা মাইনাসের কেয়ার কইরেননা। পোস্টটা জাদরেল আওয়ামীও ইগনোর করতে পারবেনা। ছুপা মাইনাস না দিয়া ওদের উপায়ও নাই।
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: হুমমমমমম

৩৫. ০২ রা মে, ২০১০ সকাল ৮:২৭
অলস ছেলে বলেছেন: আম পাবলিক হিসাবে আমি জানি তিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দুলন এবং তার আগে ব্রিটিশবিরোধী আন্দুলনে সংগঠকের ভুমিকায় ছিলেন।
০২ রা মে, ২০১০ সকাল ৮:২৮

লেখক বলেছেন: হুমমম সেটাই সত্যি, ইতিহাসে রং চড়িয়ে কখনো লাভ হয়না।

৩৬. ০২ রা মে, ২০১০ সকাল ৯:২৮
নাজনীন১ বলেছেন: আর্টিকেল ৯২ তে কি ছিল?

"শেরেবাংলা কে অভিযুক্ত করা হয় "পাকিস্তান বিভক্তির ষড়যন্ত্রকারী বিশ্বাসঘাতক " হিসেবে ।"

--- যতদূর জানি শেরেবাংলা ভারত ভাগ বিশেষ করে বাংলার ভাগ মোটেও পছন্দ করেননি, এমনকি রাগ করে কোলকাতাতেই থেকে গিয়েছিলেন দেশভাগের পর। পরে সোহরাওয়ার্দীসহ আরো কেউ কেউ উনাকে বুঝিয়ে নিয়ে আসেন। এজন্য কি পশ্চিম পাকিস্তানীরা কি উনাকে বিশ্বাস করতো না?

ভাসানী কর্তৃক "আওয়ামী মুসলিম লীগ"-এর নাম "আওয়ামী লীগ" করার কথা উইকিতেও আছে।

পরে উনি আওয়ামী লীগ থেকে বের হয়ে ন্যাপ করার কারণে আর ৭২ থেকে মুজিব বিরোধীতা করার কারণেই মনে হয় বর্তমান লীগারদের আর ভাল লাগে না। কিন্তু ১৯৬৯ সালে গণুভ্যুত্থানের মাধ্যমে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কারণে জেলে থাকা শেখ মুজিবকে মুক্ত করার পিছনে উনার অবদানই মুখ্য, এটা আওয়ামী লীগারদের ভোলা ঠিক না।

উনাকে চীনাপন্থী বামসমর্থক ধারণা করা হয়, কিন্তু এ ব্যাপারে তেমন কিছু জানা হয়নি। আসলেই কি তিনি মাওবাদী বা চীনাপন্থী বাম ছিলেন নাকি সত্যিকার অর্থে গরীব জনগোষ্ঠীর পক্ষে কথা বলতেন দেখে রাসূল(সাঃ)-এর সুন্নাহ্‌ ফলোকারী ইসলামী সাম্যবাদী না ভেবে বাম ভাবা হয়েছে?


সংকলিত প্রবন্ধটি কার লেখা? প্রবন্ধের হেডিং কি? সেটার কোন অনলাইন লিঙ্ক আছে কি?
০২ রা মে, ২০১০ সকাল ১০:১৫

লেখক বলেছেন: ঐ আর্টিকেল ৯২ এ ছিলো পাকিস্তানের প্রভিশনাল কনস্টিটিউশনের ১টি ধারা। খোজাখুজি করেও পাইনি সেটা। ইচ্ছা ছিলো পোস্টে বিস্তারিত দেবো। তবে কিছুটা আচ পেয়েছি এই রকম "কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি প্রাদেশিক সরকারের আনুগত্য " বিষয়ক একটি আর্টিকেল ছিলো সেটি। ফাজলামী ছাড়া কিছুইনা। পাকিস্তানীরা বাঙালীদের উপর ছড়ি ঘোরানোর জন্য কত কিছুই করসিলো তখন।

