আমার প্রিয় পোস্ট
- মেঘনা নদীর নামকরণ প্রসঙ্গে - ইমন জুবায়ের
- একদিন, দেখে নিও! - সুলতানা শিরীন সাজি
- পরীর দেশের বন্ধ দূয়ার দেই হানা মনে মনে.......... - অপ্সরা
- ক্ষণজন্মা নক্ষত্রদ্বয় তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীর’র স্মৃতিতে সামহোয়্যার পরিবারের শ্রদ্ধার্ঘ,তোমাদের অন্তর্যাত্রা শান্তিময় হোক... - আমিই রাকিব
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- কি করে বাংলাদেশে নির্মিত হল সহস্রাধিক বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞাপন ::: নোবেল , বিজরী ,শাহরুকীদের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার - মেহরাব শাহরিয়ার
- বাতিওয়ালা! যে আমার নিজেরই অচেনা ছায়া - সুলতানা শিরীন সাজি
- কণা এবং তার প্রিয় বন্ধু ডায়েরি - হাসান মাহবুব
- এ্যাকশন মুভি বিষয়:সেরা দশ(মিডিয়াফায়ার লিংকসহ)। এগুলি না দেখলেন তো আর কি দেখলেন - আদনান_ফিরদাউস
- অন্য রকম মজার তিনটি মুভি ............ ( পর্ব - ১ ) ( ডাউনলোড লিঙ্ক সহ ) - নিশাচর ছেলে
- বৃত্তাচার - শ্রাবনের ফুল
- ছড়াকাব্য - ৪ - কালপুরুষ
- ছবি ব্লগ: আগুনের রঙ - পারভেজ
- পশুরা যখন মানবাধিকারের কথা বলে - তখন কানে খটকা লাগে : আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন (কপি পেষ্ট) - ডিস্কো ঘোড়া
- আমার আঁকা ছবি ও কিছু কথা - আরিয়ানা
- এবার বসন্তে মন্তত্রম্বল্য বেড়ানো................ - সুলতানা শিরীন সাজি
- গ্রিক মিথ: ফেড্রা - ইমন জুবায়ের
- গ্রিক উপকথার সেই ‘এ্যামাজন’ নারী যোদ্ধারা - ইমন জুবায়ের
- নস্টালজিয়া - পারভেজ
- উদ্ধরণ - আকাশ অম্বর
- গল্প: পাপ - ৮ (শেষ) - স্বদেশ হাসনাইন
- প্রতি: কেউ কথা রাখে নি - স্বদেশ হাসনাইন
- আকুতি - কালপুরুষ
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ( সেনা, নৌ, বিমান ) র্যাংক সমূহ - তালহা তিতুমির
- নরক - কল্প গল্প - পারভেজ
- মুখোশ- ছোট গল্প - পারভেজ
- এইটা একটা ভুতের গল্প হতে পারতো!! - আকাশচুরি
- দ্বিতীয় বিপ্লব বা বাকশাল : শুনুন বঙ্গবন্ধূর মুখেই - অমি রহমান পিয়াল
- "উত্তর বঙ্গের কবিতা" থেকে কবিতা-৫ - মেঘ শূন্য দিন
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- (বাংলা) শব্দ-রাজ্যে অভিযান (২): অয়োময় - ম্যাভেরিক
- বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পোস্টারের বিশ্বের ৩৫ নারী মুখ -১ম পর্ব - হুতুম পেঁচার নকশা
- [Khona] খনা, জনভাষ্যে মিশে থাকা আমাদের লোকভাষ্যকার…।১ম পর্ব |-(রিপোস্ট সংরক্ষণ) - রণদীপম বসু
- উইকিপিডিয়ায় ভাষা আন্দোলন - আর একটি কিশোরের স্বপ্ন - রাগিব
- ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা। - নরাধম
- জোনাকরোড! জোনাকরোড!! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- পছন্দের কয়েকটি রাগ (সংগীত) - মে ঘ দূ ত
- এ শালার বাঙ্গাল ব্যড়া ঘাউরা চিজ হ্যায় না? - রাগ ইমন
- থ্রি ইডিয়টস ও স্লামডগ মিলিয়নেয়ার: অতি প্রচারণার কাছে পরাজিত "কোয়ালিটি" - ফারহান দাউদ
- শার্লক হোমস ২০০৯ - ফুল মুভি ডাউনলোড লিঙ্ক (আপডেটেড) - ~স্বপ্নজয়~
- জলপরী - অপ্সরা
- তোমাকে শুনলাম আজ বহুদিন পর............. - সুলতানা শিরীন সাজি
- তিন গোয়েন্দা (কিশোর, মুসা, রবিন) মনে আছে তো? এইবার মুভি দেখেন
- বিডি আইডল
- মুভি ব্লগ: ২০ বছর আগের দেখা পাঁচ ক্লাসিক - শওকত হোসেন মাসুম
- ছাদের কার্ণিশে কাক - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১৮ > ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুমিছিল - মনজুরুল হক
- লিরিকঃ যেভাবে আমাদের গল্পগুলো শীতল হয়ে ওঠে - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- সানশাইনঃ সূর্যস্নানের মানবিক ছবি - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডসঃ ওয়ান্স আপ’ন এ টাইম, ইন নাৎজি অকুপাইড ফ্রান্স - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ভালোবাসা ( রম্য গল্প ) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- 'ছুটির নিমন্ত্রণে আতসী' - ত্রেয়া
- আবোল তাবোল-৮ (জীবনের গল্প) - তায়েফ আহমাদ
