আমার প্রিয় পোস্ট

একটা গাড়ী খুজছি , ব্যাক টু দ্য ফিউচারে যাওয়ার গাড়ীটা খুজছি

নির্বাচন : ২০০১ , ২০০৮ , যুদ্ধাপরাধের বিচার , নির্বাচন : ২০১৪

০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:২১

শেয়ারঃ
0 1 0

সম্প্রতি নিজামী মুজাহিদ এবং সাঈদীর আটকের পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এ বিষয় টিকে ডিনাউন্স করেছেন এবং এগুলোকে রাজনৈতিক খেলা বলেছেন।

এই বিষয় নিয়ে আওয়ামী পন্থী মানুষ বেশ ক্ষিপ্ত , দল নিরপেক্ষরাও কিছুটা অস্বস্তিতে আছেন।

তবে কেন বেগম খালেদা জিয়া হঠাৎ এটা বললেন ?
সেজন্যেই একটু পেছনে তাকানো যাক।

জামাতের সাথে এক টেবিলে বসা এবং জামাতের আইডিয়া (কেয়ারটেকার সরকার) অ্যাডপ্ট করে রাজনীতির মাঠ গরম করার প্রথম উদাহরন টা দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ।
সেটা ৯৬ তে।
মাত্রই ৯৪ এর জাহানারা ইমামের সাড়া জাগানো গণ আদালতের স্মৃতি তখনো তাজা।
প্রধান বিচারপতি হাবিবুর রহমান শেলী দায়িত্বে থাকা কালেই গোলাম আযম তার নাগরিকত্ব ফিরে পায়।

যাইহোক
এরপর ২০০১ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ছিলো ক্ষমতায়।
এই সময়টায় দেশ চালাতে গেলে কিছুটা ভুলভ্রান্তি হবেই ,
তবে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বাজে পারফর্ম করে আইন শৃংখলা এবং ধর্মানুভূতির ইন্ডিকেটরে।
বায়তুল মোকাররম মসজিদে পুলিশ ঢুকিয়ে দেয়া , টুপি দাড়ি মানেই রাজাকার আখ্যায়িত করা , হাসিনার সেই সময়কার এপিএস "ন" আদ্যক্ষরের ডাক্তার , নামটা মনে নেই , পেপারে এসেছিলো - তার হুজুরদের রক্ত বইয়ে দেয়ার হুমকী , মোফাজ্জল মায়ার ছেলে দিপু , আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ছেলে , প্রতিদিন লাশ ,প্রতিদিন ডাকাতি , গেন্ডারিয়ার আওয়ামী নেত্রীর ছেলের লাশ ১০ টুকরো করা এগুলো পেপারে ডেইলী হেড লাইন হয়ে উঠতে থাকে।

সেই সময় থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন টপিক ঢুকে পড়ে : "ইসলামী মূল্যবোধ "।
খুবই সেনসিটিভ।
এতটাই সেনসিটিভ যে ২০০১ অক্টোবর ইলেকশনে হারার পর এখনকার অর্থমন্ত্রী মুহিত ইন্জ্ঞিনিয়ার্স ইন্সটিউটে " ইলেকশন রেসাল্ট রিভিউ " তে সরাসরি হাসিনা কে বলেছিলেন টুপি দাড়ি নিয়ে ব্যংগ করার বিষয়টা মানুষ ভালোভাবে নেয়নি।
আওয়ামী লীগের অনেকেই মুখ লুকিয়ে বিষয়টা মিডিয়ার কাছে স্বীকার করেছিলেন।

বিষয়টা এতটাই হ্যামার করে আওয়ামী লীগকে যে সাবেক ঢাকার মেয়র হানিফ যিনি ৯৬ এর আগে পল্টনে ক্ষমা চাওয়ার মত করে বলেছিলেন সাধারন মানুষের উদ্দেশ্যে :"আমাদেরকে (আওয়ামী লীগ) আরেক বার সুযোগ দিন "।
সেই হানিফ ২০০১- ২০০৬ এর বিএনপির শাসনামলে চ্যানেল আইর ৩য় মাত্রার কোন এক পর্বে বলেছিলেন (আমার নিজের দেখা সেই অনুষ্ঠান) আওয়ামী লীগের নীতিমালা থেকে ধর্ম নিরপেক্ষতা শব্দটা বাদ দিতে।
এমনকি এই ২০০৮ নির্বাচনের আগেও আওয়ামী লীগ খুব সতর্ক ভাবে অসাম্প্রদায়িকতা শব্দটা ব্যবহার করেছে , ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি নয়।

আর ৯৬ এর আগে হাসিনার তসবি , হিজাব এগুলো সিম্পলী লাফিং স্টক।

মূলত টুপি দাড়ির প্রতি আওয়ামী বিদ্বেষ ইসলামীক গ্রাউন্ডের দলগুলোকে এক করে ফেলে , সবাই পলিটিকাল পোল হিসেবে বিএনপিকে সাপোর্ট জানায়।

যাইহোক দিন পেরুতে পেরুতে এখন ২০১০।
যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়েছে বলেই আমি বিশ্বাস করি।
তবে ঠিক যেভাবে বলা হয় যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে দেশের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে আমার সেটা মনে হয়না।
কারন ২০০৮ ভোটের ক্যাম্পিং এ গ্রামান্চ্ঞলে আওয়ামী লীগের মূল ইস্যু ছিলো চালের দাম , তাদের সময় চালের দাম ছিলো ১০ টাকা - এটা মানুষকে মনে করিয়ে দেয়া। (যদিও শাহ এ এম এস কিবরিয়া রিসার্ভ রেখে গিয়েছিলেন মাত্র ১৭২ কোটি ডলার যেটা সাইফুর রহমান রেখে গিয়েছিলেন ৪০০+ কোটি ডলার - এগুলো গ্রামের মানুষ বোঝেনা)।
সেখানে তারা ওয়ার ক্রাইম ইস্যু তোলেন নি।
কারন গ্রামের সাধারন মানুষ এগুলো নিয়ে বোদারড নয়।
তাহলে কাদের জন্য এই ইস্যু।
শহরান্চ্ঞলের ইয়াং জেনারেশন , যাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধ প্যাশন , ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা থাকলেও জামাতকে বিশ্বাস করেনা এমন শ্রেনী।
ঠিক এদের জন্যই ইন্টারনেট বেস ডিজিটাল বাংলাদেশের ঢোল পেটানো হয়েছে ইলেকশনের আগে।
গ্রামের মানুষ এসব বোঝেনা , আসল কথা সব গ্রামেতো এখনো ইলেক্ট্রিসিটিই পৌছে নি।
কারন এদের সংখ্যা ছিলো প্রায় ১.৫ কোটি!
বিশাল ভোট ব্যাংক।
মূলত এরাই যুদ্ধাপরাধের বিচার চায় ,
আওয়ামী লীগ চায় ২০০১ এর ৬৭ সিটের তিক্ত অতীতের সম্ভবনাকে মাটি চাপা দিতে।
জামাতকে শায়েস্তা করতে।

ঠিক এখানেই জামাত-শিবিরের পক্ষ থেকে নুলা মুসা , নুরা মিয়ার মত রাজাকার ইস্যু তুলে আনা হয়।
খোদ হাসিনা , সাজেদা এটা স্বীকার করে ফেলেছেন মিডিয়ার সামনে।

নুলা মুসার জন্য বা নুরা মিয়ার মত ২/১ জনের জন্য যুদ্ধাপরাধের বিচার আটকে থাকতে পারেনা।
বিচার শুরু হয়েছে , শেষও হবে।
তবে সমস্যা হচ্ছে দুটো -
রোগী যদি খারাপ ডাক্তারের কাছে যায় ঐ ডাক্তার ২ টা কাজ করবে-
১. পুরোপুরি সুস্থ্য করবেনা যাতে আবার রোগীকে আসতে হয় ।
২.নিজের কোন অযোগ্যতা বা রোগ থাকলে সেটা ধামাচাপা দেবে।

ঠিক সেটাই আশংকা - আওয়ামী লীগ এখন যুঅবি করবে জামাত এবং বিএনপির গুটিকয়েককে টার্গেটে রেখে।
মূলত বিএনপির দিকে হাসিনা কাদা ছুড়ে মারবে এটা নিশ্চিত।
বিএনপির লাস্ট টার্মের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শাহজাহান মিয়া কে রাজাকার বানিয়ে ফেলা হয়েছিলো জোর করে যদিও তার পরিবার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচুর সাহায্য করেছে !
কোন সন্দেহ নেই প্রচন্ড প্রতিহিংসা পরায়ন , গ্রাম্য টেম্পারামেন্টের হাসিনা বিএনপিকে ফাসানোর চেষ্টা করবে যদিও তার নিজের বেয়াই রাজাকারের ঔরশজাত ছেলে এবং সব মিডিয়াকেও হাসিনা সংগে পাবে।