শেরেবাংলা , সোহরাওয়ার্দী , খাজা নাজিমুদ্দীন এরা সবাই ব্রিটিশ রাজের অধীনে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাদের পেশাগত এবং শিক্ষাজীবনেও কলকাতা একটা বড় অংশ ।
সুতরাং কিছুটা টান থাকবেই।
তবে ভুলে যাবেননা লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন কিন্তু শেরে বাংলা!
আসলে জিন্নাহ্ ও অসাম্প্রদায়িক ছিলেন। কিন্তু মুসলিমরা বিগত ২০০ বছরে অনেক ঠকেছে। তাই পাকিস্তান আন্দোলন জোরালো হয়ে ওঠে আর রাজনীতি মানে জনগনের ইচ্ছার কাছে নত হতে হবে।

ভাসানীকে নিয়ে শেষ কথা বলা খুব মুশকিল।
শুধু এতটুকু বলতে পারি উনি ছিলেন ইসলামিক সাম্যবাদী।
রাশেদ খান মেননের মুখেই শুনেছিলাম যে ভাসানী তাদেরকে আবু জর গিফারী (রাঃ) এর মত ধনী বিদ্বেষী গরীবিহালতের সাহাবীর কথা বলতেন।

উনাকে আন্তর্জাতিক মহল যেভাবে বলে সেটাই বোধহয় ঠিকঃ
রেড মাওলানা।
সমাজতন্ত্রী , তবে সেই সমাজতন্ত্রের সমাধান তিনি ইসলামের ভেতরেই পেতেন।
উনাকে আমি পিকিং- মস্কো কোন পন্থীই মনে করিনা।

সংকলিত প্রবন্ধটির অনলাইন লিংক দেখি বের করতে পারি কিনা।
কোন এক সাইটে পেয়েছিলাম। এখন মনে নেই । তবে পিডিএফটা আমার কাছে আছে । আপনি চাইলে মেইল করে দিতে পারি।

এটি আসলে অসংখ্য সোর্স অ্যান্ড রেফারেন্স ব্যবহার করে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত অনেক ঘটনা বর্ননা করে গেছে। অনেকগুলো চ্যাপ্টার আছে সেটাতে। সংকলন মানে পাচমিশালী।
লেখক বলতে কিছু নাই সেখানে। পরিষ্কার ভাবে বলে দেয়া হয়েছে কোন চ্যাপ্টারের রেফারেন্স কি কি ।

৩৭. ০২ রা মে, ২০১০ সকাল ১০:৪৩
নাজনীন১ বলেছেন:

ফাইলটা পাঠালে কৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদ।
০২ রা মে, ২০১০ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: শেরেবাংলা কে কিভাবে স্যাক করা হলো সেটার একটা এডিশন দিয়েছি। পড়ে দেখতে পারেন। আর মেইলটা পেলেন কিনা জানাবেন।

০২ রা মে, ২০১০ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: হুমমম , লিংকের জন্য ধন্যবাদ

০২ রা মে, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: ব্রাদার খুররম খান পন্নী কি করটিয়ার জমিদারদের কেউ ? শামসুল হকের বিষয়টা নিয়ে আপনার সাথে কিছু আলোচনা হবে। আমি এখানে শুধু বলতে চেয়েছি আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পরিবর্তনে অসাম্প্রদায়িক রেনেসার কিছু ঘটেনাই। পুরাটাই ছিলো রাজনীতির ব্যালেন্সিং। এখানে কি দ্বিমত করবেন ?
সোহরাওয়ার্দীও জিন্নাহ মুসলিম লীগ নামে আরেকটা ফ্রন্টে যোগ দিয়েছিলেন।
শামসুল হককে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে বাদ দেয়ার বিষয়টা নিয়ে কিছু কথা হবে। আমার কাছে থাকা ঐ ডকটা আরো আতি পাতি করে পড়তে হবে।
আওয়ামী লীগতো ভাসানিকেই ইজ্জত দেয়না , শামসুল হক তো দুরের কথা। আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট দেখসেন।
ভাষা আন্দোলনের মত আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পাল্টানোতেও শেখ মুজিবই নায়ক!

