somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতে সংখ্যালঘু সন্তুষ্টি করার সহজ ফর্মুলা

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সম্প্রতি বিতর্কিত বই দ্য স্যাটানিক ভার্সেস-এর লেখক মুম্বাইয়ে জন্ম ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সালমান রুশদিকে ভারতের জয়পুর সাহিত্য উৎসবে আসতে দেওয়া হয়নি। আসতে দেওয়া হয়নি বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকেও। বাতিল করে দেওয়া হয় ১ ফেব্রুয়ারি ৩৬তম কলকাতা বইমেলায় তসলিমা নাসরিনের আত্মজীবনীমূলক 'নির্বাসন' বইয়ের সপ্তম খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান। এ নিয়ে চলছে বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। কেন আসতে দেওয়া হয়নি এ বিতর্কিতদের? কারণ সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত হতে পারে।উদীয়মান অর্থনীতির দেশ, ধর্মনিরপেক্ষ-গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কেমন আছে সংখ্যালঘু এ সম্প্রদায়ের মানুষ! রাষ্ট্র যখন তাদের নিয়ে এতই সজাগ।প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায়। তিনি নিজেই সংখ্যালঘু শ্রেণী থেকে এসেছেন। অপ্রাপ্তি আর বঞ্চনার যন্ত্রণা তার কম জানার কথা নয়। দেশভাগের অভিজ্ঞতাও তাঁর আছে। ফিফটিন পয়েন্ট প্রোগ্রাম ঘোষণা করেছিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের উন্নতির জন্য। ওই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ ছিল যেসব স্থানে নিয়মিত মুসলিম শিশুরা স্কুলে যাওয়ার সুযোগ হচ্ছে না, তাদের জন্য জওহার নবোদয় স্কুল হবে। নতুন করে এক হাজার ৫০০ বিদ্যালয় চালুর সিদ্ধান্ত হয়। কয়টি চালু হয়েছে?এখনো নিরক্ষরতার অন্ধকারে ডুবে রয়েছে ৪০ শতাংশ ভারতীয় মুসলিম। ১৪ বছরের নিচে মুসলিম কিশোর-কিশোরীর স্কুল থেকে ড্রপ আউট হওয়ার সংখ্যাবৃদ্ধি ঠেকানো যায়নি। কারণ দরিদ্র পরিবারের এই সন্তানদের সংসার চালানোর দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। ২০০৬ সালেই স্কুলছুট ছেলেমেয়েদের আবার ক্লাসে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, প্রাথমিকভাবে ২২ লাখ ড্রপআউটকে ফিরিয়ে আনা হবে। কত ছেলেমেয়ে আবার ফিরতে পেরেছে মিড ডে মিল পাওয়া স্কুলে?সারা ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিম প্রধান ৯৩টি জেলাকে চিহ্নিত করে জীবন যাপনের মানোন্নয়নে যে পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছিল, তার কাজটা কতটা এগিয়েছে? এই উন্নয়নের গ্রাফটা দেখতে পাওয়া যাবে না। কারণ ওটা দুম করে দেখানো সম্ভব নয়।তাই সংখ্যালঘু সন্তুষ্টির জন্য সহজটা বেছে নেওয়া হয়েছে সালমান রুশদিকে ভারতে আসতে না দিয়ে।সিইবিআর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিলে ২০১১ সালে ১০ নম্ব্বর, আর ২০২০ সালে ৫ নম্ব্বর হবে যে অর্থনীতি, সেই ভারতের শ্রমবাজারে মুসলিম সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ কেমন? নিয়মিত বেতনের আওতায় কাজ করে ১৩ শতাংশ। সরকারি, আধাসরকারী, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পে এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে শহর এলাকায় ৮ শতাংশ মানুষ কাজ করে। সরকারি আমলা ৩ শতাংশ। ইন্ডিয়া ফরেন সার্ভিসে ১ শতাংশ। ৫৭ শতাংশ মুসলিম স্বনিযুক্ত জীবিকায় যুক্ত। রাষ্ট্র থেকে তারা বিশেষ কোনো সাহায্য পায়নি। শুধু গলাভরা মনজুড়ানো প্রতিশ্রুতি আর ঘোষণা ছাড়া।