- মুক্তগদ্য: ডেকালগ এবং আমরা ফিরে যাবো শুধু বিপরীত অশ্রুজল - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১৬ > ঘন কুয়াশায় দুটি প্রাণের বিসর্জন - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১৭ > যুদ্ধ বিভীষিকার বাইরের সেই মানুষগুলি - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১৯ > কেঁপে ওঠা মাটিতে-বাতাসে বারুদের গন্ধ - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ২০ > শুরু হলো মরণপণ লড়াই - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ২১ > সেই রাতে যেন কেয়ামত নেমে এসেছিল - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < শেষ পর্ব > চিৎকার করে বলতে পারছিনা যে আমি আমার শৈশব হারিয়ে ফেলেছি..... - মনজুরুল হক
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১৪ > শত শত মানুষের মৃত্যু আর বিভৎসতার গল্প....... - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১৫ > যুদ্ধ বাড়ছে...রাজাকাররা দলত্যাগ করছে... - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১৩ > ক্রমেই মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে... - মনজুরুল হক
- শ্রদ্ধাঞ্জলি: সাধু টেলিমেকাস - ইমন জুবায়ের
- আমি শত্রু চিনি মাগো তুমি ঘুমাও নির্ভয়ে উৎসর্গ: সামইন টিমকে, জন্মদিনের উপহার হিসেবে - অন্যমনস্ক শরৎ
- *দেড়ফুটি কোঁকড়া চুলওয়ালী আর লাল সবুজের স্বপ্ন ...* - অনন্ত দিগন্ত
- স্ক্রীপ্ট রাইটিং পর্ব-দুই : ফরম্যাট, হেডিং, ডিরেকশন, ক্যামেরা শট - রন্টি চৌধুরী
সহজে ছবি এবং গান থেকে ভিডিও তৈরি করা
- সফট আইটি
- আলো ঝলমল, পানি টলটল, ঐ শাপলা দিঘীর কাছে , আমার অনেক ঋণ আছে - অপ্সরা
- গল্প: এক ধরনের নির্লিপ্ত মানুষ - ইমন জুবায়ের
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ৪ > আশ্রয়হীনের আশ্রয় খুঁজে ফেরা - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ৩ > নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি > ২ > আমরা ছুটে চলেছি অচেনা গন্তব্যে.... - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি< ১ >আল্লারাখা তোমায় ভুলিনি বন্ধু!! - মনজুরুল হক
- পারভার্ট! পারভার্ট! - আকাশ অম্বর
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয় > দ্বিতীয় পর্ব। - মনজুরুল হক
- আজ পেলাম ১৭০০০+৬০০ বই সম্পূর্ণ ফ্রি ।। আহা কী আনন্দ... !!! - পান্থ বিহোস
- টুনি গল্প > প্ল্যাটফর্ম এবং একজন অরুণিমা > - মনজুরুল হক
- মনে পড়ে অনুপমা! হারানো সেই সবদিন ........ - সুলতানা শিরীন সাজি
- যে লেখাগুলো প্রিয়তে নেয়া হয়নি... - ভেবে ভেবে বলি
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সিনেমা :: হতাশা , ক্ষোভ আর কষ্টের উপাখ্যান - মেহরাব শাহরিয়ার
- একজন লাখপতির উপঢৌকন!
- অপ্সরা
- কেককাহন - নুশেরা
- Qualia - আকাশ অম্বর
- আমার ছোট মার জন্মদিন আজ - শওকত হোসেন মাসুম
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- আপুনিদেরকে ভালোবেসে এই ঈদে......... - অপ্সরা
- মেজর নাজমুল হক : অকৃতজ্ঞ জাতির এক অচ্ছ্যুৎ সেক্টর কমান্ডার - অমি রহমান পিয়াল
- আমার গান, আমার মান্না দে...
- ভেবে ভেবে বলি
- Wish you were here-'RICK' (1943-2008) - ফয়সালরকস
- মাডি ওয়ার্টাস: অবিস্মরণীয় এক Blues মিউজিশিয়ান ... - ইমন জুবায়ের
- প্রকাশিত হল ই-সংকলন 'ব্লগারদের প্রিয় কবিতা' - ব্রিগেড সিক্সটিন
* ~ * আমি আবার বই পোকা হব * ~ *
- বাবুনি সুপ্তি
- ফটো ব্লগ -- ঘুরে দেখা চারপাশ -- পর্ব : ৫ -- নাটোরের রাজবাড়ী হয়ে পাবনার পথে - রোহান
- অনলাইনে পাওয়া জীবনানন্দ দাশের সব কবিতা - র হাসান
- প্রার্থনা - আকাশ অম্বর
- হ য ব র ল - আকাশ অম্বর
- যানজট নিরসন নিয়ে কিছু আবোল-তাবোল 'ডিজিটাল' ভাবনা - জ্বিনের বাদশা
- মেঘপঞ্জিকা - সিনেমাকথন ১৪ - মে ঘ দূ ত
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- বেবি এ্যালবাম - অপ্সরা
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- যে ছবি যায় দাগ কেটে মনে - রাগ ইমন
- একজন অভিনেতা, কিছু মুভি রিভিউ এবং আমার পাগলামি- ১
- ভেবে ভেবে বলি
- কবিতা বিষয়ে মহাত্মা ফরহাদ মজহার এর একটা লেখা: কবি ও স্বরস্বতী - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- Internet Download Manager 5.17 ফুল ভার্সন
- দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- শব্দরাজ্যে অভিযান (২৬): Narcissism ! - ম্যাভেরিক
