(১)
শিক্ষক : এই ছেলেরা তোমরা এই কুকুরছানাটিকে নিয়ে এত ঝগড়া করছ কেন?
বালকদ্বয় : স্যার, আমরা ঠিক করেছি আমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা বলতে পারবে সেই এ কুকুর ছানাটা পাবে।
শিক্ষক: ছি ছি, তোমরদের কত অধঃপতন হয়েছে! জানো তোদের মত বয়সে মিথ্যা কী আমি তাই জানতাম না?
বালকদ্বয়: তাহলে কুকুরছানাটি আপনিই পেলেন স্যার।
(২)
এক মাতাল ব্রিজের উপর দিয়ে যাবার সময় নিচে পানিতে চাঁদের প্রতিবিম্ব দেখে থমকে দাঁড়ায়। সে সময় পাশ দিয়ে যাওয় এক পথিকে দেখে জিঙ্গেস করে-'এই যে ভাই, নিচে ওটা কি?'
পথচারী বিরক্ত হয়ে বলে- কোন, চাঁদ।
মাতাল ভয় পেয়ে আতঙ্কিত স্বরে- আমি এতো ওপরে উঠলাম কী করে ????
(৩)
ঘটক : আপনার ছেলের জন্য খুব মিষ্টি একটা মেয়ে পেয়েছি।
অভিভাবক : তাহলে তো ওই মেয়েতে আমাদের হবে না।
ঘটক : কেন হবে না ?
অভিভাবক : আমাদেও ছেলের ডায়াবেটিস আছে তো, তাই।
(৪)
বেশ কয়েকজন লোক একটা জিমে ব্যায়াম করছিল। হঠাৎ একজনের মোবাইল ফোন বেজে উঠল।
:হ্যালো।
:হ্যালো ডার্লিং, তুমি কি জিমে?
: হ্যাঁ।
: ওহ গ্রেট। আমি তোমার জিমের কাছাকাছিই এসেছি শপিংয়ে। ওই শুনছ? আমার না ড্রেসিডেলে একটা শাড়ি পছন্দ হয়েছে। নেব?
: কত দাম?
: ২০ হাজার।
: কিনে ফেলো।
: আমি না গাড়ির দোকানে গিয়ে ছিলাম। সেই যে আমরা গত বছর একটা বিএমডব্লিউ কিনলাম, তারপর তো আর কোনো নতুন গাড়ি কেনাই হয়নি। আজকে ওখানে খুব সুন্দর একটা গাড়ি দেখেছি। দামটাও নাগালের মধ্যেই।
: কত?
: ১০ লাখ।
: নিয়ে নাও।
:ওহ! থ্যাংক ইউ, জান। দাঁড়াও, কেটো না। আজকে আমি গিয়ে ছিলাম তোমার ব্যাংক ব্যালেন্স চেক করতে। জানো, আমি একটু আগে এক রিয়েল এস্টেট এজেন্টের সঙ্গে দেখা করেছি। মনে আছে, গত বছর যে আমরা একটা বাড়ী দেখেছিলাম? সামনে বাগান, পেছনে সুইমিং পুল? ওটা বিক্রি হবে।
: কত চাইছে?
: ৬৫ লাখ টাকা। আমি দেখেছি। তোমার অ্যাকাউন্টে এই পরিমাণ টাকা আছে।
: ৬০ লাখ বলে দেখো, দেয় কি না।
: থ্যাংক ইউ। দেখা হবে তাহলে। বাই।
: বাই।
লোকটা ফোন কাটল। তারপর চিৎকার করে বলল, কেউ কি জানেন, এই ফোনটা কার?
(৫)
এক লোক মহাসড়ক দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিল হঠাৎ করে একটা টিয়াপাখি এসে তার গাড়ীর সঙ্গে ধাক্কা খেল। ধাক্কা খেয়ে টিয়াপাখিটি অজ্ঞন হয়ে পড়ে গেল। ঐ লোক অজ্ঞান টিয়াপাখিটিকে বাড়ী নিয়ে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা করিয়ে একটা খাঁচার মাধ্যে রাখলো। কয়েক ঘন্টা পরে টিয়াপাখিটির জ্ঞান ফিরে আসলে সে নিজেকে খাঁচায় বন্দি অবস্থায় দেখতে পায়। টিয়াপাখিটি ভাবলো- হাই আল্লাহ, আমি জেলে! তাহলে কি ড্রাইভারটা মারা গেছে!