একমাত্র পথের কাটা "আমার দেশ" আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুলের ৭১ এর গোমর ফাঁস করার পরই সম্ভবত হাসিনা "আমার দেশ" কে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

সম্ভবত প্রচন্ড এনভিয়াস হাসিনার ছোবল দেয়া মানসিকতার কারনেই খালেদা জিয়া হার্ড লাইনে যাচ্ছেন এই ইস্যুতে।

এর আগ পর্যন্ত জেড ফোর্স অধিনায়ক জিয়ার চরিত্রহননের চেষ্টা (যেরকম ১টি সামুতেই হয়েছিলো এবং যেটার প্রাপ্য প্রত্যাঘাতটা আমি নিজেই ফিরিয়ে দিয়েছি ) করে ওয়ার্ম আপ করে নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

এখন পর্যন্ত যুঅবি ইস্যুতে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদকেই কিছুটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছে , বাকিরা অতি উৎসাহী - কথায় বলে ফাকা কলসী বাজে বেশী ।
যেমন কামরুলের বাবার বাড়ী ইসলামী ব্যাংকের লোনে করা , সেই চেচায় ইসলামী ব্যাংক সিজ করার জন্য , অন্যদেরকেও মীর কাসিম টাকা দিয়ে ম্যানেজ করতে পারবে হয়তো।

সবমিলিয়ে - আমি বলবো নিজামী - মুজাহিদদের কে হাল্কা মামলায় আটকানো হয়েছে কারন সরকার সরাসরি যুঅবি ইস্যুতে আটক করতে গেলে পাবলিক রিঅ্যাকশন নিয়ে আশংকায় ছিলো।
মহিউদ্দীন খান আলমগীর ও এরকমটাই বলেছেন সিডনীতে।

তাই অনেকটা অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে অপারেশন করার মত খুব ট্রিকিলি নিজামী - মুজাহিদদের কে আটক করা হয়েছে।
তবে এটা তাদের প্রাপ্য বলেই আমি মনে করি।
এরা এরশাদের মতই বিশ্ব বেহায়া স্রেফ।
এত গালি খেয়েও রাজনীতি থেকে অবসর নেয়না।

যাইহোক -

যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়েছে , শেষ হবে কখন আমি নিশ্চিৎ নই।
তবে আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে বিএনপিকে কাদা ছুড়ে মারতে চাইলে পরের টার্মে অনেক আওয়ামী রাঘব বোয়ালের ৭১ এর গোমর সামনে চলে আসবে এবং বিএনপিও একই ধরনের প্রতিশোধ নেবে।

ইসলামী মুল্যবোধের টপিকটা ২০০১ এ ফ্রেশ ছিলো , ২০০৮ এ কাজে আসেনি।
যুঅবি টপিকটা ২০০৮ এ ফ্রেশ , ২০১৪ তে কাজে আসবেনা।
যুঅবি ইস্যু টা মীমাংসিত হওয়ার পর জামাত নতুনভাবে পথ চলবে।
তখনকার জামাত ভারমুক্ত হবে।
সেসময়কার রাজনীতির ডাইমেনশন বিচার করেই সম্ভবত খালেদা জিয়া এই বক্তব্য দিয়েছেন।
কারন সম্ভবত হাসিনা তখন সম্ভবত ১ ঘরে হয়ে যাবেন।
জাপা থাকার সম্ভাবনা নেই হাসিনার সাথে , এরশাদ দুধের মাছি।
জামাত মাত্র খাওয়া যুঅবি মারের দগদগে ঘা ভুলবেনা।
নির্বাচন ২০১৪ এর ইকুয়েশন আওয়ামী লীগের জন্য খুবই টাফ হবে মেলানোটা।

সবমিলিয়ে আমার ধারনা : যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়ে গেছে আনঅফিসিয়ালী , তবে এটা সুস্থ সবল স্প্রিন্টারের মত ফিনিসিং লাইন টাচ করবে এটা আমার বিশ্বাস হয়না।
হয়তো ল্যাংচাতে ল্যাংচাতেই শেষ হবে।
তবুও যারা ৭১ এর প্রতিশোধ চান , তারা প্রতিশোধ নিন , জমে থাকা আর্তনাদ শেষ হয়ে যাক।
নতুন ভোরের বাংলাদেশে সবাই সজীব নিঃশ্বাস নেবো একসাথে।





 

প্রকাশ করা হয়েছে:   বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩২
ভাবনাবিহীন বলেছেন: জামায়াত একাত্তর প্রসঙ্গে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা গুলো পরিস্কার ভাবে বর্ণনা করলে সবসময় এ সমস্যায় পড়তে হতো না, কিংবা পড়লেও সত্যকে সাথে নিয়ে সমস্যায় পড়াটাই বীরের কাজ। দেশের রাজনৈতিক স্বার্থ চিন্তা করে লুকোচুরি করাতেই সমস্যা জমে জমে পাহাড় হয়েছে। এখন জামায়াত করাটাই যেন অপরাধ!
০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: জামায়াতের কোর নেতারা কিন্তু বেশ ভালো ধরনের "ঘাড়ত্যাড়া"।
এরা ক্ষমা- দুঃখ প্রকাশ কিছুই করতে চায়না।
অন্যায়তো তারা অবশ্যই করেছে।
স্বীকার করে নিলেই তো হয়।

২. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪২
পঙ্খিরাজ বলেছেন: আপনার টপিকের যে জায়গায় আমার দ্বিমত সেটা হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া মানে জামাত শেষ হয়ে যাওয়া। বিএনপি কি সেটা বুঝে না? মনে হচ্ছে বুঝেও বুঝতে চাইছে না। দেড় কোটি তরুন ভোটারের সাথে ২০১৪ সালে আরও কিছু ভোটার যোগ হবে যারা যুদ্ধাপরাধীদের ঘৃনা করে এবং অন্তত বিচারের ক্রেডিট চিন্তা করে আওয়ামী রাজনীতির দিকে ঝুকে যেতে পারে।
আমি ভাবছি ভিন্ন। খালেদা জিয়াকে দিয়ে সম্ভবত বিএনপির যুদ্ধাপরাধী সাকা স্টেটমেন্ট দিয়েছে। বিএনপির যুদ্ধাপরাধীরা খালেদার ঘাড়ে ভর করেছে। বিএনপিতে যারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তাদের স্বভাবতই এখন দুর্দিন চলছে।
০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: সমস্যাটা সেখানেই ... অপারেশনের সার্জিকাল ব্লেড টা এখন হাসিনার হাতে , হাসিনা ফারুক , মাওলানা নুরুল ইসলাম (কাদের সিদ্দীকী ঘোষনা দিয়েছেন উনি নিজেই নুরুলের রাজাকারীর স্বাক্ষী ) , কামরুল এভাবে আরো অনেকে আছে যাদের কোন অপারেশন করবেনা।
সমস্যাটা সেখানেই।
সাকার বিষয়টাই একমাত্র নয় , ফকার ছেলে সাকা = নুরার ছেলে মোশা।
আমার যেটা ধারনা ২০১৪ তে যুঅবি ইস্যু টিকবেনা।
দেশে আর্থসামাজিক অস্থিরতা বাড়তেসে।
মানুষ জীবন যাত্রার মান নিয়ে ব্যস্ত।
নতুন প্রজন্ম ফিউচারিস্টিক।
ডায়নামিক।
এটা ২০১৪ তে টিকবেনা।
আর বিএনপি ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত যেই ভুল গুলো করেছে সেগুলো থেকে সতর্ক হবে কনফার্ম।
অনেক হিন্টস আছে।

৩. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৮
লুৎফুল কাদের বলেছেন: আপনার লেখাটা প্রথম পাতা থেকে সরে গেল কেন.
০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৩

লেখক বলেছেন: পরপর ২টা পোস্ট হয়ে গেছিলো।
২ টাই মডুরা সরায়া দিসিলো।
ফিডব্যাক মেইল করার পর ফরে আসছে এখন

৪. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৪
নষ্ট ছেলে বলেছেন:
"রোগী যদি খারাপ ডাক্তারের কাছে যায় ঐ ডাক্তার ২ টা কাজ করবে- ১. পুরোপুরি সুস্থ্য করবেনা যাতে আবার রোগীকে আসতে হয় । ২.নিজের কোন অযোগ্যতা বা রোগ থাকলে সেটা ধামাচাপা দেবে।"