০৩ রা মে, ২০১০ সকাল ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: ওকে ব্রাদার , পাঠাচ্ছি

০৩ রা মে, ২০১০ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: আচ্ছা , আপনি আমার মেইল অ্যাড্রেস কোথায় পেলেন ? তাজ্জব!! আয়হায় !! আমারেতো হাসিনার লোকজন ধরতে পারলে পিটায়া ভর্তা বানাইবো। যাইহোক জিনিস পাঠাইসি। চেক করেন

৪০. ০৩ রা মে, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
স্বপ্নরাজ বলেছেন: দারুন পোস্ট। প্রিয়তে। কিছু পাচাটা সারমেয়দের সত্য সহ্য হয়না।
০৩ রা মে, ২০১০ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: হাহাহা... আওয়ামীরা মিথ্যা ইতিহাস বলে সেটা আমি বলবোনা।
তবে তারা বলার সময় প্রচুর কাটছাট করে , স্কিপ করে, ফাকফোকর রাখে। ঐ ফাকফোকর গুলো ভরাট করার চেষ্টা করছি নিজের স্বল্প তবে বিতর্ক হীন জ্ঞান দিয়ে। মুজিব হত্যা আর জিয়ার উপরে আমার ১টা পোস্ট আছে। সেটা পড়েছেন ? পড়ে দেখতে পারেন।

৪১. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ১১:৪৯
বালক বন্ধু বলেছেন: ২৯ তম + টা আমার।
তবে জানেনকি আমরা অনেক ভুলমনা জাতি। শুধু তাইনা। নিজেকে বড় মনে করার একটা বদ অভ্যাস আমাদের জন্মগত। তাই এত কিছু বলেও লাভ হয়না।
নয় বলদে তাই - দিয়া গেছে। হায়রে অবস্থা।

আপনার লিখাকে স্বাগত জানাচ্ছি। আর ভবিষ্যতে এমন খুরধর লেখা আশা করছি।
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি এভাবেই সবসময় লিখে যেতে চাই। সংগে থাকবেন।

৪২. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ১১:৫১
হোসেন মনসুর বলেছেন: ভারো লাগল। ধন্যবাদ এমন একটি তত্যবহুল পোষ্ট দেওয়ার জন্য।
০৩ রা মে, ২০১০ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৪৩. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ১১:৫৩
ডিটেকটিভ বলেছেন: এডিশন দিলেন দেইখা আবার আইলাম। নাহ কালেকশনে না নিয়া পারলাম না। অলরেডী আপনার একটা পোস্ট কালেকশনে আছে। এত তাড়াতাড়ী শোকেস ভরানির ইচ্ছা নাই। তয় নিমু নিমুনা করতে করতে না নিয়া পারলাম না। লগে ঝাজা দিয়া গেলাম!!







০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: টেংকু

০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: কি কইতে চাইলেন ? :-&

০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: :-B :-B :#) =p~

০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: পানি ! পানি! পানি ! আগুন ! আগুন ! আগুন !

০৫ ই মে, ২০১০ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৮. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১:১৫
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: পেছনের কাহীনি সামনে আনার জন্য ধন্যবাদ।

প্রিয়তে....
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৯. ০৮ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪৫
হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেন: দরকারী পোস্ট। প্রিয়তে রাখলাম।
তবে আপনাকে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার কাছ থেকে এমন আরো পোস্ট আশা করছি। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা মিথ এদেশে প্রচলিত। সেগুলো সম্পর্কে নিরপেক্ষ ও তথ্যপূর্ণ পোস্ট দরকার।

আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ , আমার জানার পুরোটুকুই আপনাদের জানাবো- সংগে থাকবেন।

৫০. ০৯ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:০৮
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ব্যাপারটা জানার ইচ্ছে ছিলো, না পড়ে প্রিয়তে নিলাম। পরে পড়বো।
০৯ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: ওকে

৫১. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:০৫
পি মুন্সী বলেছেন: আপনি অনেক ধৈর্য ও শ্রম সহকারে অনেক কষ্ট করেছেন; সিরিয়াস হয়ে একটা কথা তুলার চেষ্টা আমরা দেখতে পাই আপনার পোষ্টে। আপনার ধৈর্য ও শ্রমের প্রশংসা করি।
আমার প্রচুর কথা বলবার আছে। এটা মন্তব্যের জায়গা, তাই নিজেকে সামলিয়ে কেবল শিরোনামে বলার চেষ্টা করব।

