আমার প্রিয় পোস্ট

যদি এ আমার হৃদয়দুয়ার বন্ধ রহে গো কভু দ্বার ভেঙে তুমি এসো মোর প্রাণে, ফিরিয়া যেয়ো না প্রভু।

এই আমি তোমার জন্য।

২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

শেয়ারঃ
0 0 0

ব্লগার ফারহান আমাকে বলে, আমি নাকি শুধু বড়দের সংসারী গপ্পো লিখি।
আজ ওর জন্য একটা প্রেমের গল্প লিখলাম। রামু এটা তোমার জন্যও।

ইয়াকুত আজ একটা বড় বিপদে পড়েছে। ছোটি খাটো বিপদে পড়লে ও সাধারণত রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করে। কিছু ক্ষণ আগেও তাই রবীন্দ্রনাথের কবিতা আওড়েছে---- "বিপদে মোরে রক্ষা কর, এ নহে মোর প্রার্থনা।বিপদে আমি না যেন করি ভয়।" কারণ ভেবেছিল- বিপদটা বুঝি বেশ ছোট খাটো।
কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে এখন আর সেরকম মনে হচ্ছে না। রবীন্দ্রনাথ এই মুহূর্তে কোন কাজেই আসছে না। তাই আল্লাহকে ডাকা শুরু করেছে। ওর যে বিপদ তাতে এখন আল্লাহই একমাত্র ভরসা।
এই সকালবেলা ইয়াকুত একটা মিশন নিয়ে বের হয়েছে। অফিস যাবার বদলে যাচ্ছে মিরপুরে। সঙ্গে তার ব্যাক্তিগত ড্রাইভার। মানে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত গাড়িখানা নিয়ে বের হয়েছে। ইযাকুত জানে, এই মিশনের উপর নির্ভর করছে ওর সমগ্র জীবন।