দারুন বলেছেন +++++++
০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০১

লেখক বলেছেন: হুমমমমম

৫. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৭
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: যুক্তিসঙ্গত চিন্তাভাবনা। আমার মনে হয় যে জেনারেশন এই বিচারের জন্যে বেশি আওয়ামী লীগকে বেশি বিশ্বাস করেছিল তাদের সে বিশ্বাসেও একটু চিড় ধরেছে। 'আমার দেশ' বন্ধ করে সরকার নিজেদের এই ব্যাপারে আরো বিতর্কিত করে তুলেছে, যেটা তুমি বলেছো। ফেসবুকে দিলাম...
০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৩

লেখক বলেছেন: হ্যা শুভ ভাই , ফেসবুকে ওয়েলকাম।
আমি আসলে বিএনপিকে ডিফেন্ড করতে চাই নাই।
যেটা বাস্তব মনে হচ্ছে সেটাই বললাম।
জোর করেতো কোন কিছু বিএনপির পক্ষে আনা যাবেনা।

৬. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১৮
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: আপনার পোষ্ট মানেই বিষেশ কিছু। আমি আপনার প্রত্যেকটি পোষ্টই পড়ি এবং সবগুলো কমেন্ট পড়ে শেষ করার চেষ্টা করি। তবে আপনার গত কয়েকটি পোষ্টে আমি কোন রেটিং বা কমেন্টস দেইনি। মনের প্রশ্নগুলো কমেন্টেই খুজে বেড়াই আর ভালো না লাগলে চলে যাই। কিন্তু এই পোষ্টে কমেন্ট না করে পারলাম না। আপনার প্রতিটা কথার সাথেই সহমত।

ব্লগে আমরা যারা জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে কিছুটা অফেন্সিভে চলে যাই, তারা কিন্তু সবাই আ.লীগের অন্ধ ভক্ত না। আমরা বুঝি, এই ইস্যুতে সরকারকে যে পথে হাটার কথা সরকার সে পথে হাটছেনা। এই ইস্যু নিয়ে সরকার আমাদের নিয়ে অনেকটা মনোপলি খেলছে। কিন্তু তবুও ইতিহাসের এই নির্মম হত্যাযোগ্যের কোন সফল বিচার এই বাংলার মাটিতে হবেনা এমন কল্পনা করতে পারিনা। এটাই আমাদের দূর্বলতা, আর আ.লীগের পূজি।
০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: আসলে রাজনীতি মানুষের ২য় ধর্ম।
৭২-৭৫ আওয়ামী লীগের জন্য ১টা দুঃস্মৃতি।
৭৪ 'র দুর্ভিক্ষ এমনই নাড়া দিয়েছিলো আওয়ামী লীগকে যে ৯৬ তে এসে তারা চালের দাম ১০ টাকার বেশী বাড়তে দেয় নাই , রিসার্ভ শেষ করে ফেলসিলো তাও।
আওয়ামী লীগের অনেক ড্রব্যাকস , শর্টকামিংস এবং অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডাল থাকার পরও যারা আওয়ামী লীগ তারা আওয়ামী লীগ।
কারন এটা ২য় ধর্ম।

জামাত শিবির কে ৭১ 'র চাক্ষুস প্রমান দিলেও এরা শিবির করবে।
কারন একই- রাজনীতি ২য় ধর্ম।

তবে আমার ধারনা মন্দের ভালো এই যে কিছু মানুষ প্রতিশোধ নিতে পারবে , আবার অনেকে টাকা খরচ করে ছাড়া পেয়ে যাবে লোকাল পর্যায়ে।
কামরুল নাকি "১/১১ এর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা প্রত্যাহার" কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বেশ ভালো টাকা বানায়া নিসে।
আপনি যেটা বললেন- রিমান্ড একটা ব্যবসা ঠিক তেমনি স্থানীয় পর্যায়ে অনেক ওয়্যার ক্রিমিনাল লোকাল আওয়ামী এজেন্ট ধরে ছাড়া পেয়ে যাবে।
এটাও এখন কামরুল থেকে শুরু করে গ্রাসরুট লেভেলে একটা ব্যবসা হয়ে যেতে পারে।
আওয়ামী লীগকে একা দুষবোনা, বিএনপি পাওয়ারে থাকলে বিএনপিও একই কাজ করতো।
এদেশে মানবিকতা ব্যাবসার কয়াপিটাল।
সেটা জিপি - বাংলা লিংকের অ্যাড বা যুঅবি - যেটাই হোক।

তবে আশা করবো - যুঅবির প্যানেলের সবার মেরুদন্ড সোজা থাকবে ,
দ্য এ টিমের সবাই আওয়ামী দালাল দেরকে দৌড়ের উপর রাখবে যাতে রিমান্ডের মত এটা নিয়েও সীজনাল ব্যবসা না হয়।

বিচার শুরু হয়ে গেছে , তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন ডাইমেনশন তৈরী হচ্ছে।
আ লী - বিএনপি ২ দলকেই কোর শক্ত করতে হবে।
কাদা ছোড়াছুড়ি চলতে থাকলে রুটি শিয়ালের পেটে যাবে।

৭. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৯
সুমন অহেমদ বলেছেন: ২০১৪ সালে যুঅবি ইস্যুটা আওয়ামীর জন্য কতটুকু স্বার্থকতা বয়ে নিয়ে আসে তা দেখার অপেক্ষায় রইলাম.... তরুন প্রজন্ম যুঅবি দাবি করে এটা ঠিক, তবে এই দাবি পূরনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ তরুনদের মন জয় করে ফেলবে এটা মনে হয় ঠিক না! তরুনরা চোখ কান খোলা রাখছে ঠিকই। নতুন এটা দলের শুন্যতা শুধু তরুনরাই নয়, প্রায় সবাই অনুভব করে...

প্রতিবারই মানুষ সরকারকে সুযোগ দেয় এবং প্রতিবারই সরকার ব্যার্থ হয়... ভোটারের মধ্যে প্রায় ৩০-৫০ ভাগ ভোটার কোনো নির্দিষ্ট দল সমর্থন করেন না। এবং তারাই একবার বিএনপি এবং একবার আওয়ামী কে ভোট দেন... মূলত চাবিটা তাদের হাতেই..... এই তথ্যমতে ২০১৪ এর নির্বাচনে বিএনপি অনেক এগিয়ে থাকবে.. এবং ০ ১ ০ ১ ০ ১ ধারাবাহিকতায় বিএনপিই নির্বাচনে জেতার কথা...

তারপরও ২০০৮ এর নির্বাচনের মতো ২০১৪ এর নির্বাচনেও মানুষ নতুন একটা বড় দলের শুন্যতা অনুভব করবে...

----------------------------------------------------
নিজামী, মুজাহীদ এদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। এদের সবচেয়ে বড় সমস্যাটাই হচ্ছে এর নিজেদের ভুল আজও বুঝতে পারে নি অথবা বুঝলেও তা স্বীকার করে ক্ষমা চায়নি!!! তবে হুজুগে বাঙালী অথবা হুজুগে ব্লগার যখন অযথাই অকারনের রাজকার/যুদ্ধাপরাধী বলে চেঁচামেচি করে তখন খুব বিরক্ত লাগে....

সুন্দর পোষ্ট এবং ধন্যবাদ
০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যও খুব গোছানো এবং সুন্দর।
আমার পুরোপুরি সহমত ।
আপনাকেও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ

৮. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫০
সাইফ শামস বলেছেন: "রোগী যদি খারাপ ডাক্তারের কাছে যায় ঐ ডাক্তার ২ টা কাজ করবে-
১. পুরোপুরি সুস্থ্য করবেনা যাতে আবার রোগীকে আসতে হয় ।
২.নিজের কোন অযোগ্যতা বা রোগ থাকলে সেটা ধামাচাপা দেবে।"

কিন্তু ডাক্তার যদি গ্রামে একটাই থাকে, তাহলে রোগী কোথায় যাবে?????
০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: আমি বলতেসিনা ডাক্তারকে অ্যাভয়েড করতে , আমি যেটা বলছি এই ডাক্তারের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে যাতে কোন দিকেই উল্টাপাল্টা করতে না পারে

৯. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:১৮
ওরাকল বলেছেন: লেখক বলেছেন: কাদা ছোড়াছুড়ি চলতে থাকলে রুটি শিয়ালের পেটে যাবে।

এই একই আশংকা আমিও করছি। বেশ আগে এটা নিয়ে একটা পোস্টও দিয়েছিলাম
বিশ্লেষণ: যুদ্ধাপরাধের বিচার ও রাজাকার মূক্ত জামাত