১. আওয়ামী লীগ কত খারাপ এটা জেনে রাখা হয়ত ভাল কিন্তু এর চেয়ে জরুরী হলো আমরা এখন কী করতে পারি। কী করতে চাই। আমরা এই জানা গুলো কী লক্ষ্যে ব্যবহার করতে চাই। নইলে এসব আলোচনা ব্যবহৃত হবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির পক্ষে অথবা ভাইসভারসা; হতেই থাকবে।
২. আওয়ামী লীগ বা বিএনপির মত রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক গিমিক বাগড়ম্বরা, কথার ফুলঝুড়ির লক্ষ্য হলো, প্রতিপক্ষকে যে কোন উপায়ে ঘায়ল করা, ও থেকে সস্তা ফায়দা, পেটি স্বার্থ হাসিল করা। রাজনৈতিক গিমিক ইতিহাসের অংশ নয়, হতে পারে না। ওয়েব সাইটে লেখায় লিখিত অক্ষরে কিছু দেখলেই তা সত্য হয়ে যায় না, আমাদের চোখ ইন্দ্রিয়কে তা প্রতারিত করতে পারে বড়জোড়; ইতিহাসের অংশ হওয়া অনেক দূরের বিষয়। কাজেই সাধারণ নীতি হলো, ইতিহাসের আলোচনায় রাজনৈতিক গিমিক বিবেচনার বিষয় গণ্য না করা।
৩. আমরা এই আলোচনা কেন করছি মোটা দাগে হলেও এর একটা জবাব আমাদের হাতে থাকা দরকার।
৪. বাঙালী জাতীয়তাবাদের ইতিহাস জ্ঞান শুরু হয় ১৯৫২ থেকে - যেন এর পিছনে কিছু নাই, আমরা সব ভুইফোড়। ১৯৫২ সালের পিছনের দিন গুলোতে আমাদের কোন লড়াই সংগ্রাম ইতিহাস নাই; ইতিহাস ঘটা বন্ধ ছিল, বুড়িগঙ্গাসহ আমাদের নদীগুলোর প্রবাহ বন্ধ ছিল।
৪. আমি মনে করি নতুন রাজনীতি, নতুন রাষ্ট্র কায়েম করতে গেলে কমপক্ষে অন্তত - কংগ্রেস, মুসলীম লীগের জন্ম, পাকিস্তান আন্দোলন, ৪৭ এর ভাগাভাগি, পাকিস্তান রাষ্ট্র ভেঙ্গে বাংলাদেশ ইত্যাদির একটা নিরাবেগ মুল্যায়ন, ইতিহাসের নতুন দৃষ্টিভঙ্গী বয়ান জরুরী।
৫. যে কোন রাষ্ট্র গঠন (constitute) আকাঙ্খার মূল বিষয় প্রতিনিধিত্ত্ব; জনগোষ্ঠির সব অংশের প্রতিনিধিত্ত্ব নিশ্চিত করা। উপরে যেসব প্রসঙ্গ তুলেছি এর সারকথাটা হলো, দু'দুবার রাষ্ট্র গঠন করা গেলেও রাষ্ট্রে জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন অংশের প্রতিনিধিত্ত্ব কখনই নিশ্চিত হয়নি, স্বার্থ প্রতিফলিত হয়নি। কেন হয়নি কী করে একটা নতুন, কেমন রাষ্ট্রে তা সম্ভব, এ কাজের সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলা আমাদের একটা লক্ষ্য হতে পারে।
১১ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ১. এবং ২. সহমত।
৩. এই আলোচনাটা আমি এজন্য করছি যে বাংলাদেশের অমুসলিম সম্প্রদায় মোটা দাগে এদেশের গনতন্ত্রের অর্ধাংগ ১টি দলকে নিজেদের শত্রু মনে করে এবং বাকী অর্ধাংগ দলকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে এটা দেশের জন্য ঠিক নয়।
ভুল গুলো ভাংগুক , রাজনৈতিক চেতনা পাতিত হোক - এটাই কামনা।
৪. নৃতাত্ত্বিক এবং ভৌগোলিক - ২ ভাবেই একজন মানুষকে স্বাতন্ত্র ধরে রাখতে হয়।
১৯৫৮ তে আইয়ুব খানের ইস্ট বেংগল নাম পাল্টে ইস্ট পাকিস্তান রাখাটা যে বেশ কিছু রাজনৈতিক প্রতিঘাত থেকে এসেছে সেটা আওয়ামী লীগ অস্বীকার করে।
তারা যেভাবে এটার রোমান্টিক ব্যাখ্যা দিতে চায় এটা মিথ্যাচার।
ভাষার দাবী এবং শেরেবাংলার কলকাতার পূর্ববাংলা ছেড়ে যাওয়া হিন্দু দের প্রতি উদারতাই ইস্ট বেংগল নামটির জন্য কাল হয়ে দাড়ায়- এটাই সত্যি।

