কি শান্তির জীবন! বাব-মা ব্যাস্ত রোজগারের কাজে, সেটা তো আমার ভাবনার বিষয় নয়! আমার বিড়াল থাকলেই হলো!
চরম বাস্তবতা। নেতা-নেত্রিদের বক্তব্যে উন্নয়নের জোয়ার বইলেও রাস্তায় পাওয়া যায় এ ধরনের ছবি। একজন মধ্যবয়সী মহিলা ব্যাবসায়ীদের ফেলে দেয়া নষ্ট শব্জীর স্তুপ থেকে ব্যব হার উপযোগী সব্জি খুজছে..কিছু পেলে তার পরিবারের সদস্যদের মুখে তুলে দিবে।
বাচ্চাদের খেলার মাঠ এক দুর্লভ বস্তু এখনকার তিলোত্তমা শহরে। এখান শিশুগুলি সেদিক থেকে একটু ভাগ্যবান নয় কি?
একটু নীচু পেশায় নিয়োজিত মানুষদের আমরা কত সহজে অবগ্গা ভরে তুই বলে সম্মোধন করি। বাবার মত বয়সের একজন রিক্সাওয়ালা কে নির্ধিদায় তুই বলি। তাডের জন্য কিূ করতে না পারি, ভালভাবে সম্মোধন কি করতে পারি না?
এই শহর জীবনেও একটি প্রকৃতির ছোয়া। সবুজ লেক ভর্তি সাদা বকের সারি!
ক্লাস থ্রী তে পড়া দীপায়ন কে প্রায়ই তার বাবার জুতা-মেরামতের দোকানে এসে বসতে হয় জীবিকা ও পড়ার খরচ চালানোর জন্য। বাবা-ছেলের বুকে অনেক আশা, একদিন পড়াশুনা করে ভাল কোন পেশায় নিয়োজিত হবে। তবে ভবিষ্যতই বলতে পারবে তার এই আশা পুর্ণ হবে কিনা।
ছবিগুলোর বিষয়ে আপনার মতামত দিলে খুশী হবো।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