আপা এইটা তো একটা চিপা গলি, গাড়ি নিয়া ঢুকতে পারমু কিনা সন্দেহ আছে।

একটু চেষ্টা করে দেখেন না- মালেক ভাই। ইয়াকুত নরম কণ্ঠে বলে। এই এলাকাটা খুবএকটা চেনে না সে। আজই প্রথম এসেছে।
ছেলেটা যে কই থাকে, আল্লাহই জানে। আধাঘন্টার উপরে মিরপুর সাড়ে এগারো তে গাড়ি নিয়ে ঘুরছে। ঢাকা শহরে বাড়ি খোঁজা যে এত কষ্টের, ইয়াকুত আগে বুঝতে পারেনি।
চেষ্টা করেও মালেক গাড়ি ঢোকাতে পারে না। অগত্যা গলির মুখে গাড়ি ছেড়ে দিয়ে পায়ে হেঁটে আরও কিছুটা পথ সামনে এগোয় ইয়াকুত। গলির শেষ মাথায় চায়ের দোকানটার পাশে একটা ছেলেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে, ইয়াকুত ডাকে- এই যে ভাই শোনেন?
এখানে ছোটনদের বাসাটা কোথায়? বলতে পারবেন। এই যে বাসা নম্বর।
ইয়াকুত একটা কাগজ এগিয়ে দেয়।
ছেলেটা বাসাটা দেখিয়ে দেয়। যাক বাবা পাওয়া গেল তাহলে। এটা এখন সে যাকে খুঁজছে সেই ছোটনদের বাসা হলেই হয়।!
দুবার ডোরবেল দেবার পর, মৃদু আওয়াজে দরোজাটা খুলে যায়। সামনে দাঁড়িয়ে আছেন ছোটখাটো একজন মধ্যবয়সী নারী। চেহারায় কেমন সেলিনা হোসেন, সেলিনা হোসেন ভাব আছে। মুখটা মায়াময়। ওঁর যৌবনে বেশ সুন্দরী ছিলেন - দেখলেই বোঝা যায়।
ইয়াকুতের চিনতে ভুল হয় না। সব মায়ের চেহারাই অনেকটা এরকমই হয়।
খালাম্মা স্লামালেকুম।
এটা কি ছোটনদের বাসা?
মহিলা ইতিবাচক মাথা নাড়েন।
মহিলার কপালে অস্পষ্ট অপরিচিত জনকে দেখার ছায়া পড়ে, তোমাকে তো ঠিক--
খালাম্মা আমার নাম ইয়াকুত। আমি ছোটনের সঙ্গে কাজ করি। ছোটন তিন দিন ধরে অফিস যাচ্ছেনা, তাই ভাবলাম একটু খোঁজ নিয়ে যাই।
একদমে কথা শেষ করে সে।
ও আচ্ছা, এসো মা ভেতরে এসো। মহিলার কণ্ঠে উষ্ণতা ঝরে পড়ে।
ছোট্ট ছিমছাম ড্রইং রুমের একটা সোফায় বসতে বসতে- ইয়াকুত আবার প্রশ্ন করে, ছোটন কি বাসায় আছে? ওর শরীর ভালো?
মহিলা ইয়াকুতের উৎকণ্ঠায়, স্নেহের হাসি হাসেন।
হ্যাঁ মা ও ভালো আছে। ও ঘুমাচ্ছে। তুমি বসো আমি ডেকে দিচ্ছি।
মহিলা যাবার জন্য উদ্যত। ইয়াকুত আবার থামায়---- খালাম্মা, আমি কি ওর সঙ্গে ওর ঘরে কিছুক্ষণ কথা বলতে পারি?
মহিলা, এক পলক ওর মুখের দিকে তাকিয়ে কি যেন ভাবলেন-- তারপর মৃদু হেসে বল্লেন-- ঐ যে মা ঐদিকে ওর ঘর।
তীর একবার ছোড়া হয়ে গেছে। ওর আর কিছুই করার নেই।
খুব অস্বস্তি নিয়ে, ধীর পায়ে ইয়াকুত দরোজায় টোকা দেয়।
বেশ ক'বার টোকা দেবার পর-- দরোজাটা খুলে যায়। ছোটন ভূত দেখার মত চমকে ওঠে।
তোতলায়-- আ আপনি? এত সকালে? এখানে?
-যান তো ফ্রেশ হয়ে আসুন। তারপর কথা হবে।
ছোটন ভীষন বিব্রত ভঙ্গিতে ঘরের এদিক ওদিক তকিয়ে কোন সিদ্ধান্তে আসতে না পেরে, বের হয়ে যায়।
-ঘরের ভেতর ঢুকতেই বিপরীত দেয়ালে ঝোলানো, চে গুয়াভারার বিপ্লবী মুখটা চোখে পড়ে ইয়াকুতের।
মেঝেতে বিছানা। মশারীটা খুব অযত্ন করে লাগানো। মশারীর একটা কোনা অসমানভাবে ঝুলে আছে। ঘরময় নানান বইয়ের স্তুপ।
কোনায়, ছোট্ট স্টিরিও সেটটার কাছে ছড়ানো অনেক সিডি। স্টিরিওটার পেছনে পুরানো একটা গীটার দাঁড় করানো। কম্পিউটারটা মাথার কাছে। সিঙ্গল ওয়াড্রোবটার একটা ড্রয়ার আধখোলা।
এ্যাশট্রে উপচে পড়ছে-- সিগারেটের শেষাংশে। এখনও এই ঘরটিকে এক্কবারে পারফেক্ট একজন ছাত্রর ঘর বলা যায়। কোথাও বসবার জায়গা না পেয়ে, বিছানার এক কোনায় চাদরটা একটু টেনে ঠিক করে আয়েস করে বসে ইয়াকুত অপেক্ষা করে ছোটনের জন্য।
বেশ অনেকক্ষণ পরে ছোটন একটা ট্রেতে দু কাপ চা আর হাল্কা নাস্তা নিয়ে ঢোকে।
শোভন দূরত্ব রেখে ছোটন বিছানায় ইয়াকুতের মুখোমুখি বেশ লাজুক ভঙ্গিতে বসে।
এটা আপনার ঘর?
প্রশ্নের ধরণে ছোটন হাসে।
আপনি হঠাৎ কি মনে করে?
আপনাকে গান শোনাতে এসেছি।
মানে? এটা আবার কি ধরণের কথা হল?
হল না? তাহলে বলি, আপনাকে দেখতে এসেছি।

আপনি আজ তিন দিন অফিসে যান না । কেন?
ও আচ্ছা আমি তো চাকরীটা ছেড়ে দিয়েছি।
বাহ! দারুণ তো। একদম মিলে যাচ্ছে।
মানে?
তখন থেকে মানে মানে করছেন কেন?