- এশিয়া-আফ্রিকার মানচিত্র - তাজা কলম
- হলিউডের সেরা আইনি লড়াইগুলি - অপরিচিত_আবির
- || মায়াকল্প || [৪] - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- ছোটগল্প : আমার মৃত্যু পরবর্তী চিঠি - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- হাস্য উৎপত্তি - আকাশ অম্বর
- Rain Sound By Clapping - মে ঘ দূ ত
- প্রতিক্রিয়াশীলতার দীর্ঘতর ছায়ার নিচে - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- বঙ্গ দেশের প্রথম বাঙ্গালীর মহাকাশ অভিযানের বিবরণী - আনোয়ারুল আলম
- সীড ব্যারেটঃ শাইন অন! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- অটিজম নিয়ে কিছু কথা - নুশেরা
- পিটার কাস্টার্স : এক রহস্যময় বিদেশীর গল্প - অমি রহমান পিয়াল
- সিরাজ শিকদার ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা- শেষ পর্ব - অমি রহমান পিয়াল
- দালাল বুদ্ধিজীবি বিষয়ক একটি উদ্দেশ্যমূলক পোস্টের জবাবে - অমি রহমান পিয়াল
- একটি আইরিশ মিউজ:: উৎসর্গ: আকাশ অম্বর - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- বিবর্তনের কণ্টক - আকাশ অম্বর
- কিছু লালন ও গিন্সবার্গের লালনপ্রীতি - আকাশ অম্বর
- পোকা-মানব - আকাশ অম্বর
- একজন ‘মৃত’ ব্যক্তির গল্প - শওকত হোসেন মাসুম
- একেকটি সত্য ঘটনা নিয়ে একাধিক পছন্দের ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- বড়দের সেরা ২০ ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- । ইয়োগা: সুদেহী মনের খোঁজে |২৪| আসন: গোমুখাসন। - রণদীপম বসু
- প্রতিকাব্য : হাতখরচের জন্য রেখেছি কিছু জংলীফুল - শূন্য আরণ্যক
- তোমাদের জন্য - অপ্সরা
- ওয়েষ্টার্ন মুভির পোষ্ট | চর্বিত চর্বন নয় আশাকরি - শূন্য আরণ্যক
- জগলুল আর তার কীর্তিনামা । একজন মুগ্ধ মুভি দর্শকের উপলব্ধি - শূন্য আরণ্যক
- রঙ যেন মোর মর্মে লাগে, আমার সকল কর্মে লাগে - অপ্সরা
- তুমি নও চাঁদনি-রাতের সেই বাঁশরিয়া - নাজনীন খলিল
- দর্শকদের সরাসরি অংশগ্রহনে তারকা কথন (আজকের অতিথী সাঁঝু) - কঁাকন
- "বৃষ্টি পায়ে পায়ে" - শুভমিতার কয়েকটি গান - মে ঘ দূ ত
- আনোয়ার কবির উবাচ : এক দুঃসাহসীর কথকতা - অমি রহমান পিয়াল
- আমার পড়া একুশটি ভালো বাঙলা-উপন্যাসের তালিকা-২ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- কোরিয়ান ছবির নাম 'বান্ধবী' - ফাহমিদুল হক
- জবানবন্দী - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- মীথবাজিঃ সিসিফাস ২ - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- গল্প: ঝাঁপতাল - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- তপুর গল্প - ভাঙ্গা পেন্সিল
- গণিতের সাহায্যে সিংহ শিকার - ম্যাভেরিক
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুইপা ফেলিয়া........... - অপ্সরা
- বাংলা বানান নিয়ে যারা সমস্যায় আছেন, তাদের জন্য - ত্রিভুজ
- দিনের আলো সঞ্চয় (Daylight Savings Time -DST)........অতঃপর - চিটি (হামিদা রহমান)
- মীথবাজিঃ সিসিফাস ১ - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- ছোটগল্প: কালিদহের কূহক - আকাশচুরি
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- ছোটগল্প: কায়েসের আত্মহত্যা পরবর্তি বিভ্রান্তি সমুহ - আকাশচুরি
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ইয়োগা: সুদেহী মনের খোঁজে |১৫| আসন: শশঙ্গাসন। - রণদীপম বসু
- আমার দেখা সেরা গ্যাংস্টার মুভিগুলো - অপরিচিত_আবির
- জুলিয়ান ভিগোর লেখা > মাইকেল জ্যাকসন : খ্যাতি, অবিচার আর কুৎসার বিষে মৃত্যু যাঁর - ফারুক ওয়াসিফ
- *||* ~অনন্ত দিগন্তের বর্ষপূর্তি পোষ্ট : এই দিন, সেই দিন ~ *||* - অনন্ত দিগন্ত
- আমার বান্দরবেলা..............৬ - তামিম ইরফান
- ফুলের নাম - Farewell-to-Spring (বসন্ত বিদায়???) - রাজামশাই
- খুব সহজেই ফেইসবুকের ভিডিও সংরক্ষন করুন আপনার হার্ডডিস্কে ! - তারেকবিডি
- বেঁচে থাকো সর্দিকাশি - সৈয়দ মুজতবা আলী (শেষ অংশ) - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- তোমার আমার এই যে বিরহ একজনমের নহে - অপ্সরা
- কি হালে বেঁচে আছে আমাদের শিশুরা > শুধু পেটের দায়ে ৩৫ লাখ শিশুশ্রমিক অমানবিক শ্রমে নিয়োজিত > - মনজুরুল হক
- এসো বই পড়ি!!!