আওয়ামিলীগ/বিএনপি এখনই সচেতন না হলে লাভের গুর কিন্তু জামাতের ভাগেই পড়বে।

মামুন বিদ্রোহী র ৬ নং কমেন্টই বলেদেয় নতুন প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দেখতে কতটা মরিয়া। ৭১ এর গনহত্যা-গনধর্ষন লুন্ঠনের বিচার চাইলে গিয়ে এরা আওয়ামিলীগের পেছনে দাড়িয়েছে। যদিও এই দলটি বাংলাদেশের ইতিহাসে চরম ব্যার্থ একটি দল অন্তর্ত 'আইনশৃঙ্খলা রক্ষা' র ক্ষেত্রে। অবস্থা এমন যে, ডাকাতের হাত থেকে বাচতে তারা চোরকে সমর্থন দিচ্ছে। চোর অবশ্য ইতিমধ্যেই ডাকাত হয়ে উঠার রাস্তায় নেমে পড়েছে।

তাই যেন তেন ভাবে শুধুমাত্র বিরোধী দলগুলকে সায়েস্তা করার জন্য নাম মাত্র বিচার করে নিজামি-মুজাহিদ-সাকা কে ঝুলিয়ে দিলেই কাজ শেষ হবে না। হাসিনা দেখলে না পেলেও তার তরুপের তাস 'তরুন প্রজম্ম' ঠিকই মুসা শমসের, নুরুল ইসলাম ও তার বেয়াইকে চিনে ফেলেছে। বিরোধী দলগুল তখন হন্যে হয়ে কামরুলের মত লীগে ঘাপটি মেরে থাকা ৭১ এর দালালগুলকে ও খুজে বের করবে। আর এক্ষেত্রে হাসিনার তরুপের তাস 'তরুয়ন প্রজম্ম' তখন বুমেরাং হয়ে তার দিকে ফেরত আসবে।

'সমর্থন থাকলেও জামায়াতের কর্মসূচিতে অংশ নেবে না বিএনপি' -- বিএনপি কিন্তু যুদ্ধাপরাধ ইশুতে অন্তর্ত জামাতকে সহায়তা করবে না বলেই মন হচ্ছে। খেলা যদি লীগ শুরু করেই দেয় তবে খেলা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ভাবে খেলার দায়ীত্বটা তাদেরই পালন করতে হবে। নইলে 'লেভেল গ্রাউন্ড' তৈরীর জন্য বিএনপিকেই রাজাকার মূক্ত আওয়ামিলীগ গড়ার কাজে হাত লাগাতে হবে।


অবশ্য আমাদের মত আমজনতার জন্য এটা সুখেরই হবে; মাঠে-ঘাটের ছড়িয়ে থাকা রাজাকারগুল বেচে গেলেও জাতীয় রাজনীতির ফ্রন্টলাইন থেকে ৭১ এর ঘাতকদের আনুষ্ঠানিক বিদায় হবে (সপ্নটা কি খুব বেশি বড় হয়ে গেল ?)।
০৩ রা জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:২৫

লেখক বলেছেন:
সমর্থন থাকলেও জামায়াতের কর্মসূচিতে অংশ নেবে না বিএনপি' -- বিএনপি কিন্তু যুদ্ধাপরাধ ইশুতে অন্তর্ত জামাতকে সহায়তা করবে না বলেই মন হচ্ছে। খেলা যদি লীগ শুরু করেই দেয় তবে খেলা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ভাবে খেলার দায়ীত্বটা তাদেরই পালন করতে হবে। নইলে 'লেভেল গ্রাউন্ড' তৈরীর জন্য বিএনপিকেই রাজাকার মূক্ত আওয়ামিলীগ গড়ার কাজে হাত লাগাতে হবে।

এই অংশটা ভালো বলসেন।
জাতীয় রাজনীতির দিক থেকে একটা ভালো ইমেজ পাওয়া যাবে।
সবচেয়ে বড় কথা - অস্বস্তি দুর হবে।
সবচেয়ে বড় কথা- যার ঘা ব্যথা তার।
অনেক মানুষই প্রতিশোধ নেয়ার পুরো অধিকার রাখেন।
তাদের ৩৮ বছরের ঘা টা লাঘব হবে।

০৩ রা জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: হুমমমম

১১. ০৪ ঠা জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:২২
এক্স বলেছেন: যে আলীগ সেকুলার থেকে ডিগবাজী দিয়ে এখন ইসলামের কাঁথা নিয়ে টানাটানি করছে তাদের দিয়ে কি যুদ্ধাপরাধের বিচার আশা করা যায়. চরম সেকুলার লীগ এখন মুজিবকে কলিফাতুল মোচলেমিন বলে, আলীগের সাপোর্টাররাই কেবল মহানবী সা এর উম্মত বলে যেভাবে ধর্মব্যবসায় জোরে শোরে ঢুকতে চাচ্ছে তারা পরিবর্তিত পরিস্হিতি ও অবস্হায় জামাত বা জামাতের থেকেও ভয়াবহ অঘটন ঘটাতে পারে. আর্মিদের সাথে পিলখানাতেই যা করল এটা দেখেই বোঝা যায় পরবর্তীতে কি হবে.
০৪ ঠা জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আওয়ামী লীগ কে নিরপেক্ষ ভোটাররা বিশ্বাস করে সেটা না।
বিষয়টা হচ্ছে এই বিশ্বাসটা আডায় করার ১ টা সুযোগ এবার আছে হাসিনার সামনে।
কিন্তু তার স্বভাবসুলভ প্রতিহিংসাপরায়ন মানসিকতার কারনে এটা কাজে লাগাতে পারবেনা।
যুঅবি ঠিকভাবে করে , নিজের দলের ভেজাল সব ড্রেন আউট করে দিয়ে ইয়াং জেনারেশনের ট্রাস্ট পেতে পারতো। সেটা করবেনা।
১.৫ বছরেই বিভিন্ন আচরণে বোঝা গেছে।
শমশের মবিন চৌধুরীর মত জেন্টলম্যান পলিটিশিয়ান , যুদ্ধাহত বীর বিক্রম মুক্টিযোদ্ধা কে স্রেফ কাদা ছুড়ে মারার জন্য যে ভাবে হাসিনা পুলিশকে ব্যবহার করলো এটা জঘন্য।

কুকুরের বাকা লেজ কখনো সোজা হবেনা , হাসিনা ও স্বভাবের পরিবর্তন করবেনা।

এটাই মূল মেসেজ।
যুঅবি নতুন জেনারেশনের কাছে খুব ইম্পরট্যান্ট হলেও হাসিনার কাছে এটা বিএনপির সাথে টম অ্যান্ড জেরী খেলার ট্র্যাপ।

১২. ০৪ ঠা জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:০৮
বস শাকিল বলেছেন: আমার যেটা ধারনা ২০১৪ তে যুঅবি ইস্যু টিকবেনা। দেশে আর্থসামাজিক অস্থিরতা বাড়তেসে। মানুষ জীবন যাত্রার মান নিয়ে ব্যস্ত। নতুন প্রজন্ম ফিউচারিস্টিক। ডায়নামিক। এটা ২০১৪ তে টিকবেনা। আর বিএনপি ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত যেই ভুল গুলো করেছে সেগুলো থেকে সতর্ক হবে কনফার্ম।

আপনার এই কথা টা খুবি সত্য মনে হইল...

++++++
০৪ ঠা জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: হুমমমম

১৩. ০৪ ঠা জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:১০
বস শাকিল বলেছেন: আমার যেটা ধারনা ২০১৪ তে যুঅবি ইস্যু টিকবেনা। দেশে আর্থসামাজিক অস্থিরতা বাড়তেসে। মানুষ জীবন যাত্রার মান নিয়ে ব্যস্ত। নতুন প্রজন্ম ফিউচারিস্টিক। ডায়নামিক। এটা ২০১৪ তে টিকবেনা। আর বিএনপি ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত যেই ভুল গুলো করেছে সেগুলো থেকে সতর্ক হবে কনফার্ম।

আপনার এই কথা টা খুবি সত্য মনে হইল...

++++++
১৪. ০৪ ঠা জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:০২
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন:
সব মানুষর চরিত্র যদি আওয়ামীলীগের দলীয় চরিত্রের প‌্যারালাল হয়ে যায় তাহলে আর কোন ইস্যুই বিরোধীদের কোন কাজে আসবে না। এবং আমার মনে হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ সেদিকেই ধাবিত হচ্ছে।
০৪ ঠা জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: একটু ব্যাখ্যা করা যায় কি ?
আমি বুঝেছি ঠিকই।
তবে ভুল ও হতে পারি।
আপনি নিজে খুলে বললেই বোধহয় ভালো হয়।

১৫. ০৪ ঠা জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬
পি মুন্সী বলেছেন: আমরা কী নিশ্চিত যে ২০১৪ সালে নির্বাচন হচ্ছে?