আপনাকে আমি আসলে একটা কথা বলতে এসেছি।
মনে মনে ছোটন একটু বিরক্ত হয়। এই হল বড় লোকের বাচ্চা-কাচ্চার একটা সমস্য।
নিজেরা যে অন্যের সমস্যা তৈরী করে, এটা তারা কখনই ধরতে পারে না। মন যা চায়, তাই করার জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকে।
মাকে সামলাবে কি করে, সেই চিন্তায় ছোটন অস্থির, আবার এই মেয়ে এখন নাটক করছে।
কি বলবেন, প্লীজ তাড়াতাড়ি বলুন। নিন চা নিন। তারপর যা বলবার সংক্ষেপে বলে, বিদায় হন।
ছোটন বুঝতে পারে ওর মেজাজ চড়ে যাচ্ছে। একেতো হঠাৎ ঘুম থেকে উঠেছে, আবার ঘুম থেকে ওঠার পর এখন পর্যন্ত একটা সিগারেটও খাওয়া হয়নি।
আচ্ছা আমি সরাসরি বলছি। ইয়াকুত স্পষ্ট চোখে তাকায়, ছোটনের দিকে।
আপনার সাথে কাজ করছি, তিনমাস হল। এই তিনমাসে আপনাকে যতটুকু দেখেছি, আপনাকে আমার খুব ভালো লেগেছে।
আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই। আপনি রাজী থাকলে আমি আমার মাকে পাঠাবো, আপনার মা'র কাছে।

এই পাগল বলে কি? আপনার মাথার ঠিক আছে? আর তিনমাসেই আমাকে চিনে ফেল্লেন?
-সারাজীবন এক সঙ্গে থাকলেই কি মানুষ চেনা যায়?
আপনার কি মনে হয় না, আপনি একটু বাড়াবাড়ি করছেন?
-হ্যাঁ, একটু না অনেকখানি বাড়াবাড়ি করছি। সেইজন্য আমি দুঃখিত। কিন্তু আপনাকে এইভাবে বলা ছাড়া আমি আর কোন পথ পাচ্ছিলাম না।
কেন? ছোটনের কণ্ঠে পরিষ্কার বিস্ময়!
-আপনি রবীন্দ্রনাথের লিপিকা পড়েছেন?
ঐ যে একটি লোককে স্বর্গের দূতরা মার্কা ভুল করে, কেজোদের স্বর্গে নিয়ে আসে। এরপর লোকটি যেখানেই যায়, সবাই তাকে সরে যেতে বলে--কারণ সবাই খুব ব্যাস্ত।শুধু এ লোকটিরই কোন কাজ নেই।
অকেজো লোকটি আর কি করবে? ঝর্ণাতলায় গিয়ে বসে থাকে। সেই ঝর্ণায় রোজ স্বর্গের মেয়েরা জল নিতে আসে।
অকেজো লোকটি মেয়েদের জল তোলার পাত্রে ছবি এঁকে দেয়। চুল বাঁধার রঙ্গিন ফিতা বুনে দেয়। এমন সব কাজ করে, যার কোন মানে নেই।
মেয়েরা এসব দেখতে গিয়ে কাজে ভুল করে বসে। মন উদাস করে থাকে।
তারপর কেজোদের স্বর্গে ঐ ভুল লোকটির বিচার হয়। তারা লোকটিকে বিদায় করে দেয়--- লোকটি চলে যাবার সময় দেবতারা দেখলেন, স্বর্গের মেয়েরাও লোকটির সাথে স্বর্গ ছেড়ে চলে যেতে চায়। স্বর্গে এই প্রথম এমন একটি ঘটনা ঘটে যার কোন মানে নেই।
আপনি আমার চোখে সেই ভুল লোক। যার জন্য আমি স্বর্গ ছাড়তে রাজি আছি।
এই আমার ফোন নাম্বার-- ০১৭১------
যদি আমাকে কখনও ফোন করেন, আমি ধরে নেব- আপনি রাজী। আর আমার মাকে বলবো আপনার মা'র সঙ্গে দেখা করতে।
এরপর ছোটনকে কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে ইয়াকুত বিদায় নেয়।