- নাফিস ইফতেখার
- প্রেস জোকস-৩
- বিপ্লব রহমান
- মুভি ব্লগ: তিন ভাষার তিন ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন মা'কে বাঁচাই আর মা'য়ের স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রাখি - মিলটন
- মূর্তি লইয়া আমার প্রামান্য কথন ১৪: অপরাজেয় বাংলা - লাল দরজা
- সামহোয়্যারে বাংলা বানান বিভ্রাট: চাই একটু সচেতনতা - ফারহান দাউদ
- বিবাহ সংক্রান্ত পুস্ট (জুন মাস স্পেশাল
) - শওকত হোসেন মাসুম
- ইট হ্যাপেন্ড ওয়ান নাইট : (সিনেমাখোর পোষ্ট) - রন্টি চৌধুরী
- নজরুল সঙ্গীতের কিছু ভালোলাগার কলি ও জীবনের কিছু চাওয়া পাওয়া - অপ্সরা
- এইটা একটা ব্যাপক উদ্দীপনামূলক পুস্ট - শওকত হোসেন মাসুম
- হিসেব - কালপুরুষ
- দ্যা ৪০০ ব্লোজ : (সিনেমাখোর পোষ্ট) - রন্টি চৌধুরী
- যাই বল না - তনুজা
- পরম্পরা (২) - তনুজা
- পিছনে পায়ের দাগ রেখে আসি - নাজনীন খলিল
- জঙ্গি মিজানকে না মেরে গল্পটা শুনুন, কাজে আসবে ... - আশীফ এন্তাজ রবি
- এন্টি গল্প > পেটকাটি চাঁদিয়াল > পর্ব-৩ > - মনজুরুল হক
- Split Personalities:: আপনি সুস্থ আছেন তো? - আইরিন সুলতানা
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- সুরক্ষা - কল্পগল্প - পারভেজ
- মাননীয় অর্থমন্ত্রী, আইএমএফকে না বলুন - শওকত হোসেন মাসুম
- এত রঙ দেখে কে বলবে নানা কষ্ট আর না পাওয়ার দেশ আমার বাংলাদেশ?( পহেলা বৈশাখের ছবি ব্লগ) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- কখনো আমি কেউ ছিলামনা - নাজনীন খলিল
- স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কর্পোরেট ফাজলামি : শেষ কোথায়? - ফারহান দাউদ
- নারী দিবসে হেঁশেলছাড়া নারী পেলেন ‘রাঁধুনী’র পুরস্কার - ফাহমিদুল হক
- তিনটি ভিন্ন ঘটনা > তিনটি পরম্পরা > অতঃপর দে গরুর গা ধুইয়ে - মনজুরুল হক
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচীর দ্বিতীয় পর্যায়ে পদার্পন এবং আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত গৃহিত কর্মসূচী - মনজুরুল হক
- রঁদেভু - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- গল্পটি আপনি কিভাবে শেষ করবেন? - জ্বিনের বাদশা
- প্রকৃতি ও রঙ - ছবি ব্লগ - পারভেজ
- প্রকৃত অনুভূতির চরিত্র বিষয়ক - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- বিরোধী দলের থেকে ডেপুটি স্পিকার হইলে কি লাভ হইবে? - জ্বিনের বাদশা
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস তুলে আনতে চাই ব্লগে। সবাই লিখুন, আসুন ব্লগকে কাজে লাগাই ভিন্ন মাত্রায় - শওকত হোসেন মাসুম
- ওয়েস্টার্ন মুভি: এ ফিস্টফুল অফ ডলারস - দূরন্ত
- ভালোবাসার রঙেরা- সমাপ্তি পর্ব - পারভেজ
- যুদ্ধাপরাধ, যুদ্ধাপরাধী : জেনে নিন, চিনে নিন - আইরিন সুলতানা
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- সুপ্ত অক্ষমতা: শিশু ও আমরা - ৪ - নুশেরা
- আসেন, এমনি এমনিই একটু মিষ্টি মুখ করি ...
- আইরিন সুলতানা
- দিনলিপি ৯: ঈর্ষা এবং ক্রোধ - ফারহান দাউদ
- এন্টিগল্প > বিটার মুন > পার্ট থ্রী - মনজুরুল হক
- আল্লাহর দোহাই এই বাচ্চাটাকে আমাদের বাঁচাতে হবে - লাল দরজা
- একাত্তরের এই দিনে (১৩ নভেম্বর) - বিষাক্ত মানুষ
- পুঁজিবাদী পোস্ট: টাকা কামানোর সহজ উপায় - জ্বিনের বাদশা
- একাত্তরের এই দিনে (৫ নভেম্বর ) - বিষাক্ত মানুষ
- আমার জীবন পাত্র উচ্ছলিয়া - রাশেদ
- এন্টি গল্প > প্রাতঃকালে ঈশ্বরদর্শন > - মনজুরুল হক
- জ্ঞানপাপী - আইরিন সুলতানা
- তোর খেলাতে জীবন যে যায়............ - প্রতিফলন
- নৃশংসতা আর নির্মমতার এই তান্ডবের অবসান চাই! - মানবী
- পড়ে থাকা সময়গুলো........। - পারভেজ
- একটি প্রার্থনা - পারভেজ
- দিনলিপি ৬: ঈদের বাজারে ওভারব্রিজের ভেড়া - ফারহান দাউদ
- পাপবোধ সংক্রান্ত টুকিটাকি বা হেনো তেনো - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- শিরোনামহীন ০ (শূন্য) - রাতমজুর
- হারিয়ে যাওয়া দুপুর এবং পড়শীর নাকফুল - সুলতানা শিরীন সাজি
- জনৈকের কাছে জীবন-বিষয়ক প্রথম পাঠ - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- সতত জনম, মূল: মৃণাল সেন - ফাহমিদুল হক
- রুবিকস কিউব (পর্ব ৪) : রুবিকস কিউবের সমাধান: লেয়ার বাই লেয়ার - গণিত পাগল
- এক টুকরো মেঘের মত অবসর - রুখসানা তাজীন
- মেশিনগান: জন্ম ও বিবর্তন - ফারহান দাউদ
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২৮ (পূর্ণেন্দু পত্রীর কবিতা । কথোপকথন ৩৯) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
যদি এ আমার হৃদয়দুয়ার বন্ধ রহে গো কভু দ্বার ভেঙে তুমি এসো মোর প্রাণে, ফিরিয়া যেয়ো না প্রভু।

হাওয়াই জাহাজ
২৪ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:১৬
![]()
জেবুন্নেসা এই প্রথম হাওয়াই জাহাজে চড়েছেন। তিনি খুবই বিচলিত বোধ করছেন। যদিও তার সঙ্গে তার স্বামী হেলালুর রহমান আছেন। তাতে কি? তিনি ভাবতেই পারছেন না, তিনি শূন্যে কি ভাবে চলবেন? মনে মনে জানা যত দোয়া দরুদ ছিল সবই পড়ছেন। তিনি অবশ্য তার আমেরিকা শহরে যাবার সব কিছু ঠিকঠাক হবার পর থেকেই, মুরগী ছদকা দিয়েছেন। মসজিদে কুর'আন খতম করিয়েছেন। দুই দিন হাওয়াই জাহাজে থাকা তো আর কম বিপদ্দজনক নয়!