(৬)
এক যুগল ৫ তারকা রেস্তরায় গেছে ডিনার করতে। ডিনারে তারা অন্যদিনের মতো রাইস, চিকেন ফ্রাই আর স্যুপ খেলো। খাওয়া শেষে দু'জনেই খুব পরিতৃপ্ত। এবার বিল দিয়ে বেরিয়ে আসবার পালা। এমন সময় ছেলেটা বলল যে, আমি আজ বিলটা দিতে পারছি না, মানিব্যাগে পর্যাপ্ত টাকা নেই। মেয়েটা বলল, কোনো সমস্যা নেই, আজ আমিই দিচ্ছি।
এরপর মেয়েটি বিল দিয়ে দিল। তারপর তারা দু'জনেই রেস্তরায় থেকে বেরিয়ে বাড়িতে চলে গেল।
(৭)
ভিজিটিং আওয়ার শেষ হযেছে অনেক আগেই। তখন হন্তদন্ত হয়ে এক স্মার্ট সুন্দরী তরুণী তার অল্প পরিচিত প্রেমিক ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করতে এল। ঢুকেই সে চেম্বারের সামনে বসা লোকটিকে বলল, আমি কি ডাক্তার বাবলু চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করতে যাবো?
লোকটি বললে-এখন তো ভিজিটিং আওয়ার শেষ হয়ে গেছে।
মেয়েটি কিছুটা ধমকের সুরে বলে- ওকে বলুন গিয়ে বলুন আমি এসেছি। তা হলেই হবে।
আপনি কে সেটা কি জানতে পারি? লোকটি জিঙ্গাসা করে।
মৃদু হেসে তরুণী বলল, নিশ্চয়ই, আমি ওর বোন।
লোকটি একটু তাকিয়ে থেকে বলল,-আচ্ছা আচ্ছা, খুব খুশি হলাম তোমকে দেখে। আমি বাবলুর বাবা।
(৮)
গৃহশিক্ষক ছাত্রীর প্রেমে পড়ার পরে কৌশলে তা তাকে জানানোর জন্য বলে-আচ্ছা তুমি ভয়েস করতে পারবে?
জ্বী স্যার।
আই লাভ ইউ কে এ্যাকটিভ ভয়েস থেকে প্যাসিভ ভয়েসে রূপান্ত কর।
ছাত্রীর ঝটপট উত্তর-আই হেট ইউ।
(৯)
এক স্কুলের শিক্ষক ছাত্রের উদ্দেশে বললেন বলতো বি.বি.সি- তে কি হয়।
ছাত্র :- স্যার বিবিসি তে হয় বেঙ্গল বিস্কিট কোম্পানি।
শিক্ষক :- ভারী বেয়াদব ছেলে!
ছাত্র :- আপনারটাও ঠিক স্যার।
(১০)
সন্ধায় দুই মাতাল নেশা করে নতুন এয়ার পোর্ট রোড দিয়ে বাড়ী ফিরছে। তাদের মধ্যে একজন একটু বেশি আর একজন একটু কম মাতাল হয়ে আছে।
কম মাতাল : দোস্ত, রাস্তার এক ধারে আয় পিছন থেকে একটা ট্রাক আসছে।
বেশি মাতাল : আরে দোস্ত, ট্রাক এলে কি হবে?
কম মাতাল : কি হবে মানে! ট্রাকটি আমাদের উপর দিয়ে চলে গেলে আমরা শেষ।
বেশি মাতাল : আরে রাখ দোস্ত! কত বিমান আমাদের মাথার উপর দিয়ে যচ্ছে আসছে কিছু হলো না আর এ সামান্য ট্রাক আমাদের উপর দিয়ে গেলে কি হবে?
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