গত ১৫ দিন ধরে ছোটনের প্রায় দূর্দিন চলছে। দিনে কম করে হলেও মা একবার মেয়েটার খোঁজ নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত তারপরও ছোটন সব চালিয়ে নিচ্ছে কারণ মা এখনও বাংলা সিনেমার ডায়ালগ দেওয়া শুরু করেনি।
"ছেলের বউ না দেখে মরতে চাইনা টাইপের--"
মা রীতিমত গোয়েন্দাগিরি শুরু করেছে। কাছের বন্ধুদের বলে বেড়াচ্ছে, মেয়েটার একটু খোঁজ নাওতো? সেই যে গেল ---- ইত্যাদি নানান রকমের যন্ত্রনা।
ছোটনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু সম্প্রতি বিয়ে করেছে। বউ যখন থাকে তখন তার টিকির নাগাল পাওয়া যায়না।
ক‌'দিনের জন্য বউ গেছে বাপের বাড়ি। এবার বান্দার দেখা মিললো। সে রাত্রি যাপনের উদ্দেশ্যে একদিন এলো আমার বাড়িতে। ছোটন ভেবেছিল, ওকে একটু বুঝিয়ে বলবে। বল্লো- মাকে একটু বল্ আমার চালচুলোর ঠিক নেই- চাকরী নেই। বউকে খাওয়াবো কি?
এসব সাত-পাঁচ শুনে বন্ধু দা'ত কেলিয়ে বল্লো--- তোর তো উইকেট পড়ে যাচ্ছে হে!
মানে?
মেয়েটার কোন খোঁজই নিচ্ছিস না আবার বিয়ে করে খাওয়াবি কি এসব নিয়েও ভাবছিস। কথার এখানেই ইতি টানতে হল।
ছোটন মনে মনে ভাবে, আসলেই কি আমি খোঁজ নিচ্ছিনা?
এ মেয়ে ভারী ডেঞ্জারাস। ইদানীং আমার স্বপ্নেও হানা দিচ্ছে। কিন্তু বন্ধুকে বলার সাহস হচ্ছে না। তাহলে মা'র কান পর্যন্ত ঠিক পৌঁছে যাবে।
এত দূরাবস্থার মাঝেও একটা ছোট্ট সুখবর হল ছোটন এর মধ্যে একটা চাকরী আবার কেমন করে যেন জুটিয়ে ফেলেছে। সব প্রায় ঠিক হয়ে যাচ্ছিল-- হঠা‌ৎই একটা দূর্ঘটনা ঘটে যায়-- আসলে নিয়তির উপর কারও হাত নেই------------
ছোটন নতুন অফিসের কাজে মোটামুটি ব্যস্ত। এর মধ্যেই একটা বিশেষ প্রয়োজনে ইয়াসীন ভাইকে ফোন করতে গ্রামীণের নম্বরটা ঘোরায়।
হ্যালো কে? ইয়াসীন ভাই?
- না দুঃখিত আপনি ভুল নাম্বারে ফোন করেছেন। আপনি সেই ভুল লোকটা না?
আমি ইয়াকুত। আমি জানি আপনি আমাকে ভুল করে হলেও ফোন করবেন। এতদিন আপনার ফোনের অপেক্ষাতেই ছিলাম।
শোন ইয়াকুত-----
বলুন, তবে কাল সকালে আমার মা আপনার সঙ্গে দেখা করতে যাবে।
ইয়াকুত শোন
বলুন?
তোমাকে নিয়ে এক'দিন আমি খুব ভেবেছি।
---কি পেলেন?
সত্যি শুনতে চাও?
খুব খু---উ---ব শুনতে চাই। আপনার কথা শুনবো বলেই তো এমন তৃষ্ণার্ত হয়ে আছি।
যদি কোন কঠিন কিছু বলি---
--- আমি কঠিনের সাথে একবার লড়াই করতে চাই। শুধু একবার সংশপ্তক হতে চাই।
---শোন মেয়ে, আমি ভুল করে নয়- সত্যি সত্যি স্বর্গচ্যূতি চাই।
যাবে আমার সঙ্গে?




 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪১
কালপুরুষ বলেছেন: পড়ার জন্য উঠিয়ে রাখলাম।
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা, পড় কিন্তু সময় করে।

২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: ওক্কে ব্রেশ।

৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৫
চোরকাঁটা বলেছেন: কুত কুত আবার কেমন নাম আফা :(
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০৯

লেখক বলেছেন: আর কইয়েন না, আজকাল দেশে যে হারে সব বাচ্চাদের কঠিন নাম রাখে। আর বড়লোকের বাচ্চা-কাচ্চা হলে তো কথাই নেই।

নামটা আসলে দিয়েছিলাম এই জন্য যে, ছোটন নামটা নিয়ে মজা করবে। কিন্তু সময় পাইনি।


ইয়াকুত মানে একটা দামী পাথর।

৪. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১০
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আহ...নিখাদ ভালোবাসা। এই তো চাই! ফারহান ভাইরেই জাঝা!:P
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন: হুম হইছে কিনা জানিনা। তবে ফারহানদের মত ভালো ছেলেগুলানের একটা নাছোড়বান্দা টাইপের ভালো মেয়ে দরকার।