আমাদের সমস্যা হলো, আমরা লীগ-বিএনপির বা হাসিনা খালেদার আচরণ দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতি বুঝতে চেষ্টা করি। যেন এরাই আসল খেলোয়ার, ঘটনার নায়ক। বাংলাদেশের রাজনীতির দিকবেদিক যেন কেবল বাংলাদেশে নির্ধারিত হয়।

আমরা দেখেও দেখিনা তাই ২০০৬ সালেও ভেবেছিলাম লীগ-বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতি নির্ধারণ করছে। তাহলে ২০০৭ সালে আমরা কাদেরকে ক্ষমতা নিতে দেখলাম? পাবলিকলি ২০০৬ সালেও আমরা তো আসলে বুঝিইনি যে ২০০৭ সালের শুরুতেই একটা ১/১১ আসছে, এক ভুতুড়ে গায়েবী ক্ষমতা। এখানে পরিস্কার রাখার জন্য বলে রাখি আমি মঈনের আর্মিকে বুঝাইনি। আর্মি ওখানে ছিল আমাদের দলগুলোর মত আর এক কেবলা, তবে এরা সিদ্ধান্ত গ্রহিতা নয় সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ক মাত্র - এই ভুমিকায়। সেখানেও ১/১১ এর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আগিয়ে আসতে আর্মির হাত মোচড়ে ধরতে হয়েছিল কাউকে।
তাহলে বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহিতা কারা এরা?

আমরা ভেবে দেখিনা। আমাদের চোখে পড়ে না।


এটা ঠিক যে বাংলাদেশের নির্বাচনের রাজনীতিতে ভোটের সংখ্যাতত্ত্ব একটা নির্ধারক ফ্যাক্টর হয়ে গেছে এখন, যদি ভোট নির্বাচন হয়। সেক্ষেত্রে বিএনপি-জামাত অন্তত নির্বাচনী জোট করলে, ফলে ওদের মিলিত ভোট সংখ্যাতত্ত্বের হিসাবে লীগের জন্য এক বিপদজনক ফ্যাক্টর। এটা দেশের স্হানীয়, একেবারে মাঠের ফ্যাক্টর।
স্হানীয় বলে একটা খাটো ভাব তৈরি করছি এজন্য যে এখন তো আওয়ামী লীগ হাসিনার নামে থাকবে কী না, না কী তাকে বাদ দিয়েই একটা র‌্যাট লীগ গঠিত হবে সে সিদ্ধান্ত, ঠিক করার ক্ষমতাও হাসিনার হাতের বাইরে; দেশেও নয়, দেশের বাইরে। গত নির্বাচনের আগে র‌্যাটের কাছে প্রায় হাতছাড়া হতে চলা দল আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে হাসিনার নামেই টিকিয়ে রাখতে হাসিনাকে কী বিদেশের কাছে বাংলাদেশের স্বার্থকেই বিকিয়ে দিতে হয়নি? হাসিনার এখনকার ক্ষমতা কী সেই শর্তযুক্ত সমঝোতার বুনিয়াদের উপর দাড়ানো ক্ষমতা নয়? এতে ঘটনাটা দাড়িয়েছে বাংলাদেশের স্বার্থ বিকিয়ে হাসিনা নিজের নামে একটা আওয়ামী লীগ পেয়েছিল। আর আওয়ামী লীগের নেতা হাসিনা হবে কী না এটা এদেশের জনগণ নয় ভারত-আমেরিকান বিদেশী স্বার্থ ঠিক করে দিয়েছিল। খালেদার বিএনপি খালেদার থাকবে কী না তা মান্নান ভুইয়া,নির্বাচন কমিশনার হুদা ইত্যাদি গংয়ের হাত দিয়ে বাইরের কেউ ঠিক করে দিতে নিয়েছিল, বাংলাদেশের জনগণ নয়। আর আমরা বোকা জনগণ দেশে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থাকবে কী না এই সময়ে সেই বেকুবি আত্মঘাতি তর্কে লিপ্ত থেকেছিলাম।
ঘটনাটা এরকম যে এক কুমারী মেয়ে মিথ্যা করে ডাক্তারকে নিজে সে বিবাহিত ও সন্তানের জননী জানিয়ে ১৭৫ টাকার বিনিময়ে নিজের লাইগেশন করিয়েছিল; এরপর সে ভীষণ আহ্লাদিত একথা ভেবে যে ডাক্তার তাঁর মিথ্যা ধরতে পারেনি।

বিদেশী স্বার্থ যখন দেশের সবেধন নীলমনি রাজনৈতিক দলের নেতা ঠিক করে দেবার ক্ষমতা হাতে নিয়ে নিয়েছে তখন অন্তত সেই প্রেক্ষিতে এর বিরুদ্ধে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি, ৭০ক ধারা ইত্যাদি আমাদের অপছন্দের বাজে ব্যাপারগুলো বিদেশী স্বার্থের পাল্টা একমাত্র প্রতিরোধক হয়ে দাঁড়াবে - এটাই বাস্তবতা; সাদা চোখে এটা আমাদের পছন্দ না হলেও। হাসিনা খালেদার রাজনীতি আমাদের অপছন্দ করার বহুবিধ বাস্তব কারণ আছে, সোজা কথায় এরা চোর, ডাকাত টাউট দুর্নীতি পালে। কিন্তু এই পরিস্হিতির সুযোগ নিয়ে জনগণের রাজনৈতিক ধারা বিকল্প দল সমাজে গড়ে উঠার আগে আমরা বাংলাদেশকে দখলদার বিদেশী স্বার্থের লীলাভুমি বানাতে দিতে পারি না।
লীলাভুমি বানানোর এই খেলায় সুশাসন সাইনবোর্ডের আড়ালে সুশীল সমাজ, ষ্টার মিডিয়া গ্রুপ, এনজিও - এই জোটকে কী লীগ বা বিএনপির সমান এক ক্ষমতা আকাঙ্খী বিপদজনক জোট হিসাবে আমরা কী দেখতে পাই?

ফলে এসব নির্ধারক বিষয়গুলোকে হিসাবের বাইরে রেখে ২০১৪ সালে নির্বাচনের হিসাব কখনও মিলবে না। কাজেই এভাবে হিসাব করে কতদূর কী করতে পারব - এই প্রশ্ন আমাকে তাড়া করে। আশা করি ভেবে দেখবেন।


অন্যদিকে আমাদের দশা দেখুন আমরা না কী গণতন্ত্র চাই, গণতন্ত্রকামী। ভোটের সংখ্যাতত্ত্বের হিসাব সহজ করতে সর্টকার্টে আমরা জামাতকে শায়েস্তা করতে চাই; যুদ্ধাপরাধের বিচার তো আগেই বাদ পড়েছে, এখন যুদ্ধে মানবাধিকারের বিচার নামে একাজে ঝাপিয়ে পড়েছি। ঠুনকো ধর্মীয় অবমাননার নামে ১৬ দিনের রিম্যান্ডে দেয়া হয়েছে, আরও রিম্যান্ড আসছে। আইন, বিচার কাজ কতই না সহজ হয়ে গেছে। যারা "যুদ্ধাপরাধের বিচার" চান তাঁরা খুশি হয়ে উঠেছেন। আমাদের জিঘাংসা জাগ্রত হয়ে গেছে। গতকালকে দেখলাম নতুন নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি দাবি করেছেন যুদ্ধে মানবাধিকারের বিচারের কমিশন যেটা গঠিত হয়েছে তার তদন্ত ফলাফলের আগেই তাঁরা যেন জামাত নেতাদের শ্যোন এরেষ্ট দেখান। ফলে স্বভাবতই নির্যাতনের লাইসেন্স নিয়ে নেন।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি জামাত নেতাদের বিচার চান না নির্যাতন করতে চান। যেন জামাত নেতাদের বিরুদ্ধে মামলার বিচারকাজে কোন অভিযোগ সাক্ষ্য প্রমাণ মেরিট নাই তিনি জেনে গেছেন। ফলে জিঘাংসা চরিতার্থ করাই একমাত্র কাজ। তাঁর নিজের মত মানুষের মনেও জিঘাংসা জেগে উঠুক এই দাবী তিনি করছেন।
আজকে কোন অভিযোগ মামলা সাক্ষ্যপ্রমাণ ছাড়াই রাষ্ট্রকে নির্যাতন নিপীড়নের রিম্যন্ডের হাতিয়ার বানাতে চাইছেন। রাষ্ট্রকে যে হাতিয়ার তিনি তুলে দিচ্ছেন কালকে ঠিক একইভাবে তাঁর বিরুদ্ধে তিনি নিজেই রিম্যন্ডমূলক রাষ্ট্রের নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হবার পথ কী তৈরি করছেন না? এটাকেই কী নিজেই নিজের কবর খোড়া বলে?
রাষ্ট্র নিপীড়নমূলক না হয়ে গণতান্ত্রিক হোক এটা আমরা চাই না। রাজনৈতিক বিরোধীকে আমরা নির্যাতন করতে চাই। সেজন্য একটা রিম্যান্ডসর্বস্ব রাষ্ট্র চাই।
মির্জা আব্বাসের বাড়িতে ঢুকে মা ভাই সদস্যদের উপর অকথ্য নির্যাতনের ছবি আমরা টিভিতে দেখেছি। এতে আমাদের মনে কোন প্রতিক্রিয়া হবে কী না নির্ভর করছে আমরা কোন দলের সমর্থক। র‌্যব, পুলিশ রাষ্ট্র দানব হয়ে উঠছে কী না আমাদের বিকার নাই। এমনই আমাদের দলবাজী মন। এটা এমনই আত্মঘাতি দলবাজী স্বভাবে বুঁধ হয়ে থাকা মন যে কালকে নিজের বাসাতেই একইভাবে একই ঘটনা যে ঘটতে পারে তা ভাববো না সিদ্ধান্ত নিয়েছি। রিম্যান্ডসর্বস্ব এক নিপীড়ক রাষ্ট্রই আমার চাই। বড় হয়ে যাচ্ছে, এখানেই শেষ করলাম।
০৪ ঠা জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট আমার কাছে সবসময়ই ইন্ডিকেটর।
সেজন্য ধন্যবাদ।
তবে কিছু দ্বিমততো আছেই।
১.
আওয়ামী লীগ কি হাসিনার থাকবে না বিএনপি খালেদার থাকবে সেটা বিদেশী শক্তি নির্ঢারন করে দেয়।
আপনাকে কিছুটা পেসিমিটিক মনে হলো।
আমি অপ্টিমিস্টিক।
কারন নৌকা এবং ধানের শীষ এদুটোর সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত জংনই নেয়।
যদি ইলেকশন কমিশন নৌকা আর ধানের শীষকে লীগ আর দলের কুতুবদের হাতে দিয়ে দিতো তাহলে কি আপনার ধারনা নির্বাচন হতো?
মানুষ রাস্তায় নেমে পরতো- নিশ্চিৎ।
৯০ 'র কথা ভুলে গেছেন?
আসলে বাঙালীর সহ্যক্ষমতা খুব বেশী।
বাঙালী ১ মহাশয় , যাহা সহায় তাহাই সয়!
তবে খেপতে কিন্তু জানে।
৭১ কে মনে করে দেখুন।
আমি বিশ্বাস করি ভারত - রাশিয়া সাহায্য না করলেও আমরা স্বাধীন হতাম।
হয়তো ৯ বছর লাগতো।
অসংখ্য মানুষ মানুষ মারা যেতো মাল্টিপল কোটির ঘরে।