ভারতের কোন রাজ্যে মুসলিম হাল সবচেয়ে খারাপ? কোথায় আবার সাচার কমিশনের রিপোর্ট অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে। ৩৪ বছর বাম আমলে মুসলিম ভোটব্যাংকের একটা বড় অংশ বামেরা ভোগ করে এসেছে। কারণ পশ্চিমবাংলার গ্রামগঞ্জের কৃষিজীবীদের সিংহভাগ মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত। ভাগচাষী সংস্কার এবং সর্বোপরি জমিবণ্টন কর্মসূচির মাধ্যমে সেই সমর্থনকে রীতিমতো নিজেদের ফিক্স ডিপোজিট বানিয়ে ফেলেছিল বামপন্থীরা। ৩৪ বছর বামেদের কৃতজ্ঞতা জানাতে জানাতে মুসলিমরা দেখল তাদের অর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তো সেভাবে হয়নি! পায়নি সামাজিক স্বীকৃতির কোনো নতুন দিগন্ত। বর্গাচাষি বাবা দিনভর মাঠে লাঙল চষে এসে শিক্ষিত ছেলেমেয়ের মুখ তো বাড়িতে পেলেন না! আর এসব স্বপ্নই দেখিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানেই বামদের কাছে স্বপ্নভাঙা অত্যাচারিত মানুষ, সেখানেই তিনি ছুটেছেন তাঁর স্বপ্নের ঝুলি নিয়ে। আর বুদ্ধদেববাবুর সরকার কী করল? জমি যেখানে একমাত্র ভরসা সেখানে তিনি উন্নয়ন করতে গেলেন জমি কেড়ে নিয়ে আধুনিক উচ্চপ্রযুক্তির কারখানা তৈরির সর্বনাশা নীতিতে। যেখানে কাজের সুযোগ কম। তার পরও পশ্চিমবাংলায় শিল্প শ্রমিকদের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয়। তাই মুসলিমরা কমরেড দাদাদের অ্যাকাউন্ট থেকে দিদির অ্যাকাউন্টে সুইচ করল, ২৫.২ শতাংশ ভোটের মধ্যে ২২.৪ শতাংশ ভোট পেয়ে 'মা-মাটি-মানুষের জন্য' নতুন সরকার এসে ২০০ দিনের মধ্যে যে প্রতিশ্রুতি পালন করবে বলেছিল তার কী হয়েছে? শুধু আলো ঝলমলে মঞ্চে মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের ডেকে এককালীন আর্থিক অনুদান আর পারিতোষিক দিয়েই লক্ষ্যপূরণ? দিশেহারা বোধ করছে কি বাংলার মুসলিম সম্প্রদায়! না বিভ্রান্ত হওয়ার কারণ নেই। মমতার সরকার সত্যি চেষ্টা করেছে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জন্য। এ জন্য তিনি যাঁকে নেত্রী মেনে রাজনীতি শুরু করেছিলেন, যাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুর পরে ভারতজুড়ে মাতমের জোয়ার চলছিল, সে সময় প্রথম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হন তিনি। সেই তিনি তাঁর সাবেক নেত্রী ইন্দিরা গান্ধীর স্মৃতিবিজড়িত ইন্দিরা ভবনের নাম পরিবর্তন করে করেছেন 'সংখ্যালঘুদের জন্য' নজরুল একাডেমী। কত আলোচনা-সমালোচনা, মিডিয়া কভারেজ। দিদি অনড় মুসলমানদের জন্য কত কিছু করছেন। এমনকি বিতর্কিত তসলিমা নাসরিনকে কলকাতা বইমেলায় আসতে দেওয়া হয়নি। পাকিস্তান থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে ইমরান খানকে।