নাইলে এদের ভবিষ্যত অন্ধকার----হা হা হা

৫. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: দারুন অ্যন্ড দারুন

দারুন একটা গল্প পড়লাম...... :)

সত্যিই দারুন
৬. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৩
ফেরারী পাখি বলেছেন: সত্যিই এই প্রথম কেউ আমার এই গল্পের এত সুন্দর প্রশংসা করলো।

দোমাকেও দারুণ ধন্যবাদ।
৭. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৫১
পারভেজ বলেছেন: দ্বিতীয়বার পড়ার পর ভালোলাগাট বাড়লো-
ইয়াকুত যদি এই প্রজন্মের প্রতিনিধি হয়, তার চরিত্র চিত্রণ টা অনেকটাই মিলেছে মনে হয়।
ছোটনকে অবহেলা করেছে লেখক। ১৫ দিনের ভেতর তাদের ভাবনাগুলি এড়িয়ে যাওয়াটা ফাঁকি বাজি হয়েছে :|
গল্পটা উপভোগ্য :)
২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।

আপনি ঠিকই ধরেছেন। আসলে এত অল্প সময়ে সব ঠিক লেখা যায় না।

৮. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৪
বকুল০৮ বলেছেন: বেশ তো... হঠাৎ যেন শেষ হয়ে গেলো... উপভোগ্য!
২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বকুল। ইহাকেই বলে ছোট গল্প।

হা হা হা মজা করলাম।

৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫০
এস রহমান বলেছেন: দারুন একটা গল্প পড়লাম......
২৮ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এস রহমান। এমন প্রশংসা পেলে কার না ভালো লাগে বলুন।
আমার খুবভালো লাগছে।

১০. ২৮ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২
খড় কুটো বলেছেন: চমৎকার একটা ফাঁকি দিয়েছেন। পারভেজে'র কথার সাথে আমি একমত।

একটানা টাইপ করার ক্লান্তির কারনেই কি হটাৎ গল্পের ইতি টানলেন।
২৮ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: আমি মানুষটাই মহা ফাঁকিবাজ। তাতে আবার ক্লান্ত। মাঝে মাঝে লিখতে ইচ্ছে করে--- কিন্তু এই লেখাটার জন্য সময়ের সাথে কি পরিমাণ যে লড়াই করতে হয় বলে বোঝানো যাবে না।

আপনার বাড়িতে দুবার গেলাম। কোন পোষ্ট নেই। লিখুন, পড়ি।

১১. ২৮ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
সহেলী বলেছেন: ভাল লিখে দিলে ছোটন ইয়াকুতের গল্প । আরো লেখ হাত খুলে -- আমরা পড়তে চাই ।
১২. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১২
ফেরারী পাখি বলেছেন: হাত খুলে লিখলেও, কেউ মন খুলে পড়ছে না। ভাবছি কবিতা তো লিখতে পারি না।

গল্পও তেমন চলে না--- তাই কিছু জ্ঞানী পোষ্ট দেব।

হা হা হা
১৩. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: বাস্তব কঠিন হলেও গল্প মিষ্টি,এরপর কোথাও জয়েন করলে সহকর্মীদের দেখে নিতে হবে:)
অধমকে নিয়ে এই পরিশ্রম করায় খুবই লজ্জা পাইলাম,কৃতজ্ঞতা জানানোর চেষ্টাও করলাম না। মানুষ যখন এভাবে স্নেহ করে,তখন মনে হয় জীবনের কোন ছোট ছোট কাজই বৃথা যায় না,মানুষের জীবনটা খুব বেশি অর্থবহ। ভালো থাকবেন সবসময়।
আর হ্যাঁ,সংসারী গল্পের ভারে একটু দমবন্ধ হচ্ছিলাম,এটা খোলা হাওয়া:)
১৪. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২৬
ফেরারী পাখি বলেছেন: যাক শেষ পর্যন্ত যে পড়েছ, এতেই আমি খুশী।
তার সঙ্গে এত সুন্দর একটা মন্তব্য ফাও। দারুণ ব্যাপার।
১৫. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: ৪ দিন বাড়ি ছিলাম না,ফিরলাম আজকে,এইজন্য দেরি।
১৬. ২৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৮
ফেরারী পাখি বলেছেন: ওহে ক্ষুদে এখন মনে হচ্ছে তোমার চরিত্রটাকে ঠিকটাক আঁকতে পারিনি।

তোর এই হঠাৎ হঠাৎ ট্যুরে যাবার ব্যাপারটা বাদ পড়ে গেছে।

কি করি বলতো, নায়িকার নামটা বদলে দেব নাকি?