সবচেয়ে বড় কথা মানুষ কিন্তু বিশ্বাস করে তার ভোট শক্তিশালী।
আমি খেলাফত আন্দোলনের কুপমন্ডুক হজুরদেরকে দেখেছি বটগাছে ভোট দিয়ে আত্নতৃপ্তির হাসি হাসতে!
কেন?
নিজের অধিকার প্রয়োগের আনন্দ এটা।
বাংলাদেশীরা এই আনন্দের মর্ম বোঝে।
সেকারনেই অনেকে বলে " সরকার এটা করছে , ঠিক আছে , নেক্সট ইলেকশনে বুঝিয়ে দেবো।"
এই আত্নবিশ্বাসটা বাংলাদেশের ভোটারদের আছে।

তারা ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যায়না।
সমস্যা সেই পুরোনো।
জীবন যাত্রার মান , মশার মত জনসংখ্যা বৃদ্ধি ,আর্থ - সামাজিক অস্থিরতা।
তবে ইনফরমেশন সার্কুলেশন এখন অবিশ্বাস্য দ্রুত হয় বাংলাদেশে।
আরবান বলুন , আর আউটস্কার্ট বলুন।

আর শেষ অংশটুকুর ব্যাপারে এতটুকুই বলবো-
সরকার যেন শিকাগোর কুখ্যাত রেল শ্রমিকদের মাফিয়া হয়ে উঠছে,
টেক্সাসের খুনে বাউন্টী হান্টার হয়ে উঠছে।
জামাতীদের কথা বাদ দিলাম।
শমসের মবিন চৌধুরীর মত সজ্জন ব্যক্তি - ঐ লোক জিয়ার কমরেড মুক্তিযুদ্ধে , যুদ্ধাহত , বীরবীক্রম, ডিপ্লোমেটিক মেরিট চমৎকার (হালেতো সব গাধাগর্দভ বিসিএসে ঢুকছে , আমার নানার ৩ ভাই ছিলেন সিএসপি গেজেটেড , উনাদের সবচেয়ে জুনিয়র যিনি তার কাছে শুনেছি শমসের মবিনের প্রশংসা যদিও এস . মবিন জুনিয়র )।

শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারনে একজন বীরবিক্রমের সাথে হাসিনা এবং রাস্তাঘাটের মাতারী পর্যায়ের মানসিকতা সম্পন্ন সাহারা যে আচরণটা করলো তাতে বাংলাদেশে জনবিপ্লব হওয়া ছাড়া উপায় নেই।

সম্পূর্ন পুলিশী রাষ্ট্র।
হাসিনা বুঝতে পারছেনা- সে ফ্রাংকেনস্টাইন হয়ে যাচ্ছে।
তার তৈরী করা কংকাল থেকে জীবিত হওয়া দানব তাকেই ধাওয়া করবে।
এই দানবটা হচ্ছে - আদালত এবং পুলিশ

ব্যক্তিগত ভাবে আমার ধারনা:
যুঅবি ইস্যুটার জন্য জাতীয় কমিটি প্রয়োজন।
রাজনৈতিক সরকার বিশেষত হাসিনার মত এনচিয়াস টেম্পারামেন্টের কাউকে দিয়ে এই বিচার লেজে গোবরে হয়ে যাবে।
হাসিনাকে বুঝতে হবে- প্রতিশোধটা তারা নেবে যারা ৭১ এ নিরীহ- দুর্বল বলে মার খেয়েছে , এটা তার ব্যক্তিগত প্রতিশোধের বিষয় না, টম অ্যান্ড জেরী খেলার বিষয় না।
কিন্তু কয়লা ধুলেও ময়লা যাবেনা- এটা নিশ্চিৎ।





১৬. ০৫ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:১৮
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: এটা সবচেয়ে দুঃখজনক যে যুআবি আর বাংলাদেশে ইসলামিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি যুগপৎ হয়ে গেছে। যে কারনে ডাক্তার ও তার চিকিৎসা নিয়ে জনমনে সন্দেহ ঘনীভূত হয়েছে বলে আমার মনে হচ্ছে।

জামাত নেতাদের গ্রেফতারে বিদেশে খুব ভালো রকমের সরকার বিরোধী প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। আমাকে অনেকেই প্রশন করেছে ইসলামিক দলের নেতাদের ইসলাম অবমাননার জন্য অ্যারেস্ট হাস্যকর। কিছুটা কাছাকাছি প্রসংগে আমার একটা লেখাও আছে।লজ্জা্য় মুখ দেখাতে পারছি না.... আমরা কি সভ্য জাতি?
০৫ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: হাসিনাকে বুঝতে হবে সে জাস্ট পুরো বিষয়টার কেয়ারটেকার।
প্রতিশোধ টা তার নয় , এটা ৭১ যাদের উপরে নির্যাতন হয়েছে , যারা অসহায় থাকার কারনে মুখ বুজে মেনে নিয়েছে অত্যাচারের কষ্ট গুলো এটা তাদের প্রতিশোধ।
আমি মোটেই বিশ্বাস করিনা - হাসিনা এটা শুনবে।
এটা হাসিনার ব্যক্তিগত আক্রোশের বিষয় হয়ে যাবে।

৯৬ তে ওয়েল স্টার্ট করে জঘন্য ফিনিশিং ছিলো আওয়ামী সরকারের।
এবারতো শুরু থেকেই জঘন্য স্টার্ট , ফিনিশিং টা কি হবে সময়ই বলে দেবে।
সবচেয়ে বড় কথা - এখন বাচ্চার হাতেও ২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা মোবাইল থাকে।
রেকর্ড সব জ্বলজ্বলে থেকে যাবে।
বিচারটা যদি হাসিনার বিএনপির সাথে টম অ্যান্ড জেরী খেলার উপলক্ষ্য না হয় তাহলে এটা বাংলাদেশের জন্য ১টা মাইলস্টোন হবে।

এবং রাজনীতিতে নতুন ডাইমেনশন তৈরী হবে।
যেটা আমি বললাম ব্লগে।

পুলিশের ঐ পোস্টটাতে ২২ তম + আমার দেয়া।
আসলে এই বাচ্চাগুলোকে এই মার যারা দিচ্ছে তারাতো অমানুষ , যারা ২ ঘন্টা পিকেটিং করার জন্য ২০ দেয় তারাও অমানুষ।
পুলিশ এতটাই ঘৃনিত একটা শ্রেনী এখন বাংলাদেশে যে মানুষ পুলিশকে ডাকা আর খাল কেটে কুমীর ডাকা সমান মনে করে।