শুধু কি মুসলিম? দলিত এবং আদিবাসীদের নিয়েও কি রাষ্ট্র চূড়ান্ত অসম্মানের আচরণ বছরের পর বছর ধরে করছে না? ভোটের সময় কিংবা মিডিয়ায় আদিবাসী অধিকার নিয়ে সব রাজনৈতিক দল সোচ্চার। কিন্তু অরণ্যের অধিকার আজও আদিবাসীদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। পঞ্চায়েত প্রকল্পাবলির সুবিধা আরো বেশি করে আদিবাসী এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ও কর্মসূচি আছে। কিন্তু ভারত সরকারের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে মাওবাদী উপদ্রুত কোনো রাজ্যের আদিবাসী এলাকায় ওই কর্মসূচি নিয়ে যাওয়া হয়নি। তাহলে আদিবাসীর জন্য সরকার কি কিছুই করেনি? এ রকম ভুল ধারণার জন্য ওড়িশায় আদিবাসীর মেলা চলছে। ডোংরিয়া কোন্দা উপজাতি পুরুষ-মহিলাদের ওই সরকার আয়োজিত মেলায় মডেল সাজিয়ে দিনভর বসিয়ে, দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। দৈনিক ১০০ রুপি দেওয়া হচ্ছে দম্পতিদের। তাদের কাজ হলো গামছা আর গেঞ্জি এবং সাদামাটা শাড়ি পরে একটা মডেল পর্ণকুটিরের সামনে পোজ দিয়ে দিনভর দাঁড়িয়ে থাকা। দেশি-বিদেশি পর্যটক আসছে। তাদের ছবি তুলতে যেন অসুবিধা না হয়।ভোটের আগে সব কেঁদেকেটে_ বুক ভাসিয়ে দেয় দল বলেছিল বড়মা জিন্দাবাদ। কিন্তু আদতে কেমন আছেন তফসিলি ভাতিভুক্ত খেটে খাওয়া বাঙালি? যাদের নিয়ে ভোটের আগে সব দলই ঝাঁপিয়ে পড়ল সমর্থন পেতে, তাদের জীবনের মানোন্নয়নের কাজ কি দ্রুতবেগে এগোচ্ছে? পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪৫ লাখ অনগ্রসর তফসিলি জাতির বাস। আর দুঃখের কথা, এই বিপুল জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশ ক্ষেতমজুর। ট্রাইবাল পপুলেশন নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে তফসিলি উপজাতিদের সঠিক পরিসংখ্যান অবশ্য নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে। তফসিলি জাতি-উপজাতিদের জন্য প্রচুর গালাভরা সরকারি প্রকল্প আছে। মাঝারি মেয়াদের ব্যাংক লোন তার অন্যতম। আর ওই ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা সিংহভাগের আছে। কিন্তু পাচ্ছে কজন? অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষের সন্তানদের জন্য একলব্য স্কুলে কতজন পড়ছে? কয়টা স্কুল ঠিকমতো চলছে?তফসিলি জাতি ও অনগ্রসর শ্রেণীর মহিলা শিক্ষা এবং অন্যান্য পরিকাঠামোগত অভাবে ব্যাংকের থেকে কোনো ঋণ বা অনুদান পায় না। কিন্তু 'আইপিএল'-এর রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালুরু টিমের মালিক ধনকুবের বিজয় মালিহার কিংফিশার এয়ারলাইন্সকে বাঁচানোর জন্য রাষ্ট্র ঠিকই স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়াকে দিয়ে দ্রুত সিন্ডিকেট লোন পাস করায়। অথচ কাজ এবং কায়িক পরিশ্রমে পিছিয়ে না থাকা তফসিলি জাতির দরিদ্র মহিলাদের জন্য আছে মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা। কেমন চলছে সেই প্রকল্প? উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ শিক্ষা ঋণের ঘোষণা করা হয়েছে সরকারি তরফে। কারা পাচ্ছে এবং কতজন পেয়েছে এ ঋণ? এ প্রশ্নগুলো করা কি তাড়াতাড়ি হয়ে যাচ্ছে? আরো সময় দেওয়া উচিত সরকারকে? মেনে নিলাম। মেনে না নিয়ে উপায় কী? কারণ এমন তো নয় যে এই পিছিয়ে পড়া শ্রেণীগুলোর জন্য কিছুই হচ্ছে না! মাতুয়া এক্সপ্রেসের ঘোষণা এবং এই সুন্দর শীতের আমেজে জঙ্গলমহল উৎসব কে করল তাহলে?বহু বছর থেকে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু, দলিত, আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য একটা ইক্যুয়াল অপরচুনিটি কমিশন গঠন করা হোক ব্রিটেনের ধাঁচে। ব্রিটেনে ইউকে রেস রিলেশন অ্যাক্ট যেমন আছে। ওই কমিশনের মাধ্যমে প্রতিবছর পূর্ণ বাজেট বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু কমিশনের হাতে হাতে সব ক্ষমতা চলে গেলে ভোটের সময় ঘোষণা করার মতো তো কিছু থাকবে না। একটা প্রক্রিয়া শুরু করার চেয়ে ভোটের আগে গরম গরম কিছু দিলে ভোটের নিশ্চয়তা তো আছেই।