৫. সহমত , সবকিছুরই নিরাবেগ মুল্যায়ন দরকার। ১৯৫০ পরবর্তী মুসলিম লীগ আমাদের জন্য ভারতুল্য ছিলো। কিন্তু এটাতো সত্যি মুসলিম লীগের পাইনিয়াররাই আমাদের কে ভারতীয় মুরুব্বীর হাত থেকে রক্ষা করে স্বাধীন ভূখন্ড এনে দিয়েছে,
ঢাকা ইউনিভার্সিটিতো তারাই আমাদের উপহার দিয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ঢাকা ইউনিভার্সিটির বিরোধীতা করেছিলো - এই অপ্রিয় সত্য কি গোলাম আযমের ৭১ পরবর্তী বাংলাদেশ বিরোধীতার চেয়ে কম গুরুত্ব বিচারে ?
রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্মে মুসলিমরা সবসময় নিম্নশ্রেনী- এটাকি ঢেকে রাখা যাবে ?
শরৎচন্দ্রের মত সত্যিকার উদার অসাম্প্রদায়িক মানুষকে আমাদের সাহিত্যে কতটুকু মুল্যায়ন করা হয় ?
জাতীয় পাঠ্যক্রমে রবীন্দ্রনাথের কয়টা কবিতা - গল্প অন্তর্ভূক্ত আর শরতের কয়টা ? ঐ ১ মহেশ আর গফুর !
ইতিহাস কে কখনোই নিরাবেগভাবে মুল্যায়ন করা হয়নি , তাহলে যে অনেক রথী-মহারথী ফেঁসে যাবেন!
মুসলিম লীগকে মোটাদাগে সাম্প্রদায়িক বলা হয়। ৫০ এর পর ঠিক আছে , এরা সামন্তবাদের তাবেদার দলে পরিনত হয়েছিলো।
কিন্তু ১৯০৫ এ মুসলিম লীগ গঠনতো বিনা বাতাসে গাছ নড়া ছিলোনা!
কলকাতার বাবুরা পূর্ববাংলার সাধারন মুসলিম কৃষকদেরকে অশিক্ষিত রেখে দেয়ার , তাদেরকে সংখ্যালঘু বানিয়ে ছড়ি ঘোরানোর তীব্র সাম্প্রদায়িক দ্বেষ থেকে বংগভংগের বিরোধীতা করেছিলো সেগুলো কি ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে ?
৬. আওয়ামী মুসলিম লীগের আওয়ামী লীগ হওয়াটাকে আমি স্বাগত জানাই। তেমনি ভাবে অনেকে জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশী শব্দটাতে মুসলিম গন্ধ খুঁজে পায় - সেই ভুল ভেংগে যাক সেটাও চাই। উদারবিশ্বাস শুধু সংখ্যাগুরুর দিক থেকেই আসবে এটা ভুল , সংখ্যালঘুদের কেও বিশ্বাস করতে হবে সব রাজনৈতিক দলকে , ধীরেধীরেই আস্থা আর অসাম্প্রদায়িকতার সিরিনিটি তৈরী হবে।
আপনার মন্তব্য আমার কাছে সবসময়ই মুল্যবান।আপনাকে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

৫২. ১২ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:১১
পি মুন্সী বলেছেন:
"বাংলাদেশের অমুসলিম সম্প্রদায় মোটা দাগে এদেশের গনতন্ত্রের অর্ধাংগ ১টি দলকে নিজেদের শত্রু মনে করে এবং বাকী অর্ধাংগ দলকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে এটা দেশের জন্য ঠিক নয়।