১৭. ০৫ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:০০
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: ৯৬ তে ওয়েল স্টার্ট করে জঘন্য ফিনিশিং ছিলো আওয়ামী সরকারের।
এবারতো শুরু থেকেই জঘন্য স্টার্ট , ফিনিশিং টা কি হবে সময়ই বলে দেবে।

সম্পূর্ন একমত। আপনি হয়তো জানেন ২০০১ সালের শুরুতে আওয়ামীলীগ বিএনপি জামাতের নেতা কর্মীদের লিস্ট করে করে পুলিশ দ্বারা হুমকি দিতো।

আর এবার ক্ষমতায় আসার পর শুরু থেকেই লিস্ট করতেছে। অর্থাৎ লীগ গত টার্মে যেখান শেষ করেছিলো এবার সেখান থেকেই শুরু করেছে। তারা বিরোধী মত দমন করার জন্য খুব মরিয়া। এবার টাদের একটা প্রিভিলেজ আছে এরশাদ তাদের সাথে। গতবার যা ছিলোনা।

আব্বার সাথে কথা হয়েছে গতকাল। তিনি আমাকে জানালেন। পুলিশ নিয়মিত জামাত, বিএনপি কে পরামর্শ দিচ্ছে মিছিল মিটিং না করতে। আসলে এটা পরামর্শ নয় হুমকি।

আরেকটি কথা আমার কাছে মনে হচ্ছে যদি নিজামী মুজাহিদকে আটক রাখতে লীগ সফল হয় তাহলে তারা খালেদা জিয়াকে ধরতেও সাহস করবে। একটা বিষয় খয়াল করবেন সাঈদী কিন্তু এদেশের ধর্মপ্রান মানুষে কাছে খুবই জনপ্রিয়। তাকে গ্রেফতার আমর কাছে নিজামী, মুজাহিদ গ্রেফতআর থেকেও গুরিত্বপূর্ন বলে মনে হয়।

আজ যখন এমপি আ্যনি, কিংবা শমসের মবিনকে গ্রেফতার বা মাহমুদুর রহমান কে গ্রেফতার করার মতো সাহস দেখায় আওয়ামীলীগ। তাতে মনে হচ্ছে তারেক রহমান দেশে আসা বা খালেদা জিয়ার ব্যাপারেও আওয়ামীলীগ হার্ডলাইনে যেতে পারে। আওয়ামীলীগের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে ভারত, ভারত সব ধরনের কূটনৈতিক আচার ব্যবহারের তোয়াক্কা না করে সরাসরি তাদের নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবা্য়নে নির্লজ্জ ভাবে সরকারকে সহযোগিতা করছে।
০৫ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:২৭

লেখক বলেছেন: আপনি যেটা আশংকা করছেন সেটা হবেনা।
কারন:
১. মিডল ইস্ট
২. ভুলে যাবেন না- খালেদা জিয়া সেনামাতা।
হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনিকে খুব ভয় পায়।
গ্যারান্টী- সেনাবাহিনির কোর এবং সাধারন সেনাদের ভেতরে বিএনপি শুধু জনপ্রিয় নয় , ৭০-৩০ ব্যবধানে জনপ্রিয়।
৯৬ তে হাসিনা তৎ সেনাপ্রধান নাসিমকে হাত করেও ক্যু করাতে পারেনি।
১/১১ এ যেটা হয়েছে সেখানে আর্মি - বিএনপি সমঝোতাও হতে পারতো।
কিন্তু খালেদা জিয়া অনেক বেশী হার্ড স্টান্সের যেটাকে রাজনৈতিক ভাবে প্রচার করা হয় : আপোষহীন।

হাসিনা বেহায়া বলেই পুরুষ পুলিশ দিয়ে গা ধাক্কাধাক্কি করে কোর্টে নেয়ার পরও সে আর্মির সাথে সমঝোতা করেছে।

আর সাঈদীর ব্যাপারে যেটা বললেন : আমি বর্তমান বাংলাদেশে কাউকেই বিশ্বাস করতে পারছিনা।
অস্বীকার করবোনা- ছোটবেলায় সাঈদির ওয়াজ আমি নিজেও শুনেছি।
কিন্তু তার বিপক্ষে ৭১'র ভূমিকার যেই অভিযোগগুলো তোলা হয় সেগুলো কোত্থেকে আসে ?
সে প্রমান করুক সে নির্দোষ।
তাহলে মানুষের কাছে সে আরো গ্রহনযোগ্যতা পাবে।
কিন্তু এটা অস্বীকার করার জো নেই যে ৭১ যুদ্ধাপরাধ হয়েছে সেখানে আলবদর , রাজাকার , আল শামস এরা লীডিং এ ছিলো , স্পটে থাক বা না থাক , কোঅর্ডিনেশনেতো ছিলোই।
সুতরাং যুদ্ধাপরাধের দায় তাদের উপর বর্তায় , ঠিক যেভাবে ছাত্রলীগের মাঠ পর্যায়ের সব কুকর্মের দায় আওয়ামী লীগের উপর বর্তায়- সেটা কোন পর্যায়ের শাস্তি উপযুক্ত ক্রাইম সেটা লীগাল অ্যাডভাইসাররা বলতে পারবেন।
তবে বিচার শুরুর আগেই যারা ফাঁসি ফাঁসি চেচাচ্ছেন এরা অতি উৎসাহী।
যাইহোক-
হাসিনা এটাকে লেজে গোবরে করবে তার স্বভাব সুলভ কারনে এবং আওয়ামী প্রোফাইলে আরেকটা স্ক্যান্ডাল যোগ হবে- এটা নিশ্চিত।
যদি সেটা না হয় তাহলে বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে যুদ্ধাপরাধের বিচার একটা মাইলস্টোন হয়ে থাকবে।

আমার ধারনা - রাজনীতির দাবাবোর্ডে এরপর সবচেয়ে ভালো অবস্থানে থাকবে জামাত ।
আওয়ামী লীগ থাকবে চেকের উপরে।
" স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি " নামের মন্ত্রী ঘুটি কাটা পড়বে।
অন্যদিকে ভারতের শয়তানী দিনদিন বারতেসে।
জামাতের রাজনীতির মূল বেসটাই অ্যান্টি ইন্ডিয়া স্ট্যান্ড।

সো আমার মনে হয় শুধু যুদ্ধাপরাধের বিচার হওয়াটাই জরুরী নয় ,
জামাত শিবিরের এখনকার ফ্রন্টলাইনের উচিৎ ৭১ এর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা এবং দুঃখ প্রকাশ করা।

১৮. ০৫ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৫৪
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: প্রশ্ন হচ্ছে জমায়াত তবুও কোন শিক্ষা নেয়নি। আপনি বলেছেন ঘারত্যাড়া। আমিও বিশ্বাস করি তারা আসলেই ঘাড় ত্যাড়ার দল। একমত হবেন যে তাদের এই ঘার ত্যাড়ামির কারন ই হলো আমাদের ধর্ম বিশ্বাস। আমাদের ধর্ম বিশ্বাসটাই এরকম, আপোষহীন। এজন্য পশ্চিমারা ইসলামকে ভয় পায় এবং খুব ভদ্রভাবে বলে যে ইসলাম হচ্ছে টোটালিটারিয়ান। আর জামাত এই জিনিসটা তাদের কর্মী সমর্থকদের খুব ভালো ভাবে শিক্ষা দেয়।
আওয়ামীলীগ ও এরকম চরিত্রের তবে আদর্শ ভিন্ন।

এরা যদি এখনো চায় বাংলাদেশে একটা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করা তাদের জন্য তেমন বড় কোন বিষয় নয়। কিন্তু এটা তারা করবে না। কারন ৯/১১ এর পর যে পরিস্থিতি তাতে ইসলামী দল গুলোর অবস্থা সারা বিশ্বে ভয়ানক চ্যালেন্জের মুখে। সেই সুযোগটা পেয়ে গেছে আওয়ামীলীগ ও ভারত। তাই জামায়াত তাদের নেতাদের ধরার পরো বসে আছে।

আপনি চিন্তা করেন, ২০০০ সালের দিকে শাবি তে জাহানারা ইমামের নামে একটা হলের নামকরন করা হয়েছিলো। জামায়াতের একক নেতৃত্ব সে আন্দোলনকে সিলেটের মানুষের প্রানের দাবীতে পরিনত করেছিলো। এর বিরোদ্ধে এমন জনমত তৈরি করেছিলো যে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল মনে করেছিলো এই আন্দলনে শরিক না হলে বুজি সিলেটে মান সম্মান থাকবে না। জামাতের কট্টর বিরোধী পীর সাহবরাও সেদিন জামা্য়াতের সহযোগী ছিলেন, যারা ফতওয়া দিয়েছিলেন জামায়াতের লোকের পিছনে নামাজ পড়া ঠিক হবে না। ইভেন হুমায়ুন রশিদ চৌ: পর্যন্ত এ আন্দোলনে সহা্য়তা করেছে। সেটা ছিলো ৯/১১ পূর্ববর্তী সময়। তাই আমি বলি ওসামা ইসলামের ই বেশী ক্ষতি করেছে।