এই পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর চেয়ে ভারত সরকারের কাছে প্রিয় কিছু মুষ্টিমেয় সাম্প্রদায়িক মানুষ। এমনকি গুটিকয়েক হাজির করে জয়পুর সাহিত্য উৎসব কিংবা কলকাতা বইমেলায় হাজির হয়ে আওয়াজ দেওয়ার এই বিচ্ছিন্ন সংগঠনগুলোকে ধর্মনিরপেক্ষ ভারত রাষ্ট্র ভারতরত্ন দিতেও পিছপা হবে না। কারণ এদের জন্যই একটা গোটা সম্প্রদায়ের বা পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর আর্থিক বিকাশ ঘটানোর কঠিন কাজটা করতে হচ্ছে না। এই কর্মযজ্ঞতে যে বিপুল অর্থ বরাদ্দ ও সদিচ্ছা থাকা দরকার, তার হ্যাপার কোনো সরকার নিতে চায়? তার থেকে অনেক সরল পন্থা হলো_রাজনীতির জুয়ায় মাঝেমধ্যে বিতর্কিত সালমান রুশদি, তসলিমা নাসরিনদের ট্রাম্পকার্ড হিসেবে ব্যবহার করা। এতেই চলে আসে দান, সংখ্যালঘুদের ভোট-সমর্থন, সংখ্যালঘুদের প্রতি সহমর্মি জনগোষ্ঠীর হাততালি, আরব শেখদের মারহাবা, প্রতিবেশী মুসলিম প্রধান দেশগুলোর বাহবা। এতে প্রমাণিত হয়, হিন্দু প্রধান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গণতান্ত্রিক-ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রটি সংখ্যালঘুদের ধর্মানুভূতির প্রতি যথেষ্ট দায়িত্বশীল। অতএব মুসলিম প্রধান দেশগুলোর ভারতীয় পণ্য ব্যবহারে কোনো 'কিন্তু' থাকল না। আর সালমান রুশদি, তসলিমা নাসরিনদের লাভ? প্রচারই প্রসার আর সেটা যদি বিতর্কিত হয় কথাই নেই।কিন্তু সুখের কথা, রাষ্ট্রের এই ব্যবহারে জীর্ণ হয়ে যাওয়া প্ল্যান সম্ভবত আর চলবে না। এই সালমান রুশদি, তসলিমা নাসরিনকে সামনে রেখে তাদের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা যে সরকার তাদের পাশে আছে, এই অপকৌশল এখন মুসলিম সম্প্রদায়ের সিংহভাগ অংশই মন থেকে মেনে নেয় না। প্রমাণ শুধু শহরগুলোতে নয়, প্রত্যন্ত গ্রামেও।উত্তর প্রদেশের জৌনপুর, ভাদোই জেলার মহারাজপুর, চৌকিয়া গ্রামগুলোর অর্থনীতি চলে কার্পেট তৈরি করে। ঘরে ঘরে কার্পেট তৈরি হয়। আর গ্রামগুলো সম্পূর্ণ মুসলিমপ্রধান। কিন্তু ২০০৭ সালের রাজ্য বিধানসভা এবং ২০০৯ লোকসভা ভোটে এই গ্রামগুলো থেকে কে ভোট পেয়েছে? মুসলিম দরদি মুলায়ম সিং যাদবও নয়, মুসলিম ফেভারিট কংগ্রেস নয়। ভোট পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া দলটি, যারা হিন্দুবাদী হিসেবেই পরিচিত। মুসলিমপ্রধান ওই গ্রামবাসীর সাফ কথা, স্থানীয় সমাজসেবী অজয় রাই বিজেপি করেন ঠিকই, কিন্তু তিনিই সর্বদা তাদের গ্রামগুলোতে আসা-যাওয়া করেন, তাদের কার্পেট বাইরে বেশি দামে বিক্রির সুযোগ করে দেন। সুতরাং তিনিই তাদের বন্ধু। সেই সালমান রুশদি, তসলিমা নাসরিনরা কিংবা ইমরান খান এলেন না গেলেন, তাতে বয়েই গেল! অর্থাৎ তারা মোক্ষম বার্তা দিয়েছেন শেষ বিচারে আমাদের সন্তানদের দুধে-ভাতে রাখার দায়িত্ব রাষ্ট্রেরই।তার পরও হাততালি কিংবা মারহাবা দিয়ে লাভ নেই, জনগণের দাবি পূরণ না করে জিইয়ে রাখার জন্য রাষ্ট্র সব সময় নানা ইস্যু পেয়ে যায়। আর কিছু অন্ধ তাতে সমর্থন দিয়েই যায়।
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×