আমার ধারণা মধ্যবিত্ত ঘরের আদরের ছোট ছেলেদের ছোটন মার্কা নামই হয় সাধারনত। আবার তোদের জেনারেশনে কঠিন এবং জটিল মান এক্সেপশনাল নাম রাখাটা একটা ফ্যাশন---- দুটোর কম্বিনেশন করলাম।

আবার মনে হচ্ছে ইয়াকুত নামটা যাচ্ছে না।
১৮. ২৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২২
ফেরারী পাখি বলেছেন: আহারে! তোকে আর হুবহু কপি করা যাচ্ছে না। তাহলে তো নায়কের নাম ফারহান করে দিতে হয়।


যাই হোক, একটা সমস্যার কথা বল্লাম--- সেটার কথা কিছুই বল্লি না।


ভালো থাকিস ভাই।

আমার ছোট ভাইটাও এক পিস। মানে ভাইয়ের মধ্যে । খানিকটা তোর মতই।
১৯. ২৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: সমস্যা সমাধান করা আমার কাজ না,লেখকের কাজ,হেহেহে।:)
২০. ২৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
মনজুরুল হক বলেছেন:

ডিসক্লেইমারঃ মনযোগ দিয়ে পড়ার মত সুস্থির অবস্থায় নেই। তাই শুধু চোখ বুলিয়ে গেলাম। পরে পড়ব। তবে "ইয়াকুত" নামটা পছন্দ হলো।

শেষ রাতের শুভেচ্ছা।
২১. ২৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩
ফেরারী পাখি বলেছেন: শেষ রাতের শুভেচ্ছা শুধু নয়, এটা আমার জন্য সম্মাননাও বটে। ধন্যবাদ মনজু ভাই।

একটা সমস্যার সমাধান পেলাম।
২২. ২৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮
মনজুরুল হক বলেছেন:

আমি তো কোন সমাধান দেই নাই ! তো আপনি কি সমাধান পেলেন ? ইয়াকুত নিয়ে টেনশনে ছিলেন ?
২৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: হুম।

২৩. ২৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:১৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ইয়াকুত আজ একটা বড় বিপদে পড়েছে। এর মধ্যেই বেশ কয়েকবার আল্লাহকে ডেকেছে। কিন্তু তাতে ওর ভয় কাটছে না। তাই রবীন্দ্রনাথের কবিতা আওড়ানো শুরু করেছে। "বিপদে মোরে রক্ষা কর, এ নহে মোর প্রার্থনা।বিপদে আমি না যেন করি ভয়।"

-------------ইয়াকুত আজ একটা বড় বিপদে পড়েছে। রবীন্দ্রনাথের কবিতা আওড়ানো শুরু করেছে। "বিপদে মোরে রক্ষা কর, এ নহে মোর প্রার্থনা।বিপদে আমি না যেন করি ভয়।" কিন্তু তাতে ওর ভয় কাটছে না। তাই আল্লাহর নাম ডাকা শুরু করেছে।

-----------------
এভাবে পড়তে ভাল্লাগে, ছন্দ থাকে (ব্যাক্তিগত অভিমত)।

-----------------
প্রাণবন্ত লেখা, তবে বিকশিত হতে পারত আর-ও।
২৪. ২৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪২
ফেরারী পাখি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। এই লেখা কারও ব্যাক্তিগত অনুভূতিকে আঘাত করবে, বুঝতে পারিনি।

সমস্যাটা আরও বড় হতে পারে তাই ঠিক করে দিচ্ছি।
২৫. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩২
কালপুরুষ বলেছেন: গল্পের প্রতি নেশা কম। পড়লাম। চমৱকার লিখেছো। তুমি সব রকমের লেখাতেই সমান স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করো বুঝতে পারি।

কিছু ছন্দ রেখে গেলাম। সুর দেয়া যায় কিনা ভাবছি--

আকাশের শুকতারা নয় বেশী দূর,
তুমি আজ আমায় ছেড়ে আছো যতদূর।
কাঁদে যদি আকাশ তবে বৃষ্টি ঝরায়,
আমার কান্না সেতো নদী হয়ে যায়।
দুঃখের সাথে আমি করেছি যে ভাব,
এই বেশ ভুলে থাকা তোমার অভাব।
রাতের কপালে আঁকি আঁধারের টিপ,
ভালবাসায় জ্বেলে রাখি মঙ্গলদীপ।