আপনার লেখার আগ্রহের কারণ, তার মানে হলো, বিএনপির কনষ্টিটুয়েন্সী বাড়ানো, অমুসলিমদের পর্যন্ত বিস্তৃত করা।
এটা ভাবা ভুল হবে যে অমুসলিম বা সংখ্যালঘুরা বিএনপি তাদের প্রতিনিধি হতে পারে এটা ভাবতে না পারার দায় তাদের। বিএনপি প্রমাণ করতে পারেনি যে বিএনপি তাদের প্রতিনিধিত্ত্ব করতে চায়, বরং বিএনপির কাছে এরা খরচের ও শত্রুর খাতায় এটাই প্রতিষ্ঠা হয়ে আছে।

আমি লক্ষ্য করছি, আপনি "এদেশের গনতন্ত্র" দুইটা পার্টির মধ্যে সীমাবদ্ধ ও "অর্ধাঙ্গ" করে দেখতে চান। এই ভাবনাটা ন্যারো, এবং তা ফলবিহীন হয়েই থেকে যাবে সবসময়। আমার ৫ নম্বর পয়েন্টটা আপনার মনোযোগ পায় নাই, দেখা যাচ্ছে।
১২ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: ঠি কন্সটিটিউয়েন্সী বাড়ানো নয়... তবে অবিশ্বাস দীর্ঘদিন থাকা মানে ঘোরতর শত্রুতা... দায়িত্বটা বিএনপির নিঃসন্দেহে...

আসলে ন্যারো না ভেবেও কি উপায়... বাংলাদেশকে নিয়ে অনেকে বলেন"এই দেশযে এখোনো টিকে আছে এটাই ৮ম আশ্চর্য"... তবে ঠিকই বললেন... চিন্তাটা ন্যারো..

৫ নম্বর পয়েন্টা গুরুত্ব পেয়েছে অবশ্যই... আসলে ভোটের % এর হিসাব রাজনীতিকে অন্যরকম পূজিবাদে আটকে ফেলতেসে..
এই পূজির নাম "ভোট"... হিন্দু ভোট ব্যাংক , জামাতী ভোট ব্যাংক .. শব্দগুলো দেখুন... আওয়ামী লীগ কি চায় বিএনপি জামাতকে ছাড়ুক ? আমার মনে হয়না... তাহলে হিন্দু কাস্টমারদেরকে জুজু দেখাবে কিভাবে ? জামাত কে ছাড়লে জামাতের মত নষ্টের সংগে যে আওয়ামী লীগের আন্ডার গ্রাউন্ড পরকীয়া হবেনা নিশ্চয়তা কি ? ভোট নামের আরেক পূজি রাজনীতি কে গিলে ফেলসে... কোন সাজেশন নাই.. তাই ৫ নং পয়েন্ট কিসু বলি নাই..।

৫৩. ১৩ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:৫২
বাতাসের ছায়া বলেছেন: কঠিন পোস্ট , হাওয়ামী লীগের মুখে পেরেক মেরে দিলেন হাহাহা
১৩ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: হুমমম

৫৪. ১৩ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৪৯
জর্জিস বলেছেন: অ. ট.

ইতিহাস বিষয়ে আপনার লেখার হাত যথেষ্ট শক্তিশালী...এমন হাত সবার থাকেনা। কিন্তু আমি একটু অবাক হচ্ছি--সামুতে এত দেরীতে আপনার আবির্ভাব কেন??..অনেক আগেই সামুতে আপনার পা (আসলে হাত) দেয়া উচিত ছিল

আর ব্যাচ ০২ মানে কি? ০২ সালে পাশ করেছেন না ভর্তি হয়েছেন?
১৪ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: সামুর খোজ জানতান না... আর এখানে যে আওয়ামীরা নিজেদের মনমতো মানুষকে ইতিহাস শেখায় এটাও জানতাম না... যখন থেকে জানসি তখন তখন থেকে শুরু করসি...
ছিদ্র ছাড়া লিখতে গেলে প্রচুর স্টাডি করতে হয়, তাই সময় লাগে বেশী, স্লো করে দেয়।
০২ তে ভর্তি

৫৫. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৪৭
jakaiulo বলেছেন: শুধু কি তাদের দল থেকেই মুসলিম শব্দ বাদ দিয়েছে,তারা যেখানেই মুসলিম শব্দ পেয়েছে সেখান থেকেই মুসলিম শব্দ বাদ দেয়ার সব সময় চেষ্টা করেছে। ধন্যবাদ।
১৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৪:২৮