আর শেখ হাসিনার কথা কি বলবো। যে মহিলা ভদ্রভাবে কথা বলা শিখেনি। সে মহিলা একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী কি করে হয়? আমাদের কে মানুষ অসভ্য বলবানাতো কোলে নেবে নাকি? আমি ব্যাক্তিগত ভাবে শেখ হাসিনার সাথে মিট করেছি। তবুও কোন শ্রদ্ধা নেই এ মহিলার প্রতি। আমি মনে করি এ ব্যাক্তি একদিন ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন।
০৫ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:১৬

লেখক বলেছেন: আমি জাস্ট সংক্ষেপেই বলি:
১. ক্ষমাতো জামাতকে চাইতে হবেনা , ক্ষমা চাইতে হবে জামাতের অপরাধের সাথে জড়িত অংশটুকুর।
স্বয়ং নবীজি (সাঃ)এই বিচার কিভাবে করতেন চিন্তা করে দেখুন।
উনিতো বলেছেন চুরির দায়ে নিজের মেয়ে ফাতিমা (রাঃ) এর হাত কাটার কথা।
ইসলামিক গ্রাউন্ডে রাজনীতি করলেই কেউ আর তার জঘন্য অপরাধের শাস্তি পাবেনা - এটাতো মুসলিম দের জন্য স্ক্যান্ডালাস ব্যাপার হয়ে যাবে।

২. সামনে এই বিষয়টা নিয়ে একটা পোস্ট দেবো।
কিছুদিন আগে দেখলাম এক আওয়ামী নেতা বলছে যুদ্ধাপরাধের মাধ্যমে সেক্যুলারিসম অ্যাডপ্ট করার প্রসেস শুরু করতে হবে।
আওয়ামী লীগ যেসব কারনে যুঅবি চায় আর নতুন প্রজন্ম যেসব কারনে যুঅবি চায় দুটোর ভেতরে পার্থক্য আছে।

ক. আওয়ামী লীগ বামপন্থী স্বাধীনতাবিরোধী ( এবং যুদ্ধাপরাধী যদি পাওয়া যায় , সম্ভবত নেই ) তাদের বিচার করবেনা।
তবে ইসলামিক গ্রাউন্ডের স্বাধীনতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী পাওয়া মাত্রই বিচার করবে।
কারন তাদের রাজনীতির পথে অনেক বড় এক কাঁটা বাংলাদেশের মানুষের ইসলামিক সেন্টিমেন্ট।
সেটা আমি পোস্টেও আলোচনা করেছি।
ওয়েস্টার্ন ধাঁচের সেক্যুলারিসম অ্যাডপ্ট করাটা তাদের প্রাইম ফোকাস , যুদ্ধাপরাধের বিচার যদি আধা খেচড়াও শেষ হয় তাতেও তাদের আফসোস থাকবেনা।

এই বিষয়টা নিয়ে বিএনপিকে সতর্ক থাকতে হবে।

খ. নতুন প্রজন্ম নিজামী , মুজাহিদ - সাঈদিকে মোটেই ধর্মবেত্তা মনে করেনা।
বরন্চ্ঞ তাদের বিরুদ্ধে ৭১ 'র যেইসব স্ক্যান্ডাল পাওয়া যায় সেগুলো বরন্চ্ঞ ইয়াং জেনারেশন কে অস্বস্তিতে ভোগাচ্ছে।
কারন এরা ইসলামিক সেন্টমেন্টের প্রতি শ্রদ্ধাশীল , কিন্তু ধর্মের লেবাসে প্রচুর ভন্ড ধরা পড়ছে।
যেমন ধরুন: এন টিভিতে যেই মাওলানা আবুল কালাম আজাদ কথা বলতেন পরে জানা গেলো এই লোক ইভেন রেপ কেসে কনভিক্ট !!
গা রি রি করা কেলেংকারী।

যুঅবি সবদিক থেকেই বাংলাদেশের জন্য খুব দরকারী।
আমি গ্যারান্টী দিয়ে বলছি-
আওয়ামী শয়তানীর ঘাড় মটকে যাবে যুঅবি শেষ হওয়ার পর , নতুন জেনারেশন মুক্তিযুদ্ধের গ্রাউন্ডে দেশের মানুষকে বিভক্ত করার আওয়ামী ফাঁদে পা দেবেনা , এবং আওয়ামী লীগ কে ইসলামিক ইস্যুতে অনেক সতর্ক হতে হবে।
কারন তখন বিএনপি 'র হাতে "ইসলামিক মূল্যবোধ" নামের ঘুটি টা থাকবে।

রাজনীতি ভেজাল জিনিস।
আমি মন্দের ভালোটা আশা করি সবসময়।
এখানেও সেটাই করলাম।

১৯. ০৫ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:১৮
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: অনেক রাত হয়ে গেছে ঘুমাতে যাই। পরে কথা হবে। পোষ্ট প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম। আপনার মন্তব্যের একটা ছোট্ট উত্তর দিয়েছি ক্যানো আমদের শিশুদের প্রতি ভালো ব্যবহার করা উচিত।
০৫ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:১৯

লেখক বলেছেন: আচ্ছা পরে কথা হবে।

২০. ০৫ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০১
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন:
আমি যেটা বলতে চেয়েছি সেটার ব্যাখ্যা এরকম দেয়া যায়।

মনে করুন একজন মানুষ তার লেবেল অনুযায়ী ১০/২০ টাকা বা কোটি টাকা ঘুষ খায়। তো সে তার কাজ এই সরকারের আমলে কোন রকম সমস্যা ছাড়াই করতে পারছে যদিও সেই ব্যাক্তি বাজারে গিয়ে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত মাছ বা শাক শব্জি কিনে আনছে কিন্তু ব্যাপারটাতে সে মোটেও উদ্বিগ্ন নয়। তদ্রুপ শাক শব্জি বিক্রেতা নির্ভয়ে তার পণ্য সামগ্রিতে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত করতে পারছে এবং সে ভাবছে এই কাজটা করে সে খুবই লাভবান হচ্ছে। কাজেই সে কাজটা অব্যাহত রাখতে চাইবে। এরকমভাবে বাংলাদেশে রিকশাওয়ালা থেকে বঙ্গভবন পর্যন্ত প্রতিটা পেশার মানুষ আজকে একই লাইনে চিন্তা করছে। আর সরকার চাইছে মানুষ যা করে করে যাক আমার কোন কিছু দেখার দরকার নেই। আমার কাজ হল খালি বিরোধীদলকে দৌড়ের উপরে রাখা। এবং সরকারও তার কাজটা কোন রকম বাধা ছাড়ায় করে যেতে পারছে এখন পর্যন্ত।

এখন মানুষ কেন এর পরিবর্তন চাইবে যেখানে সে নিজেই মনে করছে এই সরকার থাকলে তার পেশাগত অসততার ক্ষেত্রে কোন রকম প্রতিবন্ধককার সৃষ্টি হবে না।

এইজন্য বললাম যে কোন দেশের বেশিরভাগ মানুষই যখন উপরোক্ত ধ্যানধারনায় বিশ্বাসি হয়ে পড়ে তখন আসলে কোন ইস্যুতেই আর বিরোধীদল মানুষকে সম্পৃক্ত করতে পারবে না।
০৫ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: হুমম ভালো বলেছেন।
তবে পেসিমিটিক ।
বিষয়টা যে অসম্ভব সেটা না।
যেটা বলতে চাই সেটা হলো :
মাফিয়ারা যখন নিজেদের ভেতরে খুনোখুনী করে তখন সেটার কোন আইন -আদালত- বিচার নেই।
বাউন্টী হান্টারদের মত।
চুলকাতে ভালো লাগে।
কিন্তু চুলকাতে চুলকাতে যখন ঘা হয়ে খোস-পাচড়া ছড়িয়ে পড়ে , তুমুল যন্ত্রনা শুরু হয় তখন।
তখনই ইউ-টার্ন হয় ।
হতেই হবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৯১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
১৯৭৬ প্রেসিডেন্ট জিয়া এ দেশটার জনসংখ্যা বিস্ফোরন নিয়ে যেভাবে ভেবেছেন বাকি এতগুলো বছর ধরে আর কোন স্টুপিড সেভাবে ভাবেনি.......
এখনো...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