৩১ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: চমৎকার দাদা, সত্যি সুর দিয়ে ফেল।

আর সুর দিলে আমাকে অবশ্যই জানাবে কিন্তু। শুনতে চাই।

২৬. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৪
সাইফুর বলেছেন: প্রথম বার এই পোষ্টে ঢুকে ঘুরে গেছি..এত বড়... :(

এবার পড়লাম...ভালো লাগছে :)
৩১ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: ধইন্যা। গল্প তো একটু বড়ই হয়ে যায়।

২৭. ৩১ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:০১
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আপনি মন্তব্য পাঠ করে ভুল উপলব্ধি করেছেন। আমি রচনার স্রোত সম্পর্কে বলেছি, অর্থ্যাৎ আমার কাছে ঐভাবে পাঠ করলে টান পাওয়া যাচ্ছিল। এখানে ধর্ম কিংবা আনুষঙ্গিক বিষয়াদির উপস্থিতি নাই।

ব্যক্তিগত জীবনে আমি ধর্ম-সচেতন নই।
৩১ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: যাক তাও একদিকে রক্ষা। আর আসলে যখন আমার লিখতে ইচ্ছে করে, তখন যে ভাবে মাথায় আসে সেই ভাবেই টাইপ করি এবং পুনঃবিবেচণা করি না। তাই অসঙ্গতি থেকেই যায়।

থাকে প্রচুর মুদ্রণ প্রমাদ। কিন্তু ব্লগে একটা সুবিধা যে কেউ না কেউ সেটা ধরিয়ে দেয়।

এতে দুটো সুবিধা হয় আমার- ১. ভালো লেখকদের সৎ পরামর্শ পাই আর ২. নিজের অভিজ্ঞতাকে ঋদ্ধ করতে পারি।

ধন্যবাদ আপনাকে। আমি আপনার মতামতকে ভুল বুঝিনি।
আবারও শুভেচ্ছা রইলো।

২৮. ৩১ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
তনুজা বলেছেন: পড়ার জন্য উঠিয়ে রাখলাম।
৩১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৯. ৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০
অপ্‌সরা বলেছেন: চোরকাঁটা বলেছেন: কুত কুত আবার কেমন নাম আফা


আমিও ঠিক এই খোঁচা দেওয়া কাঁটাটার মতই ভাবছিলাম এটা কেমন নাম দিলো আপুটা?


তবে তুমি একজন বড় গল্প লেখিকা সেটাই বুঝলম।
৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: অপ্সরা একটা সুন্দর নাম ধার দেবে নাকি গো?


শেষের লাইন টা তো "গরুর খাঁটি দুধ না খাঁটি গরুর দুধের মত আউলা লাগতাসে"

বড় গল্প লেখিকা মানে কি?

আমি কি আসলেই বেশী বড় গল্প লেখি?

৩০. ৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩
রাতমজুর বলেছেন:

ব্লগার পরিসংখ্যান

* পোস্ট করেছেন: ৮টি
* মন্তব্য করেছেন: ১৩০২টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ২৯১টি
* ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ৪ সপ্তাহ
* ব্লগটি মোট ১৫১২৫ বার দেখা হয়েছে

একটা কুয়েচ্চেন আছিলো, গরমমসল্লা দিয়া বাগাড় দিয়া পেশ করুম না পাঁচফোড়োন দিয়া?
৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

লেখক বলেছেন: ওক্কে পাঁচফোড়ন বেশী ভালা পাই, তয় গরমমসল্লা মিশাইলেও অসুবিধা নাই।

৩৩. ৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: এতো কম লেখেন কেন?
গড়লাম।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: জনাব রে একটা লেখা উৎসর্গ করসিলাম। পড়িলে বাধিত থাকিব।

৩৪. ৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
চিকনমিয়া বলেছেন: ইয়াকুত নামডা ভালা লাগেনাই :( . তয় আফনের লেকাডা ভালা লাগচে
আরো দেন এইরম


ভালোবাসা বলিয়া কিচুই নাই
মাইনাচ
৩৫. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:০৫
ফেরারী পাখি বলেছেন: ওরে কত্ত বড় সাধনা করিলে, চিকন মিয়ারে আমার বাড়িতে পাওয়া যায়---------রে