লেখক বলেছেন: সেটাও আওয়ামী লীগের জন্য লজ্জাজনক সত্য

৫৬. ১৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৫:০০
অনর্থ বলেছেন: ভাল, খুব ভাল।

ব্লগটা বেশ অনেকদিন হয়ে গেছে, বড় বড় কিছু মাথা ব্লগ ঘুরে গেছেন কিন্তু বিষয়বস্তুর কোন প্রতিবাদ করেন নাই, অন্য সাইটগুলিতেও এই ব্লগ নিয়া কোন ক্যাচাল দেখি নাই।

তাই ধরে নিচ্ছি যে এই ব্লগের সমস্ত তথ্য অথেনটিক। এটা আপনার একটা ভাল কাজ হইসে।

প্লাস।
১৭ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: ক্যাচাল মানে , বড় বড় মাথা মানেই বা কি ?
কাউকে পোছার টাইম নাই.. ইতিহাসতো আর আমি বানাতে পারবোনা... যা যা ঘটসে সেগুলোই জানালাম... তবে ব্লগের অনেক ইতিহাসবিদের মত থার্ড ক্লাশ রেফারেন্স দিয়ে ভুয়া ইতিহাস বিষয়ক পোস্টকেও আমি পুছিনা...
যেটা বলমু ঐ ভাবেই ছিদ্র বন্ধ করে বলমু যাতে শত্রু-মিত্র- নিরপেক্ষ সবার মুখে তালা পড়ে যায়

৫৭. ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১১:২২
দোয়েল_পাখি বলেছেন: ভারো লাগল। ধন্যবাদ এমন একটি তত্যবহুল পোষ্ট দেওয়ার জন্য । অনেক দেরী করে ফেললাম লেখা টা পরতে++++++++++
২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: WC

৫৮. ২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৫
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: প্রচেষ্টা চলতে থাকুক...

যদিও রিভার্সে পড়ছি...৯-৮-৭ :):)

এভাবেই কস্টি পাথরে ইতিহাস নচূড়ান্ত হয়। গোয়েবলসের চামুচরা যদি তা মানত...


২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: প্রচেষ্টা চলবে

৫৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:৪০
রংধনুর সাত রঙ বলেছেন: বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: তথ্য বহুল পোষ্ট...।


প্রথম কমেন্টকারীকে নাকে মুখে যেই লাথ্থিটা দিলেন ঐটা তার প্রাপ্য, কোন সন্দেহ নাই|
০৯ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: ৫০ তম ধন্যবাদ :)

৬১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২৩
ফারুক মোকতাদির বলেছেন: প্লাস+++++++++++
ভাই একটু বলবেন প্রোফাইল এ নামটা কিভাবে বদলানো যায়।খুব ই দরকার হয়ে পরছে।আর আপনার জেনারেল জিয়াকে নিয়ে লেখা টা কোথায় পাবো?

পোস্টটি অসাধারণ হয়েছে।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:২৯

লেখক বলেছেন: আমার প্রিয় পোস্ট তালিকার একেবারে নীচে পাবেন.......

৬২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৪৫
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +++++++++++

দারুণ! আসলেই শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না।

৬৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২৬
এ কে এম ওয়াছিয়ুন হালিম বলেছেন: টপিকটা ভালোই কিন্তু বর্ণনা একটু খাপছাড়া মনে হয়েছে, (বান্দা অল্পশিক্ষিত) তাই ভালো করে বুঝতে পারিনাই :(

তবু তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ... :)

যতটুকু বুঝলাম, প্রিয়তে নেয়ার মত পোস্ট... :)
২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: এটা আমার শুরুর দিকের ব্লগ , তখনো ভালোভাবে হাত পাকেনি ব্লগে...
খাপছাড়া যে একটু হয়েছে সেটা আমিও জানি
ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৭২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
১৯৭৬ প্রেসিডেন্ট জিয়া এ দেশটার জনসংখ্যা বিস্ফোরন নিয়ে যেভাবে ভেবেছেন বাকি এতগুলো বছর ধরে আর কোন স্টুপিড সেভাবে ভাবেনি.......
এখনো...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