হাওয়াই জাহাজ চালু হবার পর এখন পর্যন্ত তিনি কোন ড্রাইভার দেখতে পেলেন না। সেটা নিয়ে সামান্য চিন্তায় আছেন। তিনি জীবনে যে কয়বার বাসে চড়েছেন, ড্রাইভারকে তিনি সামনেই বসতে দেখেছেন। লজ্জায় স্বামীকে কিছু জিজ্ঞাসাও করতে পারছেন না।
তিনি ভেবেছিলেন, জাহাজটা যেহেতু এত বড়, বসার জায়গা গুলোও নিশ্চই অনেক সুন্দর আর বড় বড় হবে। কিন্তু না। বয়সের ভারে নূব্জ্য তার শরীর নিয়ে বসতে একটু কষ্টই হচ্ছে। সেটাও তিনি তার স্বামীকে বলেননি। এম্নিতেই মানুষটা নানান চিন্তায় জর্জরিত, তার উপর আবার এসব ছোটখাটো সমস্যার কথা বল্লে নিশ্চই বিরক্ত হবেন। বয়স হলে মেজাজা সামান্যতেই চড়ে যায়।
জাহাজ আকাশে ওঠবার কিছু ক্ষণের মধ্যেই হেলালুর রহমান ঘুমিয়ে পড়েছেন। এখন তিনি গুর গুর করে নাক ডাকছেন।
জেবুন্নেসার ঘুম আসছে না। তার কান মাথা ভোঁ ভোঁ করছে জাহাজের শব্দে। তিনি মনে মনে আল্লাহকে বেশী করে ডাকছেন।
অনেক ছোটবেলায় মাঝে মাঝে তাদের গ্রামের উপর দিয়ে হাওয়াই জাহাজ গেলে, তিনি তার ছোটভাইটিকে কোলে নিয়ে আরও কিছু সঙ্গী সাথী জুটিয়ে ছুটতেন মাদ্রসার মাঠে সেই জাহাজ দেখবেন বলে।
আর দেখেছেন যে বছর গন্ডোগোল হল, সেই বছর। কোন কোন জাহাজ থেকে আবার আগুনও ফেলা হতো। এ কথা তিনি শুনেছেন। তবে তাদের গ্রামে কখনও আগুন ফেলা হয়নি। তাদের গ্রামে আগুন ফেলার কোন দরকার ছিল না। এম্নিতেই মিলিটারীরা সব পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছিল।
এ এমন এক স্মৃতি তার যতবার মনে হয়, তিনি ততবারই চোখ মুছতে থাকেন।
তিনি পড়াশুনা করেছেন, পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত। পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত স্কুলে যেতেন পাল্কিতে চড়ে। পাল্কিতে চড়লেও তার মনে হত, তিনি শূন্যে ভাসছেন। আর বেহারাদের হুম হুম শব্দের সাথে আজ হাওয়াই জাহাজের বেশ মিল পাচ্ছেন। বেহারারা সব কাবুলি ছিল। তাকে আম্মিজান বলে ডাকতো। কিন্তু তাদের চেহারা কখনই তিনি ভালো করে দেখেন নি। আজ এত দিন বাদে অবশ্য এসব মনেও করতে পারেন না।
ছোট ছোট জামা কাপড় পরা একটা সুন্দরী মেয়ে তাদের জন্য খাবার দিয়ে গেল। এত সুন্দর করে সাজানো, সব অচেনা খাবার। তার খেতে খুব ইচ্ছে করছে কিন্তু হালাল না হারাম বুঝতে পারছেন না। হেলালুর রহমান কে ডাকতেও ইচ্ছা করছে না। জেবুন্নেসা আমেরিকা শহরে চলেছেন বিশেষ একজন কে দেখতে। এটা নিয়ে তিনি এবং তার স্বামী খুবই চিন্তিত। তাদের দুজনের কারোই মন ভালো নেই। এটা মনে হতেই তিনি আবার ঘন ঘন চোখ মুছতে শুরু করলেন। কেঁদে তার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। চোখে পুরু লেন্সের চশমা। গত ৩৫ বছর ধরে তারা শুধু কেঁদেই চলেছেন।
সেই যে গন্ডোগোলের বছর হেলালুর রহমান যোগ দিলেন মুক্তিদের সাথে। জেবুন্নেসা রইলেন তার একমাত্র কন্যা সন্তানকে নিয়ে স্বামীর ভিটে আঁকড়ে ধরে। গোপনে গোপনে মাঝে মাঝেই হেলালুর রহমান জেবু কে খবর পাঠিয়েছেন যে, তিনি যেন কন্যাসহ অন্য কোথাও পালিয়ে যান। কিন্তু স্বামী যদি দেখা করতে এসে তাকে না পায়, সেই ভেবে জেবুন্নেসা জীবনে একবারই স্বামী আদেশ অমান্য করেছিলেন। আর স্বামীর এই আদেশ অমান্য করার শাস্তি তিনি তার বাকী জীবন দিয়ে দিচ্ছেন।
তার বিএ পাশ স্বামী তখন পাঁচমাইল দূরের স্কুলের প্রধান শিক্ষক। অনেক লোকের সাথে তার ওঠা বসা। জেবুন্নেসা এসবের কোথাওই ছিলেন না। খুব সাধারণ জেবুন্নেসা তার একমাত্র মেয়েকে নিয়েই কাটেয়ে দিতেন সবসময়। মেয়েকে তিনি নামায শিক্ষা দিয়েছিলেন। কুরআ'ন মজিদ পড়তে শিখিয়েছিলেন। মেয়েটা তার বড়ই লক্ষী ছিল।
মুক্তিতে যোগ দেবার পর একদিন রাতে গোপনে হেলালুর রহমান কিছু সঙ্গী সাথী নিয়ে বাড়ি এসেছিলেন। তিন রাত ছিলেন। সে সময় তিনি তার এক প্রিয় ছাত্রের সাথে তার ১৪ বছরের একমাত্র কন্যার বিবাহ দেন। তার আদরের মেয়ে টিয়া মাত্র তিনদিন সংসার করেছিল। হেলালুর রহমান রা যে তিন দিন ছিলেন, শুধুই কি সব আলাপ আলোচনা করেছেন,তারপর বড় একটা অপারেশনে চলে যান।