আমার বাড়িতে তৈলাসা।

একটু আগে আম্নের বাড়িতে ঘুরলাম।

আম্নেও নাই তাজিন সানও নাই। তাজিন লিখসে আর আপ্নে কম্ন্টোন নাই, এই রকম দেহি নাই।

দুইজনরেই খুবই ভালা পাই।

ভালো থাইকেন জেডা (সবাই বলে)
৩৭. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১১
চিকনমিয়া বলেছেন: এই লেকাডার পরের পর্ব দেন আফা
৩৮. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১৫
ফেরারী পাখি বলেছেন: কিরুম পর্ব চান--------- অতঃপর তাহারা সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিল নাকি এট্টু ঝাল টক?
৪০. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:২৯
ফেরারী পাখি বলেছেন: আমার বাড়িতে আম্নের বারবার ভরমনে আমার চোখে আনন্দে জল আসিতেছে। এই সময় তাজিনরেও বড্ড মিস করিতেসি।

দিমু মানে খুবই চেষ্টা করমু।

ভালো থাইকেন। আর পার্লে আমার খোঁজ খবর এট্টু রাইখেন।
৪১. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
রাতমজুর বলেছেন: ব্লগ লিক্তেছেন: ১ বছর ৪ সপ্তা, এত বুইরা ব্লগার আপনে, একটা চেহারায় একটা খোমা ঝুলান না ক্যালা?
(গরম মসল্লা, মানে ঝাড়ি সহযোগে)
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: নামকরা ব্লগের হার্টথ্রব ব্লগার রামুরে দেইখাই তো শিখছি। হের চেহারায় কিছু নাই অন্ধকার।


চেহারায় খোমা কেমনে ঝুলায় বিশেষ জানিনা।

৪২. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৮
চিকনমিয়া বলেছেন: তাজিন আফারে মিচ করি:( আফার লগে কতা হইচিলো কয়দিন আগে, আফায় ব্যাপক বিজি :(

আফনেও ভালা থাইকেন, তয় পুষ্ট দেন , পড়তাম চাই
৪৩. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
চিকনমিয়া বলেছেন: ঠিকাচে আফা খোজ খবর নিমু :)
৪৪. ০১ লা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১১
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
চিকনা, তুই কি শাপ্লাপুর কাছে বিচার দেছ আমার নামে আসিনা বইলা? X(
০১ লা জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬

লেখক বলেছেন: গতরাতে আমি যে কার মুখ দেখেছিলাম, আল্লাহই জানে। এত সৌভাগ্য কই রাখি------------------

ধন্যবাদ তাজিনসান।

সেদিন ফোন করেছিলাম। রিং হল কেউ ধরল না।

কতদিন হয়ে গেল, তোমার হাসিমাখা মুখটা দেখি না।

৪৫. ০১ লা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১১
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
লেখিকা, প্রেমের গল্প পড়লে শুধু প্রেম করতে ইচ্ছা করে। আমার কী দোষ?
০১ লা জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: হুম তোমার রিয়েল প্রেমের কাছে আমার এইসব গল্প সবই ভূয়া।

দেবে নাকি একখানা অরিজিনাল প্রেমের পোষ্ট ;)

৪৬. ০২ রা জুন, ২০০৯ ভোর ৪:০৫
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

সুন্দর গল্প । তেমন সুন্দর, যেমন সুন্দর কল্পণায়, স্বপ্নে নায়িকারা এসে যায়, শুধু বাস্তবে কদাচ ঘটে..এমন সুখকর ঘটনা । বাস্তবটা যে বাস্তব, একটু বেশীই কঠিন ।


২১ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:১৩

লেখক বলেছেন: দিলাম ভাইডি।

৪৮. ২৬ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
েজবীন বলেছেন: :) ইয়াকুত নামটা শুনিনি আগে..... মেয়ের তো মাশাল্লাহ সাহস!! ...

ভালো লাগছে গল্পটা
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: হুম ইয়াকুত নামটা শোনানোর জন্যই তো এত আয়োজন। আজ থেকে ২০ বছর আগে শুনেছিলাম নামটা, তারপর আর শুনিনি।

৪৯. ২৭ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
নীরজন বলেছেন: শোন মেয়ে, আমি ভুল করে নয়- সত্যি সত্যি স্বর্গচ্যূতি চাই।
যাবে আমার সঙ্গে?

+++++++++++++
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: আমার বাড়িতে স্বাগতম এবং +++++++++++++++++ধন্যবাদ।

১৮ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ র হাসান।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২২২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমারে না যেন করি প্রচার আমার আপন কাজে

তোমারি ইচ্ছা করো হে পূর্ণ আমার জীবনমাঝে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই