১ম ঘটনাঃ
ভদ্র মহিলা একজন ডাক্তার প্রফেসর, ইফতার শেষ করে এক আত্মীয়কে দেখতে যাবেন বলে চার বছরের নাতি কে নিয়ে বের হলেন। বেইলী রোডে এসে গাড়ি জ্যামের জন্য আস্তে আস্তে চলছিল। ৩-৪ জনের এক দল মানুষ পুলিশের পরিচয় দিয়ে ড্রাইভার কে গাড়ি সাইড করতে বলে। ড্রাইভার নামলে কিছু বকাঝকা, কিছু কাগজ পত্র চেক করে একজন ড্রাইভারের সাথে থাকে, বাকী ২-৩ জন তারপর আসে পিছনের জানালা বরাবর। শুরু করে ভদ্র মিহিলার সাথে কথপোকথন। প্রথমেই তুই তোকারি করে বলে তোর স্বামী স্বর্ণের ব্যাবসার আড়ালে দুই নাম্বারী ব্যাবসা করে। গাড়িতে নিশিদ্ধ মাল আছে, আমাদের কাছে ইনফরমেশন আছে। এই বলে তারা গাড়ি চেক করে। তারপর ডাইরেক্ট একশন, একজন পিস্তল বের করে জানালা দিয়ে মহিলার দিকে তাক করে বলে হাতের চুড়ি আর কানের দুল গুলি খুলে দে। গহনা গুলি নিয়ে এবার ড্রাইভারকে বলে গাড়ি চালিয়ে চলে যা, কোন আওয়াজ করবি না, আর ভদ্র মহিলাকে বলে আর এদিক ডিয়ে আসবি না। ভদ্র মহিলা বিধস্ত হয়ে বাসায় ফিরেন। আর ছোট বাচ্চাটি যে ভয় পেয়েছিল তাতে রাতে তার জ্বর চলে আসে আর বমি হয় কয়েকবার।
২য় ঘটনাঃ
ভদ্রলোক ফরিদপুর শরে থাকেন, মোটামোটি মানের একটি চাকরি করেন। জমানো টাকা দিয়ে একটি ভাল মানের মটর সাইকেল কিনেছেন, খুব শখের জিনিস। বড় ভাই কাজে ফরিদপুর আসবে সকাল বেলা, তার শখ ভাইকে নিজের হোন্ডায় করে নিয়ে আসবে। তাই সেহেরী খেয়ে নিজের মটর সাইকেল নিয়ে রওয়ানা হয় ভাঙ্গা মোড়ের দিকে। গ্রামের বাড়ি থেকে ভাইকে নিয়ে আবার ফরিদপুর ফেরত আসবে। কিছুদূর যেতেই কাগজে “পুলিশ” লিখে সাটিয়ে রাখা একটি মাইক্রোবাস থেকে তাকে থামতে বলা হয়। গাড়ির কাগজ চেক করার নামে তিন জন এসে দাঁড়ায় পাশে। কথা বলার ফাকে একজন মাথার পিছনে বাড়ি মারে কোন শক্ত লোহা জাতীয় জিনিস দিয়ে। পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান তিনি। সেই ফাকে মটর সাইকেল নিয়ে চম্পট দেয় “পুলিশ” পরিচয়ের ছিনতাইকারী। পরে বেলা হলে লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতেলে নিয়ে ভর্তি করে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