সেই অপারেশনে সফল হয়েছিল হেলালুর রহমানের দল। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশতঃ তার একমাত্র মেয়ে জামাই সহ দুই তিনজন মিলিটারীদের হাতে ধরা পড়ে। অত্যাচারে তাদের মৃত্যু হয়।
এর দুদিন পরেই কোথা থেকে ট্রাকে ট্রাকে মিলিটারী এসে তাদের সমস্ত গ্রাম পুড়িয়ে দেয়। পুড়িয়ে দেয় তার বাড়িঘরও। আর তুলে নিয়ে যায় তার একমাত্র কন্যাকে।
এদিকে যুদ্ধ শেষ হয়। একদিন হেলালুর রহমানও ফিরে আসেন। টিয়ার কোন খবর পাওয়া যায় না।
তারপর তারা তাদের ভাঙ্গা বাড়িঘর কিছুটা মেরামত করে সেই গ্রামেই থেকে যান। মেয়ের জন্য নয়, এম্নিতেই। কারণ ততদিনে তারা তাদের মেয়ের আশা ছেড়ে দিয়েছেন।
হঠাৎ একদিন রাতে ঢাকা শহর থেকে দু তিনজন মহিলা আসেন হেলালুর রহমানের কাছে, তাদের সাথে বোরখা পরা একজনও ছিল। মেয়েটা অনেক অসুস্থ।
হেলালুর রহমান প্রথমে বুঝতে পারেননি। বোরখা পরা মেয়েটিকে ঘরে পাঠিয়ে অন্যদের সাথে তিনি বাহির ঘরে আলাপে বসেন। কথা শেষ না হতেই, হঠাৎ জেবুন্নেসার আর্তচিৎকারে তিনি অন্দরে যান। দেখেন, জেবুন্নেসা জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে পড়ে আছেন। আর তার সামনে স্থাণুর মত দাঁড়িয়ে আছে তার আদরের একমাত্র কন্যা। সাতমাসের অন্তঃসত্বা। চোখে মুখে সারা শরীরে অসংখ্য অত্যাচারের চিহ্ন। তার আদরের টিয়া।
পুতুলের মত মেয়েটার এই দশা দেখে তিনি ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন সেদিন। মেয়েটাকে তিনি মাত্র দুদিন রেখেছিলেন। এই দুদিন তিনি তার সঙ্গে একটা কথাও বলেননি। তারপর তাকে আবার ঢাকায় আগের ঠিকানায় দিয়ে এসেছেন। তিনি তার চোখের সামনে এই মেয়েকে রাখার সাহস করেননি। কিন্তু তিনি নিয়ম করে মেয়েকে দেখতে যেতেন। জেবুন্নেসাও গিয়েছিলেন দুবার। মেয়ে দেখা করেছে মা'র সাথে কিন্তু কোনদিন তার বাবার সামনে আসেনি। মেয়েটার জেদ ছিল বাপের মতই। জেবুন্নেসা আবার চোখ মোছেন।
জেবুন্নেসা যতক্ষণ মেয়েটাকে ছুঁয়ে থাকতেন, মেয়েটা শুধু চোখের পানি ফেলতো। কথা বলতো খুবই কম।
জেবুন্নেসাও সাহস পাননি, মেয়েকে জিজ্ঞাসা করতে- ওরা তাকে কি করেছিল? এই টুকু মেয়ের উপর কি ভাবে অত্যাচার করেছিল? তিনি কিছুতেই ভাবতে পারতেন না। টিয়াকে দেখে আসার পর তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকতেন। তাই হেলালুর রহমান আর তাকে কখনও নেননি।
জেবুন্নেসা শুনেছিলেন, টিয়ার একটা মেয়ে হয়েছে।মেয়েটার জন্ম দেবার সময় টিয়া তাদের মুক্তি দিয়ে চলে গেছে। হেলালুর রহমান টিয়ার মেয়েটাকেও বার কয়েক দেখে এসেছেন। তবে স্পর্শ করেননি। এটা কত বড় একটা সংকট হেলালুর রহমান কাউকে বলে বোঝাতে পারেননি।
তিনি সারাজীবন নামাজ রোজা করেছেন, আল্লাহকে ডেকেছেন। প্রতি ভোরে ফজরের ওয়াক্তে সুরা রাহমান আর ইয়াসীন তিলওয়াত করে, তবেই প্রাত্যহিক কাজ শুরু করেছেন। তবুও এক মুসলমান আরেক মুসলমানের এত বড় ক্ষতি কিভাবে করেছে- তিনি হিসাব মেলাতে পারেননি।যুদ্ধের পরে ফেরৎ এসে তিনি শিক্ষকতা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।
তিনি কখনও মসজিদে নামাজ পড়তে যাননি। যাননি কোন বিয়ে বাড়িতে। সামাজিক অনুষ্ঠানে। কোন সন্তানও নেননি। শুধু দীর্ঘক্ষণ জায়নামাজে বসে ফরিয়াদ করেছেন, "আল্লাহ তুমি এর বিচার করো।"
তিনি এখনও সুবিচার পাননি।
তার অপরাধ তিনি দেশ বাঁচাতে যুদ্ধে গিয়েছিলেন। তার অপরাধ তিনি অন্যায়কে মেনে নেননি।
কেউ তার কথা শোনবার নেই, কেউ তার পক্ষে কিছু বলবার নেই। তিনি এতটাকাল শুধু চুপচাপ চেয়ে দেখছেন-কেমন করে সব পাল্টে গেছে। সব সব সব। তাকে কেউ বলেনি, যুদ্ধ যাও। তিনি গিয়েছিলেন, প্রাণের তাগিদে। প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে। আর আজকাল এত বড় একটা যুদ্ধে কি কি ঘটেছিল, কি নৃসংশতা! কি বর্বরতা সেটা অনেকে বিশ্বাসই করতে চায় না। প্রকাশ্যে ঘুর বেড়ায় সেই সব শয়তানের দোসররা। যারা মিলিটারীকে মদদ দিয়েছিল। টিয়াকে যে ধরিয়ে দিয়েছিল, সে এখন এই গ্রামের চেয়ারম্যান।
প্রতি রাতে তিনি কাঁদেন। কাঁদেন জেবুন্নেসা। কেউ তাদের কান্না শোনেনা।
আগুনে সব পুড়ে যাওয়ায়, হেলালুর রহমানের কাছে টিয়ার কোন ছবি নেই। আর ছবি তিনি কখনও তোলেনওনি।
টিয়ার মুখটাও আজকাল তার কাছে ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে। টিয়ার মুখ তিনি যতবারই মনে করতে গেছেন,ঠিক ততবারই তিনি দুঃস্বপ্ন দেখেছেন।
দেখেছেন, টিয়া তাকে থুতু দিচ্ছে আর বলছে, "বাপজান আমারে আপনি বাঁচাতে পারেননি। ঐ শয়তানগুলারে আপনি কিছু বলেননি। ওরা এখনও ঘুরে বেড়ায়। আমি আপনারে ক্ষমা করবো না বাপজান।" টিয়ার ঘৃণা নিয়ে তারা দিন কাটিয়ে দিচ্ছিলেন দুই অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধা।
এরকম চলতে চলতে জীবন সায়াহ্নে এসে তারা দুজন একটা সুযোগ পেয়েছেন। টিয়ার মেয়েটাকে যে পরিবার মানুষ করেছে, সেই বিদেশীদের খুব ইচ্ছা, টিয়ার মেয়েটার খুব ইচ্ছা--সে তার মাতামহ- মাতামহীকে দেখবে।
টিয়ার মেয়েটা যুদ্ধশিশু। তাকে তারা দেখবেন না ভেবেছিলেন, কিন্তু টিয়ার মেয়েটার পীড়াপীড়িতে এবং জেবুন্নেসার কান্নকাটিতে শেষ পর্যন্ত হেলালুর রহমান রাজী হয়েছেন।
সব ব্যবস্থা টিয়ার মেয়েটাই করেছে। তিনি একবার চিঠি লিখেছিলেন, টিয়ার মেয়েকে এই দেশে আসতে, সে রাজী হয়নি।
অগত্যা তারাই যাচ্ছেন।
আসলে শুধু জেবুন্নেসাই নয়, তার ক্ষয়ে যাওয়া প্রায় অন্ধ দুচোখে তিনি শেষবারের মত যুদ্ধ শিশু মেয়েটার মুখে তার টিয়ার মুখটা দেখতে চান।
আহারে টিয়া!
জেবুন্নেসা হাওয়াই জাহাজে বসে হঠাৎ টের পান, তিনি এতক্ষণ দোওয়া পড়েন নাই। তিনি বারবার টিয়ার নামই নিয়েছেন।
জেবুন্নেসা ঘুমন্ত হেলালুর রহমানের একটা হাত শক্ত করে ধরে থাকেন।
জেবুন্নেসার মাথাটা ঝিম ঝিম করতে থাকে। তিনি বুঝতে পারছেন, হাওয়াই জাহাজটা আবার আগুন ফেলতে ফেলতে তার বুকের শূন্যতার উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে।
তার বুকের জমিন হয়ে গেছে শূন্য আকাশ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জুল ভার্ন বলেছেন:
শুধু জেবুন্নেসার বুকের জমিনই শূন্য আকাশ হয়ে যায়নি, জেবুন্নেসার কথা ভেবেভেবে পাঠকদেরও নিশ্চই বুকের ভিতর শুন্য আকাশ হয়েগিয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জুলভার্ন।
সঙ্গে থাকার জন্য।
লেখক বলেছেন: ভালো। তুমি কেমন আছ ভাই?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জুন।
শুভেচ্ছা রইল। ভালো থাকবেন, সব সময়।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা এক ডজন মম।
আছ কেমন ভাই?
লেখক বলেছেন: মদন অনেক দিন পর আমার বাড়িতে এলন, শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: এ লেখা যদি আপনাদের মত মানুষকে স্পর্শ করে, তবে আমার এ লেখা স্বার্থক।
বাংলাপ্রতিদিন বলেছেন:
আমরা কোনদিন আমরা হবো না।স্বার্থ উদ্ধারে আমি ই থাকবো।
লেখক বলেছেন: বাংলাপ্রতিদিন আমার বাড়িতে আপনাকে স্বাগতম।
হমম ভালো বলেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি, আমার বাড়িতে আপনাকে স্বাগতম।
হায়রে দুনিয়া বলেছেন:
হঠাৎ জীবনটা বিস্বাদ লাগা শুরু করল!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দুনিয়া। আমার এ লেখা আপনাদের স্পর্শ করে থাকলে, আমার এই লেখা স্বার্থক।
আরিফুর রেজা বলেছেন:
এত সুন্দর করে যুদ্ধ ইতিহাস লেখা যায় , তা অমার জানা ছিল না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফুর রেজা।
আপনার এত সুন্দর মন্তব্যে আমি বিনীত।
আমার বাড়িতে আপনাকে স্বাগতম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফিরোজ-২
আপনার উৎসাহের জন্য আপনকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তুমি কি এই ব্লগে আর লিখ না? তোমার সাথে যোগাযোগ করার উপায় কি?
লেখক বলেছেন: খুব তাড়াতাড়ি আমার একটা চিঠি পাবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিউটন।
রোডায়া বলেছেন:
অনেক ভালো লাগলো৷
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রোডায়া।
আপনাদের ভালো লাগাই আমাকে লিখতে উৎসাহিত করে।
তাজা কলম বলেছেন:
খুব ভাল লাগল ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাজা।
সব সময় সঙ্গে থাকেন বলে অনেক ভালো লাগে।
সব সময়ের জন্য শুভেচ্ছা।
করবি বলেছেন:
মন ছুঁয়ে গেল....।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ করবি।
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
আমার জীবনে যতগুলা আনন্দজনক অর্জন আছে তার মধ্যে একটা হলো ব্লগার ফেরারী পাখি-কে লেখার একটা প্ল্যাটফর্মের সাথে পরিচিত করে দেয়া। এটা না করলে আপনি কী জিনিষ তা আমি আর অনেকেই কখনো জানতামনা।
লেখক বলেছেন: আমার জীবনে যা কিছু প্রাপ্তি আছে, তার অন্যতম একটা হল রুখসানা তাজীনের সাথে পরিচিত হতে পারা।
ওকে খুব মিস করি; ব্লগে, ব্যাক্তিগতভাবে। আমি যখন ব্লগে আসি তখন রুখসানা ছিল সামুর অন্যতম জনপ্রিয় একজন ব্লগার। আজকের অপ্সরারর মত।
মেয়েটা কেন যে নিজিকে গুটিয়ে নিল?
তাজীন আবার লিখ, আশা করি তাতে এই ব্লগের শূন্যতা কিছুটা হলেও পূরণ হবে।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ না দিয়ে রুখসানা তাজীনকে ধন্যবাদ দিতে হবে... এই গল্পটা খুব ভাল্লাগলো!ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: হম, ধন্যবাদ তাজীনেরই পাওনা। এটা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই।
কারণ আমি গুরুমারা বিদ্যায় বিশ্বাসী নই। আমার লেখা কোন ভাবেই তাজীনের লেখার ধারে কাছের কিছু নয়।
তাইতো তাজীনকে অনুরোধ করি, আবার লিখ। আবার ফিরে এস, স্বমহিমায়।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
শ্বাসরুদ্ধ এক বর্ননা পড়ে শেষ করলাম ... অসম্ভব সুন্দর লেগেছে আপি .... তোমাকে স্যালুট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বৎস। আপনার স্যালুট বিনয়ের সাথে গৃহীত হইল।
আপনার কোন খোঁজ নাই কেন?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সমুদ্র। তোমাকেও শুভেচ্ছা রইল।
নিলাচল বলেছেন:
লেখাটা খুব সুন্দর কিন্তু ঘটনাটা খুব কষ্টের।
লেখক বলেছেন: হুম নিলাচল।
এরকম অনেক ঘটেছে আমাদের দেশ একাত্তর।অথচ আমরা সহজেই এসব ভুলে যাই তাইনা?
সাইফুর বলেছেন:
আপু কই হারাইলেন?
লেখক বলেছেন: লিখতে পারিনা, তাই এই ছাইপাশ আর লিখতে ইচছা করে না।
টুমি কেমন আছ ভাই? নতুন কি কিছু লিখেছ?
দাঁড়াও একটু সময় করে নেই---তারপর তোমার বাড়ি ঘুরব।
রোবোট বলেছেন:
প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রোবট. অনেকদিন পর আমার বাড়িতে এসেছেন, আপনাকে শুভেচছা রইল।
আরিয়ানা বলেছেন:
অসাধারন !!! একটানে পড়ে ফেললাম। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিয়ানা। আপনাকেও শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ডলুপুত্র. শুভেচ্ছা রইল।
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন:
সময় নিয়ে পড়লাম। আর সময়টা যেন একটানেই শেষ হলো।+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।
মেহবুবা বলেছেন:
মনে হল ছবির মত চোখের সামনে ভেসে উঠল সব ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহবুবা. কতদিন পর আপনাকে দেখলাম. শুভেচছা রইল।
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন:
আপনার কেউ কথা রাখেনির কবিতাটা কোথায়? আমিতো ব্যাকলিংক দিয়ে দেখি এটা নেই!! Click This Link
লেখক বলেছেন: বিল্লু। পুসকা একটা আওয়াজ দিস।
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন:
একটা হৃদয় ছোঁয়া লেখা পড়লাম। আপনার বাকি পোষ্টগুলো পড়তে হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্বদেশ। শুভেচ্ছা রইল।
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি । বড়দের কাছে সেই সবদিনের ঘটনাগুলো শুনলে অনুভব করতে চেষ্টা করি সেসময়ে তাদের মানসিক অবস্থা, স্বজন হারানো মানুষগুলোর কষ্ট । শিউরে উঠি যুদ্ধের বীভৎসতা চিন্তা করে। লেখাটা পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রক্তিম কৃষ্ণচূড়া।
আমিও যুদ্ধ দেখিনি। আমার বাবা-চাচা সরাসরি যুদ্ধ করেছেন। আমার নিরীহ বড়মামাকে মিলিটারীরা গুলি করে মেরেছে। আমরা লঅশ পাইনি।
আমার জন্য যুদ্ধের ভয়াবহতাটা আরও বেশী নিবিড়।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















